এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • শিক্ষা নয়, ভিক্ষা

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ০৫ জুন ২০২৪ | ১৪০৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৩ জন)
  • কাল থেকে দেখি তথাকথিত বাম-সমর্থকরা ভর্তি করে লিখে চলেছেন, "শিক্ষা নয় জিতল ভিক্ষা"। আশ্চর্য হইনি, কারণ সিপিএমের মিছিলে গুচ্ছের লোক হয়, কিন্তু ভোট পায় বিজেপি। এঁদের সঙ্গে বস্তুত শাইনিং চাড্ডিদের বিশেষ তফাত নেই। রাজনীতি-ফিতি কিচ্ছু না, এঁদের মূলত দুটো দাবী। এক, বাম প্রার্থীরা খুব শিক্ষিত। দুই, পশ্চিমবঙ্গে হাইফাই চাকরি নেই, তাই বেঙ্গালুরুতে (কিংবা টিম্বাকটুতে) গিয়ে করেকম্মে খেতে হয়। শিক্ষিতরা খুব উঁচুদরের লোক, বাদবাকি ফালতু, এটা তাঁদের মাথার মধ্যে গেঁথে আছে, আর শিক্ষিতদের চাই মোটা-মাইনের চাকরি, এইটাকে তাঁরা ​​​​​​​প্রকৃত কর্মসংস্থান ​​​​​​​ভাবেন।

    দুটোই খুব সত্যি হতেই পারে (নাও পারে)। কিন্তু সেটা সমস্যা নয়, সমস্যা হল, এই দুটোই, বামপন্থা ছাড়ুন, যেকোনো মধ্যপন্থী জনপ্রিয় রাজনৈতিক চিন্তারই ঠিক উল্টোদিকে। মধ্যবিত্ত এবং  উচ্চবিত্তদের ​​​​​​​কর্মসংস্থানের ​​​​​​​জন্য ​​​​​​​বিশ্বের ​​​​​​​প্রায় কোনো ​​​​​​​জনপ্রিয় ​​​​​​​নীতিই ​​​​​​​নির্ধারণ ​​​​​​​হয়না, ​​​​​​​হলেও ​​​​​​​মুখে ​​​​​​​বলা ​​​​​​​হয়না। ​​​​​​​খেটে-খাওয়া-মজদুর ​​​​​​​ইত্যাদিদের ​​​​​​​কথা ​​​​​​​অন্তত ​​​​​​​কাগজে-কলমে ​​​​​​​লেখা থাকে, কারণ বুক-বাজিয়ে "আমরা এলিট" বলার মতো দুঃসাহস নেহাৎই আত্মহত্যাপ্রবণ না হলে কোনো রাজনৈতিক দলই দেখায়না। আর শিক্ষিত? নাঃ শিক্ষিতদের পৃথিবীর কোথাও বামপন্থীরা অতিরিক্ত নম্বর দেননা। শিক্ষিতরা ভারতবর্ষে বেশিরভাগই চাড্ডি, সে তো দেখাই যায়। আর পুঁজিবাদীদের স্বর্গোদ্যান আমেরিকাতেও বামপন্থী আইকন খুঁজে বার করতে হলে শ্রমজীবী খুঁজে বার করা হয়। এখন আমেরিকায় যিনি উদীয়মান বাম তারকা, সেই কোর্তেজের শিক্ষাগত যোগ্যতা বিশেষ কেউ জানেনা, কিন্তু তিনি যে অভিবাসী-সন্তান এবং রেস্তোঁরায় কাজ করতেন, জীবনীপঞ্জিতে সগর্বে সেইটাই পাওয়া যায়। খেটে-খাওয়া-মানুষ, এই লাইনটা পছন্দ হোক-না-হোক, ওটা এখনও জলাঞ্জলি দেওয়া যায়নি। যেকোনো গেঁয়ো আনপড় লোককে যদি জিজ্ঞাসা করেন, যে, ভালো নীতি কী, তারা চোখবুজে বলবে, যাতে গরীবের উপকার হয়, সেটাই ভালো। আমাদের বামগরিমায় গর্বিত শহুরে শাইনিংরা এইটুকুও জানেননা, সেটাই প্রমাণ করে শিক্ষা নিয়ে গর্বিত হবার আসলে কোনো মানে নেই, শিক্ষিত হলেই যে ন্যূনতম সাধারণ জ্ঞান থাকবে, তা নাও হতে পারে, বরং গুচ্ছের লোকের দেখা যাচ্ছে সেটা থাকেনা। 

    তা, শিক্ষিত এলিটদের রাজত্ব চাই, এইখান শুরু হয়ে ব্যাপারটা ধীরেসুস্থে অবজ্ঞায় চলে যায়। ভরতুকি মানে ভিক্ষা, বাজে খরচ। বাজারই আসল। তথাকথিত মুক্ত-বাজার একটি আদর্শ জিনিস। বেসরকারি হলেই পরিষেবা 'ভালা হবে'। বাঙালির দ্বারা কিসুই হয়না, কারণ সে ব্যবসা না করে আঁতলামি আর ট্রেড-ইউনিয়ন করে। কিন্তু সিটু? হ্যাঁ, সিপিএম ট্রেড-ইউনিয়ন করত বটে, কিন্তু বুদ্ধবাবুর আমলে ভালো হয়ে যায়, ধর্মঘট চাইতেননা, টাটাকে এনেছিলেন। তারা চলে যাওয়ায় খুব ক্ষতি হয়েছে। ইনফোসিস চলে যাওয়ায় বাঙালির শিরদাঁড়া ভেঙে গেছে, আর টাটা চলে যাওয়ায় মুন্ডুটাই উপড়ে গেছে। - এই প্রজাতির পুরো বক্তব্যই এইটা। মজা হল, এটা শুধু এঁদের বক্তব্য নয়। যেকোনো শাইনিং চাড্ডিকে জিজ্ঞাসা করুন, প্রতিটা পয়েন্টে একদম এক কথা বলবে। দাঁড়ি-কমা শুদ্ধু। বড়জোর এক-আধ জায়গায় নিঃশ্বাস নিতে থামতে পারে। 

    এর উল্টোদিকে কোনো যুক্তি আমি দিচ্ছিনা। শুধু বামপন্থী না, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোপ্রিয় যেকোনো উদারনৈতিক 'শিক্ষিত'র এমনিই জানা উচিত। কেউ কেউ নির্ঘাত জানেনও. কিন্তু তারপরও এরকম অদ্ভুতুড়ে কিছু সমর্থক সব দলেই কিছু থাকে। সেটা দলের সমস্যা না। শিক্ষিতদের প্রার্থী করাতেও সমস্যার কিছু নেই। শিক্ষিত লোকেরা অনেকেই ভালো নেতা, তাছাড়া এরকম তো আইন নেই, যে, বেছে বেছে বস্তি থেকে লোক তুলে আনতে হবে, আর তারাই ভালো নেতা হবে। ফলে ও নিয়ে সমালোচনারও কিছু নেই। 

    কিন্তু সমস্যা হল, এই শাইনিং সমর্থক গুষ্টি, যারা চাড্ডি কিনা বোঝা ভার, সিপিএমের ক্ষেত্রে তাঁরা প্রচুর। অন্তত শহরে। একটা পার্টির সমর্থকরা যে পার্টির ঠিক উল্টো মতে বিশ্বাস করতে পারেন, সেটা এঁদের না দেখলে বোঝা যেতনা। এবং আরও বড় ব্যাপার হল, তাঁরা শুধু সমর্থকদের গণ্ডীতে আটকে নেই। এঁরা শহুরে, বলিয়ে-কইয়ে, প্রভাব-বলয় বিস্তার করতে সক্ষম, এবং এই ল্যাজই ক্রমশ মাথাকে নাড়াতে শুরু করেছে। নইলে, সক্রিয় সমর্থককূলকে এই কথাগুলো বলতে কেউ আটকাতো। অন্তত বিতর্ক-টিতর্ক হত। সেসবের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছেনা। উল্টে, যেকোনো কারণেই হোক, বাম ঘরানার পুরো আলোচ্যসূচিটাই নির্ধারণ করছেন এই শহুরে শাইনিংরা। এঁরা প্রবল শিক্ষিত, বামপন্থার জ্ঞানে সাক্ষাৎ এঙ্গেলস, শিল্পসংস্কৃতিতে ঠিক যেন দেবী সরস্বতীর বরপুত্র, অভিজ্ঞতায় অতিপ্রাচীন বটগাছ, এবং বাক্যে স্বয়ং ব্যাসদেব। এই শহুরে  শাইনিংরাই বামপন্থাকে সংজ্ঞায়িত করছেন, আলোচ্যসূচি তৈরি করছেন, এমনভাবে, যে তাতে স্রেফ লালপতাকা ছাড়া আর বামপন্থা খুঁজে পাওয়া সম্ভব না। এই বিস্তারটা এত গভীরে গেছে, যে, অভিজিৎ গাঙ্গুলির সরাসরি বিজেপিতে ঢুকে পড়তে কোনো অসুবিধে হয়না, এবং ঢুকে পড়ার আগে পর্যন্ত টেরও পাওয়া যায়না, আসলে উনি চাড্ডি। একজন পেশাগতভাবে যে মামলায় উকিল, সেই মামলা নিয়েই তিনি পার্টির নীতিনির্ধারক, এতে কোনো কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট থাকতে পারে, সেটাই কারো মাথায় আসেনা। মিটিং-মিছিলে-ভিডিওয়-রিলে দেখি নাগাড়ে হিন্দি চলছে, পশ্চিমবঙ্গের বেশিরভাগ লোক  যে ভাষাটাই বোঝেনা, এটাই মনে হয় কেউ জানেননা। 

    এতে করে পার্টি লাইনের কী সমস্যা হয়েছে, সে আরেকটা বিশদ আলোচনা, এখানে তাতে ঢুকবনা। কিন্তু মোদ্দা কথাটা হল,  একটা শহুরে শাইনিং উচ্চ-মধ্যবিত্ত লাইনের আরাধনা চলছে, দেখাই যায়। তাতে পার্টির কী লাভ হয়েছে ঈশ্বর জানেন। কারণ এই লাইনটা বিজেপি আরও ভালো চালায়. আরও স্পষ্ট, আরও সোজাসাপ্টা। সঙ্গে অবশ্য সাম্প্রদায়িকতা গোঁজে। ওইটুকু বাদ দিলে শাইনিং শহুরেপনায় বিজেপি অনেক এগিয়ে। তাই প্রকৃত শাইনিং লোকে খামোখা খোঁড়া বামদের সঙ্গে থেকে কী করবে, সুড়সুড় করে ওদিকেই যায়। সাম্প্রদায়িকতাটা ফাউ। আর যারা শাইনিং নয়, তারাও একাত্ম না হতে পেরে ছিটকে যায়, হয়তো বিজেপিতেই। এই গতিটা, যাকে বামভোটের রামগমন বলা হয়, সে তো এমনি হয়না। গত দশ বছরের কম সময়েই হুহু করে হয়ে গেল এসব। আমরা সব্বাই দেখলাম। আমরা, যারা নেহাৎই দর্শক, কিন্তু বর্গী হানার বিপক্ষে, যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার পক্ষে, কিঞ্চিৎ বামঘেঁষা, যারা বিজেপি নয় বামদের উত্থান চাই, তারা সাইডলাইনে বসে দেখলাম এবং এখনও দেখে যাচ্ছি, শেষ ট্রেনও ছেড়ে চলে গেছে, তবু নেতাদের আশীর্বাদধন্য কলকাতাইয়া সিপিএম সমর্থকরা "আমরা শিক্ষিত, তোরা ভিখিরি" বলে আওয়াজ তুলছেন, কেউ একটু অন্যকথা বললেই চালচোর বলে দাগাচ্ছেন, "আমরা থাকলে বিজেপিকে অ্যায়সা আটকে দিতাম না" বলে নেহাৎই ফালতু ঢেঁকুর তুলছেন, যেন এখন আটকাতে কেউ বারণ করেছে। সঙ্গে আছে এখানে কাঠি, ওখানে গোষ্ঠী, একে চালচোর বলতে হবে, ও আসলে তৃণমূল। যেন আদতে সেই ২০০৬ এর মতো ২৩৫টা আসনে জিতে ক্ষমতায়, জ্যোতি বসুর জমিদারি ধুইয়েই এখন অনেকদিন চলবে। ওদিকে আসলে কিন্তু সব বাস চলে গেছে, উড়ে গেছে সব পাখি, ভেসে গেছে আঁকড়ে ধরার খড়কুটোগুলি। ফিরে আসা দূরস্থান, বামপন্থাটাই বাদ দিয়ে, বিকাশ-লাইনে চলে, বামরা আদৌ টিকবেন কি? কে জানে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ০৫ জুন ২০২৪ | ১৪০৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রঞ্জন | 2402:e280:3d02:20a:5fdd:e3a0:fc96:470f | ০৫ জুন ২০২৪ ০৮:৫২532703
  • দেখলাম, কেউ গুরুকে গাল দিচ্ছেন -- তিনোর টাকা নেওয়ার কথিত অভিযোগে যা ২০১১ থেকে শুনছি।
    কিন্ত বামভোট যে ৬ এর নামতা পেরোচ্ছে না, তারজন্য কি গুরু দায়ী?
    তোহা সিদ্দিকির ভাইপো হঠাৎই সেকুলার সার্টিফিকেট পেল, তারপর?
  • | ০৫ জুন ২০২৪ ১০:১৭532707
  • হে হে রঞ্জনদা দিল দিল নওশাদ ভাই এবারে বহু জায়গায় প্রার্থী দিয়েছে। আমাদের কেন্দ্রে তো ভোট দিতে গিয়ে ইভিএমের সামনে দাঁড়িয়ে দেখি দীপ্সিতার ঠিক নীচেই আইএসএফ প্রার্থী। তার আগে জানতামই না। 
     
    সিরিয়াস কথা হল আমেথিতে  ২০১৯ এ রাহুল তথা কংগ্রেস একেবারে লুটিয়ে পড়েও এবারে ঠিক হইহই করে  জিতে ফিরেছে। কিন্তু অমন পোক্ত বামফ্রন্ট একবার হেরে আর সেসব জায়গায় ফিরতেই পারছেনা। রাজস্থানে মনে হয় সিপিএম একটা আসন পেয়েছে দেখলাম। 
  • dc | 2401:4900:6338:f9fe:6502:d1a0:3340:243d | ০৫ জুন ২০২৪ ১১:০১532709
  • এটা আমারও অনেকদিনের প্রশ্ন। যে সিপিএম পব থেকে এইভাবে উবে গেল কিভাবে? অনেক রাজ্যেই তো একেকটা পার্টি বিচ্ছিরিভাবে হারে, কয়েকবছর চুপচাপ থাকে, কিন্তু গ্রাসরুট লেভেলে কাজ চালিয়ে যায়, তারপর আবার ফিরে আসে। এবারই যেমন ইউপিতে সপা বা অন্ধ্র প্রদেশে চন্দ্রবাবু নাইডু ফিরে এলেন। আবার উড়িষ্যায় বিজেডি হেরে গেলো, তাই বলে কি পার্টিটা উবে যাবে? একেবারেই না, একটা বা দুটো টার্ম পরে ঠিকই ফিরে আসবে। সিপিএম এর পবতে এই দশা হলো কেন?  
  • হাতে গরম উদাহরণ | 2401:4900:3dd8:3a43:5cbc:28ff:feb7:17f1 | ০৫ জুন ২০২৪ ১১:০৮532710
  • এই যে, এই সাইটে ভাটিয়ালির পোস্ট:
    • সৃষ্টিছাড়া
    ৫০০ টাকার দুইটি নোট
    অন্ধ বিবেক, বন্ধ ভোট
     
    তো, জনগণকে এরকম  ভিখারি বলেন বলেই জনগণ ভোটে এঁদের ভিখারি বানিয়েছেন!   লজ্জাও করেনা, ওয়েলফেয়ার স্কিমকে ভিক্ষা বলতে?  
    হ্যাঁ, এসব বণ্টনে ঘাপলা, দুর্নীতি, সমস্যা নিয়ে সরব হলে সেটা প্রকৃত বিরোধিতা করা হয়, করলে ভোটাররাও মুখ ফেরাতেন না। 
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:b180:c7e1:31eb:a33d | ০৫ জুন ২০২৪ ১১:২৩532711
  • দ্যাখেন, গুরুতে কে কি পোস্ট করলো, তা দিয়ে একটা রাজ্যের ভোটের ফলাফল ঠিক হয় না। ইন ফ্যাক্ট এই ব্যাপারে সৈকতবাবুর এই অ্যানালিসিস নিয়েও দ্বিমত আছে - শহুরে বামপন্থীরা সোশ্যাল মিডিয়াতে কি বললেন সে দিয়ে কি একটা রাজ্যের ফলাফলে প্রভাব পড়ে? আমার মনে হয় না, আর তার প্রমাণও তো এই ভোটেই দেখা গেল। বিজেপি এবারেও মেট্রোপোলিস আর বড়ো শহরগুলোতে ভালো করেছে, (কয়েকটা ব্যাতিক্রম, যেমন চেন্নাই আর বোধায় কলকাতা), কিন্তু বিরাট ভারতবর্ষের বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চলে আর ছোট শহরগুলোতে ওদের ভোট কমে গেছে। শহরগুলোতে আইটিসেল যতোই বিদ্বেষ ছড়িয়ে থাকুক আর ডেভেলপমেন্টের গল্প শুনিয়ে থাকুক না কেন, ইন্ডিয়ার বিরাট বড়ো পপুলেশানের ওপর তার কোন এফেক্ট পড়ে নি। সেরকমই, সিপিএমকে কেন পব তে সাধারন লোক ভোট দিচ্ছে না, তার উত্তর মনে হয়না গুরুতে বা শহরের সমর্থকদের মধ্যে পাওয়া যাবে বলে। সিপিএম গ্রাসরুট লেভেলে পবর জনতার কাছে পৌঁছতে পারছে না। কেন পারছে না, সেটা পার্টি কর্মীরা ভেবে বার করতে পারেন। 
  • এটা মানসিকতা | 2401:4900:3dd8:3a43:5cbc:28ff:feb7:17f1 | ০৫ জুন ২০২৪ ১১:৪৫532712
  •  এই মানসিকতা সিপিএম এর সর্বত্র।  গ্রামের দিকে যিনি সিপিএম করেন, তাঁর ফেসবুক আকাউন্ট নেই নাকি? 
    কাল এধরণের মেসেজে ফেসবুক ছেয়ে গেছে, যাঁরা লিখেছেন, লাইক শেয়ার মন্তব্য করেছেন, তাঁদের প্রোফাইলগুলো দেখুন। সবাই শহুরে, এমনটা মোটেই নয়। 
     এই মানসিকতা থাকলে লোকের কাছে পৌঁছানো সম্ভব?  
    হ্যাঁ, কতিপয় ব্যতিক্রমও অবশ্যই আছেন। 
  • পতিতপাবন সমাদ্দার, বোস্টন | 148.72.165.2 | ০৫ জুন ২০২৪ ১৪:২৩532717
  • চৌত্রিশ বছরের বামফ্রন্ট সরকার রাজ্যটির মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে। এখন ওই মহিলা ভিক্ষা দিয়ে ভোট কিনছেন। মোদীজি ও বিজেপিকে সশ্রদ্ধ নমন যে তাঁরা অনেক চেষ্টা করলেন। কিন্তু বাঙ্গালি জাতির আত্মসম্মান বোধ লুপ্ত হয়ে গিয়েছে। সন্দেশখালি যারা ঘটাল, রামকৃষ্ণ মিশন ও ভারত সেবাশ্রমকে যারা অপমান করল, তাদেরকেই বাঙ্গালি চায়। ইংরিজিতে একে বলে স্টকহোলম সিনড্রোম। অর্বাচীন কুলাঙ্গার!
  • | ০৫ জুন ২০২৪ ১৪:২৫532719
  • আহারে বার্ণল মোমেন্ট ফর চাড্ডিজ laugh
  • নিছক পতিত | 155.4.128.72 | ০৫ জুন ২০২৪ ১৪:৫৭532720
  • পতিতপাবনবাবুর জন্য আন্তরিক সহানুভূতি! এত চেষ্টার পরেও 'পতিত' দের আর কিছু করা গেল না!! এবার বরং নিজের যত্ন নিন!! 
     
    বোস্টনে বার্ণল মেলে তো? সাবধানে থাকবেন!! 
  • যোষিতা | ০৫ জুন ২০২৪ ১৫:২৯532721
  • পতিতপাবন সমাদ্দার, বোস্টন | 148.72.165.2 | ০৫ জুন ২০২৪ ১৪:২৩
     
    এটা ফেক অ্যাকাউন্ট।
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:b180:c7e1:31eb:a33d | ০৫ জুন ২০২৪ ১৫:৩৯532722
  • পতিতপাবন সমাদ্দার, বোস্টন - নামটা পড়েই খানিকক্ষন হাসলাম laugh
  • রঞ্জন | 171.76.44.33 | ০৫ জুন ২০২৪ ১৫:৪৫532723
  • @পতিতপাবন 
         মোদীজি যে গর্বের সঙ্গে 80 কোটি মানুষকে ফ্রিজে সারাবছর খাবার দিচ্ছেন,  কৃষকদের খাতায় ছ'হাজার টাকা দিচ্ছেন,  যদিও কৃষকদের আয় দ্বিগুণ কেন বেগুনও হয় নি, সেগুলো আপনার পরিবাষায় কী? ভিক্ষা নয়?
        যে দেশে আদ্দেকের বেশি জনসংখ্যাকে সরকারের দেয়া ফ্রি খাবার নিতে হয় তাকে কিসের দেশ বলবেন?
    বঙ্গ না হয় ভোগে গেছে, অযোধ্যাতে এই হাল? গোটা ইউপিএ? যোগীবাবার দেশে?
    কোথায় ভুল হল?
    হিন্দুধর্মের দিক থেকে কোথায় ভুল? পরের কিস্তিতে বলছি।
  • রঞ্জন | 171.76.44.33 | ০৫ জুন ২০২৪ ১৬:০৭532724
  • আচার্য উবাচ:
    1 তাড়াহুড়ো করে রাজনৈতিক স্বার্থবশ মন্দিরের উদ্ঘাটন রামললা ভালোভাবে নেন নি। তখনও মন্দিরের আমলক, কলস  বসানো হয়নি। শংকরাচার্যদের নিষেধ ছিল। শুনছে কে!
     
    2 সে সময ওনার মাতা ঠাকুরাণী মাত্র গত হয়েছেন। কালাশৌচ চলছে। তখন একবছর এ সব করতে নেই। শুনছে কে!
     
    3 মর্যাদাপুরুষোত্তম হলেন খাঁটি আর্য, গৌরবর্ণ। রাক্ষসের দল অনার্য,  আমার মত কৃষ্ণবর্ণ। কিন্ত শুনছে কে!
    দক্ষিণ থেকে কালো পাথরে তৈরি ঘোর কালোবরণ  রামচন্দ্র স্থাপিত হল, যা দেখে উত্তর ভারতের লোকের ফীলিং আসে না।
    4
    রামললা হলেন রামচন্দ্রের শিশু বা বালক রূপ -- ঠুমকি চলত রামচন্দ্র! যেমন গোপাল হল কৃষ্ণের বালক রূপ। পুরনো মূর্তিটি তাই ছিল। 
    শুনছে কে!
    তার জায়গায়  স্থাপিত দণ্ডায়মান সীতাপতি রাম। রামললা বা তাঁর অরিজিনাল মূর্তি কোথায় গেলেন?
     
    ভুল বললে শুধরে দিন।
  • রঞ্জন | 171.76.44.33 | ০৫ জুন ২০২৪ ১৬:২৮532725
  •  সারা বিশ্বে কোন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান মহাকাশ অভিযানের সময় ওখানে দাঁড়িয়ে থাকে না। চন্দ্রায়ন --2 এর সময় উনি গিয়ে দাঁড়ালেন, অভিযান অসফল!
    দ্বিতীয়বার উনি ঘরে ছিলেন, -- অভিযান পুরোপুরি সফল!
    ব্রাজিলের জঙ্গী মেজাজের রাষ্ট্রপ্রধান বলসেনারোকে উনি রিপাবলিক দিবসে ডেকে এনে  প্রধান অতিথি করলেন। উনি নিজের দেশে ফিরে  পরাজিত হলেন। ক্রিমিনাল চার্জে কেস খেলেন।
     
    আমেরিকা গিয়ে সব প্রোটোকল ভেঙে শ্লোগান দিলেন -- অব কী বার? 
                ট্রাম্প সরকার।
    ফলং ?
    ট্রাম্প হেরে গেলেন ও কেস খেলেন।
     
    এবার উনিজী নিজের দেশে  শ্লোগান দিলেন:
            অব কী বার?
         চারশো পার।
    ফলং?
    সাপলুডোর মত সরসরিয়ে আগের চেয়ে নীচে নেমে এলেন। তাই বলি, শ্লোগান তৈরির আগে একটু ভেবেচিন্তে,  নো  তাড়াহুড়ো।
    কিন্ত শোনে কে!
  • r2h | 192.139.20.199 | ০৫ জুন ২০২৪ ১৬:৫৮532726
  • গণতন্ত্র, নির্বাচন - ইত্যাদির আলোচনা থেকে রামলালার রংচং শংকরাচার্যের নিদান - এইসব প্রসঙ্গ যত তাড়াতাড়ি বিদেয় হয় ততই মঙ্গল।
  • অরিন | 2404:4404:1732:e000:1833:f91f:521f:23af | ০৬ জুন ২০২৪ ০০:৫৫532744
  • "সে সময ওনার মাতা ঠাকুরাণী মাত্র গত হয়েছেন। কালাশৌচ চলছে। তখন একবছর এ সব করতে নেই। শুনছে কে!"
     
    তাই তো আগ বাড়িয়ে, বেনারসের বজরায় দাঁড়িয়ে নিজেকে ভগবানের সন্তান সাজাতে হল, :-)
    এবং অসম্পূর্ণ মন্দিরের উদ্বোধন করতে নেই, এই বোধটিও কেউ ভদ্রলোককে বোঝাতে পারেননি। এখন আবার তাড়াহুড়ো করে শনিবারই প্রধানমন্ত্রী সাজতে চল্লেন।
    আগামী কয়েকটা বছর এই ভস্মাসুরের পল্লায় পড়ে দেশটায় আবার গোলমাল বাধবে। আশা করব এরপর ছোট ফ্যান্টাটা ইউপি থেকে ঘাড় ধাক্কা খাবে।
  • Ruchira | 2600:1700:9c90:79f0:351f:44d8:a4cb:9c13 | ০৬ জুন ২০২৪ ০৪:৫৮532745
  • রামের গাত্রবর্ণ কালো ছিল না? নবদূর্বাদলশ্যম  ? ছোটবেলায় সমস্ত রামায়ণ বইতে ছবি থাকত নীল বা সবুজ রং-এর রাম ।লক্ষ্মণ ফর্সা ছিল , রাম না | অবশ্য ঘোর কালো রাম দেখিনি 
  • রঞ্জন | 171.76.44.33 | ০৬ জুন ২০২৪ ০৭:০৮532747
  • @রুচিরা 
    ঠিক বলেছেন।  নবদূর্বাদলশ্যাম। কিন্ত অমন কুচকুচে কালো? আর রামললাকে যোদ্ধা বানিয়ে দেওয়া?
    ঠাকুর বলেছেন (যতদূর মনে পড়ছে) সাধন করবে বনে, মনে আর কোণে। 
    কিন্ত উনিজী নমস্কার তেরোটা ক্যামেরার সামনে করছেন।
    এত অসৈরণ ধর্মে সইবে!
     
    হুতো,
    নি:সন্দেহে ধর্ম ও রাজনীতির ঘালমেল খুব বিপজ্জনক ও আত্মঘাতী।
    কিন্ত ওটাই উনিজীর ইউ এস পি।  একজন ধর্মগুরুকে রাজনীতিজ্ঞ বানিয়েছেন।
    নিজে ধর্মগুরু সাজার চেষ্টা করছেন।
     
    পাল্টা কী করবে?
     
    এক,  সেকুলার রাজনৈতিক প্রশ্নকে এবং সংবিধানের ইস্যু তুলে ধরা।
     
    দুই, ধার্মিক আচরণের ক্ষেত্রেও উনি নিষ্ঠাবান নন, ওটা ওনার রাজনীতির খেলনা--- এটা এক্সপোজ করা।
  • অরিন | 132.181.180.107 | ০৬ জুন ২০২৪ ০৭:১৯532748
  • "এক,  সেকুলার রাজনৈতিক প্রশ্নকে এবং সংবিধানের ইস্যু তুলে ধরা।"
    এইটাই একমাত্র পথ | 
    ধর্ম দিয়ে ধর্মের কল বিকল করা যাবে না | 
  • Ranjan Roy | ০৬ জুন ২০২৪ ০৭:৫০532752
  • অরিনদা 
      অবশ্যই একটা ধর্মের বিকল্প পালটা কোন ধর্ম নয়। 
    কিন্তু লড়াইটা বহুমুখী।
    যেমন লেনিন বলেছিলেন -- ভেতর থেকে ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থাকে জনতার মনে চারিয়ে দেওয়া। 
     হিন্দি বলয়ে  এতদিন আছি তাই বলছি-- ৫০০ বছরে ওনার মত কেউ আসেনি। উনি   আরেক অবতার --এটার মোকাবিলা কী করে করবেন?যেখানে উনিও নিজেকে বায়োলজিক্যাল সন্তান নয় পরমাত্মার পাঠানো দূত হিসেবে প্রোজেক্ট করছেন? 
     
     
    দু'ভাবে।
    এক , উনি রাষ্ট্র পরিচালনায় বিফল ,সামাজিক সুরক্ষা দেওয়ায় এবং আর্থিক বিকাশে বিফল--তাই সমস্ত টার্গেট উনি ২০৪৭ সালে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন--এটা প্রোজেক্ট করা।এটা বলা--  মন্দির তৈরি হলেই পেট ভরবেনা বেকারত্ব দূর হবে না।
     
    দুই ওনার ধার্মিক পশ্চারগুলিও আসলে রাজনৈতিক প্লয় ; নিজের মূল ব্যর্থতা ঢাকতে আজেবাজে বকে লোকের নজর ঘুরিয়ে দেওয়া--এটা এক্সপোজ করা। দেখানো যে উনি ধার্মিক আচরণেও সিন্সিয়ার নন। সবই ভড়ং,উনি সেখানেও ফেল। অতএব কুলোর বাতাস দেয়া ছাড়া গতি নেই--এই সিদ্ধান্তে পৌঁছুতে জনমানসকে সাহায্য করা। 
  • :|: | 174.251.161.123 | ০৬ জুন ২০২৪ ০৮:১৮532753
  • ০৫ জুন ২০২৪ ১৬:০৭ -- আচার্য বলেছেন (তিননং পয়েন) "আমার মত কৃষ্ণবর্ণ"। যাহ! এইটে বিশ্বাস কল্লুম না। শঙ্করাচার্যরা সবাই ফর্সা হয় তো! 
  • অরিন | 2404:4404:1732:e000:1833:f91f:521f:23af | ০৬ জুন ২০২৪ ০৯:৫১532757
  • অবশ্যই রঞ্জনবাবু, দুটো পয়েন্টেই আপনার সঙ্গে একমত। এবার আপনি খেয়াল করে দেখুন আপনার দুটো পয়েন্টের মূল সূত্রে বা বলা যাক ফারসট প্রিনসিপল কিন্তু ধর্মকন্দ্রিক নয়, রাজ্য পরিচালনা এবং রাজনীতি কেন্দ্রিক, ও সেইটাই যথাযথ।এরা ধর্মকে একটা ক্রাচ হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে দেরীতে হলেও কিছু মানুষ এদের ছলচাতুরি ধরে ফেলেছে। মোদীরা বেশীদিন টানতে পারবে না মনে হয়, ধর্ম oversell হয়ে গেছে। পেটের দায় বড় বালাই। এবার দেখুন নতুন কি খেলা বেরোয়। 
  • সৃষ্টিছাড়া | 117.200.235.11 | ০৬ জুন ২০২৪ ১১:১৮532765
  • চটির তলার স্বাদ লেখায় প্রকাশিত, জিভটাও নোংরা, মাথাটা বিষ্ঠা ময়
  • রঞ্জন | 171.76.44.33 | ০৬ জুন ২০২৪ ১২:৫১532777
  • গালাগাল ছেড়ে পয়েন্ট ধরে ধরে কাউন্টার করলে হয় না?
  • r2h | 192.139.20.199 | ০৬ জুন ২০২৪ ২১:৩২532808
    • রঞ্জন | ০৬ জুন ২০২৪ ০৭:০৮
    • ...পাল্টা কী করবে?
       
    রঞ্জনদা, হ্যাঁ, সেটা হতেই পারে।
    কিন্তু যা দেখতে পাই, এই করে বিরোধীরা বিজেপির সেট করা এজেন্ডাতে কথা বলতে থাকে, তাতে নয়েজ বেড়ে যায়, আসল গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলি আড়ালে চলে যায়।
    রামলালা সাদা না কালো, শিশু না যুবক, ধর্মাচরণ ও আত্মীয়বিয়োগ বিষয়ে মনু কী বলেছেন, একজন ধর্মগুরু রাজনীতি বিষয়ে কী বললেন - সেসব মানা বা না মানা মানুষের ব্যক্তিগত অভিরুচি ও রাজ্যশাসনের সঙ্গে এর কোন সম্পর্ক নেই - সেই অবস্থান এসব আলোচনায় লঘু হয়ে যায়।
    পাল্টা, যেগুলি সত্যি ইস্যু সেগুলি নিয়ে কথা বলবো! 
    কালাশৌচে মন্দির প্রতিষ্ঠা করতে নেই শাস্ত্রে লেখা আছে, তাও আমি করলাম - এ তো ভালো ব্যাপার, বৈপ্লবিকঃ)
  • রঞ্জন | 171.76.44.33 | ০৬ জুন ২০২৪ ২২:১৩532814
  • হিন্দি বলয় এদের ভিত্তি। সেখানে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ।  কেউ বৈপ্লবিক ভাববে না। বঙ্গে ভাবতে পারে।
    এটা ওদের এজেণ্ডায় খেলা নয়, স্যাটায়ার করা। ওদের সব স্পেস নিয়ে নেয়া। কোথাও খালি জায়গা না ছাড়া।
    ওদের ভড়ংকে ট্রিভিয়ালাইজ করা।
  • r2h | 192.139.20.199 | ০৬ জুন ২০২৪ ২২:১৫532815
  • এটা অনেকটা দর্শক খায় বলে সাস বহু সিরিয়েল বানানোর মত আরকিঃ)
  • r2h | 192.139.20.199 | ০৭ জুন ২০২৪ ০০:০১532819
  • এই প্রসঙ্গে আমি কিছুটা সৈকতদার "মহম্মদ সেলিম এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার " হপাতে সিএসের ০৬ জুন ২০২৪ ২৩:১৮ পোস্টটা রেফার করবো।

    আইডিওলজিকেল সংকীর্নতার কথা লিখেছেন সিএস। তো এই জাতিবিদ্বেষ, কপিবুক নাজি ঐতিহ্যের দলকে ঠেকাতে হলে বোধয় অমুক জায়গার ভোটার এটাই খায়- এই লাইনে না ভেবে নিজেদের ন্যারেটিভের প্রতি বিশ্বস্ত থাকা ভালো।

    আমি নিজে কি মনুসংহিতা, ব্রাহ্মণ্যবাদ, পুরোহিতের নিদান মানি? না মানলে আমি ঐ লাইনে, শুধু ভোটার ভোলানোর জন্য তর্ক করতে যাবো না - সেটা কারোর প্রতিই সততা হয় না।

    অনেকে রামমোহন, বিদ্যাসাগরের উদাহরন দেন - শাস্ত্র থেকে যুক্তি আহরনের জন্য। তাঁরা তো শাস্ত্রে অবিশ্বাসী ছিলেন না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন