• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও লড়তে হবে

    Sakyajit Bhattacharya লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১০ এপ্রিল ২০১৭ | ৫৪৬ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • মালদা শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে পুকুরিয়া থানার অন্তগর্ত গোবরজনা এলাকায় অবস্থিত গোবরজনার প্রাচীন কালী মন্দির। অষ্টাদশ শতকে ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির বিরুদ্ধে লড়বার সময়ে এক রাতে ভবানী পাঠক এবং দেবী চৌধুরাণী কালিন্দ্রী নদী দিয়ে নৌকা করে ডাকাতি করতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় হঠাৎ এক বড় ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে তাঁদের নৌকো আটকায়। অস্থায়ী শিবির করে আস্তানা নেয় ডাকাতদল। সেখানে স্বপ্নাদেশ পান ভবানী পাঠক। স্বপ্নে তাঁকে মা কালী কালিন্দ্রী নদীর ধারে জঙ্গলের মধ্যে পূজো করতে আদেশ দিয়েছিলেন। সেই থেকে শুরু হয়েছিল কালীপুজো, যেটি ভবানী পাঠকের পুজো নামে খ্যাত। শোনা যায়, পরবর্তী বছরগুলিতে কম্পানির বিরুদ্ধে বড় কোনও অপারেশনের আগে ভবানী পাঠক নাকি এখানে পুজো দিয়ে আসতেন। স্বপ্নাদেশ পেয়ে এখানে পুজো দিয়ে এসেছিলেন মজনু শাহও।

    আমাদের পাড়া, মানে সিরিটি মুচিপাড়া অঞ্চলের এক ছোট্ট নির্জন কালী মন্দির আছে, যার পুরোহিত গণেশ ভটচাজ এককালে নক্সাল করতেন। পুলিশের তাড়া খেয়ে নদীয়া থেকে পালিয়ে এসে এখানে আশ্রয় নেন। পাকেচক্রে কালী মন্দিরের পুরুত হয়ে যান। সন্ধেবেলা বিড়ি জ্বালিয়ে দরদভরা কণ্ঠে গান ধরতেন, আমার সাধ না মিটিল আশা না পুরিল। মন্দিরের পাশের ঝুপড়িতে থাকতেন। খাওয়া দাওয়া পাশের হোটেলেই। কিন্তু যেটা বলার, গণেশ ভট্চাজের সেই সাধের কালী মন্দিরের দেওয়ালের গায়ে শিবঠাকুরের ছবির গা ঘেঁসে আরেকটা ছবি ঝুলত। এক রংজ্বলা বিবর্ণ কিন্তু অম্লান হাসির যুবকের ফটো। যুবকের নাম চে গুয়েভারা।

    নক্সাল কিংবদন্তী এখানেই শেষ নয়। সিরিটি শ্মশানের পাশে আছে এক বড় ঝিল। টালিগঞ্জ ফাঁড়ি হয়ে মহাবীরতলা থেকে কলাবাগান আসার আগে বাঁদিকে মোষ রাখার বিশাল খাটাল যা বহুদিন পরিত্যক্ত হয়ে আছে। সত্তরের দশকে খাটালে কয়েকটি ছেলে লুকিয়ে ছিল । গোয়ালারা পুলিশে খবর দিয়ে দেয়। খাটাল থেকে বার করে এনে ঝিলের পাশে নিয়ে গিয়ে পুলিশ বলেছিল “যা”। পালাতে শুরু করলেই পেছন থেকে গুলি। ঝিলেই ডুবিয়ে দিয়েছিল বডি। শোনা যায়, সেই ঝিলে নাকি এক লুকনো কালীমুর্তিও আছে যা বিশেষ বিশেষ অমাবস্যার রাতে জলের উপর উঠে আসে। আর বাকি সময়টুকুতে জলের নিচে সেই নক্সাল ছেলেদের লাশ বুক দিয়ে আগলে রাখেন করাল কালী।

    অনেক বছর আগে কর্মসূত্রে একবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে হয়েছিল। কাজের শেষে বন্ধু, যে তখন সবে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শুরু করেছে, সে অনুরোধ করল পরের দিন তার গ্রামের বাড়ি ঘুরে যেতে। বাড়িতে ঢোকার সময়ে দেখেছিলাম, পাড়ার ধার ঘেঁসে যে মাজার চলে গেছে, তার পাশের এক তেঁতুলগাছের তলায় বসে স্থানীয় কালিমন্দিরের পুরোহিত আর মাজারের পিরের প্রবল তর্ক (পরিচয় পরে জেনেছিলাম) । বাড়ির মধ্যেও সেই উত্তেজিত চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ ভেসে আসছিল। একটু বাদে কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করাতে বন্ধুর বাবা বললেন "তর্ক বেঁধেছে মা কালী কবিরাজী না কি হাকিমী কোন উপায়ে ভক্তের রোগ সারান ।" মাজারের পির কেন এই নিয়ে মাথা ঘামাবেন সে বিষয়ে ঈষৎ বিস্ময় প্রকাশ করাতে ভদ্রলোক হেসে উত্তর দিলেন "প্রতি পূর্ণিমাতে এই মাজারে অঞ্চলের গরীব মানুষ এসে মোমবাতি জ্বালিয়ে যায়। হিন্দুরাও আসে, কারোর চাকরির জন্যে সুতো বেঁধে যায়, কেউ রোগ নিরাময়ের প্রার্থনা, আবার কারোর সন্তানকামনা। মাজারের পেছনেই কালিমন্দির। যারা মাজারে মাথা ঠোকে, ফেরবার সময়ে কালিমন্দিরেও মানত করে যায়। এবার যাদের রোগ সেরে যায়, তাদের কেউ ভাবে মাজারে মাথা ঠোকার জন্য সেরেছে, আর কেউ ভাবে মা কালীর আশির্বাদে। সেই কারণে কেউ মাজারে নতুন চাদর দেয়, কেউ আবার পুজো দেয় মন্দিরে। কার দাবী যে আসল সেই তর্কের আর মীমাংসা হয় না। পুরোহিতের দাবি মায়ের স্বপ্নাদেশ পেয়ে তিনি কবিরাজি শিখেছেন। আর পিরের দাবী, তাঁর পরদাদা বলে গিয়েছিলেন যে মায়ের মুর্তি বহু বছর আগে এই ডিহি মসজিদপুরের পাশের যে খালবিল জলা, সেখানে ভেসে উঠেছিল। এক হাকিম রাত্রিবেলা শৌচকর্ম করতে গিয়ে মা-কে তুলে আনেন, নিজের কাছে রাখেন, এবং মৃত্যুর আগে মাজারের পাশে মন্দির বানিয়ে মা-কে সেখানে প্রতিষ্ঠা করে যান। সেই কারণে রোগ নিরাময়ের কৃতিত্বটা হেকিমি দাওয়াইয়ের প্রাপ্য"।

    সন্ধ্যে হয়ে আসছিল। শাঁখের আওয়াজ ভেসে আসছিল এ বাড়ি ও বাড়ি থেকে। তুলসিতলায় প্রদীপ জ্বালাচ্ছিল বাড়ির একটি বৌ। আশেপাশের জংলী ফুল, গাছ্পালা, মৃদুমন্দ হাওয়া আর ঘেঁটু আকন্দ বুনো লেবুর গন্ধে মাটির রাস্তা ম ম করছিল। ফিরে আসবার সময়ে দেখলাম, কালীমন্দিরের টিমটিমে হলুদ বাল্বের আলোতে বসে বসে পুরোহিতমশাই ঝিমোচ্ছেন, আর ঘসঘসে গলাতে আকাশবাণী চলছে পাশের রেডিও থেকে। পিরসাহেব মাজার ঘিরে মোমবাতি বসাচ্ছিলেন, একটা এসে মন্দিরের সিঁড়িতে জ্বালিয়ে রেখে গেলেন। পুরুতমশায় ফিরে তাকালেন কী না খেয়াল করলাম না, গাড়ির ড্রাইভার বারে বারে যাত্রা শুরুর তাগাদা দিচ্ছিল।

    না, আমাদের এখানে আলাদা করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা চেঁচিয়ে বলতে হয় না। এখানে কালী মুর্তির পাশে চে গুয়েভারার ফটো ঝুলিয়ে রাখে নক্সাল পুরুত। এখানে কম্পানির বিরুদ্ধে লড়তে যাবার আগে মজনু শাহ কালিমন্দিরে পুজো দিয়ে আসেন । কবিরাজ আর হাকিমের ভূতের দিনভর ঝগড়ার শেষে মাজারের একটা বাড়তি মোমবাতি অপেক্ষা করে থাকে, মন্দিরের সিঁড়িতে বসবে বলে। এখানে, মানে এই বাংলায়। এই বাংলা মনে রাখে ভবানী পাঠকের কালীর কথা। মুনশী বরকতউল্লার গল্প। দেবী গৃহবাসিনী হয়ে যান কিন্তু ভবানী পাঠক মাটি কামড়ে পড়ে থাকেন। ভবানী পাঠক মরে যান কিন্তু মা কালীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে মজনু শাহ উঠে দাঁড়ান। মজনু শাহ ফিরবেন , লড়বেন এবং মরবেন । কিন্তু তাতেই তাঁর অবসান নয়। তাঁর ভূত তবুও দাপিয়ে বেড়াবে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অন্দরে অন্দরে। তাঁর আরাধ্যা করাল কালী হৃৎকম্প তুলে দেবে হেস্টিংস কর্নওয়ালিশ আর তাঁদের তল্পিবাহক জগৎচাঁদ শেঠ বিড়লাদের বুকে। এবং ভবানী পাঠক, মজনু শাহ আর গণেশ ভটচাজরা লড়েই যাবেন শেষ অবধি। এমনকি শত্রু যদি উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব মণিপুর দিয়ে ঘিরে ধরে, তার পরেও।

    ১৯৪২ সালে জার্মান নাট্যকার বেরটল্ট ব্রেশট একটা নাটক লিখেছিলেন, দ্য ভিশন অফ সিমন মাসার। মজনু শাহকে যেরকম কালিমূর্তি স্বপ্নাদেশ দিয়েছিল যুদ্ধে যাবার, নাৎসি পদানত গ্রামের অতি সরল বালিকা সিমোন মাসারকে তেমনই মাঝে মাঝে দেবদূত এসে খোয়াব দেখিয়ে যেত। জোয়ান অফ আর্কের মত। তাকে মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করত।

    সিমোনঃ শত্রু যুদ্ধে জয়লাভ করলেও কি লড়তে হবে?
    দেবদূতঃ আজ রাত্রে কি বাতাস বইবে?
    সিমোনঃ হ্যাঁ।
    দেবদূতঃ আঙিনায় একটা গাছ আছে না?
    সিমোনঃ হ্যাঁ, পপলার গাছ।
    দেবদূতঃ বাতাসের ঝাপটায় তার পত্রমর্মর শোনা যায়?
    সিমোনঃ হ্যাঁ, স্পষ্ট শোনা যায়।
    দেবদূতঃ তাহলে শত্রু যুদ্ধ জয় করলেও লড়ে যেতে হবে।
  • বিভাগ : ব্লগ | ১০ এপ্রিল ২০১৭ | ৫৪৬ বার পঠিত
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কল্লোল | 233.186.180.83 (*) | ১৩ এপ্রিল ২০১৭ ১২:৩৮59608
  • পিটি। শেষ থেকে আসি।
    উচ্চশ্রেণীর মুসলমানেরা দামী লুঙ্গী ব্যবহার করতেন। কেন কাছা দিয়ে ধুতি পরতেন না? লক্ষণীয় "উচ্চশ্রেণীর মুসলমানেরা" তারা নিজেদের হিন্দুদের থেকে আলাদা করতে চাইতেন তাই। এর মধ্যেও কোন ধর্মীয় বিধান নেই। আর একটি কারন, যেহেতু পশ্চিমা মুসলমানেরা লুঙ্গী ব্যবহার করতেন, আর চিরকালই এদের "সচ্চা" মুসলমান বলে ধরেন বাঙ্গালী উচ্চশ্রেণীর মুসলমানেরা তাই এই অনুকরণ। কোন হাদিস বা কোরানে লুঙ্গী পরার কথা বলা নেই।

    তুমি লিখেছো - "জ্যোতি বসু, বুদ্ধ ভটচায ইত্যাদি প্রভৃতিরা প্রতিনিয়ত তাদের পোশাকের মাধ্যমে তাদের উচ্চ জাতের কথা মনে করিয়ে দিতেন। সেই হিসেবে তো তারাও কমুনিস্ট হওয়ার যোগ্য নন।"
    এটা তো খুবই সত্য। এনারা নিজেদের উচ্চ্জাতের ভদ্রলোক বলেই দাবী করতেন। একমাত্র অশোক মিত্রই গোটাগোটা করে বলেছিলেন তিনি ভদ্রলোক নন, কমিউনিস্ট। তারা কমিউনিস্ট ছিলেন কি ছিলেন না, সেটা যার যার রাজনৈতিক অবস্থান থেকে তার তার বিচার করার কথা। তবে এদেশে কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্ব (সবকটি) চিরকালই উচ্চশ্রেণীর ভদ্রলোকেদের হাতে, সে নিয়ে বহু কথা হয়ে গেছে। কিন্তু কাছা দিয়ে ধুতি পরা কোনভাবেই ধর্মীয় বিধান নয়। কোন বেদ বেদান্ত, উপনিষদ, গীতা, মনুস্মৃতি, কোন টিকা-ভাষ্যে হিন্দুত্ব প্রমাণ করার জন্য,কাছা দিয়ে ধুতি পরার কথা বলা নেই। কিন্তু পৈতে নেবার কথা অবশ্যই আছে। ব্রাহ্মণ পুরুষ হলেই পইতে নিতে হবে। নয়তো সে ব্রাহ্মণ নয়। শিখ পুরুষ হলেই পঞ্চ ক ধারণ করতে হবে, নয়তো সে শিখ নয়।মুসলমান পুরুষ হলেই তাকে সুন্নত করতে হবে, নয়তো সে মুসলমান নয়। এগুলো যারা পালন করে ও নিজেদের কমিউনিস্ট বা মার্কসবাদী বলে তারা অবশ্যই ভন্ড।
    তখনকার সিপিএমের বাস্তববোধের সাথে পৈতে, পঞ্চ ক, সুন্নত করার কোন সম্পোক্কো নাই। তারা নকশালদের মতো চল চল বিপ্লব কত্তে যাই বলে দিগবিদিক জ্ঞানশূণ্য হয়ে দৌড়ায় নি। একথা আমি নতুন কিছু বলছি না। আমি লিখিতভাবে ছাপার অক্ষরে বলেছি - চারুবাবু, সরোজ দত্ত আর সুশীতল রায়চৌধুরী ছাড়া সব নলশাল নেতাদের সাথেই জেলে আলাপ হয়েছিলো। ভাগ্যিস এরা সফল হননি। এরা কেউই, নিজেদের প্রদেশ বা জেলার নেতা হবারও যোগ্য ছিলেন না। ভারতীয় বিপ্লব তো অনেক দূরের বিষয়।
    আমার চোখে ঠুলি নেই, তাই সাদা চোখেই এগুলো দেখতে পাই। চোখে ঠুলি থাকলে পঞ্চ ক, পৈতে সুন্নত এগুলো মান্য করা কমিউনিস্ট যে ভন্ড, সেটা দেখতে পাওয়া যায়।
    আমার নাকি একটা বিশেষ দলের উপর অন্ধ বিতৃষ্ণা আছে। থাকলে এগুলো লিখতে পারতাম না। থাকলে শাক্যর লেখা ভালো লাগতো না।
  • শাক্যজিৎ | 113.219.45.45 (*) | ১৫ এপ্রিল ২০১৭ ০৬:১৮59626
  • হ্যাঁ কল্লোলদা, ইমান ও নিশান poRechhi। আমি এমনিতেও গৌতম ভদ্র-র ফ্যান
  • কল্লোল | 192.66.122.139 (*) | ১৬ এপ্রিল ২০১৭ ০৯:১৪59627
  • নিম্নবর্গএর ইতিহাস জোগাড় করে নে। দারুন সব লেখা আছে।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন