
পিনাক-৬ সোসাইটিবেহেশতে একটি আশ্চর্য ঘটনা ঘটেছে; লীথি নদীর ঘাটে একটি অলৌকিক লঞ্চ এসে ভিড়েছে; বেশ কিছু মানুষ নিয়ে। তারা জানাচ্ছে তারা বাংলাদেশ থেকে এসেছে। দেবুদা তড়িঘড়ি করে পৌঁছে যায় থ্যানাটস ঘাটে। সেখানে তাজউদ্দীন রয়েছেন; উনি সবাইকে সমবেদনা জানাচ্ছেন; কদিন প্রিয় মানুষের জন্য কষ্ট হবে তারপর সয়ে যাবে। এটাই জীবন। মানুষের অমোঘ নিয়তি।কল্পনা চাকমা এগিয়ে আসে; চিৎকার করে বলে; কী হবে পৃথিবী নামের দোজখে ধুকে ধুকে বেঁচে থেকে। এই তো অনন্ত আনন্দের জীবন।নূর হোসেন হাসি মুখে বলে, আমার মৃত্যুত ... ...

সিন ওয়ানহিন্দি সিনেমা থেকে আমরা জানতে পারি, বম্বে হল বৃষ্টি আর আচমকা হাওয়ার শহর। নিরালা বাসস্টপে হঠাৎই ভেঙে যায় নায়িকার ছাতা। ধাঁধিয়ে চলে যায় সাঁৎ সাঁৎ হেডলাইটেরা। জুম ইন হতে চায় নির্মোক আনাচকানাচ। এরপর দু রকম প্যাঁচ। ‘জানোয়ার’ এলে বাড়তে থাকে অডিয়েন্সের আঁচ। ‘দুষ্টু’ এলে কাট টু সো-কিউট নাচ। তারপর এন্ট্রি নায়িকার বাপি। খুলতে থাকে নিগ্রহের ঝাঁপি। দু-তিনটে খুন বা খারাপি। বৃষ্টি ও বম্বেকে তাই এ রূপেই মাপি। সিন টুআন্ধেরি ইস্টে তেলি গল্লি। পনেরো ইঞ্চির একটা দেয়াল। ওটা একজ ... ...

নারী ও নেমোসিস: ২০১৫-----------------------------অহল্যা ভারতীয় মহাকাব্যের জটিল জগতেও একটি জটিলতম চরিত্র। সম্ভবতঃ কৃষ্ণা দ্রৌপদী'কে নিয়েও কেউ এই স্তরের সত্ত্বাসম্ভব নারীকল্পনা করেনি। কে অহল্যা, কেন অহল্যা, কীভাবে অহল্যা? অগণন ব্যাখ্যা রয়েছে তার। সেই ঋগবেদের খ্রিস্টপূর্ব নবম শতকের ব্রাহ্মণ থেকে পঞ্চদশ শতকের অর্বাচীন পুরাণকাল পর্যন্ত অহল্যা নামক প্রতীকটিকে কেন্দ্র করে ভারতীয় পুরুষ তার সন্ধান চালিয়ে গেছে, 'নারীত্ব' কী ও কেন?--------------------------------------শব্দার্থে 'অহ ... ...

তোমার কবিতার ভিতরে সবসময় মেয়ে থাকে কেন? কবিতার ভিতরে মেয়ে? আমি তো শব্দ লিখেছি, শব্দ দিয়ে বাক্য হয়েছে – আমার কিছু বলা কথা, অনেক না বলা কথা, এই সব নিয়েই তো –আসলে বলতে চাইছি - মেয়ে, অবদমিত যৌনতা, শরীর এইসব ছাড়াও তো শব্দ হয় – বাক্যও মনে হয় লেখা যায়। কবিতায় শুধু মেয়ে আসবে কেন?কিন্তু আমি তো প্রেমের কবিতা লিখিনি। আমার কবিতায় ওরা এসেছিল –শুধু প্রেমের কবিতা লিখে কি আলাদা হওয়া যায়?আমি তো আলাদা হতে চাই নি – আমি তো শুধু ওদের মনে রাখতে চেয়েছিলাম, ওদের মনে করতে চেয়েছিলাম –তাহলে ... ...

‘বাহুবলী’ দেখলাম, তামিল ভার্সনটি দেখতে হল, দ্বিভাষিক ছবির তেলুগু ভার্সন মেলবোর্নের সিনেমা চেন থেকে সরিয়ে নিয়ে তামিলটাই দেখান শুরু করেছে। দুর্ভাগ্যজনক, তবে আশা করছি তেলুগুটা পরে দেখার সুযোগ পাওয়া যাবে। তেলুগু দেখতে চাওয়ার কারণ কেবলমাত্র এই নয় যে পরিচালক এস এস রাজামৌলী এবং অভিনেতাদের প্রধান অংশ মূলত তেলুগুভাষী, বরং এটাও যে এই জঁরটাই distinctively তেলুগু। চল্লিশ থেকে ষাটের দশক পর্যন্ত তেলুগু ছবিতে বিশেষ জনপ্রিয় ছিল একটি জঁর (লুজলি ব্যবহার করছি, আদতে ভারতীয় ছবিতে জঁরের ধারণা জটিল এবং গোলমেলে), যার ন ... ...

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ঘুরে এবং সেখানকার ছোট, বড় ও ধাবা টাইপের রেষ্টুরাণ্ট, কফি শপ, প্যাটিসারী ইত্যাদি জায়গায় খেয়ে আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে ভারতবর্ষে আমরা অনেক জটিল খাবার দাবার (যেমন কাঙালী ভোজনের খিচুরী, বিধবা ঠাকুমা-পিসিমাদের হাতে রান্না শুক্ত ইত্যাদি) আবিষ্কার করলেও আপাত সহজ দুটি জিনিস একেবারেই আমরা বানাতে পারি না - চীজ্ ও রুটি। আজ্ঞে না, চীজ্ ও পনীর এক জিনিস নয়। চীজ্কে পনীর বলা, একজন চীনাকে জাপানী বলে সনাক্ত করার মতনি ভ্রান্তিকর প্রায়। চীজ্ তৈরীর ইতিহাসে যে তিনটি দেশের নাম সর্বপ্রথম মন ... ...

ভাস্কর বলত, তার মাথায় একটা প্রজাপতি ছিল। কিছু একটা লেখার চেষ্টা করেছিলাম সেটা নিয়ে কয়েক বছর আগে। কি মনে করে উদোমাদা সেই লেখা ছেপেও ছিল 'যত্নঘর' (যেটার নতুন নাম রেখেছি 'প্রত্নঘর')। কথাটা সেটা নয়; কথাটা হল প্রজাপতি হোক বা শুয়োর, প্রত্যেকের মাথায় একটা করে জরায়ু থাকে। আর সেই জরায়ুতে থাকে একটা ভাবনা। সব ভাবনা ফাটে না। কিন্তু ফেটেও আটকে গেলে? কনসটিপেশন জানেন? কিম্বা, সিজারিয়ান ডেলিভারি? অথবা, রাইটার্স’ ডেজার্ট? এগুলোর কোনওটাই টের না থাকলে থেমে যান, আর এগিয়ে লাভ নেই। অনেকেই নিশ্চই ... ...

বৈজ্ঞানিক গবেষণা সম্পর্কে আমাদের বাঙালীদের কিছু মিথ দিয়ে শুরু করা যাক। আমাদের চোখে বৈজ্ঞানিক মানে একজন রকস্টার, একজন আত্মকেন্দ্রিক উন্নাসিক ম্যাজিসিয়ান। গল্পে, কমিক্সে তাই যখন বিজ্ঞানীর চরিত্র আসে, সে আর পাঁচটা লোকের মত নয়। পুলিশের ডিটেকটিভের সাথে শার্লক হোমসের যা তফাৎ, একজন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানের শিক্ষকের সাথে প্রফেসর ক্যালকুলাস, ফিলিয়াস ফগ, বা প্রফেসর শঙ্কুর তফাৎ তার চেয়ে অনেক বেশী। এরা ঠিক মাটির মানুষ নয়। এরা নাহয় কল্পবিজ্ঞানের বিজ্ঞানী। কিন্তু আমরা যখন ফাইনম্যানের কথা পড়ছি, বা ডারউ ... ...

(১) রাইস স্যালাইনগুলো বেশ করেছে। প্যাকেটের গায়ে প্রস্তুত প্রণালির ক্ষুদে ছবি আছে। দুই হাতে চুড়ি পরা। সেবা মানেই নারী? বিষয়টি কি আপত্তিকর? নারীবাদী কাম এনজিওগুলো কি বলে? ওরাই তো নারীমুক্তি, মানবাধিকার আর আদিবাসী মুক্তির জিম্মাদার্।রাশিদাকে জিজ্ঞাসা করা যায়। লালমাটিয়া মহিলা কলেজে পড়াতেন। এখন অবসর নিয়েছেন। ‘নারীপক্ষ’ করেন। ৬০ বছর বয়সেও খুব সচল। দেখলে ৪০-৪৫ মনে হয়। চুলগুলো রং করে খানিকটা লালচে-কালো। শাহবাগের ‘অন্তরে’ রেঁস্তোরায় লুচি-আলুর দম খেতে খেতে মনোপজ সর্ম্পকে বলেছিলেন। আমাদের সঙ্গে ছ ... ...

গত ৮ জুলাই আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকীয়র পাতায় বিশিষ্ট আইনজীবী এক্রামুল বারি 'কেন এই ভন্ডামি' শিরোনামে একটি লেখা লেখেন। লেখাটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রাসঙ্গিকও বটে। লেখাটির মূল বক্তব্য হলো ইফতার পার্টির হাত ধরে আমাদের নানান রাজনৈতিক দল সংখ্যালঘুদরদী হওয়ার একটা অদ্ভুত প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়েছে। ইফতার পার্টি আয়োজনে তাদের যে তাগিদ দেখা যায় সংখ্যালঘু মুসলমান সমাজের উন্নতি সাধনে সে তাগিদ তাদের নেই। ইফতার পার্টি আয়োজন যেন রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধির উৎসবে পরিণত হয়েছে। এমনকি যে উৎসবে সামিল আর.এস.এস.-এর ... ...

১) আপনাদের স্কুলটি যেহেতু ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরী এবং সরকারী অনুদান প্রাপ্ত নয় তাই ধরে নিচ্ছি আপনাদের কারিকুলাম নিজেরাই তৈরী করেন,এবং সেখানে সরকারী রূপরেখা অনুসরণ করার কোনো দায় আপনাদের নেই।ক্লাশ নাইন থেকে যেহেতু সরকারি পাঠক্রম মেনে চলতে হয় তাই আপনারা কি শুরু থেকেই একটা সমান্তরাল পাঠক্রম তৈরী করেন নাকি আপনাদের পছন্দমত সিলেবাস তৈরীর স্বাধীনতা আছে? মানে আমি সিলেবাস সম্পর্কে জানতে আগ্রহী।আমাদের বিদ্যালয় ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি নয়। এর পত্তন করেন শ্রমজীবী হাসপাতালের মানুষজন। এই হাসপাতালের মত ব ... ...

॥সমকামে বিধ্বস্ত এক অসম্পূর্ণ পুরুষ, যাকে আশিরনখ ঘেন্না করছে তার নিজেরই বোন। সর্বাঙ্গ সুতোহীন হয়েও মুখের ব্যান্ডেজ খোলে না এক বার-নারী, দাঙ্গা তাকে চির-দগদগে করে চলে গেছে। তথাকথিত ভদ্রপল্লীর দুই মা-মেয়ে, গোপনে শরীর বেচাই যাদের পেশা; নেশার্ত এক রাতে মা বিপরীতারুঢ় হয় লম্পট বেরোজগার ছেলের বিছানায়। এক গল্পের কথক নেহাৎই বিছানায় হামা-টানা এক শিশু, যার মা প্রতি হাটবারে দাঁড়ায় খদ্দের খুঁজতে; অকেজো বুড়ো বাবা ভাড়া করে তাকে আর মাঝরাতে হিঁচড়ে তুলে নিয়ে যায় তার বদরাগী ছেলে; সায়া খুলে মা দ্যাখা ... ...

রোদ্দুর আক্রান্ত রবিপৃথিবীতে বড় ধরণের মানবিক বিপর্যয়ে বেহেশতে এলার্ম বাজে। আজকাল খুব ঘনঘন এলার্ম বাজছে। বড় ঘটনার বড় এলার্ম; ছোট ঘটনায় ছোট এলার্ম। গাজা উপত্যকায় ইজরায়েলী গণহত্যা-ইরাক আর সিরিয়ায় আইএস আই এস গণহত্যায় বড় বড় এলার্ম বেজেছে। বেহেশতে সবাই চিন্তিত। পৃথিবী কী তবে নিমজ্জনের মুখে! দেবুদা বুঝতে পারেনা কী করণীয়। সেমিনার-সিম্পোজিয়াম করে কাজ হচ্ছেনা। মানুষ হত্যা থেমে নেই; অমানুষেরাই বেশী সংঘবদ্ধ।দেবুদা কবিগুরুকে ফোন করে, গুরু উপায় কী!--দেবু চলে এসো আজ একটা অন্যধরণের ... ...

সমপ্রেম ও যুক্তিবাদ (কিস্তি ৩)প্রাককথনসমপ্রেম নিয়ে বিরূদ্ধমত কারোর সাথে তর্ক-বিতর্ক করার সময় প্রায়ই একটা অসুবিধের সম্মুখীন হই। যাকে পরিভাষায় বলা হয়, গোলপোস্ট শিফটিং। জানি না সেটা আমার যুক্তির ত্রুটি না অন্য পক্ষের। যেমন, সে বলল সমপ্রেম বিদেশ থেকে আমদানি, ভারতীয় সংস্কৃতির বিরোধী। আমি বোঝাতে বসলাম কিভাবে প্রাচীন ভারতেও সমলিঙ্গে যৌনক্রিয়া ছিল। অপরপক্ষ বলল, প্রাচীন ভারতে থাকলেই কি আজকেও করতে হবে? সে তো বহুবিবাহ, বাল্যবিবাহ অনেক কিছুই ছিল। অপ্রাকৃতিক কিছু মেনে নেওয়া যায় না। আমি বোঝাতে বসলাম ... ...

মহানায়ক ও পাখীবৃত্তান্তবেহেশতে এসে দেবুদা সারাক্ষণ ইভেন্ট করে বেড়ায়। আজ এই হয়েছে তো কাল সেই। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় শরত বাবুর ফেসবুক আইডিতে মেসেজ পাঠান, দেবুর হয়েছেটা কী! শরতবাবু উত্তর দেন, গান্ধীজীর ব্যামো।দেবু বেহেশতের সাম্যবাদী ও কাম্যবাদী দলের বাইরে একটি থার্ড ফোর্স তৈরী করতে চায়। দলে জনপ্রিয় লোকদের ভেড়ানোর জন্য দিনরাত ছুটে বেড়ায় জনপ্রিয়দের পেছনে। শরতবাবু ফোন করে ধমক দেন, দেবু তোমার কী খেয়ে দেয়ে কাজ নেই। পার্বতীর সঙ্গে বিয়ের জন্য এতো যে আকুল হয়েছিলে; রোজরাতে এসে ঘ্যান ঘ্যান করতে, ... ...

ভারতবর্ষে যদি রেলে যাতায়াতকে কেবল পরিবহন বলে কেউ ভাবেন তা হলে তিনি নির্ঘাত বিশাল একটা ভুল করে বসেন না জেনেই। ভারতে রেলে যাতায়াতের দার্শনিক নাম হল – রেলযাত্রা। যে কোন তীর্থ যাত্রার মত গুঁতো গুঁতি, না বেঁচে ফিরে আসার ভয়, সব খুইয়ে বসার আশঙ্কা এই সব সারক্যাষ্টিক জিনিস পত্র যদি বাদও দিই, তাহলে আমাদের রেলকে ‘যাত্রা’য় উন্নীত করতে যাদের অবদান অনৈস্বীকার্য তারা হল ট্রেনের ‘হকার’ এবং তাদের প্রতি আমাদের সমাজিক স্নেহ। ভারত থেকে বিদেশে এসে যখন প্রথমদিকে কেউ কেউ ট্রেনে চাপেন তা হলে বিশাল একটা ঝটকা ... ...

রহস্যের সঙ্গে ভালো থাকার একটা সম্পর্ক আছে বলেই মনে হয়। রহস্য, কৌতুহল জীবনকে রঙীন করে তোলে। তাই হয়তো শৈশব এতো প্রিয় সময়। যতো বড় হয়েছি সব ততো ফর্মুলায় বসে গিয়েছে আর হারিয়ে গিয়েছে রঙের বৈচিত্র্য। আজ একটু শৈশব যাপন করা যাক।ছোটবেলায় গোটা পৃথিবীটাই ছিল রহস্যে মোড়া। বাড়ির মধ্যে সব থেকে রহস্যের ছিলো টেলিভিশন বস্তুটা। ছবি কী ভাবে আকাশে ভেসে ভেসে এসে টিভির মধ্যে ঢোকে!! অ্যান্টেনার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতাম কতো দিন। দেখার চেষ্টা করতাম ছবি ভেসে আসতে দেখা যায় কি না। আরেকটা জিনিস হতো, আমি ... ...

জয় গোস্বামী ষাট বছরে পা দিলেন। প্রতিদিন, যেখানে তিনি এই মুহূর্তে চাকরিরত, ব্রাত্য বসুকে দিয়ে একটি প্রবন্ধ লিখিয়েছে কদিন আগে। এর বেশি আর কিছু কোথাও দেখা যাচ্ছে না। দেখা যাওয়ার খুব বেশি কারণও নেই, কবির রাজনৈতিক পরিচিতি প্রবল হয়ে উঠেছে এবং কবিতা অনেকদিন আগেই তাঁকে ছেড়ে গেছে বলাই ভাল। এক কবিবন্ধু, যিনি একদা জয়ের খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন, বলেছিলেন প্রায় একদশক আগেই যে জয় আর লিখতে পারছেন না এবং এক ধরনের অস্বস্তিতে ভুগছেন। ১৯৭৬ এ ক্রিসমাস ও শীতের সনেটগুচ্ছ বেরিয়েছিল, আলোকবর্ষ দূরত্বের মনে হয় এখন। জয়দের আগের প্র ... ...

শিবাংগী বলেছিল, এ শহরে ডিসেম্বরেও ফ্যান চালাতে হয়। হাঁ করেছিল চিন্টু। হাঁ-করা তার পুরনো অভ্যেস। হাভাতে এক শহরতলীর হাঘরে, উঠে এসেছে ধ্যাবড়া এক চাকরি নিয়ে। চাকরিটা তার ‘ধ্যাবড়া’ মনে হয়, প্রায়ই যখন আগাগোড়া বাংলা মিডিয়মকে অনুবাদ আর উচ্চারণ গার্গল করে টিম কনফারেন্সে স্লাইড-শো’র আঁচে ট্যাঁস ভাষায় ডেমো দিতে হয়। এই ‘ট্যাঁস’-টাও এত হুহু বদলে চলেছে, সেটাও সে সাঁতরে ধরার চেষ্টা করে। প্রাথমিক মোলাকাতে লোকজন এমন ভাব দ্যাখায়, যেন ‘হাই বাডি’ বলে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল। সঙ্গে ‘হট’, ‘খিউল’ (ইয়ে, কুল), ‘ওয়াও’-এর গুঁ ... ...

গোলটেবিলে হুমায়ুন ও তার তোতাকাহিনীহেভেনে দেবুদা একটি তৃতীয় শক্তি গড়ার জন্য মরিয়া। সাম্যবাদী বনাম কাম্যবাদী দুই রাজনৈতিক বলয়ের বাইরে একটা রাজনৈতিক দল তার চাই-ই চায়। রাজনীতির নেশা চন্দ্রমুখীর প্রতি ভাললাগার মতই দেবুদাকে আকর্ষণ করে। তাই এমন কাউকে দরকার যে জনপ্রিয়; যার মধ্যে মানুষকে বশ করার ক্ষমতা আছে; তবেই না তৃতীয় চুমুকের প্রয়োজনীয়তা সহজে বুঝবে বেহেশতবাসী।দেবুদা হুমায়ুনের বাসায় পৌঁছে যান ভোর বেলা। হুমায়ুন ফেসবুকে চেক করছিলেন লোকজন তাকে মনে রেখেছে নাকি এ কেবলি পন্ডশ্রম হলো। মেনিমুখো ... ...