এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • জে এন ইউ নিয়ে এখানে ওখানে যা লিখেছিলাম

    Sakyajit Bhattacharya লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ | ১৩১৬২ বার পঠিত
  • এই জে এন ইউ কাণ্ডের সময় ফেসবুকে এখানে ওখানে কিছু লেখা লিখেছিলাম। পাইদি বলল সব একজায়গায় করে তুলে রাখতে। তো রইল।
    **********************************************

    সত্যজিৎ রায় মারা যাবার পর পশ্চিমবংগ সরকার থেকে ওনার ওপর একটা বিশেষ সংখ্যা করা হয়েছিল। সেখানে একটা লেখায় উৎপল দত্ত একটা ইন্টারেস্টিং গল্প শুনিয়েছিলেন। যখন হীরক রাজার দেশে শুটিং হচ্ছে, উৎপল দত্ত-র প্রথম দিনের শুটিং-এ কয়েকটা ডায়ালগ থ্রো করার পর মাণিকবাবু ওনার কানে কানে বললেন “উচ্চারণে একটু গ্রাম্যতা আর অশিক্ষার ছাপ আনো। ‘করেছিল’ না বলে বলো ‘কইরেছিল’”।
    উৎপল জিজ্ঞাসু চোখে তাঁর দিকে তাকাতে দীর্ঘদেহী মানুষটি একটু ঝুঁকে পড়ে বললেন “আসলে এই জোতদার ধরণের লোক বেশ ক্রুড আর অশিক্ষিত হয়। নাহলে অন্য লোকেদের অপ্রেস করবার চিন্তা এদের মাথায় আসত না। তাই এই ধরণের লোককে ডিমীন করে দাও। যাতে ভয় পাবার বদলে লোকে তোমায় দেখে হাসাহাসি করে”।
    উৎপল তারপর লিখছেন “আমি স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম। মনে পড়ছিল চেয়ারম্যান মাও-এর কাগুজে বাঘের তত্ব। শত্রুকে সবসময় হাস্যকর করে খড়ের সৈনিকের স্ট্যান্ডার্ডে নামিয়ে আনতে হবে। এই তত্বের এরকম প্রয়োগ যে হতে পারে আমি ভাবতে পারিনি এর আগে”।
    এই মুহূর্তে ভারতে যে ব্যাটল অফ আইডিয়াজ চলছে সেখানে কাগুজে বাঘেদের লাফালাফি দেখে হীরক রাজের কথাই মনে পড়ছিল। এই ব্যাটলের একদিকে মেধাবী ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবিরা। অন্যদিকে রাইটিস্টরা যাদের উপন্যাস পড়ার দৌড় চেতন ভগত এবং বিজ্ঞানচর্চার দৌড় গণেশের শুঁড়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কারীকুরী আবিষ্কারেই জিভ বার করে হ্যা হ্যা হাঁপাতে থাকে। একদিকে চমস্কি, পামুক, প্রভাত পটনায়েকরা, অন্যদিকে সাদ্ধ্বী ঋতাম্ভরা, বাবা রামদেব এবং যোগী আদিত্যনাথেরা। এরকম অ্যাবসার্ড ব্যাটল অফ আইডিয়াজ যখন স্ট্রিট ফাইটিং-এর পর্যায়ে নেমে আসে এবং উজ্জ্বল ছেলেমেয়েরা ব্যারিকেড রক্ষার্থে ছুটে যায়, সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে কাগুজে বাঘেদের রিঅ্যাকশন দেখার মত হয়। ‘আমার ট্যাক্সের টাকায় কেন ইউনিভার্সিটিতে দেশদ্রোহী স্লোগান দেওয়া হবে’, ‘জেএনইউ তে পর্ন ফিল্ম তোলা হয়’, ‘কোনো আইআইটি ছাত্র কেন আর্মীতে যোগদান করে না’, ‘ইউনিভার্সিটির ছেলেরা মহিষাসুরের পুজো করে তাই তাদের বিরুদ্ধে সিডিশন অ্যাক্ট আনা উচিত’ এরকম অসংখ্য পেটফাটা কমেডির ডায়লগ বেরিয়ে আসতে থাকে। অশিক্ষিত, ক্রুড এবং অসংস্কৃত রাইটিস্টদের হাতে দেশের সরকার থাকলে ভয়ের পাশাপাশি এরকম হাসির জিনিসপত্র-ও আসার সম্ভাবনা আছে আজ বুঝছি। দেশপ্রেমকে ইন্সটিটিউশনালাইজ করতে গেলে যে মিনিমাম শিক্ষা এবং রুচি লাগে সেটা এদের নেই। তাই দেশজোড়া ইন্টেলিজেনশিয়ার ডিসকোর্সে এদের অবস্থান গ্রাম্য ভাঁড় হয়েই থেকে গেল।
    আজকের এই ২০১৬ সালে দেশজুড়ে যে হীরক রাজার সিনেমা অভিনীত হচ্ছে, সেখানে উৎপল দত্তদের তাই আর আলাদা করে নিজ-অভিনীত চরিত্রকে ভাঁড় সাজাতে হয় না। হীরক রাজ বাস্তব জীবনে যা যা বলছেন হুবহু সেইগুলো রিপীট করে গেলেই দর্শকদের পেটে খিল ধরে যায়।

    *********************************************************************************************

    ১৯৬৮ সালে প্যারিসে ছাত্র-বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করে জাঁ পল সাঁর্ত্র অ্যারেস্ট হয়েছিলেন। সেই বিক্ষোভের একটা বড় স্লোগান ছিল 'রাষ্ট্র ধ্বংস হোক, ক্ষমতা ধ্বংস হোক'। ক্ষমতায় তখন সার্ল দ্যু গলের দক্ষিণপন্থী সরকার। সাঁর্ত্র সেই সরকার এবং রাষ্ট্রকে ছুঁড়ে ফেলার ডাক দিয়ে রাস্তায় নেমেছিলেন। পার্লামেন্টে তুমুল ক্ষোভ-বিক্ষোভ হহয় সাঁর্ত্র-র এই রাষ্ট্রবিরোধী অবস্থানের জন্য এবং দাবী ওঠে তাঁকে জেলে পোরার। তার উত্তরে দ্যু গল সাঁর্ত্রকে সসম্মানে মুক্তি দিয়ে এই উক্তি করেন "রাষ্ট্র কখনো তার ভলতেয়ারকে জেলে পোরে না"।
    আমাদের দেশের দক্ষিণপন্থীদের সমস্যা হোল সকলেই বামন। তাদের মধ্যে দ্যু গল উচ্চতার কোনো দানব নেই। এত মিডিওকার, এত নিম্নমেধার মানুষজন থাকলে যা হয়, রাইটিস্টদের কোনও হেজিমনি তৈরী হয়নি। তাই আমাদের দক্ষিণপন্থী শিল্পীদের দৌড় শংকর বা সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়তেই শেষ হয়ে যায়। বামপন্থী উৎপল দত্ত বা সলীল চৌধুরীর দানবিক ক্ষমতার পাশে তাঁদের জাস্ট ধুলোবালির মতন উড়িয়ে দেওয়া যায়। বাংলার বাইরেও এটা সত্যি। আর এর-ই প্রতিফলন দেখা যায় রাষ্ট্র শাসনেও। মেধাবী ছেলেপুলের দল দেশ জুড়ে ভারত রাষ্ট্রের পতন চাইছে তার উত্তরে দক্ষিণপন্থীরা কোনো ম্যাচিওরড পলেমিক নামাতে পারে না, উলটে 'এদের মেরে ফেলো, জেলে পোরো" অথবা মেয়ে হলে "এ বেশ্যা, এ খানকি মাগি" এসবের বাইরে আর কোনো স্ট্যান্ড-ই নামাতে পারে না। বাঁদরের মস্তিষ্কে পাঁচ টেরাবাইটের হার্ড ডিস্ক পুরলে তা আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক হয়ে যায় না এটা এবার দক্ষিণীদের বোঝার সময় এসেছে।
    রাষ্ট্র যেদিন থেকে তার ভলতেয়ারদের জেলে পুরবে সেদিন আর আলাদা করে স্লোগান দেবার দরকার পড়বে না, এমনিতেই পতন ঘটবে।

    ***************************************************************************************************

    অশোক মিত্র-র ক্যালকাটা ডায়রিজে পড়েছি, এবং সম্ভবত তাল বেতালেও লিখেছিলেন, যে সত্তর দশকে ইমার্জেন্সির সময় যখন সমস্ত সরকার ও রাষ্ট্রের সমালোচনা করা কাগজ ও ম্যাগাজিনগুলি নিয়ন্ত্রিত হচ্ছিল, এবং সুব্রত মুখার্জী সদম্ভে রাইটার্সে বসে বলছিলেন ‘সব সেন্সাস করে দিলাম’ (দুর্ভাগ্যজনকভাবে যুব কংগ্রেস জানত না যে কথাটা ‘সেন্সর’), সেইসময়েও বহুদিন সমর সেনের ‘ফ্রন্টিয়ার’ ম্যাগাজিনের গায়ে হাত পড়েনি। যদিও ‘ফ্রন্টিয়ার’ নিয়মিত আগুন ঝরানো সরকারবিরোধী লেখা লিখে যাচ্ছিল। তার কারণ সমর সেনের ওই অভিজাত সুললিত ইংরেজি বোঝার ক্ষমতা সুব্রতবাবুর ছিল না। না বুঝলে আর কেমনভাবে সেন্সাস করবে !
    আজ যখন সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট বলছে যে নেগেটিভ নিউজ পোর্টাল বা ব্লগগুলোকে ট্র্যাক করবে, বারবার মনে হচ্ছে, কোনটা নেগেটিভ কোনটা পজিটিভ সেটা বোঝার মত ক্ষমতা এই দেশের রাইটিস্টদের আছে?যারা ফেকিংনিউজের লিংককে নিজেদের সপক্ষে সত্যি খবর বলে চালায় আর অ্যানার্কিস্টদের পতাকা দেখে বলে ‘আমায় কালো পতাকা দেখানো হয়েছে’ তাদের সত্যি কি শিশুর মস্তিষ্ক থেকে বিকাশ ঘটেছে?
    এবং অবধারিতভাবে সমস্ত জায়গাতেই দক্ষিণপন্থীরা এরকম-ই অশিক্ষিত ভাঁড়। প্রত্যক্ষদর্শীর মুখে শোনা- কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের শেষ বয়েসে, যখন মমতা বন্দোপাধ্যায় তাঁর ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন, সেই সময়ে একদিন সুভাষের বাড়িতে গিয়ে দেখেন তাঁকে ঘিরে মমতা, মদন এরকম আরো কেউ কেউ বসে আছেন। সুভাষের তখন খুব আর্থিক টানাটানি চলছিল। কথা হচ্ছে কেমনভাবে সুভাষদাকে হেল্প করা যায়। দুম করে মমতা বলে বসলেন “আচ্ছা সুভাষদা কয়েকটা উপন্যাস লিখেছেন না? যে কোনো একটা নিয়ে বাংলা সিরিয়াল বানালেই তো পার এপিসোড অনেক টাকা উঠে আসবে !”
    তো, এদের হাতে যদি সংস্কৃতির ভার যায়, বা ব্লগ কাগজ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণের দায়ীত্ব পড়ে, তাহলে কি হবে সেটা বলাই বাহুল্য। সম্প্রতি কাশ্মীরের এক বিজেপি কর্মী শুনলাম ‘আ কান্ট্রি উইদাউট পোস্ট অফিস’ কবিতাটির বিরুদ্ধে ভুয়ো খবর ছড়ানোর মামলা করেছে, কাশ্মীরে কোন জেলায় কতগুলো পোস্ট অফিস আছে সেই হিসেব দেখিয়ে। অন্তত শিক্ষা-সংস্কৃতির আংগীনায় দক্ষিণপন্থীরা সার্কাসের ক্লাউনের ভূমিকা দক্ষভাবে পালন করে চলেছে বলতেই হবে।

    ***************************************************************************************************
    আজ ভাষা দিবসে কয়েকজন দেশদ্রোহীর গল্প শুনুন।
    তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তিযুদ্ধ যখন তুংগে, সেইসময় একটি ছোট্ট গ্রামে খবর আসল খানসেনারা হানা দিয়েছে। তারা গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছে। যাকে পাচ্ছে তাকেই গুলি করে মারছে। শিশু বৃদ্ধ জোয়ান কাউকেই ছাড়ছে না। গ্রামের সব লোক ভয়ে পালাতে লাগলো। গ্রামে একটি গীর্জা ছিল। গীর্জার ফাদার-ও পালিয়ে গেলেন। রয়ে গেল শুধু এক বৃদ্ধ মানুষ ডেসমণ্ড যে গীর্জার দেখাশোনা করত। কিছুদিন পর কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা যখন এসে আশ্রয় চাইল তার গীর্জায়, ডেসমণ্ড সেখানে ওদেরকে থাকতে দিল। সেই মুক্তিযোদ্ধারা উজ্জ্বল তরুণ। হাসি গান গল্পে তারা ভরে তুলল নিঃসংগ গীর্জা। ডেসমন্ড ওদের খাওয়াল, যত্ন নিল। আর ওরা এখান থেকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে লাগলো।
    এরপর একদিন এক যুদ্ধ শেষে ফেরার পথে সেই তিনজন মুক্তিযোদ্ধা পাক-বাহিনীর হাতে ধরা পড়ল। গির্জার কেয়ারটেকার ডেসমন্ডকে সামনে পেয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচয় জানতে চাইল পাক-বাহিনী। তারা বলল, ‘দেশদ্রোহীর শাস্তি দেওয়া আমাদের পবিত্র কর্তব্য’। কিন্তু ডেসমন্ড নিজের প্রাণ বাঁচাতে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচিতি অস্বীকার করল। পালিয়ে গেল গির্জার ভেতরে। পাক আর্মি গির্জার সামনে রাখা যীশুর ক্রুশবিদ্ধ মূর্তি দেখে অনুরূপভাবে ক্রুশবিদ্ধ করে এই তিন মুক্তিযোদ্ধাদের মাঠের মধ্যে টানিয়ে দিল। মৃত্যুর সময়ে যীশু বিড়বিড় করে বলে উঠেছিলেন “ঈশ্বর, আমার ঈশ্বর!” আর্মি চলে যাবার পর ডেসমণ্ড হামাগুড়ি দিয়ে চলে এসেছিল সেই মৃতপ্রায়, অত্যাচারে ছিন্নভিন্ন দেশদ্রোহীদের কাছে। তাদের ঠোঁটের কাছে কান নিয়ে গিয়ে শুনেছিল তারা বিড়বিড় করছে, “স্বাধীনতা, আমার স্বাধীনতা!” হাহাকার আর্তনাদে ভেংগে পড়েছিল ডেসমণ্ড।
    এরপর কয়েক রাত সে গীর্জা থেকে বেরয়নি। গুমরে গুমরে মরেছিল আর হাউ হাউ কান্নায় মাথা ঠুকেছিল পাথরের গায়ে। তারপর আবার এক ঝড়জলের রাত্রে তার গীর্জার দরজায় টোকা পড়েছিল। দরজা খুলে দেখেছিল, তিনজন উজ্জ্বল তরুণ। নতুন মুক্তিযোদ্ধা। তাদের সারা গায়ে বর্ষার জল, আর মুখে হাসি। তারা বলেছিল “আমরা এসেছি”।
    এটা কোনো সত্যিকারের ঘটনা নয়, যদিও বাস্তবে এরকম হাজার হাজার ঘটেছিল। উপন্যাসটির নাম “একাত্তরের যীশু”। লেখক শাহরীয়ার কবীর। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে লেখা এই উপন্যাসের শেষে গিয়ে দেশদ্রোহীরা বিশ্বের প্রথম মানবতাবাদী মানুষটির সংগে এক আসনে বসে গিয়েছিল।
    একটা ব্যাপারে নিশ্চিত থাকুন। আজ থেকে বহু বছর বাদে আপনার সন্তান-সন্ততিরা আপনাকে জিজ্ঞাসা করবেই, যে, যখন সরকার, পুলিশ, কোর্ট, এবং মিডিয়া মিলে উমর খালেদ, কানহাইয়া কুমার, সোনি সোরী সহ সমস্ত দেশদ্রোহীদের ক্রুশে চড়াচ্ছিল, আপনি তখন কোন পক্ষ নিয়েছিলেন।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ | ১৩১৬২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:৫৩58012
  • আরেকটা ব্যাপার দেখেছি, এটা অবশ্য একেবারেই আমার পার্সোনাল অভিজ্ঞতা। রিডিকিউল করার একটা অপ্টিমাম লেভেল আছে। যদি না রাগিয়ে রিডিকিউল করতে পারেন, তাহলে একটা সময়ে কিন্তু যুক্তি সহকারে বোঝাতেও শুরু করতে পারবেন। তবে অপোনেন্টকে আন্ডারএস্টিমেট করলে এটা পারবেন না।
  • রৌহিন | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:৫৪58013
  • পাই সবসময়েই ডায়ালগের রাস্তার খোঁজে থাকো এটা অবশ্যই প্রশংসনীয়। কিন্তু বজরঙ্গী (কাই পো চে দেখিনি - বইটাও পড়িনি) র দৃষ্টিভঙ্গী শেষ অবধি খুব একটা ডায়লগ সহায়ক বলে মনে হয় না। এটাও একটা শ্রেণী যারা মনে করে পাকিস্তান ঠিক আছে - আমরা বেটার, দড় দাদা, সেটুকু মেনে নিতে অসুবিধা থাকা উচিৎ নয়। না মানলেই "আমি আছি গিন্নী আছেন" ---
  • S | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:৫৭58014
  • আপনি বুঝলেন না। খুব চালাকি করে সাব কন্সাসলি ইন্ডিয়ানদের সুপিরিওরিটি আপনার মাথায় ধোকানো হোলো। ভাবুন আপনিও ব্যাপারটাকে হাল্কা করে নিলেন। কাধে করে বাচ্চা অন্য দেশে দিয়ে আশা হোলো। অন্য দেশ থেকেও তো কেউ এদেশে এসে বাচ্চা দিয়ে যেতে পারতো। এই।নিয়ে আর আলোচোনা নয়। এই সিনেমা আমি দেখতে পরছি না।
  • pi | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:১২58015
  • নিজেদের পাকিস্তানীদের বড়্দা দেখানো, এটা কোথায় দেখিয়েছিল রৌহিন ?

    পাকিস্তানি লোকজনও আমাদেরই মতন, বা আল্টিমেটলি রিয়েলাইজ করা, নমাজ পড়লে কি 'অখাদ্য-কুখাদ্য' খেলেই বা সেই সেই দেশের নাগরিক হলেই তারা ভিন গ্রহের ভয়ানক জীব কিম্বা শত্তুর হয়ে যায় না ( যেটা ইনিশিয়ালি বজরঙ্গী এট আল এর পারসেপশান ছিল), এই রিয়েলাইজেশনটুকু আসা .. এটা বেশি কিছু না হলেও, কম কিছুও নয়। বিশেষতঃ বিজেপি আর এস এস যখন উল্টোটা বোঝানোর জন্যই প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছে।
    সারা দেশের জনতা আফজল গুরু বা কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে একমত হবে, অন্য প্রোপাগাণ্ডা না থাকলেও, সেটা ভাবা খুবই ইম্প্র্যাক্টিকাল। কিন্তু বেসিক্যালি বিদ্বেষটুকু দিয়ে এটুকু মন খোলা থাকলে তাদের সাথে ডায়লগে যাওয়া যায়। আর সেই মন খোলার কাজ যে যেভাবে করতে পারুক, আমার মতে দরকার।
    আমাদের মত অনেক লোকজনের জন্য, এই ফোরামের সরব মেজরিটি জনতার জন্যই হয়তো দরকার নেই, আমাদের ভাবনায় এটা কিছুই হয়তো অ্যাড করেনা ( হ্যাঁ, এই কন্টেক্স্ট না হলে সিনেমাটা নিয়ে চল্লিশটা খুঁত আমিই ধরতে বসতাম) কিন্তু ইন জেনেরাল, মাসের কাছে এর কোন একটা পজিটিভ এফেক্ট আছে। এটাই বলতে চাইছিলাম। আর সেজন্যি বুঝতে চাইছ্লাম, প্রচণ্ড রকম দেশভক্ত, যাঁরা পাকিস্তান শুনলেই চিরবিরিয়ে ওঠেন, এবং যাঁরা জেনেরালি চেতন ও সলমন্ভক্তও হয়ে থাকেন ( যেটা এস এর অবজার্ভেশন ছিল), তাঁরা এই মুভিগুলো নিয়ে কীরকম কি স্ট্যান্ড নেন। মনে রাখা ভাল, মোদিভক্তদের মধ্যে অনেকেই মোদির পাকিস্তানযাত্রা কি পিডিপি র সাথে হাত মেলানোকে একদমই ভাল চোখে দেখেননি। তো সেখান থেকে ফিল্টার করে অন্তত পাকিস্তান নিয়ে বিদ্বেষহীন, মুসলমানদের নিয়ে ঘৃণাহীন লোকজনকে বের ক'রে আনতে পারলে, তাঁদের সাথে ডায়লগে যেতে পারলে ভালোই তো হয়। অন্ততঃ পোলারাইজেশন একটু হয়তো কমে।
  • dc | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:১৯58016
  • তথাগত সতপথি কি সুন্দর বললেন! লোকসভা টিভিতে দেখছিলাম।
  • pi | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১১:২৩58017
  • সিন্ধিয়া, সুগত বোস, তথাগত সতপথী তিনজনেই ভাল বলেছেন।

    বিজেপি র পক্ষ থেকে অনুরাগ আর এখন এই মহারাষ্ট্রের কে বলছেন, দুজনেই পুরো ঝুল ( বক্তব্যে একমত নই, সে বাদ দিলেও)। শাক্যর পোস্টের কথা মনে পড়ছিল।

    কিন্তু শাক্য, সুগত বোসকে কি সে অর্থে লেফটিস্ট বলবি ? রাইটিস্টও বলা যায়না বোধহয়।
  • ranjan roy | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৩৯58018
  • আমি আবারও আপনাদের একটা কথা বলছি--- আপনারা বঙ্গে থাকেন আজন্ম। অর্থাৎ যেখানে বামচিন্তাধারাই মেইন্স্ট্রিম, চাড্ডিরা মার্জিনালাইজড।
    ফলে হিন্দি গোবলয়ে দাঁড়িয়ে ওমর অনির্বাণ কানহাইয়াদের লড়াই যে কত কঠিন তা আন্দাজ হয়্ত করবেন, কিন্তু ইন্টেন্সিটিটা বুঝতে পারবেন না।
    ওখানে চাড্ডিরাই মেইন্স্ট্রিম, ওখানে নাস্তিকরা মার্জিনালাইজড চিড়িয়াখানার আশ্চর্য জীব। ওখানে হিন্দু ধর্ম নিয়ে ইয়ার্কি করা যায় না, বীফ খেয়েছি বলায় কলেজে প্রায় লিঞ্চ হচ্ছিলাম আর কি! ওখানে পাকিস্তান জেতায় খুশি হলে শারীরিক নিগ্রহের সম্ভাবনা। খেয়াল করুন, ওমর অনির্বাণের অবস্থা প্রায় "রং দে বাসন্তী" ফিল্মের মত।
    সেখানে রণনীতি গত অবস্থান হার্ডকোর চাড্ডিদের আইসোলেট করাটাই হওয়া উচিত। তার জন্যে রণকৌশল হওয়া উচিত মাঝখানের লোকজনের সঙ্গে ডায়্লাগ ডেভেলপ করার অব্স্থা তৈরি করা।
  • ranjan roy | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৪২58019
  • আরে গরম খিচুড়ি কি মাঝখানে হাত ডুবিয়ে খাওয়া শুরু করবেন? নাকি ফ্রিঞ্জ এরিয়া থেকে একটু একটু করে খেয়ে সেন্টারের দিকে যাবেন?
    মাওয়ের গ্রাম দিয়ে শহর ঘেরার রেটোরিকটা একটু খেয়াল করুন কমরেড্স্‌!
    সেই প্রেক্ষিত থেকে পাইয়ের বক্তব্যটি দেখুন, প্লীজ!
  • pinaki | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০১:৪০58037
  • ধুর, ভালো নই আবার কি! এতবছর বিদেশে পড়াশুনো করলি। সাহিত্য হতে হবে এমন তো নয়, কিন্তু মেসেজগুলো তো যেত। অনেক অবাঙালি লোকজনের সাথে ডায়ালগে তো যাওয়া যেত।
  • ranjan roy | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০১:৪২58028
  • শাক্যের" লেজেন্ডারি ক্যালি"র উদ্দেশে টুপি খুললামঃ))।

    জোকস্‌ অ্যাপার্ট, লড়াইয়ের মাঠে মনে রাখা দরকার যে আমরা কোন বায়বীয় বিশুদ্ধ পরিবেশের মাঠে লড়ছি না। দু'পক্ষেই হার্ডকোর অনমনীয় লোকজন সমর্থক আছে। কিন্তু নির্ণায়ক হয় কারা অগণিত "মাঝের লোকজন"কে নিজেদের শিবিরের সমর্থনে আনতে পারছে সেটা। এইভাবেই পেন্ডুলাম দোলে, বাম থেকে ডান, আবার বাম--।
    তাই এইখানেই বলি--
    দময়ন্তী, ঈশান ও পাইএর প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে,
    --ঠিক কথা। আমার প্রস্তাবিত শ্লোগানগুলো রি-অ্যাক্টিভ, প্রো-অ্যাক্টিভ নয়। প্রো-অ্যাক্টিভ প্রোগ্রামে বেমানান।
    কিন্তু জে এন ইউয়ের সমর্থনে যদুপুরের প্রোগ্রাম তো রি-অ্যাক্টিভ! তাহলে?
    আলাদা করে প্রোঅ্যাক্টিভ প্রোগ্রাম করে কাশ্মীর ও মণিপুরের লড়াই নিয়ে সেমিনার ও মিছিল করতে কে মানা করছে র‌্যাডিক্যাল বন্ধুদের?
  • Ekak | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০১:৫০58038
  • টিপিকাল বাঙালিপনা করিস না। লেখার উদ্দেশ্য সাধন করতে যেটুকু ইংলিশ দরকার সেটা তুই জানিস। কেও কোথাও রাজনৈতিক লেখায় এস্থেটিক্স খোঁজার জন্যে বসে নেই। ইংলিশে লিখলে অনেক বেশি ফিডব্যাক পাবি। নিজেও বুঝবি ভিন্নমত কোথায় কী আছে। লেখ লেখ :)
  • কল্লোল | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০২:৪২58029
  • অমিতাভ। আপনার শাক্য সম্পর্কিত মন্তব্যটি বড়ই অপ্রয়োজনীয় ও একপেশে লাগলো।
    অপ্রয়োজনীয়, কারন এই বিতর্কে ব্যক্তি শাক্যের কলেজবেলার ভূমিকা ঠিক কি কাজে দেবে বুঝলাম না।
    একপেশে, কারন আপনার কথায় যারা "অন্যের প্রেমিকা এবং পোটেনশিয়াল বউ" তারা কি এতোটাই হাবাগোবা ও যুক্তিবুদ্ধিহীন ছিলেন, যে শাক্যকে দেখে ও/বা শাক্যের কথা শুনে বিগলিত হয় যেতেন!! তাদেরও যুক্তি-বুদ্ধি-আবেগ দিয়েই তারা শ্যাক্যের প্রতি দুর্বলতা দেখাতেন নিশ্চই।
  • dd | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০২:৫৮58030
  • কিন্তু শাক্যর থিউরীটা আমার খুব পছন্দো হোলো।

    সেই ছোটোব্যালার থেকেই দেখছি। সংস্কৃতীবান আর ক্রিয়েটিভ লোক মাত্রেই বামপন্থী। গান গাইছে বা সিনেমা বানাচ্ছে, নাটক বা কবি। প্রায় সমস্ত অধ্যাপক ও বিশেষতঃ ইতিহাস চর্চার লোকেরা। সবাই বামাটে। ছোটোবেলার সিপিআই তো একেবারে স্টার স্টাডেড ছিলো।

    উল্টোদিকে অম্লান দত্ত ছিলেন আর খুচ খাচ অল্প কয় জনা। গৌর কিশোর ঘোষ। আর তেমন মনে পড়ছে না।

    বাংলার বাইরেও এই ট্রেন্ডটা ছিলো।

    আরেকটা ট্রেন্ড এদানী দেখছি মেইনস্টীম মিডিয়াও খুব লিবেরাল। গুচতেই দেখুন। আনন্দবাজারের নিউস আইটেম ছাড়া তর্কই চলে না। তার পরে শুরু হোলো আবাপে ছাপানো নিবন্ধ গুলোরও লিং দেওয়া। আর কদিন আগে আবাপের সম্পাদকীয়, সেই সাধু ভাষায় লেখা (হনুমন্তাপ্পার মৃত্যু নিয়ে) সেটারো লিং দেওয়া হচ্ছে দেখলাম।

    আর অর্ণবকে নিয়ে। এই জে এন ইউ নিয়ে যতোই মুখ পোড়ান না কেনো, বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ভাজপাকে তুলোধোনাও করেছেন বহু,বহুবার।
  • S | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৩:১২58031
  • আমার মনে হয় টাইমস নাউয়ের সাথে ভাজপার কোনো ডিল হয়েছে রিসেন্টলি, যার জন্যে অর্ণব অন্যদিকের গান গাইছে। তবে ছেলেটা চেঁচাতে পছন্দ করতো চিরকালই। আজকাল ইন্ডিয়ান মিডিয়াতে দেখি কাউকে কোনো কথা বলতে না দিয়ে অ্যান্কার নিজেই বেশিরভাগ সময় খেয়ে নেয়, যেটা অর্ণব আরো বেশি করে।

    আগে অনেক সময়ই দুপক্ষকে তুলোধোনা করেছে। এইবারে ঐ একটা ভিডিও দেখেই মাথা গরম হয়ে গেছে আর চেঁচাতে শুরু করেছে। বাকিরা কে কি বলছে, ঐ চেঁচানিতে আর শুনতে পায়নি, ফলে ভুয়ো ভিডিও চালিয়ে গেছে আর ভুল রিপোর্টিঙ্গ করে গেছে।
  • pi | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৩:১৫58039
  • এটা কেউ দেখলেন ? সময় পেলে দেখবেন।

  • dd | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৩:১৯58032
  • টাইম্স নাও রোজই পড়ি।

    কোনো রকম ট্রেন্ড, (যেরকম পার্টিসান রিপোর্টং হতো বর্তমানে বা আজকালে। প্রতিদিনের কথা তো বাদই দিলাম।) আমার অ্যাট্লিস্ট একবারও চোখে পড়ে নি।

    আজকের কাগজেও সুগত বসুর স্পীচটা পুরোটাই তুলে দিয়েছে।
  • cm | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৩:৪৫58033
  • শাক্যর এ প্রসঙ্গে চিন্তাভাবনা সম্পর্কে কৌতুহল ছিল, জানা গেল। পাইকে ধন্যবাদ। দেখা গেল খাগড়াগড়ে যারা অন্য ভয়েস খুঁজেছিল তারা এবেলা কোন নতুন ভয়েস খুঁজছেনা। অবশ্য এটা প্রত্যাশিত।
  • pi | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৪:৩৫58040
  • এই মোহন দুবের বক্তব্য কেমন একটু ঘাঁটা না ? পলিটিক্যাল ওরিয়েন্টেশন কী ?

    যাহোক, আরেকটা ইন্টারেস্টিং ডিবেট রইলো।


    এই সম্বিত পাত্র কি রাইটিস্টদের মধ্যে কিঞ্চিৎ ব্যতিক্রম। ইন্টেলেকচুয়ালি দারুণ কিছু, এরকম না হলেও বেশ ধূর্ত, পাঁকাল মাছ টাইপ। সরাসরি প্রশ্নবাণের সামনে পড়লে ঠিক পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে যান। সেই রাজ্যসভা টিভিতে বহুবার দেখেছি। সরকারের নানা কাজকর্ম, ঘোষণা নিয়ে একেবারে সোজাসুজি প্রশ্ন তুললে, মানে যেগুলো এককথায় খারাপ কাজ, সেগুলোও ডজ করে যেতে পারেন। ওষুধের দাম বাড়া নিয়ে বিতর্কটা ভাল উদাহরণ।

    তবে যোগেন্দ্র যাদবকে শুনুন। এরকম লোককেও কীভাবে ডিল করেন। এবং এমনিতেও, বক্তব্য বেশ ভাল লাগল।

    তবে একটা জিনিস মনে হচ্ছে, ওখানকার দর্শকদের প্রতিক্রিয়া থেকেও। মূল আপত্তির জায়গা, ভারতের বরবাদি সংক্রান্ত স্লোগান। সেটায় সাবস্ক্রাইব না করলে কিন্তু বাকি কথাগুলো শোনানো, বা তাই নিয়ে ডায়লগে যাওয়া সম্ভব।
  • অনেস্টলি, | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৪:৪৩58041
  • সম্বিত পাত্রকে আমার বেশ ধুর লাগে। দু একবার শোনার চেষ্টা করেছি। স্পেশালি এই ডক্টরড ভিডিও নিয়ে ওর শেষদিকের গলাবাজি দেখে থেকে লোকটাকে আরও অসহ্য লাগে এখন। এমনিতেই কেমন একটা কাতলা মাছের মত অ্যাপিয়ারেন্স।
  • Sakyajit Bhattacharya | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৫:২৩58042
  • সম্বিত পাত্র বাল।।

    নির্মলা সীতারামণ বাদে বিজেপি-র সত্যি কথা বলতে কি টিভি তে খুব প্রেজেন্টেবল ফেস এই মুহূর্তে আর নেই।
  • রৌহিন | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৬:০৮58043
  • S এর বক্তব্যের সমর্থন। ভারতীয় মিডিয়ায় এঙ্করেরা কিভাবে সাংবাদিক বলে নিজেদের পরিচয় দেয় বুঝি না - প্রায় সবাই গেস্টকে বলতে না দিয়ে নিজের বক্তব্য নিয়েই চেঁচিয়ে যায়। আজ আমরা অর্ণবকে বলছি - কিন্তু রাজদীপ, বরখা দত্ত, সুমন মুখার্জী প্রমুখ সবাইকেই এটা কম বেশী করতে দেখেছি - সে যে পক্ষের হয়েই চেঁচাক না কেন। এটা খুব অদ্ভুত লাগে।
    ইংরেজিতে লেখার প্রশ্নে পিনাকী এবং এককের সাথে একমত - এই লেখাগুলো লিখতে যতটুকু ইংরেজি দরকার সেটা তুই ভালই জানিস শাক্য
  • ranjan roy | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৬:২৭58044
  • "তবে একটা জিনিস মনে হচ্ছে, ওখানকার দর্শকদের প্রতিক্রিয়া থেকেও। মূল আপত্তির জায়গা, ভারতের বরবাদি সংক্রান্ত স্লোগান। সেটায় সাবস্ক্রাইব না করলে কিন্তু বাকি কথাগুলো শোনানো, বা তাই নিয়ে ডায়লগে যাওয়া সম্ভব।"
    --- পাই, এই কথাটাই বলতে চেষ্টা করছি; এই লাইনটাকে কন্ডেম না করে মেজরিটির সঙ্গে ডায়লগ সম্ভব নয়। কানহাইয়া ও তার বন্ধুরা সেটা বুঝেছে ও ঠিকমত পজিশন নিচ্ছে।
  • S | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৬:৪৩58045
  • সম্বিত পাত্র জে এন ইউ স্টুডেন্ট ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলো। তাই নিজেও একটু ঘেঁটে আছে - জে এন ইউ বন্ধ করে দাও, বা ট্যাক্সের পয়সায় ছেলেদের পলিটিক্স এসব কথা নিজে বলতে পারছেনা। কিন্তু এমনিতে খুব ধুর্ত, বেশিরভাগ সময়ে প্রশ্নের উত্তর দেয় না।
  • শাক্যজিৎ | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:৫৭58034
  • অমিতাভ, আপনি কি অন্য নামে এখানে আছেন? কারণ এই নামের কাউকে আমার মনে পড়ছে না। [email protected] এ মেইল পাঠাতে পারেন। ব্যক্তিগত আলাপ আলোচনাগুলো না হয় ওখানেই হবে :)

    অন টপিক, বুদ্ধদেব বসু এবং আবু সয়ীদ আইয়ুব বেশ বাম-বিরোধী অবস্থানে ছিলেন।ওনাদের কোয়েস্ট পত্রিকা সিআইএ-র টাকায় চলে এরকম অভিযোগ হাওয়ায় ভেসে ওথার পর আইয়ুব রিজাইন করেন।

    অম্লান দত্ত, গৌরকিশোর ঘোষ, শিবনারায়ণ রায়- দক্ষিণপন্থীদের মধ্যে আর শ্রদ্ধাভাজন কোনও নাম বিশেষ মনে পড়ছে না। যদিও শেষজনকে দক্ষিণপন্থী বলা চলে কি না তা নিয়ে একটু সন্দিহান
  • Pinaki | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৪৪58035
  • একটা কথা বলার ছিল। শাক্য র মত স্ট্রঙ্গ লেখকরা ফেবুতে এই বিষয়ে ইঙ্গরিজিতে লেখে না কেন? এটা তো শুধু বাঙ্গলার ব্যাপার নয়।
  • Sakyajit Bhattacharya | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:৫৭58036
  • আমি ইংরিজিতে ভাল নই, তাই। অন্যদের কথা জানি না
  • pi | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০১:৪০58046
  • রঞ্জনদা, আবারো বলছি, এই লাইন কন্ডেম করা মানে আফজল গুরুর বিচার নিয়ে কথা বলা যাবে না বা কাশ্মীরের আজাদি নিয়ে বলা যাবেনা, এটা নয়। ভারতের বরবাদির সাথে এগুলোকে ইক্যুয়েট করাতে চাইছে বিজেপি, অর্ণব এট আল, আমরা কেন সেই ফাঁদে পা দেব ?

    আর এছাড়াও মিছিলে স্লোগান ( মানে আফজল গুরু বা কাশ্মীর ইস্যুতে) এক, আর এমনি ডায়লগের চেষ্টাও একটু আলাদা বলে মনে হয়।
  • Sakyajit Bhattacharya | ০৬ মার্চ ২০১৬ ০৪:৩০58047
  • পুরন্দরের লেখা। এখানের কিছু আলোচনার সাথে যায় বলে রাখলাম। ডায়লগের কথা হচ্ছিল। এই আপ্রোচটা ভাল লাগল।

    ্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌

    "জো রাম রাম আউর জয় শ্রী রাম মে ফরক কর সকতে হেয় উনকো সাথ মে লানা হোগা"

    এনডিটিভি সাংবাদিক রভিশ কুমারকে দেওয়া সাক্ষাতকরে কানহাইয়া বলেছেন। ছেলেটির রাজনৈতিক পরিপক্কতা দেখে হয়তো অনেকে তাজ্জব হবেন আমি হবো না। জেএনইউর ছাত্র সংসদের প্রেসিডেন্টের থেকে এরকম রাজনৈতিক বিচারবুদ্ধিই আশা করি। যাই হোক, মূল বিষয়ে ফেরা যাক। বাংলার মানুষের কাছে রাম কোনো ভগবান নয় ঠিকই কিন্তু উত্তর ভারতে রামকে নিয়ে বহু মানুষের আবেগ রয়েছে এই কথা অস্বীকার করা যায় না। দুজন মানুষের দেখা হলে "রাম রাম" অথবা "জয় সিয়া রাম" বলার চল বিহার এবং উত্তর প্রদেশের সর্বত্র। এই সম্ভাষণ একে অপরের কুশল বার্তা জানবার জন্যে ব্যবহৃত করা হয়ে থাকে। এই সম্ভাষণের অর্থ হলো রামজির কৃপায় সব কিছু কুশল মঙ্গল হোক, উর্দু বা আরবি তে খুদা হাফেজ বা আল্লাহ হাফেজের মতোই। যারা উত্তর ভারতে থেকেছেন, সেখানকার মানুষের সাথে মেলামেশা করেছেন তারা জানবেন যে রামের মাহাত্ম শুধুই উচ্চবর্ণ হিন্দুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বহু দলিতের পদবি অথবা নাম "রাম" হয়। কাঁসি"রাম" বা "রাম"মনোহর লোহিয়া বা "রাম"বিলাস পাসওয়ান এরকম বহু উদাহরণ পাবেন। এবং এই "রাম রাম" সম্ভাষণে কিন্তু বর্ণভেদ নেই, একজন উচ্চবর্ণ এই সম্ভাষণ একজন দলিতকে করতে পারেন এবং একজন দলিত উচ্চবর্ণকে। এবং এই কারণেই আরএসএস রামজন্মভূমি আন্দোলনকে বেছে নেয় তাদের রাজনৈতিক এজেন্ডার জন্যে। তারা জানতো যে রামকে নিয়ে অনুভূতি সমস্ত হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যেই আছে হিন্দি বলয়তে, তাকে ব্যবহার করে দলিত ব্রাহ্মণকে একসাথে করা যাবে। হিন্দুত্ববাদীরা তাই স্লোগান হিসেবে বেছে নেয় "জয় শ্রী রাম"-কে। "জয় শ্রী রাম" ধ্বনির সাথে কিন্তু "রাম রাম" অথবা "জয় সিয়া রাম" (জয় সীতা রাম)-এর পার্থক্য রয়েছে, "জয় শ্রী রাম" একটা রাজনৈতিক স্লোগান, এক যুদ্ধের অথবা বিরুদ্ধতার ঘোষণা, তাতে মঙ্গলময় কোনো কিছু নেই। কানহাইয়া বলছে যে এই পার্থক্য যারা অনুধাবন করতে পারে এবং প্রথমটার সঙ্গে যারা দাঁড়াতে রাজি নন, তাদেরকে সঙ্গে নিতে হবে অর্থাৎ সেই সমস্ত মানুষ যাঁরা ভগবান রামকে ভালোবাসেন কিন্তু তাকে রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহৃত হতে দিতে চান না তাদেরকে সাথে নিতে হবে। এই বক্তব্য কিন্তু সাবেকি বামপন্থী ভাষ্যের থেকে আলাদা। সাবেকি বামপন্থা চিরকালই মানুষের ধর্মানুভূতিকে দরজার বাইরে জুতোর মতো খুলে রাখতে বলে এসেছে, ধর্মানুভূতির সাথে বামপন্থী রাজনীতির সম্পর্ক চিরকালই অস্বস্তিকর। কানহাইয়া সেটাকে বদলানোর কথা বলছে। আমার কাছে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজে ধর্মাবলম্বী নই, আমার বাবা মাও নন, কিন্তু ধর্ম যে বহু মানুষের জীবনে কতখানি গুরুত্বপূর্ণ তা আমি বুঝতে পারি। এই সমস্ত মানুষের অধিকাংশই গরিব, খেটে খাওয়া মানুষ। এরা যে সবাই ধর্মান্ধ এমন একদমই না, অনেকেই ধর্ম ও রাজনীতিকে আলাদা করে রাখতে চান। কিন্তু এইসব মানুষকে সঙ্গে আনতে হলে ধর্ম সম্পর্কে আরো নমনীয় মানসিকতা রাখা প্রয়োজন।

    এ ছাড়াও কানহাইয়া বলেছে যে পার্টির মধ্যে বিউরোক্রাসি ভাঙ্গতে হবে এবং পার্টির নিজের স্বার্থের ওপরে "বিচারধারা"-কে রাখতে হবে কারণ সাধারণ মানুষ বিচারধারা দেখেই আকৃষ্ট হন কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি। এটাও ভীষণ সত্যি। একজন সাধারণ মানুষ আরএসপি, ফরোয়ার্ড ব্লক, সিপিএই, সিপিএম এবং নকশালপন্থী সংগঠনের মধ্যে বিশেষ পার্থক্য বোঝেন না। তাঁর এলাকায় যে দল বেশি শক্তিশালী হবে এবং তাঁর স্বার্থের জন্যে লড়াই করবে মানুষ তার পক্ষেই যাবে, সাধারণ মানুষের কাছে লাল পতাকার রং একটাই। তাই নিজেদের মধ্যে তফাৎ করবার জন্যে চুলচেড়া বিশ্লেষণে অযথা সময় নষ্ট করার বিরোধী আমিও কারণ এতে সাধারণ মানুষের স্বার্থ নেই। এ ছাড়াও কানহাইয়া বলেছে "মিনিমাম ইউনিটি চাহিয়ে, ম্যাক্সিমাম ইউনিটি নেহি।" এটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। সব মতের মিল হতে হবে জোট বাঁধতে গেলে এরকম ভাবলে কোনোদিন জোট হবে না। বিচারধারা এবং কর্মসূচির ভেতর যদি সামান্য কিছু মিল থাকে তাহলে সেই মিলের ভিত্তিতেই জোট বাঁধা দরকার। দেশের সংবিধানে মানুষের যে অধিকারের কথা বলা আছে যদি সেই অধিকারের জন্যেই একমত হউ তাহলেই জোট বেঁধে আন্দোলনে নামা যায়, সংবিধান ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার দাবি করার দরকার হয়না।

    কানহাইয়া আরো বলেছে যে সকলকে রাস্তায় নেমে রাজনীতি করবার প্রয়োজন নেই, নিজের জীবিকা অর্জনের ক্ষেত্রেও মানুষ লড়াই চালিয়ে যেতে পারে। একজন সাংবাদিক সংবাদপত্রে চাকরি করতে করতেও সত্য অনুসন্ধানী হওয়ার লড়াই করতে পারেন নিজেকে বিকিয়ে না দিয়ে, একজন ডাক্তারও ডাক্তারি করতে করতে ওষুধের দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে পারেন অথবা সস্তায় চিকিত্সা পৌঁছে দেওয়ার লড়াই করতে পারেন। এই সমস্ত মন্তব্যের সাথে আমি একমত। আশা করবো কানহাইয়ার কথাগুলো মূল ধারার বামপন্থী দলগুলো গুরুত্ব দিয়ে বিচার করবে, তাদের অভ্যন্তরীণ বিউরোক্রাসিতে এগুলো হারিয়ে না যায়।
  • Sakyajit Bhattacharya | ০৬ মার্চ ২০১৬ ০৪:৩২58048
  • আরে এটা কী বাগ রে বাবা। আমাকে নাম লেখার জায়গস দিচ্ছে না। শাক্যর নামে পোস্ট হচ্ছে। ওপরের পোস্টটা আমার।
  • Sakyajit Bhattacharya | ০৬ মার্চ ২০১৬ ০৪:৩২58049
  • আরে এটা কী বাগ রে বাবা। আমাকে নাম লেখার জায়গস দিচ্ছে না। শাক্যর নামে পোস্ট হচ্ছে। ওপরের পোস্টটা আমার।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন