• বুলবুলভাজা  পড়াবই  মনে রবে

  • বুদ্ধদেব গুহ পড়া

    সম্বিৎ বসু
    পড়াবই | মনে রবে | ০৩ অক্টোবর ২০২১ | ১৯৩৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)

  • গেল প্রায় পঞ্চাশ-ষাট বছর ধরেই পশ্চিমবঙ্গের বাংলা মূলধারার গল্প-উপন্যাস মধ্যবিত্তর সাহিত্য। মূলধারা বলতে বলছি কলকাতা শহরকেন্দ্রিক প্রকাশনা। পত্রপত্রিকায় বেরোনই হোক আর কলেজ স্ট্রিটের প্রকাশকের ঘরে বেরোনই হোক। যাঁরা লিখছেন তাঁরাও মনে হয় আর্থিক দিক দিয়ে এবং সামাজিক দিকে দিয়ে মধ্যবিত্ত সমাজের লোক। কাজেই তাঁরা লিখছেন সে সমাজ নিয়ে। বরং কলকাতার বাইরে প্রকাশিত সাহিত্যে বা সাহিত্যকারদের রচনায় অন্য জীবন উঠে এসেছে। ষাট-সত্তরের আগে এই ক্যানভাসে অনেক বেশি বৈচিত্র্য পেয়েছি। বিভূতিভূষণে পেয়েছি, তারাশংকরে পেয়েছি। বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়ে কিছুটা হলেও বিহারের বাঙালির ছবি পেয়েছি, হয়ত শরদিন্দুতেও। কিন্তু বাংলা মূলধারা ক্রমশঃ কলকাতা-কেন্দ্রিক হতে আরম্ভ করল, এবং উধাও হতে আরম্ভ করল বৈচিত্র্যও। ব্যতিক্রম কী আর নেই? মহাশ্বেতা দেবীই একজন ব্যাতিক্রম।

    এই মূলধারার সাহিত্যে ব্যতিক্রম এনেছিলেন বুদ্ধদেব গুহ আর শংকর। শংকরে ছাড়া কর্পোরেট জীবনের গল্প আমরা আর পেয়েছি কি? শংকর শুনেছি সদাগরি আপিসে চাকরি করতেন। হয়ত সেইজন্যেই তাঁর লেখায় কর্পোরেটের ছবি এসেছে। অনেক সাহিত্যিকই সরকারি চাকরি করেছেন, বা স্কুল-কলেজে পড়িয়েছেন। কিন্তু সেসব ছবি - নেহাত গল্পের পটভূমি হিসেবে ছাড়া - আর বিশেষ  আসেনি। অথচ এলে শুধু যে বাংলা সাহিত্যে আরও বৈচিত্র্য আসত। 

    তেমনই বুদ্ধদেব গুহ, থিম্যাটিকালি না হলেও, বাঙালি শহুরে, উচ্চবিত্ত আর ধনী চরিত্রদের বাংলা মূলধারার সাহিত্যে আনলেন। বুদ্ধদেব গুহর বাইরে মূলধারায় উচ্চবিত্ত চরিত্র সেরকমভাবে এসেছে কি? তার একটা কারণ অবশ্যই আমাদের সাহিত্যিকরা ব্যক্তিগত জীবনে মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়েছেন। রবীন্দ্রনাথ, প্রমথ চৌধুরীরা ধনী ঘরের সন্তান ছিলেন। তাঁদের গল্পে উচ্চবিত্ত ও ধনী চরিত্র এসেছে সময়ে সময়ে, কিন্তু শরৎচন্দ্র থেকে হালফিলের যে উপন্যাস পড়ি, সেখানে উচ্চবিত্ত চরিত্র খুব কম ক্ষেত্রেই মূল চরিত্রের স্থান পেয়েছে ওই কারণে।


  • এবং এক সমাজ-রাজনৈতিক ইডিওলজিকাল কারণে উচ্চবিত্ত সমাজের গল্প একদল পাঠকের কাছে হ্যাটা পেয়ে এসেছে। সেই সমালোচনায় সাহিত্য আলোচনা নেই, ইডিওলজি আছে। সেই জায়গা থেকে আমার এই লেখা। আমার নিজের ব্যক্তিগতভাবে বুদ্ধদেব গুহর লেখা ধারাবাহিকভাবে পড়া নেই। প্রায় খাবলে-খুবলে পড়া বলা যায়। কলেজ জীবনের শেষে বুদ্ধদেব গুহকে ছেড়েছিলাম। স্টাইলাইজড, ম্যানারিজম-সর্বস্ব লেখা পড়তে অসুবিধে হত। প্রায় তিরিশ বছর পরে আচমকাই কয়েকটা পুরনো লেখা পড়ে ফেলি আবার। তখনই মনে হয় এই সমাজের গল্প আমরা খুব অন্তরঙ্গভাবে আর কোন সাহিত্যিকের কলমে খুব একটা পড়তে পাইনি। আর এটাও মনে হয় যে এই স্বরটার প্রয়োজন ছিল। শুধু তাইই নয়, এই স্বরে আমি এক ধরণের সততা পাই। যে সততা বুদ্ধদেব গুহর পিয়ার সাহিত্যিক যাঁরা তাঁদের মধ্যে অনেক ক্ষেত্রেই অনুপস্থিত। সন্দীপন চাটুজ্জে যে বলেছিলেন, আসলে সব ভাল সাহিত্যই আত্মজৈবনিক, সেটা বুদ্ধদেব অনেকটাই পালন করে গেছেন।

    তার মানেই কি সব লেখাই ভাল সাহিত্য হয়েছে। ক্রিটিকালি সেই আলোচনা করার যোগ্যতা আমার নেই, করবও না, কিন্তু আলগোছে অন্ততঃ এইটা বলতে আটকাবে না যে বুদ্ধদেব প্রচুর অখাদ্য সাহিত্যও রচনা করে গেছেন। বুদ্ধদেব গুহর লেখায় সবচেয়ে বড় খামতি যে তাঁর প্রায় সব লেখাতেই ব্যক্তি বুদ্ধদেব উঁকি মারেন। এখানে কারও মনে হতে পারে আমি স্ববিরোধীতা করছি। একটু আগেই লিখছি আত্মজৈবনিকতা তাঁর লেখার শক্তি, আবার এখানে বলছি লেখায় ব্যক্তি বুদ্ধদেবের উপস্থিত লেখার খামতি। কিন্তু আদপেই এর মধ্যে কোন বিরোধ নেই। নিজের ব্যক্তিজীবন প্রচ্ছন্ন রেখেও আত্মজৈবনিক লেখা যে লেখা যায় তা বুদ্ধদেবের সমসাময়িক অনেক মূলধারার লেখকই করে দেখিয়ে গেছেন। তার সঙ্গে বুদ্ধদেবের সেই লেখার মাঝে ব্যক্তিগত খেদোক্তি আর দর্শন কাহিনীর গতিরোধ করে দাঁড়িয়ে থাকে। বাঙালি সমাজ যে শিল্পী-সাহিত্যিকদের সেরকম সম্মান ও সম্মানদক্ষিণা দেয়না, এ খেদোক্তি প্রায় সব গল্পেই একবার করে কোন না কোন অবতারে হাজির হয়। দর্শনের কথা ছেড়েই দিলাম।

    অথচ গল্প বলার মুন্সিয়ানা ওনার করতলগত ছিল। অন্ততঃ লেখকজীবনের প্রথমদিকে। এবং তৎসহ ছিল নিজস্ব ন্যারেটিভ স্টাইল। সত্তরের দশকের প্রথম অব্দি সেই স্টাইল সহজ ও নির্ভার। পাঠককে কাহিনীর স্রোতে টেনে নিয়ে যেতে পারতেন সহজে। কিন্তু লেখকজীবনের মধ্যপর্বে হয়ত একরকম সচেতনতা লেখায় ঢুকে পড়ে লেখার স্টাইল - বিশেষতঃ বাক্যের গঠন, শব্দচয়নে - একরকম ম্যানারিজম ঢুকে পড়ে। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি শব্দের শেষে ই-র যথেচ্ছ প্রয়োগ ইত্যাদি। বুদ্ধদেব গুহর ক্র্যাফটের আলোচনা এই লেখার লক্ষ্য নয়। কিন্তু তৎসত্ত্বেও লক্ষ্য করি, লেখক স্বয়ং - এবং সেই সঙ্গে বহু পাঠিকা- যে বইকে তাঁর ম্যাগনাম ওপাস বলে চিহ্নিত করেন, সেই 'মাধুকরী' নামক উপন্যাসও এই স্টাইলাইজড ম্যানারিজমের কবল থেকে রক্ষা পায়নি।

    এইসব লেখার পরেও আমি ওনার প্রথম দিকের লেখা আনন্দ করে পড়ি। বিশেষতঃ ঋজুদার গল্পগুলো। বাংলা সাহিত্যের অন্য দাদাদের থেকে ঋজুদা একেবারে আলাদা। যদিও ঋজুদাতে সারাক্ষণই ব্যক্তি বুদ্ধদেব উপস্থিত থাকেন, ঋজুদার চরিত্রায়ণের কারণে সেটা সহ্য হয়ে যায়। ফেলুদা যখন কোল্ট .৩২ নিয়ে কথা বলে আর ঋজুদা যখন বন্দুকের বোর নিয়ে কথা বলে, তার মধ্যে কিশোর অবস্থাতেও তফাত ধরতে পারি। সেই সঙ্গে ঋজুদা কিশোরদের পরিচয় করে দেন মুসলিম রান্না আর খানাতরিকার সঙ্গে। এই ২০২১ সালে বসে আন্দাজ করা শক্ত যে আশি সালে এক বালক বা কিশোরের মনোজগত তৈরিতে এর গুরুত্ব কত ছিল। বুদ্ধদেবের মৃত্যুর পরে শুনি উনি নাকি হিন্দত্ববাদীদের নির্বাচনী ইস্তেহার লেখায় সাহায্য করেছিলেন, অতএব সম্পূর্ণ পরিত্যজ্য। অথচ ঋজুদা, এবং বুদ্ধদেবের আত্মজৈবনিক লেখায়, মুশলমান সমাজ ও চরিত্র এসেছে ধর্মনিরেপেক্ষতার কোনরকম প্রিটেনশন ছাড়াই। এবং বালক ও কিশোর পাঠকদের মনোজগত তৈরিতে এও এক বিরাট অবদান।

  • বিভাগ : পড়াবই | ০৩ অক্টোবর ২০২১ | ১৯৩৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • b | 117.194.214.217 | ০৫ অক্টোবর ২০২১ ২৩:১৫499153
  • "এই পরিবেদনা আমি কোথায় রাখি।"
    আর টু এইচ কি বড় হয়ে বুগু হবে ?
  • dc | 122.164.229.132 | ০৫ অক্টোবর ২০২১ ২৩:৩৬499154
  • আমিও ভেবেছিলাম ছবিটা কোন পাবলিশারের থেকে বা বই থেকে নেওয়া হয়েছে। ছবিটা দারুন হয়েছে। 
  • | ০৫ অক্টোবর ২০২১ ২৩:৩৮499155
  • হ্যাঁ আমি মনে হয় হুতোকে একটু বকেও দিছিলাম চুপ করে থেকে লামার কবিখ্যাতিতে ভাগ বসাচ্ছে বলে :- D 
    জনগন আরে(অটা থিওরি নামিয়েছিল যে লামাহুতো ভাগাভাগি করে কহিপ্তাশার কবিতাগুলো লেখে। 
  • aranya | 2601:84:4600:5410:8089:b176:d2ec:4277 | ০৬ অক্টোবর ২০২১ ০০:৩১499156
  • হুতোকে আগে কখনো পোর্ট্রেট আঁকতে দেখি নি। কেকে-র মত আমার জহুরীর চোখও নয়, তাই বিভ্রান্ত হয়েছিলেম। 
    বুগু-ও ভাল ছবি আঁকতেন, নিজের এই চিত্রটি দেখলে খুশী হতেন 
  • Tim | 2603:6010:a920:3c00:692e:3be6:3242:4845 | ০৬ অক্টোবর ২০২১ ০৩:৫২499159
  • হুতোদার আঁকা ছবি চেনা যায় তো, রেখার টান দেখে আমার মত আনাড়িই যদি পারে তারমানে সিগনেচার ওগুলোই । লিঙ্গি ক্লাবের সদস্য অরণ্যদা শিল্পীকে চিনতে না পারায় আমিও মর্মাহত হলাম। 
  • Tim | 2603:6010:a920:3c00:692e:3be6:3242:4845 | ০৬ অক্টোবর ২০২১ ০৪:৪৩499160
  • লুঙ্গি, ঐটে ঝিমুনি বশত টাইপো হয়েছে। :-))
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন