এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  সমাজ

  • তানজিব হাসান সাকিব বিতর্ক! 

    Muhammad Sadequzzaman Sharif লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | সমাজ | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৫০৮ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • তানজিব হাসান সাকিব বাংলাদেশ পেস বোলিং ইউনিটে নতুন এক অস্ত্রের নাম। এশিয়া কাপে ভারতের সাথে শেষ ম্যাচে অভিষেক হয়। প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত বোলিং করে সবার নজরে আসে এই ছেলে। জীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক উইকেট পান রোহিত শর্মার, আকাশে উড়ার মত অবস্থা ছেলের। আরও সুখবর হচ্ছে ম্যাচটা জিতেও বাংলাদেশ। আর বিতর্ক শুরু সেখান থেকেই। যেহেতু নতুন একটা ছেলে তাই সবাই তার সম্পর্কে জানতে চায়। আর জানার সহজ উপায় হচ্ছে এখন ফেসবুক। সবারই ফেসবুক আইডি আছে। সবাই হুমড়ি খেয়ে যখন তার ফেসবুক প্রোফাইল ঘাটাঘাটি শুরু করে তখনই বের হয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক গল্পের চিত্র।

    তার প্রোফাইল কোন খেলোয়াড়ের মত না। নানা ধর্মীয় বক্তব্য, নানা বক্তার বানী, হাদসি কোরানের নানান কন্টেন্ট। এগুলা কারো প্রোফাইলে থাকা যাবে না এমন না। কিন্তু কেমন যেন বেমানান। আমি কিছুক্ষণ স্ক্রল করে ক্ষেমা দিয়ে নিজের তালে চলে গেছিলাম। কিন্তু আমার মত সবাই না। একটু ঘাটতেই নানা মনি মুক্তা পাওয়া যেতে থাকল। চাকুরীজীবী নারীর প্রতি তীব্র বিদ্বেষমূলক পোস্ট পাওয়া গেল, পাওয়া গেল বিজয় দিবস নিয়ে সন্দেহমূলক পোস্ট, জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে আপত্তিমূলক পোস্ট! খেলা জমে গেল এরপরেই। স্বভাবতই যারা মনে করেছে এইটা চরম অন্যায় একটা কাণ্ড তারা সাথে সাথেই এই সব পোস্টের ব্যাপারে প্রতিবাদ জানায়। আর বিপরীত দিক থেকে আমাদের দেশে তৈরিই হয়ে আছে একটা গোষ্ঠী, যারা ধর্মের প্রলেপ দেওয়া থাকলে যে কোন কিছু গিলে ফেলতে পারে বিনা কোন প্রতিবাদেই। আমরা ধর্ম ঠিকমত পালন করতে পারি না কিন্তু কেউ ধর্ম পালন করতে চাইলে তাকে বাধা দিব? এই লাইন দিয়ে শুরু হচ্ছে তাদের বক্তব্য। এরপরে যথারীতি তার প্রতিটা কথাকে সহি শুদ্ধ বলে বলা শুরু করে দিল।

    প্রসঙ্গত বলে রাখি এই ছেলের আগে আরেকজন বোলারের অভিষেক হয়েছিল, নাম মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আগে নামের আগে মোহাম্মদ ছিল না, কিন্তু মৃত্যুঞ্জয় নামটা সম্ভবত ওর কাছে হিন্দুয়ানী লেগেছে বা কেউ কিছু বলেছে তাই এখন নামের আগে মোহাম্মদ লিখে। আগেও থাকতে পারে কিন্তু আমার চোখে পড়েনি। যাই হোক, এই ছেলের বোলিং বেশ চমৎকার ছিল। আমি তখন ওর প্রোফাইল ঘুরতে গিয়ে একই রকম অবাক হয়েছিলাম যেমন অবাক তানজিব হাসানের সময় হয়েছি। এরা দুইজনই ঘনিষ্ঠ বন্ধু। এরা হচ্ছে সেই সোনার টুকরো ছেলে যারা আমাদের জন্য যুব বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিল। ওরা আজ হোক কাল হোক জাতীয় দলে ঢুকবে এইটা জানা ছিল। কারণ ওই দলের প্রায় সবাই অসাধারণ খেলেই বিশ্বকাপ জিতে ছিল। এর মধ্যে শরিফুল নামের বোলারটা এখন জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ। ভাল খেলেই এরাও দলে এখন ঢুকছে। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে এই দুইজনেরই মনের মধ্যে ভিন্ন ধর্মের প্রতি, নারীর প্রতি যে বিদ্বেষ তা দেখে আর সাহস হয় না যে এরা দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করুক। 

    আইসিসির কোড অফ কন্ডাক্টে এই রকম বক্তব্য দেওয়ার কোন সুযোগ নাই। এর চেয়ে কম বৈষম্যমূলক কথা বলে নিষিদ্ধ হয়েছে এমন নজির আমাদের চোখের সামনেই আছে। বিসিবি সেই তুলনায় প্রায় কিছুই করল না ওকে। আজকে যখন ডেকে জিজ্ঞাস করা হয়েছে অফিসিয়ালি তখন সে বলেছে সে কাওকে আঘাত দেওয়ার জন্য এসব বলেনি। তার নিজের মাও একজন নারী, সে কীভাবে নারীকে অপমান করে কিছু লিখতে পারে? হাস্যকর না? মা তো সবারই নারী, এর সাথে নারীকে অপমান করে বক্তব্য দেওয়ার কী সম্পর্ক? বিসিবি অবশ্য এতেই খুশি। তবে এই খুশি কতক্ষণ থাকে সেটাই দেখার বিষয়। কারণ এই ছেলে এখানেই থামবে এমন কোন লক্ষণ আমি দেখি না।

    কী লিখছিল পোস্টে? আমি দেখলাম এক জায়গায় লিখেছে নারী চাকরি করলে সমাজ নষ্ট হয়, নারী চাকরি করলে পরিবার নষ্ট হয়, সন্তানের হক আদায় হয় না! আরেকটা দেখলাম লিখেছে ভার্সিটিতে পড়াশোনা মেয়েরা নির্লজ্জ হয়, তাদের বিয়ে করে লজ্জাশীল স্ত্রী পাওয়া যাবে না এমন একটা কথা! কোন জানি বক্তা মূর্তি ভাঙার ব্যাপারে কী লেখছে সে ওইটাই শেয়ার করছে! দারুণ না?  এই ছেলের বয়স কত? হয়ত বিশ একুশ, এই বয়সে এর মনের মধ্যে এই যে এই ধরনের কথাবার্তা বাসা বাঁধছে তার প্রতিকার না করলে কোন লাভ হবে না। কোন ওষুধেই কাজ হবে না যদি না এদেরকে এখনই না ফেরানো যায়। 

    অন্ধ জনগোষ্ঠী যারা অন্ধ ভাবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে তাদের বক্তব্য হচ্ছে হাসিম আমলা, মইন আলীরা ক্রিকেট খেলছে তাদেরকে তো কেউ বাধা দিচ্ছে না। তাহলে তানজিব হাসনের বেলায় কেন মানুষ এমন করছে! আসলে সমস্যা যে ধর্ম পালনে না তা তারা বুঝতে রাজি না। কেউ সারাদিন ধর্ম পালন করুক না, কে ফেরাচ্ছে? কিন্তু এখানে হচ্ছে ধর্মীয় উগ্রতার প্রকাশ, যার সাথে ধর্ম পালনের কোন সম্পর্ক নাই। হাসিম আমলা নারীর চাকরি নিয়ে চিন্তিত এমন কোন নজির পাওয়া যায় নাই।

    ধর্মের নামে যে কোন কিছু খাওয়া যেমন মহা সমস্যা তেমনই আরেক সমস্যা হচ্ছে যারা এগুলা খাওয়ায়। এই ধরণের কোন ইস্যুতে দেখা যায় কিছু তথাকথিত তারকা এদেরকে সমর্থন দেয়। নিজেদের জীবনে ধর্মের কোন লেস মাত্র না থাকলেও কোন সমস্যা নাই, নিজে ভণ্ডামি করে ভণ্ডদের শিরোমণি হয়ে বসে আছে কিন্তু যখনই ধর্মের নামে গুড় খাওয়ার সুযোগ আসে তখনই এরা ঝাঁপিয়ে পরে। আর মানুষ ধর্মের আফিমে মজে সব ভুলে যায়। এই দেশেই এই জন্য এগারশো কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে গিয়ে মানুষ ওমরার ছবি পোস্ট করার সাহস পায়। কারণ তারা জানে ওই একটা পোস্টে দেশের বিপুল মানুষ তাদেরকে পরিস্থিতির শিকার, আসলে ভাল মানুষ বলে মেনে নিবে! 

    ধর্মের নাম নিয়ে যা ইচ্ছা, যা ইচ্ছা করে দেখুন, কিছু হবে না এখানে। তানজিব হাসানের দোষ খুব অল্পই এখানে। ওর মূল দোষ হচ্ছে এগুলা প্রকাশ্যে ফেসবুকে লিখে রাখছিল। কিন্তু ওর মত এমন চিন্তা ধারা নিয়ে দেশের লাখ লাখ মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে! এর আগে মুশফিক বিসিবির লোগোতে বাঘের ছবিতে টেপ লাগিয়ে ঘুরছে এমন ছবি পাওয়া গেছে। এমন আরও অনেকেই আছে। আমি নিজে ফেসবুকে খুব অল্প কিছু বন্ধু নিয়ে সুখে শান্তিতে ঘর করছি বলে মনে করতাম সব সময়। এবার এই বিষয়ে লেখার পরে তীব্র ভাবে প্রতিরোধের সম্মুখীন হলাম। আমি ভাবতাম আমার এই অল্প সংখ্যক বন্ধুর ভিতরে এমন কেউ নাই যে আমাকে অন্তত এই বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করবে। কিন্তু দেখলাম সে খুব যত্ন করে আমাকে বুঝায় দিল যে আমি আসলে ইসলামের সাথে নাই, আমি অন্য কোন ধর্ম পালন করছি! মানে আমি বিধর্মী বা নাস্তিক! এইটা আমার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। 

    গেম অফ থ্রোন্স একটা ফ্যান্টাসি সিরিজ। ফ্যান্টাসি সিরিজ হলেও কিছু বিষয় দুর্দান্ত ভাবে তুলে এনেছে এখানে। চার নাম্বার সিজনে সম্ভবত দেখায় এক কট্টর ধর্মীয় গ্রুপ, যারা আগের রাজার আমলে ধারে কাছে আসতে না পারলেও রাজা মরার পরে আস্তে আস্তে করে রাজধানীতে আসার চেষ্টা করছে। রানী নিজের স্বার্থে তাদেরকে ব্যবহার করে। তারা ধীরে ধীরে শক্ত আসন গেড়ে বসে রাজধানীতে। ওই ধর্মীয় শক্তি এমনই শক্তিশালী হয়ে উঠে যে যে রানী তাদেরকে নিজের স্বার্থে প্রশ্রয় দিয়েছিল তারা তাকেই বন্দী করে, উলঙ্গ করে রাজপথে হাঁটায়! 

    ধর্মীয় গোষ্ঠীকে প্রশ্রয় দিলে এমন কাণ্ড যে বাস্তবেও সম্ভব তা আমরা জানি না। সরকারের প্রশ্রয়েই মতিঝিল দখল করে বসে পড়েছিল এরা। গেম অফ থ্রোন্সের মতোই এখানেও ধামাকা দিয়েও থামানো হয় এদেরকে। মুশকিল হচ্ছে আমরা অতীত থেকে শিক্ষা নেই না। তাই দিনের পর দিন ধর্মের নামে ব্যবসা চলছে এই দেশে, এদের শক্তি দিন দিনই ধরা ছোঁয়ার বাহিরে চলে যাচ্ছে। আমাদের দশা কী হবে কে জানে! তবে তানজিন হাসান সাকিবদের সংখ্যা যে ধীরে ধীরে উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তা তো চোখের সমানেই দেখতে পারছি! এরা আমাদের কোন বাংলাদেশ উপহার দেবে? 

    তানজিব অল্প বয়সের ভুল থেকে যদি ফিরে আসতে পারে তাহলে আমাদের থেকে খুশি আর কে বেশি হবে? সে প্রথম ম্যাচেই নিজের জাত চিনিয়েছে। তাকে বাংলাদেশ দলে দরকার। কিন্তু আমরা খেলার মত বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য দেশের ভাবমূর্তিকে নিশ্চয়ই প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইব না? দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব নিয়ে কেউ ফাইজলামি করবে এইটা নিশ্চয়ই আমাদের চাওয়া হবে না? অলিভার রবিনসনের অভিষেক টেস্টের সময় ভাইরাল হয়ে যায় তার বেশ আগের কিছু বর্ণবাদী টুইট। এরপরে তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চান, বলেন বয়স অনেক কম ছিল, বুঝতে পারিনি। কিন্তু অভিষেক টেস্টে ৭ উইকেট নেওয়ার পরও তাকে নিষিদ্ধ করে ইংলিশ বোর্ড। কেউই নিজের দেশের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইবে না এমন পোস্টকে সমর্থন করে। বাংলাদেশ কমে ছেড়ে দিয়ে ভাল করল না খারাপ করল সময়েই বলে দিবে, আপাতত ভাল কিছুর আশা করা ছাড়া আর কিবা করার আছে? 
     
    শুভ বুদ্ধির উদায় হোক সকলের।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৫০৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • r2h | 192.139.20.199 | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০১:০৯523794
  • "দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব নিয়ে কেউ ফাইজলামি করবে এইটা নিশ্চয়ই আমাদের চাওয়া হবে না? "

    সর্বত্রই এই রোগ। বছরখানেক আগে এক বিজেপিপন্থী যুবনেত্রী দেখলাম খুব হইহল্লা করে বলছে ভারতের স্বাধীনতা তো নিরানব্বই বছরের লিজে পাওয়া। খোরাক ভেবে উড়িয়ে না দেওয়ারই কোন কারন ছিল না।

    ক'দিন আগে এক সামাজিক আড্ডায় দেখলাম একজন উচ্চশিক্ষিত বয়স্ক ভদ্রলোক এই কথা বলছেন। কীভাবে জানলেন জিজ্ঞেস করায় বললেন ফেসবুকে পড়েছেন। প্রতিনিয়ত মগজধোলাই হতেই থাকে, হতেই থাকে।
     
  • Ranjan Roy | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৮:৩৮523815
  • আমার ঘনিষ্ঠ এবং ছোটভাইয়ের মত প্রাক্তন সহকর্মী পেনশনারদের একটি হোয়া গ্রুপে প্রতিদিন কয়েকজন সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক পোস্ট করে থাকে। তথ্যের এবং ইতিহাসের পিণ্ডি চটকে  দেয়। আমি কোন বিতর্কে না গিয়ে শুধু ফেক নিউজগুলো এক্সপোজ করছিলাম। এবং বলছিলেম যে এগুলো অপরাধ, সুপ্রীম কোর্টও সতর্ক করছে।
    এবং এই গ্রুপে তো হিন্সু-মুসলিম-শিখ -ক্রিশ্চান সবাই আছে।
      কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নিয়ে সম্প্রদায় তুলে গাল দেওয়া কি উচিত? ওরা মুখ বুজে থাকে বলে ওদের অপমান করেই যাব?
     
     
      অল্প  কিছুদিন হল গ্রুপের অ্যাডমিন, যে আমাকে যুক্ত করেছিল, আলাদা করে আমাকে মেসেজ দিল।
     
    --আপনি আমাদের শ্রদ্ধেয়। কিন্তু এখানে আমরা সব্বাই  একই বিচারধারার। কেউ আপনার জ্ঞান শুনতে আগ্রহী নয়। ফলে আপনার বিরুদ্ধে অনেকের রাগ বাড়ছে। দয়া করে এখানে গান বা জোকস পোস্ট করুন, অন্যদের পোস্টের উপর কমেন্ট করবেন না। 
  • একক | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২০:৩৮523817
  • শুভ বুদ্ধি কবে উদয় হবে তার জন্যে বসে থাকার মানে নেই। হাবিজাবি বকলে গোটা সীজন সাস্পেন্ড করুক। তাতে  শুধ্রে না যাক, অন্তত   মুখ খুলবে না। 
  • আরে ভাই | 185.104.186.78 | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২১:০৬523818
  • সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎসঙ্গে নরকবাস। বাংলাদেশ তো সৌদির পেট্রো ডলারে চলে। ইসলামী দেশে তো এইরকমই হবে। সৌদির মাল্লু ছেড়ে ভারত আর আমেরিকার সঙ্গে ট্রেড বাড়াক। এসব মোল্লাপনা শুধরে যাবে।
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২২:০০523819
  • জঘন্য অবস্থা। দিনে দিনে এরকম গোবর পোরা মগজের লোকজন বাড়ছে। রঞ্জনবাবু যে হোয়্যাটস্যাপ গ্রুপের কথা বললেন এই রকম গ্রুপই হাজার হাজার। বিপক্ষে বলার লোক বিরল। আমিও এরকম ফরোয়ার্ড পেলেই অলট নিউজ বা এরকম কিছু সাইট ঘেঁটে লিংক টেনে এনে এদের উৎসাহে জল ঢেলে দিতাম। আর এইসব গারবেজ নেওয়া যায় না। দিন দিন বাড়ছে। 
     
    আসলে আমাদের চারপাশেই এরা ছিল, এতদিন দেখতে পাইনি, আজ জাতীয় (হিন্দি), বিজাতীয় (ইয়ু টিউব) ও রাজ্যের কিছু মিডিয়ার (cn, রিপাবলিক বাংলা) এই সব চ্যানেলের দেওয়া জল সারে এরা সব মাথা তুলে উঠেছে। ফুলপ্যান্ট দিয়ে শুরু করে আজ rss এর হাফপ্যান্ট পড়ে মহা হাগু হয়ে গেছে।  মৌলবাদ ই বাংলাদেশ কে খাচ্ছে, ভারত কেও খাচ্ছে। পাকিস্তান খাওয়া হয়ে গেছে।
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২২:০৩523820
  • সাদেক ভাই, খুব ভালো লেখাটা লিখেছেন। তানজিব এর বোলিং ও ওইদিন দেখেছি, ভালো খেলেছে। বিতর্কও হয়েছে পড়েছি। ভেবেছিলাম একটা পোস্ট শুধু শেয়ার করছিল বোধহয়। দেখলাম পুরো মাথাতেই গোঁড়ামির ভুত চেপে বসে রয়েছে। দেখা যাক পরবর্তী ক্ষেত্রে কি হয়। 
  • র২হ | 2607:fb91:dca:1412:f5da:349b:21c1:d26 | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৩:৫৮523823
  • আমাদের স্কুলের হোয়া গ্রুপের চাড্ডিকূলাধীপ সেনা জওয়ান। তার রবরবাই আলাদা। তাই গ্রুপ ছাড়তে হয়েছে।
     
    দায় আমাদের সবারই। নানারকম বিদ্বেষমূলক আচরন ইত্যাদি দেখেও আমরা সামাজিক ভাবে প্রশ্রয় দিই, ব্যক্তিগত চেনা হলে বলি আহা মনটা আসলে ভালো। বাম নেতারা রিপাবলিক টিভিতে ছুটে যান, রঞ্জনদা ট্রোলের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন। 
    দায় আমাদের সবার, আমরা কেউ জিরো টলারেন্স দেখাইনি। মুক্তকন্ঠের দোহাই দিয়ে রক্তবীজকে স্পেস দিয়েছি। 
     
    একই জিনিস এখানেও।
  • ওলি রবিনসন | 185.94.12.243 | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১০:৩৮523824
  •  অলিভার রবিনসনের অভিষেক টেস্টের সময় ভাইরাল হয়ে যায় তার বেশ আগের কিছু বর্ণবাদী টুইট। এরপরে তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চান, বলেন বয়স অনেক কম ছিল, বুঝতে পারিনি। কিন্তু অভিষেক টেস্টে ৭ উইকেট নেওয়ার পরও তাকে নিষিদ্ধ করে ইংলিশ বোর্ড।
     
    ইয়েস্পিয়েন থেকে ওলি রবিনসনের কেরিয়ার। স্পষ্টই প্রতীত হচ্ছে উনি দোসরা জুনের অভিষেক টেস্টের পরে চৌঠা অগাস্ট ফের ভারতের সাথে টেস্টে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। 
     
    অর্থাৎ এই তথাকথিত 'নিষেধ' বেশীদিন স্থায়ী হয় নি,সইত্যের খাতিরে সেটাও লিখে দিলে পারতেন।  
     
  • Amiruzzaman Muhammad Shamsul Arefin | 2405:8100:8000:5ca1::2b8:8f9d | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১০:৫৩523825
  • পর্ব ২
    স্ত্রী চাকরি করলে সন্তানের হক আদায় হয় না...। দেখা যাক, কথাটা ভুল না ঠিক?
    [ক]
    সুতরাং গত পর্বে আমরা দেখেছি, কীভাবে ও কেন একই পরিমাণ স্ট্রেস পুরুষের চেয়ে নারী শরীর ও মনের উপর বেশি প্রভাব ফেলে। আবার একটু স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি।
    নারীর নিজের ক্ষতি :
    - পুরুষের চেয়ে স্ট্রেসে থাকা একজন নারীর শারীরিক ক্ষতি বেশি হয়, মানসিক অসুখও বেশি হয়। [Stress and your health, Office on Women’s Health, U.S. Department of Health and Human Services]
    - স্ট্রেসের প্রভাবে লক্ষণগুলো নারীদের বেশি প্রকাশ পায়। কারণ, একই স্ট্রেসে নারীদের স্ট্রেস-হরমোন কর্টিসল বেশি বের হতে থাকে’(Verma, 2011)
    উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, টেনশন-জাতীয় মাথাব্যথা ও মানসিক রোগগুলো নারীদের বেশি হয়। (Hammen, 2009) এবং কমবয়েসী নারীদের হার্টের সমস্যাগুলো মূলত হার্টের ওপর এই স্ট্রেসের কারণেই হয়। (Vaccarino, 2014)
    এবং আমরা আরও দেখেছি, পুরুষের তুলনায় একে তো তাদের স্ট্রেস সামলানোর শারীরিক প্রক্রিয়াগুলো দুর্বল। তার উপর আবার পুরুষের তুলনায় তারা অধিক স্ট্রেসে এক্সপোজড। নারীদের এই অতিরিক্ত স্ট্রেসের উৎস আমরা দেখেছি। আবার বলছি। নারীর এই অতিরিক্ত স্ট্রেসের উৎস কর্মস্থল :
    - অফিসে ও বাসায় নারীর ‘দ্বৈত ভূমিকাই’ তাদের কর্মস্থলে পুরুষের চেয়ে বেশি স্ট্রেস অনুভব করার মূল কারণ। (Prasad, 2016)
    - পুরুষের মাঝে কাজ করতে সে বেশি স্ট্রেস ফিল করে, সেখানেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ২০১২ সালে ২২,০০০ নারীর ওপর এক রিসার্চে এসেছে, যেসব নারীদের চাকুরি-কেন্দ্রিক স্ট্রেস (job-related stress) বেশি, তাদের ৪০% বেশি সম্ভাবনা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক (cardiovascular event) হওয়ার [Alexandra Sifferlin (August 25, 2015) Women in Male-Dominated Jobs Have More Stress, TIME]
    - নারী কর্মকর্তারা বেশি স্ট্রেস, উদ্‌বেগ ও মানসিক সমস্যার সম্মুখীন [Why Women Feel More Stress at Work (Harvard Business Review 2016)]
    - ব্রিটেনের মতো দেশেই ৭৯% নারী কর্মক্ষেত্রের স্ট্রেসে ভুগছেন, ৭৮% নারী কর্মজীবীর ঘুমে সমস্যা, মোটের ওপর ৮৭% নারী চাকুরি নিয়ে স্ট্রেসে আছেন বলে জানিয়েছেন। [Louise Chunn (Mar 26, 2019) Women Are at Breaking Point Because of Workplace Stress : Wellbeing Survey from Cigna, Forbes.com]
    কিন্তু গর্ভকালে এই অতিরিক্ত স্ট্রেসটা সন্তানের জন্য বিপুল ক্ষতি নিশ্চিত করে। স্ট্রেসের কারণে মায়ের হৃদস্পন্দন থেকে শুরু করে স্ট্রেস হরমোন, অতিমাত্রায় অক্সিডেন্ট তৈরি, রক্তচাপের বৃদ্ধি সকল জিনিস গর্ভস্থ শিশুর গঠন ও বৃদ্ধিতে নেগেটিভ প্রভাব ফেলে। যেমন: [University of Missouri-Columbia. (2016, June 7). Stress exposure during pregnancy observed in mothers of children with autism : More research needed to understand gene-stress interaction. ScienceDaily.]
    - গর্ভকালীন নানান জটিলতা যেমন আগে আগেই ব্যথা ওঠা, আগে আগেই বাচ্চা হয়ে যাওয়া, কম ওজনের বাচ্চা, প্রি-এক্লাম্পশিয়া, গর্ভকালীন ডায়বেটিস ইত্যাদি এখন বেশি হচ্ছে (Coussons-Read, 2013) এই স্ট্রেসের দরুন।
    - আগের চেয়ে বাচ্চাদের জন্মগত ত্রুটিও বেশি হচ্ছে। বাচ্চা হওয়ার পরও বাচ্চার সমস্যা রয়ে যাচ্ছে তার গর্ভকালীন স্ট্রেসের ফল হিসেবে। (Carmichael, 2007) বাচ্চার সম্পর্ক স্থাপনে সমস্যা, খিটখিটে মেজাজ, আবেগিক সমস্যা, অ্যাজমা, অ্যালার্জি, কম রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা, বুদ্ধিবিকাশে বাধা, স্মৃতিস্বল্পতা ইত্যাদি। (Coussons-Read, 2013)
    - অটিজম রোগাক্রান্ত শিশুও বেশি জন্মাচ্ছে এই গর্ভকালীন স্ট্রেসের কারণে। (Varcin, 2017)
    সিজারের জন্য শুধু ডাক্তারদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। আমাদের লাইফস্টাইল সিজারের ইন্ডিকেশন (প্রয়োজন) নির্মাণ করে, প্রসবকে জটিল করে ফেলে। এবং এই ইস্যুগুলো প্রতিরোধযোগ্য ছিল। নারীরা পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতায় না নামলেই এই অঘটনগুলো প্রতিরোধ সম্ভব। বিশেষত ১ম ট্রাইমেস্টার, যখন সন্তানের মূল গঠন হচ্ছে, তখন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে মেয়েরা যায় না। হরমোনের ওঠানামায় অভ্যস্ত হয়ে ওঠে না শুরুর সময়টা। ফলে স্ট্রেস বেশি পড়ে, যেসময় তার বিশ্রাম বেশি প্রয়োজন ছিল। অনেক মেয়ে সন্তান হবার পর মাতৃত্বকালীন ছুটিতে যায়। ততদিনে যা হবার হয়ে গেছে। শরীরের বিরুদ্ধে গিয়ে কর্মঘন্টা চালিয়ে যাওয়া, কর্মস্থলে স্ট্রেস-পলিটিক্স-প্রেসার পুরুষের সমানই তাকে সহ্য করতে হয়। পুরুষকে টেক্কা দিতে তারা সেটা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে করে শরীর সায় না দিলেও। এভাবেই অনাগত সন্তানের হক নষ্ট হয় মায়ের উচ্চাভিলাষের দ্বারা।
    [খ]
    এবার আগত সন্তান। মানুষের বাচ্চা গরুছাগলের বাচ্চার মত না। জন্তু-জানোয়ারের বাচ্চা হয়েই দৌড় দেয়। আর মানুষের বাচ্চা? কত দুর্বল, কত অসহায় থাকে ৩-৪ বছর পর্যন্ত, তাই না? এমনকি বান্দরের বাচ্চার সাথেও মানুষের বাচ্চার তুলনা চলে না। বাঁদরের বাচ্চাও এটলিস্ট মাকে আঁকড়ে ধরে রাখতে পারে। মানুষের বাচ্চার সেটুকু শক্তিও থাকে না। মানুষের বাচ্চার তুলনা করতে পারেন ক্যাঙ্গারু ইত্যাদি মারসুপিয়াল প্রাণীদের বাচ্চার, যারা অপরিণত হয়ে তৈরি হয়। এজন্য থলে দেওয়া থাকে মায়ের পেটে। বা ইঁদুর-কুকুরের বাচ্চার মত, যাদের চোখ ফোটে না। মানুষের বাচ্চারও হবার পর বেশ কিছুদিন সময় লাগে ক্লিয়ার দেখতে। তাই তার আরও বেশি দরকার মা-কে। দরকার আরও ক্লোজ টাচ। আমরা দেখব এই সময়টা দাদী-নানী-বুয়া দিয়ে কাজ চালানো যায় কিনা।
    ১৯৮৬, ১৯৮৮ ও ১৯৯০ সালে পর পর ৩ টি রিসার্চের ফলাফলের উপর University of London-এর প্রোফেসর Jay Belsky সিদ্ধান্তে আসেন: বাচ্চার ১ম বছরে যেসব মায়েরা জবে থাকে ফুলটাইম, সেসব বাচ্চার ৩ বছর, ৪ বছর ও গ্রেড-১ এ বুদ্ধিবৃত্তিক গ্রোথ তুলনামূলক কম। এবং এসব মায়েদেরও ডিপ্রেশন হবার হার ‘বেকার’ মায়েদের চেয়ে বেশি।
    সহজ করে ওনার ফাইন্ডিং-গুলো বলি: ছোটবয়েস থেকে দীর্ঘসময় বাচ্চাকে মা ছাড়া অন্য কারও কাছে রেখে পাললে (early and extensive nonmaternal care), পরবর্তীতে পিতামাতার সাথে সন্তানের দূরত্ব বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। সন্তানের ভিতরে রাগ-জেদ ইত্যাদি আগ্রাসী স্বভাব বৃদ্ধি পায়। বাচ্চা বয়সে, স্কুলে যাবার আগের বয়সে এবং প্রাথমিক ক্লাসগুলোতে কাঙ্ক্ষিত স্বাভাবিক বিকাশ হয় না (noncompliance)।
    পুঁজিবাদী-নারীবাদী মতের বিরুদ্ধে গেল তো? এরপর বেচারাকে ধুয়ে দেয়া হল। কেচে নিঙড়ে রোদে মেলে দেয়া হল। তারপরও ২০০১ সালে Journal of Child Psychiatry and Psychology-তে তিনি নিজ মতের উপর অটল থাকেন।
    আগ্রহীরা মূল পেপার দেখতে পারেন:
    Belsky J. Emanuel Miller lecture developmental risks (still) associated with early child care. J Child Psychol Psychiatry. 2001 Oct;42(7):845-59.
    Brooks-Gunn, J., Han, W. J., & Waldfogel, J. (2010). First-Year Maternal Employment and Child Development in the First Seven Years. Monographs of the Society for Research in Child Development, 75(2), 7–9.
    [গ]
    অনেকে বলেন: বাবার দায়িত্বটা কি? সন্তান কি বাবার নয়? মা-ই কেন স্যাক্রিফাইস করবে? সন্তান অবশ্যই দুজনের। এবং সন্তানের স্বার্থেই বাবা বাইরে বাইরে কাজ করবে এবং মা সন্তানের সাথে লেপ্টে থাকবে ঘরে। এটাই শিশু-নারী-পুরুষের বায়োলজি। এবং বায়োলজির স্রষ্টা (ইভোল্যুশন মনে করলে করেন) সেই দায়িত্বই তাদের বণ্টন করেছেন যেটা বায়োলজির অনুকূল। এখানে কোনো কম্প্রোমাইজ, কোনো স্যাক্রিফাইস-এর প্রশ্নই নেই। মা মায়ের কাজটা করছে, বাবা বাবার। এখানে কোনো স্যাক্রিফাইস-টাইস নেই।
    রিসার্চ বলছে— মাতৃস্নেহ বিষয়টা সরাসরি অক্সিটোসিন হরমোনের সাথে রিলেটেড (Babchuk, 1985), যা একজন নারীর শরীরে থাকে অনেক বেশি। প্রসবের সময় জরায়ুর ক্রমাগত সংকোচনের ফলে ব্রেইন থেকে বন্যা-জলোচ্ছ্বাসের মত অক্সিটোসিন হরমোন নির্গত হতে থাকে। আবার চক্রাকারে এই হরমোন উত্তরোত্তর জরায়ু সংকচন বাড়াতে থাকে যে পর্যন্ত না বাচ্চা বের হচ্ছে। এই হরমোনের সাইকো-ইফেক্ট হল: বাচ্চার প্রতি মায়া। হরমোন নিঃসরণ চলতেই থাকে বাচ্চার স্তনপানের প্রতিটি চোষণে। অর্থাৎ মা-শিশুর টান কেবল মানসিক না। টান শরীরে, রক্তে, হরমোনে। এজন্য মিলিয়ে নিন:
    - বাচ্চার কান্নায় মায়ের অক্সিটোসিন হরমোনে বান ডাকে, ফলে মায়া উথলে ওঠে, মা ব্যাকুল হয়ে ওঠে।
    - বাচ্চাকে ছাড়া মায়ের খালি-খালি লাগে, মনে হয় শরীরের একটা অঙ্গ নেই।
    - বাচ্চার অস্ফুট কান্না-নড়াচড়া-চেহারার ভঙ্গি-কান্নার অর্থ মা বুঝতে পারে।
    - কর্মস্থলে গিয়ে বাচ্চার টান, আবার বাচ্চার কাছে থাকলে কর্মস্থলের টেনশন মাকে একটা দ্বন্দে ফেলে দেয়। না এটা হয়, না ওটা। জবের প্রোডাক্টিভিটিও কমে, ওদিকে মায়ের কাজটাও আধখেঁচড়া হল।
    এখানে কারও দোষ নেই। এটাই আমাদের বায়োলজিক্যাল নকশা। মেয়েদের ব্রেইনম্যাপ এভাবে হয়ে ওঠে। একে অস্বীকার করলেই ব্রেইনম্যাপ বদলে যায় না। ছেলেদের ব্রেইনম্যাপ এমন না। একজন বাবা বড়োজোর সন্তানের সাথে খেলতে পারে। ছেলেদের ব্রেনের নকশা সবকিছুকে ‘অবজেক্ট’ হিসেবে নেয়, বাচ্চাকেও সে একটা খেলনার মতোই মনে করে। বড়োজোর কষ্ট করে কয়েকদিন কিছু যত্ন নিতে পারে, যা বাপকে শিখিয়ে পড়িয়ে দিতে হয়। কিন্তু মা-শিশু যে স্পেশাল বন্ধন, সেটা মেয়েদের শিখিয়ে দিতে হয় না। এগুলো সব মেয়েদের ব্রেনের নকশায়ই থাকে।
    ছেলেদের টেস্টোস্টেরন হরমোন এই ‘বাচ্চা-পালা’-র ঝোঁক কমিয়ে দেয়, যা বাবাদের বেশি (Udry, 2000)। উদাহরণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, একজন কর্মজীবী বাবা নিজের ছেলের সাথে যে পরিমাণ সময় দিয়েছে, কর্মজীবী দাদা হবার পর নাতিকে সময় দেয় বেশি। কারণ তার টেস্টোস্টেরন এখন পড়তির দিকে।
    সুতরাং সন্তানের মায়ের প্রয়োজন বাবা-বুয়া-দাদী-নানী দিয়ে হবেনা, এটা বিজ্ঞান বলছে। কিছু মানুষ আছে যারা ধর্মও মানে না, বিজ্ঞানও মানে না। কৌন হ্যায় ইয়ে? কাঁহা সে আতে হ্যায় ইয়ে লোগ?
    [ঘ]
    অনেক মা বুকের দুধ বের করে রেখে কর্মস্থলে যান। ভাবেন, দায় শেষ। দেখা যাক।
    ১.
    বুকের দুধের উপাদানগুলোর যে অনুপাত, পুরো দিনের নানা অংশে তার বৈচিত্র হয় শিশুর প্রয়োজনের দিকে লক্ষ্য রেখে (circadian variation)। সন্ধ্যার দুধে ফ্যাট ও ট্রিপ্টোফ্যান বেশি থাকে। এমনি করে প্রোটিন-শর্করা-ক্যালসিয়াম-ফসফরাস-ম্যাগনেসিয়াম-আয়রন-নিউক্লিওটাইড- কর্টিসল – মেলাটোনিনের উঠানামা হয়। একেক সময় শিশুর একেক লেভেলের চাহিদা থাকে যা ঐ সময়কার কম্পোজিশন ঠিক করে দেয়। আমি আসলে জানিনা ৯টা-৫টা ডিউটি করলে শিশুর এই চাহিদা কীভাবে মেটে? অনেকে তো চাকরির জন্য ২ বছরের আগেই দুধ ছাড়িয়ে দেন। বাহ।
    ২.
    অনেক মা কমপ্লেইন করেন, বাচ্চা যথেষ্ট দুধ পায় না বা দুধ উৎপাদন কমে গেছে। নানান কারণেই হতে পারে। আমাদের আলাপের সাথে প্রাসঙ্গিক যেটা সেটা হল, যখন স্তন দুধে পূর্ণ থাকে তখন দুধ উৎপাদনের গতি কমে আসে। খালি অবস্থায় দুধ তৈরি হয় বেশি বেশি। মানে, মা যত বেশি বার বাচ্চাকে খাইয়ে খালি করবে, ততবেশি দুধ উৎপাদন হবে। লম্বা সময় না খাওয়াতে খাওয়াতে এটাই স্বাভাবিক ফেনোমেনা যে, প্রোডাকশন কমে যাবে। ২ বছরব্যাপী যে পরিমাণ দুধ বাচ্চার জন্য জরুরি ছিল, তা সে আর পেল না।
    ৩.
    আমরা যদি খরগোশের দুধের উদাহরণ দিই, মা-খরগোশের দুধে চর্বি ও প্রোটিনের ঘনত্ব এতটাই বেশি থাকে যে, বাচ্চা-খরগোশকে দিনে একবার দুধ পান করালেই চলে। অন্য স্তন্যপায়ীদেরও ঘনঘন দুধ পান করানোর প্রয়োজন পড়ে না। তবে মানুষের ব্যাপারটি সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। যেহেতু মানুষের বুকের দুধে পুষ্টি কম থাকে এবং খুব দ্রুতই হজম হয়ে যায়, ফলে মায়ের তার শিশুকে দিনে কয়েকবার (কমসে কম দিনে ৮-১২ বার বা তারও বেশি হলে ভালো) বুকের দুধ পান করাতে হয়। কারও কারও মতে প্রতি ২০ মিনিটে একবার। কেননা দ্রুত হজম হয়ে যায়।
    মানুষের দুধে ফ্যাটের পরিমাণ ৩-৫%, যেখানে অন্যান্য প্রাণীর ৪০% এর উপরে। সুতরাং আমরা এমন একটা প্রজাতি যাদের বেশি ঘন ঘন দুধপানের দরকার পড়ে। এভাবেই আমরা তৈরি। এজন্যই বারংবার দুধপান করানোর গুরুত্ব এতো বেশি। যত বেশি দুধপান করানো হবে, মায়ের তত বেশি প্রোডাকশন হবে। তত বেশি ফ্যাট বাচ্চা পাবে, যা তার মস্তিষ্ক বিকাশের জন্য জরুরি।
    [Emma Pickett, Guest blog: breastfeeding - the dangerous obsession with the infant feeding interval, www.unicef.org.uk]
    এই ব্যাপারটির গুরুত্ব সম্পর্কে ইনস্টিটিউট অফ হিউম্যানিস্টিক সাইন্সের (Institute of Humanistic Science) মনোবিজ্ঞানী ড. জেমস ডাব্লিউ. প্রেসকট (James W. Prescott PhD) বলেন,
    "আমরা কেবল মানুষের মধ্যেই দেখতে পাই, জন্মগ্রহণের সময় নবজাতককে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং মা তার সন্তানকে স্তন্যপান করাচ্ছেন না। আমরা আবিষ্কার করেছি, লাখ লাখ বছর বিবর্তনের ফলে গঠিত দৈহিক ও মনোদৈহিক গঠনকে লঙ্ঘন করে এ জাতীয় আচরণগুলো। ফলে শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে নবজাতককে তার শৈশব-কৈশোর-তারুণ্যে এক ভয়ানক মূল্য চুকাতে হচ্ছে— যেমন বিষণ্ণতা, নিয়ন্ত্রণহীন আবেগ, সহিংসতা এবং মাদকসেবন"।
    [Prescott, James W. (Spring 1997). Breastfeeding: Brain Nutrients in Brain Development for Human Love and Peace. Touch The Future Newsletter.]
    আমি আসলে জানিনা, বিনা প্রয়োজনে, নিজ আত্মতৃপ্তির জন্য সন্তানকে বঞ্চিত করা মায়েরা কীভাবে এই পরিণতি জাস্টিফাই করবেন। (বাধ্য হয়ে করা বা উম্মাহর খেদমতের জন্য করাটা একটা সাউন্ড জাস্টিফিকেশন। মেয়েদের চাকুরি কেমন হওয়া দরকার, সেটা নিয়ে আলাপ করবো সামনে ইনশাআল্লাহ)
    আরও বহুকিছু আছে। মায়ের গন্ধ, মায়ের টাচ, মায়ের হার্টবিট, মায়ের স্বর শিশু মিস করে। এবং শিশুর ভবিষ্যত মনোজগত গঠনে এর ভূমিকা কী, তার ব্রেইনের সাইন্যাপস (কানেকশন) তৈরিতে এসবের কী রোল, তা নিয়ে আগ্রহীরা অনুসন্ধান করতে পারেন।
  • guru | 103.211.133.21 | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১১:৫৫523826
  • @আরে ভাই
     
                      ইন্ডিয়ান ইকোনোমি বাংলাদেশকে এক্সপোর্ট করে কত ডলার জানা আছে ? বাইপাস ধারের হসপিটাল গুলোর মধ্যে কত বাংলাদেশী পেসেন্ট আছে জানা আছে ? বাংলাদেশী ক্লায়েন্ট ছাড়া ওগুলো একদিনও টিকবে ? বাংলাদেশের ভারতকে যতটা দরকার ভারতের বাংলাদেশকে তার থেকে অনেক গুণ বেশি দরকার |
     
                    সৌদী ডলার কে না চায় ? চাড্ডীদের উনিজি চায় না ? তাহলে সৌদী আরবের যুবরাজ দেশে থাকবার সময়েই মনু মানেসরকে জেলে কেন পুড়লো ? সৌদি ডলারে ইন্ডিয়া চলেনা ?
  • guru | 103.211.133.21 | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১১:৫৮523827
  • @আরে ভাই
     
                      আমি আজ পর্যন্ত যতগুলো সংঘি দেখেছি সবাই সৌদি গিয়ে কাজ করতে চায় | সৌদি মেয়ে বিয়ে 
    করতে পারলে এরাই সবার আগে কলমা পড়বে | 
  • hehe | 43.252.166.214 | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১২:৪৭523828
  • অ এত জদি ভারতের ওপর খার, তবে কাঁটাতার গলে ঢুকিস ক্যানে বাপ্? তোদের পূর্বতন পাকি সরকারের কাছে গেলেই পারিস। একাত্তরে তোদের তো ভালই আদরযত্ন করেছিল। কিন্তু তোরা সেই ভারত, ইউরোপ বা আম্রিগায় গিয়ে মুটেগিরি করবি, আবার ক্যাংলাদেশের গুমোর দেখাবি!
  • Supriya Halder | 217.115.112.198 | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২১:৩৮523839
  • কয়েকবছর আগে একটা কাজে ঢাকা যেতে হয়েছিল। সে একেবারে নরকের অভিজ্ঞতা। ঢাকার মত নোংরা শহর আর দেখিনি। লোকে কেউ বাংলা বলে না। সব আরবি শব্দ। আর জঘন্য খাবার। কাঁচা রক্তমাংস দিয়ে কাচ্চি বিরিয়ানি। লুরুতে ফিরে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিলুম। ইসলামিক দেশের যা কমন প্রব্লেম, মেয়ে দেখলে বুভুক্ষুপনা, আর বল্লাম না।
     
  • a | 110.175.36.96 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৭:২৩523845
  • দেখুন আর যা নিয়ে বলবেন বলুন, কাচ্চি নিয়ে  বললে মাইন্ড করব
  • aranya | 2601:84:4600:5410:3121:3b12:8771:867b | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৩:১৬523851
  • 'স্বভাবতই যারা মনে করেছে এইটা চরম অন্যায় একটা কাণ্ড তারা সাথে সাথেই এই সব পোস্টের ব্যাপারে প্রতিবাদ জানায়'
    - এখনও কিছু মানুষ প্রতিবাদ জানায়, শরীফেরা এ নিয়ে লেখালেখি করে, সংখ্যায় কম, তবু আশা বেঁচে থাকে 
     
    @সুপ্রিয়া, বাংলাদেশ ইসলামিক দেশ নয়, সেকুলার দেশ। সংবিধানে সেকুলার শব্দটা আছে। যদিও, এরশাদের সময়, ১৯৮৮তে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করা হয়
  • aranya | 2601:84:4600:5410:3121:3b12:8771:867b | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৩:৪২523854
  • হুতোর পোস্ট-টা পড়লাম। আমার কলেজের হোয়া গ্রুপে বিজেপি / আরএসএস সমর্থক দের সাথে নিত্যই টক্কর চলে, প্রচুর তর্ক-্বিতর্ক হয়। 
    দিনের সেশে কেউ নিজের মত বদলায় না। তবে তর্ক / প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর উপায় ই বা কি 
  • Muhammad Sadequzzaman Sharif | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১১:৩৩523908
  • বাপরে! কই থেকে কই চলে গেছে সবাই! আরেকজন বিশাল বড় একটা কমেন্ট করছে, করে প্রমাণ করার চেষ্টা করছে নারীর চাকরি না করাটা কতটা বিজ্ঞানসম্মত! অবিজ্ঞান্সম্মত একটা কাজ সারা দুনিয়ায় ঘটছে আর কেউ এর প্রতিবাদ করছে না? সময়ের সাহসী সন্তান তানজিব হাসান করে দেখিয়েছে? ইমানের শক্তিতে বলিয়ান তানজিব পোস্ট ডিলিট করল কেন তাহলে? মতবাদ চেঞ্জ হয়ে গেছে এর মধ্যে না ইমান দুর্বল হয়ে গেছে? আশ্চর্য সব মানুষ! 
    আরেকজন ঢাকায় এসে বলে দেখে কেউ বাংলা বলে না! আরে এইটা আপনে খোঁজ নিয়া আসবেন না? আমরা সবাই তো আরবিতেই কথা বলি। আপনের সামনে কে আবার আরবি শব্দ মিলিয়ে বাংলা বলতে গেল বুঝলাম না, খুব অন্যায় করছে। আমি বকে দিব তাকে! কাঁচা মাংসও যে আমরা খাই, রক্ত দিয়া কাচ্চি রান্না করি এটা অবশ্য আমার জানা ছিল না। কোন চুলায় গিয়ে এই জিনিস খেয়েছেন বললে সুবিধা হত আমাদের। এই আশ্চর্য জিনিস দেশে হচ্ছে আমরা কেউ খাইলাম না? সাঁওতাল, কোচ হচ্ছে এই অঞ্চলের পূর্ব পুরুষ, আমরাও একটু পরখ করে দেখতাম এই জিনিস! 
    ভাল থাকবেন। 
  • guru | 103.135.229.70 | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৫:০১523916
  • @Supriya Halder
     
                                   আপনি কি কোলকাতাতে কখনো আসেননি ম্যাডাম  ? কলকাতায় একবার পা রাখুন ম্যাডাম আপনি লক্ষ্য করবেন এখানে বাংলার থেকে হিন্দি বলা লোকের সংখ্যা এতো বেশি যে ইটা বাংলা না বিহারের উপনিবেশ বুঝা শক্ত | ঢাকাতে কেকি বলে জানিনা কিন্তু কোলকাতাতে এখন বিশুদ্ধ বাংলাতে কথা কেউ বলেনা , সব হিন্দিতে কথা বলে | ঢাকাতে অন্ততঃ লোকে বাংলা বলে এবং সেই সংখ্যাটা কলকাতার থেকে অনেক বেশি ম্যাডাম এইটা জানবেন | 
     
                                আর বিরিয়ানি ? গুজরাটি আর মারবাড়ি দের রক্তচক্ষুতে কলকাতায় আর কতদিন বিরিয়ানি পাওয়া যায় দেখা যাক |
  • Oh Calcutta | 2402:3a80:1983:d21:278:5634:1232:5476 | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৩:০৮523929
  • কী কেইস! ঢাকায় মদ আর জয়েন্ট খোঁজা আর হীরা খোঁজা একই ব্যাপার। আর শুয়োরের স্টেক আর মিনিস্কার্ট? সে আর কইলাম না। সেদিক থেকে কলকাতা সত্যিই ওহ ক্যালকাটা! :-) আর অন্য জায়গায় যাই হোক, কলকাতার মারোয়ারিরা সাঁটিয়ে রেস্তোরাঁয় চিকেন বিরিয়ানি খায়। জাকারিয়া স্ট্রিটেও দুএকটাকে যেতে দেখেছি। 
  • t | 2405:8100:8000:5ca1::326:9a42 | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৩:২৫523930
  • এবারে কেউ আইয়া কইব সিগ্রেট খাওন অস্বাস্থ্যকর, কেএফসি কুখাইদ্য। আরে তাই যদি হইত দুনিয়ায় সবাই এমন খাইত? লোক প্রতিবাদ করত না?
  • hehe | 139.99.148.18 | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৩:৪৮523931
  • যতই হাসিনা আপুকে রেমিট্যান্স পাঠা, তোদের ঢাকা কোনদিন কলকাতা হইবা না !
  • একক | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:৩০523935
  • এই "বিজ্ঞানসম্মত " থিসিস গুলো দেওয়ার মানে কী??  এগুলো ভুল না ঠিক,  স্যাম্পলিং বায়াস কত সেসব প্রশ্নে যাচ্ছিই না,  আসল কথা হলো এগুলো কেন মেনে চলব??  বিজ্ঞান একটা  পর্যবেক্ষন,  সভ্যতার দিক্ নির্দেশ বিজ্ঞান ঠিক করেনা। 
     
    বাঘ সিংহ হাতি জল্পিপি মানুষ সবাই শারীরিক মানসিক সামাজিক বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে চলেচে। সেই প্রক্রিয়ায় কোন লক্ষ্মণ মুছে যাবে কোন লক্ষ্মণ টিকে থাকবে। সিংগল মাদারের বাচ্চাও তাই। কাজের জন্যে বাইরে বেরোলে কী কী রিস্ক ফ্যাক্টর ওটুকু বলে দেওয়া বিজ্ঞানের কাজ। এরপর মানুষ ঠিক করবে সে কতটা কীভাবে বাচ্চাকে সঙ্গ দেবে,  টেক্নজির সাহাজ্য নিয়ে নাকি অন্যভাবে। প্রসেস টা চলতে থাকলে একসময় বাচ্চার শারীরিক -মানসিক চাহিদাও সেইভাবে সেট হয়ে যাবে। 
     
    চলার পথে বিজ্ঞান একটা হাতিয়ার মাত্র। রিস্ক মিটিগেশন মানুষের হাতে। এই এক কায়দা হয়েচে নব্য বিজ্ঞান পড়াদের - বিজ্ঞান বলেচে চুদির ভাই আনন্দের আর সীমা নাই। 
  • | 2405:8100:8000:5ca1::192:a1e0 | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৯:৫৩523943
  • বিজ্ঞান বড়জোর বলবে আগুনে হাত দিলে পুড়বে, কিন্তু সতী হওয়া না হওয়া মানুষের হাতে। বিজ্ঞান সিগারেট নিয়ে নিদান দেবার কে, নিয়মিত সিগারেট খেলে শরীর একসময় সেভাবেই সেট হয়ে যাবে।
  • প্রশ্ন  | 165.225.8.101 | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:২৬523996
  • ছোকরা কি ওডিআই বিশ্বকাপ টিমে চান্স পেল? @Muhammad Sadequzzaman Sharif 
  • q | 2405:8100:8000:5ca1::13:f9b6 | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৮:১৯524016
  • সন্তানের হকে প্রব্লেম হচ্ছে যখন, বাচ্চা না নিলেই হল। সেটা তো মানুষের চয়েসই থাকছে।
  • Muhammad Sadequzzaman Sharif | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৩:৫২524034
  • হ্যাঁ, বিশ্বকাপ দলে আছে ও। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল প্রতিক্রিয়া দিন