• বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  উপন্যাস  শনিবারবেলা

  • বৃত্তরৈখিক (৩৯)

    শেখরনাথ মুখোপাধ্যায়
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ১৯ জুন ২০২১ | ৬৪৩ বার পঠিত
  • ~৩৯~

    অফিস ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে সমস্ত বিদায় পর্বটাই দেখছিলো উৎপল। তারপর ওরা গাড়িতে উঠলে গেটটা খুলে দিলো ও, আর দেখিয়েও দিলো বান্দোয়ান কোন দিকে। ফিরে এসে দেখলো জয়ি তখনও অফিস ঘরে বসে, টাকা গুনছে।

    জয়িদি! – ওর গলায় উত্তেজনা স্পষ্ট, আমি ঠিক কোরে ফেলেছি এখানে কী করবো আমি।

    কী ঠিক করেছো?

    দেখো, এই যে লোকগুলো এসেছিলো, কতো খুশি ওরা এখানকার কাজ-টাজ দেখে ! ভালো কাজ হচ্ছে, তাই তো ওরা খুশি হয়ে এতো টাকাপয়সা দিলো ! আমি ভাবছি, এখানে বাচ্চাদের জন্যে একটা লেখাপড়ার স্কুল করবো আমরা। আমাদের তো একটা বড়ো ঘর খালি আছে, ওটাতেই আমরা স্কুল শুরু করতে পারি। আর এখানে পড়তে পড়তে বাচ্চারা যখন একটু বড়ো হয়ে যাবে, ওদের ফুটবল খেলাও শেখানো যাবে।

    তা যাবে, কিন্তু পড়াবে কে?

    একটু লজ্জা পায় উৎপল, আমি লেখাপড়ায় ভালো নই জানি, কিন্তু বাচ্চাদের ইংরিজি-বাংলা-অঙ্ক আমি পড়াতে পারি।

    পারো? আচ্ছা, এই হিসেবটা করো তো দেখি। এইখানে সব টাকাগুলো আছে, চারটে আলাদা আলাদা ভাগ করতে হবে সেগুলোকে। এদিকে এসো, কাগজ-কলম নিয়ে বোসো ঐ চেয়ারটায়।

    উৎপল একটু সঙ্কোচের সাথে বসে, জয়ি একটা কাগজ এগিয়ে দেয় ওকে, আর পেনসিল একটা।

    পাঁচশো টাকা পার ডে এক-একটা ঘরের ভাড়া, বলে জয়ি, ওরা চারটে ঘরে ছিলো দুদিন। যতো টাকা হওয়া উচিত, কাগজে এক নম্বর লিখে লেখো সেই সংখ্যাটা।

    উৎপল লেখে, এক নম্বর, ঘর ভাড়া বাবদ চার হাজার টাকা।

    ঠিক আছে, এই কাগজগুলো একটা একটা করে দিচ্ছি। তোমার কাগজটার উল্টোদিকে সংখ্যাগুলো লিখবে। এই নাও এটা, শাকসব্জি, দুশো আশি টাকা।

    উৎপল কাগজটা হাতে নিয়ে, একবার দেখে, পাশে রাখে। নিজের কাগজের উল্টোদিকে লেখে, শাকসব্জি দুশো আশি।

    পরের কাগজটা দেয় জয়ি। উৎপল পাশে রাখে কাগজটা, লেখে, খাসির মাংস সাড়ে নশো, মাছ পাঁচশো, মুরগী চারশো, ডিম দুশো। যোগ করে, লেখে, মাছমাংস দুহাজার পঞ্চাশ।

    পরের কাগজটা নিয়ে এবার লেখে, চাল তেল মশলা ছশো পঁচাত্তর।

    তার পরের কাগজটা, মিষ্টি আড়াইশো।

    জয়ি বলে, এবার খাবারের মোট খরচ কতো হলো হিসেব করো।

    উৎপল হিসেব করে লেখে, তিন হাজার দুশো পঞ্চান্ন টাকা।

    বেশ, বলে জয়ি, এই তিন হাজার দুশো পঞ্চান্ন টাকার ডবল হবে ফুড বিল। যেখানে ঘর ভাড়া লিখেছিলে তার নীচে লেখো ফুড বিলের অ্যামাউন্টটা।

    উৎপল কাগজের অন্যদিকে ঘর ভাড়ার নীচে লেখে, দু নম্বর, ফুড বিল বাবদ ছহাজার পাঁচশো দশ টাকা।

    জয়ি বলে, তাহলে দুটো আইটেম হয়ে গেলো, এবার তিন নম্বর। তিন নম্বরে লেখো, হাতের কাজ। হাতের কাজ তিন হাজার আটশো টাকা।

    উৎপল লেখে। জয়ি এবার চার নম্বর আইটেমটা বলে, অনুদান দশ হাজার টাকা। লেখা হয়। জয়ি কিছু বলার আগেই এই চারটে সংখ্যা যোগ করে উৎপল, কাগজের একেবারে নীচে একটা লাইন দিয়ে লেখে, ছাব্বিশ হাজার তিনশো দশ টাকা।

    এইবার এই চারটে অ্যামাউন্ট আলাদা আলাদা বাণ্ডিল করে একটা একটা খামে ঢুকিয়ে রাখো, জয়ি ড্রয়ার খুলে কতকগুলো খাম বের করে, আর রাবার ব্যাণ্ড। নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করে উৎপল। জয়ি বলে, এদিকে এসো, আমার পাশে। উৎপল চেয়ার ছেড়ে উঠে জয়ি যেখানে বসে আছে তার পাশে গিয়ে দাঁড়ায়। জয়ি চাবি দিয়ে একটা ড্রয়ার খোলে, উৎপলকে বলে, এই টাকার বাণ্ডিলগুলো আর তোমার হিসেবের কাগজটা এই ড্রয়ারে রাখো। এবার চাবিটা দেয় উৎপলকে, ভালো কোরে চাবি দাও। চাবি দেওয়া হয়ে গেলে ওর কাছ থেকে চাবিটা নিয়ে নিজের ব্যাগে ঢোকায় জয়ি, বলে, টাকাগুলো ব্যাঙ্কে জমা দিতে হবে, ব্যাঙ্কে গিয়েছো কখনো?

    না।

    ঠিক আছে, শিখে যাবে। স্কুল কবে থেকে চালু করতে চাও?

    আজ সোমবার। সামনের সোমবার থেকেই চালু করবো।

    ছাত্রছাত্রী পাবে কোথায়?

    আজ বিকেলেই যাবো ভাবকান্দি গ্রামে। কথা বলবো ওখানে বাচ্চাদের মা-বাপের সাথে। তারপর কাল যাবো ডাংলাজোড়া, অষ্টমীর সাথে। অষ্টমীর তো পাঁচ বছরের ছেলে আছে একটা। ওকে ভর্তি করবো প্রথমেই, তারপর ও ভর্তি হয়েছে দেখলে অন্য ছেলেমেয়েরাও হবে। এই পর্যন্ত বলে কী একটা ভাবে উৎপল, তার পর বলে, তুমি আমার সাথে আজ যাবে জয়িদি, ভাবকান্দিতে? তুমি বললে ওখানকার মেয়েরা কেউ না বলতে পারবে না। চলো না।

    যাব কী করে? অনেকটা পথ, বলে জয়ি। তুমি মোটর সাইকেল চালাতে পারো?

    না বোধ হয়, চালাইনি কখনো।

    তাহলে?

    তুমি রঘুনাথদার সাথে মোটর সাইকেলে এগিয়ে যাও, আমি পেছন পেছন আসবো।

    হবে না উৎপল, বিকেলে অষ্টমী আসবে। আমরা সবাই চলে গেলে অসুবিধে হবে।

    ঠিক আছে, আমি একাই যাই, আর মেয়েদের বলি ওদের হাতের কাজ সব বিক্কিরি হয়ে গেছে। তাহলে ওদের উৎসাহ হবে।

    হ্যাঁ, সেটা খারাপ আইডিয়া নয়। মেয়েরা রাজি হোক না হোক ওদের বলবে কাল যেন টাকা নিতে আসে এখানে। তখন আমিও একবার কথা বলবো ওদের সাথে।

    উৎসাহে ভরপুর উৎপল দুপুরে খাওয়ার পরেই রওনা দেয় ভাবকান্দির দিকে। ওকে এতদিনে চিনে গেছে সবাই। ওর প্রস্তাব মন দিয়ে শোনে অনেকেই। বাপ-মায়ের কেউ কেউ বাচ্চাদের লেখাপড়া শেখাতে এমনিতেই আগ্রহী, কিন্তু এতটা পথ রোজ বাচ্চারা যাবে আসবে কী কোরে?

    দেখো, ইশকুলে কোন পয়সা লাগবে না, বইপত্তর আমরাই দেবো, এটুকু কষ্ট তো করতে হবেই তোমাদের।





    কষ্ট তো, গরীব মানুষ আমরা, সব সময়ই করি। কিন্তু এতটা পথ, যাতায়াতে অনেক সময় লাগবে।

    পালা করে যাবে তোমরা। এক-একজন বাপ তিন-চারটেকে নিয়ে যাবে সাইকেলে চড়িয়ে, তাহলে রোজ সব বাপকে যেতে হবে না।

    সেটা একটা কথা বটে।

    জয়ির সাথে যদিও কথা বলেনি আগে, আবেগের আতিশয্যে উৎপল বলে বসে, তা ছাড়া তোমাদের বাচ্চাদের আমরা খাইয়েও দেবো ইশকুলে।

    ইশকুলে খাইয়ে দেবে? রোজ? একটু বোধ হয় ভেজে চিঁড়ে।

    এবার বোমটা ফাটায় উৎপল, তোমরা যারা যারা হাতের কাজ দিয়েছিলে দিদির কাছে, কাল যেও। দিদি সব বিক্কিরি করে দিয়েছে। পয়সা নিয়ে এসো।

    পরের দিন জয়ির সাথে কথা বলার পর মেয়েরা সবাই কথা দেয় তাদের ছেলেমেয়েদের পাঠাবে তারা। বাপ না পৌঁছিয়ে দেয়, মা-ই দেবে। সকাল আটটায় ইশকুল শুরু। এগারোটা পর্যন্ত চলবে। তারপর সব বাচ্চা খাবে ইশকুলে। বারোটার সময় মা-বাপ যেন নিয়ে যায় তাদের। কী, ঠিক তো?

    হঁ, উত্তর দেয় সব মায়েরা।

    মোট কটা বাচ্চা? হিসেব শুরু হয়। একজন মা জিজ্ঞেস করে, যার দু-তিনটে বাচ্চা সে পাঠাবে কজনকে?

    পাঁচ থেকে দশের মধ্যে যতোগুলো আছে সব কটাকেই।

    আবার হিসেব শুরু হয়। সাতাশটা বাচ্চা মোট।

    ডাংলাজোড়াতে উৎপলের কথা বলার দরকারই হয়না প্রায়, অষ্টমী একাই একশো। ওদের গ্রাম থেকেও আসবে ষোলটা বাচ্চা।

    তেতাল্লিশটা বাচ্চা জয়িদি ! সাফল্যের উৎসাহে প্রায় লাফিয়ে ওঠে উৎপল। এখন তো বই-খাতা-পেনসিল-টেনসিল কিনতে হবে ওদের জন্যে।

    হ্যাঁ, কিনতে হবে তো। এতো বইখাতা একসাথে পেতে হলে পুরুলিয়া শহরে যাওয়া দরকার, সেটা এখান থেকে অনেক দূর। তোমার টার্গেট ডেট তো সামনের সোমবার। তুমি এক কাজ করো, রঘুনাথের সাথে বান্দোয়ানে গিয়ে জলধরকে ধরে আনো।

    রঘুনাথদাকে কী দরকার? রঘুনাথদা নিজের কাজ করুক, এখান থেকে তো দেখেছি গাড়ি যায় বান্দোয়ানে, আমি একাই যেতে পারবো।

    জলধরের প্রেস চিনতে পারবে?

    হ্যাঁ, আমি গিয়েছিলাম তো।

    ঠিক আছে, টাকা পয়সা সঙ্গে রাখো কিছু।

    বড়-ছোট মিলিয়ে অনেকগুলো নোট জয়ি দেয় উৎপলকে। উৎপল দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গোনে, তেরোশো তিয়াত্তর। তারপর গেট খুলে বেরিয়ে যায়।

    উৎপলকে একা একা আসতে দেখে অবাক জলধর, একাই এলে, কীভাবে?

    কেন, আমাদের গেটের বাইরে থেকেই তো গাড়ি পাওয়া যায়, তাতেই এলাম।

    উৎপলের মুখে স্কুলের কথা শুনে খুশি জলধর, তেতাল্লিশটা বাচ্চা আসবে শুনে বলে, আসবে না অতো, তোমরা খাবার দেবে বলেছো তাই প্রথম প্রথম আসবে বেশি, তারপর কমে যাবে। কিন্তু তেতাল্লিশজন, গূড স্টার্ট। কে পড়াবে? জয়িদি শেষ পর্যন্ত নিয়মিত সময় দিতে পারবে বলে মনে হয়না।

    জয়িদি নয়, আমিই পড়াবো। আমিই তো কথাটা পাড়লাম।

    কী কী পড়াবে?

    সব তো বাচ্চা একেবারে, অক্ষর চেনানো থেকেই শুরু করতে হবে তো এখন। বইপত্তর সব কিনতে হবে, জয়িদি একবার ডেকেছে তোমাকে, তুমি ছাড়া কে কিনে দেবে এসব?

    ঠিক আছে, তুমি একটু বসো। একটু ল্যাংচা-ট্যাংচা খাও। আমি কতকগুলো কাজ সেরে নিই, তারপর এখানকার দোকানে কথা বলে নিই একটু। যা-ই কিনি, সব একই বই কিনতে হবে তো।

    বান্দোয়ানের স্টুডেন্টস বুক হাউজের মালিক ভালোই চেনে জলধরকে। সমস্ত ব্যাপারটা শুনে বললো, সব একই বই কিনবেন না। দেখবেন, ওরই মধ্যে একটু-আধটু স্ট্যাণ্ডার্ডের তফাৎ হবে। আজকাল স্কুল ফ্রী হয়ে গেছে তো, অনেকের বাড়ি থেকেই বড়ো ছেলেরা স্কুলে যায়, তাদের ভাই-বোনরা একটু একটু অক্ষর-টক্ষর চেনে। আমার মনে হয় স্কুলটা শুরু হোক, তারপর বইয়ের ব্যাপারে ডিসিশন নেবেন। আমাদের বললেই আমরা এনে দেবো। এখন শুধু খাতা-পেনসিল কিনুন আর গোটা কয়েক চার্ট-ফার্ট কিনুন, অক্ষর আর সংখ্যা শেখাবার জন্যে।

    জয়িও একমত। সোমবার স্কুলটা শুরু হোক আগে, তারপর ছেলেমেয়েদের দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জলধরকে বলে জয়ি, আমরা বাচ্চাদের খাওয়াবো রোজ, গোটা পঞ্চাশেক অ্যালুমিনিয়মের থালা লাগবে আমাদের। বান্দোয়ানে পাওয়া যাবে?

    পাওয়া যাবে কিনা সেটা প্রশ্ন নয়, পেতেই হবে আমাদের। আমি বেরিয়ে যাচ্ছি, দেখি কীভাবে জোগাড় করতে পারি থালাগুলো।

    তুমি পড়াবে তো? আসবে তো নিয়মিত? – জলধরকে জিজ্ঞেস করে জয়ি।

    নিয়মিত পারবো না জয়িদি, তবে যখনই পারি, আসবো। আপাতত সোমবার আসছি, স্কুলটা শুরু তো হোক্‌।

    শুরু হলো স্কুল সোমবারে। সকাল আটটার আগেই হাজির তিরিশটা বাচ্চা। আরও এগারোটা বাচ্চাও এসে পৌঁছোলো ধীরে ধীরে। উৎপল মহা খুশি, সব বাচ্চাকে লাইন করিয়ে ঘরে ঢোকালো।

    মেঝেটা পরিষ্কার, কিন্তু বসার জন্যে কোন আসন বা অন্য ব্যবস্থা নেই। অস্বস্তি জয়ির, জলধরের, আর উৎপলের। বাচ্চারা বা তাদের যারা নিয়ে এসেছে তাদের কোন ভ্রূক্ষেপই নেই এ ব্যাপারে। জলধর ধরে ধরে প্রতিটি মা অথবা বাবা, যার সাথে এসেছে বাচ্চা, তাকে বোঝালো একটা বসবার আসন অন্তত বাচ্চাকে দিতেই হবে।

    এতো বড়ো ক্লাশ, সবাইকে নজর দেওয়া শক্ত। ক্লাশ শুরু হওয়ার আগেই সদ্য কেনা চার্টগুলো দেয়ালে ঝুলিয়ে দিয়েছে উৎপল। এখন জয়ি আর জলধরও উৎপলকে সাহায্য করতে ঢোকে ক্লাশে। কিছুক্ষণ পড়া, মাঝে মাঝে খেলা, গান গাওয়া মাঝে মাঝে। দশটায় ক্লাশ শেষ। আজ থেকেই ঘর-দোর পরিষ্কার রাখার জন্যে দুজন কাজে যোগ দিয়েছে, শুকি আর লকি। অষ্টমী নিয়ে এসেছে তাদের। তারা থালা পেতে দেয় বাচ্চাদের সামনে। রঘুনাথ প্রত্যেক বাচ্চার পাতে ঢেলে দেয় খিচুড়ি আর আলুভাতে।


    (ক্রমশঃ)

    ছবিঃ ঈপ্সিতা পাল ভৌমিক
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ১৯ জুন ২০২১ | ৬৪৩ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan Roy | ১৯ জুন ২০২১ ১৭:২৩495090
  • পড়ছি।

  • moulik majumder | ২২ জুন ২০২১ ২৩:০১495218
  • বাহ

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন