এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বৈঠকি আড্ডায় ১০

    হীরেন সিংহরায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০৯ এপ্রিল ২০২৪ | ৩২৯ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • ভোটাভুটি খরচাপাতি

    পর্ব ৪

    স্বাধীনতা, সাম্য , সৌহার্দ্যের আপন দেশে

    ফরাসি দেশে রাজত্বের পাট ঘুচিয়ে গণতন্ত্র স্থাপনার কর্মযজ্ঞে অন্তত পনেরো হাজার মানুষ গিলোটিনের বলি হয়েছেন - অভিজাত মাত্র দশ শতাংশ ,  বিশাল সংখ্যক সাধারণ মানুষকে নানান বাহানায় দেশদ্রোহী তকমা দিয়ে সেই মঞ্চে বধ করা হয় । তাঁদের মধ্যে ছিলেন এমনকি আন্তয়ান লাভয়েশিয়ে (সকল কেমিস্ট্রির ছাত্র ছাত্রীর কাছে পরিচিত- অক্সিজেনের সঙ্গে যার নাম চিরদিন জড়িয়ে থাকবে)।  

    ১৭৯২ সালের  গণতান্ত্রিক সংবিধানে এক পুরুষ এক ভোট এই মন্ত্রের বলে একুশ বছরের বেশি বয়েসি সকল পুরুষ ফরাসি নাগরিক ভোটের অধিকার পেলেন ; মহিলারা পাবেন মাত্তর দেড়শ বছর বাদে, ১৯৪৪ সালে।  

    এই নির্বাচনী ময়দানে  কোন প্রার্থী এক ভোটারকে দু পাত্র আবসান্থ খাওয়ালো বা পকেটে টাকা বা অন্য কিছু গুঁজে দিলো অথবা কোনো  ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নগদে বা মুচলেকায় প্রভূত ফ্রাঁ পকেটস্থ করলো সেটা নিয়ে গণতান্ত্রিক সরকার কৌতূহলি হন নি । ভোটে খরচা আছে বটে কিন্তু  গণতন্ত্র এসে গেছে ;   আপনি ভোট দিতে ও পেতে পারেন।   এবার জিতে আসেম্বলি ন্যাশিওনাল এসে পৌঁছুন, আপনার আসন গ্রহণ পূর্বক রাজকার্যে যোগদান করুন । যদি জিততে না পারেন অমুক লোক ঐ মাংস ব্যবসায়ীর কাছে থেকে টাকা নিয়েছে বলে চেঁচামেচি করে কোন লাভ নেই – ওটা কোর্টের বিবেচ্য বস্তু নয়;  এ বিষয়ে কোনো আইন নেই।  

    ফরাসি রাজনীতি ও নির্বাচনের গল্প প্রথম যার কাছে থেকে শুনি তাঁর নাম গায়েল দু পঁ ব্রিয়াঁ, আমার প্রথম আমেরিকান ব্যাঙ্ক, কনটিনেনটাল ইলিনয়,  ফ্রাঙ্কফুর্ট ব্রাঞ্চের যৌথ ম্যানেজার । নামের পেছনে পঁ ব্রিয়াঁ আছে, সেটি লোয়ের অঞ্চলের একটি জমিদারির নাম, ঘটি না ডুবলেও সেটি সম্ভ্রান্ত দিঘি । তাঁর নিজস্ব জমিজমা ছিল বলে জানতাম কিন্তু সেটি নাকি যৎসামান্য , কোন লাতিফান্দিয়া  নয় ! জার্মান অবশ্যই ভালো জানতেন ও বলতেন কিন্তু ফরাসি অ্যাকসেন্টে একটু মজার শোনাতো।  আখিম ফিশার আমার ট্রেড বিভাগের অধিকর্তা,  বলতো , একবার ওকে বলতে বলুন না আমি হামবুর্গের একটা হোটেলে থেকেছি ( জার্মানে ইখ হ্যাবে ইন হামবুর্গ ইন আইনেম হোটেল গেভোনট ) ফরাসিতে এইচ বা হ নিশ্চুপ, তাই গায়েলের মুখে শোনাবে – ইখ আবে ইন আম্বুরগ ইন আইনেম ওটেল গেওনট ! আমাকে ডাকতেন ইরেন বলে।

     পঁ ব্রিয়াঁ
     
    সে বছর ( ১৯৮১) জিসকা দেসতাঁ কে হারিয়ে  ফ্রাঁসোয়া মিতেরাঁ ফ্রান্সের প্রথম সোশ্যালিস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে, গায়েল মাথার  চুল ছিঁড়তে বাকি রেখেছিলেন, “ কি সর্বনাশ , দেশটা কমিউনিস্ট হয়ে গেল!”   আলোচনা প্রসঙ্গে গায়েল বলেছিলেন, ফরাসি নাগরিক সংবিধানে বিশ্বাস করে কিন্তু সংবিধানকে রক্ষা করার দায়িত্ব যাদের হাতে , সেই রাজনীতিকদের নয় ! ফ্রান্সে ভোটাভুটি হচ্ছে এতদিন , এখন পঞ্চম রিপাবলিক চলছে , নির্বাচনী আইন কানুন ( যাকে আমরা আজকাল কোড  অফ কন্ডাক্ট বলি ) আজও লেখা হয় নি ! ভোটে জেতাটাই মুখ্য।  যেমন শারল দ্য  গলের ভোটাভুটির খরচা  আসতো আফ্রিকান কলোনি গুলোকে উৎপাত করে - তাই  নিয়ে দুটো কাগজে লেখালেখি হয়েছিল এই মাত্র । তিনি না হয় এখন সব আদালতের ঊর্ধ্বে চলে গেছেন কিন্তু বিষয়টা যায় নি।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিধ্বস্ত দেশের দ্রুত পুনর্গঠনের বাসনায় ফরাসি সরকার জাতীয়করণ পরিকল্পনা শুরু করেন।  পরের তিরিশ বছর ব্যাঙ্ক থেকে বিজলি , কয়লা খনি থেকে মোটর গাড়ি বানানোর কারখানার বৃহৎ অংশ সরকারি মালিকানায়। রাজা চতুর্দশ লুই বলেছিলেন , আমিই রাষ্ট্র ( লেতা সে মোয়া ) । উৎপাদন ও পরিষেবার বেশির ভাগ কলকব্জা যখন এলিসি প্রাসাদের অধীশ্বরের হাতে তখন তিনি কোথাকার টাকা পয়সা কোথায় খাটাবেন সেটা দেখে বা তার অডিট করে কে ? নির্বাচনী প্রচারে সেটা যাচ্ছে কিনা জানতে শারল দ্য  গলকে প্রশ্ন করার সাহস কার ছিল? লেতা সে শারল দ্য  গল ! অশুভ আঁতাত? আঁতাত  কথাটাই তো ফরাসি !

    পরে  লন্ডনে এসেছি । মিসেস থ্যাচারের দলের লোকজন কোন তেল কোম্পানির কাছ থেকে নির্বাচনী চাঁদা তুলেছেন – সেটা ঠিক কতো ,  তার হিসেব কই এই দাবিতে যথারীতি টেলিভিশনে,  খবরের কাগজে তুমুল আলোচনা রাত নটায় বিতর্ক চলছে – যে দেশে সংবিধান বস্তুটা আজ অবধি লেখা হয়ে ওঠেনি সেখানে পার্টি ফাণ্ডে কে কত দিচ্ছে , ক্যাশে দিচ্ছে না বন্ডে দিচ্ছে তার খোঁজ করাটাই অপচেষ্টা । দেশের প্রথা  অনুযায়ী  বলা হয়েছে পার্টি আপন ইচ্ছা মতো জানাবে তাদের কবে কে কত টাকা দিয়েছে।

    এমন সময়ে শোনা  গেল  চিরশত্রু ফ্রান্স আরেকটা বৈপ্লবিক কাণ্ড করে ইংরেজের মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে !

    ফরাসি বিপ্লবের এবং সংবিধান রচনার প্রায় দু শো বছর বাদে , ১৯৮৮ সালে, ফ্রান্সে প্রথম নির্বাচনী আচার আচরণ বিধির আইন পাস হলো;  যার মোদ্দা কথা-  রাজনৈতিক দল এবং তার নির্বাচনী খরচ খরচার ব্যয়ভার বহন করবেন সেই দলের সদস্যরা।  কিন্তু সেটি মাথা পিছু  ৭৫০০ ইউরোর ( আজকের টাকায় ) বেশি নয় । দেড়শ ইউরো অবধি টাকা সিল করা খামে ভরে পার্টি দফতরে কাউকে না জানিয়ে ফেলে আসতে পারেন,  কিন্তু তার বেশি হলে ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার করতে হবে । কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ( লিগাল পারসন ) কোন পার্টি ফাণ্ডে চাঁদা দেওয়া বেআইনি ঘোষিত হলো।  ব্যবসার মালিকরা ব্যক্তিগত ভাবে চাঁদা দিতে পারেন , প্রতি বছরে  ৭৫০০ ইউরো অবধি- নির্বাচনী বছরে প্রতি সদস্য  আরও অতিরিক্ত ৪৬০০ ইউরো পার্টি ফাণ্ডে দান অনুমোদিত । এতেই খরচা চালান ! সব শেষে সরকারের অনুদান – যদি কোন রাজনৈতিক দল অন্তত এক শতাংশ ভোট পেয়ে থাকে তাহলে এই নির্বাচনী মহোৎসবে যোগ দেওয়ার সম্মানে তাদের নির্বাচনী খাতে কিছু অর্থ বরাদ্দ করা হয় ( যেটা ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভোটেও  অনুমোদিত )।

    গায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন হয়েছে অনেকদিন আগেই – দেখা হলে বলতাম দেখুন,  নির্বাচনে দুর্নীতি বন্ধ করার আইন পাস হলো এক সোশ্যালিস্ট প্রেসিডেন্টের আমলে!   তবে এও মনে হয়েছে ছোটো খাটো চেহারার সেই সিনিকাল মানুষ গায়েল দু পঁ ব্রিয়াঁ এই আইনের কথা শুনেই অভিভূত হতেন না ! তিনি ছিলেন অত্যন্ত সন্দেহ পরায়ণ এবং যাকে বলে সিনিকাল। মনে আছে ফ্রাঙ্কফুর্টে ফ্রেস গাসে রেস্তোরাঁয় লাঞ্চের সময় সতর্ক করে দিলেন , ব্যাঙ্কের বা খদ্দেরের নাম  নেবেন নিচু স্বরে , কোন টেবিলে কোন প্রতিযোগী বসে আছেন আপনি জানেন না!

    চাণক্য বলেছিলেন, মাছ কখন জল খায় আর রাজপুরুষ কখন উৎকোচ গ্রহণ করেন সেটা কখনো সঠিক জানা যায় না। পার্টি কত টাকা কার কাছ থেকে চাঁদা নিতে পারে তার আইন পাস হতেই খেলাটা বদলে গেল – গত  তিরিশ বছরের ফরাসি ভোটাভুটি ও নির্বাচনী খরচ খরচার কাহিনী যাকে বলে রীতিমত সনসনি খেস, রোমাঞ্চকর । এই যেমন ধরুন নিকোলা পল স্টেফান সারকোজি দে নজ বোসা ( হাঙ্গেরিয়ান পিতা গ্রিক মাতা);   রাষ্ট্রপতি পদে আসীন ছিলেন ২০০৭-২০১২ ।   

    আইনত একজন ফরাসি নাগরিক বছরে ৭৫০০ ইউরো, নির্বাচনী বছরে অতিরিক্ত ৪৬০০ বা মোট ১২১০০ ইউরো পার্টি ফাণ্ডে জমা দিতে পারেন ।  নিকোলা সারকোজি একটি চতুর স্কিম খাড়া করলেন, ৭৫০০ ইউরো যে কেউ দিতে পারে , ঠিক কে দিচ্ছে তার আধার কার্ড বা ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখে কে ? তাঁর চেলা চামুণ্ডারা ফেক বিল বানানোর ফ্যাক্টরি খুলে ফেললেন যার অডিট করার সময় বা অর্থ কোনটাই নির্বাচনী কমিশনের নেই । টাকার ফোয়ারা বইতে লাগলো । এর পরে তিনি ধরলেন একটি বৃহৎ মৎস্য , তাঁর নাম লিলিয়ান বেতেনকুর ( লো রিয়াল সুগন্ধির বৃহত্তম শেয়ার হোল্ডার, পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মহিলা )।  সারকোজির রি ইলেকশনের সময়ে ঠিক কোন প্রক্রিয়ায় লিলিয়ান বেতেনকুরের ক্যাশ বাকসো থেকে এত ইউরো সারকোজির নির্বাচনী তহবিলে প্রবেশ করেছিল সে বিষয়ে বেশি কৌতূহল না দেখানোয় উৎসাহ দেবার মানসে  সারকোজি  এক বিচারপতিকে এক প্রকাণ্ড  রিটায়ারমেনট প্যাকেজ অফার করেন ।  শেষ রক্ষা  হয় নি, বেআইনি ভাবে নির্বাচনী খরচ খরচা যোগাড় করার অভিযোগে ফরাসি আদালতে  ২০২১ সালে সারকোজির তিন বছরের শাস্তি হয়, দু বছর সাসপেনডেড এক বছর কারাদণ্ড ।  

    শাক শিরাক স্বনামধন্য ফরাসি রাজনীতিক । অনেক  সম্মানিত পদ তিনি অলঙ্কৃত করেছেন , দু বার ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী,  প্যারিসের মেয়র (১৯৭৭-১৯৯৫ )  ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ( ১৯৯৫-২০০৭ )।  রাষ্ট্রপতির ইমিউনিটি খতম হলে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে কিছু অভিযোগ দায়ের করা হয় , তাঁর মধ্যে নাম্বার  ওয়ান হলো প্যারিসের মেয়র থাকা কালীন তিনি ঝুটো পদ সৃষ্টি করে সেই পদের মাইনে  পার্টি ফাণ্ডে দিয়ে  তাঁর ১৯৯৫ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের খরচা তুলেছেন ।  তিনি আদালতে হাজির হতে অস্বীকার করেন, তাঁর আর কিছুই মনে নেই অতএব হাজিরা অর্থহীন। হয়তো বয়েসের বিবেচনায় ( ৭৯) আদালত তাঁকে সাসপেনডেড সাজা দিলেন ২০১১ সালে ; অর্থাৎ ক্রিমিনাল খাতায় নাম উঠলো কিন্তু  জেলের ঘানি পিষতে হবে না।

    শিরাকের আরেকটি কাহিনী শুনেছিলাম আমাদের প্যারিস অফিসের এক কলিগের কাছে – দক্ষিণ ফ্রান্সের কোরেজ অঞ্চলের সাঁৎ ফেরেওল গ্রামে  শিরাকের পৈত্রিক বাড়ি । নয়ের দশকে ফ্রান্সের হাইওয়ে দফতর ক্লেরম ফেরা থেকে একটি মোটরওয়ে বানানোর পরিকল্পনা  করলেন যেটি লিমোজে থেকে তুলুস যাওয়ার মোটরওয়ের সঙ্গে গিয়ে জুড়বে ।  প্যারিসের মেয়র  শিরাক তার তীব্র প্রতিবাদ করলেন- প্ল্যান মাফিক সে পথ যাবে তাঁর বাড়ির দু হাত দূর দিয়ে ! তিনি হাইওয়ে দফতরকে জানালেন এ ঘোর অন্যায়।  কারণ রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার পরে তিনি তাঁর বাড়িটি স্থানীয়  বৃদ্ধাশ্রমকে দান করবেন মনস্থ করে রেখেছেন – সেখানে বয়স্ক লোকেদের শান্তি বিঘ্নিত হবে।  অতএব এই পথের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া হোক। 

    সাঁৎ ফেরেওল কোরেজ

    তাই হলো , আপন পথের থেকে সে মোটরওয়ে অনেকদূরে গেছে বেঁকে । শিরাক একদিন অবসর গ্রহণ করলেন;  সে বাড়িতে সুখে শান্তিতে সময়   কাটালেন ।  না , সে বাড়ি কখনোই  তিনি  কোন বৃদ্ধাশ্রমকে দান করেন নি ।

    প্যারিসের মেয়র থাকাকালীন শিরাকের  কুকর্মের সাগরেদ আলাঁ যূপ ( প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৫-১৯৯৭) প্যারিসের করদাতার টাকা পার্টি ফাণ্ডে দান করার অভিযোগে দণ্ডিত হন,  কিন্তু জেলে যেতে হয় নি , সেই সাসপেনডেড সেনটেনস!  আরেক প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া ফিলোঁ  ( ২০০৭-২০১২) ঘরণী  তাঁর পতিদেবের অফিসের খাতায় বেতনভুক কর্মী হিসেবে বেতন নিতেন ; ধরা পড়লে তাঁরও দণ্ড হয় ।

    ফরাসি ভোটাভুটি ও তার খরচার হিসেবের গোঁজামিল দেওয়ার ব্যাপারে বাম নেতা মিলাঁশঁ ও অতি দক্ষিনপন্থী  মারিয়ান ল্য  পেন গলাগলি করে একই পথে হাঁটেন।  

    শ্যামার প্রেমিক উত্তিয় বলেছিলেন , ন্যায় অন্যায় জানি নে , শুধু তোমারে জানি ‘ – তেমনি ১৯৮৮ সালে পার্টি চাঁদার আইন পাস হবার আগে অবধি কোনটা ন্য্যায় কোনটা অন্যায় তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয় নি  । ইতালিয়ানরা বলেন, যতক্ষণ কাগজে কলমে আইনে কোন কিছুকে বেআইনি *বলা হচ্ছে বা কোন আইন পাস না হলেও দেশের উচ্চ আদালত কোন কাজকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করছে ততক্ষণ সে কাজ করার বাধা কোথায় ?

    সরকারি  আইন অবশ্য ফরাসি রাজনীতিকদের মনে ভীতি উৎপাদন করে তাঁদের সৎপথে চলতে উদ্বুদ্ধ করেছে এমন ভাবারও  কোন কারণ নেই ।

    সাড়ে চার দশক আগে গায়েল দু পঁ ব্রিয়াঁ যেমনটি বলেছিলেন, হালে একটি পরিসংখ্যান থেকে জানা গেলো   আশি শতাংশ ফরাসি নাগরিক রাজনীতিকদের সততায় আস্থা রাখেন না!

    * se non é scrito é legale 
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ০৯ এপ্রিল ২০২৪ | ৩২৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Kishore Ghosal | ১০ এপ্রিল ২০২৪ ১৬:১৯530415
  • গণতন্ত্রে সৎ -রাজনীতিক, কোথাও কোনদিনই ছিল কি? মনে তো হয় না।  
  • হীরেন সিংহরায় | ১০ এপ্রিল ২০২৪ ১৮:৩৫530417
  • কিশোর 
    যথার্থ ! আমাদের মধ্যে কিছু মানুষের ধারণা আছে ও সব দেশে এই সব চুরি হয় না! আমার অভিজ্ঞতায় সৎ রাজনীতিক সোনার পাথরবাটি সুলভ-   এ দেশে  বা ও দেশে!  
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন