ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ২১ অক্টোবর ২০২১ ২১:৫৫499966
  • আহা ৪৫০০ বছর মানে হল গিয়ে ২৪৭৯বিসি। মানে তখন মিশরে দিব্বি পিরামিড বানানো চলছে। গিজার পিরামিডের বয়স ওরকমই। ভারতে আর্য মাইগ্রেশান বোধয় ১৫০০-৫০০ বিসি। 
    তা ওই হবে হয়ত গিজা থেকেই একখন্ড পাথর এনে দুগগা বানিয়ে পুজো হয়েছিল। 
     
    ল্যাদোষের স্যুইমলেন আর এককের টিয়াকে কেউ ডাইনো বলে না হচ্ছে এই থ্রেডের শ্রেষ্ঠ মন্তব্য।
  • দীপ | 2402:3a80:196b:9706:2347:d41d:1d15:eabd | ২১ অক্টোবর ২০২১ ২২:১৬499967
  • lcm | ২১ অক্টোবর ২০২১ ২২:২২499968
  • দ,
    হ্যাঁ, মিশররে প্রথম পিরামিড ঐ সময় নাগাদ।

    দীপ,
    এই ছবি দুটো কিসের? বাঁ দিকের ছবিটা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। ডান দিকের ছবিটা দেখে দূর্গা মনে হচ্ছে, ভবানীপুরের বকুলবাগানের পুজোয় এরকম মূর্তি করেছিল একবার, কোনো বিখ্যাত শিল্পীর তৈরী। 
  • দীপ | 2402:3a80:196b:9706:2347:d41d:1d15:eabd | ২১ অক্টোবর ২০২১ ২৩:০৭499969
  • বাঁপাশের মাতৃকামূর্তি বর্তমান তুরস্ক থেকে পাওয়া গেছে। গবেষকদের মতে এটি মোটামুটি খ্রিস্টের জন্মের ৭০০০-৭৫০০ আগে নির্মিত হয়েছে। 
     
    বিদ্যানিধি মহাশয় আকাশের নক্ষত্রগুলির আপাত সরণ গণনার মাধ্যমে বৈদিক যুগ নির্ণয়ের চেষ্টা করেছেন। তাঁর মতে ঋকবেদের সময়সীমা খ্রিপূ ৪০০০-৪৫০০ , যজুর্বেদ ২৫০০-২০০০ খ্রিপূ। যজুর্বেদের রুদ্রযজ্ঞ বিভিন্ন রূপে বিবর্তিত হয়ে বর্তমান দুর্গাপূজায় রূপান্তরিত হয়েছে, এটিই বিদ্যানিধি মহাশয়ের মত।
    ইতিহাসের সময়সীমা নিরূপণের বিভিন্ন পদ্ধতি আছে, তাই একাধিক মত থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
    আর আর্য আগমন তত্ত্ব বর্তমান ঐতিহাসিকদের দ্বারা যথেষ্ট সমালোচিত। আর্য বলে কোনো জাতি ছিলনা।‌ ভাষাতত্ত্বের দিক দিয়ে বর্তমান ঐতিহাসিকদের মতে এটি ইন্দো-ইউরোপীয়ান ভাষাগোষ্ঠী। এদের মধ্যে একাধিক গোষ্ঠী ছিল, এবং অসুর গোষ্ঠী এই ভাষাগোষ্ঠীর অন্যতম শাখা, তাঁরা মধ্যপ্রাচ্যে বসতি স্থাপন করেন।
     
    প্রসঙ্গত মনে করিয়ে দিতে চাই, বঙ্কিম রাজতরঙ্গিণীর সাহায্য নিয়ে মহাভারতের সময়সীমা নির্ণয় করার চেষ্টা করেছেন। তাঁর মতে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ মোটামুটি খ্রিপূ ১৪০০-১৫০০ এর মধ্যে হয়েছে। অবশ্য বঙ্কিম তো চাড্ডি, কে না জানে! যুক্তিতে না পারলে ব্যক্তিগত আক্রমণ তো আছেই!
  • lcm | ২১ অক্টোবর ২০২১ ২৩:৩০499970
  • দীপ,

