এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বৈঠকি আড্ডায় ৯ ভোটাভুটি খরচাপাতি  ৩

    হীরেন সিংহরায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০৫ এপ্রিল ২০২৪ | ৪৪২ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৩ জন)
  •  
    ভোটাভুটি খরচাপাতি 
     
    তৃতীয় পর্ব   

    এককালে লিব ডেম পার্টির হয়ে  দুয়োরে দুয়োরে নির্বাচনী  লিফলেট বিলি করতে গিয়ে অত্যন্ত অনাবশ্যক কিছু জেনেছি -

    কার  বাড়িতে কুকুর আছে, কত গুলো সদর দরোজায় লেটার বক্সের ফ্ল্যাপ বা সামনে ‘ওয়েলকাম’ লেখা মাদুর পাতা থাকে, গাড়ি কটা, কাচের জানলা ডাবল না সিংগল গ্লেজিং, ইলেকট্রিক গেট কজনের বাড়িতে আছে ইত্যাদি। অর্থনীতির ছাত্র হিসেবে জানি এগুলো নিতান্ত জরুরি বাজারি খবরাখবর মার্কেট ইনফরমেশান। এর ভিত্তিতে লিনোলিয়াম, প্লাস্টিক ফুট ম্যাট, জানলা দরোজা পরিস্কার  করার সাবান – লাইফবয় যেখানে স্বাস্থ্যও সেখানে - মডার্ন লেটার বকস ইত্যাদি নানান দ্রব্যের মার্কেটিং প্রোগ্রামের বিশদ পেপার বানানো যায়। নতুন স্টাইলের পাপোশ বিক্রি হবে – তাতে লেখা থাকবে – বি লিবারাল, বি ডেমোক্র্যাটিক! চেয়ারম্যানের চিন্তাধারায় আপনাকে স্বাগত জানাই।

    দরোজার ফাঁকের লেটার বকসে লিফলেট গুঁজে দেওয়ার সময় প্রহরী কুকুরের কামড় খাবার সম্ভবনা আছে ! মায়া বললে তার সহযোগী লান্স স্পেন্সার একটা কাঠের আংটা দিয়ে লিফলেট ঢোকায় – তার পেটেন্ট নেওয়া উচিত। 

    আমার বৈপ্লবিক পাপোশের অর্থকরী ভাবনা মাঠে মারা যায় – এই বিজনেস মডেল পার্টির ইস্তেহারে লেখা নেই। কিন্তু এটা তো সত্যি নির্বাচনী প্রচারে পার্টির প্রয়োজন অর্থ!  সেটা আসে কোথা থেকে?

    অন্য যে কোন দেশের মতন ব্রিটেনে রাজনৈতিক দলের অর্থের প্রাথমিক উৎস বাৎসরিক সদস্য চাঁদা এবং শুভানুধ্যায়ীদের অকুণ্ঠ অর্থ সাহায্য। আপনার যা ইচ্ছে, কৌটোয় ফেলে দিন – লিব ডেমের কোন দাবি নেই ! নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কোন প্রার্থী স্থানীয় নির্বাচনে পনেরশ পাউনড, সাধারণ নির্বাচনে চুয়ান্ন হাজার পাউনডের (ব্রিটেনের গড় পড়তা মাথা পিছু আয় ৪৪,০০০ পাউনড) বেশি ব্যয় করতে পারেন না - তার হিসেব তৈরি  রাখতে হয়। নির্বাচন কমিশন সেটি যে কোন সময়ে চাইতে পারেন।  

    যতদূর জানি, ভারতে পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রার্থীর ব্যয় সীমা ৯৫ লক্ষ টাকা (ভারতের মাথা পিছু জাতীয় আয়ের ৫২ গুণ) – কিন্তু পার্টি তার দলীয় বা তারকাদের প্রচারে যে কোন পরিমাণ খরচ করতে পারেন। সেটি অসীম।

    চাঁদার টাকায় দেব দেবীদের বার্ষিক পুজো হতে পারে কিন্তু পার্লামেন্টের পঞ্চ বার্ষিকী যোজনায় সেটা কতদূর কার্যকরী ?

    খুব বেশি দূর নয়!

    বন্যাত্রাণ তহবিলের মতন পার্টির কাজে অকাতরে অর্থদান করুন বলে ঝাণ্ডা ও কৌটো নিয়ে পথের কোনায় দাঁড়িয়ে থাকলেই ধনী ব্যক্তিরা দয়া পরবশ হয়ে লামবরঘিনি গাড়ি থামিয়ে হাজার পাউনড দিয়ে যান না। তাঁরা বেওসা ধান্দা বোঝেন – কনজারভেটিভের নীল, লেবারের লাল বা লিবডেমের হলুদ আগুন দিকে দিকে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যে তাঁরা এতো মেহনত করে অর্থ অর্জন করেন নি।

    বরং অন্ধ রাজার মতন প্রশ্ন করেন, “আমাকে কি দিবে তোমার পার্টি ?”

    তখন উত্তর হয় – ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসে ব্যবসার কন্ট্রাক্ট, যত্র তত্র বাড়ি বানাবার অনুমতি, পরিবেশ কানুন উপেক্ষা করার অধিকার; আরও যদি চান, দিব বেণীর সঙ্গে মাথা – এই যেমন নাইটহুড বা লর্ডশিপ ?

    সেকি কথা? এমনকি নাইটহুড ? টাকা দিয়ে সার উপাধি অর্জন ?

    তাও হয় ? হ্যাঁ, তবে তার জন্য আমাদের ক্ষমতায় আসতে হবে, অপজিশনে বসে সার উপাধি বা লর্ডশিপ দেওয়া যায় না ।

    সত্যি ?

    সব সত্যি।

    এই ইস্টার পরব শুরুর আগের দিন প্রধানমন্ত্রী সুনাক সার উপাধি দিয়ে সম্মানিত করলেন মিশরীয় ব্যবসায়ী মোহামেদ মনসুরকে যিনি মাত্র গত বছর কনজারভেটিভ দলের খাতায় নাম লেখানোর সময়ে চাঁদার খাতায় পঞ্চাশ লক্ষ পাউনড জমা করেছেন। এই বদান্যতা অবশ্যই পুরস্কারের দাবি রাখে। সামনে ভোট আসছে।

    আরব বসন্তে গণতন্ত্রের উৎসবে নির্বাসিত মিশরের একনায়ক প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের শাসন কালে মোহামেদ মনসুর ছিলেন তাঁর পরিবহন মন্ত্রী। হয়তো সেই কারণেই মনসুরের ব্যবসার জাল ছড়িয়ে আছে আমেরিকা থেকে রাশিয়া অবধি (ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হবার পরেও)। ব্রিটিশ প্রেস এই দু চার কথা লিখলো, লেবার পার্টি দাবি জানালে টাকা বা পাউনড নিয়ে সার উপাধি বণ্টন করাটা ঘোর অন্যায় ।এমন সম্মান বাজারে বিক্রির মাল নয়। 
     
    তাতে কি ?

    মোহামেদ মনসুর এখন নামের আগে সার লেখেন।

    আপনি আমাদের অর্থ দিন। আমরা আপনাকে বিজনেস কনট্র্যাক্ট দেবো।

    অনেক রাজনৈতিক দল এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা আদায় করেন। ব্রিটেন তার কোন ব্যতিক্রম নয় - সেই ট্র্যাডিশন এখানেও সমানে চলেছে; তবে এই বন্দোবস্তের সঙ্গে একটা আচরণ বিধি (কোড অফ কন্ডাক্ট) মেনে চলার কথা কেউ কেউ ভুলে যান। শ্রী সুনাকের সরকার সেই রকম একটি ঝামেলার সম্মুখীন হলেন।

    শ্রী সুনাকের নির্বাচনী কেন্দ্র রিচমনডের অনতিদূরে, লিডস শহরে ফিনিক্স নামক একটি সফটওয়ার কোম্পানির মালিক ফ্র্যাঙ্ক হেসটার, ও বি ই (অর্ডার অফ দি ব্রিটিশ এমপায়ার)। তিনি  কনজারভেটিভ দলের নিয়মিত চাঁদা দেওয়া সদস্য, এ যাবত প্রদত্ত অর্থের পরিমাণ দেড় কোটি পাউনড (মোট প্রাপ্ত চাঁদার দশ শতাংশ), সরকারি এন এইচ এস (ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস) থেকে চল্লিশ কোটি পাউনডের কনট্র্যাক্ট পেয়েছেন। গোপন কথাটি গোপনেই ছিল। হঠাৎ গার্ডিয়ান পত্রিকা ফ্র্যাঙ্ক হেসটারের কিছু সংলাপ প্রকাশ করে সরকারকে মুশকিলে ফেলেছে।  



    তাঁর অফিসের ব্যালকনিতে একটা ইনফরমাল মিটিং ডেকেছেন – স্থানের অকুলান দেখে ফ্র্যাঙ্ক বললেন, ‘ভারতীয়দের জায়গা কম পড়লে তারা ছাদে উঠে পড়ুক, যেমন ভারতের ট্রেনের ছাদে তারা চড়ে থাকে’। একটা পুরনো মন্তব্য প্রকাশ পেলো - ব্রিটেনের প্রথম কৃষ্ণবর্ণ এম পি ডায়েন অ্যাবট সম্বন্ধে বলেছেন, ডায়েনকে দেখলে সব কালো মহিলাদের ঘৃণা করতে ইচ্ছে করে। ডায়েন অ্যাবট শুড বি শট।
     
    এ ধরণের বানী তিনি আকছার দিয়ে থাকেন। 

    এক্ষেত্রে যা হয়ে থাকে, লেবার, লিব ডেম ঝাঁপিয়ে পড়ল।  দু দিন চুপ করে থেকে শ্রী সুনাক ও তাঁর ক্যাবিনেট সদস্যরা এই রেসিসট মন্তব্যের কড়ি সে কড়ি নিন্দা করলেন।  

    উত্তপ্ত প্রতিপক্ষ দলের প্রশ্ন, আপনি কি এই রেসিসট ব্যবসায়ীর অর্থ ফিরিয়ে দেবেন ?

    ক্যাবিনেট মন্ত্রীরা - ভারতীয় মূলের সুনাক, নাইজেরিয়ান মূলের কেমি বাদেনখ, সিয়েরা লিওনের ক্লেভারলি - সমস্বরে বললেন, ফেরত দেবার প্রশ্ন ওঠে না। তিনি তো সরি বলেছেন !

    ফ্র্যাঙ্ক হেসটার আরও পঞ্চাশ লক্ষ পাউনড দেবার বাসনা প্রকাশ করেছেন।

    শ্রী সুনাককে পুনরায় প্রশ্ন করা হলো – এটাও নেবেন ?  

    উত্তর যাকে বলে লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার – অবশ্যই ।

    শ্রী সুনাক বরিস জনসনের সুযোগ্য উত্তরসূরি ।

    তিন বছর আগে শ্রী জনসন লর্ডশিপে বিভূষিত করেন ইয়েভগেনি লেবেদেফকে। ইয়েভগেনির বাবা আলেকসান্দার লেবেদেফ পুতিনের বিশেষ বন্ধু মানুষ ছিলেন; রোমান আব্রামভিচ, অলেগ দেরিপাসকা, আলিশার উসমানভ, আরকাদি রোসেনবেরগ ইত্যাদি অলিগারকদের মতন তিনিও সস্তায় রাশিয়ান সরকারি সম্পত্তি হাতিয়ে প্রভূত ধনার্জন করেছেন। তবে আলেকসান্দার লেবেদেফ এঁদের থেকে এক কাঠি ওপরে – তিনি কে জি বির স্পাইয়ের কর্ম করতেন। অনেকবার অন্যত্র লিখেছি আপনার আমার অ্যাকাউনট খুলতে গেলে ব্যাঙ্ক আমাদের পিতৃ পরিচয়ের প্রমাণ অবধি দাবি করে। ক্রেমলিনের স্পাই আলেকসান্দার লেবেদেফ অনায়াসে তাঁর লুণ্ঠিত ধন দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদ পত্র ইভনিং স্ট্যান্ডার্ড কিনলেন ব্রিটিশ সরকারকে জানালেন সে কাগজের সম্পাদনা থাকবে সম্পূর্ণ স্বাধীন যদিও সেটি নিরন্তর পুতিনের সমর্থন করে এসেছে।

    জন সিসিল রোডস সাড়ে তিন হাজার পাউনড নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় এসেছিলেন হীরের ব্যবসায় সমূহ অর্থ অর্জন করলেন এমনি অক্সফোরডের ডিগ্রিও। একদিন তাঁর বাণিজ্যিক সহযোগী হানস সাউয়ার দেখেন একটি পাথরের  টিলার ওপরে  বসে রোডস তাকিয়ে আছেন কিম্বারলি খনির দিকে সাউয়ার বললেন, কি দেখছ এতো মন দিয়ে ?

    রোডস বলেছিলেন, ক্ষমতা।

    অর্থ প্রভূত হয়েছে।

    এবার আলেকসান্দার লেবেদেফ চাইলেন রাজনৈতিক ক্ষমতা, সম্মান – নিজের নয়, তাঁর পুত্রের জন্য। যত টাকা লাগে দেবে লেবেদেফ, ছেলেকে লর্ড বানাতে হবে, ক্ষমতার করিডোরে পাঠাতে হবে। শ্রী জনসন লেবেদেফের ঠিক কোন ডিল করলেন তা গোপনেই রইল – একদিন খাঁটি ইংরেজি পোশাকে বল্লম সুলভ দণ্ড হাতে হাউস অফ লর্ডসের ফাউনটেনে  রানির নামে শপথ নিলেন –

    ব্যারন লেবেদেফ অফ হ্যামপটন ইন দি লন্ডন বরা অফ রিচমনড অন টেমস অ্যান্ড অফ সাইবেরিয়া ইন দি রাশিয়ান ফেডারেশন।
     
    শোনা যায় তিনি দাবি করেছিলেন তাঁর টাইটেল হোক ব্যারন লেবেদেফ অফ ওয়েস্টমিনসটার অ্যান্ড মস্কো অ্যান্ড রাশিয়া। ওয়েস্টমিনসটারটা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছিল, শেষ পর্যন্ত কি  ভেবে শ্রী জনসন লেবেদেফকে সাইবেরিয়া পাঠালেন।


     
    অর্থের বিনিময়ে সাম্মানিক টাইটেল বিলি বণ্টন এ দেশে বহু শতাব্দীর পুরনো ব্যবসা। এতে সকল রাজনৈতিক দল সম্যক হাত পাকিয়েছেন। লেবার পার্টি (১৯৯৭- ২০১০) শুভানুধ্যায়ীদের এই দান ধ্যান দিয়ে লর্ডশিপ আদায় করার প্রথাকে একটা আলাদা মোড় দিয়েছিলেন – পুলিশ অথবা প্রেসের মুখোমুখি হলে ব্লেয়ার এবং তাঁর প্রধান ক্যাশিয়ার লর্ড লেভি জানালেন ওটা পার্টি ফাণ্ডে দান নয়, ধার। আমরা পরে শোধ দিয়ে দেব। শ্রী ব্লেয়ারকে পুলিশ তিন বার জেরা করে তবে তিনি দুরন্ত স্মুদ – এয়াও হয় ওয়াও হয় বলে পাশ কাটিয়ে গেলেন । হাউস অফ লর্ডস লেবার পার্টির এই মহাজনদের ভদ্র সভায় বসার অনুমতি দিলেন না।  

    উগান্ডার ভারতীয় মূলের চৈতন্য (চাই) প্যাটেল প্রতিবাদ করেছিলেন – আমাকে লর্ডশিপ দেওয়ার কথার খেলাপ করেছে লেবার পার্টি।  

    ঘন ঘন প্রধানমন্ত্রী বদলানোর ব্যাপারে বেলজিয়াম এবং ইতালির খ্যাতি আছে – এই শতকে বেলজিয়াম পেয়েছে আট জন, ইতালি দশ জন। এই শতকে মাত্র সাত জন প্রধানমন্ত্রী নিয়ে ব্রিটেন এই লিগ টেবিলের একটু নিচের দিকে আছে কিন্তু কোশিশ জারি হ্যায় !

    If voting changed anything, they would make it illegal – Emma Goldman
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ০৫ এপ্রিল ২০২৪ | ৪৪২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Amit | 124.169.208.59 | ০৬ এপ্রিল ২০২৪ ০৪:৩৩530277
  • ইউকে তে বসে লর্ড অফ সাইবেরিয়া উপাধি -এটা ক্লাসিক 
  • অরিন | 119.224.61.73 | ০৬ এপ্রিল ২০২৪ ০৫:০৪530278
  • "ক্যাবিনেট মন্ত্রীরা - ভারতীয় মূলের সুনাক ,"
    সুনাক ভারতীয় মূলের? 
  • :|: | 174.251.161.222 | ০৬ এপ্রিল ২০২৪ ০৫:৩৭530279
  • তাই-ই তো লিখেছে আপনার লিঙ্কে -- "Mr Sunak’s paternal grandfather, Ramdas Sunak, is said to have arrived in Nairobi, Kenya, to work as a clerk in 1935 from Gujranwala, which was then in British India but now lies in Pakistan."
    ভারতীয় উপমহাদেশ মূলের বা বৃটিশ ইন্ডিয়া মূলের লিখলে বেশী ঠিক হতো বলতে চাইছেন কি পাঁচটা চারের পোস্টে? 
  • Arindam Basu | ০৬ এপ্রিল ২০২৪ ০৫:৫৬530281
  • না, সুনাক ব্রিটিশ, সুনামের বাবা ইস্ট আফ্রিকার, মা তানজানিয়ার। 
    তাদের এই দেশগুলোর পরিচয় বাদ যাচ্ছে কেন?
  • Arindam Basu | ০৬ এপ্রিল ২০২৪ ০৬:২৫530282
  • হীরেনবাবু রামদাস সুনাকের কথা লেখেন নি তো, ঋষি সুনাকের কথা লিখেছেন। 
    সে ভারতীয় মূলের হতে যাবে কেন?
  • হীরেন সিংহরায় | ০৬ এপ্রিল ২০২৪ ১২:০০530294
  • Sunak is a Hindu and identifies as British Indian, stating that he is "thoroughly British" but with an Indian religious and cultural heritage
  • অরিন | 119.224.61.73 | ০৬ এপ্রিল ২০২৪ ১২:০৭530295
  • ঠিকাছে, আপনি আর চারফুটকি যখন বলছেন। তাই হোক।‌
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন