এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • রিলায়েন্সের পুঁজিই আমাদের পুঁজি 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ০১ মে ২০২৪ | ৪৭১ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • আজ পয়লা মে। পুঁজি নিয়ে  কথা বলার দিন, তাই বলিউডি ব্যতিক্রমী সিনেমার পুঁজি নিয়ে কিছু কথা বলে ফেলা যাক। সব্বাই জানেন, সিনেমা একটি পুঁজিনির্ভর শিল্প। গুচ্ছের পয়সা না ঢাললে সিনেমা হয়না। কেন নাটকের চেয়েও কম খরচায় সিনেমা হবেনা, কেন মোবাইল ফোনেই শুট করা যাবেনা, কেন ডাব করতেই হবে, কেন ডিসট্রিবিউশন চ্যানেল লাগবেই, সে অন্য কথা।কিন্তু আপাতত লাগে। এবং পরীক্ষামূলক সিনেমা বানাতে গেলে একটু বেশিই লাগে। কারণ তার অনেকটাই জলে যায়। কোনটা হিট করবে আর কোনটা করবেনা, এ তো কেউ জানেনা। একমাত্র মুনাফা হল কিছু শিল্পীকে তৈরি বা চিহ্নিত করা যায়, যাঁরা কাজে লাগবেন। এইটুকুর জন্যই যে পুঁজি টাকা ঢালে, তার নিশ্চয়ই কোনো দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য থাকে। 

    ফলে জন্মলগ্ন থেকেই পরীক্ষামূলক সিনেমা এক অদ্ভুত দ্বৈতের শিকার। চরিত্রগতভাবে সে প্রতিষ্ঠানবিরোধী, কিন্তু পুঁজির অনুমোদন না পেলে তার জন্ম হবেনা। প্রসঙ্গটা এল, কারণ 'লাপাতা লেডিজ' বলে একটা হিন্দি সিনেমা বেরিয়েছে। সেটা দেখে অনেকেই উলুতপুলুত  হয়ে নানা কথা লিখছেন। বছর কয়েক আগে হলে উচ্ছ্বাসেই থেমে যেত। ইদানিং আমি সহ নানা লোক বাংলা-হিন্দি এইসব নিয়ে গুচ্ছের হাবিজাবি বকার পর, এখন দেখছি তার সঙ্গে একটা করে লাইন যোগ হচ্ছে। হয় আক্ষেপ, "বাংলায় কেন এরকম হয়না"। অথবা আত্মপক্ষ সমর্থন, "এরকম হয়না বলেই তো বাংলা সিনেমা দেখিনা"।

    এইরকম করে যে লেখা হচ্ছে, সেগুলো ইতিবাচক ব্যাপার। কিন্তু বাংলায় কেন এরকম হয়না, এটা নেটে সাড়ে তিন মিনিট সার্চ করলেই জানা যেত। জানা যেত, যে, সিনেমাটার অন্যতম প্রযোজক শ্রীমতি জ্যোতি দেশপান্ডে ( সার্চ করেই জানলাম), যিনি ভায়াকম ১৮র সিইও, যেটা মূলত রিলায়েন্সের কোম্পানি । নারী থেকে ফুটবল, সিনেমা থেকে রাজনীতি, সবকিছুই এখন যাঁদের হোলসেল বিজনেস, যাঁদের অনুমতি ছাড়া একটা পাতাও পড়েনা নানা বাগানে, এই সিনেমার পিছনে সেই আম্বানিদের কল্যাণ এবং দক্ষিণহস্ত আছে, তাই এইরকম 'ব্যতিক্রমী' সিনেমা হয়েছে হিন্দিতে। আম্বানি বা অন্য বড়ো খেলোয়াড়রা ( যেমন নেটফ্লিক্স বা অ্যামাজন) কখনই বাংলা সিনেমায় বিনিয়োগ করবেননা, তাই বাংলায় হবেনা। আশ্চর্যের কিছুই নেই, এটাই যুগের হাওয়া। বিশেষ করে আম্বানিদের নিয়ে এ কোনো নতুন কথা নয়, যে তাঁরা ওয়েস্ট-ইন্ডিয়া-কোম্পানির অংশ, পূব দিকে থেকে সম্পদ জমা করেন পশ্চিমে,  মুকেশ এই সেদিন নিজেই বলেছেন, তাঁরা আদ্যন্ত গুজরাতি, বেশিরভাগ বিনিয়োগই ওইদিকে। ফলে বাংলায় কেন হয়না, কেন হিন্দিতে হয়, প্রশ্নটা "ওদিকে বিয়ে খেতে বিল গেটস আসে, এদিকে কেন আসেনা"র মতোই বেকার এবং অশ্লীল। 

    বাংলায় কেন আম্বানি নেই, সেও এক প্রশ্ন। জন্মাতে কেউ বারণ করেনি। উনিজি এ জন্মেই জন্মালেও কেউ আটকাতোনা। শিল্পপতিরা হননি তাও না। কিন্তু বাংলার সিনেমার পুঁজিকে গত পঞ্চাশের দশকেই কীভাবে ধবংস করা হয়েছে, বা হতে দেওয়া হয়েছে, সেটা অন্য লেখায় লিখেছি, পুনরাবৃত্তি করলাম না। এখন যাঁরা টিকে আছেন, তাঁরা কোনোভাবেই আম্বানিদের প্রতিদ্বন্দ্বী না, সে ইচ্ছাও নেই, ক্ষমতাও নেই, এবং প্রশ্নও নেই, কারণ এঁরা মূলত সর্বভারতীয় বলিউডিদের স্থানীয় এজেন্ট। ডিসট্রিবিউট করেন, হিন্দি সিনেমা যেন ঠিকঠাক চলে, দেখভাল করেন, তার ফাঁকে এক-আধটা বাংলা সিনেমা বার করেন। একটা ছোটো ঘোঁটের বাইরে বিষয়টা যেন না যায়, হিন্দি সিনেমার বাজার যেন অক্ষত থাকে, সেদিকে নজর রাখেন। কোনো এজেন্ট আজ অবধি তো মা-কোম্পানিকে চ্যালেঞ্জ করেনি। এঁরাও না। চাইলে পারবেনও না।

    এই পুরো চিত্রটা সক্কলেই জানেন। কিন্তু চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্তরা মুখ খোলেননা। সকলেরই নানা সমীকরণ, সুবিধে-অসুবিধে থাকে, তাই।  আর বাইরের লোকেরা নির্ঘাত অন্য লোককে ভাবতে বলে বলে ক্লান্ত হয়ে ভাবা প্র‌্যাকটিস করা ছেড়ে দিয়েছেন। কিংবা জানেনই না, কিংবা জেনেও বলেননা,  হিন্দি সিনেমার নিন্দে করলে কিংবা সমান খেলার মাঠের অভাব নিয়ে বললে, পরিচিত সমাজে মুখ দেখাতে পারবেননা বলে। কোনটা বলতে পারবনা।  

    কিন্তু এটা তো একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পীর তৈরি জিনিস। আমরা কথা বলছিলাম একজন অজানা শিল্পীকে ঝুঁকি নিয়ে তুলে আনার কথা। বলিউডে এরকম ব্যতিক্রমী ব্যাপারও হয়েছে। ব্যতিক্রমী পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ, আরও কয়েকজনকে নিয়ে ফ্যানটম ফিল্মস বলে একটা সংস্থা বানিয়েছিলেন, সেখানে বহু নিরীক্ষামূলক ছবি তৈরি হত ( অন্তত পরীক্ষামূলক হিসেবে দেখানো হত)। সে খুব ভালো ব্যাপার, কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে অর্থটা আসত কোথা থেকে। আবারও সামান্য একটু নেটসার্চ করলেই দেখা যাবে, অর্থের যোগানদার সেই একই গৌরি সেন। রিলায়েন্স। শুরুতে তাদের অংশীদারিত্ব ছিল ৫০% , অনুরাগ সরে যাবার পর এখন পুরোটাই। ফলে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন, কুইন, বোম্বে ভেলভেট, বা এনএইচ টেন তৈরি হয়েছিল রিলায়েন্সের পয়সায়।

    না, অনুরাগকে গাল দেবার জন্য এটা লেখা নয়। শিল্পীর তো পয়সা লাগবেই, বিশেষ করে শিল্পটা সিনেমা হলে। কেউ-কেউ আরও আগ বাড়িয়ে বলতে পারেন, পয়সা ঢাললেই কি আর অনুরাগ হয়? সে কথাও ঠিক। এ একদম ধ্রুবসত্য, যে, ম্যানহাটান প্রোজেক্টে যদি কিছু শিম্পাঞ্জিকে ছেড়ে দেওয়া হত, তারা কোনোদিনই পরমানু বোমা বানাতে পারতনা। কিন্তু তার সঙ্গে এ কথাও ঠিক, যে, পয়সা ঢালাটাই যথেষ্ট না হলেও ওটা পরমানু বোমের আবশ্যিক শর্ত। পয়সা ঢাললেই এনরিকো ফার্মি বা অনুরাগরা জড়ো হবেন। গবেষণা করবেন। সফল হতেও পারেন নাও পারেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা হল, কী নিয়ে গবেষণা করবেন, সেটা তাঁরা ঠিক করবেন না। ঠিক করবে কর্তৃপক্ষ। সেই কর্তৃপক্ষ একটা বিশেষ উদ্দেশ্যেই নেমেছে। দানছত্র খুলতে নয়। 

    তা, বলিউডি সিনেমার ক্ষেত্রে এই কর্তৃপক্ষটি হল রিলায়েন্স এবং আরও কিছু বড়ো খেলোয়াড়। তাঁদের পুঁজি নিয়ে অনুরাগ কোনো অপরাধ করেননি, কিন্তু কর্তৃপক্ষের তো এতে কিছু মুনাফার ব্যাপার এবং কিছু গাইডলাইন থাকবেই, সেটা কী তাইই দেখা হচ্ছে। পরীক্ষামূলক সিনেমা বানিয়ে আর্থিক মুনাফা তেমন হয়না, কিন্তু একটা ব্যাপার হয়, সেটা হল সাংস্কৃতিক আধিপত্য তৈরি। মূলধরার সিনেমায় একজন নায়ক লাফিয়ে-ঝাঁপিয়ে কী বললেন, তাতে গম্ভীর ও প্রাজ্ঞদের কিছু এসে যায়না, কিন্তু একজন সত্যজিৎ রায়ের চরিত্রকে দিয়ে বলাতে পারলে, তাইই পাতার পর পাত বিশ্লেষণ তৈরি করে। তা এক্ষেত্রে বড়দা অর্থাৎ কর্তৃপক্ষ সেই ব্যাপারটা সুনিপুণভাবে করেছেন। তৈরি করেছেন পলিটিকাল কারেক্টনেসের এক মোলায়েম বাতাবরণ। প্রচুর জটিল জিনিস নিয়ে সামাজিক ন্যারেটিভ তৈরি হচ্ছে অন্যরকম সিনেমায়। যেমন নারী, যেমন দুর্নীতি, যেমন মাফিয়ারাজ। এগুলো সব অনুমোদিত তালিকায়। কিন্তু বিপজ্জনক জিনিসপত্র সব বাদ। আগ্রাসী হিন্দুত্ব, অর্থনৈতিক বৈষম্য এসব আউট-অফ-ফ্যাশান, এগুলো কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাবেনা, স্বাভাবিক। আঞ্চলিক বৈষম্য তো একদম বাদ। এই কোম্পানিগুলো কখনই এরকম একটা নিরীক্ষা অন্য ভাষায় করবেনা, কারণ সর্বভারতীয় মানে একটাই ভাষা, সেটা দীর্ঘদিন ধরেই অ্যাজেন্ডায়। এবং সবকটা অ্যাজেন্ডাতেই এরা মোটামুটিভাবে সফল, উত্তর, পূর্ব এবং পশ্চিম ভারতে। দক্ষিণে হয়নি, তার নানা কারণ আছে। কিন্তু বাকি সর্বত্র, এই যে ধরুন এরা হিন্দিকেই প্রোমোট করে, অন্যত্র বিনিয়োগ করেনা, এই নিয়ে অভাববোধ অবধি নেই। মগজধোলাইয়ের এতটা জোর। শ্রেণীবৈষম্য, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো, অর্থনৈতিক বৈষম্য, এগুলো যে আদৌ সিনেমার বিষয় হতে পারে, তাই আমরা ভুলতে বসেছি, এবং সে নিয়ে কোনো অভাববোধ নেই। মগজধোলাই যখন সম্পূর্ণ হয়, তখন ধোলাই নিয়েও আর বিশেষ কোনো সমস্যা থাকেনা। আমরা এখন সেই স্তরে। 

    উনিজির রিলায়েন্স খারাপ রিলায়েন্স আমরা জানি, ওখানে মগজধোলাই করা যায়নি, কিন্তু বলিউডের রিলায়েন্স আমাদের  রিলায়েন্স। কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত কারেক্টনেস আমাদের কারেক্টনেস। কর্তৃপক্ষের ভাষা আমাদের ভাষা। কর্তৃপক্ষের ডিসকোর্স আমাদের ডিসকোর্স। একচেটিয়া পুঁজির এই কৃতিত্বে তাদের অভিনন্দন জানানো যাক, এই পয়লা মে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ০১ মে ২০২৪ | ৪৭১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাপাঙ্গুল | ০১ মে ২০২৪ ১১:০৮531275
  • রিলায়েন্স এন্টারটেনমেন্ট আদতে ছোটভাইয়ের কোম্পানি। তারা বাংলাতেও ছবি করেছিল ভেঙ্কটেশের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে - সব চরিত্র কাল্পনিক , চতুষ্কোণ , জাতিস্মর ইত্যাদি। এখন ছোট ভাই দেউলিয়া বলে বড় ভাইয়ের জিও স্টুডিওস আবার ভেঙ্কটেশের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে, যেমন দশম অবতার , কাবুলিওয়ালা ইত্যাদি। 
     
     
    নিজের ঢাক -
  • একক | ০১ মে ২০২৪ ২২:৪৬531298
  • শিল্প জিনিসটাই পুঁজির দান। আধুনিক আর্টের উত্থান ইন্ডাস্ট্রির বিকাশের হাত ধরে। কুঁড়েঘরের গায়ে, গুহাগাত্রে যেসব "শিল্প" নিয়ে লোকে উলুতপুলুত হয় ওরে কয় কারিগরি। ক্র‍্যাফটস । ক্র‍্যাফটস একটা স্থানিক ও চরিত্রগতভাবে প্রান্তিক জিনিস, যাকে আমরা নেড়েচেড়ে দেকতে পাড়ি, না বুঝে আলমারিতে রাখতে পারি কিন্তু কঞ্জিউম করতে পারি না। উহা শিল্প নয়। 
     
    আর্ট ইজ কঞ্জিউমড।  জন্মের ক্ষন থেকেই। কোন বিকৃতিফিক্রিতি না। পুঁজি থেকেই শিল্পের জন্ম। সেখানে শিল্পীর কদর কে করবে?  গতকাল করতো  নবকৃষ্ণ দেব রা,  এখন করে আম্বানিরা।  
     
    শিল্পের বজ্জাতি ভেঙে  কি কারিগরির অবস্থানে আবার যাওয়া সম্ভব? জানি না। 
  • :|: | 174.251.161.93 | ০২ মে ২০২৪ ১১:০৭531308
  • "পুঁজি থেকেই শিল্পের জন্ম"
    দুইখান প্রশ্ন --
    শিল্প বলতে আর্ট নাকি ইন্ডাস্ট্রি? দ্বিতীয়টি পুঁজির সঙ্গে সম্পর্কিত। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে আলোচনায় কথাটা ঠিক। কিন্তু চলচ্চিত্র যখন আর্ট তখন ... খুব নিশ্চিত নই। 
     
    ক্রাফ্ট থেকে আর্টকে আলাদা করলে এতোদিনের করা আর্টিস্টিক হ্যান্ডিক্রাফ্টগুলোকে কী বলা হবে? 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে প্রতিক্রিয়া দিন