• হরিদাস পাল  আলোচনা  বিবিধ

  • তিরাশির শীত

    কুশান গুপ্ত লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ১৮ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯৪ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • ১৯৮৩ র শীতে লয়েডের ওয়েস্টইন্ডিজ ভারতে সফর করতে এলো। সেই সময়কার আমাদের মফস্বলের সেই শীতঋতু, তাজা খেজুর রস ও রকমারি টোপা কুলে আয়োজিত, রঙিন কমলালেবু-সুরভিত, কিছু অন্যরকম ছিলো। এত শীত, এত শীত সেই অধুনাবিস্মৃত কালে, কুয়াশাআচ্ছন্ন পুকুরের লেগে থাকা হিমে মাছ অবধি ঘাই মারতে ভুলে যেত। মাইরি!

    বললাম বটে লয়েডের ওয়েস্টইন্ডিজ, আসলে সেই শীতের মূর্তিমান আতঙ্ক ছিলো ম্যালকম মার্শাল নামের এক তরুণ ফাস্ট বোলার। কোণাকুনি দৌড়ে এসে বাঁহাত টা সামনে তুলে দ্রুত ডেলিভারি করতেন। হৃৎকম্পন শুরু হতো আপামর ভারতীয় দর্শকের। সেই মার্শালের বলে গ্রীন পার্কে গাভাসকারের হাত থেকে ব্যাট সহসা ছিটকে গেল। গেল গেল রব উঠল।

    ওদিকে অ্যানুয়াল শুরু হয়ে গেছে। পরীক্ষা হলে ইনভিজিলেশন দিচ্ছেন উত্তমবাবু। কানের কাছে হাল্কা সাউন্ডে ফিলিপসের ছোট্ট ট্রানজিস্টর ধরা। হঠাৎ রেডিওতে চিৎকার। লেখা থামিয়ে বেঞ্চে বসা জনৈক ছাত্রের প্রশ্ন, কী হলো, স্যার? স্যার বললেন, বেঙ্গসরকার বাউন্ডারী মারল রে।

    সম্ভবত, চতুর্থ টেস্ট চলছিল।

    কিছুক্ষণ পর পরবর্তী শোরগোলের সময় স্যারের নেক্সট আপডেট, বেঙ্গসরকার হাফ সেঞ্চুরি করলো।

    এই সেই সময়, যখন শীত, অ্যানুয়াল ও ক্রিকেট ছিলো অভিন্ন। ক্রিকেট অর্থে টেস্টই ধরতে হবে।

    পঞ্চম তথা ইডেন টেস্ট শুরু হয় হয়। পরীক্ষা শেষ। মামাবাড়িতে সকাল সকাল টিভি খুললো ছোটমামা। গাভাসকার ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে। হেলমেটহীন, সাদা টুপিতে, গাভাসকারীয় রাজকীয় স্ট্যান্স। প্রথম ইনিংসের প্রথম বল। যতেক দর্শকের প্যালপিটেশন বাড়িয়ে কোনাকুনি দৌড়ে আসছেন রাগী ম্যালকম মার্শাল। ও মা! প্রথম বলেই গাভাসকার কট বিহাইন্ড। গজ গজ করতে করতে ছোটমামা টিভি বন্ধ করলো। তখনকার খেলায় গাভাসকার আউট হওয়ার অর্থ ভারতের জন্য অপেক্ষমান বিপন্ন বিস্ময়। বাকিরা ততোটা ভরসাযোগ্য নয়। শুধু যাওয়া আসা। ব্যাটসম্যানদের। অন্য কোনোখানে নয়, হেথা, হেথা, প্যাভিলিয়ন হতে পুনঃ প্যাভিলিয়নে। সেই টেস্টে প্রথম ইনিংসে ইন্ডিয়াকে কম রানে বান্ডিল করে বেশ গুছিয়ে রানটান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংস ডিক্লেয়ার করলো। দ্বিতীয় ইনিংসে গাভাসকার, মনে আছে, পর পর ছটি চার মারলেন। তারপর দুম করে আউট।

    সে ম্যাচে ইনিংস ডিফিট হয়েছিল ভারতের।

    সেই সিরিজেই গাভাসকার একটা অনবদ্য ইনিংস খেলে ফিরোজ শা কোটলায় সবাইকে চমকে দিলেন। যে গাভাসকার আদ্যন্ত ব্যাকরণমনস্ক, যে গাভাসকার যুধিষ্ঠিরের মত স্থৈর্যের ও স্ট্রেট ব্যাটের প্রতীক, তাঁকেই নির্বিচারে ক্রিকেট-ব্যাকরণ ভাঙতে দেখা গেল। যথেচ্ছ পুল, হুক ও স্কোয়ার কাট মেরে মার্শাল, হোল্ডিং, রবার্টসদের বধ করলেন। ২৯তম শতরান করে ব্র্যাডম্যানের রেকর্ড স্পর্শ করলেন। পরে তিরিশতম সেঞ্চুরি সেই সিরিজেই। ২৩৬ নট আউট মাদ্রাজে।

    রেকর্ডের পর রেকর্ড হয়েছিল সেই সিরিজে। গাভাস্কার ৮০০০ রান করলেন। তৎকালীন বিশ্বের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি করে ব্র্যাডম্যানের রেকর্ড ভাঙলেন। ভাঙলেন ভিনু মানকড়ের সর্বোচ্চ ভারতীয় রানের রেকর্ড। অশোক দাশগুপ্ত খেলা পত্রিকায় লিখলেন, কপিলদেবকে বোলারের ভূমিকায় তেমন কিছু করতে দেখছি না। কপিলদেব, ব্যাটে নয়, বরং বলে জ্বলে উঠুন। তার ঠিক পরেই কপিলদেব লয়েডদের বিরুদ্ধে কোনো এক ইনিংসে নয় নয়।করে নয়টি উইকেট নেবেন। অ্যান্ডি রবার্টস ইডেনে কিরমানিকে আউট করে দুশো উইকেট নিলেন। আনন্দবাজারের ছবি ছিল, রবার্টসের দুশোতম শিকার কিরমানি।

    বিশ্বকাপে হারার প্রতিশোধ নির্মমভাবে নিয়ে লয়েড সিরিজ ৩-০ জিতে দেশে ফেরত যান। আমরাও পরের শীতের অপেক্ষা করতে থাকি। পরের শীত মানেই পরের অ্যানুয়াল, রোদভরা মাঠে পরের টেস্ট সিরিজ...

    এখন একেকদিন মনে হয়, সেরকম অফুরান শীত আর পড়ে না কেন ! কৈশোরে ক্যাম্বিস থেকে রাবার ডিউজ, রাবার ডিউজ থেকে কর্কেট, কর্কেট থেকে ডিউজে উত্তরণ হতে হতে সেই আশ্চর্য মাঠভরা রোদ আর মায়াবী শীত কবে যেন ফুরিয়ে গেল পৃথিবীর ভাঁড়ারের থেকে...
  • বিভাগ : আলোচনা | ১৮ নভেম্বর ২০১৯ | ২৯৪ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অনিরুদ্ধ | 236712.158.566712.203 (*) | ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ০১:০৮48779
  • ভাই এ গল্প নয়, আয়না।
    ওই সিরিজ টার পুঙ্খানুপুঙ্খ রেডিও বিবরণী এখনও মনের মধ্যে লেখা।
    গাভাস্কার প্রথম বলে আউট হয়ে গেল ইডেনের ম্যাচে। আমি ছিলাম এবং আছি কপিল দেবের অন্ধ ভক্ত।
    অশোক দাশগুপ্তের ওর বিরুদ্ধে লেখা মোটেও ভালো লাগতো না।
    অনেক অনেক ধন্যবাদ পুরনো স্মৃতি কে জাগ্রত করার জন্য
  • | 236712.158.676712.158 (*) | ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ০২:১২48780
  • ২৬/৪ মনে হচ্ছে, শ্রীনাথ। ভুল হতে পারে অবশ্য।

  • রনুদা | 237812.68.454512.132 (*) | ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ০৩:০৮48781
  • অনবদ্য স্মৃতি চিত্রন ! এখনতো সারাবছর নানান ধরনের ক্রিকেট........। সেকালের মত শীত ও ক্রিকেটের প্রতিক্ষায় কেউ থাকে না। বাকি সবের কিছু কিছু আজো টিকে আছে তবে ধরনটা পাল্টে যাচ্ছে। সাফল্যের পরিসংখ্যানে ভারতীয়
    ক্রিকেটের বর্তমান প্রজন্ম এগিয়ে থাকলেও কপিবুক ও ক্লাসিক্যাল টাচ গুলো যেন কমলদা - পূস্পেনের সাথে সাথেই মিলিয়ে যাচ্ছে....
  • ন্যাড়া | 237812.68.343412.23 (*) | ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ০৩:৩১48782
  • দিল্লি টেস্টের আগের দিন কোটলায় নেট প্র‍্যাকটিসে কিছু ফোক্কড় ছেলে গাভাসকারকে "উও মার্শাল আ রহা হ্যায়" বলে উত্যক্ত করেছিল।
  • b | 237812.69.563412.21 (*) | ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ০৫:৪৬48783
  • পরের শীতে কলকাতায় আজহারের ডেব্যু ম্যাচ আর সেঞ্চুরী।
  • দোবরু পান্না | 236712.158.786712.183 (*) | ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ০৬:১২48784
  • ২৬/৬ - শ্রীনাথ - প্রসাদ। তারপর মইন খানের সেঞ্চুরী। ভারত হেরেই গেল সেই ম্যাচটা। ইডেনে ছিলাম
  • | 237812.69.563412.229 (*) | ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ০৯:১৭48777
  • ইইইশশশ পুরো ছোটবেলা হু হু করে চলে এলো সামনে।
  • avi | 236712.158.786712.13 (*) | ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ১২:১৮48778
  • আসে আসে, শীত কি আর শুধু সানি-মার্শালে আটকে থাকে? শীতে আসে ডোনাল্ড-ডেভিলিয়ার্স-ম্যাকমিলান-ক্লুজনারের সামনে নিশ্চিত হারের মুখে মহম্মদ আজহারউদ্দিনের মারকুটে একশোয়, শীত আসে প্রথম সকালে ২৬-৬ হয়ে গিয়ে ওয়াসিম আক্রমের অনবদ্য কাউন্টারে, শীত আসে যখন উত্তল ইডেনের দড়ির কাছ থেকে ছুটতে শুরু করে দেড়শো কিমির ওপরে বল করা এক চওড়া কাঁধের যুবক পরপর তুলে নেয় রাহুল আর শচীনকে, শীত আসে যখন লং অনে দাঁড়ানো ম্যাথু হাইডন তার বিশাল চেহারা দিয়ে দুই কিশোরের সামনে পিচ আড়াল করে দেয়, শীত আসে কুকের কভার ড্রাইভে, লক্ষ্মণ রাহুলের রাজকীয়তায়, সৌরভের কামব্যাকে, ঋদ্ধির ম্যাচ জেতানো ডাবল ফিফটিতে। এখনও শীত আসে। নাহয় কমলালেবু-সোয়েটার বোনা নেই, নাহয় গঙ্গার হাওয়া ধাক্কা খেয়ে ঢোকে, নাহয় মাঠে জায়ান্ট স্ক্রীন - তবু এখনও শীত আসে।
  • | 236712.158.786712.69 (*) | ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:৫১48786
  • ইডেনের ম্যাচটা মাঠে দেখেছিলাম। সিট পড়েছিল প্যাভেলিয়ানের পাশে। গাভাসকার প্রথম বলে আউট, আর মহিন্দার অমরনাথ ১৫ বলে শুন্য করে আউট হয়েছিল ক&ব মার্শাল, কপিলদেব একটা লড়াই দিয়েছিল শুধু।
  • b | 236712.158.786712.21 (*) | ১৯ নভেম্বর ২০১৯ ০৭:৪৩48785
  • কানপুর, কলকাতা আর আমেদাবাদে (কপিলের ন উইকেট) ভারত হারে। দিল্লি আর মাদ্রাজ টেস্ট ড্র।

    ইন্সিডেন্টালি, আজহারের ডেব্যু ম্যাচে কপিল বাদ পড়েছিলো, গোটা ক্যারিয়ারে ঐ একটাই বাদ। সেটাও গাভাসকারের চুকলিবাজিতে। আর এখোনো মনে আছে ইংল্যান্ডের এক খেলোয়াড় ফিল্ডিং করতে করতে খবরের কাগজ পড়ছেন। ছবিটা আনন্দমেলায় বেরিয়েছিলো তো, বোধ হয় আনন্দবাজারই হবে।
  • kano bolbo | 124512.101.780112.191 (*) | ২১ নভেম্বর ২০১৯ ০১:২৯48787
  • ইন্সিডেন্টালি, আজহারের ডেব্যু ম্যাচে কপিল বাদ প
  • b | 236712.158.676712.134 (*) | ২১ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:০৯48788
  • আউট হয়ে ফেরার সময় গাভাসকারের দিকে বোধ হয় কমলালেবুর বিচি না খোসা ছোঁড়া হয়েছিলো। এছাড়া উদুম খিস্তিও করা হয়েছিলো, (খোদায় মালুম গাভাসকার কি ভাবে সেগুলো বুঝতে পেরেছিলো), তাতে নাকি গাভাসকার ক্ষেপে গিয়ে ইডেনে আর না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়। এর পরে একবার ভারত পাকিস্তান খেলায় (মনে হয় ৮৭তে শেষ সিরিজ) গাভাসকার খেলবে না বলে অরুণলালকে নেওয়া হল। অরুণলাল ৫২ আর ৮০ করেছিলো, তাও পরের খেলায় ওকে বসিয়ে দেয়। সেই পরের খেলায় গাভাসকার প্রথম বলে আউট। যা খুশী হয়েছিলাম বলার নয়!
    আর, ৮৭-র সেমিফাইন্যালে গাভাসকার আউট হয়েছিলো ৯ রানে। ইডেনে যাতে খেলতে না হয় তার জন্যে ইচ্ছে করে বল মিস করে বোল্ড হয়েছিলো, বাজারে সেই কন্সপিরেসী থিওরী বহুদিন চালু ছিলো।
  • ন্যাড়া | 237812.68.344512.53 (*) | ২১ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:১৩48789
  • গাভাসকার সেমিফাইনালে যে বলে আউট হয়েছিল, পুরো বিউটি ছিল। ইংল্যান্ডের কালো বোলারটা, কী যেন নাম, ডেভন ম্যালকম না কী, সে করেছিল।
  • b | 237812.68.454512.132 (*) | ২২ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:১৭48790
  • হ্যাঁ, বলটা এখোনো চোখে লেগে আছে। অফ কাটার হয়ে মিডল স্টাম্পে লেগেছিলো। গাভাসকার বুঝতে পারে নি, সোজা মারতে গিয়ে (কপিল স্টাইলে) ঘচাং ফুঃ।
    আমার এক বন্ধুর ঠাকুমা টি ভিতে ইংল্যান্ডের খেলা দেখতে দেখতে ম্যালকম না স্মল কাকে দেখে বলেছিলেন " এ কি রে, ওদের তো একটা নিজেদের দেশ আছে, ওরা হঠাৎ ইংল্যান্ডের হয়ে খেলছে কেন?"
  • lcm | 236712.158.565623.225 (*) | ২২ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:২১48791
  • বি, ঃ-)

    গাভাসকারের বৌ-কে কমলালেবুর খোসা ছুঁড়েছিল কেউ ইডেনে - তাতে গাভাসকার প্রতিজ্ঞা করেন জীবনে আর ইডেনে খেলবে না - এমন কিছু একটা ব্যাখা পরে দিয়েছিলেন।
  • b | 237812.68.454512.132 (*) | ২২ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:২৯48792
  • হ্যাঁ, ঐ ভদ্রলোকের সাথে পরে দেখা হয়েছিলো। উনি বলেছিলেন, আরে, পুরো কমলালেবুটাই তো দেওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু লোভে পড়ে কোয়াগুলো খেয়ে নিয়েছিলাম। তাই, অগত্যা ..
  • anandaB | 236712.158.780112.72 (*) | ২২ নভেম্বর ২০১৯ ০৫:৫৮48793
  • ফিলিপ ডিফ্রিটার্স মোস্ট প্রবাবলী বোলার ছিলেন, স্মৃতি থেকে বললাম, ভুল হতে পারে
  • ন্যাড়া | 237812.68.234512.226 (*) | ২২ নভেম্বর ২০১৯ ০৬:০০48794
  • কারেক্ট। ডিফ্রিটাস। থ্যাঙ্কি।
  • Apu | 162.158.167.163 | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৫:২২90964
  • ফিলিপ ডেফ্রিটাস র বলে। তার আগের দিন আমাদের বাড়ি তে টেলিভিশন আসে। ভারত কে বিশ্বকাপ জেতানোর জন্যে। কিন্তু শাস্ত্রী আর মনিন্দ্র সিং কে স্যুইপ করে করে গ্যাটিং আর গুচ ম্যাচ টা বের করে নিল ঃ((((
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত