• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • রাগ দরবারীঃ (৫ম পর্ব)

    Ranjan Roy লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ২৯ মার্চ ২০২১ | ১০৬১ বার পঠিত


  • শহর ছাড়িয়ে গাঁয়ে যাবার রাস্তা দিয়ে একটা রিকশা যাচ্ছে।রিকশাওলা এক রোগাপাতলা ঝাঁকড়াচুলো নওজোয়ান যার পরণে হাফপ্যান্ট, গায়ে রঙীন গেঞ্জি।ওর ঘামে জবজব চেহারা দেখে ব্যথার বা কষ্টের ছবি নয়, বরঞ্চ কার্টুনের কথাই মনে ভেসে ওঠে।

    রিকশায় সমাসীন বদ্রী পালোয়ান, মুঠো পাকানো দুই হাত পেশিবহুল জঙ্ঘার উপর ন্যস্ত।পায়ের কাছে একটা সিন্দুক রাখা আর দুই পা’ এমনভাবে সিন্দুকের মাথায় তুলে দেয়া হয়েছে যে পা’ ভেঙে রিকশা’র তলায় চাপা পড়ুক, সিন্দুকের নীচে চাপা? কখনই নয়।

    এখন সন্ধ্যা নামছে তার অর্থহীন সৌন্দর্য নিয়ে।পালোয়ানের গাঁ আসতে এখনও তিন মাইল। ও মুখ বাঘের মত মুখব্যাদান করে বড়সড় হাই তুলল। তারপর নিরাসক্ত ভাবে বলল—এ’বছর ফসল ভাল হয়নি।

    কিন্তু রিকশাওলা কৃষিবিজ্ঞান বা অর্থনীতি নিয়ে সেমিনারের মুডে ছিল না।ও চুপচাপ রিকশা চালানোয় মেতে রইল। এবার পালোয়ান সোজাসুজি জিজ্ঞেস করল- কোন জেলার বট হে? তোমাদের দিকে ফসলের কী খবর?

    রিকশাওলা পেছন ফিরল না। চোখের ওপর এসে পড়া চুলের গোছা এক ঝটকা মেরে সরিয়ে বলল—ফসল? আমি গেঁয়ো নই ঠাকুর সাহেব। পাক্কা শহুরে।

    এটা বলে ও পাছা দুলিয়ে দুলিয়ে জোরে জোরে প্যাডল মারতে লাগল। আগে চলতে থাকা দু’একটা রিকশার কাছে এসে জোরে ঘন্টি বাজাতে লাগল। পালোয়ান আবার অলস হাই তুলে উদাস নয়নে চারপাশের ফসলের হাল দেখছিল।সোয়ারির দিক থেকে কোন সায় না পেয়ে রিকশাওলা হতপ্রভ। শেষে ধোঁস জমানোর চেষ্টায় সামনের রিকশাকে বলল—আবে ও বাঙরু! যা, সর বাঁদিকে।

    রিকশাটা বাঁদিকে সরে জায়গা ছেড়ে দিল। ওকে পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যাবার সময় আমাদের রিকশাওলা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিল- কোথাকার? গোন্ডা নাকি বহরাইচ জেলা?

    রিকশাওলাটি একগাদা পোঁটলাপুঁটলি সমেত সওয়ারি এবং তার পোঁটলারই মত বৌকে বসিয়ে ধীরে ধীরে প্যাডল মারছিল। এই আত্মীয় সম্বোধনে খুশি হয়ে বলল—গোন্ডা জেলার ভাইয়া, তুমি?

    শহুরে রিকশাওলা সিনেমার স্টাইলে সিটি বাজিয়ে চোখ নাচিয়ে বলল- তাই তো বলি!

    পালোয়ানের কোন হেলদোল নেই। বিরক্ত মুখে বলল—তুমি স্পীড বাড়াও মাস্টার!

    রিকশাওলা স্পীড বাড়াতে খাড়া প্যাডল মারতে লাগল এবং তার সঙ্গে বকরবকর।

    ঃ এই গোন্ডা-বহরাইচ আর তার আশপাশের রিকশাগুলো এসে এখানকার চালচলন বিগড়ে দিচ্ছে। ডান-বাঁ কাড়-কাঁকুড় জ্ঞান নেই। এদের চেয়ে খড়ের গাদা টানা গরুর গাড়ির বলদও বেশি বুদ্ধি ধরে। আংগ্রেজি বাজারে গিয়ে ‘বিরহা’ গাইতে থাকে। মুচি-মেথরকেও রিকশায় বসিয়ে নেয়, ওদের হুজুর-সরকার বলে ডাকে। কেউ যদি বলে চল মাল এভিনিউ বা ক্রম্পটন স্কোয়ার তো দাঁত কেলিয়ে দেয়। এদের বাপও যদি কখনও এসব জায়গার নাম শুনেছে তো—

    পালোয়ান এবার মাথা নেড়ে সায় দিয়ে বলল- ঠিক বলেছ মাস্টার!ওদিকের লোকগুলো হতদরিদ্র। ছাতু খায় আর ছোলা চিবিয়ে রিকশা চালায়। চার বছরের মাথায় অসুখে ধরে, তখন আর মাথার ঠিক থাকে না।

    রিকশাওলা বড় তাচ্ছিল্যের সঙ্গে বলল—এদের ভাব হচ্ছে যে চামড়ি চলি জায়, পর দামড়ি ন জায়। চামড়া ফেটে যাক, কিন্তু একটা ফুটো পয়সাও যেন খরচ না হয়। ব্যাটারা পিঁপড়ের পোঁদ টিপে খায়। গত বছর লু’ চলছিল। এক ব্যাটা রিকশাওলা রাস্তার ওপরেই পটল তুলল। গায়ে গেঞ্জি নেই, কিন্তু ট্যাঁক থেকে বেরোল বাইশ টাকা!

    পালোয়ান মাথা নেড়ে বলল—লু’ বড্ড খারাপ; যখন চলে তখন ঘর থেকে বেরোতে নেই।খেয়েদেয়ে দরজা বন্ধ করে পড়ে থাকতে হয়।

    কথা তো বেশ কাজের। রিকশাওলা বেশ ডাঁট দেখিয়ে বলল- আমি তো তাই করি। গরমের দিনে খালি সন্ধ্যে নাগাদ সনীমা’র শো’য়ের সময় রিকশা বের করি।কিন্তু ওই শালার গাঁইয়াগুলো! এদের কথা না বলাই ভালো ঠাকুর সা’ব। শালারা জান নিয়ে জুয়ো খেলে! চার আনার জন্যে মুখে ফেনা তুলে গরমের দুপুরে কয়েক মাইল চালিয়ে আসে। এক্কাগাড়ির ঘোড়াও অমন সময় গাছের ছায়া থেকে সরে না; কিন্তু ওই শালারা—

    ঘেন্নার চোটে রিকশাওলার মুখে থুতু ভরে যায়, গলা বুজে আসে। পিচ করে থুতু ফেলে ও কথাটা শেষ করে।‘ শালারা একটু গরম হাওয়া লাগতেই রাস্তায় শুয়ে পড়ে’।

    এসব কথায় পালোয়ানের আগ্রহ অনেকক্ষণ জুড়িয়ে গেছে। ও চুপ করে রইল। রিকশাওলা গাড়ির স্পীড কমিয়ে বলল—একটা সিগ্রেট খেয়ে নিই?

    পালোয়ান নেমে রিকশার গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়াল।রিকশাওলা সিগরেট ধরিয়ে খানিকক্ষণ চুপচাপ টানতে থাকল, তারপর গোল গোল রিং ছাড়তে ছাড়তে শুরু করল—ওদিকের গেঁয়োগুলো দিনরাত বিড়ি ফুঁকে দাঁত খারাপ করে।

    এবার সেই পেছনের রিকশাটা ওদের ধরে ফেলল। ছেঁড়া ধুতি, খালি গা’। অনেক কষ্টে টেনে টেনে চালাচ্ছে। শহুরেকে ধোঁয়া ছাড়তে দেখে পরম আত্মীয়তার সঙ্গে বলল, ভাইয়া! তুমিও কি গোণ্ডার লোক?

    সিগ্রেটে টান দিয়ে ওর জবাব—আবে হট! কী ফালতু বকছিস?

    ও বেচারা খিরর খিরর আওয়াজে রিকশা চালিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল।

    আজকালকার সেন্টিমেন্টাল লেখকেরা কী জানি কোন স্কুলে পড়েছেন?ওঁরা বলেন, দূঃখ নাকি মানুষকে পরিষ্কৃত করে, শুদ্ধ করে।যত্ত বাজে কথা! সত্যি হল দুঃখ প্রথমে মানুষকে টেনে লম্বা করে। তারপর কষে নিংড়ে নেয়। নিংড়ে নিংড়ে চেহারায় একটা হতভম্ব ভাব আনে। তারপর সেই চেহারায় কিছু সাদা কালো কাটাকুটি এঁকে দেয়। দুঃখ গোন্ডাওয়ালা রিকশার সঙ্গে তাই করেছে।কিন্তু শহুরে রিকশার এতে কিছু যায় আসে নি। ও সিগ্রেট ছুঁড়ে ফেলে নির্বিকার ভাবে রিকশায় উঠে স্পীড বাড়ায়। ফের শুরু হয় ওর দ্বিতীয় লেকচার।

    “আমার কথা হল, ঠাকুর সা’ব, -চোখা কাম, চোখা দাম। আট আনা বলে সাত আনায় রফা করি না।একবার যা বলেছি তা বলেছি। সেবার এক সাহেব আমার পেছনে বসে ঘরের হালচাল শুধোতে লাগলেন।বললেন, সরকার তোমাদের এই অবস্থার জন্যে দায়ি। রিকশা-টিকশা বন্ধ হওয়া উচিত। মানুষের ঘাড়ে মানুষ চড়ে! বড় লজ্জার কথা।বললাম, তো না চড়লেই হয়। উনি বললেন, নাচড়লে বা রিকশা একেবারে বয়কট করলে রিকশাওলারা যে না খেয়ে মরবে।ওর রিকশাওলাদের হাল নিয়ে কান্নাকাটির আর শেষ হয়না। কত কী বলল! সরকারকে কষে গাল দিল। বলল, শোন! তোমরা ইউনিয়ন বানাও। তারপর সরকারের কাছে মোটরেচলা রিকশার দাবি কর।আরও কত কী যে বলল।কিন্তু ঠাকুর সায়েব, আমিও ভেবে নিলাম। ব্যাটা চালিয়ে যা! রিকশাওলার দুঃখে কেঁদে ভাসিয়ে দে। কিন্তু নামার সময় আট আনার থেকে এক পাই কম নেব না”।

    পালোয়ানের চোখ বুঁজে গেছল। এবার হাই তুলে বলল, ‘ কোন সিনেমার গানটান আসে? নাকি খালি বগর বগর’?

    -দুটোই তো কাজ ঠাকুর সায়েব, রোজ সিনেমা দেখা আর সিগ্রেট ফোঁকা। গান শুনিয়ে দিতাম, কিন্তু আজ গলাটা খারাপ।

    পালোয়ান হেসে উঠল,” তবে আর কি! শহরের নাম ডুবিয়ে ছাড়লে”।

    রিকশাওলা এই অপমান শান্তভাবে হজম করে ফেলে ধীরে ধীরে ‘লারে লাপ্পা, লারে লাপ্পা, লাই রাখদা’র সুর ভাঁজতে লাগল। পালোয়ান পাত্তা দিল না। সোয়ারির উৎসাহ নেই দেখে ফের ওর গল্প শুরু হল। “আমার ভাইও রিকশা চালায়, কিন্তু কেবল বিশেষ বিশেষ মহল্লার সোয়ারি নেয়। একবার এক সুলতানপুরী রিকশাওলাকে ও সোয়ারি ধরার দু’চারটে দাঁও প্যাঁচ শিখিয়েছিল।বেচারা কাঁদতে লাগল।বলল, আমার প্রাণ যাক, কিন্তু ধরম ভ্রষ্ট হব না।এ’সব কাজের জন্যে সোয়ারি নেব না। আমি বললাম, ছাড়ান দাও ভাইয়া। কেন গাধা পিটে ঘোড়া করতে চাও”?

    শিবপালগঞ্জ এল বলে। পালোয়ান রিকশাওয়ালাকে পরামর্শ দেয়ার ঢঙে বলল,’তুমি মানুষটা মন্দ নও।সবার সঙ্গে গলাগলি করার দরকার নেই। কিন্তু তোমার স্বাস্থ্য বড্ড ঢিলেঢালা। কয়েকমাস ডনবৈঠক কর। তারপর দেখবে’।

    “ কী আর দেখব? আমিও পালোয়ান হয়ে যাব।কিন্তু আজকাল পালোয়ানিতে কোন দম নেই। যুদ্ধে যখন আকাশ থেকে বোমা পড়ে, তখন মাটিতে বড় বড় পালোয়ান চিৎ হয়ে যায়।হাতে একটা পিস্তল থাকলে পালোয়ান হলেই কি আর না হলেই কি”!

    পালোয়ান গম্ভীর।

    একটু থেমে রিকশাওলা ফের বলল,’পালোয়ানি তো আজকাল গেঁয়ো ব্যাপার, ঠাকুর সাহাব। আমাদের শহরে এখন ছোরাছুরির চল হয়েছে’।

    হঠাৎ বদ্রী পালোয়ানের অপমানের বোধ হল। ও হাত বাড়িয়ে রিকশাওলার গেঞ্জির কোনা ধরে একটান মেরে ধমকে উঠল,” আবে, তখন থেকে কী ঠাকুর সা’ব ঠাকুর সা’ব কচ্ছিস, জানিস না আমি বামুন”?

    রিকশাওলা এই খবরে ভীষণ চমকে উঠল। তারপর চেহারায় সর্বোদয় আন্দোলনের ভাব এনে বলল,” ঠিক আছে, পন্ডিতজী, ঠিক আছে”।

    এবার ও রাস্তার ধারের প্রকৃতির শোভা দেখায় মগ্ন হয়ে গেল।

    (চলবে)

     

  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ২৯ মার্চ ২০২১ | ১০৬১ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে প্রতিক্রিয়া দিন