
‘একটা ঘুমের ওষুধ বলবি বাবা? প্রায় এক সপ্তাহ হয়ে গেল ছেলেটা ঘুমোয়নি ঠিক করে, পড়াশুনোও তো করতে পারছে না কিছুই’পাড়ার এক কাকুর ফোন। আমাকে যতটা স্নেহ করেন, আমি প্রায় তার কাছাকাছিই স্নেহ করি তাঁর ছেলে প্রবীরকে—এ বছরের রাজ্যের ছিয়াত্তর হাজার জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার্থীর মধ্যে একজন। গত বছর উচ্চ মাধ্যমিকের সাথেই একবার জয়েন্ট দিয়েছিল—মেডিক্যালে দু’হাজারের আশেপাশে র্যাঙ্কও আসে—সিদ্ধান্ত নেয় আবার একবার বসবে জয়েন্টে। পাড়াতেই ছোট্ট ভুষিমাল দোকান বাবার, ছেলে স্বপ্ন দেখে স্টেথো গলায় ঝুলিয়ে পাড়ার সব ... ...

#সর্ব অদ্যকার দিবস আমার জীবনে এক পরম আনন্দের দিবস হইতেই পারিত। অদ্য বৈকালে সাধারণ ব্রাহ্ম সমাজ প্রাঙ্গণে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমার সপত্নী( প্রয়াত স্বামীর পঞ্চম পক্ষীয় বিধবা) নয়নতারা দেবী ব্রাহ্ম সমাজের অন্যতম অনুসারী শ্রীযুক্ত প্রভাসচন্দ্র দত্ত মহাশয়ের সহিত পুনর্বিবাহ বন্ধনে বাঁধা পড়িলেন। বিধবা বিবাহ হইলেও উহা সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হইল। রাঙাদিদি নয়নতারা সদ্যবিবাহিত পতির সহিত শ্বশুরালয়ে গমন করিলেন। নিকট ভবিষ্যতে তিনি পতির সহিত বিলাত যাত্রা করিবেন। আজ হইত ... ...

বাঙালি এখন রাজনীতি খাচ্ছে, প্রাতঃক্রিয়ায় ত্যাগ করছে, দিবা এবং মধ্যরাতের স্বপ্নেও হানা দিচ্ছে লাল,সবুজ, গেরুয়া।এই রঙিন দিগন্তেু ঘাসফুলের আগুন জ্বালিয়ে হাজির আবার ফলাফলের সমীক্ষা। ফলে, আমি স্বপনে রয়েছি ভোর,/ সখী, আমারে জাগায়ো না ---এখন এইই আমাদের জাতীয় সঙ্গীত।তাই শান্তিপুর ডুবু ডুবু, নদে ভেসে যায় গোছের (ভক্তিরসে নয়, ক্ষতির খতিয়ানে) আবহাওয়াতেও আমাদের মোটে হেলদোল নেই। এতো আর তেমন শহর নয়, গ্রাম্যমেলা থেকে ফেরার পথে নেহাতই দুর্ঘটনা। একটু আহা উহু, উদ্ধার কাজ কেন দেরীতে তাই নিয়ে একটু রাগ। ব্য ... ...

যে যাই বলুক ভাই, বাংলা সাহিত্যের সবচে' বড় ক্ষতি করেচেন মাইরি দাড়িদাদুই! এম্নি লিখেচেন যে আজও বাঙালী তেনার গন্ডি ছেড়ে বেরোতে পারেনি। যে যেমনই লিখুক না কেন রে ভাই, সাহিত্যের ব্যাপারে বাঙালীর উৎকর্ষের মাপকাঠি হলেন সেই আদি ও অকৃত্রিম রবীন্দ্রনাথ। এক্কেরে মোহিনীমোহন কাঞ্জিলাল এন্ড সন্সের মত। কোনো শাখা নেই! এদিকে দক্ষিণেশ্বরের কালীঠাকুর, ওদিকে গীতাঞ্জলীর রবিঠাকুর। আহা, আমার ইয়ে ইয়ে তো কী, রবীন্দ্রনাথ নোবেল! গুরুদেব গো! আরো হাজার বছর তোমায় ধুয়ে জল খাবো গো আমরা! তিরিশ কোটি সন্তানেরা, হে মুগ্ধ দাড়িদা / চ ... ...