    তুরস্কের মূর্তি বলতে এটার কথা বলছেন বোধহয়, ছবি দেখে মনে হচ্ছে। গুগুল করে পেলাম।

    https://en.wikipedia.org/wiki/Seated_Woman_of_%C3%87atalh%C3%B6y%C3%BCk

    এটা বলছে ৬০০০ খৃঃপূঃ, পোড়ামাটির মূর্তি, একজন প্রসবরতা নারীর ( ... is a baked-clay, nude female form, seated between feline-headed arm-rests... in the process of giving birth while seated on her throne... )

    কিন্তু, এই মূর্তির সঙ্গে দুর্গাপুজোর রিলেশন বুঝতে পারলাম না।

    আর, ডানদিকের ছবিটা কিসের?
  • এলেবেলে | ২১ অক্টোবর ২০২১ ২৩:৪৪499971
  • আহ, বেশ জমে গেছে দেখছি। এক এক করে উত্তর দিই।
     
    //উনিশ শতক নিয়ে কচলাতে কচলাতে সব তো prdusih হয়ে যাবে//
     
    তাই? ১৭৫৭ মানে উনিশ শতক? কবে থেকে? গান্ধী নিয়ে যে তুমুল বাওয়াল, যা নিয়ে আস্ত একটা টই খুলে ফেলা যায়, তিনি উনিশ শতকের লোক? আর উনিশ শতকে কি আব্বুলিশ? কেন? উনিশ বাঙালির কান, ওটি না টানলে বিশ বা একুশ আসে না। ভদ্রলোকেদের তাতে বেজায় অস্বস্তি হয়। তাদের যাবতীয় আকাম-কুকাম তো ওই সময় থেকেই শুরু এবং সেই ট্র্যাডিশন তারা একুশেও বজায় রেখেছে - কিন্তু ওটা কচলাতে হবে। কিচ্ছু প্রুডিশ হবে না। আর শুধু উনিশ নিয়েই কচলানো হবে না। অতি শিগগির উনিশের আউটকাম কুড়ি নিয়েও কচলানো হবে। তাতে প্রুডিশ হওয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে? ওহ, ভুলে গিয়েছিলাম। ওই কুড়ি নিয়ে কচলানোটা কোনও রেস্টুরেন্ট চালানো প্রকাশক প্রকাশ করিবেক না। তাহলে চলিবে? মানে অনুমতি পাওয়া যাবে হে প্রগাঢ় প্রাজ্ঞ?
     
    //উপরন্তু ইদানীং পুরো শহরটাই আর্ট ইন্স্টলেশন হয়ে ওঠাও আছে।//
     
    হে হে এটা টিপিক্যাল কলকাত্তাইয়া বাবুদের কতা! ন্যাতাকানি পরে চাট্টি কাঁচাটাকার লোভে শহরে এসে এসব নিমুড়িনিছুড়িরা সাহেবদের পা চেটে হঠাৎ নবাব বনে যায়। ঐতিহ্য-ফৈতিহ্য কিস্যু ছিল না। পেয়ে গেল ফাঁকতালে মোচ্ছবের মওকা। ব্যাস, এবারে এটাকেই বানিয়ে দিল বাঙালির 'শ্রেষ্ঠ' উৎসব। মানে বাকিসব ফালতু, ফাউ, ফিরির মাল। সারা শহরের রাস্তা দখল করে মাস তিনেকের ধেইনেত্য, মহালয়া থেকে টানতে টানতে সেই লক্ষ্মীপুজো - তবু মোচ্ছবের মৌতাত শেষ হয় না। তাই পরিযায়ী শ্রমিক কিংবা ডিটেনশন ক্যাম্প আর্ট ইন্স্টলেশনের হদ্দমুদ্দ হয়ে ওঠে। কিন্তু গনেশ বাবাজি ঠিক পায়ের নীচে ঘাপটি মেরে পরিপাটি থাকে (যেন সে ওই শ্রমিক পরিবারের কেউ নয়!)। আর ডিটেনশন ক্যাম্পের নারীটির সিঁদুরের রেখাটি বিধ্বস্ত হলেও পায়ের আলতা থাকে নিটোল!! তাই নিয়েই ক্যা বাত ক্যা বাতের ঠেলায় অস্থির। আগে ছিল ভিক্টোরিয়ার আদল, মাঝে হেমা মালিনী, এখন এই অ্যাক নতুন। কলিকাতা আছে কলিকাতাতেই। তাতে বাকি সবাই জিজিতে যাক।
     
    মোচ্ছব করতে হলে কর না। সম্বৎসর তো তাই করিস। ফালতু পুজোর বাহানা টানা কেন? ব্রাহ্মণ্যবাদের দাপট থাকবে পুরোমাত্রায়, কায়েতে চণ্ডীপাঠ করতে পারবে না বারোয়ারিতেও, আর্টের ঠাকুরের পায়ের তলায় দু হাতি দুর্গার ভক্তিভরে পুজোও হবে - এ তো দেখি ধর্মেও আছি, জিরাফেও। ফালতু ঘোমটার আড়ালে খ্যামটা নাচা কেন বাপু?
     
    //অবিশুদ্ধ, যৌনতায় ভরপুর , নেশার সরঞ্জামে ভর্তি জাতপাতের ঠিক ঠিকানাহীন আর্বানিটির  ইতিহাস পড়ুন ও পড়ান//
     
    হুম, বুয়েছি। সেই ইতিহাস পড়ুন ও পড়ানের বিনিময়ে এ বছরে কোটি টাকার বই বিক্কিরি করেছে লাল শালু ঢেকে। তো সেই 'ইতিহাস পড়ুন ও পড়ান'-এর অ্যাজেন্ডাটি দুর্গাপুজো এলেই হড়হড়িয়ে বমি করে কেন? জাতপাতের ঠিক ঠিকানাহীন আর্বানিটি হিন্দুদের একচেটিয়া বুঝি? কই লাল শালু ঘিরে ইদ বা ক্রিসমাস বা অন্য কোনও ধর্মীয় উৎসবে বই বিক্কিরি করতে দেখিনাতো। এ তো মহায় দ্বিচারিতার হদ্দমুদ্দ।
     
    আর ছাগলটি পুরো চোথা উগড়ে দিচ্ছে মাইরি। কিচুতেই পুজোকে মোচ্ছবে পরিণত করাটা দেখবে না বলে ঠিক করেছে। গঙ্গারামপুরকে সুমতি দাও মা। 
  • দীপ | 2401:4900:1041:1c18:3f9f:cd1e:2759:d51a | ২১ অক্টোবর ২০২১ ২৩:৫৩499973
  • তুরস্কের এই মূর্তি এখনো পর্যন্ত সম্ভবত প্রাচীনতম মাতৃকামূর্তি। লক্ষ্য করুন, দেবী সিংহাসনে উপবিষ্টা, দুইপাশে দুটি সিংহ/বাঘ জাতীয় পশু উপস্থিত। পূর্ণগর্ভা রমণী উর্বরা শক্তি/ প্রজনন শক্তির প্রতীক।  এটিই প্রাচীনতম মাতৃকল্পনার রূপ যা ধীরে ধীরে আরো বিবর্তিত হয়েছে।
    ডানদিকের ছবিটি মধ্যপ্রাচ্যের দেবীমূর্তি। দেবী সিংহবাহিনী ও নানা শস্ত্রাস্ত্রধারিণী। যে মহাপণ্ডিতেরা আর্য‌আগমন তত্ত্ব ও হুদুড়দুর্গা গপ্প নিয়ে ধান্দাবাজি করছে, ছবিটা তাদের সামনে টাঙিয়ে দেওয়া উচিত। অবশ্য তাদের ও পশ্চিমবঙ্গের মহাবিপ্লবীদের গলা দিয়ে এখন আর আওয়াজ বের হচ্ছে না!
     
     
  • দীপ | 2401:4900:1041:1c18:3f9f:cd1e:2759:d51a | ২১ অক্টোবর ২০২১ ২৩:৫৯499975
  • বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের স্তোত্রপাঠ মাতব্বর মনে হয় শোনেনি! 
    আর কে পুজো করবে, কে মোচ্ছব করবে, কে বেড়াবে - সেটা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার! ছাগলকে সব বিষয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে!
     
  • এলেবেলে | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০০:০৯499976
  • ওই বীরেন ভদ্রই তো ঢ্যামনা বাঙালির শ্রেষ্ঠতম আইকন। ওই দিয়ে চিঁড়েও ভেজে না, জাঁকিয়ে বসা ব্রাহ্মণ্যবাদ জায়গাও ছাড়ে না এক ইঞ্চি।
  • দীপ | 2401:4900:1041:1c18:3f9f:cd1e:2759:d51a | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০০:১২499978
  • "সপ্তমীপূজার দিন কে আমাকে এত আফিঙ্গ চড়াইতে বলিল! আমি কেন আফিঙ্গ খাইলাম! আমি কেন প্রতিমা দেখিতে গেলাম! যাহা কখন দেখিব না, তাহা কেন দেখিলাম! এ কুহক কে দেখাইল!
     
    দেখিলাম-অকস্মাৎ কালের স্রোত, দিগন্ত ব্যাপিয়া প্রবলবেগে ছুটিতেছে-আমি ভেলায় চড়িয়া ভাসিয়া যাইতেছি। দেখিলাম-অনন্ত, অকূল, অন্ধকারে, ব্যাত্যাবিক্ষুব্ধ তরঙ্গসঙ্কুল সেই স্রোত-মধ্যে মধ্যে উজ্জ্বল নক্ষত্রগণ উদয় হইতেছে, নিবিতেছে-আবার উঠিতেছে। আমি নিতান্ত একা-একা বলিয়া ভয় করিতে লাগিল-নিতান্ত একা-মাতৃহীন-মা! মা! করিয়া ডাকিতেছি। আমি এই কাল-সমুদ্রে মাতৃসন্ধানে আসিয়াছি। কোথা মা! কই আমার মা? কোথায় কমলাকান্ত-প্রসূতি বঙ্গভূমি! এ ঘোর কাল-সমুদ্রে কোথায় তুমি? 
     
    সহসা স্বর্গীয় বাদ্যে কর্ণরন্ধ্র পরিপূর্ণ হইল-দিঙ্মণ্ডলে প্রভাতরুণোদয়বৎ লোহিতোজ্জ্বল আলোক বিকীর্ণ হইল-স্নিগ্ধ মন্দ পবন বহিল-সেই তরঙ্গসঙ্কুল জলরাশির উপরে, দূরপ্রান্তে দেখিলাম-সুবর্ণমণ্ডিতা, এই সপ্তমীর শারদীয়া প্রতিমা! জলে হাসিতেছে, ভাসিতেছে, আলোক বিকীর্ণ করিতেছে! এই কি মা? হাঁ, এই মা। চিনিলাম, এই আমার জননী জন্মভূমি-এই মৃন্ময়ী-মৃত্তিকারূপিণী-অনন্তরত্ন-ভূষিতা-এক্ষণে কালগর্ভে নিহিতা। রত্নমণ্ডিত দশ ভুজ-দশ দিক্-দশ দিকে প্রসারিত তাহাতে নানা আয়ুধরূপে নানা শক্তি শোভিত; পদতলে শত্রু-বিমর্দ্দিত বীরজন কেশরী শত্রু নিষ্পীড়নে নিযুক্ত! এ মূর্ত্তি এখন দেখিব না-আজি দেখিব না, কাল দেখিব না-কালস্রোত পার না হইলে দেখিব না-কিন্তু এক দিন দেখিব-দিগভুজা, নানা প্রহরণপ্রহারিনী শত্রুমর্দ্দিনী, বীরেন্দ্রপৃষ্ঠবিহারিণী-দক্ষিণে লক্ষ্মী ভাগ্যরূপিণী, বামে বিদ্যাবিজ্ঞানমূর্ত্তিময়ী, সঙ্গে বলরূপী কার্ত্তিকেয়, কার্য্যসিদ্ধিরূপী গণেশ, আমি সেই কালস্রোতমধ্যে দেখিলাম, এই সুবর্ণময়ী বঙ্গপ্রতিমা!
     
    কোথায় ফুল পাইলাম, বলিতে পারি না-কিন্তু সেই প্রতিমার পদতলে পুষ্পাঞ্জলি দিলাম-ডাকিলাম, “সর্ব্বমঙ্গলমঙ্গল্যে, শিবে আমার সর্ব্বার্থসাধিকে! অসংখ্য সন্তানকুল-পালিকে! ধর্ম্ম অর্থ, সুখ দুঃখদায়িকে! আমার পুষ্পাঞ্জলি গ্রহণ কর। এই ভক্তি প্রীতি বৃত্তি শক্তি করে লইয়া তোমার পদতলে পুষ্পাঞ্জলি দিতেছি, তুমি এই অনন্তজলমণ্ডল ত্যাগ করিয়া এই বিশ্ব-বিমোহিনী মূর্ত্তি একবার জগৎসমীপে প্রকাশ কর। এসো মা! নবরাগরঙ্গিণি নববলধারিণি, নবদর্পে দর্পিণি, নবস্বপ্নদর্শিনি!-এসো মা, গৃহে এসো-ছয় কোটি সন্তানে একত্রে, এক কালে দ্বাদশ কোটি কর যোড় করিয়া, তোমার পাদপদ্ম পূজা করিব। ছয় কোটি মুখে ডাকিব, মা প্রসূতি অম্বিকে! ধাত্রি ধরিত্রি ধনধান্যদায়িকে! নগাঙ্কশোভিনি নগেন্দ্রবালিকে! শরৎসুন্দরি চারুপূর্ণচন্দ্রভালিকে! ডাকিব,-সিন্ধুসেবিতে সিন্ধু-পূজিতে সিন্ধু-মথনকারিণি! শত্রুবধে দশভূজে দশপ্রহরণ-ধারিণি! অনন্তশ্রী অনন্তকালস্থায়িনি! শক্তি দাও সন্তানে, অনন্তশক্তি-প্রদায়িনি! তোমায় কি বলিয়া ডাকিব মা? ঐ ছয় কোটি মুণ্ড ঐ পদপ্রান্তে লুণ্ঠিত করিব-এই ছয় কোটি কণ্ঠে ঐ নাম করিয়া হুঙ্কার করিব,-এই ছয় কোটি দেহ তোমার জন্য পতন করিব-না পারি, এই দ্বাদশ কোটি চক্ষে তোমার জন্য কাঁদিব। এসো মা, গৃহে এসো-যাঁহার ছয় কোটি সন্তান-তাঁহার ভাবনা কি?
     
    দেখিতে দেখিতে আর দেখিলাম না-সেই অনন্ত কাল-সমুদ্রে এই প্রতিমা ডুবিল! অন্ধকারে সেই তরঙ্গসঙ্কুল জলরাশি ব্যাপিল, জলকল্লোলে বিশ্বসংসার পূরিল! তখন যুক্ত করে, সজল নয়নে, ডাকিতে লাগিলাম, উঠ মা হিরণ্ময়ি বঙ্গভূমি! উঠ মা! এবার সুসন্তান হইব, সৎপথে চলিব-তোমার মুখ রাখিব। উঠ মা, দেবী দেবানুগৃহীত-এবার আপনা ভুলিব-ভ্রাতৃবৎসল হইব, পরের মঙ্গল সাধিব-অধর্ম্ম, আলস্য, ইন্দ্রিয়ভক্তি ত্যাগ করিব-উঠ মা-একা রোদন করিতেছি, কাঁদিতে কাঁদিতে চক্ষু গেল মা! উঠ উঠ, উঠ মা বঙ্গজননী! 
     
     মা উঠিলেন না। উঠিবেন না কি?
     
    এস, ভাই সকল! আমরা এই অন্ধকার কালস্রোতে ঝাঁপ দিই। এস, আমরা দ্বাদশ কোটি ভুজে ঐ প্রতিমা তুলিয়া, ছয় কোটি মাথায় বহিয়া, ঘরে আনি। এস, অন্ধকারে ভয় কি? ঐ যে নক্ষত্রসকল মধ্যে মধ্যে উঠিতেছে, নিবিতেছে, উহারা পথ দেখাইবে-চল! চল! অসংখ্য বাহুর প্রক্ষেপে, এই কাল-সমুদ্র তাড়িত, মথিত, ব্যস্ত করিয়া, আমরা সন্তরণ করি-সেই স্বর্ণপ্রতিমা মাথায় করিয়া আনি। ভয় কি? না হয় ডুবিব মাতৃহীনের জীবনে কাজ কি? আইস, প্রতিমা তুলিয়া আনি, বড় পূজার ধুম বাধিবে। দ্বেষক ছাগকে হাড়িকাটে ফেলিয়া সংকীর্ত্তি খড়্গে মায়ের কাছে বলি দিব-কত পুরাবৃত্তাকার ঢাকী, ঢাক ঘাড়ে করিয়া, বঙ্গের বাজনা বাজাইয়া আকাশ ফাটাইবে-কত ঢোল, কাঁসি, কাড়া, নাগরায় বঙ্গের জয় বাদিত হইবে। কত সানাই পোঁ ধরিয়া গাইবে “কত নাচ গো!”- বড় পূজার ধুম বাধিবে। কত ব্রাহ্মণপণ্ডিত লুচি মণ্ডার লোভে বঙ্গপূজায় আসিয়া পাতড়া মারিবে-কত দেশী বিদেশী ভদ্রাভদ্র আসিয়া মায়ের চরণে প্রণামি দিবে-কত দীন দুঃখী প্রসাদ খাইয়া উদর পূরিবে। কত নর্ত্তকী নাচিবে, কত গায়কে মঙ্গল গায়িবে, কত কোটি ভক্তে ডাকিবে, মা! মা! মা!"
     
     - (আমার দুর্গোৎসব)
  • এলেবেলে | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০০:১৫499979
  • এর পাশে একটু হুতোম ফেলে দেব? এই ধরুন আধ ছটাক? তার ঝাঁঝেই অস্থির হয়ে যাবেন হে ছাগল শিরোমণি।
  • দীপ | 2401:4900:1041:1c18:3f9f:cd1e:2759:d51a | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০০:১৭499980
  • কেউ শুধু মোচ্ছব‌ই দেখে, আর কেউ দেখে আত্মশক্তির উদ্বোধন! 
    পসন্দ আপনার আপনা! শকুনের নজর ভাগাড়েই থাকে!
  • lcm | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০০:২৪499981
  • দীপ,
    ওহ, তার মানে দুর্গা তুরস্ক থেকে এসেছে। ৪৫০০ বছর আগে।

    তারপর সেখান থেকে এসেছে মধ্যপ্রাচ্যে। ঐ মূর্তির ছবি রয়েছে প্রমাণ হিসেবে। তুরস্ক থেকে ভারতে আসতে হলে তো মিডল ইস্ট দিয়েই আসতে হবে।

    অরিজিন্যালি দেবী দুর্গা তাহলে টার্কিশ। যাক, এদ্দিনের একটা কনফিউশন ক্লিয়ার হল।
  • দীপ | 2401:4900:1041:1c18:3f9f:cd1e:2759:d51a | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০০:৩৭499982
  • @lcm, আবার দেখুন, ঋগ্বেদে দেবীসূক্তম্ , রাত্রিসূক্তম পাচ্ছি। সামবেদের কেনোপনিষদে ব্রহ্মবিদ্যাস্বরূপিণী ব‌হুশোভমানা উমা হৈমবতীর উল্লেখ পাচ্ছি। আসলে কে যে কার দ্বারা প্রভাবিত, বলা খুব মুশকিল! হয়তো দুদিক থেকেই চিন্তার আদান-প্রদান হয়েছে!
  • এলেবেলে | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০০:৫১499983
  • ওই আত্মশক্তির উদ্বোধনটা বাংলাকে দু'টুকরো করেছিল। ওর গ্র্যান্ড ন্যারেটিভ আপনার মাথায় ঢুকবে না। হুতোম শকুন? গবেষণায় প্রকাশিত হল? তা হবে!
  • দীপ | 2401:4900:1041:1c18:3f9f:cd1e:2759:d51a | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০১:০২499984
  • বঙ্কিমের লেখা ছাগলের জন্য নয়, বলাই বাহুল্য। 
    যথারীতি ছাগুদের যুক্তি নিয়ে এসেছে! ১৯৪৭ সালে বাংলা ভাগের জন্য দায়ী বঙ্কিম! 
    তাই এখন‌‌ কুমিল্লা-চাঁদপুর অঞ্চলে যে ভয়াবহ অত্যাচার চলছে, তার জন্য‌ও বুঝি বঙ্কিম দায়ী?
  • দীপ | 2401:4900:1041:1c18:3f9f:cd1e:2759:d51a | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০১:০৪499985
  • সবার পেটে ঘি সহ্য হয়না, আমরা জানি! ছাগলের মাথায় বঙ্কিমের কাব্যময় গদ্য ঢুকবে না!
  • Sambit Basu | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০১:৪৯499986
  •  
    • দীপ | 2402:3a80:196b:9706:2347:d41d:1d15:eabd | ২১ অক্টোবর ২০২১ ২৩:০৭499969
    • বাঁপাশের মাতৃকামূর্তি বর্তমান তুরস্ক থেকে পাওয়া গেছে। গবেষকদের মতে এটি মোটামুটি খ্রিস্টের জন্মের ৭০০০-৭৫০০ আগে নির্মিত হয়েছে। 
       
      বিদ্যানিধি মহাশয় আকাশের নক্ষত্রগুলির আপাত সরণ গণনার মাধ্যমে বৈদিক যুগ নির্ণয়ের চেষ্টা করেছেন। তাঁর মতে ঋকবেদের সময়সীমা খ্রিপূ ৪০০০-৪৫০০ , যজুর্বেদ ২৫০০-২০০০ খ্রিপূ। যজুর্বেদের রুদ্রযজ্ঞ বিভিন্ন রূপে বিবর্তিত হয়ে বর্তমান দুর্গাপূজায় রূপান্তরিত হয়েছে, এটিই বিদ্যানিধি মহাশয়ের মত।
      ইতিহাসের সময়সীমা নিরূপণের বিভিন্ন পদ্ধতি আছে, তাই একাধিক মত থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
      আর আর্য আগমন তত্ত্ব বর্তমান ঐতিহাসিকদের দ্বারা যথেষ্ট সমালোচিত। আর্য বলে কোনো জাতি ছিলনা।‌ ভাষাতত্ত্বের দিক দিয়ে বর্তমান ঐতিহাসিকদের মতে এটি ইন্দো-ইউরোপীয়ান ভাষাগোষ্ঠী। এদের মধ্যে একাধিক গোষ্ঠী ছিল, এবং অসুর গোষ্ঠী এই ভাষাগোষ্ঠীর অন্যতম শাখা, তাঁরা মধ্যপ্রাচ্যে বসতি স্থাপন করেন।
       
      প্রসঙ্গত মনে করিয়ে দিতে চাই, বঙ্কিম রাজতরঙ্গিণীর সাহায্য নিয়ে মহাভারতের সময়সীমা নির্ণয় করার চেষ্টা করেছেন। তাঁর মতে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ মোটামুটি খ্রিপূ ১৪০০-১৫০০ এর মধ্যে হয়েছে। অবশ্য বঙ্কিম তো চাড্ডি, কে না জানে! যুক্তিতে না পারলে ব্যক্তিগত আক্রমণ তো আছেই!
     
    _________________
    এ এখনও চলছে? বিদ্যানিধি, বঙ্কিম ছেড়ে সত্যিকারের ঐতিহাসিকদের মত নিলে হত না? যেমন ধরুন রোমিলা থাপার।
     
    আর্য আগমন তত্বের সমালোচনা আছে, এ জানা আছে। কিন্তু শেষ কয়েক বছরে পিয়ার-রিভিউড জার্নালে প্রকাশিত মত কী বলছে?
  • দীপ | 42.110.137.40 | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০২:০৮499987
  • বিদ্যানিধি মহাশয় নিজে বিজ্ঞানের ছাত্র, আচার্য জগদীশচন্দ্রের গবেষণায় সহায়তা করেছেন। আর বঙ্কিম কৃষ্ণচরিত্র গ্রন্থনির্মাণে অত্যন্ত বিশদভাবে ইতিহাসচর্চা করেছেন।‌ একথা কখনোই বলা হয়নি যে বঙ্কিম যা বলেছেন সেটাই বিনা প্রশ্নে মেনে নিতে হবে! আজকে বিজ্ঞানচর্চা ও ইতিহাস গবেষণা অনেক অনেক এগিয়ে গেছে! সেখানে উনিশ শতকের কোনো লেখকের লেখা কেউ বিনা প্রশ্নে মেনে নেবেনা। কিন্তু লেখক যেভাবে বঙ্কিম ও বিদ্যানিধি মহাশয়কে নিয়ে মন্তব্য করলেন, তাতে তাঁর মানসিক সংকীর্ণতাই প্রকাশিত হয়েছে!
  • দীপ | 42.110.137.40 | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০২:১৩499988
  • আর ভারতীয় শক্তিসাধনার ইতিহাস গবেষণায় বিদ্যানিধি মহাশয় অত্যন্ত প্রামাণ্য ব্যক্তিত্ব। একাধিক গ্রন্থে তাঁর লেখাকে তথ্যসূত্র হিসেবে উপস্থাপিত করা হয়েছে।‌ লেখকের বিদ্যানিধি মহাশয়ের গবেষণা ও মনস্বীতা সম্পর্কে বিশেষ ধারণা নেই!
  • দীপ | 42.110.137.40 | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০২:২০499989
  • বঙ্কিম-রবীন্দ্রনাথ-বিবেকানন্দ প্রথাগত ঐতিহাসিক নন ঠিক‌ই, কিন্তু তাঁদের ইতিহাস বিশ্লেষণ পেশাদার ঐতিহাসিকদের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়; বরং‌‌ প্রতিভার প্রকাশে আরো বেশি উজ্জ্বল! লেখক কি বঙ্কিমের প্রবন্ধ পড়েছেন? না, শুধুই ব্যক্তিগত বিরাগ?
  • সম্বিৎ | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০২:২৩499990
  • দেড়শ বছর আগে করা একজন বটানির ছারর ও অধ্যাপকের শক্তিসাধনা চর্চা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। যে পদ্ধতিতে ঋকবেদ, যজুর্বেদের সময় নির্ধারণ করেছেন, তাতে নভেলটি থাকলেও আজকের দিনে তাই নিয়ে লাফালাফি করার কোন কারণ দেখিনা। সেই নির্ধারণে ভরসা রাখা তো দূরের কথা। যাকগে, আপনার বিচার আপনি রাখুন। তর্কের মান আমার বোঝা হয়ে গিয়েছে।
  • দীপ | 42.110.137.40 | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০২:২৯499992
  • যাকগে, আপনার বিচার আপনি রাখুন। তর্কের মান আমার বোঝা হয়ে গিয়েছে।
    হ্যাঁ আপনি আনন্দে নাচতে থাকুন।
  • দীপ | 42.110.137.40 | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০২:৩২499993
  • @Abhyu, ইনিই তিনি। বাইরে থেকে খ্যাতি-স্বীকৃতি না পেলে আমরা তো আমল দিইনা রবীন্দ্রনাথ-বিবেকানন্দ ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলেন!
  • দীপ | 42.110.137.40 | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০২:৩৪499994
  • "বিদ্যানিধি, বঙ্কিম ছেড়ে সত্যিকারের ঐতিহাসিকদের মত নিলে হত না? যেমন ধরুন রোমিলা থাপার।"
    বঙ্কিমের লেখা আপনি যে পড়েননি, সেটা বেশ বুঝতে পারছি! নাহলে এই লেখা বের হয়না!
     
  • Amit | 14.202.4.50 | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০২:৩৬499995
  • অন্ধ বিশ্বাস এর সাথে তর্ক মানে দেওয়ালে মাথা ঠোকা। প্রপার আধুনিক রিসার্চ ফেলে দিয়ে শেষে বঙ্কিম বিবেকানন্দ না কোথাকার কোন বিদ্যানিধি র থেকে ইতিহাস শিখতে হবে। ভালো আবদার। 
  • দীপ | 42.110.137.40 | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০২:৩৭499996
  • আরেকটি কথা। বিদ্যানিধি মহাশয় জ্যোতিষী নন, জ্যোতির্বিজ্ঞানী। দুটো এক নয়!
  • দীপ | 42.110.137.40 | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০২:৩৯499997
  • পোঁবৃন্দ লাঙ্গুল উত্তোলন পূর্বক দলে দলে আগমন করিতেছে!
    গো-মহিষের সম্মেলন দেখিয়া অতীব আনন্দলাভ হ‌ইতেছে! 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন