বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা  শনিবারবেলা

  • কাদামাটির হাফলাইফ

    ইমানুল হক
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ১৯ মার্চ ২০২২ | ১০১১ বার পঠিত | রেটিং ৪.৩ (৪ জন)
  • আরে, কাদা না থাকলে মানুষ তো বেঁচেই থাকতে পারতো না। শস্য সব্জি কিছুই কি তেমন মিলত? ফুল ফল অনেক কিছুই? কাদা আর বালির মিশেলেই তো জীবনের যত মার প্যাঁচ।

    পশ্চিমবঙ্গের রাঢ় অঞ্চলের গ্রামজীবনের স্মৃতিচিত্রণ।


    পর্ব ৬০

    শুক্রবার দোল। শনিবার হোলি। এবার শুক্রবার দোলের রঙের সঙ্গে পড়েছে শবে বরাত। চলে যাওয়া মানুষদের স্মরণে দান ধ্যান করেন মানুষ। এছাড়া বাড়িতে তৈরি করা হয় চালের আটার রুটি, পোলাও (বিরিয়ানি হতো না এভাবে ঢালাও আকারে)। নানা রকম হালুয়া, ছোলার ডালের হালুয়া, গাজরের হালুয়া ছিল বিখ্যাত। হতো ফিরনি। এ-রকম শহুরে টাইপ না। খাসকানি তথা সুগন্ধি গোবিন্দভোগ চাল হামানদিস্তায় আধ পেটা করে একটু চাল একটু চালের আটা তার সঙ্গে দুধ। দুধ ফোটানো হতো এলাচ তেজপাতা দিয়ে। একটু হালকা মিষ্টি। কথায় কথায় কিসমিস পেস্তা কাজু দিয়ে দেশি ফিরনির সব্বোনাশ করতে শেখেনি মানুষ। সে যে কী ভালো কী ভালো। আমার মা ও বড়দির হাতে এই ফিরনি আমি কোথাও পাইনি। খুঁজছি। নিজে চেষ্টা করেছি। হয়নি। দাঁড়ায়নি।

    আর ছিল মাংস বিতরণ। আলু দিয়ে মাংসের মাঝপাতলা ঝোল। চালের আটার রুটি ডুবিয়ে খেতে কী যে আরাম। ওটা চাপ বা ভুনা বা কষা দিয়ে জমে না। ঘেঁটে যায়। চালের আটার রুটি আর মাঝপাতলা আলু মাংসের ঝোল। মুখ মারতে শেষে হালুয়া। নরম নয় অথচ শক্ত নয়। মাইসোর পাক একশো পাক খেয়ে ফেললেও এই পাক পবিত্র ছোলার ডালের হালুয়ার ধারে কাছে ঘেঁষতে পারবেনি। এ আমি হলফ করে বলতে।

    এটা নামানোর পর থালায় জুড়োতে দেওয়ার সময় থালায় একটু গাওয়া ঘি মাখিয়ে রাখতে হবে। মনে হবে, খাওয়ার সময় স্বর্গ বেহেস্ত এখানেই এখানেই। সবে বরাতে বিজয়ার নাড়ু সংগ্রহের মত তরুণ যুবক বালকের দল মুখ ঢেকে নিজেদের বহিরাগত ফকির মিসকিন সেজে গলা নকল করে বলে বেড়াত ঘরে ঘরে:

    আমরা ফকির মিসকিনের দল।
    আল্লাহর বান্দা।
    তোমাদের দুয়ারে দোয়া চাইতে এসেছি।
    দোয়া মানে খাবার দাবার দাও।

    আমাদের দাদাদের দলে ছিলেন এক ব্রাহ্মণ সন্তান। তাঁর মত গোমাংস খেতে আমি কাউকে দেখিনি। পাঁচ ছয় কিলো মাংস খেয়ে ফেলা তাঁর কাছে জলভাত।
    মহিলারাই তো দিতেন। তাঁরা সব বুঝতেন। বুঝেও না বোঝার ভান করতেন। আমাদের এলাকার মানুষ খুব রসিক। বলতেন, এমন ফকির মিসকিন পেলে আরেকবার নিকাহ বসি রাঁঢ় (বিধবা) হয়ে।

    চমকাবেন না। মুসলিম সমাজে বিধবা মেয়েদের বিয়ে জলভাত। মুসলিম মেয়েদের পছন্দের গালাগাল, স্বামীর উদ্দেশে, এতো লোক মরে তুই কেন মরিস না। চারকাহারে যা। মানে চারজন লোক কফিন বয়ে - স্বামীকে নিয়ে যাক। আমার মায়ের সবচেয়ে রাগের গাল ছিল, চারকাহারে যাও।

    সত্যি যখন বাবা গেলেন, আমার ঘুরতে ভালোবাসা মা, গ্রামের বাড়ি ছেড়ে আমৃত্যু নড়লেন না। টানা তিনবছর স্মৃতি আগলে পড়ে থাকলেন একাকী বিশাল এক ফাঁকা বাড়িতে।
    যে কথা হচ্ছিল, মুসলিমরা হিন্দুদের মতই দৈনিক সন্ধ্যায় প্রতি ঘরে শিকল খুলে আলো দেখায়।

    আর শবে বরাতের দিন মোমবাতি জ্বালায় ঠিক দীপাবলির মত।‌ ধূপ প্রতি ঘরের জানালা ও দরজায়। বারান্দা রেলিং ভরিয়ে তোলে মোমবাতির আলোয়। তাজমহল বলে একটা মোমবাতি খুব জনপ্রিয় ছিল। আর ছোটোদের ছিল কালীপুজোর মত বাজি পোড়ান। হাউই চরকি সাপবাজি ধানিপটকা। আমি নবম শ্রেণিতে ছয় কিলোমিটার দূরে সেহারাবাজারে পড়তে যাওয়ার আগে এইসব খুব করেছি।

    দু-দমা তিন-দমা বোমা ফাটান ছিল অবশ্য না-পসন্দ। বিকট আওয়াজ হতো। চৌবাচ্চায় পুরলে তো কথাই নেই। তবে তুবড়ি দারুণ লাগত। আর ছিল বন্দুকের ক্যাপ ফাটান। শবে বরাতে দাদি বলতেন, দাদো পরদাদো সহ পূর্ব পুরুষরা ভিটে দেখতে আসেন। তাই বাজি ফাটাতে নেই। কে শোনে!

    রঙ জীবনে কম বলে গ্রামে রঙের খেলা ছিল খুব বেশি। মুসলিম বিয়ে বাড়িতে খুব কম করে তিন দিন রঙের খেলা চলত। পোশাকি নাম লগন ধরা। মানে বিয়ের লগ্ন। অন্য পক্ষ মানে কনে বা বর পক্ষ পরস্পরকে লগন পাঠাতেন। তাতে বেনারসি শাড়ি/ জামাকাপড় স্নো পাউডার সাবান ইত্যাদি নানা জিনিস থাকত। আর থাকত বিরাট আকারের মাছ ও মিষ্টি। আসতো হলুদও। সেই হলুদ বেটে শুরু হতো হলদি। এটা আদিবাসী প্রথা। নীহাররঞ্জন রায় পড়ুন। মঙ্গলাচরণ গায়ে হলুদ পান পাতা দিয়ে মুখ দেখা, এ-সব আদিবাসী অবদান। লগনযাত্রীদের একজন না একজন আমুদে রসিক মানুষ থাকতেন। বেছে বেছেই পাঠানো হতো‌। তাঁকে হলুদ মাখানো হতো কনে বা বরের পর।

    আর মুসলিম বাড়িতে হতো সাঙ্ঘাতিক রঙ খেলা। আমাদের বাড়িতে একাধিক পিতলের পিচকারি ছিল। প্ল্যাস্টিকের পিচকারি তো আশির দশকে শহরে এসে শিখলাম। প্ল্যাস্টিক যাত্রার সেই শুরু। শেষ কোথায় কে জানে?

    শুরু হতো হলুদ দিয়ে এরপর ধান সিদ্ধ করার চৌবাচ্চাতে গোলা হতো রঙ। জামাইবাবাজিদের তাতে ডোবান হতো। শালা শালিরা এই কর্ম করতেন। এরপর রঙ শেষ হলে ধান সেদ্ধ করার কড়াইয়ের কালি তেল দিয়ে মাখিয়ে রঙ খেলা। এসব ফুরলে পুকুরযাত্রা। সেখানে পাঁক মাখামাখি।

    আর দোল বা হোলির সময় বালতি করে রঙ গুলে নিয়ে হিন্দু মুসলমান সবাই হাজির হতাম গোলামহলে। রঙের বিচিত্র ভুবন। তালপাতা বা খেজুর পাতার চাটাই বা পাটি বানাতে রঙ লাগত। কুড়ি পয়সা প্যাকেট। নানা রঙ হতো। লাল সবুজ নীল বেগুনি হলুদ বাদামি গোলাপি।

    আভা কোম্পানির আবির তখন ৫০ পয়সা প্যাকেট। মূলত গোলাপি রঙের আবির। এতো লাল নীল আকাশি বেগুনি সবুজ গেরুয়া তখন হয়নি দোল। রঙ নিয়ে এত অকারণ মাথা ঘামাতেন কম লোক।

    ফলে খেজুর পাতার রঙই ভরসা। কয়েকদিন থাকবে। পাক্কা। যতই তুমি সাবান ঘষো। বাঁদর রঙ প্ল্যাস্টিক রঙের তত্ত্ব আমাদের জানা ছিল না।

    আমরা রঙ খেলতাম। রঙ ফুরোলে গোরুর গাড়ির চাকার রেড়ির তেলের কালি মাখতাম ও মাখাতাম। ভুষো কালি চেয়ে চিন্তে জুটত। সেসব করে পুকুরে অনেক দৌড় ঝাঁপ হামলা হামলি পাঁক মাখামাখি করে বাড়ি ফিরে ভরপেট ভাত খেয়ে পাগলের মত অবুঝ সবুজ ঘুম এবং স্বপ্নকন্যার খোঁজ। বিকেলে বার দু'য়েক খিচুড়ির আসরও বসেছে। ফিস্টি বলে।

    আমাদের সময় আশির দশকে বিদ্যালয়ে আবির খেলা ছিল নিষিদ্ধ বস্তু। ভাবাই যেত না, রঙ দূরে থাক আবির খেলার কথা।

    কলেজে দোলের আগের দিন অনেক নিয়ম কানুন মেনে আবিরের ছোঁয়া। অনেকেই পকেটে লাল আবির আনত পছন্দের মেয়ের কপালে আসল লক্ষ্য সিঁথি রাঙা করব বলে। মফস্বলের মেয়ে খুব বুদ্ধিমতী। অসম্ভব কৌশলে সে-সব সামাল দিত।

    বর্ধমান জীবনে দোলের অনেক রঙিন গল্প আছে। ইটকাঠের জীবন অংশে সে-সব লেখার ইচ্ছে। শরীর ও সময় দিলে।


    পর্ব ৬১

    আমার খুব ইচ্ছে করত, আমাদের একটা ডালিম গাছ থাকবে। খাওয়া যাক আর না যাক লাল টুকটুকে ডালিম হবে। যেমন হয় সিরাজদের ঘরে। সিরাজ তার চেয়ে চার পাঁচ বছরের বড়। তবু সবাই সিরাজ ডাকে। সেও বড়দের সঙ্গেই বেশি বন্ধুত্ব হয় তার। সিরাজদের পাকা কলতলার পাশে ডালিম গাছের ডাল ঝুঁকে আসে। মাঠ তালপুকুরে বেড়াতে যাওয়ার সঙ্গী তার সিরাজ। জরুলে ফুফুর ঘর গিয়ে সে গাদাগুচ্ছের টারজান সিরিজের বই পড়ে এসেছে। সিরাজকে বলেছে। সে টারজান হবে। এক আমগাছ থেকে আরেক আমগাছে যাবে ডাল ধরে ঝুলে মাটিতে না নেমে।

    যাওয়ার আগে সে একবার যাবে ডালিমতলায়। তার আগে ঘরে আসবে দখিনপাড়ায় নজির চাচাদের বাড়ি যাওয়ার রাস্তায়। ওখানে মিনু বাবলুদের বাগানের জমির পাশে কী সুন্দর অপরাজিতা ফুল ফুটে থাকে। নীল সাদায় সাজান। চোখ ফেরান দায়। তার ছিঁড়তে ইচ্ছে করে। ছেঁড়ে না। ফুলেদের ব্যথা লাগে যে। আর ফুটে থাকলে আরো কত লোক দেখতে পাবে। দোকানদারির কাজে দখিনপাড়ার মানুষজনকেও তো এপথেই যেতে হবে দুগোদার দোকান। মোতিদাদু মারা গেছেন।‌ দুগোদা এখন দোকানি। ভাগ্নে কাজলকে নিয়ে দোকান চালাচ্ছে। অপরাজিতা ফুলের গাছ লাগানোর কথাও সে ভাবে।

    ভাবে। কিন্তু হয় না। চাইতে হবে যে! চাইতে চির লজ্জা। কী করে বলবে ডালিম গাছের বীজ দাও। যদি হ্যাংলা ভাবে। ভাবে ডালিম খেতে চায় বলে, বলতে পারছে না। কটা সুন্দর টিয়াপাখি আসে ডালিম গাছে। একটা কাশীর পেয়ারা গাছ আছে। লাল টুকটুকে। সেগুলো ঠুকরে খায় টিয়াপাখি। ডালিমে ঠোকর মারে।

    ডালিম গাছ আর অপরাজিতা ফুলের গাছের মাঝে আছে একটা বড় বট গাছ। সেটায় নাকি ভূত পেত্নি জিন একসঙ্গে বাস করে। দিনের বেলায় ভয় নাই। তখন নাকি ওঁরা ভাল হয়ে লুকিয়ে থাকে। রাত হলে কাউকে একা পেলে রক্ষে নাই। তবে কারোর কিছু হয়েছে, কেউ শোনে নি। তবে ভূত দেখেছে, মানে বেড়াল ভূত সে-কথা খুব চলে।

    ডালিম গাছ আর অপরাজিতা গাছে ৭০০ মিটার দূরত্ব। বট গাছের গায়ে একটা বড় নালা। গরমে শুকনো। শীতে অল্প জল। বর্ষায় টইটম্বুর। লাফ দিয়ে পেরোতে হয়। একটু দূর থেকে ছুটে না এলে ঝামেলি। চার ফুট চওড়া। নালাটি দিয়ে ডিভিসির ক্যানেলের জল যায় পুব দিক ও দখিন দিকের মাঠে। পলাশন পশ্চিমপাড়ার লোকও এই নালার জলের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। চাষের জন্য। নালাটি পার বাঁ আর ডান পাশে জমি।

    বাঁ পাশে চার বিঘে চার বিঘে আট বিঘে জমি । সুন্দর। এই জমি দেখলে তার বুক টনটন করে। মা বলে, ক্লাবের ফুটবল খেলার বুট কিনতে নাকি এই জমি বেচেছে বাপ। খুব রাগ হয়ে যায় তার। জমি কেউ বেচে? কেন বেচে জমি? সে কোনোদিন পয়সওয়ালা হলে এই জমি কিনে নেবে। ভাবে সে। জমির দুঃখ ভুলিয়ে দেয় অপরাজিতা ফুল। পাশে আছে নীল দোপাটি।
    কবিতা মনে পড়ে তার, দিদির বইয়ে পড়েছে, 'নীল দোপাটি চুটকি পায়ের সন্ধ্যামণির নাকছাবি'।
    সন্ধ্যামণি আর নোটনমণি এই দুই ফুল অনেক ঘরেই আছে। প্রায় সবার ঘরেই থাকত নোটনমণি। সকাল নটায় ফুটতো।
    নোটনমণিরা সারা বছর তো থাকে না!


    (ক্রমশঃ)
  • ধারাবাহিক | ১৯ মার্চ ২০২২ | ১০১১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • santosh banerjee | ১৯ মার্চ ২০২২ ১২:৩৫504994
  • কি অদ্ভুত ! না ? এক নিয়ম, এক আচার, বিচার, এক ভাষা, এক রঙ রুপ ধারণ করে আমরা চলেছি ‌‌‌‌এই বঙ্গে । হিন্দু মুসলমান এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে তাহলে পার্থক্য টা কোথায় ? আর যদি পার্থক্য নাই কিছু , তবে কি‌ সমস্যা ঐ উগ্রবাদী  অসভ্য  , অমাাানবিক লোকগুলোর ? বিভেদ  টা কোথায় ? কৃষ্ণ আর নবী, পরাণ আর রহিম ,,,,, কি পার্থক্য ? হিসেবে গন্ডগোল হয় !!
  • Emanul Haque | ১৯ মার্চ ২০২২ ১৮:৫৪505006
  • ঠিক বলেছেন
  • Mousumi Banerjee | ১৯ মার্চ ২০২২ ২০:৫৪505023
  • শবেবরাত আর দীপাবলি একই উৎসব জানতে পেরে আনন্দ পেলাম। ভালো লাগল লেখাটি খুব। 
  • প্রতিভা | 115.96.109.120 | ২০ মার্চ ২০২২ ১১:৫৯505073
  • শবে বরাত / সবে বরাত কোনটি ঠিক?  না দুটোই ? 
     
    এই লেখাটি খুবই আগ্রহোদ্দীপক হচ্ছে। প্রতিবেশীকে জানতে হলে অবশ্যপাঠ্য। সাহিত্যমূল্যও কম নয়। 
  • শক্তি | 2405:201:8005:9805:8c19:7732:d5bd:f5ed | ২০ মার্চ ২০২২ ২০:২৫505091
  • এতো মিল? অথচ জানতে পারিনা   আমরা নিজেরাই।জানাজানির দায়িত্ব দুপক্ষের সাধারণ মানুষকেই নিতে হবে এখন।সুন্দর সাবলীল ভাষা     ভালো লাগলো 
  • b | 117.194.208.45 | ২০ মার্চ ২০২২ ২১:৩৩505095
  • উইকি থেকে মনে হচ্ছে শব এ  বরাত শব্দটি শুরু হচ্ছে ফারসি অক্ষর শিন (ش)  দিয়ে। উচ্চারণ sh. 
    কোনো মুন্সী অবশ্য ভালো জানবেন .
  • Emanul Haque | ২০ মার্চ ২০২২ ২৩:০৭505100
  • শবে বরাত বা মধ্য-শা'বান (আরবি: نصف شعبان‎, প্রতিবর্ণী. নিসফে শাবান‎) বা লাইলাতুল বরাত হচ্ছে হিজরী শা'বান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী রাতে পালিত মুসলিমদের গুরুত্বপূর্ণ রাত।[১] উপমহাদেশে এই রাতকে শবে বরাত বলা হয়। ইসলামী বিশ্বাস মতে, এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষভাবে ক্ষমা করেন। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের অনেক মুসলমান নফল ইবাদাতের মাধ্যমে শবে বরাত পালন করেন। অনেক অঞ্চলে, এই রাতে তাঁদের মৃত পূর্বপুরুষদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।
    (উইকিপিডিয়া থেকে)
  • তৌহিদ হোসেন | 2402:3a80:1cd1:c90b:278:5634:1232:5476 | ২১ মার্চ ২০২২ ১৫:১৬505141
  • দোল, শবেবরাত। আরও ভালো লাগল খাওয়ার কথায়। টাউনের কথা আলাদা, গাঁয়ে খাওয়া ছাড়া উৎসব নেই। বলা হত, শুধু শুখা শুখা হলে হবে?পেটেরও মন আছে। অনুষ্ঠান মানেই খাওয়া, আর খাওয়ার গল্প। কোন বুঢ়া যৌবনে তিনসের গোস্ত খেত, কে একশো পিস রসগোল্লা --- এইসব। পাল্লা দিয়ে, বেট ধরে খেত কয়েকজন। পাশে দাঁড়িয়ে উৎসাহ দিত সবাই। 
     
    আর ডালিম। শৈশবে এক, যৌবনে আরেক। 
     
    অনবদ্য। বাহারি কলম। ❤
  • Emanul Haque | ২১ মার্চ ২০২২ ১৮:৪৭505147
  • খুব সুন্দর বললেন তৌহিদ
  • Emanul Haque | ২১ মার্চ ২০২২ ১৮:৪৭505146
  • খুব সুন্দর বললেন তৌহিদ
  • Tuhin Kumar Bhowmick DYCOMCHG MLG NFR | ২১ মার্চ ২০২২ ২৩:৩৬505155
  • বড়ই মরম দিয়ে লেখা।  সেই  কবে গৌরকিশোর ঘোষের প্রেম নেই পড়ে ছিলাম। তারপর মুসলিম সমাজকে নিয়ে এতো ভালো লেখা আর পড়িনি।
  • Emanul Haque | ২২ মার্চ ২০২২ ১৪:৫৯505182
  • অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
  • reeta bandyopadhyay | ০২ এপ্রিল ২০২২ ২২:১০505933
  • মাংসের মাঝপাতলা ঝোল /অবুঝ সবুজ ঘুম. ......এইসব আশ্চর্য সুন্দর শব্দ কোথায় খুঁজে পান ভাই আপনি? লিখতে থাকুন আমাদের জন্য. .. জাদু আছে আপনার লেখনীতে ।
  • Emanul Haque | ০২ এপ্রিল ২০২২ ২২:৫৪505936
  • @Reeta কৃতজ্ঞতা জানবেন
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন