এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • আপনি কি আদর্শ তৃণমূলী বুদ্ধিজীবি হতে চান?

    Sakyajit Bhattacharya লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৭ মে ২০১৮ | ১৬৫৯৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • মনে রাখবেন, বুদ্ধিজীবি মানে কিন্তু সিরিয়াস বুদ্ধিজীবি। কথাটার ওজন রয়েছে। এই বাংলাতে দেব অথবা দেবশ্রী রায়কে যতজন চেনেন, তার দুশো ভাগের এক ভাগও দীপেশ চক্রবর্তীর নাম শোনেননি। কিন্তু দীপেশ বুদ্ধিজীবি। কবির সুমন বুদ্ধিজীবি। তো, বুদ্ধিজীবি হতে গেলে নিচের কয়েকটা শর্ত আবশ্যিকভাবে পূরণ করতেই হবে।

    ১। আপনার একটা বাম অতীত থাকা আবশ্যিক। সে নক্সাল হোক, অথবা সিপিআই(এম) বা তৃতীয় ধারা। মনে রাখবেন, তৃণমূল অথবা বিজেপি চিন্তার রাজ্যে এতই মেরুদণ্ডহীন যে এরা আনঅ্যাপোলজেটিক ভাবে কোনওই দক্ষিণপন্থী বুদ্ধিজীবির জন্ম দিতে পারে নি। আপনাকে আগে বাম হতে হবে, এবং সেই বামপন্থা ভাঙিয়ে আপনাকে পরের স্টেপগুলো এক এক করে পূরণ করতে হবে।

    ২। হাতে এক মাস সময় নিন। এর মধ্যে প্রাণপণে উইকিপিডিয়া ও গুগল সার্চ এঞ্জিন ব্যবহার করে কয়েকটা জিনিস জেনে নিন। কাকে বলে সাবঅলটার্ণ। কাকে বলে শ্রেণি। কাকে বলে জাতি। নিম্নবর্গের কী কী ধর্ম এই বাংলায় ছিল তার একটা লিস্ট জেনে নিন। ভুলেও যেন সাবঅলটার্ণ তত্ব নিয়ে খুঁটিয়ে জানতে যাবেন না ! তাহলে কিন্তু আপনি তৃণমূল থাকবেন না, শিক্ষিত হয়ে যাবেন ! কাজেই ওই ঝুঁকি নেবেন না একদম। বদলে কয়েকটা জার্গন মুখস্থ করে নিন। 'ভদ্রলোক', 'গ্রাম সমাজ', 'প্রান্ত' (ভাল হয় ইংরেজি হিসেবে 'মার্জিন' বললে, বেশি ওজন পাবে), 'কাল্ট', 'বর্ণহিন্দু', 'রণজিৎ গুহ' ইত্যাদি। আসল বইগুলো যেহেতু আপনি পড়ে বুঝবেন না, তাই কলিম খানের মেড ইজি গুলো পড়ে ফেলুন। মনে রাখবেন, তৃণমূলী ব্যাকরণের জগতে উনিই বামনদেব চক্রবর্তী।

    ৩। এরপর আসবে প্রয়োগের পালা। এই কাজটা অপেক্ষাকৃত সহজ। আপনাকে চোখ বুজে যে কোনও অসভ্যতাকে তাত্বিক ভিত্তি দিতে হবে। সেটা করতে গেলে প্রথমেই দুখানা বাক্য মুখস্থ করে নিন। "গত চৌঁতিরিশ বছরে ভদ্রলোকের দাপট ছিল। সেই উচ্চবর্ণের হিন্দুদের দাপট গুঁড়িয়ে দিয়ে আপাতত অন্ত্যজদের উত্থান ঘটছে"। ব্যাস, এবার এটাকেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সর্বত্র প্রয়োগ করুন। ভোটের সময়ে বুথ দখল হচ্ছে? বেশ হচ্ছে। দখল করা হচ্ছে গ্রামীণ সাবঅলটার্ণদের স্বার্থে, কারণ এতদিন পঞ্চায়েতে ছিল ভদ্রলোক শ্রেণির প্রাধান্য। বিরোধী প্রার্থীকে ধর্ষণ করে খুন করা হচ্ছে? নিম্নবর্গের জমে থাকা ক্ষোভ যদি এভাবে বার্স্ট করে, আমরা ভদ্রলোকেরা জাজ করবার কে? তিন মাসের শিশুকে তৃণমূলের গুণ্ডাবাহিনী আছড়ে মারল? এই শিশুটি বড় হয়ে উচ্চবর্ণের তল্পিবাহক হত। তাই তাকে খুন করে গ্রামীণ নিম্নবর্গের মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার রাস্তা পরিষ্কার করে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ৪। এই প্রয়োগের আবশ্যিক অঙ্গ হিসেবে অতি অবশ্যই শিক্ষা, সভ্যতা, রুচি ইত্যাদি জিনিসগুলিকে আত্বিক আক্রমণ করতেই হবে। মানে, ধরুন শহরের শিক্ষিত মানুষ যদি তৃণমূলী জমানাতে উষ্মা প্রকাশ করেন, তাঁকে অতি অবশ্যই উচ্চবর্ণের আলোকপ্রাপ্ত বাবু শ্রেণি হিসেবে দাগিয়ে দিতে হবে। এটাও প্রমাণ করতে হবে যে তাঁরা ছোটলোকদের ঘৃণা করেন। সভ্যতাকে চিহ্নিত করতে হবে পুঁজিবাদের অভিশাপ হিসেবে। রুচি-কে চিহ্নিত করতে হবে বর্ণহিন্দু মানসিকতা হিসেবে। এবং পাড়ায় পাড়ায় তৃণমূলী জলসা, কলেজ অনুষ্ঠানে মেয়েদের নাচিয়ে পয়সা ছোঁড়া, 'টুনির মা' ইত্যাদিকে সাধারণ গরীব মানুষের প্রকৃত সংস্কৃতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দরকার পড়লে ফোক কালচার, সাংস্কৃতিক আধিপত্য বা এমন কি গ্রামশি ইত্যাদি নেমড্রপ করা যেতে পারে। কিন্তু খবরদার, ভুলেও এসব রেটরিককে খুঁটিয়ে পড়তে যাবেন না। তাহলে কিন্তু আপনি তৃণমূল থাকবেন না, শিক্ষিত হয়ে যাবেন !

    ৫। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল এবং আরাবুল ইসলামকে সহজ সরল গ্রাম সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটা করবার সেরা উপায় হল বামফ্রন্ট রাজত্বে ভদ্রলোকদের যেভাবে আধিপত্য বেড়েছিল এবং তারা যেভাবে মুসলিম ও নমঃশূদ্র বিরোধী ছিল, সেটাকে প্রচার করা। সকালবেলা উঠেই খালি পেটে বীজমন্ত্রের মত পাঁচবার আওড়াবেন 'মরিচঝাঁপি'। এতে কাজ দিতে পারে। আর সেই সঙ্গে, 'অশিক্ষিত' , 'অমার্জিত', 'অভদ্র', 'রুচিহীন' এসব শব্দবন্ধ শুনলেই আপনার আবেগ যেন ভেতর থেকে উথলে ওঠে। সেই সব মূঢ় ম্লান মূক মুখে ভাষা পৌঁছে দেবার জন্য আপনার শহুরে শিক্ষিত মনন হয়ে উঠুক এ যুগের হোয়াইট সেভিয়ার। মনে রাখবেন, এই তৃণব্যবস্থায় যে যত বেশি পড়াশোনা করে সে তত বেশি বর্ণহিন্দু ভদ্রলোক হয়।

    ৬। এত কঠিন টাস্ক দেখে ঘাবড়াবেন না। বাজারে আপনার কাজ সহজ করে দিতে এসে গেছে আরেক জন। তার নাম বিজেপি। মমতাকে প্রতিষ্ঠা করবার জন্য আপনি বিজেপি-র জুজু দেখিয়ে যান। যেখানে পারবেন দেখান। বিরোধী বাম পার্টির কর্মীদের পুড়িয়ে মারা হয়েছে? তৃণমূলকে সমর্থন করুন নাহলে এক্ষুনি বিজেপি এসে যাবে। পঞ্চায়েতের টাকা, একশো দিনের কাজ, চিটফাণ্ড সমস্ত কিছুর কোটি কোটি টাকা লুটে পুটে খেয়ে অনুব্রত আরাবুল নামক নব্য কুলাক শ্রেণির জন্ম হয়েছে? তৃণমূলকে সমর্থন করুন নাহলে এক্ষুনি বিজেপি এসে যাবে। তৃণমূল কংগ্রেস নিজের ভোটব্যাংক সুরক্ষিত করতে রামনবমীর মিছিল বার করে দাংগা বাধিয়েছে? তৃণমূলকে সমর্থন করুন নাহলে এক্ষুনি বিজেপি এসে যাবে। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসবার পর তাদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় গ্রামে গঞ্জে আরএসএসের শাখা, স্কুল, হিন্দু সংহতির অফিস হুহু করে বেড়ে গিয়েছে? পার্লামেন্টে বিজেপি-র বিরুদ্ধে আনা নো-কনফিডেন্স মোশন ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস ওয়াক আউট করবার ফলে? তৃণমূলকে সমর্থন করুন নাহলে এক্ষুনি বিজেপি এসে যাবে। পঞ্চায়েত ভোটে নির্মমভাবে খুনোখুনি বোমাবাজি আর হত্যা ধর্ষণের মাধ্যমে রাজ্যে গণতন্ত্র নামক ধারণাটিই এই মুহূর্তে কোমাতে চলে গেছে? তৃণমূলকে সমর্থন করেও আর লাভ নেই, কারণ তাদের হাত ধরে বিজেপি অলরেডি এসেই গিয়েছে।

    ৭। আর ওপরের সমস্ত তত্বকে সুগারকোট করবার জন্য আপনার হাতের কাছে রয়েছে মার্ক্সবাদ । সিপিআই(এম) মার্ক্সকে হত্যা করেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে কমিউনিজমের প্রকৃত প্রয়োগ হচ্ছে। এটাকে আপনি সবথেকে ভাল খাওয়াতে পারেন যদি আপনার নামের পেছনে 'প্রাক্তন নক্সালপন্থী' নামক উপমাটি থাকে। যে কোনও আলোচনার মধ্যে হালকাভাবে গুঁজে দিন 'গোথা প্রোগ্রামের সমালোচনাতে কার্ল মার্ক্স যা যা ইস্যু তুলেছিলেন সেগুলোই যেন নতুন ভাবে অ্যাড্রেসড হচ্ছে কন্যাশ্রী প্রকল্পে"। কিন্তু খবরদার, ভুলেও সেই মার্ক্সের লেখাপত্রের খুঁটিয়ে বিবরণ শোনাতে যাবেন না। ওপর ওপর বলে ছেড়ে দেবেন। না হলেই কিন্তু আপনি তৃণমূল থাকবেন না, শিক্ষিত হয়ে যাবেন !

    ওপরের প্রসেসগুলো ফলো করুন। ফলো করুন। আপণই বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবি হিসেবে পরিগণিত হবেন। টিভি চ্যানেলে আসবেন, কমিটির মাথা হবেন, শহীদ মিনারে নেত্রীর চেয়ারের জল মুছিয়ে দেবেন, জয় মমতা স্লোগানে গলা মেলাতে পারবেন। কলাটা মুলোটা যে মিলবে সেসব সকলেই জানে। কিন্তু আরেকটা অদ্ভুত ঘটনা আপনি দেখতে পাবেন। আপনার শারীরিক পরিবর্তন ঘটছে। হ্যাঁ, আপনি রথম প্রথম এগুলোতে একটু অবাক হলেও পরে বুঝতে পারবেন এগুলো খুবই ছোট্ট ও স্বাভাবিক ঘটনা। খুব গরমে আপনি হ্যা হ্যা করে হাঁফাবেন। প্রতিটি নিশুতি রাত্রে আপনার সহমর্মী বুদ্ধিজীবিদের সঙ্গে উচ্চগ্রামে গলা তুলে কারণ ছাড়াই চিৎকার করবার রোগ আপনাকে পেয়ে বসবে। আপনার ঘ্রাণশক্তি খুব তীব্র হয়ে উঠবে। গন্ধ শুঁকে বলে দিতে পারবেন কে মাওবাদী, কে মুসলমান বিদ্বেষী আর কে বিজেপি-র দালাল। এরপর, যেদিন দুপুরবেলা রাস্তার ধারের ল্যাম্পপোস্ট দেখে আপনার ডান পা নিজের অজান্তেই কাঁধের কাছে উঠে যাবে, বুঝবেন আপনি আদর্শ তৃণমূলী বুদ্ধিজীবি হয়ে উঠেছেন। সেই অকুণ্ঠ ভাঁড়ামির নিলাজ কার্নিভালে, কী-ই বা এসে যায়, বিজেপি যদি চলেই আসে? ইয়ে বিজেপি আগার মিল ভি যায়ে তো কেয়া হ্যায়?
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ১৭ মে ২০১৮ | ১৬৫৯৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • r2h | 192.139.20.199 | ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:১০526860
  • সত্যি কত আজাইরা তক্কো যে হয়েছে এক কালে।
    সিরিয়াস বাম অতীত ওলা বুদ্ধিজীবি, যাকে শ্রেণী, সাবল্টার্ন, জাতি, নিম্নবর্গ ইত্যাদি বুঝতে গেলে গুগল করতে হবে...
    মানে, ইহা কী? এরা কারা? সিরিয়াসলি?

    দুই নং পয়েন্টের পর যাঁরা এগিয়েছেন তাদের টাইম ম্যানেজমেন্ট দেখিয়া আমার বিস্ময়ের সীমা পরিসীমা নাই।

    তৃপবুভতে উত্তেজনা ছিল বটে। তবে তৃপবুভ গুরুর যাত্রাপথে একটা অতি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। প্রাক ও পোস্ট তৃপবুভ যুগে আড্ডার চরিত্র বড় রকম বদলেছে।

    ইনফ্যাক্ট অহৈতুকী, প্রায়শ ব্যক্তিগত, কাছাখোলা আড্ডার ধারা যে মোটামুটি শুকিয়ে এসেছে তাতে পুরনো ভাটুরেদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পোস্ট তৃপবুভ মেরুকরণও ও একটা বড় কারন বোধহয়।
  • Bratin Das | ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:২৯526862
  • রিভিসন করলাম। আমার এক টাও কমেন্ট নেই। 
     
    বাম বা সিপিএম অনেকগুলো মুশকিলের  একটা প্রধান কী জানেন? উঁচু নাক। উনি বাম( সিপিএম) করেন না অএতব উনি কিচ্ছু জানেন না। আর আমি বাম(সিপিএম)  করি।  অতএব  আমি হনু। আমার অন্তত: দুটো ন্যাজ আছে। আর অ-বাম কে নিয়ে
     হ্যাটা করা আমার "জন্মসিদ্ধ অধিকার "।
     
    .." কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়  ও ভাই রে"...winklaugh
  • যোষিতা | ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৩:৪৫526870
  • এটা ইন্ডিয়া জোটের আগে লেখা। অপা টপা তখনও খাপ খোলে নি।
    তবে আভাস পাওয়া যাচ্ছিল দুর্নীতির।
    বামফ্রন্ট কী জিনিস, তা টের পাবার পরেই তিনোদের এনেছিল পাবলিক ভোট দিয়ে। কিল্তু এরা বামেদের টেক্কা দিয়ে দিয়েছে।
    এরপর কার দান? বিজেপি ?
  • Bratin Das | ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৫:৪২526873
  • খুব আশা করেছিলাম আগের বার ই 
    ২০২১ এ হেরে যানে তৃণমূল। হয় নি অনেক টা বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের ব্যর্থতার জন্যে। এবারে যেভাবে  দুর্নীতি  ঘিরে  ফেলেছে  তৃণমূল কে।  পার পাওয়া শক্ত। 
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:9968:aa2:9850:c67e | ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৭:০৮526874
  • তৃনমূল এবারেও জিতবে।
  • dc | 122.164.82.128 | ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৭:২২526875
  • হায়, কোথায় গেল সেই গ্রামশি আর কোথায় গেল সেই দেরিদা? ন্যাড়াদাই বা কোথায় গেল? 
  • Bratin Das | ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ১২:০৩526880
  •  আর দুখে দা?
     
     হাতে গোণা কজন অবাম!!
  • xor | 103.87.142.153 | ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৪:০৪526884
  • তৃণমূলী বুজী বলে কিছু হয় না। ওই বুজীরা সকলেই মমতাপন্থী।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন