• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • দি গ্ল্যামার অফ বিজনেস ট্রাভেল,দুধেতে পটিতে

    Malay Bhattacharjee
    বিভাগ : ব্লগ | ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ | ৪৯ বার পঠিত
  • দি গ্ল্যামার অফ বিজনেস ট্রাভেল
    দুধেতে পটিতে
    *******************

    “স্যার , আর ইউ শিওর ইউ ওয়ান্ট টু টেক দিস সীট ?”

    “কি ব্যাপার বলুন তো ? আমি সবসময়েই টিকিট বুকিং এর সময় ওই সীট টাই চাই। লম্বা লম্বা পা গুলো ছড়িয়ে বসা যায়। এত লম্বা ফ্লাইটে খুবি সুখকর। কোনবারেই টিকিট বুকিং এর সময় আপনারা এই সীট গুলো ফ্রী রাখেন না। আর এয়ারপোর্টে এসে কোনবার পাই ও না। তা এবার যখন খালি আছে, বারবার জিজ্ঞাসা করছেন কেন ?”

    “ না স্যার, আসলে আপনার পাশের সীট টা এক ইনফ্যান্ট ফ্লাই করছে, মা আছে অবশ্যই সাথে। আসলে অনেকেই লং ফ্লাইটে ইনফ্যান্ট দের পাশে ট্রাভেল করতে চান না। আপনার আপত্তি না থাকলে দিচ্ছি ইস্যু করে।“

    যাচ্ছি জার্মানী। একটা জরুরি মিটিং এ। এই তো কয়েক বছর আগের ঘটনা। প্রথমে দুবাই। তারপর দুবাই থেকে ডুসেল্ডর্ফ।

    ফ্লাইটে উঠে দেখি তেনারা আগেই উঠে বসে আছেন। মেয়েটির বয়স কত হবে ? উনিশ,কুড়ি, একুশ, বাইশ… । আমি আবার মেয়েদের বয়স আন্দাজ করতে পারিনা। মাঝে মাঝেই বউ ঝেড়ে দেয়, “ কি এত বাচ্চা বাচ্চা মেয়েগুলোর প্রোফাইল পিকচার এ লাইক মারো?” যাক গে ...
    স্যুটকেস টা ওপরে তুলে বালিশ কম্বল হেডফোন গুছিয়ে ভালো করে বসে একটা ম্যাগাজিন হাতে নিতেই পাশ থেকে আওয়াজ এলো...

    “ আংকেল আপনি কতদূর যাবেন ? “

    “ ডুসেল্ডর্ফ- জার্মানী। আপনি ?”

    “ নিউইয়র্ক”

    “সাথে কেউ নেই, এভাবে একা একা বাচ্চা নিয়ে...”

    “একা যাওয়ার অভ্যাস আছে, তবে বাচ্চা নিয়ে এই প্রথম। হাসবেন্ড নিউইয়র্কে চাকরি করে। ছুটি পায়নি, ভিসার ও কি সব সমস্যা। তাই... তবে আপনি আছেন তো , সামলে নেবো।“

    আমি মনে মনে ভাবছি, “আমি আছি মানে ? আমি কি করবো ?” তখন যদি জানতাম...

    টেকঅফ করতেই, মেয়েটি নিজের সামনে রাখা হ্যান্ডব্যাগ খুলে একটা স্যানিটাইজারের শিশি বের করে ...

    “ নিন আংকেল, হাতটা স্যানিটাইজ করে নিন।“

    আমি তখন পুরো বেওকুফ। কেন ? আমি কেন? আমার হাত কেন ? এসব প্রশ্ন মনের ভিতরে ঘুরঘুর করছে। কিন্তু কাজ করছি ও যা বলছে তাই। বেশ করে হাত স্যানিটাইজ করে নিতেই বাচ্চাটা চোখ খুলে চাইলো। আর তার চোখ খুলতেই নজর গেলো আমা্র দিকে।

    আহা কি প্রাণ ভোলানো হাসি ...

    “একটু কোলে নেবো?”

    “একটু কেনো, নিন না , যতক্ষন খুশি নিন।ও কাঁদে না তবে ওই একটু ভ্রুরররর ভ্রুররর করে।“

    বেশ মিস্টি একটা বাচ্চা, গদগদে গাবলু। কোলে নিয়ে একবার কুটুকুটূ করেছি কি করিনি... ভ্রুরররররররর করে একমুখ ভর্তি থুতু ভরিয়ে দিলো আমার মুখ চোখ।

    কোথায় যেনো একটা চিড়িয়াখানায় একটা লামার সাথে আদিখ্যেতা করতে গিয়ে সারা গা থুতু মেখে ফিরেছিলাম। মনুষ্যপ্রজাতিতেও এরকম থুতুশিশুর সাথে এই আমার প্রথম পরিচয়।

    তখন ব্রেকফাস্ট সার্ভ করা শুরু হয়ে গেছে। মেয়েটি আমাকে প্রথমে খেয়ে নিতে বলে থুতুশিশুকে কোলে নিতেই সে মাকেও দিল একদলা ভ্রুরররর। মেয়েটি দেখলাম একদম প্রস্তুত। চট করে ব্যাগ থেকে বেশ কিছু টিসু পেপার বের করে আমার হাতে দিয়ে বললো, রাখুন আংকেল। আগামী চার পাঁচ ঘন্টা কাজে লাগবে। আরো চাইলে আরো আছে।

    মার কোলে দিয়ে ব্রেকফাস্ট সেরে স্বাভাবিক দায়িত্ব থেকেই বললাম “ এবার তুমি খেয়ে নাও, আমি ওকে নিয়ে ঘুরছি।“

    এয়ারহস্টেস কে ডেকে বেসিনেটে বাচ্চাদের বিছানাটা লাগিয়ে দিতে বললাম। যাতে ঘুমোলেই শুইয়ে দিয়ে একটু শান্তিতে বসতে পারি।

    বিছানা লাগানোর পরে শোয়াতে গিয়ে দেখি চিত্তির। বাচ্চাটা বিছানার চেয়ে জাস্ট কয়েক ইঞ্ছি লম্বা হয়ে গেছে। পা ধরছে না। এইভাবে এয়ারহস্টেস রাও রাজি নয় বাচ্চাটাকে ওখানে শুতে দিতে।এক্সিডেন্ট হতে পারে। অতএব, কোল ছাড়া গতি নেই। বলাই বাহুল্য, এয়ারহস্টেস মহিলাটিও একদলা ভ্রুরররর খেয়ে গেছেন যতক্ষন বাচ্চাটাকে বিছানায় ফিট করানোর চেষ্টা করছিল যখন।

    অগত্যা নিরুপায় আমি শুরু করলাম কোলে নিয়ে ঘোরা। এমাথা থেকে ওমাথা। বাচ্চাটার একটা ব্যাপার খেয়াল করছিলাম। ও কিন্তু নিজে থেকে ভ্রুররর করছিল না। ওকে ট্রিগার করতে হচ্ছিল।

    নানা দেশের নানা ভাষার লোকজন ফ্লাইটে। বাচ্চা দেখলেই আদিখলা হয়ে হ্যালো, পুচুপুচু ,কুটুকুটু, কিউট বেবি চালু হয়ে যায়। এ ব্যাটা ওরকম প্রত্যেক টা পুচুপুচুতে, কুটুকুটুতে উত্তেজিত হয়ে আমার দিকে মুখ ফিরিয়ে একদলা ভ্রুরররর ছাড়ছিলো। আমিও মোটামুটি রিফ্লেক্সে পকেট থেকে টিসু পেপার বের করে মুছে মুছে আবার ফাঁকা পিচ রেখে রেখে যাচ্ছিলাম নেক্সট ভ্রুরররর এর জন্য।

    মিনিট পনেরো ঘোরার পর, মনে হল এবার নিশ্চই ওর মায়ের খাওয়া হয়ে গেছে। যাই , যার গোপাল, তাকেই দিয়ে বসি গিয়ে আরাম করে।
    সীটে ফিরে আমার চক্ষু চড়কগাছ। খাওয়া তো শেষ বটেই, তিনি হাতে মেহেন্দি লাগানো শুরু করে দিয়েছেন !!

    “আংকেল, আসলে না কাল ওর বন্ধুর ম্যারেজ এনিভার্সারি। ওখানে পৌঁছে আর সময় পাবো না। এখন লাগিয়ে নিলে, দু তিন ঘন্টায় শুকিয়ে যাবে। আপনি প্লীজ একটু যদি হেল্প করেন। কোলে কোলে রাখা, মাঝে একবার খাইয়ে দেওয়া... আমি দেখিয়ে দেবো, আর ন্যাপি মনে হয় না বদলাতে হবে।প্লীজ আংকেল...”

    কতটুকুই বা বয়স ? আমার মেয়ের থেকে এক দু বছরের বড় হবে। এটুকু মেয়ে, বিয়ে করে মা হয়ে গেছে। কতটুকু ম্যাচিওরিটিই বা প্রত্যাশিত ? ভেবেছিলাম ফ্লাইটে বাহুবলীটা এবারে দেখবোই। যাকগে, বাহুতে বালগোপাল নিয়ে বল্লে বল্লে করে বেড়াই, আর কি ?

    তারপর কিভাবে সেই মেয়েটির ব্যাগ থেকে দুধের বোতল, সেই স্প্যানিশ এয়ারহস্টেসের থেকে গরম জল নিয়ে দুধ বানানো, খাওয়ানো ... এ যদি আমার বউ দেখতো তাহলে তিনদিন মুখ ঝামটা খেতাম... “ নিজের মেয়ের বেলায় তো কুটোটি নাড়তে দেখিনি। এবার তো বেশ পারলে দেখি... ইত্যাদি ইত্যাদি ইতির আদি।“

    খাইয়ে দাইয়ে আবার তাকে নিয়ে ঘোরা শুরু করেছি। সে বাচ্চাও ঘুমোয় না মোটে। মাঝে একবার ঢেকুর তোলাতে গিয়ে মুখ দিয়ে ছানা বের করে এনেছি।পাশ থেকে ফুটকাটা মন্তব্য কানে ভেসে এসেছে..

    .” অনেক বয়সে বাবা হয়েছে, সামলাতে পারছে না বেচারা।“

    ভাবছিলাম ঘুরে দাঁড়িয়ে দেই...

    “ আজ্ঞে না মাসীমা, প্রায় ওর মায়ের বয়সী আমার মেয়ে আছে। আপনি যেটা ভাবছেন সেটা খুব একটা স্বচ্ছ ভাবনা নয়।“ তারপর মনে হয়েছে, থাক গে । কে কি ভাবলো তাতে কি এল গেল ?

    ব্যাস, শুধু এটুকুই বাকি ছিল। নাকে একটা দুর্গন্ধ আসছিল। ওর মায়ের কাছে নিয়ে যেতেই বুঝে গেলাম বাকিটা। ব্যাগের কোথায় হাগিস আছে দেখিয়ে আর নিজের দুহাত বের করে কাঁচা মেহেন্দির সাথে করুণ একটা চাউনিতেই বুঝে গেলাম আংকেলকে কি করতে হবে !! স্বর্গের পরীর মত হাজির হল সেই স্প্যানিশ আকাশললনা। তার কাছে পুরো স্যারেন্ডার করে দিলাম। খাওয়ানো, ঢেকুর, ছানা,ভ্রুরররর সব ঠিক আছে, এটা হবে না আমার দ্বারা।

    সে মেয়ে দেখি তুখোড় এক্সপার্ট। সটাং কোলে নিয়ে টয়লেটে বাচ্চাদের ধোয়ানোর ট্রে খুলে চটপট ধুয়েমুছে হাগিস বদলে একদফা ভ্রুরররর খেয়ে যখন আমার দিকে তাকিয়েছে, আমি তখন জিজ্ঞাসা করেই ফেলেছি “ তোমার বাচ্চা আছে বুঝি?” । সে হেসে কুটিপাটি “ নো নো স্যার, উই আর ট্রেইন্ড”

    দুবাই তে নেমে, নিউয়র্কের ফ্লাইটের গেটে দুজন কে ছেড়ে বিদায় নেবার আগে একবার গাল টিপে আদর করতে হাত বাড়িয়েও চমকে পিছিয়ে নিলাম। আর ভ্রুরররর খাবার ইচ্ছা ছিল না। মনে হচ্ছিল কখন স্মোকিং লাউঞ্জে ঢুকে একটা লম্বা টান দেবো।

    প্রায় আরো সাত ঘন্টা ট্রাভেল করে জার্মানীর হোটেলে ঢুকে জামাটা ছাড়তেই গন্ধটা নাকে এসে লাগলো। নাকে লাগিয়ে বুক ভরে শুঁকে নিলাম দুধের, বমির,বাচ্চার খুব চেনা একটা গন্ধ। না হয় খেলামই বেশ খানিকটা থুতু, ফিরিয়ে তো দিলো দু যুগ আগে ফেলে আসা সেই বছর গুলো , সেই চেনা গন্ধগুলো, ...।

    থাক , এই জামাটা লন্ড্রীতে দেবো না এখনি।
    ********************************************

    সবাইকে নতুন বছরের অনেক শুভেচ্ছা । চলুন এগিয়ে যাওয়া যাক।
    ভ্রুরররররররররররররররর……
  • বিভাগ : ব্লগ | ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ | ৪৯ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • শঙ্খ | 126.206.220.177 (*) | ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ ০১:২৮61449
  • কুমুদির সঙ্গে একমত ;) এই জন্যেই বাসে লেখা থাকে 'মালের দ্বায়িত্ব আরোহীর'।
  • kumu | 132.176.179.80 (*) | ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ ০১:৫২61450
  • হ্যাঁ,অন্যকে পরিশ্রম করিয়ে যে মেহেন্দী শুকোয়,তাকে কান মলে দিতে হয়।
    আমি কি খুবি খিটখিটে হয়ে যাচ্চি?
  • dc | 132.174.113.68 (*) | ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:১৬61446
  • হুঁ সেই দুধ দুধ গন্ধটা। কিছুদিন আগেও পেতাম, এখন আর পাইনা।
  • pi | 57.29.228.164 (*) | ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:৫৩61447
  • ভ্রুর্র্র্র্র্র্র্র.... ঃ)
  • kumu | 132.176.179.80 (*) | ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:১৭61448
  • বেশ লাগলো পড়তে,এক ঝলক তাজা হাওয়া।
    তবে ঐ মেহেন্দীকন্যাকে বাচ্চা ফিরিয়ে দিলে আরো বেশ লাগত।
  • বিপ্লব রহমান | 133.108.246.130 (*) | ০১ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:৩৩61451
  • বেশ কুড়মুড়ে লেখা, চলুক।
  • শিবাংশু | 55.249.72.150 (*) | ০১ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:৪১61452
  • বাহ....
  • Abhijit Majumder | 113.251.51.37 (*) | ০২ জানুয়ারি ২০১৮ ০২:৫১61453
  • মিষ্টি মন ভালো করা লেখা
  • de | 69.185.236.52 (*) | ০২ জানুয়ারি ২০১৮ ০৬:৪৭61454
  • এরকম কেউ সত্যি করে???

    মেহেন্দী হাতে লাগিয়ে বাচ্চা অন্যের হাতে? আমি সত্যি বিশ্বাসই করতে পারলাম না -
  • Hu | 108.228.61.183 (*) | ০৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০১:২২61455
  • করে। বাবার কাছে শোনা একটা গল্প বলি। বাবা তখনও নিজে বাবা হননি। মাকে নিয়ে বেড়াতে গেছেন রাজগীরে। রাজগীরে যারা গেছেন তারা জানেন রত্নগিরি পাহাড়ের রোপওয়েটির কথা। একটি মাত্র চেয়ার দড়িতে ঝোলানো থাকে। চেয়ারের সামনে একটি রড। সেটি চেপে ধরে বসতে হয়। নীচে গভীর খাদ। বাবা বলেন তার চেয়ারটি স্টেশন ছাড়ছে সেই মুহুর্তে একজন ঝড়ের বেগে এসে বাবার কোলে একটা বাচ্চাকে বসিয়ে বলে, আমার খুব ভয় করছে, আমার বাচ্চাকে আপনি নিন। বলতে বলতেই চেয়ার চেড়ে দেয়। অনভ্যস্ত হাতে একটি দুধের শিশু, নিচে গভীর খাদ। আমরা আজও ভেবে পাইনা, সেই মহিলাটি কি করে এই কাজ করেছিলেন।
  • kumu | 192.69.102.188 (*) | ০৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:৫৪61456
  • খুবি করে।
    আমার পাশে বসে এক তরুণী মা,বয়স নিশ্চিত আঠারোর কম,মাস ছয়েকের বাচ্চা কোলে।সম্ভবত জীবনের প্রথম প্লেনযাত্রা,স্বামীর সিট একটু দূরে,দুজন ভদ্রলোকের মাঝে।প্রথমে মেয়েটি নানা চেষ্টা করল সিট অদলবদল করে স্বামীর পাশে বসার,হল না।তারপর আমার ও জনলার পাশের মহিলার কাছে বাচ্চা দিয়ে প্লেনের মধ্যেই দুজনেবসে,দাঁড়িয়ে ,নেচে ছবি তুলল।
    প্লেন উড়বার পর যা হয়,বাচ্চাটির হয়তো কানে লাগছিল,সে পরিত্রাহী চেঁচাচ্ছিল,মায়ের কোন হেলদোল নাই।সে আমার সঙ্গে খেজুরে আলাপ জুড়ে দিল,কোথায় থাকি,ছেলেমেয়েরা কী করে ইত্যাদি,কেন সেটা একটু পরে বুঝলাম।যখন বললাম বাচ্চার হয়তো কানে ব্যথা করছেওকে আগে দেখুন।
    অম্লানবদনে মেয়ে বল্ল,না,ওর খিদে পেয়েছে,একটু দুধটা বানিয়ে খাইয়ে দিন না,আসলে আমার শাড়িটা এত দামী।
    স্তম্ভিত হয়ে জানিয়ে দিলাম,আমার দ্বারা হবে না।ওরে বাবা,সে কী গজগজ,আপনার দুই ছেলে,তাদের দুধ খাওয়ান নি,এইটুকু করতে হাত ভেঙ্গে যাচ্ছে নাকি,শাড়িটাও তো অর্ডিনারি আরো কত কী।
    বিরক্ত হয়ে এয়ার হোস্টেসকে ডাকলাম,জানলার পাশের দক্ষিনী মহিলাও সায় দিলেন,তখন থামল।
    সে তুলনায় এই লেখক তো দেবদূত।
  • kumu | 192.69.102.188 (*) | ০৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:৫৮61457
  • দক্ষিণী
    আমি কিন্তু বাচ্চাদের আদর করার বিরুদ্ধে নই মোটেই,কিন্তু বিনাকারণে এইরকম দায়িত্ব চাপানোর চেষ্টা দেখলে গা জ্বলে।মেয়েটি যদি অসুস্থ হত তবে নিশ্চয়ই সাহায্য করতাম।
  • de | 24.139.119.172 (*) | ০৩ জানুয়ারি ২০১৮ ০৫:৪৪61458
  • আমি হাঁ হয়ে গেলাম পড়ে -

    আমার কন্যা বাচ্চা আর তার মা কাছাকাছি দেখলেই অন্ততঃ দুটো রো পিছনে কোনভাবে চেঞ্জ করে নেয় - বলে ইভিল ক্যারেকটারদের সঙ্গে আমি ট্রাভেল করি না ঃ))

    আমাকে দেখলে এমনিতেই খুব একটা দায়িত্বশীল মনে হয় না বলে বোধহয় আমার কাছে কেউ বাচ্চা গছাতে আসে না - এমনিতেই বাচ্চা সহ মার কাছে বাবাকেও বসানোর জন্য সিট ছেড়ে দেওয়াই সবচে ভালো - এটা আমি অনেকবার করেচি -
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত