এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ২৮ নভেম্বর ২০২১ ১১:৫৩501498
  • অনির্বচনীয় আনন্দে ভরে গেল মনটা, এই ঘটনাটা নিয়ে পড়ে। ধন্যবাদ।
  • Ranjan Roy | ২৮ নভেম্বর ২০২১ ১৯:২৩501507
  • অনেক অনেক ধন্যবাদ!
  • Srijani Chakraborty | ২৯ নভেম্বর ২০২১ ১৪:১৫501522
  • এত সুন্দর একটি লেখা উপহার দেওয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
  • dc | ২৯ নভেম্বর ২০২১ ১৪:২১501523
  • সবই তো বুঝলাম, চেরি ব্লসম গাছের নীচে পিকনিকও খুব ভালো লাগলো। কিন্তু জাপানে তো টুরিস্ট ট্রাভেল একদম বন্ধ! ২০২২ এ আদৌ খুলবে কিনা ঠিক নেই! এমনকি যারা টোকিও ডিসনি সি আর ডিসনিল্যান্ডের ভিডিও বানায় তারা বলছে একেবারে ২০২৩ এর প্ল্যান করতে :-(
  • সুকি | ২৯ নভেম্বর ২০২১ ১৫:২৫501524
  • ধন্যবাদ সবাইকে।
     
    ডিসি, হ্যাঁ জাপানে এখন প্ল্যান না করাই ভালো। শুধু টুরিষ্ট নয়, বিজনেস ট্রিপেও অনেক বিধিনিষেধ। আমার জাপান যাবার কথা ছিল এপ্রিলে কিছু কাজে, কিন্তু ওরা বলল এখন প্ল্যান না করলে। অক্টোবরের দিকে আবার ভেবে দেখা হবে বলল :( সুতরাং, এই মুহুর্তে কিছুই নিশ্চিত নয় কারো কাছে।
  • Amit | ৩০ নভেম্বর ২০২১ ০৩:৩০501533
  • যদিও অনেকটা অফ টপিক হয়ে যাচ্ছে, তবু ভাবলাম লিখেই ফেলি. জাপানের সাধারণ মানুষের যুদ্ধে প্রচুর ভোগান্তি হয়েছিল- খুব সত্যি। কিন্তু জাপানিজ ইম্পেরিয়াল আর্মি ১৯৩৭-৪৫ এই পিরিয়ডে চীন কোরিয়া, ফিলিপিন্স, মালয়, ইন্দোনেশিয়া বা বার্মা এই সমস্ত দেশগুলোতে সাধারণ মানুষের ওপর এতো অত্যাচার করেছিল যে সেগুলো ভাবলে সত্যি আলাদা করে আমি জাপানের সাধারণ মানুষের ওপর সহানুভূতিশীল হতে গিয়েও পারিনা। কোথাও একটা ​​​​​​​আটকে ​​​​​​​যায়।
     
    আমার ​​​​​​​কাজের ​​​​​​​সুবাদে ​​​​​​​এই দেশগুলোর ​​​​​​​অনেক জায়গায় ঘুরতে ​​​​​​​হয়েছে। ​​​​​​​তোমারও ​​​​​​​যেমন এসব দেশ প্রচুর ঘোরা। আমি ​​​​​​​অনেকের ​​​​​​​বাড়িতে ​​​​​​​গেছি ​​​​​​​কোনো ​​​​​​​অনুষ্ঠানে। ​​​​​​​সেখানে অনেকের ​​​​​​​দাদু ​​​​​​​ঠাকুরদা ​​​​​​​দের ​​​​​​​সাথে ​​​​​​​আলাপ ​​​​​​​হয়েছে ​​​​​​​যারা ​​​​​​​জাপানি ​​​​​​​আর্মির ​​​​​​​এট্রোসিটি ​​​​​​​নিজের ​​​​​​​চোখে ​​​​​​​দেখেছে ​​​​​​​বা ভুগেছে। ​​​​​​​যেহেতু ​​​​​​​এই ​​​​​​​সাবজেক্ট ​​​​​​​এ ​​​​​​​আমার ​​​​​​​একটু ​​​​​​​ইন্টারেস্ট ​​​​​​​আছে, আমি ​​​​​​​ওনাদেরকে ​​​​​​​খুঁচিয়ে ​​​​​​​খুঁচিয়ে ​​​​​​প্রশ্ন ​​​​​​​করতাম। ​​​​​​​কেও ​​​​​​​বিরক্ত ​​​​​​​হতেন, কেও ​​​​​​​আবার ​​​​​​​ডিটেলস ​​​​​​​এ ​​​​​​​বলতেন ​​​​​​​যতটা ​​​​​​​সামনে বলা ​​​​​​​যায়। এরকম ​​​​​​​ম্যাক্সিমাম এর ​​​​​​​থেকেই ​​​​​​​কিন্তু ফিডব্যাক ​​​​​​​পেয়েছিলাম ​​​​​​​যে ​​​​​​​ডাচ বা ব্রিটিশ ​​​​​​​রা ১০০ ​​​​​​​বছরে ​​​​​​​যা ​​​​​​​অত্যাচার করেনি, জাপানি আর্মি ​​​​​​​৫ ​​​​​​​বছরে ​​​​​​​তাকে ​​​​​​​ছাড়িয়ে ​​​​​​​গেসলো। মাইন্ড ইট - এটা ভিয়েতনামে হৰিবল ফ্রেঞ্চ অকুপেশন দেখার পরেও।
     
    আমার বা ওনাদেরহয়তো পক্ষপাতিত্ব ​​​​​​​থাকতেই ​​​​​​​পারে ​​​​​​​এতো ​​​​​​​বছর ​​​​​​​পরে, কিন্তু ​​​​​​​বেশির ​​​​​​​ভাগই ​​​​​​​এই ​​​​​​​ওপিনিয়ন ​​​​​​​ছিল।
     
    সত্যিই জানিনা সাধারণ লোকের ভোগান্তির সাথে আর্মির অত্যাচারের কতটা কোরিলেশন- জাপানের মতো ইম্পেরিয়ালিস্টিক দেশে সেটা আরোই স্মোকি। বেশির ভাগ দেশেই দেখা যায় যতক্ষণ নিজের আর্মি যুদ্ধে জিতে চলেছে তখন তার ফেবারে ম্যাংগো লোকের ভালোই সাপোর্ট। তারা বাইরে কি অত্যাচার করছে ভেরি ফিউ গিভস এ ড্যাম। তারপর যখন হেরে যাওয়ার পালা শুরু হয়, নিজের বাড়ির ছাদে ব্যোম এসে পরে তখন হটাৎ করে যুদ্ধের বিভীষিকা নিয়ে সকলের চোখ খুলে যায়।
     
    অবশ্য এটাও ঠিক যে সাইলেন্ট মেজরিটির ওপিনিয়ন কোথায় আর কাউন্ট হয়। সেটা আদৌ জানা যায় কিনা ঠিক ভাবে তাই বা কে জানে। পুরো পৃথিবীর ইতিহাস হয়তো অন্য হত আজকে তাহলে।
     
    লেখাটা সত্যি ই খুব ভালো। কিন্তু আমার দ্বিধার জায়গাটা ভাবলাম বলেই ফেলি।
  • &/ | ৩০ নভেম্বর ২০২১ ০৪:৪৯501534
  • আমরা, যেকোনো দেশের যেকোনো লোক, খুব 'বীর'। আগে তো যুদ্ধ, দিগবিজয় ইত্যাদিই ছিল গৌরবের, সমস্ত পুরাণ লোককথা মহাকাব্য এইসব তো ও গৌরবেই ভর্তি। তাই এখনও আমরা সেই ব্যাপারটা নানা ফর্মে রেখেই দিয়েছি। বেশি বাড়াবাড়ি হয়ে গেলে তখন নানা চাপাচুপি দেওয়া হয় বটে, কিন্তু সাধারণভাবে "আমরা করবো যুদ্ধ, আমরা হবো বিজয়ী" প্রায় সকলেরই এই।
     
     
  • s | ০১ ডিসেম্বর ২০২১ ০১:১৯501564
  • সুকি,
    আপনার খাবার আর ট্রাভেল নিয়ে লেখা খুবই ভাল লাগে। সব সময় ভাল লাগা জানানো হয় না। নিয়মিত পড়ি।
    dc,
    জাপান যেতে না পারলে আমেরিকা চলে আসুন, চেরি ব্লসম দেখার জন্যে। প্রতি বছর ইস্টারের আশে পাশে চেরি ব্লসম ফেস্টিভাল হয় ওয়াশিংটন ডিসিতে। ঐ সময়টা ডিসি দারুণ সুন্দর। শুধু ডিসিই নয়, নেবারিং ভার্জিনিয়া আর মেরিল্যান্ডেও অনেক পার্ক, এমনকি লোকের বাড়ি চেরি ব্লসম আর ডগউড ফুলে ভরে যায়। ওয়াশিংটন মেমোরিয়ালের চারপাশে, পোটোম্যাক নদীর ধার বরাবর জায়গাটা টাইডাল বেসিন নামে পরিচিত। ওখানে প্রায় হাজার খানেক চেরি গাছ আছে। বেশির ভাগ হল সাদা ফুলের ইওশিনো চেরি। একশ বছর আগে টোকিওর মেয়র উপহার দিয়েছিলেন কিছু গাছ। তারপর দুই দেশের মধ্যে অনেক গাছ দেওয়া নেওয়া হয়েছে। এখন প্রতি বছর চেরি ব্লসম ফেস্টিভালের সময় প্রচুর লোক আশে ডিসিতে। এই বছর কোভিডের জন্যে ফেস্টিভাল হয় নি। আশা করছি ২০২২ তে আবার হবে আগের মত। তবে ফেস্টিভাল না হলেও চেরি ব্লসম দেখায় কোনো বাধা নেই। ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের একটা ব্লুম ক্যাম আছে। সেখানে সব সময় লাইভ দেখতে পারেন কিন্তু একদম সামনে থেকে না দেখলে ঠিক বোঝা যাবে না কি অপূর্ব সুন্দর।
    কেউ ইচ্ছে হলে NPS এর ওয়েবসাইট থেকে চেরি ব্লসম ফেস্টিভাল নিয়ে পড়তে পারেন বা ফোটো দেখতে পারেন। https://www.nps.gov/subjects/cherryblossom/index.htm
     
  • s | ০১ ডিসেম্বর ২০২১ ০১:২৪501565
  •  
    e
  • s | ০১ ডিসেম্বর ২০২১ ০১:২৬501566
  • এই হল ডিসির আইকনিক চেরি ব্লসম। NPS এ পেলাম। টাইডাল বেসিনের ধারে চেরি ব্লসম আর দূরে দেখা যাচ্চে ওয়াশিংটন মনুমেন্ট।
  • dc | ০১ ডিসেম্বর ২০২১ ০৮:০৫501572
  • s অনেক ধন্যবাদ। ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছে তো অনেক জায়গাতেই, কোভিডের কবল থেকে মুক্তি পেলে হয় :-)
  • | ০১ ডিসেম্বর ২০২১ ০৯:২৬501575
  • শিলঙের চেরি ব্লসম ফেস্ট হয় নভেম্বরে। ইরুণাচলের তাওয়াং ফেস্ট শেষ হবার কিছুদিন পরেই শিলঙে হয় চেরি ব্লসম ফেস্ট। এই সময়টা শিলঙসহ গোটা মেঘালয় গোলাপী চেরি ফুলে ঢেকে যায়।
  • | ০১ ডিসেম্বর ২০২১ ০৯:২৬501576
  • শিলঙের চেরি ব্লসম ফেস্ট হয় নভেম্বরে। ইরুণাচলের তাওয়াং ফেস্ট শেষ হবার কিছুদিন পরেই শিলঙে হয় চেরি ব্লসম ফেস্ট। এই সময়টা শিলঙসহ গোটা মেঘালয় গোলাপী চেরি ফুলে ঢেকে যায়।
  • সুকি | ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ১০:১৪501642
  • সবাই-কে ধন্যবাদ।
     
    's' আপনার ভালো লাগে শুনে খুশী হলাম। কেউ লেখা পড়ে আনন্দ পাচ্ছে জানলে লিখতে উৎসাহ পাওয়া যায়।
     
    অমিতাভদা,
    তুমি যেই অ্যাঙ্গেল নিয়ে লিখেছো সেই নিয়ে বিশেষ আলাদা কিছু বলার নেই। এটা প্রায় প্রতিষ্ঠিত সত্য যে জাপানী-রা কিছু কিছু জায়গায় যা অত্যাচার করেছে, বাকি দেশের অত্যাচার তার ধারে কাছে আসতে পারে না। আমার কিছু জাপানী বন্ধু আছে, আর কার্যসূত্রে তো অনেকের সাথেই ওঠা বসা করতে হয়। অনেক দেশ ঘুরেছি, অনেক দেশের লোকের সাথে ওঠাবসা করেছি, কিন্তু জাপানীদের মত 'দেশ' আগে এই কনসেপ্টে খুব একটা বেশী কাউকে চলতে দেখি নি। ফলতঃ হয় কি, যতই ভালো বন্ধু হোন না কেন, একজন জাপানীর মুখে সেই দেশের সমালোচনা শোনা খুব কমন নয়। তার মানে এই নয় যে ওরা ওদের পূর্বপুরুষদের আচরণ সমর্থন করে - বরং অনেক সময় উল্টোটাই - কিন্তু সেটা মুখ ফুটে বলবে না। আর তাছাড়া ভাষা সমস্যা তো আছেই কথা বার্তা চালাতে গেলে। আবার এটাও সত্যি যে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় আমেরিকা যা করেছিল আমাদের উপর তা ভুল - এই নিয়েও সর্বদা বিশেষ আক্ষেপ শুনি নি নতুন জেনেরাশেনের জাপানীদের মুখ থেকে। বরং আমার তো মনে হয়েছে ওরা সেই সময়টা পিছনে ফেলে এগোতে চায়। হ্যাঁ, স্মৃতি বাঁচিয়ে রাখার জন্য অনেক কিছু করে ওরা (হিরোশিমা ডোমের কাছে ইত্যাদি), কিন্তু সেই যুদ্ধের স্মৃতি আঁকড়ে বসে থাকে না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন