
রাস্তাঘাটে আলোর খেলা, কেক প্যাটিসের গন্ধ,ইস্কুল-পাঠ, কোর্ট কাছারি, আপিস-টাপিস বন্ধ।বড়দিনের হরেক মজা, যার যেটা পছন্দ,আমার যীশু ফুটপাথে শোয়, অসুখে চোখ অন্ধ!নতুন জামা, নতুন শাড়ী, কত্তো উপহার!সবুজ গাছে তারার মালা, সুন্দর বাহার!গানের সুরে বাজনাতে আজ বরন হলো কার!আমার যীশু পথকুড়ানি, ভিক্ষায় সংসার!তারিখ বুঝি পঁচিশ রে আজ? মাস কি ডিসেম্বর?আবার এমন আনন্দ কি আগামী বচ্ছর?ক্রিসমাস নয় অন্য হুজুগ আসবে ক’দিন পর।আমার যীশু কাতরে বলে, ‘ক্ষমা কোরো ... ...

সাতসকালে হঠাত পেলাম ভগবানের দেখা।সঙ্গে কোনো ব্ল্যাক ক্যাট নেই, এক্কেবারে একা।চিনলো আমায়। ‘কেমন আছিস? বাদবাকিরা সব?’আমি শুধাই, ‘খবর রাখা তোমারই তো জব!সবজান্তা বলে বেড়াও নিজেকে, তার বেলা?’হাসল ভগা। ‘আমি বলি? না রে, আমার চেলা।ওরাই রটায় আমার নামে যত্ত বাজে কথা।সর্বশক্তি আমার কেন থাকবে রে অযথা!যাকগে, এবার ওসব ছেড়ে কাজের কথায় আসি।জানিসই তো, নতুন নতুন সৃষ্টি ভালবাসি,একটা নতুন ধর্ম এবার খুলব ইচ্ছা আছে।তুই হবি তার প্রচারক, তাই এসেছি তোর কাছে।ভগব ... ...

পায়ে পায়ে পথ চলেছি আমরা ক’জনদু’ধারে ধানজমি আর বসতভিটেগড়িয়ে দুপুর এবার বিকেল হবেআকাশের পচিমপারে আসকে পিঠে lচৈ চৈ খয়েরি হাঁসের পালক জুড়েসোনালি রোদের মতন ইচ্ছেডানাদলছুট চড়াই পাখির আসকারাতেখুঁটে খাই সবজি ক্ষেতের মটরদানা lদেখি এই কয়ালপাড়ার মধ্যেখানেখোড়ো ঘর আগলে রাখে ইন্দুমতী‘মেয়ের নাম কী রেখেছ মন্টুর মা?’শুধোলে আলতো জানায়- ‘সরস্বতী’ lস্বামী তার আরব গেল সোনার কাজে ছেলে তিন, তখন মাসিক বন্ধ দু’মাস,পৌষেই সরস্বতীর পাঁচ পেরোলোঘরে তা ... ...

প্রথম দৃশ্যহেমাঙ্গবাবু - হ্যাঁ গো ভুতো, তোমাকে যে আমার মেয়ের জন্য কবে থেকে একটা পাত্র দেখতে বলছি তার কি হল?ভুতো - আজ্ঞে দেখুন হেমাঙ্গবাবু, ওই যে কথায় আছে না “ঘর লেপ্যা মুছ্যা, আতুর ঘর বানাইয়া, মা ষষ্ঠীর কাছে বাচ্যা চাইলেই তো আর বাচ্যা পয়দা হয় না! তার জন্যি নয় মাস দশদিন অপেক্ষা করতে হয়!” তবে হ্যাঁ, কাজ আরম্ভ করে দিয়েছি।হেমাঙ্গবাবু -কাজ আরম্ভ মানে? একি জলা মাঠে বাড়ি হচ্ছে নাকি যে আগে মাটি দিয়ে ভরাট করতে হবে তবে কাজ শুরু করা যাবে? ... ...

১৮।সকাল হলে তোমার কাছে যাবো ভাবিদুপুর হলে তোমার কাছে যাবো ভাবিবিকেল হলে তোমার কাছে যাবো ভাবিরাত্রি হলে পলিয়ে আসি ভয়েসকাল হলে বকুল্গুলি গন্ধ ছড়ায়দুপুর বেলা রেলিং জুড়ে ডুরে শাড়িবিকেল হলে খোঁপায় শুধু জুঁই টগররাত্রিবেলা ফিরে আসি ভয়েসকাল দুপুর বিকেল জুড়ে ইচ্ছাগুলিরাত্রিবেলায় কঠিন সুরে কথা বলেভালোবাসায় স্মৃতিগুলি রৌদ্র মেখেরাত্রি হলে অন্ধকারে মুখ লুকোয়।বিকেলের রোদ পড়ে আসছে। চারদিকে সিঁদুরের ফিকে রঙ। ছাদ ... ...

---১।---দেবযানী খোবরাগাড়ের কেস নিয়ে কিঞ্চিৎ খোঁড়াখুঁড়ি হবার পরে, দেখা যাচ্ছে, যে, আমেরিকায় দেশ থেকে গৃহসহায়িকা নিয়ে যাওয়া ভারতীয় কূটনীতিকদের জন্য নতুন কিছু না। বরং এটা অভ্যাসেরই অংশ। বছর বছর ধরে এই নিয়ে মামলা মোকদ্দমাও হয়ে চলেছে। পরপর তিন বছরে এই নিয়ে মার্কিন আদালতে তিনটি মামলা দেখতে পাচ্ছিঃ২০১১ সালে নিউ ইয়র্কের ভারতীয় কনসাল জেনারাল প্রভু দয়ালের বিরুদ্ধে তাঁর প্রাক্তন গৃহকর্মী একটি মামলা করেন। অভিযোগ ছিল জোর করে এক বছর ধরে কাজ করানোর।২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতীয় গৃহ ... ...

প্রজন্ম '৭১ এর সাইদুর রহমানের সঙ্গে আমার পরিচয় সাংবাদিকতার শুরুতে সেই ১৯৯২ - ৯৩ সালের দিকে। তখনও রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে বর্তমান শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধটি গড়ে ওঠেনি। তবে সে সময় প্রজন্ম '৭১ নিজ উদ্যোগে একটি ছোট্ট স্মৃতিসৌধ গড়ে সেখানেই প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে আসছিলো। সরকারের কাছে এ নিয়ে তারা অনেক ধর্ণা দিয়েও সরকার পক্ষকে উদ্যোগি করতে পারেননি।সে সময় সাপ্তাহিক "খবরের কাগজ" এ অরক্ষিত রায়ের বাজার বধ্যভূমির ওপর একটি প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করার জন্য আম ... ...

মুম্বাইয়ের জনতা কলোনির জকিন আরপুথাম বিগত ৪০ বছর ধরে কাজ করছেন ভারতের বিভিন্ন শহরে বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন নিয়ে। ম্যাগসেসাই পুরস্কারও পেয়েছেন। নিজেও বস্তিবাসী তিনি। রাষ্ট্রের কর্তাদের কাছে জকিনের বিখ্যাত উক্তি - আমরা তোমার দাতব্য চাই না, আমাকে তোমার পরিকল্পনায় শামিল কর। কলকাতার জনসংখ্যার যে বিশাল অংশ নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী বস্তিতে থাকেন, যে বিশাল অসংগঠিত শ্রমের স্রোত প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে শহরে এসে ঢোকে, তার একটা বড় অংশই এই শহরের অতিকায় সচল যন্ত্রটির অবিছেদ্য নাটবল্টু। তাদের শস্তা শ্রম আমাদে ... ...

এক‘৯০ এর ছাত্র-গণআন্দোলনের শেষ প্রান্তে চরম দীনতার অনুসঙ্গে খানিকটা ঘটনাচক্রেই ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়ার সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয়। এর আগে নির্ঘাত কোনো না কোনো কাগজে বা সাময়িকপত্রে তার চমৎকার সব ছড়া পড়ে থাকবো।…সে সময় জেনারেল এরশাদ কবিকূলকে কিনতে শুরু করলে দেশের শীর্ষ কবিরা এর প্রতিবাদে গঠন করেন জাতীয় কবিতা পরিষদ। রাজকবিদের বিরুদ্ধ স্রোতের বাইরে পরিষদ আয়োজন করে ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম দুদিন টিএসসির সড়কে ‘জাতীয় কবিতা আন্দোলন’, পরে তা ‘জাতীয় কবিতা উৎসব’এ রূপ ... ...

বারো বছর পর মেট্রোর ভাড়া বেড়েছে, এক ধাক্কায় অনেকটাই। আর তার জেরে এই গণপরিবহণ থেকে রাতারাতি খসে গিয়েছেন ৮০ হাজার মানুষ (৭০ হাজার নয়), মোট যাত্রীর প্রায় ১৪ শতাংশ। যেভাবেই দেখা যাক না কেন, এটা নিঃসন্দেহে একটা খবর। আর এই খবরটা একটি দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে আনন্দসংবাদ হিসেবেই - Fare hike & footfall dip suit Metro fine।* সেই ৮০ হাজার মানুষ বিকল্প পরিবহণের এই আকালে কীভাবে যাতায়াত করছেন, সেই ভাবনার প্রতি কারোর কারোর দেখা যাচ্ছে এক তীব্র সোচ্চার নির্লিপ্তি। সোচ্চার নির্লিপ্তি সব সময়েই দাঁড়িয়ে থাকে ন ... ...

নগেনবাবু আর খগেনবাবু, দু'জনারই এখন ভারী ফুর্তি l নগেনবাবু, যিনি নেশায় নাইট্যকর্মী, দেয়াল লেখেন- সমকামীরা নিজের ইয়ে নিজে মারে l আর খগেনবাবু, যাঁর পেশা সাংবাদিকতা, আপদে বিপদে গর্জে ওঠেন- ক্যালা মগাদের ক্যালা, বলে l রাষ্ট্রের উচ্চতম আদালতের খবরদারিতে উভয়েই তাই যৎপরোনাস্তি পুলকিত l আমার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর এ মুহূর্তে অন্য কোনো রাস্তা নেই l গা কিরকির করছে l এসব ক্ষিপ্র-গতিশীল বাবুদের অসুস্থতার একটি নামকরণ করলাম তাই l শূকর (বা সু-কর, মানে যাদের মুখমন্ডলে মূত্রত্যাগের ইচ্ছে যায় আরকি) সিনড্রোম ... ...

ওদের জানিয়ে দাও/ জহির রায়হানওদের জানিয়ে দাওওরা আমার মা-বাবা’কে হত্যা করেছেকুকুর-বেড়ালের মতোওদের স্টিম রোলারের নীচেওরা দেখেও যদি না দেখেবুঝেও যদি না বোঝেগরম লোহার শলকাদু চোখ দিয়েওদের জানিয়ে দাওমরা লাশগুলোতে কেমন জীবন এসেছে... ... ...

১৬।তবলচী একটা গৎ বাজাচ্ছে। চোখ বন্ধ করে শুনছে বিশ্বনাথ। বড় মিঠে হাত লোকটার। আজকে রেওয়াজ করতে মন চাইছে না। শোনাটাও অবশ্য রেওয়াজেরই একটা অঙ্গ। গুরুজী বসে আছেন ফরাসের ওপর, মাঝে মাঝে ওনার মুখ দিয়ে বেরচ্ছে উৎসাহ ব্যঞ্জক কিছু শব্দ। বিশ্বনাথ মাটিতে বসেছে; গুরুজীর সাথে একাসনে বসার কথা চিন্তাও করতে পারেনা ও। ঘরের মধ্যে ওরা তিনজন ছাড়া আর রয়েছে এস্রাজ বাদক ধীরেন্দ্র। সেও নিজের বাদ্য যন্ত্র পাশে রেখে দিয়ে বাজনা শুনছে তন্ময় হয়ে। গুরুজীর ঘরটা ছোট ও বাহুল্য বর্জিত। ঘরে কিছু বাদ্য যন্ত্র ছাড়া রয়েছে ... ...

হারানো-প্রাপ্তি –নিরুদ্দেশআরামটা টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরেই। নির্দিষ্ট করে বললে ৭ই নভেম্বর থেকে। মেট্রোয় আগের মতো সেই দমবন্ধ-করা ভিড় নেই, অফিস টাইমে এস্কালেটারের মুখে মনুষ্যদেহের জমাট জট নেই, কামরার দরজা বন্ধ হচ্ছে অনায়াসে, এমনকি দুপুরবেলায় উল্টোদিকের জানলার বাইরে দেয়াল/ প্ল্যাটফর্মও দেখা যাচ্ছে এক ঝলক। সংবাদপত্র জানাচ্ছে, ৭ই নভেম্বর থেকে কলকাতার মেট্রোয় নিত্যযাত্রীর সংখ্যা এক ধাক্কায় কমে গিয়েছে ৭০ হাজারের মতো। তাতে অবশ্য মেট্রোর কর্তাদের মুখে হাসি ফুটেছে। কারণ দৈনিক আয় এক ... ...

দুবাইয়ের গপ্পো তো আপনারা শুনেছেন, ফিরে এসে আমদাবাদের গল্পও হাল্কা করে শুনিয়েছিলাম। সেখান থেকেই সুতো ধরি, কেমন? ... ...

১.‘দাদার মৃত্যুটা কি সত্যিই স্বাভাবিক ছিল ডক্টর?’ডঃ ব্যানার্জী মুখ তুলে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে জরিপ করছেন আমায়। অনড় ট্র্যাফিক সিগন্যালের মত অপলক দৃষ্টি! সে দৃষ্টির সামনে নড়াচড়া যায় না। শ্বাস-প্রশ্বাস স্তব্ধ হয়ে যায়। আমি রুদ্ধশ্বাসে বসেছিলাম। আরও কতক্ষণ ওভাবেই নিশ্চল, স্থবির হয়ে বসে থাকতে হত কে জানে। আচমকা ঘরের টিউবটা দপদপ করে উঠল! ভোল্টেজের তারতম্যের সাথে সাথেই চোখের পাতা ফেললেন তিনি। তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ঢিমে উচ্চারণে বললেন-- ‘ তুমি এত সন্দেহপ্রবন কেন দীপঙ্কর? সন্দেহটা ঠিক কোন্ বিষয়ে? তোম ... ...

১. হঠাৎ প্রচন্ড জোরে ল্যাবের অ্যালার্ম বেজে উঠলো!এতক্ষণ ল্যাবরেটরীর ভিতরে কোনও আওয়াজ ছিল না। অন্যদিনও বিশেষ থাকে না। শুধু মাঝেমধ্যে টেস্টটিউবের টুংটাং আর বিকারে জল গরম করার খলবল শব্দ অস্ফুট ভাবে শোনা যায়। ভিতরের মানুষগুলো ক্কচিৎ কদাচিত কথা বলে। তাদের কথা বলার সময় কোথায়? সবাই সাদা অ্যাপ্রন পরে কাজ করতেই ব্যস্ত! আজ সকালেও এমন শান্ত পরিবেশ ছিল। ল্যাবের মুখ্য বিজ্ঞানী ডঃ হিঙ্গোরানি একটি গোপন আবিষ্কার নিয়ে ব্যস্ত আছেন!ঐ ঘরে সবার প্রবেশ নিষিদ্ধ। একমাত্র ডঃ হিঙ্গোরানিই প্রাইভেট পাসওয়ার্ড ... ...

১.--‘ম্যাডাম, এক মহিলা আপনার সঙ্গে দেখা করতে চান।’‘লিট্ল অ্যাঞ্জেলস’ অনাথ আশ্রমের সর্বময়ী কর্ত্রী নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে পিওনের দিকে তাকালেন।--‘ কি নাম? অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে?’--‘আজ্ঞে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেই’। পিওন মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল—‘তবে বললেন, জিকোর ব্যাপারে কিছু বলতে চান। দরকারী কথা...!’জিকোর নামটা শুনেই নীলাঞ্জনা নড়েচড়ে বসলেন। জিকো তাঁদের অনাথ আশ্রমেরই ছেলে। বয়স নয়-দশ বছর। অনাথ আশ্রমের আর পাঁচটা ছেলের মতই। ক’দিন আগেও তার আলাদা কোনও বৈশিষ্ট্য ছিল না। ... ...

১.রান্নাঘরে বাসনপত্র পড়ার প্রবল শব্দ!নীলিমা শুনেও না শোনার ভান করেন। এমন কত শব্দই তো সারাদিন ধরে অবিশ্রান্ত কানের কাছে চলছে। কখনও ঠুকঠুক। কখনও কুটকুট—কুটুর কুটুর। কখনও তীক্ষ্ণ দাঁতে পুরনো জুতো কাটার শব্দ। কখনও বা একটা লম্বা লেজ সর্সর্ করে চলে যায় এদিক থেকে ওদিকে। তাকে সবসময় দেখা যায় না বটে। কিন্তু বাসনের ঘটাং ঘটাং-এ, খুট খুট, কুট-কুট-এ সে রীতিমত সদর্পে নিজের অস্তিত্ব ঘোষণা করে চলেছে।নীলিমা মাঝেমধ্যে মাঝরাতে বাথরুমে যাওয়ার পথে কখনও কখনও তাকে একঝলক দেখেছেন। যদিও বয়েসের সাথে সাথে ... ...

ললিত স্যার না থাকলে দেবু দত্তগুপ্তর লেখার সাথে হয়ত কোন দিনও পরিচয় হত না। তখন দশম শ্রেণী, স্যার একদিন আলোচনা প্রসঙ্গে একটি বইয়ের কথা বললেন, যা সারাংশ দিলেন তাতে করে খুবই আগ্রহ জন্মাল। এটাও বললেন যে বইটা আমাদের ওই বয়সী ছাত্রদের সবারই পড়া উচিত অন্তত একবার করে। ওই বই তখন আমাদের ওদিকের দোকানে বিক্রী হত না – তাই স্যারই আনিয়ে দিলেন কোথা থেকে যেন। হাতে এসে পড়ল লাল-কালো প্রচ্ছদের একশো তিরিশ পারাত বইটি – “যে পাহাড়্গুলি ডিঙোতে চাই”। আমাদের এলাকা তখন প্রবলভাবে বামপন্থী – স্কুলের স্যাররাও বেশীর ভাগ বাম মতাদর ... ...