ধিন-তা-ধিনা, পাকা নোনা ( ডিঃ কোন রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিকে আহত করা উদ্দেশ্য নহে, কোন চরিত্রের সঙ্গে মিল প্রতীত হইলে উহা নেহাৎই কাকতালীয়।) (১) মহাশিবরাত্রির সকাল। রায়পুর শহরের ফুলচৌক থেকে আর গাড়ি এগুতে পারছে না। বিশাল ট্র্যাফিক জ্যাম। পাঁচটাকা ভাড়ার সওয়ারি অটোতে মাঝবয়েসি ভদ্রলোক খিঁচিয়ে ওঠেন। কি মুশকিল! আমাকে রোগীর খাবার নিয়ে সরকারী হাসপাতাল যেতে হবে। পেশেন্ট সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে, আজ জেনারেল ওয়ার্ডে দেবে। তার আগে আমাকে বিল ... ...

চৌমাথায় একটি নড়বড়ে প্যাকিঙ বাক্সের ওপর কোনোমতে দাঁড়িয়ে নিজেকে ব্যালান্স করতে করতে বক্তৃতা দিচ্ছেন জরি ননি। সামনে পাহারারত নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক। নিয়মমত এই বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটপ্রচারের সাত দিনের মধ্যে কমপক্ষে পাঁচটি স্ট্রীটকর্ণার মিটিং করতেই হবে বিরোধী প্রার্থীকে। প্রথম পাঁচদিন জরি ননি কাটালেন খেলাধুলো করে খেয়ে দেয়ে আয়েশ করে। আর মাঝে মাঝে হা হুতাশ করছেন – আর ক-দিন বাকি – ওরে বাবা পাঁচ পাঁচটা মিটিং – কবে করব – আমার কী হবে। কী কুক্ষণে যে সেবার নৈহাটি বেড়াতে গিয়ে তিনমাসের জায়গা ... ...

গুরু, শুরুর দিন থেকে ধরলে বছর বারো বছর মত হল। অনেক রাস্তা টাস্তা হাঁটা হয়েছে, আমরা একই সঙ্গে নেটে এবং প্রকাশনা জগতে পা ফেলেছি। এখন আর শুরুর দিকের টলমল নেই, নেট এবং প্রকাশনায় গুরুর মোটামুটি একটা ব্র্যান্ড ভ্যালু হয়েছে। খুব বড়ো কিছু না, আবার খুব ছোটোও কিছু না। গুরুর পক্ষ থেকে ভবিষ্যতের কিছু পরিকল্পনা আছে, সেটা জানানোর, এবং আলোচনায় ফেলার জন্যই এই পোস্ট। অনেক গুলো কথা একসঙ্গে বলা হয়েছে, একটু ধৈর্য্য ধরে জনতা যদি পড়েন তো বাধিত হব। এছাড়াও খুব তাড়াতাড়ি করে লিখছি, কিছু ভুলভ্রান্তি অনবধানে হয়ে যেতে পারে ... ...

ফ্ল্যাটটা কেনার পরে সুদীপের চেয়ে শাশ্বতীই যে বেশি খুশি সেটা ওর হাবভাবেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। অবশ্য সুদীপও যে খুশি হয়নি তা নয়। সাজানো-গোছানো বড় বড় দু'টো বেডরুম, একটা গেস্টরুম, একটা ডাইনিং কাম কিচেন আর অ্যাটাচড্ বাথরুম। সদ্য বিবাহিত, উচ্চ-মধ্যবিত্ত একটা দম্পতি বাসস্থান হিসেবে আর কী চাইতে পারে এর বেশি? ঝকঝকে মার্বেলের মেঝে, ঘরের দেওয়ালে চমৎকার হাল্কা সবুজ রঙের প্লাস্টিক পেইন্ট, বড় বড় জানালা দিয়ে আলো আর হাওয়া আসছে অনবরত। তোফা! শুধু একটাই মাইনাস পয়েন্ট - ফ্ল্যাটটা রেললাইনের কাছে হওয়ায় উত্তরদিকের জানা ... ...

এলিসিও সুবিয়েলার ‘ডোণ্ট ডাই উইদাউট টেলিং মী হোয়ার ইউ আর গোয়িং’ এ বন্ধ হতে বসা এক মুভি থিয়েটারের প্রোজেকশনিস্টের সঙ্গে দেখা হয় এক আপাত অশরীরী নারীর, যে এসেছে তার অতীত কোন এক জন্ম থেকে, যে জন্মে তারা দুজনে ছিল টমাস আলভা এডিসনের সহযোগী, সিনেমার জন্মরহস্যের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল। সুবিয়েলার ছবিটিও সিনেমার তথাকথিত ১০০ বছর চলাকালীন সময়েই করা। অথবা সাই মিং-লিয়াং এর ‘গুডবাই, ড্রাগন ইন’। তাইপেইয়ের বন্ধ হতে বসা সে মুভি থিয়েটারে শেষ শোতে চলে ষাটের দশকের জনপ্রিয় মার্শাল আর্টস ছবি ‘ড্রাগন ইন’, আর সেই হণ্টেড থিয়েটার ... ...

আমার ছোটবেলার পাহাড় ঘেঁষা মফস্বলের বাড়িতে একটা প্রাচীন লোহার সিন্দুক ছিল। ডালার ওপর একটা ফ্ল্যাট পদ্মফুল। তার মাঝে সরু একটি নিখুঁত কাটা আয়তক্ষেত্র। চাবিটাও তিনসেরি। মাঝে মাঝে যখন খোলা হতো, মনে পড়তো আলিবাবার খুল যা সিম সিম। ছোঁবার যো ছিল না,ঐ ডালা হাতে পড়লে থ্যাঁতলানো টিকটিকি। শুধু একবার কয়েন, অলংকার,দলিল নামিয়ে পরিষ্কার করার সময় মায়ের লেখা একটা একটা লুকোনো চিঠি আবিষ্কার করেছিলাম। রুলটানা কাগজে গোটা গোটা অক্ষর, প্রাপক আমার বাবা,-----" আমার গায়ের রঙ কালো বলে অনেক লাঞ্ছনা সইতে হয়। আবার মেয়ে হলো, ত ... ...

“দিদি কিছু দিয়ে যা l” “না পারবো না l” “কেন পারবি না?” “কেন ভিক্ষা করছেন?” “ভিক্ষে করি না, নাচগান করে পয়সা কামাই l” কথোপকথন শেষ হওয়ার আগেই সবুজ সংকেতে শহরের অন্যতম ব্যস্ত রাজপথ দ্রুত গতিশীল হয়ে পড়ে l জমকালো হলদেটে শাড়ি পরিহিত রোগাসোগা চেহারার মানুষটি সামান্য গলা তুলে বলে যান, “চোখে গগল্স পরবি আর গরিবকে দুটো টাকা দিতে পারবি না?”একাধিক কালো চশমা ছিল, বা, আছে l দীর্ঘ দীর্ঘ সময়কাল ধরে l কিছু সামাজিক কালো চশমা, যার মধ্যে দিয়ে রূঢ় বাস্তবতাকে কিছুটা ফিকে বলে প্রতীতি হতে পারে l মনে হতে পারে, দে ... ...

গ্রামবাংলার ছেলেমেয়েদের শিরদাঁড়ায় যতটা সহ্যশক্তি থাকে, তার অনেক বেশি থাকে পাল্টা লড়াইয়ের জেদ। লড়াইয়ের মাঠ প্রস্তুত, দেখা যাক কে শেষ কথা বলে…NEET নিয়ে প্রায় একমাসব্যপী টালবাহানার পরে মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট গত 9 তারিখ শেষমেষ জানিয়ে দিল WBJEEM হচ্ছে না, তবে সবাই NEET2 দিতে পারবে। আমি গত 30 তারিখেই বলেছিলাম যে আর যাই হোক না-হোক, WBJEEM হচ্ছে না। এই ডিসিশানে সমস্ত পরীক্ষার্থী মাঝদরিয়ায় গিয়ে পড়লেও সবচেয়ে বেশি হাবুডুবু খাচ্ছে রাজ্যের অসংখ্য বাংলা মিডিয়ামের ছাত্রছাত্রীরা। একদিকে কী পড়বে না-পড়ব ... ...

“The struggle of man against power is the struggle of memory against forgetting” Milan Kunderaআজ থেকে ৩৭ বছর পূর্বে ১৩ই মে ১৯৭৯ মরিচঝাঁপি অপারেশনের "ফাইনাল অ্যাসল্ট" শুরু হয় এবং ১৬ই মে ১৯৭৯ পশ্চিমবঙ্গ সরকার গর্বের সাথে ঘোষণা করেন -অবশেষে মরিচঝাঁপি উদ্বাস্তু শূন্য। বিদেশী শক্তির দালাল, ভারতের পবিত্র অখণ্ডতা ভঙ্গকারী এই সব হতচ্ছাড়া জবরদখল কারীদের উচ্ছেদের অবশেষে কোন বিজয় উৎসব অথবা পাচতারা হোটেলে পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল কিনা অজানা। তবে এই বিষয়টি এতোই ক্ষুদ্র ... ...

বলে লাভ নেই, ভদ্দোরলোকের কুঞ্জ দোষ ছিল। কথায় কথায় জোকার দিয়েছেন, কুঞ্জবন অযথা শিহরিত বা ফালতু হম্বি তম্বি কুঞ্জ সাজাও গো, কুঞ্জের মাঝে কে গো রাধে, কে গো রাধে/ ললিতায় বলে রাধার বন্ধু আসিয়াছে। তাই আমাদের কল্পনায় এই কুঞ্জ খুব নম নম ভাব করে করে ফেললে হবে না, লতা পাতা, ফুল, ফল, পাখি, ছোট্ট ছোট জীব ঘুরছে, উড়ছে এমনই এক দেশ তৈরি করা হবে, শ্রীরাধিকার বাড়ির গায়ে। এ যেন সঙ্গীত সাবানের বুদবুদে রং উড়িয়ে সুরের গায়ে চিনির দানার মত কথা সাজাচ্ছেন, খাঁটি জহুরি। সখি গো একা কুঞ্জে বসে আমি পথ পানে চাইয়া/ নড়িলে ... ...

মিং গা সি মো ? ঙ্গা গী সোনম ইন। খো গী ? দেব। গা তে লা মো ? ট্রাসিগাং ! ওহ তাই এত রূপ। টিকালো নাক আর জ লাইন দেখেই অবশ্য আন্দাজ পেয়েছিলুম ইনি লিম্বুনি নন। কিন্তু দু -চার কথার পরে আমার জংখার স্টক ফুরিয়ে আসে। একসেন্ট তুলে নেওয়া তো খুব সহজ কিন্তু ভাষা শিখে উঠতে পারিনি এত দ্রুত। শব্দভান্ডার খুবই সীমিত। সোনম বুঝতে পারে এবং ইংলিশে আলাপ চালিয়ে যায়। আলাপ বলতে অবশ্য হাসি বেশি কথা কম। ইউনিভার্সিটির পাট চুকিয়ে সে এখন থিম্পুর একটা সেকেন্ডারী ইস্কুলে পড়ায়। টি ... ...

যারা সাঁওতালী মুণ্ডারী প্রভৃতি ভাষা সম্পর্কে এবং বিস্তারিতভাবে অস্ট্রোনেশিয়ান ভাষাগুলি সম্পর্কে জানতে চান, তাদের জন্য ইন্টারনেট এ সহজলভ্য এই অসামান্য বইটি। অতি বিস্তারিত এবং আধুনিক গবেষণার সমস্ত ফসল এতে পাওয়া যাবে।সাম্প্রতিক বাংলা ভাষা নিয়ে যে সমস্ত গবেষণা হচ্ছে তাতে দেখা যাচ্ছে বাংলা ভাষার ওপর মুণ্ডা ভাষার প্রভাব (মুণ্ডারী, ... ...

বিভিন্ন জটিল বিমিশ্রনের মধ্য দিয়ে আমরা যখন অষ্ট্রিক থেকে ক্রমে ক্রমে প্রোটো বাঙ্গালি বা আদি বাঙ্গালিতে রুপান্তরিত হলাম, ততদিনে আমাদের অষ্ট্রিক ভাষায় ভোট-বর্মী, দ্রাবির ও সংস্কৃত-প্রাকৃত বহু শব্দ যুক্ত হয়ে গেছে। পরবর্তীতে যতই আমরা বাঙ্গালি হয়েছি, আমাদের বাংলা ভাষায় অষ্ট্রিক সাঁওতালি শব্দাবলী ততই সংখ্যালঘু হয়ে গেছে। তার পরও বহু শব্দ এখনও আমরা বাংলায় ব্যবহার করি, যা মূলগত ভাবে সাঁওতালি শব্দ। পরিহাসের বিষয় হলো সাঁওতাল শব্দটি নিজেই সংস্কৃতজাত, সাঁওতালদের নিজেদের আখ্যা হলো খেরওয়াল বা খেরওয়ার। বৃহত্তর ... ...

অস্ট্রিক – অস্ট্রিক ভাষাবংশের ভাষাগুলি পৃথিবীর একটি বিস্তৃর্ণ অঞ্চল জুড়ে প্রচলিত। এর বেশ কয়েকটি শাখা আছে। ভারতের আদিম অধিবাসী, যাদের আমরা আদিবাসী বলে জানি, তারা এরকম এক শাখার কয়েকটি ভাষায় কথা বলে। সাঁওতাল, মুণ্ডারী, হো, শবরদের ভাষা অস্ট্রিক ভাষাবংশের অন্তর্ভূক্ত।অস্ট্রিক ভাষাবংশের প্রধান দুই শাখা হল অস্ট্রোনেশীয় (বা মালয়ী-পলিনেশীয়) এবং অস্ট্রো এশিয়াটিক। বর্তমান ভাষাবিদদের অনেকে অবশ্য এই দুই শাখাকে আলাদা ভাষাবংশ বলেই গণ্য করতে চান। অস্ট্রোনেশীয় (বা মালয়ী পলিনেশীয়) শাখাটির ভাষাগুলির মধ্যে আছে ... ...

উত্তর পূর্ব ভারত বাঙালির ভ্রমণের অন্যতম গন্তব্যস্থল। সিকিম এর চিরকালীন টান, আসাম বা অমিত লাবণ্যর শেষের কবিতার শিলং/মেঘালয় এর নস্টালজিয়া ছাড়িয়ে অরুণাচল, মণিপুর, মিজোরামেও পাড়ি দিচ্ছেন ভ্রমণ পিপাসুরা। গোটা উত্তর পূর্ব ভারত জুড়েই প্রচলিত সিনো টিবেটান ভাষাবংশের বিভিন্ন ভাষা। আসুন সেগুলির বংশ গোত্র নিয়ে কিছু খবর জানা যাক।সিনো টিবেটান – সিনো টিবেটান ভাষাবংশের দুটি মূল শাখা হল তাই চীনা ও ভোট বর্মী। তাই চীনা শাখা থেকে চীনা, তাই (থাইল্যান্ড/শ্যামদেশের ভাষা), কারেন ইত্যাদি জন্ম নিয়েছে। এই শাখার কোনও ... ...

সে প্রায় গতজন্মের গপ্পো। চিন্টু তখন হাপপ্যান্টুলে। বিকেলগুলো পাড়ার লাইব্রেরিতে ঝুঁকে কাটিয়ে দ্যায় সে, যে সময় বাকিরা ফুটবল আর কোচিং পিটছে। কলকাতা থেকে আসতেন যে লাইব্রেরিয়ান যুবতী, ছিপছিপে শাড়ি ও চশমা; টয়লেটে যাতায়াতের পথে আশ্চর্য দেখতেন এক ব্রণওলা ক্যাবলা কিশোর, ফ্যালফেলিয়ে রয়েছে অন্ধকার হতে থাকা টেবিলের ওপর। চিন্টু কখনওই কোনও দেবতা ছিল না। পেট-পিঠ মিশে যাওয়া কোমরের খাঁজে সে সময় সে প্র্যাকটিস করত বই-ঝাড়া শিল্প। আর এমনই এক সোনালি গোধূলিতে সে ঝেড়েছিল একটা পত্রিকা। 'যষ্টিমধু' নাম; পাতায় পাতায় হ ... ...