
অমিতাভ মালিকের মৃত্যুর পরবর্তী সময়টুকু যেন স্টার জলসা আর জি বাংলার যৌথ প্রযোজনার সিরিয়াল। জমে ক্ষীর। বিউটি মালিকের আছড়ে পড়া কান্নার লাইভ দেখাচ্ছে চ্যানেলগুলো। সেইসঙ্গে স্যোশাল মিডিয়ায় তাদের যৌথ ছবি সাঁটিয়ে আমাদের বহু লোকের অশ্রুপাত। এর মধ্যে আবার দু' এক টুকরো চাট মশলার মতো টিপ্পনী : "ওর আর কী! গেলো তো মায়ের। ও তো দু'দিন পরেই..." আমাদের সম্মিলিত ছিছিক্কার, রাগ আছড়ে পড়লো সরকারের ওপর। আমরা সবাই তখন ব্যোমকেশ, সব্বাই ফেলুদা। চুলচেরা বিশ্লেষণে আমরা এক্সপার্ট কমেন্ট দিচ্ছি। কেনো বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ... ...

নৈ:শব্দের পত্রগুচ্ছ ১-সরি আসতে অনেকটা দেরি হয়ে গেল। আসলে বাইপাসে এত জ্যাম ছিল।-আপনি দমদম থেকে টালিগঞ্জ বাইপাস দিয়ে এসেছেন?! মেট্রো ধরেন নি কেন? -না মানে, অফিস টাইম, ভিড় হবে তাই। -আপনি মশাই মুম্বাই গিয়ে পুরো গোল্লায় গেছেন। -সে গেছি। যাই হোক, আর এম্ব্যারাস করবেন না। বলুন কেন ডেকেছেন? -আপনাকে একটা গল্প বলব বলে।-মানে? গল্প শোনাতে এতদূর টেনে আনলেন। -শুনেই দেখুন। শর্ত হল, যদি গল্পটা পছন্দ হয়, তাহলে আপনাকে তাই নিয়ে একটা বই লিখতে হবে, রাজি?-কি নিয়ে গল্প? ... ...

ছোট খাটো মুদিখানা বা কিউবান মেমেন্টো বিক্রির হকারি মার্কা দোকান ছাড়া কিউবাতে ব্যক্তিগত মালিকানায় কোনো ব্যবসা নেই। এটা নিয়ে অবশ্য কারো সন্দেহের অবকাশ থাকার কথা নয়, কারণ এটাই নিয়ম হওয়ার কথা। আমরা অবশ্য বাজারহাট, কপোরেটিভ স্টোর সেরকম করে দেখিনি। জামা কাপড়ের দোকান-ও দেখিনি। তবে বড়োবাজারী মাড়োয়ারি-র গদি-র মতো কোনো দোকান যে নেই তা নিশ্চিত। এমনকী ওই কনসিয়ারজবাবু-ই বললেন, বিদেশিদের পাসপোর্ট ছাড়া ট্যাক্সি-তে নেওয়াও বারণ ছিল এই সেদিন পর্যন্ত। কারণ দুটো, এক বিদেশী নাগরিকদের নিরাপত্তা আর দুই, ট্যাক ... ...

আমার দুই সন্তানেরই জীবন শুরু হয়েছিল দুটি নিজস্ব অমূল্য সম্পদের মালিক হিসেবে। মেয়েকে তার বড়দিদা, মানে আমার জ্যেঠিমা দিয়েছিলেন আর ছেলেকে দিয়েছিলেন আমার মা। মূল্যের বিচারে তারা তুচ্ছ হলেও আমাদের কাছে তারা অমূল্য। দুটি কাঁথা। রঙিন সুতোর সঙ্গে ভালবাসার বুননে তৈরী দুটি অসাধারণ বস্ত্র খন্ড। নিতান্তই তুচ্ছ, পুরোন কাপড়ের টুকরো দিয়ে তৈরী..... তবু সামান্যকে যেন যাদুস্পর্শে অসামান্য করে তোলা হয়েছে।মেয়েলি শিল্প। ঠিক যে টানে শিকেয় কড়ি গেঁথে সাজিয়ে তোলা হত, সেই একই টানে কাঁথা সেলাই। কাপড় গুলো কোনক্রম ... ...

আমাদের শনিদেব তুল্য এ এক স্প্যানিশ দেবী - ঘোর কৃষ্ণবর্ণা, লোল বক্ষ,বীভৎস উজ্জ্বল চক্ষু - লা সান্তা মুয়ের্তো। শনির দৃষ্টিতে সব ছারেখারে যায়, আবার সুনজরে সর্বসুখ। লা সান্তা মুয়ের্রতোর সামনে নরবলি দেওয়া হয়, সদ্যচ্ছিন্ন রক্তমাখা আঙুল খেতে বাধ্য করা হয় গ্যাবিনো ইগলেসিয়াসের সাড়া জাগানো উপন্যাস জিরো সেইন্টসের নায়ক ফার্নান্দোকে।কিন্তু এই দেবীর বরাভয় প্রাপ্ত হয় প্রান্তিকতম মানুষজন, গরীবগুর্বো, অসহায় দিন আনি দিন খাই মুটেমজুররা। যতো ছোটখাটো ড্রাগ পেডলার, দোকানী, মুটে মজুর, তাদের সকলের আশ্রয় দেব ... ...

কুম্ভলগড়ের সাধু১৯৯২ এর পুজোর ছুটিতে রাজস্থান যাওয়া হল। পঞ্চমীর দিন স্কুল ছুটি হয়ে বেরোনো। ফেরা ভাইফোঁটা কাটিয়ে স্কুল খোলার আগের দিন। ইন্ডিয়ান রেলে সার্কুলার টিকিট বলে একরকম টিকিট পাওয়া যায়। আগে থেকে কোথায় কোথায় থামা হবে প্ল্যান করে রেলওয়েকে জমা দিতে হয়। শুরু এবং শেষের স্টেশন এক হতে হবে - এই হল শর্ত। একমাস বা চল্লিশ দিন - এইরকম কিছু একটা সময়ের জন্য ভ্যালিড থাকে এই টিকিট। একসময় ইউরোপে ঘোরাঘুরির জন্য ইউরোরেলের খোঁজখবর নিয়েছিলাম। সেখানেও আছে এমন ব্যবস্থা।আমি তখন ক্লাস এইট, ভাইয়ে ... ...

স্কুলবেলা থেকেই নতুন বছরের জন্য অপেক্ষা করতাম আমি। শুধু আমি কেন, 'আমরা' বলাই ভাল, আমরা : ক্লাসের ছেলেমেয়ে সবাই। সেসময় নভেম্বরের কুঁড়িতে ডিসেম্বরের নরম দুপুরফুল ফোটার গন্ধে রোদ্দুর আলসেমি খেলে, বইপত্তর ছড়াতে হত না মাদুরের বেলাভূমিতে। পরীক্ষাপাতির চক্কর ছিল আরও মাস তিনেক পর। ২৫ শে ডিসেম্বরের পর থেকেই শুরু হত সে মাধুকরী অপেক্ষা, কবে আসবে বছরের প্রথম দিন। স্কুল খুললেই গ্রিটিংস কার্ডের ঝাঁপি নিয়ে বসব। কত রঙের সেসব কার্ড, কোথাও ফুল, কোথাও একটা ছোট্ট ঘর, আকাশে দু'তিনটে পাখি, একটা নারকেল গাছ আর নীল নদী ... ...

কিউবা বেড়াতে গেছিলাম বলে দাবি করছিনা যে কিউবা দেখে ফেলেছি। সমাজতান্ত্রিক একটা দেশ দেখা বলতে যেরকম দেশটার মেঠো পথে পথে ঘুরে বেড়ানো বোঝায়, মানুষ কে ছুঁয়ে দেখা বোঝায়, সংস্কৃতিকে নেড়েঘেঁটে দেখা বোঝায়, বিশেষ করে এমন একটা দেশে, যেখানকার বৈশিষ্ট-ই পশ্চিমি বাজারসভ্যতার সঙ্গে ছুঁতমার্গ, তার আমি কিছুই করিনি। কিউবা বললেই আমাদের মতো আশি/নব্বই-এর দশকে বামপন্থী রাজনীতি করা বা বিশ্বাসকরা মানুষ যেমন করে রুকস্যাক কাঁধে মোটরসাইকেলে চে-গেভারার মেঠো পথে ঘুরে বেড়ানো মনে করে , সেরকম কোনো তীর আমি মারিনি। আমি ... ...

দি গ্ল্যামার অফ বিজনেস ট্রাভেলদুধেতে পটিতে*******************“স্যার, আর ইউ শিওর ইউ ওয়ান্ট টু টেক দিস সীট ?”“কি ব্যাপার বলুন তো ? আমি সবসময়েই টিকিট বুকিং এর সময় ওই সীট টাই চাই। লম্বা লম্বা পা গুলো ছড়িয়ে বসা যায়। এত লম্বা ফ্লাইটে খুবি সুখকর। কোনবারেই টিকিট বুকিং এর সময় আপনারা এই সীট গুলো ফ্রী রাখেন না। আর এয়ারপোর্টে এসে কোনবার পাই ও না। তা এবার যখন খালি আছে, বারবার জিজ্ঞাসা করছেন কেন ?”“ না স্যার, আসলে আপনার পাশের সীট টা এক ইনফ্যান্ট ফ্লাই করছে, মা আছে অবশ্ ... ...

আমি, দিপু, অপু আর বিপ্রদাশ; চার বন্ধু একসাথে মিলে সন্ধ্যার পরে চা খাই আর জগতের নানাবিদ বিষয় নিয়া আলোচনা করি। আমাদের জীবন প্রায় নিস্তরঙ্গ, তাতে বিশেষ কোন চড়াই উৎরাই নাই। ফলে আমরা জগত সংস্লিষ্ট আলাপের ফুসরত পাই এবং আমাদের মনে হয় এটা খুবই গুরুত্বপূর্ন এক কাজ। এইসব আলাপের চরিত্র কীরকম হয়, তা হয়ত আপনাদের অনেকেই বুঝতে পারছেন। পরিচিত, দূর পরিচিত মহিলা ও পুরুষদের বিষয়ে, ছেলে ও মেয়েদের বিষয়ে, নানা রাজনৈতিক বিষয় নিয়া, কখনো কখনো হালকা দার্শনিক বিষয়াবলীও আমাদের আলোচনায় চলে আসে। কিন্তু কোন আলাপই আম ... ...

ওই কোণের ছেলেটাকে দ্যাখ। ঘ্যাম দেখতে। তোকে দেখছে।-উরি শ্লা, এ তো পুরো হট প্রপার্টি রে। কিন্তু কি ব্যপার বলতো, মাল, তুই ছেলে দেখছিস কেন? চেঞ্জ-ফেঞ্জ হয়ে গেলি না কি? আমার চান্স আছে?-বা-আ-ল। তোর জন্য দেখছি বে। না হলে তো সারা জীবন এইরকম আমার রুমমেট হয়ে থাকবি আর আমার সঙ্গে শপিং করে আর সিনেমা দেখে কাটিয়ে দিবি। মাঝখান থেকে আমার আর গার্লফ্রেন্ড জুটবে না। --আচ্ছা, দাঁড়া তোর জন্যও জোটাচ্ছি। ওই সামনের নীল কুর্তি পছন্দ?-ধুস। ওর থেকে তো শালা তুই বেটার। ... ...

আমাদের সংস্থান ভিন্ন। আমাদের আনন্দ আলাদা, অভিমান আলাদা। আমাদের পদশব্দও আলাদা। আমাদের পাপ আলাদা। লকার আলাদা। কোনো কোনো মুহূর্তে বৃত্ত ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়। পুকুরের জলে ঢিল ছুঁড়েছিলে, তাই কাটাকুটি খেলা। সন্ধ্যে নামার আগে তেচোখো মাছেরা খলবল করে অখন্ডিত আলোয়। তখন জলতলে ছায়া নামছে বলে কুঁচবক উড়ে যাবে দূর শিরিষের চূড়োয়। একটি বৃত্ত ক্রমশ মিলিয়ে গেল বলে আরেকটি বৃত্তের ঢেউ দিই। এই তো মেলেছে পার্বণ তোমাকে নির্বাসন দিইনি বলে। ঢেউ ঢেউ তরঙ্গ তরঙ্গ ... ...

না, আমাদের ছোটবেলায় বাড়িতে কখনো ফ্লুরিজের কেক আসে নি। নাহুমসেরও না। আমাদের ভাঙাচোরা ভাড়ার বাড়িতে ওইসব নাম শুনিই নি কখনো। ইন ফ্যাক্ট, মনে আছে ফ্লুরিজের নাম প্রথম পড়ি সত্যজিতের কোনও একটা গল্পে। আমার মা রান্না করত কেরোসিন স্টোভে। কখনো কেক-টেক বেক করেন নি ভদ্রমহিলা। করতে জানেন বলেও মনে হয় না। পিঠেপুলি, পাটিসাপ্টা করেছেন অনেক। তবে সে গল্প অন্যদিন। তার মানে কি আমাদের বাড়িতে বড়দিনের কেক হত না? হতই তো। কেক আসত জলযোগ থেকে। ফ্রুটকেক। আমরা বলতাম পাঁউরুটি কেক। আর আসত মায়ের অফিস ক্যান্টিন ... ...

আঠারোমুড়া পাহাড়ের গায়ে সোনালী সোনালী খোড়ো ঘর। জুমিয়াদের গ্রাম। শীত নেমেছে কুয়াশা জড়িয়ে। জম্পুইএর কমলা ঝুড়ি ভরে একটু করে সীম বেগুন লাইপাতা ঢেঁকী শাকের পাশে বসে বাজারে কমলা রঙের আভা ছড়াচ্ছে। পৌষ মাস - সংক্রান্তি আছে। মুগের পিঠা মাছের পিঠা একঘরে কেউ যদি করে সব ঘরের বাচ্চারা ভাগ পায়। দুধের বাচ্চাগুলোরও ফর্সা গালে লালি গুড়ের লাল ছোপ ছোপ, মায়ের পিঠে কাপড় দিয়ে বাঁধা। ঘুমোচ্ছে আর জিভ দিয়ে গাল চাটছে। মায়ের মাথায় কনকের কি বয়রা লাকড়ীর বোঝা। বড় রাস্তার ধারে বাস ট্রাকের মালিকেরা দাম দিয় ... ...

২০১৫ সালের সন্ত্রাসবাদী হামলার শিকার হবার পর, ফরাসী দেশের একটি সুবিখ্যাত কার্টুন উৎপাদক পত্রিকা শার্লি হেবদো (নাকি অন্য কোনো উচ্চারণ হবে কে জানে) এখন একটি অতি পরিচিত নাম। এদের অফিসে হামলার পর, আমি, আপনি সহ প্রায় গোটা দুনিয়া হাতে হাত মিলিয়ে মৌলবাদের বিরুদ্ধে এবং বাক-স্বাধীনতার পক্ষে থাকার শপথ নিয়েছিল। ফ্রান্সের নানা শহরে হয়েছিল বিরাট মিছিল। এবং জন্ম হয়েছিল একটি নতুন বাক্যাংশের। Je suis charlie। অর্থাৎ কিনা 'আমিই শার্লি'। ওই ঘটনার পর এই বাক্যাংশটিতে ক্রমশ বাক-স্বাধীনতার এবং সহমর্মিতা জ্ঞাপনের প্রত ... ...

সকালে উঠেই জয়রাজ ভট্টচার্যের এই পোষ্টটা পেলাম।এর সাথে আমারও কিছু কথা মনে পড়ে গেল।আগে ওর লেখাটা দিই। গনেশ ঘোষের তখন বাহাত্তর তিয়াত্তর বছর বয়স, সিদ্ধার্থর সরকার রাজ্যে, দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্রে তাঁকে হারিয়েই প্রিয়রঞ্জন প্রথমবার সাংসদ। কিছু চ্যাংড়া কংগ্রেসি কালী পুজোর চাঁদা চাইতে বাড়িতে গেছে। তার বিখ্যাত অতি নম্র গলায় গনেশ ঘোষ বলেন- আমি তো কম্যুনিস্ট, পুজোতে চাঁদা দিই না, আপনারা কোন সমাজকল্যাণের কাজে চাঁদা চাইলে নিশ্চই দেবো। মানুদা, প্রিয়দার জমানা, কাটা পাইপের ছিটকিনি লাগানো মেশিন বের ... ...

ভিটের টান**********(১)দাঁতে দাঁত চেপে বসেছিল অর্ক সেন। তাজ বেঙ্গল হোটেলের ক্রিস্টাল হলে বাণিজ্য জগতের রথী মহারথীদের ভিড়। কে নেই আজ এই সভায়? ইমামির গোয়েংকা, আগারবাল, আম্বুজার হর্ষ নেওটিয়া, বন্ধন ব্যাংক এর এম ডি, বিক্রম সোলার এর এম ডি, অর্থমন্ত্রী ডঃ অমিত মিত্র..... মানে সারা বাংলার বাণিজ্য জগতের "হু ইজ হু" সবাই আজ উপস্থিত। ইকনমিক টাইমস আর বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স এর যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর এই অনুষ্ঠান টি করা হয়। সর্বোচ্চ কর্মসংস্থানকারী সংস্থা, সর্বাধিক লাভকারী সংস্থা, সর্ ... ...

হায় আইটি ইন্ডাস্ট্রি! তোমার স্বর্ণযুগ ফুরাইয়াছে! জয়েন করিলেই আমেরিকায় লং টার্ম অ্যাসাইনমেন্ট নাই, পাড়া প্রতিবেশীর কাছে “বিলেত-ফেরত” আখ্যায় ভূষিত হইবার সুযোগ ক্রম-সঙ্কুচিত, তদুপরি পিতৃ-পিতামহের কালে না শোনা হায়ার-এন্ড-ফায়ার নীতির ব্যবহার শুরু ! এ যে ঘোর কলিকাল! এবং কলিকালের অন্যতম লক্ষণ যে কর্মী- সংগঠন, এখন তাহাই সকলের ভরসা!নাঃ এবার একটু সিরিয়াস কথা! ... বলার আগে একটু গৌর-চন্দ্রিকা প্রয়োজন। প্রথমতঃ আমার ব্যক্তিগত পরিচয় শুধু আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে, আইটিইএস সম্বন্ধে আমার বিন্দুমাত্র ধারনা ... ...

১মেসোপটেমিয়া ও নীলনদের মতো দুই বিখ্যাত সভ্যতাভূমির মাঝের অঞ্চলে ইজরায়েলের আদিম অধিবাসীরা বসতি স্থাপন করেছিল। তারা নিজেদের জেকবের উত্তরসূরী বলত। প্যালেস্টাইনের হার্বন নগরীকে কেন্দ্র করে তাদের বসতি গড়ে উঠেছিল। ইহুদী বাইবেলের মতে জেকবের বারোজন পুত্র ছিল এই পুত্রদের থেকে এক একটি গোত্রর জন্ম হয়েছে। এক বিরাট দুর্ভিক্ষের পর জেকব ও তার পুত্ররা সঙ্গীসাথীদের নিয়ে ইজরায়েল ত্যাগ করে মিশরে চলে যেতে বাধ্য হয়। তাদের উত্তরাধিকারীরা কালক্রমে মিশরে দাসের মতো জীবনযাপনে বাধ্য হয়। চারশো বছরের দাসত্বের পর ইজরায়ে ... ...

১৬ ডিসেম্বর,১৯৭১ সালে আসলে কি হয়েছিল? পাকিস্তান বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল মিত্র বাহিনীর কাছে, মেজর জেনারেল জ্যাকব আত্মসমর্পণের সমস্ত আয়োজন করেছিলেন,লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে লে. জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজি আত্মসমর্পণ করেন। মোটামুটি ১৬ তারিখের মূল আলোচিত ঘটনা এমনই। এই বছর গত ১৪ আগস্ট ভারতীয় টিভি চ্যানেল সনির sony liv নামক ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি নামে একটা শর্ট ফিল্ম প্রকাশ করে। তারা যদিও কোথায় উল্লেখ্য করেনি যে এটা পুরোটা সত্য ঘটনার উপরে নির্ভর করে বানানো হয়েছে। কিন্তু মানুষ কেন জানি ... ...