• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • কাঁসাইয়ের সুতি খেলা

    কুশান গুপ্ত
    বিভাগ : আলোচনা | ১০ অক্টোবর ২০১৯ | ১০৯ বার পঠিত
  • সেকালে কাঁসাই নদীতে 'সুতি' নামের একটা খেলা প্রচলিত ছিল। মাছ ধরার অভিনব এক পদ্ধতি, বহু কাল ধরে যা চলে আসছে। আমাদের পাড়ার একাধিক লোক সুতি খেলাতে অংশ নিত। এই মৎস্যশিকার সার্বজনীন, হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ে জনপ্রিয়। মনে আছে ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় একদিন নদীর কাছে গিয়ে দেখি আমাদের পাড়ার প্রতিবেশী জনাব রাজা সুতিতে একটি মাঝারি রুই তুললেন। মাছটিকে খেলিয়ে টেনে তুলে এনে মাছের খাবি খাওয়া ঠোঁট মুখের কাছে নিয়ে কীসব অদ্ভুত মন্ত্র বিড়বিড় করে জপতে লাগলেন। এইসব লোকাচার খেলারই অঙ্গ।


    শরতের কাঁসাই

    যাই হোক, এবার নবমীর দিন সকালে কাঁসাই অভিমুখে রওনা দিলাম। অভিপ্রায়, পুরনো কৈশোরের নদীকে আবার ফিরে দেখা। গিয়ে দেখি, শরতের নদীর শরীর ভরা। আর, লক্ষ্যণীয় এই, যে, এখনো ভরা নদীতে জমিয়ে চলছে সেই সুতি খেলা। পুরনো স্মৃতির ঘন্টা ঢং করে বেজে উঠলো। চোখে পড়লো 'মালাছড়'। সারি সারি পাড়ে গাঁথা 'খুড়কি'। রোদ ঢাকার জন্য বড় কালো ছাতা।


    মালাছড় বা বাঁশের লগি, ওপরে অর্ধ গোলাকার ঢিমার বাটি

    কী থাকে এই অভিনব মৎস্য-শিকারে? একটি লাটাইয়ের মতন ফাঁপা বাঁশের 'খুড়কি', যাতে মোটা মজবুত সুতো জড়ানো। পর্যাপ্ত পরিমাণে সুতো রাখা হয়। সুতোর অন্য প্রান্তে বাঁধা হয় বড় মাছের উপযোগী বঁড়শির বড়সড় কাঁটা। কাঁটার ওপরের সুতোয় একটি এঁটেল কাদার মন্ড গোল করে আটকানো থাকে। এই কাদাতে মেশানো থাকে মাছের পছন্দসই ঝাঁঝালো গন্ধের মশলা। এই জমাট মন্ডটিকে বলা হয় 'ঢিমা'। কাঁটাতে কেঁচো গেঁথে মাটির গোলাকার ঢিমাটিকে একটি বাঁশের লগিতে রাখা একটি অর্ধগোলাকার বাটিতে বসানো হয়। এই বাটি সম্বলিত বাঁশের লগাটিকে 'মালাছড়' বা 'মালাবাড়ি' বলা হয়। এর পরে পর্যাপ্ত পরিমাণে খুড়কির সুতো ছেড়ে বাঁশের ছিপছিপে লগি তুলে মাঝ দরিয়ায় দুরন্ত গতিতে নিক্ষেপ করা হয়। গভীর জলে নিক্ষেপের উদ্দেশ্য, যাতে বড় মাছ এসে কাঁটায় গাঁথে।




    খুড়কি ও আড়াডাং

    নদীর জলে চেরা বাঁশের একটি বাতা রাখা হয়, যার নাম চিপ্পি। চিপ্পিতে সুতো টানটান রাখা হয়। খুড়কিগুলি গাঁথা থাকে লোহার শিকে বা শক্ত মজবুত ডান্ডায়, যার নাম 'আড়াডাং'।

    ঢিমাটি মাঝদরিয়ায় ফেলার পরে সুতির শিকারী চুপচাপ বসে থাকে। মাছ এসে প্রথমে ঢিমার মাছের মশলার গন্ধে আকৃষ্ট হয় এবং ওই অংশ ঠোকরায়। কোনো ফাতনা না থাকলেও অভিজ্ঞ সুতি-খিলাড়ি বুঝতে পারে, কারণ সুতোয় অল্পবিস্তর টানাটানি পড়ে। এরপরে মাছ কেঁচোসহ কাঁটা গিলে টানাটানি করলে সুতোয় জোর টান পড়ে। নদীর জলে তীব্র বেগে ছোটাছুটি করে আক্রান্ত মাছ। খুড়কি নির্লিপ্ত ভাবে সুতো ছাড়তে থাকে, ঘরঘর করে ঘোরে তখন। এইবার শিকারির তৎপরতা শুরু হয়। আরম্ভ হয় মাছ-মানুষের দ্বৈরথ। কাঁসাইয়ের জলে ঢেউ ওঠে। যত বড় মাছ তত বড় ঢেউ। এ খেলায় মুন্সিয়ানা লাগে। লাগে ধৈর্য্য ও সময়জ্ঞান। আনাড়ি হাতের থেকে বড় মাছ কাঁটাসহ সুতো ছিঁড়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু দক্ষ সুতির খেলোয়াড় মাছকে খেলিয়ে ক্লান্ত করে ধীরে ধীরে ডাঙার দিকে আনে। চরের কাছে এলেই ছোট ছানিজাল দিয়ে শেষ অবধি মাছটিকে ধরা হয়।



    সুতিতে গাংরুই তোলা হচ্ছে

    নদীর পাড়েই দেখা বসিরের সঙ্গে। ছোটবেলায় কবাডি খেলতাম। নিঃসঙ্কোচে জড়িয়ে ধরলো। জানা গেল, গতকালের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ছিলো বসির। সাড়ে নয় কিলোর কাতলা ধরেছে গতকাল সুতিতে। আজ্ঞে হ্যাঁ আট ন কিলো অবধি মাছ ধরা পড়ে এই সুতিতে।

    চোখের সামনে ধরা পড়লো একজনের সুতিতে একটি আনুমানিক এক কিলো ওজনের গাংরুই। মিনিট পাঁচেকের কসরতে সে তুলে ফেললো মাছটি। গাংরুই হলো রুই ও কাতলার ক্রস। জিজ্ঞেস করলাম, এই মাছ নদীতে কীভাবে? ছোটবেলায়, এমনকী নব্বইয়ের দশকেও, এই মাছ বড়ো একটা দেখিনি। জবাব এলো, হয়ত কেউ পুকুরে হাইব্রিড চাষ করেছে। নদী বন্যায় হয়ত কারুর পুকুর ভাসিয়েছে। পরে নদীতে এই মাছ মিশে গেছে।

    ফিরে আসার সময় মনে হচ্ছিলো কত শরৎ পেরিয়ে গেছে। তবুও শরতের ভরা আমাদের কাঁসাই এখনো এত উর্বর, এত মৎস্যপ্রসবা। কাঁসাইয়ের দুই পাড়ে কত মানুষের রুটির উৎস এই মাছের শিকার।

    আর সেই শরৎ থেকে এই শরতের সুতি খেলা, আজও অব্যাহত, আজও সার্বজনীন।


    সুতি খিলাড়ি বসিরের সঙ্গে

    ~~~~
    কৃতজ্ঞতা: নারায়ণ বর্মন
  • বিভাগ : আলোচনা | ১০ অক্টোবর ২০১৯ | ১০৯ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • r2h | 236712.158.566712.153 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ০৬:০০51280
  • এটা খুব ভালো লাগলো।

    গাংরুই পড়ে মাঠমাগুর মনে পড়ে গেল। গোসাপকে আবার অনেক জায়গায় বলে বনরুই।
  • প্রতিভা | 236712.158.1234.155 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ০৬:০২51281
  • যেন নিজের চোখে দেখলাম। এইসব নিরীহ জীবিকা, বিনোদন সবই হারিয়ে যেতে বসেছে। উত্তরবঙ্গেও বড় ছাতা মাথায় লোকে সাগর দিঘিতে দেদার মাছ ধরতো। টিকেটরও ব্যবস্থা থাকতো। সব যেন চোখের সামনে ভেসে উঠলো।
  • স্বাতী রায় | 236712.158.676712.216 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ০৬:২০51282
  • খুব ভালো লাগল। মেদিনীপুরের এক পুকুরে আমার গামছা দিয়ে মাছ ধরার শুরু। আর শেষ মাত্র কবছর পরেই। মনে পড়ে গেল সেই হাতে জ্যান্ত কুচো মাছ ধরার আনন্দ। আবার জলে ছেড়ে দেওয়া। বাড়িতে আনলে পিটানি নিশ্চিত ছিল।
  • Titir | 237812.69.01900.45 (*) | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৫51287
  • মেদিনীপুরের বাসিন্দা হলেও এই সুতি খেলার কথা কখন ও শুনিনি। এমন কি ওই বিভিন্ন নামগুলো বেশ অপরিচিত লাগল। শুধু ছানিজালটা চেনা।
    বাড়িতে ফোন করে জানলাম বেশ বড় বড় মানে ওই কিলো পাঁচেক মত হবে রুই কাতলা পুকুরপাড় থেকে ভেসে গেছে অতি বর্ষণের ফলে।
  • সুদীপ্ত রায় | 236712.158.676712.216 (*) | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০৩:২১51284
  • আমাদের মত শহুরে লোকেরা এসব জানে না। নগরায়নের চাপে এসব ক্রমে কমেও যাচ্ছে। লিপি বদ্ধ করে রাখাটা জরুরি। ধন্যবাদ।
  • বিপ্লব রহমান | 237812.68.674512.109 (*) | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০৩:৫৫51285
  • চমৎকার লেখা ও ছবি! যেন সুতি খিলাড়ির সাথে নৌ বিহার হলো।

    একটি তথ্যঃ এপারে রুই ও কাতলের ক্রস কে "কার্ফু" বলে, লেখক যাকে "গাং রুই" বলেছেন। খুবই সুস্বাদু খেতে, দেখতেও সেরাম সোনালি আভার।

    আরো লিখুন।
  • b | 237812.69.563412.223 (*) | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০৪:০৩51286
  • পঃ বঙ্গে আরো একটা নাম আছে, নাদিম রুই।
  • Sampad Roy | 236712.158.786712.145 (*) | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০৪:৪০51288
  • প্রাঞ্জল লেখা. কিন্তু মন খারাপ হয়ে গেলো. চোখের সামনে
    ভেসে উঠছে চূর্ণী নদীর তীরে হারানো শৈশব.
  • i | 890112.162.9004523.159 (*) | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ১২:৩৮51283
  • ছবিসমেত লেখা খুব ভালো লাগল।
  • কুশান | 236712.158.786712.67 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০২:৩৮51289
  • প্রতিভাদি, সুদীপ্তদা, সম্পদ, স্বাতীদি, তিতির, বিপ্লব, I, b, r2h সবাইকে ধন্যবাদ মূল্যবান কমেন্টের জন্য। আর কিছু নয়, অভিজ্ঞতাটুকু সকলের সঙ্গে শেয়ার করাই ছিল এই নাতিদীর্ঘ লেখার উদ্দেশ্য।

    গাংরুই এর অন্যান্য প্রচলিত নামগুলি জেনে ভালো লাগল।
    তিতির হয়ত জানেন, মাছ ধরার, জাল ও ছিপ ছাড়া, অনেক দেশজ পদ্ধতি রয়েছে। কখনো সময় সুযোগ করে লিখব।

    বিপ্লবকে জানাই, ছবিগুলি জুড়ে দিয়েছেন টিম গুরুচন্ডালি র সায়ন। ওকে অনুরোধ জানিয়েছিলাম।

    ভাল থাকুন বন্ধুরা।
  • বিপ্লব রহমান | 236712.158.786712.145 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১০:৫৮51290
  • সায়ন দা লোক ভাল না, শুধু পার্সিয়াল্টি!
  • অনিরুদ্ধ | 237812.69.563412.27 (*) | ১৩ অক্টোবর ২০১৯ ০৪:৪৪51291
  • ভাই এবারের পাওনা তোমার ছবিতে গল্প। বাবার মুখে শুনেছিলাম অনেক টা এরকম মাছ ধরার গল্প। সেটা অবশ্য বীরভূম জেলার এক বর্ধিষ্ণু গ্রাম। আমাদের প্রত্যেক বছরের কালী পূজা র গন্তব্য।
    এবারও যাচ্ছি, তোমার ছবির মত গল্প আর গল্প এর মতো ছবি গুলো খুঁজে বেড়াব।
  • ষষ্ঠ পাণ্ডব | 236712.158.676712.190 (*) | ১৩ অক্টোবর ২০১৯ ০৭:২৮51292
  • @কুশান গুপ্তঃ ছবি, বর্ণনা আর গল্প মিলিয়ে চমৎকার পোস্ট। কাঁসাইয়ের গল্প আরও আসুক।

    @r2h: আপনার একটু ভুল হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। কারণ, গোসাপ/গুইসাপ (Monitor Lizard) হচ্ছে সরীসৃপ (Reptile) যা Varanidae পরিবারের (Family) অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, বনরুই (Pangolin) হচ্ছে স্তন্যপায়ী (Mammal) যা Manidae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।

    @বিপ্লব রহমানঃ কমরেড, কুশান গুপ্ত গাঙরুইয়ের যে ছবি দিয়েছেন তাতে বোঝা যাচ্ছে এটা কারফু মাছ নয়। কারফু মাছের গায়ের অনেকটা জুড়ে আঁশ থাকে না। পেট কাতলা মাছের চেয়েও বড়। রঙ কমলার কাছাকাছি। তাছাড়া কারফু মোটেও রুই-কাতলার শংকর মাছ নয়।
  • র২হ | 236712.158.676712.108 (*) | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ০৩:৪২51294
  • ষষ্ঠ পান্ডব, হ্যাঁ ভুল হতে পারে, অনেক ছোটবেলায় শোনা। তবে স্থানভেদে ডাক পাল্টেও যায় হামেশাই।

    বিপ্লবদা
  • বিপ্লব রহমান | 236712.158.786712.227 (*) | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১২:৩২51293
  • পান্ডব দা'র ইনফো ঠিকই আছে। গো সাপ, বনরুই ইত্যাদি প্রসংগে আমিও ওই কথা বলতে চেয়েছিলাম।

    যা হোক, কার্ফু কি মাছ, আর রুই/কাতলার ক্রস এপারে কি নামে পরিচিত জানা হলো না।
  • b | 237812.68.674512.109 (*) | ১৯ অক্টোবর ২০১৯ ০১:০১51296
  • গুগলিয়ে যা বোজলাম, কার্ফু ফিশ হল পঃ বঙ্গের আমেরিকান রুই। আবার আসামে ওকে বলে "কোমল কান্ত"
  • | 237812.69.563412.123 (*) | ১৯ অক্টোবর ২০১৯ ১২:৩৪51295
  • বাহ ভারী সুন্দর। অনেক দেরীতে পড়লাম।
    ভাল লাগল কুশান।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত