এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • রাজধানী লোকাল - ১৫

    Nirmalya Nag লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ০২ ডিসেম্বর ২০২২ | ৪৪৬ বার পঠিত
  • মূল ছবিঃ নিখিল মানান
     
    ।। পনের ।।

    নাইট ডিউটি একটা অতি বিচ্ছিরি জিনিস। বিশেষ কেউই পছন্দ করে না। অবশ্য নিশিকুটুম্ব বা শান্তা সেন-তপন সেনদের মত ব্যাপার হলে আলাদা কথা। তপন সেন নাইট ডিউটি করতে যেতেন আর তাঁর স্ত্রী শান্তা থাকতেন বাড়িতে। এঁদের ‘সেন’সেশনাল কেস সম্পর্কে জানতে হলে ব্যোমকেশের ‘অদ্বিতীয়’ গল্পখানা পড়তে হবে। দিনের বেলা চার ঘন্টা কাজ করা আর রাতের বেলা ওই একই সময় কাজ করা এক নয়। তবে অনেকেই করে, কাজের দায়ে বা পেটের দায়ে করতে হয়। যেমন চোর, পুলিশ, ডাক্তার, নার্স, সংবাদ জগত, দমকল বা বিদ্যুৎ দফতরের কর্মী, ট্রেন-প্লেন-বাসের চালক বা ক্রু। এ ছাড়াও আছে সিকিউরিটি গার্ড, হোটেল-রেস্তোরার কর্মচারী, এয়ারপোর্ট বা রেল স্টেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মী, ট্রাক ড্রাইভার। আর হ্যাঁ, শ্মশান ঘাট বা কবর স্থান আর কিছু কিছু ওষুধের দোকান, পেট্রোল পাম্প সারা রাত খোলা থাকে। খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, যখন ট্রাঙ্ক কল বা টেলিগ্রাম করতে হত জরুরী কথা জানানোর জন্য, তখন ডাক-তার বিভাগেও রাতের শিফট চালু ছিল। খান বিশেক পেশার কথা জানালাম, যদিও আমি নিশ্চিত বেশ কিছু এখনও বাদ রয়ে গেল যেখানে নাইট ডিউটি করতে হয়। যাই হোক, এই সব লোকেদের মধ্যে এই অধমও পড়েন।

    নাইট ডিউটি থাকলে যে দুপুরে ভাল করে ঘুমিয়ে নেওয়া দরকার সেটা বলাই বাহুল্য। যতদিন রাতের শিফটে কাজ করতে হয়েছে ততদিন দুপুরে দু চোখের পাতা এক করে নেওয়ার একটা ব্যাপার ছিল। নাইট ডিউটির আরও একটা ব্যাপার ছিল মানসিক। সবাই যখন কর্মক্ষেত্র থেকে বাড়ি ফিরে এসেছে বা আসছে, বা সন্ধ্যায় বন্ধুদের আড্ডা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে, আর ঠিক তখন আপনি গুটিগুটি পায়ে অফিসের পানে চলেছেন, সেটা মেনে নেওয়া কঠিন হয় অনেক সময়ে। যেদিন এই শিফট থেকে মুক্তি পেলাম মনে হল ‘’আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে’’। অবশ্য বেশি দিন দেরি হল না, টের পেলাম অন্য আর এক বাঁধন এসে ফের আটকে দিয়েছে হাত-পা, ফল যথা পূর্বং…।

    সে যাক, আগের সংখ্যায় কথা হচ্ছিল বই পড়া নিয়ে আর সেই সূত্রেই জানিয়েছিলাম এক বার নাইট ডিউটির সময়ে এক উদ্ভট কীর্তি করেছিলাম।

    দিল্লিতে ওই রকম ডিউটি থাকলে বাড়ি ফিরতাম রাত তিনটে-সাড়ে তিনটের সময়ে, তথাগতর থাকলে সেও মোটামুটি ওই সময়েই ফিরত। অফিসের গাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিত। আমাদের দরজায় যেহেতু ইয়েল লক ছিল না তাই ভেতরের লোক না খুললে বাইরে থেকে ঘরে ঢোকা যেত না। কখনও সখনও দুজনের এক সাথে ডিউটি পড়েছে, সেই সময়ে কোনও সমস্যা হত না। আর আলাদা ডিউটি হলে ? দরজা খোলা নিয়ে কিঞ্চিৎ গবেষণা করা হয়েছিল, যাতে রাত তিনটের সময়ে ঘরের মধ্যে যে ঘুমোচ্ছে তার অসুবিধে যতটা সম্ভব কম হয়। গোটা কয়েক আইডিয়া পরপর এসেছিল, আর তার বেশিরভাগই আইডিয়াল ছিল না।

    আইডিয়া নং ১] বাইরের লোক বন্ধ দরজায় টুকটুক করে টোকা দেবে। ভিতরের জন ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলে দিয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়বে। ফলঃ সুন্দর ব্যবস্থা, অসুবিধের বিষয় হল ঘুরন্ত ফ্যানের আওয়াজে টোকা দেওয়ার শব্দ চাপা পড়ে যাওয়া, ফলে ঘুম না ভাঙা। আমরা কোত্থেকে যেন একটা টেবল ফ্যান ম্যানেজ করেছিলাম গরমের সময়ে কাজ দেবে আশা করে। তিনি প্রবল আওয়াজ করতেন বলে মাঝে মাঝেই তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হত। না হলে বাইরের টোকা শুনতে পাওয়া কঠিন।

    আইডিয়া নং ২] ভেতরের লোকের ঘুম না ভাঙলে দরজার গায়ে টোকার আওয়াজ টুকটুক থেকে ক্রমশঃ বাড়িয়ে ঠুকঠুক হয়ে দুমদুমে নিয়ে যেতে হবে। ফলঃ সুন্দর ব্যবস্থা, অসুবিধের বিষয় হল বেশি শব্দ হলে পাশের ঘরের শিশু পুনিতের বাবা বা মায়ের ঘুম ভাঙবে, তাঁরা প্যাসেজের আলো জ্বালাবেন এবং তাঁদের দরজা খুলে সরজমিনে সব দেখে বিরক্তি-ভরা ও ঘুম-ভাঙা চোখে দরজা বন্ধ করে দেবেন।

    আইডিয়া নং ৩] দরজা ভেজানো থাকবে। আমাদের যে প্লাস্টিকের বালতি ছিল তাতে অল্প জল ঢেলে তাই দিয়ে দরজা ভেতর থেকে চেপে দেওয়া হবে। বাইরের লোক টোকা না দিয়ে দরজায় হালকা করে ঠেলা দেবে, দরজা আস্তে আস্তে খুলে যাবে। ভেতরের জনের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে না। ফলঃ সুন্দর ব্যবস্থা, অসুবিধের বিষয় হল সিমেন্টের মেঝের ওপর দিয়ে ধীরে ধীরে বালতি সরে যাওয়ার শব্দ পুরো হিচককের ফিলিমের সাউন্ড এফেক্ট নিয়ে আসত। ঘুমন্ত লোক আঁৎকে জেগে উঠত।

    আইডিয়া নং ৪] দেখা গেল এইটা সবচেয়ে সহজ ব্যাপার। সেটা হল আইডিয়া নং ১+২ । শেষ পর্যন্ত আমরা এই চার নম্বর ব্যবস্থাতেই থিতু হয়েছিলাম। ফলঃ একবার পুনিতরা ছিল না, কোথাও গিয়েছিল। আমি ছিলাম দরজার ভিতরে, তথাগত বাইরে। সেবার একতলার ঘরে ঘুমিয়ে থাকা পুনিতের দিদিমার ঘুম ভেঙে গেছিল।

    বুঝতেই পারছেন, আমাদের কেস ইংরেজিতে যাকে ‘ব্যাক টু স্কোয়্যার ওয়ান’ বলে, পুরো তাই। আচ্ছা, প্রথম অবস্থায় ফিরে যাওয়াকে ‘ব্যাক টু স্কোয়্যার ওয়ান’ বলে কেন ? ১৯২০-এর দশকের গোড়ার দিকে রেডিওতে ফুটবল খেলার ধারাবিবরণী শুরু হয়। সেই সময়ে ভাষ্যকাররা গোটা মাঠ জুড়ে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বি কয়েকটা কাল্পনিক সমান্তরাল রেখা এঁকে নিতেন, ফলে মাঠটা কয়েকটা স্কোয়্যার বা বর্গক্ষেত্রে ভাগ হয়ে যেত আর প্রতিটা বর্গক্ষেত্রের একটা করে নম্বর দেওয়া হত। কোথায় খেলা হচ্ছে সেটা শ্রোতাকে বোঝানোর জন্য ভাষ্যকার সেই নম্বরটা উল্লেখ করতেন।  এক নম্বর স্কোয়্যার ছিল হোম টিমের গোলের সামনের অংশ। খেলা যেমন বিপক্ষের দিকে এগোত, বর্গক্ষেত্রের নম্বরও বাড়ত। গোল কিক করার সময়ে বলা হত ‘’আমরা এক নম্বর বর্গক্ষেত্রে ফিরে এসেছি’’।

    আমরাও যাই ব্যাক টু স্কোয়্যার ওয়ান-এ, যেখানে ছিলাম। রাতের ডিউটিতে শুধু দরজা খোলা নয়, একজনের নাইট আর অন্যজনের মর্নিং ডিউটি থাকলে সকাল বেলা দরজা বন্ধ করার ব্যাপারও ছিল। তো এই রকমই এক দিনে আমি রাতে ফিরেছি, সকালে তথা বেরিয়ে গেছে, আমি চার নম্বর সূত্র অনুসারে দরজা বন্ধ করে ফের ঘুমিয়ে পড়েছি। সারা দিন একাই থাকতে হবে কারণ তথা কিছু কাজ সেরে রাতে বাড়ি ফিরবে আর ততক্ষণে আমিও ফের অফিস রওনা হয়ে যাব।

    এই সব ক্ষেত্রে সাধারণত ঘুম ভাঙলে আমি বাইরে গিয়ে এক কাপ চা আর কিছু খাবার খেয়ে আসি। বাড়িতে চা বা জলখাবারের পাট নেই, পরে ভাত বসাই। সেদিন উঠে গিয়ে চা খেতে ইচ্ছে হল না। আমার একটা সুবিধে আছে, সকালে চা না খেলে মাথা ধরে না, যদিও চা খেতে বেশ ভালবাসি। ব্রাশ ট্রাশ করে ফের বিছানা নিলাম। কোনও একটা বই ঘরে ছিল, সেটা পড়তে শুরু করলাম। মনে হয় কোনও থ্রিলার ট্রিলার ছিল, ‘দ্য সেকেন্ড লেডি’ বইটাও হতে পারে, এত দিন পরে আর মনে নেই। ভাত বসানোর সময় হয়ে গেল, সেটাও আর ইচ্ছে হল না। আলসেমিতে পেলে যা হয় আর কি । স্নান টান সেরে প্রথমে ভাবলাম বাইরে গিয়ে লাঞ্চ সেরে আসব, সেটাও করলাম না। অদ্ভুত ব্যাপার হল তেমন খিদে বোধটাও ছিল না। সেটা থাকলে তো নিশ্চয় খেয়ে আসতাম বা নিজেই রান্না করে নিতাম। কিছুক্ষণ বাদে কখন আবার ঘুমিয়ে পড়েছি জানি না। ঘুম যখন ভাঙল তখন বিকেল। নাহ, বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে,  এবার ওঠা দরকার।

    আমাদের নাইট ডিউটি হত চার দিনের। আগের দিনও নাইট ছিল, রাত দশটা নাগাদ অফিসে ডিনার করেছিলাম – যথারীতি ভাত, ডাল আর অমলেট। তারপর কয়েক গ্লাস জল ছাড়া আর কিছু খাইনি। সারাটা দিন শুয়ে কাটিয়েছি, সন্ধের মুখে একেবারে অফিসে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে বেরোলাম। দু-পা দূরে একটা ইডলি দোসার দোকান, সেখানে আগেও একবার খেয়েছি, ভাল লাগেনি, তাই দ্বিতীয় বার যাওয়ার ইচ্ছে হয়নি। অফিসে গিয়ে খেতে হলে অনেক দেরি হবে, তাছাড়া একটা ভয়ও কাজ করছিল, সারাদিন না খাওয়ায় যদি গ্যাস-অম্বল কিছু হয়ে যায়। রাতে তো কাজও করতে হবে। তাই ওই তামিল ছেলেটির দোকানে ঢুকে গিয়ে দোসা আর সম্বর বড়া সাঁটিয়ে নিলাম ভাল করে। তার পর বাস স্ট্যান্ডের দিকে হন্টন।

    পরে অনেক ভেবেও একটা জিনিসের অর্থ বার করতে পারিনি। এক দিন না খেয়ে থাকাটা আশ্চর্যের কিছু নয়, আমায় যেটা অবাক করেছিল সেটা হল খিদে তেমন না পাওয়া। এর আগে কখনই এমন ঘটনা ঘটেনি। আমার তো আকাশ খাই পাতাল খাই টাইপের খিদে পাওয়া উচিত ছিল, কিম্বা, মহাত্মা গান্ধী যেমন বলেছিলেন – পৃথিবীতে এমন ক্ষুধার্ত মানুষও আছে যাদের কাছে এমনকি ভগবানও রুটির রূপ ধরে আসেন – সেই রকমের খিদেও তো পায়নি। মাঝে মাঝে হাসি পায় – গল্পে লোকে একদিনের জন্য রাজা হয়, আমি কি খিদে জয় করেছিলাম একদিনের জন্য ? নাকি আসলে অন্য কিছু হয়েছিল, যেটা আমি বুঝতে পারিনি। না, সেদিন রাতে অফিস করতে কোনও অসুবিধেই হয়নি। পরের দিন থেকে ফের স্বাভাবিক রুটিনে ফিরে গেছিলাম।  

    কিছুদিন আগে একবার নিজের ওজন নিয়েছিলাম, দেখেছিলাম বেশ কমে গেছে। শীর্ষেন্দু তখনও এখানে ছিল, বলল এটা খুব স্বাভাবিক ঘটনা, প্রায় সবারই হয়ে থাকে। পরে ফের ঠিক হয়ে যাবে। হয়েও ছিল তাই। খাওয়াদাওয়ার একটু অন্যরকম হয়ে যাওয়াই এর কারণ।

    বাবার এক বহুদিনের বন্ধু, বিমান জ্যেঠু, দিল্লি এসেছেন কী একটা দরকারে। ওনার এক বন্ধুর বাড়ি উঠেছেন কালকাজি এলাকায়। ওনার হাত দিয়ে মা কিছু জিনিস পাঠিয়েছেন আমার জন্য। তার মধ্যে একটা পেয়ে আনন্দে পাগল হয়ে গেছিলাম বললে ভুল হবে না। (ক্রমশঃ)
     
  • ধারাবাহিক | ০২ ডিসেম্বর ২০২২ | ৪৪৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ ১৪:০২514396
  • হা হা হা হা এই নাউট শুফট এক অভিশাপ বিশেষ। গুরগাঁও থেকে ২০০৭ এ পুণে এসে দেখলাম ছেলেপুলেরা দরজা আটকায়ই না জাস্ট ভেজিয়ে রেখে দেয়। একইভাবে মর্নিং শিফটের ছেলেপুলে বেরোবার সময় বাইরে থেকে ভেজিয়ে চলে যায়। বেলা আটটা বা তার পরে কামওয়ালি মৌসি এসে ঢুকে আপনমনে কাজ করে চলে যায়। ২০১২-১৩ অবধিও লোকে নির্ভয়ে দরজা ভেজিয়ে ঘুমাত বা পাড়ার দোকান থেকে ম্যাগি কিম্বা বড়াপাও কিনে চলে আসত। 
     
    দিল্লিতে এরম করলে বোধয় ঘুমন্ত মানুষটার পরণের কাপড় চোপড়ও চুরি হয়ে যাবে।
  • | ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ ১৪:০৩514397
  • *নাইট শিফট 
  • Nirmalya Nag | ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ ২৩:৪৯514406
  • @ দ - যা বলেছেন। তবে চুরিডাকাতি মনে হয় সব জায়গাতেই ক্রমশ বেড়েছে। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন