এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • চক্রাকার প্রায়শ্চিত্ত

    Muradul islam লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১৫৫ বার পঠিত
  • মশাররফ সাহেবের অফিসে আমি গিয়েছিলাম সেইদিন বিকেলের দিকে। অনেক গোপনে যেতে হয়েছিল। মিডিয়ায় আমার ব্যাপারে নিউজ হয়েছে, পুলিশ খুঁজছে। আমার কাছে মনে হয়েছিল, ওই অবস্থায় আমাকে একমাত্র সাহায্য করতে পারেন সাইকিয়াট্রিস্ট মশাররফ সাহেব।

    বিশ্ববরেণ্য এই সাইকিয়াট্রিস্ট এর অফিসে আমাকে অপেক্ষা করতে হলো না, গিয়ে দেখলাম অপেক্ষারত অন্য কোন রোগীও নেই। সম্ভবত ঐদিন বিকেল হয়ে গিয়েছিল ওইজন্য বা অন্য কোন কারণ হতে পারে।

    নির্ধারীত সময়েই আমার ডাক পড়লো।

    মশাররফ সাহেব যে রুমে বসেন তার দেয়াল কালচে রঙের কাঠের, তাই রুম বেশ অন্ধকার অন্ধকার। চারপাশে বুকশেলফ ভর্তি বই। একটা পুরনো ধাঁচের বড় সোফা আছে, মেঝের কার্পেটের রঙ লাল এবং তাতে তুর্কিশ কারুকাজ। একটা বড় টেবিলের এক পাশে মশাররফ সাহেব বসে আছেন। বৃদ্ধ লোক, চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা, কাঁধ পর্যন্ত লম্বা চুল, বড় গোঁফ। তিনি মাথা নিচু করে মনোযোগ সহকারে কিছু একটা পড়ছিলেন।

    আমি দরজা ফাঁক করে বললাম, আসতে পারি স্যার।

    তিনি গম্ভীর গলায় মাথা না তুলেই বললেন, আসুন।

    আমি ভেতরে গেলাম। তিনি বললেন, বসুন।

    আমি বসলাম।

    প্রথমে ইতস্তত করছিলাম কীভাবে শুরু করব। তিনি আমার দিকে তাকাচ্ছেন না, কিছু বলছেনও না। এইভাবে কয়েক মিনিট পার হবার পর আমি মুখ খুললাম। বললাম, স্যার আমার নাম হাসান মুনতাসির জামী। ফার্মিংটন হিলসে আমার চেম্বার ছিল। ওইখানে আমি থেরাপিস্ট হিশাবে কাজ করতাম। আমার নাম হয়ত আপনি শুনে থাকবেন।

    মশাররফ সাহেব সাথে সাথে মাথা তুলে আমার দিকে তাকালেন। তীক্ষ্ণ তার চোখের দৃষ্টি, দেখে প্রাথমিক ভাবে আমি কেঁপে উঠলাম। মনে হলো এই দৃষ্টি আমার চেনা। সাইকোলজির লাইনে মশাররফ সাহেবের যে অবদান, আধুনিক কালে তাকে না পড়ে বা তার লেকচার না শুনে এখানে কাজ করার কথা ভাবা যায় না। সুতরাং, তার চোখের দৃষ্টি আমার চেনা মনে হতেই পারে, কিন্তু এত কাছ থেকে এর আগে কখনো দেখি নি তাই অদ্ভুত লাগছিল।

    মশাররফ সাহেব আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, কেন, আপনার নাম শোনার কি কোন যুক্তিযুক্ত কারণ আছে, কে আপনি?

    আমি বললাম, স্যার, আমি গুরুত্বপূর্ণ কেউ না। কিছুদিন আগেও কেউ আমার নাম চিনতো না। কিন্তু ফার্মিংটন হিলসের সাম্প্রতিক ঘটনাটার পর আমার নাম আলোচনায় চলে এসেছে।

    মশাররফ সাহেব আবার চোখ নিচে রেখে কিছু একটা পড়ছেন বা দেখছেন। সেই অবস্থাতেই বললেন, কী সেই ঘটনা?

    আমি বললাম, স্যার, এক সপ্তাহ আগে ফার্মিংটন হিলসের এক পরিত্যক্ত বাড়ির সেলারে তিন কিশোর ছেলের মৃতদেহ পাওয়া যায়। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে পুরো মিশিগান জুড়ে আলোচনা হচ্ছে। আমাকে এর সাথে জড়িয়ে ফেলা হয়েছে বা আমি জড়িয়ে গেছি। আমি এই কারণেই আপনার কাছে এসেছি সাহায্যের জন্য।

    মশাররফ সাহেব আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, তাহলে বিস্তারিত বলে যান, আগে আমি শুনি।

    তার মুখে হালকা হাসির আভাস আমার দৃষ্টি এড়াল না, নিজেও একইরূপ পেশায় থাকার কারণে আমার পর্যবেক্ষণের শক্তি খারাপ না।

    আমি সাথে সাথে এই হাসির ব্যাখ্যা করে নিলাম নিজের মধ্যে। মশাররফ সাহেবের লেখা আমি যা পড়েছি, তার লেকচার যা শুনেছি বা তার সম্পর্কে যা গল্প জেনেছি, তা থেকে আমার মনে হয়েছে, ইনি একজন সোশিওপ্যাথ। তার এম্প্যাথী কম। একটানা অনবরত কাজ করে যেতে পারেন। কাজ তার কাছে অবসেশন। তিনি যে সমস্যাগুলা সমাধান করেন তা নিজের মজার জন্যই করেন।
    আমি তাকে আমার ঘটনা বলতে শুরু করলাম।

    বললাম, স্যার, ঘটনাটার শুরু এইভাবে। একদিন আমার চেম্বারে একটা ছেলে আসে, নাম হ্যারি। বয়েস ১৮-১৯। সে আমারে বলে তার পাশের বাসায় এক বুড়ো লোক থাকে, জনাথন নামে। ওই লোক কুঁজো হয়ে হাঁটে, এবং তার বাড়ির সেলারে হ্যারিকে নিয়ে যায়। হ্যারি ওইখানে দেখতে পায় অদ্ভুত দর্শন কতিপয় প্রাণী এক অগ্নিকুণ্ড ঘিরে কীসব বলছে আর ঘুরছে। হ্যারি ভয় পেয়ে যায় ও যখন চিৎকার করতে যাবে, তখনই পেছন থেকে বুড়ো জনাথন তার মুখ চেপে ধরে। এই সময়ে ওই অদ্ভুত প্রাণীগুলি মাথা ঘুরিয়ে হ্যারির দিকে তাকায়। হ্যারি দেখতে পায় এদের চেহারা বিকট, এবং চোখের জায়গায় গালি, গর্ত ও ভেতরে আগুন।

    হ্যারি নিজেকে অজ্ঞান অবস্থায় বাইরে আবিষ্কার করে। সে আমার কাছে এসেছিল এর ব্যাখ্যা জানতে।

    মশাররফ সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, আপনি তাকে সাহায্য করেছিলেন?

    আমি বললাম, আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, ওই বিকট দর্শন প্রাণীরা কী বলছিল তা কি সে বুঝতে পেরেছে বা মনে আছে। হ্যারি জানাল তার কোন কিছু মনে নাই, কিন্তু শব্দগুলি মনে হচ্ছিল বহুদিনের পরিচিত।

    মশাররফ সাহেব বললেন, পুলিশে জানিয়েছিলেন বা তাকে বলেছিলেন ঘটনাটা রিপোর্ট করতে?

    আমি বললাম, না।

    মশাররফ সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, কেন?

    এই কেন'র কোন সরাসরি উত্তর আমার কাছে ছিল না। আমি নিজেও অনেক ভেবেছি, কেন আমি পুলিশে জানাই নি বা তাকে জানাতে বলি নি। বা কেন ঘটনাটাকে গুরুত্ব দেই নি। এর কোন সহজ উত্তর পাই নি।

    আমি বললাম, স্যার, আমি প্রথমে ভেবেছিলাম, ওর হ্যালোসিনেশন হচ্ছে, হয়ত স্কিজোফ্রেনিয়া। আমি আমার এসিস্ট্যান্টকে বলি প্রাথমিকভাবে তাকে অকল্যান্ড সিটির মানসিক স্বাস্থ্য সার্ভিসে যুক্ত করতে, ও এরপর তার লক্ষণ, হিস্টোরি এইগুলা জেনে এক ট্রিটমেন্ট প্ল্যান বানাতে। কিন্তু সে যেভাবে হুট করে এসেছিল, ওইভাবেই চলে যায়। আর আসে নি। আমার অফিস থেকে তার সাথে যোগাযোগ করা হলেও আর পাওয়া যায় নি। এবং স্যার, এরপর একই ঘটনা আরও দুইবার ঘটে গেল পরের কয়েকদিনের মধ্যে।

    মশারফ সাহেব বললেন, কীরকম?

    আমি বললাম, একই বয়েসের আরো দুইটা ছেলে, জন এবং হেনরি, একই ঘটনা নিয়ে এলো আমার কাছে। তাদের সাথেও একই ব্যাপার ঘটেছে। সেই একই বুড়ো লোক, জনাথন, তাদের আলাদা আলাদাভাবে নিয়ে গিয়েছিল তার সেলারে। সেখানে তারা দেখেছিল ওই অদ্ভুত জীবগুলিকে, যারা বিড়বিড় করে কীসব বলে এক অগ্নিকুণ্ড ঘিরে চক্রাকারে ঘুরছিল।

    মশাররফ সাহেব বললেন, এদের ক্ষেত্রেও আপনি কোন অথরিটিকে জানান নি?

    আমি বললাম, না স্যার। কিছু বুঝে উঠার আগেই ঘটনাটা ঘটে গেল। ফার্মিংটন হিলসে এক পরিত্যক্ত বাড়িতে একসাথে বাঁধা অবস্থায় এই তিনজনের মৃতদেহ মিলে, তারা ঐখানে এক অগ্নিকুণ্ড ঘিরে ঘুরছিল বলে খবর বেরিয়েছে। সেই বুড়ো লোকটার কথা কোন মিডিয়ায় আসে নি। সম্ভবত এর কথা কেউ জানে না।

    মশাররফ সাহেব বললেন, তারা এত লোক থাকতে খুঁজে খুঁজে আপনাকেই কেন এই ঘটনা বলতে গেল? আর, যদি ধরে নেই, তারা ঐখানে ওই বুড়ো লোকের কারণে মারা গেছে, তাহলে আপনি বিপদে আছেন কেন?

    আমি বললাম, এইখানেই ব্যাপারটা জটিল হয়ে গেছে স্যার। তারা তিনজনই নাকি আমার কথা তাদের ডায়রিতে লিখে গেছে। লিখেছে, তাদের মৃত্যুর ব্যাপারে আমি জানি। এইজন্য আমাকে এখন খোঁজা হচ্ছে। এটা এক বিপদ, কিন্তু আমি যে বিপদের সাহায্য চাইতে আপনার কাছে এসেছি, তা এটা না।

    আমার বিপদটা বুঝাতে আপনার প্রশ্ন ধরেই বলতে হবে।

    আপনার এই প্রশ্ন আমার মনেও এসেছে সেই প্রথম থেকে। এত লোক থাকতে তারা আমাকে কেন বললো। আমার জানার আগ্রহ প্রবল। তাদের তিনজনের ঘটনা আমার কৌতূহলকে দারুণভাবে উদ্বীপ্ত করে তোলে। তাই, আমি ব্যাপারটা কী জানার জন্য, একা বেড়িয়ে পড়ি এই জনাথন লোকটাকে খুঁজতে।

    তাদের তিনজনই একই ঠিকানার কথা বলেছিল। ওইখানে গিয়ে আমি কোন বুড়ো লোককে পাই নি। শুধুমাত্র এক ভাঙ্গা পরিত্যক্ত বাড়ি দেখতে পাই।

    আমার কৌতূহল আমাকে বাড়িটার ভেতরে নিয়ে যায়। আমি এর সেলারে চলে যাই যার কথা এই তিনজন আমাকে বলেছিল।

    আমি থামলাম। গলা আটকে আসছিল, ভয়ে ঘেমে যাচ্ছিলাম ঘটনাটা মনে করে।

    মশাররফ সাহেব বললেন, গিয়ে কী দেখলেন? তারা যা দেখেছিল সেটাই?

    আমি বললাম, জি, হুবহু একই।

    মশাররফ সাহেব বললেন, একই? তারা কী বলেছিল মনে আছে?

    আমার মাথা তখন ঝিম ঝিম করে উঠলো। চোখের সামনে ভেসে উঠল সেই পরিত্যক্ত বাড়ির সেলার, আগুন জ্বলছে, সেই আগুন ঘিরে ঘুরছে কয়েকটি কালো বিকট দর্শন প্রাণী, এইরকম কিছু আগে আমি কল্পনাও করি নি।

    আমি দেখলাম সেই প্রাণীগুলি এক পর্যায়ে আমার দিকে তাকাচ্ছে, তাদের কোটর থেকে বেরিয়ে আসছে আগুন। আমি ভয়ে চিৎকার করতে গেলাম, তখন পেছন থেকে কেউ একজন আমার মুখ চেপে ধরলো, আমি নড়তে পারছিলাম না।

    প্রাণীগুলি ফিসফিস করে কথা বলছে আমি শুনলাম।

    তারা বলছে, হাসান মুনতাসির জামী, চলে এসেছে। দেবতা মিথ্রাসের আশীর্বাদে, তার পূর্বপুরুষেরা আমাদের জীবন নিয়েছিল, আজ, সে তার প্রাণ দিয়ে আমাদের জীবিত করে যাবে।
    আমার চোখ ঝাপসা হয়ে এলো।

    ধাতস্থ হয়ে আমি দেখলাম আমার দিকে হাসি হাসি মুখে তাকিয়ে আছেন মশাররফ সাহেব। তার মোটা ফ্রেমের চশমার নীচে তীক্ষ্ণ দুই চোখ জ্বলজ্বল করছে যেন।

    আমি যা জানতে এসেছিলাম তার কাছে, ঐখানে এইসব বিকট দর্শন প্রাণী কারা, যা বলেছিল তা ঐসময়ে আমি বুঝতে পারলেও এখন কেন মনে পড়ছে না, সব নিমিষে দেখে ফেললাম আবার!

    মশাররফ সাহেব বললেন, কী মনে পড়েছে?

    আমি কোন কথা বলতে পারলাম না।

    মশাররফ সাহেব তার চেয়ার থেকে উঠলেন। বললেন, এর অর্থ জানতে চান?

    আমি মাথা নেড়ে সম্মতি জানালাম।

    মশাররফ সাহেব হাঁটতে হাঁটতে আরেক দরজার দিকে গেলেন, অন্ধকারে ঐদিকে দরজা আছে আমার নজরে পড়ে নি। বললেন, আসেন আমার সাথে।

    আমি তার পিছু পিছু চললাম।

    দরজা দিয়ে ছোট এক করিডোর, বিছানো কালো কার্পেট এবং চারপাশের দেয়ালে লাল রঙ, এবং বিভিন্ন রকম কারুকাজ আঁকা।

    করিডোরের শেষ মাথায় সিঁড়ি এলো, যা নীচে নেমে গেছে।

    মশাররফ সাহেব সিঁড়ি বেয়ে নামতে লাগলেন। আমি তার পিছু পিছু।

    প্রায় মিনিট খানেক নামার পর শুনলাম, নীচ থেকে একটা হিস হিস শব্দ আসছে, যেই শব্দ আমি আগে একবার শুনেছি, এবং খেয়াল করলাম, মশাররফ সাহেব কুঁজো হয়ে হাঁটছেন।

    আমি দ্রুত পেছনে ফিরে তাকালাম। উপরের দরজা বন্ধ হয়ে গেল তখনই।

    নীচ থেকে মশাররফ সাহেব বলে উঠলেন, পেছনে যাবার সময় আর নেই।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন