ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা  শনিবারবেলা

  • কাদামাটির হাফলাইফ

    ইমানুল হক
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ৬৮৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৪ জন)
  • আরে, কাদা না থাকলে মানুষ তো বেঁচেই থাকতে পারতো না। শস্য সব্জি কিছুই কি তেমন মিলত? ফুল ফল অনেক কিছুই? কাদা আর বালির মিশেলেই তো জীবনের যত মার প্যাঁচ।

    পশ্চিমবঙ্গের রাঢ় অঞ্চলের গ্রামজীবনের স্মৃতিচিত্রণ।


    পর্ব ৫৬

    হিজাব সমাচার
    'হিজাব' শব্দটি প্রথম শুনি ১৯৯১-এ। বাংলাদেশে। সে-দেশের এক নেত্রী এক জনসভায় হিজাব পরেছেন, সে-নিয়ে খবর। হিজাব বলতে দেখি, মাথায় একটা কালো কাপড় বাঁধা। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে দেখেছি কিছু হিজাব পরা মুখ। এটা অনেকটা বোরখার ধরন। মুখ কেবল খোলা। একটি মেয়েকে হিজাব পরে অনবরত নেচে যেতে দেখে অবাক হই।
    - হিজাব মানেই তো জানি, ধর্মীয় অন্ধতা।
    - মেয়েটি বলে, তা কেন? আমার যতটুকু অংশ বেশি সুন্দর সে-টুকু দেখাচ্ছি।
    - এতে কি বেশি সুন্দর লাগে?
    - আমার তো লাগে।
    যাই বলুক, একটা মেয়ে কেন হিজাব পরে আমি বুঝতে পারি না। কোরানে হিজাব বোরখা আছে বলে জানা নেই এবং আমি আমাদের গ্রামে কোনোদিন কাউকে হিজাব পরতে দেখিনি। ইদানীং কালে মরা বাড়িতে গায়ে চাদর জড়াতে দেখছি।
    বোরখা একজন পরতেন। আমার বড়মাসি। স্বামী পীর। তবে নানার ভয়ে গ্রামে পরতেন না। ব্যাগে পুরে রাখতেন। বর্ধমান স্টেশনে গিয়ে ট্রেন ধরার আগে পরে নিতেন। আমার মায়েরাও খেপাতেন। ওই পীর সাহেবের তিন স্ত্রী। কেউ কিন্তু বাড়িতে বোরখা পরতেন না।

    মুসলিম হিন্দু আদিবাসী কোন সম্প্রদায়ের মহিলাকেই গ্রামে ব্লাউজ পরতে দেখিনি। বাইরে বা নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গেলে আলাদা ব্যাপার। ব্রা বা অন্তর্বাস ১৯৭০-এর পর বিয়েতে দেওয়া শুরু হয়। লোকে বলতো, বডিস। ব্রা নাম ছিল না। বডিস বিয়ের পর ক’দিন ব্যবহার হতো তারপর রান্নার হাঁড়ি মোছার ন্যাকরা।

    পুরুষরা নিরানব্বই শতাংশ খালি গায়ে থাকতেন। গ্রামের মধ্যে। বাইরে গেলে হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে ধুতি পাঞ্জাবি বা চাইনিজ শার্ট। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ধরনের। ঘরে হিন্দু, মুসলমান, বামুন, কায়েত সবাই লুঙ্গি। ব্যতিক্রম ছিলেন দু-একজন। ধুতি সূতি কম মার্সলাইট বেশি। কারণ টিকবে বেশিদিন।
    মেয়েরা পাঁচ-ছয় বছর পর্যন্ত ছেলেদের মতই খালি গা। আট-দশে টেপ জামা। তেরো-চোদ্দ পর্যন্ত ফ্রক। সালোয়ার কামিজ আমাদের গ্রামে ১৯৮২ র আগে দেখা যায়নি। পনেরো হলেই ঘরেও শাড়ি। বাইরেও। ১৯৭৭ -র পর থেকেই পনেরো-ষোল বছরের মেয়ে ব্লাউজ পরতে লাগল। আগে চোদ্দ-পনেরো তে বিয়ে হয়ে যেত। আমার বড়দি মেজদির বিয়ে ১৯৭৪-র আগে, চোদ্দ-পনেরো বছর বয়সে। এর বেশি বয়স হলেই কথা উঠত। কুড়িতেই বুড়ি- কথা খুব চালু ছিল। আমার সেজদির বিয়ে হল বাইশ বছর বয়সে। ছোটো বোন এম.এ. পাস করে পঁচিশ বছর বয়সে। ভাইঝিরা এখন আঠাশ-ঊনত্রিশ-এ বিয়ে করছে এম.এসসি. পাস করে। ভাগ্নি আঠাশ ঊর্ধ্বে প্রকৌশলী হয়ে।

    গ্রামে বাল্যবিবাহ কমেছে। সব মেয়েই সাইকেল চালাতে জানে। ১৯৯০ থেকে গ্রামে ম্যাক্সি ঢুকল। যার পোশাকি নাম নাইটি। হিন্দু মুসলমান সব মহিলাই বাইরে বের হলে ঘোমটা দিতেন। তবে পঞ্চাশ পেরলে নয়।

    মুসলমান মেয়েরা কেবল আজানের সময় মাথায় কাপড় টানতেন। বাকি সময় মাথা খোলা। বেগানা পুরুষ ঘরে এলে স্বতন্ত্র কথা। জামাই-ভাশুর-শ্বশুর এলে ঘোমটা ছিল। তবে বেশিদিন নয়। আমার মাকে তো ঘোমটা ছাড়াই জামাইদের সঙ্গে কথা বলতে দেখেছি পরে। তবে ইদানীং হিজাব বা বোরখা নয়, মরা বাড়িতে গায়ে চাদর জড়িয়ে আসা বাড়ছে। এটা এখন স্ট্যাটাসের চিহ্ন। আর্থিক কৌলীন্যের। কেউ না পরলে অন্যরা তাকাচ্ছে। এ জিনিস সত্তর আশি নব্বই এমনকি ২০১৫ তেও দেখিনি।

    পর্ব ৫৭

    গ্রামে মাত্রা হতো খুব। ব্রজেন্দ্রনাথ দে-র 'বাঙালি' পালা একাধিক বার হয়েছে ।
    'বাঙালি' যাত্রাপালায় একটি সংলাপ:

    খোদা নেই, ভগবান নেই, আছে শুধু খোদাবান। হিন্দু ধর্ম ঝুটা, ইসলাম ধর্ম বাজে; সার শুধু হিন্দুমান।


    আজ এইসব কথা বললে সমস্যা হতে পারে, কিন্তু সত্তর দশকে এইসব সংলাপ মঞ্চ কাঁপাত। যে গ্রামকে আমরা নিন্দা করি, মনে করি ডিগ্রিধারী মানেই উচ্চ শিক্ষিত তাদের চিন্তা চেতনায় গলদ আছে। নতুন করে ভাবা দরকার, পাড়ার ক্লাব ফুটবল কেন গেল, যাত্রা কোথায় গেল? কোন কারণে? আমরা তো আলোকিত। ৩৪ বছর গর্বের শাসন। কেন হারাল ব্রজেন্দ্রনাথ দে-র 'বাঙালি' যাত্রাপালা। সত্যপীররা আর এই সব কথা বলতে পারে না কেন? কোথায় গেল 'রক্তে রোয়া ধান' এর মিস্টার চাবুকের কড়া চাবুক।
    'বাঙালি' যাত্রাপালায় সত্যপীর বলে,

    হিন্দু ধর্ম বল, ইসলাম ধর্ম বল, সব বাজে। আমি বাঙালি জাতটাকে হিন্দুলাম ধর্মে দীক্ষা দেব। হিন্দু কেউ থাকবে না, মুসলমান কেউ থাকবে না-- সব হিন্দুমান হয়ে যাবে।
    মন্দিরে ঢুকে নামাজ পড়ে সত্যপীর।
    নামাজ নয় পূমাজ।
    সত্যপীর বলে,
    ভগবানও নয়, খোদাও নয়,
    ডাকতে হবে একজনকে- তার নাম খোদাবান। আমি মন্দির আর মসজিদ ভেঙে ফেলে মনজিদ তৈরি করব; তার ভেতর পুজোও হবে না, নমাজও হবে না, হবে শুধু পূমাজ। নইলে বাঙালির উদ্ধারের আর আশা নেই।
    সত্যপীরের দাড়িও আছে, টিকিও আছে
    লুঙ্গিও পরেছে, আবার নামাবলীও গায়ে দিয়েছ।
    ছবি নামে এক চরিত্র তাঁকে প্রশ্ন করে, কে তুমি?
    সত্যপীর। বিরক্ত কোরো না, আমি এখন পূমাজ পড়ব। খোদাবানের পূমাজ। হিন্দুর ধ্বংস হক, মুসলমানেরা উচ্ছন্নে যাক, হিন্দুমানের ধনেপুত্রে লক্ষ্মীলাভ হক।

    তারপরই তাঁর ঘোষণা:
    যারা মানুষকে ঘৃণা করে, তাদের দফা-রফা কর!
    এই কথায় হাততালিতে ফেটে পড়ত।
    শিবমন্দিরের সামনে বারোয়ারির আসরে ওলাই চণ্ডী পূজায় অন্তত তিনবার হয়েছে এই পালা।
    আমি দেখেছি দু’বার।
    যাত্রায় কাঁসরের বাজনার পর শুরু হতো হরি দিন তো গেল সন্ধ্যা হল, তার সঙ্গে মিশে যেত আজান।

    আমার বাবা নেপথ্যে এইটা করতেন একসঙ্গে দুটো। গায়ে কাঁটা দিচ্ছে আমার লিখতে গিয়ে।
    হিন্দু, মুসলমান, বামুন, কায়েত, মুচি, চামার, আদিবাসী, নারী-পুরুষ সবাই রাত জেগে শুনত এই পালা। আমাদের ইউরোপ-মান্যতা, আমাদের শহর-মুখিনতা, আমাদের ছদ্ম অপদার্থ এলিটিজম এই যাত্রার আসরগুলো ধ্বংস করেছে।

    শহরের নকল করে থিয়েটার নয় নাটক করতে গেছি, তাতে সর্বনাশ হয়েছে।
    ক্লাবের বদলে পার্টিকে বড় করেছি। ক্লাব খারাপ হবে কেন? প্রত্যেক বাঙালির স্বপ্ন থাকত ক্লাব করব বড় হয়ে। ক্লাব মানে ফুটবল, ক্লাব মানে যাত্রা-থিয়েটার, ক্লাব মানে চাঁদা তুলে মেয়ের বিয়ে, ক্লাব মানে বাবা-মাকে খেতে দিচ্ছে না, বউ পেটাচ্ছে- ধাতানি দেওয়া। ক্লাব মানে মদের ভাটি ভাঙা, ক্লাব মানে জুয়োর আসর বন্ধ। ক্লাব মানে শীতের রাতে ধান পাহারা দিয়ে ধান সংগ্রহ করে গ্রামের উন্নয়ন খেলার উন্নতি। ক্লাব মানে বাঁশের সাঁকো, ক্লাব মানে চৌপায়া করে হঠাৎ প্রসব বেদনায় নীল হয়ে যাওয়া পোয়াতি বউ বা অসুস্থ মানুষকে নিয়ে কাদাজল পেরিয়ে ছুটতে ছুটতে ছ-মাইল দৌড়ে ডাক্তারখানা বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়া।

    আগে যাত্রার প্রতিযোগিতা হতো। পাষণ্ডয় কুকুরয়, রয়নায়। গ্রামে গ্রামে অ্যামেচারদের মধ্যে সাজো সাজো রব।
    ১৯৮০ র পর এলো ব্লক বা জেলায় একাঙ্ক নাট্য প্রতিযোগিতা। এলিট ব্যাপার। যাত্রা অচ্ছুৎ হয়ে গেল।

    এ-নিয়ে কথা হচ্ছিল সম্রাটের সঙ্গে। সম্রাট মুখোপাধ্যায় বললেন,
    উৎপল দত্ত বহু বছর আগে লিখেছিলেন,"গণনাট্যের মত একটা গণযাত্রা হওয়া দরকার ছিল।"
    ভারতীয় গণনাট্য সংঘেরই এ দায় পালন করা উচিত ছিল। যেখানে সে মনোযোগী হল না। বা ব্যর্থ হল সর্বশক্তি নিয়োগ না করায়।
    অথচ করলে বাঙালি পিকিং অপেরার সমতুল শক্তিশালী একটি গণ-শিল্পমাধ্যম পেত। অনেকবছর আগে বুঝতে পেরেছিলেন, যখন তিনি গণনাট্যে, নাটক করা উচিত ভারতীয় পুরাণ-মহাকাব্যকে লোকায়ত পথে ব্যবহার করে। তার টেক্সটে মানবিক, বিজ্ঞানসম্মত সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখ্যাকে সংযুক্ত করে।

    তা এইসব কাহিনীর আধিদৈবিক সামন্ততান্ত্রিক ব্যাখ্যাকে একদিকে দূর করবে (উদাহরণ তাঁর লেখা ‘কিরাত পর্ব’)।

    অন্যদিকে এ দেশের মানুষের চেতনার শিকড়ে আছে রামায়ণ-মহাভারত। তার কাহিনীর বীরত্বব্যঞ্জক দিককে ব্যবহার করে গড়ে তোলা যাবে বিপ্লবী নাটক (উদাহরণ তাঁর সম্পাদনায় গিরিশচন্দ্রের 'পাণ্ডবের অজ্ঞাতবাস', যাতে তিনি কমিউনিস্ট কর্মীদের আন্ডারগ্রাউন্ড কালীন লড়াইয়ের ছায়া এনেছিলেন)।

    উৎপল দেখেছিলেন, শিখেছিলেন, লিখেছিলেন, এসব কাজ দীর্ঘদিন ধরে যাত্রা করে চলেছে।
    কিন্তু বাঙালির রাজনীতির, বাঙালির বামপন্থী সংস্কৃতির ভেতর এ এক অসম্পূর্ণতার ছেদ যে এই বোধ তিনি তৎকালীন গণনাট্য নেতৃত্বের মধ্যে সংবাহিত করতে পারেননি। তাঁদের কানে জল ঢোকেনি। উল্টে এসব কথা বলার জন্য উৎপলের মত আগুনে পুরুষকেও 'ট্রটস্কাইট' বলে চিহ্নিত হতে হয়েছিল। কোণঠাসা হতে হয়েছিল। গণনাট্য ছেড়ে শেষমেশ বেরিয়ে আসতে হয়েছিল।

    অথচ, যদি সেদিন ঐ পথ নেওয়া হত, রামায়ণ-মহাভারত কি আজ মৌলবাদীদের পৈত্রিক সম্পত্তি হয়? ভুলটা কাদের?


    (ক্রমশঃ)
  • ধারাবাহিক | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ৬৮৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Gopa Mukhopadhyay | 2409:4060:e8b:97e8:b577:2e01:3d55:83b9 | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১৬:৫০504279
  • দারুন দারুণ  দারুন 
  • touhid hossain | ০৩ এপ্রিল ২০২২ ১৩:০০505970
  • কী স্মৃতি আপনার! হিজাব ও পোষাক অতুলনীয়। 
     
    যাত্রা নিয়ে লেখাটাও আপনাকে চেনায়। (তবে শুরুতে যাত্রা 'মাত্রা' হয়ে গেছে। ❤
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন