• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • গুরুচন্ডা৯ -- কিছু কথা, কিছু আলোচনা

    ঈশান লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৬ মে ২০১৬ | ৫৫৭৯ বার পঠিত
  • গুরু, শুরুর দিন থেকে ধরলে বছর বারো বছর মত হল। অনেক রাস্তা টাস্তা হাঁটা হয়েছে, আমরা একই সঙ্গে নেটে এবং প্রকাশনা জগতে পা ফেলেছি। এখন আর শুরুর দিকের টলমল নেই, নেট এবং প্রকাশনায় গুরুর মোটামুটি একটা ব্র‌্যান্ড ভ্যালু হয়েছে। খুব বড়ো কিছু না, আবার খুব ছোটোও কিছু না। গুরুর পক্ষ থেকে ভবিষ্যতের কিছু পরিকল্পনা আছে, সেটা জানানোর, এবং আলোচনায় ফেলার জন্যই এই পোস্ট। অনেক গুলো কথা একসঙ্গে বলা হয়েছে, একটু ধৈর্য্য ধরে জনতা যদি পড়েন তো বাধিত হব। এছাড়াও খুব তাড়াতাড়ি করে লিখছি, কিছু ভুলভ্রান্তি অনবধানে হয়ে যেতে পারে, সে জন্য আগাম মার্জনা।
    প্রথমে গুরু কিভাবে বই ছাপে, এবং কেন ছাপে, সে নিয়ে দুই লাইন। প্রথম থেকেই আমাদের বই করার উদ্দেশ্যটা ছিল, সস্তা এবং পুষ্টিকর, যে কারণে চটি বই নামক ধারণাটির জন্ম। চটি নামটা একদম ইচ্ছাকৃতভাবেই দেওয়া হয়েছিল। চটি মানে স্রেফ সরু না, ‘চটি’ বলতেই বাঙালির অবচেতনে একটা বটতলার অনুষঙ্গ চলে আসে। ছাপা ও বাঁধাই সহ সেই অনুষঙ্গটা খুঁচিয়ে তোলার জন্যই বইয়ের নাম চটি। সচেতনভাবেই। বস্তুত মলয় রায়চৌধুরির একটা বইয়ের ভূমিকায় এরকম লেখাও হয়েছিল, ‘লেখক চেয়েছিলেন একটি বটতলার বই, আমরা ছেপেছি চটি’। বলাবাহুল্য উদ্ধৃতিটা হুবহু না, এখন আর খুঁজে বার করে দেখতে ইচ্ছে করছেনা, কিন্তু বিষয়টা এটাই। পুষ্টিকর জিনিস ছাপব, পাঠক লুফে নেবে, কিন্তু দামেও বেশি হবেনা, এই ছিল লক্ষ্য। লক্ষ্যটা এক অর্থে খানিকটা রাজনৈতিকও। একদিকে বাংলা ভাষার কোনো পাঠক নেই, কেউ পড়েনা, এই অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আমরা শুনে আসছি। অন্যদিকে বইয়ের দাম অসম্ভব রকম বেড়ে চলেছে। দুটো একসঙ্গে হওয়া মুশকিল। বই লোকে না পড়লে বেশি দামী বই আরোই পড়বেনা। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে এটা ঘটে চলেছে। কারণ, প্রকাশকের দিকের লক্ষ্যটা থাকছে, যেহেতু পাঠকসংখ্যা কম, তাই কোনোক্রমে তিরিশ (বা চল্লিশ বা একশ)টা বই বেচেই যেন প্রফিট করে নেওয়া যায়। অতএব দাম হু হু বাড়ছে। এবং বালবাহুল্য পাঠক সংখ্যাও কমে আসছে। বলাবাহুল্য এটা একটা স্বল্পমেয়াদি লাভের আত্মঘাতী ধারণা। শর্টকাটের ধারণা। সেটার বিশদে পরে আসছি। কিন্তু এই জায়গা থেকে আমাদের একটা স্টেটমেন্ট দেবার ছিল। যার মূল পয়েন্ট দুটোঃ ১)বইয়ের পাঠক এখনও আছে। ২)কম দামে বই করা যায়। লোকে কেনে। পাঠক সংখ্যা তাতে কমে না, বাড়ে। কারণ লোকে কাগজের কোয়ালিটি পড়েনা, বই পড়ে। বাঁধাই ধুয়ে জল খায়না, ছাপা অক্ষর পড়ে।
    তা, এই স্টেটমেন্টটা আমরা রেখেছি। তাতে নানারকম সমস্যা হয়েছে। অন্তত একটি বড়ো পুস্তক চেন, আমদের বই রাখেননি। কারণ, একটা বইয়ের দাম যদি মিনিমাম তিনশো (বা চারশো ব পাঁচশো) টাকা না হয়, তাহলে তাঁদের প্রফিট মার্জিন বিশেষ থাকেনা। লার্জ স্কেলে অল্প প্রফিটে জিনিসপত্র বেচলে কেন শেষপর্যন্ত বেশি প্রফিট হবেনা, এই যুক্তিজাল তাঁদের মাথায় নেই। তো, এটা জেনেই খেলতে নামা হয়েছিল। কিছু বিকল্প আউটলেট ভাবা হয়েছে এবং হচ্ছে। তার মধ্যে বইমেলাটা সবাই জানেন, কিন্তু আরও বেশ কিছু আউটলেট, তালিকায় জমা হচ্ছে। সেসব যথাসময়ে ও স্থানে প্রকাশ্য।
    তা, এই সমস্যাটা আমাদের জানা ছিল। কিন্তু খুব সাম্প্রতিককালে আরও কিছু সমস্যা দেখা গেল, যেগুলো আগে থেকে ভাবা যায়নি। সমস্যাটার ফোকাল পয়েন্ট একটাই। যে, গুরুর জনপ্রিয়তাকে অনেকেই তাঁদের নিজেদের মার্কেটিং প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন। এর গোটা দুই তিন উদাহরণ আছে। শেষ থেকে শুরু করা যাক। আমাদের বইপত্রের জনপ্রিয়তা, যেকোনো কারণেই হোক, ভালো। কারণ বলতে লেখক আছেন, লেখার মান আছে, আমাদের প্রচার আছে, এবং অবশ্যই পাঠকের বিশ্বাস আছে, যে আমরা যা করি বেছেই করি। বই গছিয়ে দেবার জন্য করিনা। ফলে অনেকেই এসে বাঞ্চে বই নিয়ে যান। এবং বইপত্র শেষ হয়ে যায়, পাবলিসিটিও হয়। তা, সাম্প্রতিককালে দেখা গেল, এক লেখকের এরকম কিছু বই আমাদের বিপণনে জনপ্রিয় হবার পর, একটি তুলনামূলক ভাবে বৃহৎ প্রতিষ্ঠান, তাঁর সঙ্গে চুক্তি করে ফেলল, যে, তারা তাঁর রচনাবলী ছাপবে। সে খুবই আনন্দের কথা। কিন্তু সঙ্গে সাবক্লজ এই, যে, তাঁর আর কোনো লেখা, এমনকি যেগুলো আমরা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করে ফেলেছি, সেগুলোও আমরা আর ছাপতে পারবনা। ফলে, বস্তুত জিনিসটা দাঁড়াবে এই, যে, বিপণনটি আমরা করলাম, কিন্তু এরপরে আগ্রহী পাঠককে পাঁচগুণ দাম দিয়ে সেই বই কিনতে হবে অন্য প্রকাশনা থেকে। পাঠকসংখ্যা নিশ্চয়ই বিপণনের কারণে কিছু বাড়বে। কিন্তু আমরা যে উদ্দেশ্যে বইটি ছাপছিলাম, উদ্দেশ্যটাই ব্যাহত হবে। এটা আমরা আটকাতে পারিনি, কারণ আমরা কোনো লেখকের কোনোরকম স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হোক, এই চুক্তি করিনা। কিন্তু বই প্রিন্টের ক্ষেত্রে এবার থেকে ন্যূনতম শর্তাবলী আরোপ করার কথাই ভাবা হচ্ছে।
    দ্বিতীয় ঘটনাটি (কালানুক্রমিকভাবে সেটা অবশ্য আরও আগে ঘটেছে) আরও বিস্ময়কর। আমাদের কাছে একটি পত্রিকা ‘অন্য যৌনতা’র একটি লেখা ছাপবে বলে অনুমতি চেয়েছিল, আমরা বলেছিলাম কৃতজ্ঞতা স্বীকার করলে ছাপতে পারেন। কার্যত দেখা গেল এক গাদা লেখা ছেপে বসে আছেন, এবং কোনো কৃতজ্ঞতা স্বীকার নেই। এটা ছিল একটা পত্রিকা, এবং তারপর, আরও বিস্ময়কর, যে, একজন নামী প্রকাশক, সেটাকে বই বানিয়ে ফেলার উদ্যোগ নিলেন। তাঁরা অনুমতি চাননি, আমাদের জানানও নি। হয়তো ইনফর্মেশন ছিলনা, তাও হতে পারে, জানা নেই। তা, আমরা জানার পর আপত্তি জানিয়ে এসেছি। বইটা ছাপা হয়েছে বলেও শুনিনি। হয়তো অসদুদ্যেশ্য কিছু ছিলনা, শুধুই যোগাযোগের অভাব ছিল। সেটা আমাদের জানা নেই। কিন্তু আমাদের দিক থেকে ঘটনাটা হল, যে, আমরা একটি উদ্যোগ নেব, দীর্ঘদিন পরিশ্রম করব, কম দামে পাঠকের হাতে তুলে দেব, আর সেটাকে বিনা আয়াসে মলাটে বেঁধে কেউ তিনগুণ দামে বিক্রি করার উদ্যোগ নিচ্ছেন, বিন্দুমাত্র স্বীকৃতি ছাড়া, এতে করে ‘সস্তায় চটি বই’ কনসেপ্টটি চূড়ান্ত ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এবং ক্ষতিগ্রস্ত আমরা হচ্ছি।
    এইগুলো আমার দিক থেকে মনে হছে, অন্য কিছু না, শর্টকাটের প্রসেস। ‘বইয়ের বিক্রি হয়না’, অভিযোগটা যে জায়গা থেকে আসে। বইয়ের দাম প্রচুর বাড়িয়ে চট করে লাভ করে নেবার ধারণাটা যে জায়গা থেকে আসে। এবং অন্য উদ্যোগের ফল থেকে ঝট করে লাভ করে নেবার ইচ্ছেটা(কখনও অনৈতিকভাবেই) যেখান থেকে আসে। প্রচুর পাবলিকেশন হলে সমস্যা নেই। যত বই ছাপা হয়, তত ভালো। কিন্তু ছাপার এবং স্বল্পমেয়াদি লাভ করার বাসনায় পাঠকসংখ্যা কমিয়ে বাংলা বইয়ের অন্তর্জলী যাত্রার ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হচ্ছে। কেউ বৃহত্তর পাঠকের কাছে পৌঁছনোর কষ্টসাধ্য কাজটা করছেননা। গুরু এত বছর ধরে যে নেট ওয়ার্কটার পিছনে সময় দিয়ে যাচ্ছে। উল্টোদিকে তৈরি নেটওয়ার্কটা ব্যবহার করে পুশ সেল টেল করে ঝটিতি কর্ম সমাধা করছেন। যেটুকু পাঠকবেস তৈরি হয়েছে, সেটা নিয়ে, অত্ঃপর কামড়াকামড়ি হবে। এর বাইরে যে বিরাট আন এক্সপ্লোরড এলাকা পড়ে আছে, সেদিকে কোনো নজরই নেই কারো।
    আমরা এই শর্টকাটের পদ্ধতিটা কখনও নিইনি। এই বারো বছর ধরে আমরা লড়ে গেছি। শূন্য থেকে শুরু করে। আজ পর্যন্ত অন্য জায়গা থেকে যেকটি লেখা আমরা নিয়েছি, প্রতিটি, অনুমতিসাপেক্ষে। এবং কৃতজ্ঞতা স্বীকার সমেত। একটিও ব্যতিক্রম নেই। জয়া মিত্রের একটি অনুবাদ লেখা আমরা প্রকাশ করেছিলাম। আমেরিকান প্রকাশকের কাছ থেকে অনুমতি নিতে (আসলে ডলারে কিনতে হয়েছিল), দেরি হওয়ায় জয়াদিকে দুঃখ দিয়ে আমরা বই প্রকাশ গোটা একবছর পিছিয়ে দিই। ফলে আমাদের দিক থেকে এই শর্টকাটটা একেবারেই গ্রহণযোগ্য না। লেখার অনুমতি নেওয়া, সৌজন্য স্বীকার, নেটে হোক বা বইয়ে, আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। যেদুটো উদাহরণ দিলাম, তার বাইরেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব ঘটেছে। সেটা কাম্য না। আমরা নিজেরা এগুলো মেনে চলি, অন্যরাও মেনে চলবেন, প্রত্যাশা করি। যেকোনো জায়গায়, এর অন্যথা হলে, আমরা যথাসাধ্য ব্যবস্থা নেব।

  • তো, এইগুলো হল বাহ্যিক সমস্যা। আভ্যন্তরীন কিছু গপ্পোও আছে। কিছু সমস্যা, কিন্তু পরিকল্পনা। মূলত যেগুলোর জন্য এই লম্বা এবং বোরিং লেখার অবতারণা। প্রথমে সমস্যাটা বলি। সেটা গুরুর মডেল সংক্রান্ত। মডেল বলতে চটি বই, ইত্যাদি, যেটা আগেই ব্যাখ্যা করলাম। আমরা বইয়ের দাম কম, খুবই কম রাখি। নীতিগতভাবেই। ফলে বইয়ের বিক্রি খুবই ভালো হলেও, আমাদের মেরেকেটে টাকাটা উঠে আসে। কখনও সামান্য কিছু লসও হয়, কিন্তু সেটা অ্যাবসর্ব করে নেওয়া যায়। এগুলোর কোনোটাই কোনো সমস্যা না, কারণ আমরা প্রফিটের জন্য এই খেলায় নামিনি। সমস্যা এই, যে, এইভাবে চললে আমাদের টাইটেলের সংখ্যা প্রত্যাশিতভাবে বাড়ছেনা। প্রাথমিক বিনিয়োগ কম থাকায়, যেটুকু রোল করছে, সেটা থেকেই পরের বই ছাপতে হচ্ছে, এবং আমরা বছরে চার-পাঁচ-ছয় এর বেশি বই ছেপে উঠতে পারছিনা। শুরুর দিকে, এটা কোনো সমস্যা ছিলনা। ছাপার জন্য অত বই ছিলনা। কিন্তু এখন তো ঠিক শুরুর ফেজ না। প্রকাশযোগ্য বইয়ের সংখ্যা দেখি ভালই। কিন্তু অত বই ছেপে উঠতে পারিনা। ফলে ক্ষতিটা পাঠকেরই হয়। এই হচ্ছে সমস্যা।
    সমস্যা সমাধানের একটা উপায় হতে পারে, ঝট করে বইয়ের দাম বাড়ানো। সেটা করতে চাইনা একেবারেই। নীতিগতভাবে চটি বই শুরু করার লক্ষ্য একটাই ছিল, কম দামে সস্তা বই পাঠকের কাছে পৌঁছনো। সেটা থেকে সরে ‘দামী’ প্রকাশক হবার কোনো মানে নেই। সেটা ভাবাও হচ্ছেনা। পরিবর্তে আরেকটা উপায় ভাবা হচ্ছে। যদি বইয়ের স্পনসরশিপ নেওয়া যায়। ব্যক্তি করুন বা প্রতিষ্ঠান( যদিও কেন কোনো প্রতিষ্ঠান এটা করবেন, জানা নেই, কিন্তু তবুও, বলা তো যায়না)। অফিশিয়ালি সেটার নাম দেওয়া যায় "বই দত্তক নেওয়া"। মডেলটা এরকমঃ যাঁরা প্রোজেক্টটায় আগ্রহী, হাত তুললেন। আমরা সম্ভাব্য বইয়ের নাম বা তালিকা তাঁদের কাছে উপস্থিত করলাম। এবার সেখান থেকে বেছে নিয়ে (যদি পছন্দ হয়)একটি বইয়ের আংশিক বা সম্পূর্ণ খরচ আগ্রহীদের মধ্যে থেকে কেউ বা কোনো প্রতিষ্ঠান বহন করলেন। বইতে তাঁদের নাম দেওয়া হল। লেখকও কিছু টাকা পেলেন, বইয়ের দামও সস্তা রাখা হল। বলাবাহুল্য টাকাটা দত্তকদাতা ফেরত পাবেননা। ওটা বইয়ের পরবর্তী সংস্করণে রোল করবে। এক্সক্লুসিভলি।
    দ্বিতীয় আরেকটি ব্যাপারেও সাহায্য চাইব। সেটি আর্থিক নয়। একটা গুরুচন্ডালি লেখক-পাঠক সমবায় তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে। তেমন কিছু না, একটি মেলিং লিস্ট। সেখানে যাঁরা আগ্রহী, তাঁরা বইগুলি নিয়ে নানা প্রোমোশানে একটু সাহায্য করবেন। টুকটাক আর কি। এটাও বেশ জরুরি কাজ, কিন্তু খুব বেশি পরিশ্রম নেই। কেউ আগ্রহী থাকলে জানাবেন।
    আমার/আমাদের দিক থেকে মডেল এটাই। চটি পাঠকের কাছে পৌঁছনোর একটা পন্থা। পাঠকসংখ্যা বাড়ানো, পাঠকের কাছে বই নিয়ে যাওয়া, এই আমাদের ঘোষিত অবস্থান। চটি একটা উপায়। চটি ছাপব, দরকার হলে অন্য পন্থাও নেব। কিন্তু পাঠকের বেস বাড়ানোর অবস্থান থেকে এই মুহূর্তে সরছিনা। বিষয়টায় আগ্রহী হলে জানান। অন্য কোনো মতামত থাকলেও অবশ্যই জানান। সেই জন্যই এই লেখা জনারণ্যে প্রকাশ করা। কীভাবে কী করা হয়, ভাবা হয়, ভাবা হচ্ছে, এই নিয়ে নানা স্পেকুলেশন, প্রচার, অপপ্রচার নানাদিকে হচ্ছে। আমাদের দিক থেকে পরিষ্কার ভাবে জানানো হল। কোনো প্রশ্ন করার থাকলে এখানেই করে ফেলুন। অন্য কোনো স্পেকুলেশনে কান দেবেননা। নানা জায়গায় নানা কথাবার্তা হয়, সেসব আমাদের কানেও আসে। কিন্তু ওতে গুরুত্ব দেবেননা। আমরাও দিইনা। যাকে বলে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে মাপ করে দিই। :-)

    পুঃ যাঁরা যোগাযোগ করতে আগ্রহী, [email protected] এ একটা মেইল ঠুকে রাখতে পারেন। এখানে জানালে বা মেসেজ করলেও হবে।

    পুঃ পুঃ ভবিষ্যতে গুরুর একটি নোটিসবোর্ড ব্লগ হবে। এখনও নেই, লেখাটাতেও প্রচুর 'আমি', আমি ' আছে, ঠিক নৈর্ব্যক্তিক নোটিস না। তাই ব্যক্তিগত ব্লগেই থাক। কিন্তু আহ্বানটা গুরুর দিক থেকেই।
  • বিভাগ : ব্লগ | ১৬ মে ২০১৬ | ৫৫৭৯ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | 161.141.84.119 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১১:৪৫53678
  • যাকে বলে মাথায় চাঁটি আরকি। ঃ-)
  • Pi | 219.117.102.182 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১১:৫০53679
  • টিম আমি এরকম কিছু বলিনি।ভুল বুঝেছ।
  • pinaki | 90.254.154.105 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১২:১৬53666
  • হনুদা কি আমায় বললে? না না, আমি 'ওঁরা' নই। :-) আমি কোনো মেল লিস্টে নেই। সৈকতদার সাথে বোধহয় লাস্ট দেড়বছর আগে কথা হয়ে থাকবে। এমনকি কিছুদিন আগে ফেসবুকে একটা ছবির নিচে কমেন্ট দিয়েও কোনো পাত্তা পাই নি। ;-) আমারই দুর্ভাগ্য বহুদিন পরে গুরু করতে এসে একটা বাওয়ালে ঢুকে পড়লাম। তবে কেটে যাবো শিগ্গিরই। :-)
  • pi | 83.16.48.135 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১২:২১53667
  • চলো সবাই মিলে দল বেঁধে ওদের পোদে লাগি এটা চিম্প মাইন্ড লজিক , চূড়ান্ত কাউন্টারপ্রডাকটিভ।

    ---'

    এটা আবার কে করতে বলল ? তাতিনের আইডিয়া নিশ্চয় কেউ সিরিয়াসলি নিচ্ছেনা।
  • Atoz | 161.141.85.8 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১২:৩২53635
  • পুশ সেল যারা করতে চাইবেন, তাদেরই উল্টে পুশ সেল করে দিতে পারেন তো! শঠে শাঠ্যং সমাচরেৎ।
    "ব্যাটা তোর বই কিনবো, আগে তুই আমারটা কেন দেখি" এই বলে। ঃ-)
  • sch | 37.251.71.51 (*) | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১২:৪৯53668
  • এককের ওই পয়েন্ট টা খুব ভাবার। কেন লোকে অন্য দিকে যাচ্ছে। এটা সলভ করা গেলেই নো প্রব্লেম। যে যা খুশী করুক। আমার পাঠক লেখক আমার কাছে থাকলেই হল

    যেমন ধরুন এই যে তাতিনের মন্তব্য "বিভিন্ন মেলাটেলায় স্ট্রেট দলবেঁধে গিয়ে লিরিকালের স্টল থেকে লি টা ছিঁড়ে নিয়ে এলেই হবে" এটা ধরুন আমি করলে রিএকশানটা অন্যরকম হত (হিংসা প্রমোট করছেন, দলা দলা হলুদ কফের মতো ঘেন্না দিলাম, ইত্যদি)। আমি ফালতু পাবলিক। এদিক বা ওদিক কোন দিকেই নেই বা থাকলেও কারো কিছু আসে যায় না । কিন্তু সেরকম ওজনদার লোকেরা কি কারণে ক্ষুব্ধ হয়েছেন সেটা জানা দরকার। না হলে কিন্তু ওরা ৩৫ আমরা ২৩৯ কেস হয়ে যেতে পারে।

    সব্বাই একমত ওরা দুগগিবাজি করছে- এবার ওদের কি কি অন্যায় হয়েছে জানানো দরকার - কিন্তু
    সেটাতে মন বেশী না দিয়ে সামনের রাস্তা দেখা আর সেরকম বড়ো বড়ো হনুদের ফিরিয়ে আনা জরুরী (ব্যক্তি হনু না)
  • সেকি! | 52.110.174.249 (*) | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০১:৫৫53681
  • এককের লেখা পড়ে তো তাঁর অবস্থানটি নিরপেক্ষ বলেই দাবি মনে হচ্ছে। ব্যক্তিগত স্টেক গুলি না জানা অবধি সেটা ছদ্ম কিনা কিভাবে বিচার হবে? এককের তো ঘোষিত কোন পক্ষ দেখা যাচ্ছে না, যেমনটি পিনাকি তাতিন বা রঞ্জন রায়ের রয়েছে। নাকি একক লিরি-র তরফে/বিপক্ষে কথা বলছে/বলবে এরকম কোনো স্বতঃসিদ্ধ সবার জানা, যেটা ঋতর ক্ষেত্রে জানা ছিলনা? আমি আরো ভাবলাম ঋত-র কেসের প্রতিবাদ দেখে ব্যক্তিগত স্টেক বিচারের অনুশীলন বন্ধ করা হল। যেটাকে গুড জেসচার বলা যায়।
  • rabaahuta | 60.180.243.60 (*) | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০২:০৬53682
  • ঋত'র অবস্থান গুচপন্থীদের পক্ষপাতদুষ্ট মনে হয়েছে, প্লেজিয়ারিজমের অভিযোগ থেকে হারানো খিল্লীর প্রতি আকর্ষনকে আপত্তিযোগ্য মনে হয়েছে, গুচপন্থীরা রৈরৈ করে উঠেছে। এককের অবস্থান গুচপন্থীদের (অন্তত) নৈর্ব্যক্তিক বলে মানতে অসুবিধে হচ্ছে না, তারা চুপচাপ আছে।
    ভিন্নমত থাকলে বলা হোক না, প্রকৃত নিরপেক্ষ বা বিরুদ্ধ, কেউ তো কারো লেখা থামাচ্ছেনা। ভুবনের ভার কেবলই গুরুর ওপর দিয়ে দিলে কেমন করে চলবে।
    ব্যাক্তিগত স্টেক বিচারের অনুশীলন, আমি তো বাপু বন্ধ করিনি। যদিও ব্যক্তিগত স্টেক বিচারে আমি নিজেও কেস খেতে পারি, লিরির একটি বইয়ের যথাসাধ্য ফেবু শেয়ার ও ব্যক্তিগত স্তরে প্রচার আমি করেছি, এখনো সুযোগ পেলে করছি।
  • ঈশান | 183.24.110.20 (*) | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৩:৩৩53683
  • কেস তো অনেক দূর গড়িয়ে গেছে। যা হোক,

    ১। তাতিনের অবস্থানকে এনডোর্স বা সমর্থন করার কোনো জায়গাই নেই। পরিষ্কার লিখে দিলাম।

    ২। এককের পোস্ট সম্পর্কে। বাংলা ভাষায় সবচেয়ে প্রমিনেন্ট পাবলিকেশন হয়ে ওঠার নিচে গুরুর কোনো গোল সেট করা নেই। হবে কী হবেনা, সে অন্য কথা, কিন্তু গোল ওর চেয়ে নিচে না। ফলে কে কোথায় কোন দিকে গেল, ছটা বই পুশ সেল করা হল কী হলনা, ও নিয়ে মাথা ঘামানোর কোনো মানে নেই। ঘামাচ্ছিও না। গুরুর ব্র্যান্ডিং টা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, এইটুকু আশঙ্কায় যেটুকু রিঅ্যাক্ট করার করেছি। ৯ ইত্যাদি না থাকলে তাও করতাম না।

    ৩। টিম লিখছে দেখে ভালো লাগছে। অন্যদের ক্ষেত্রেও আরেকবার বলি, গুরুতে কাউকে লিখতে না বলার কোনো প্রশ্নই নেই। খোলা পাতা আছে, লিখুন, লেখা পছন্দ না হলে গাল নিশ্চয়ই পাড়ব, সে আলাদা কথা।

    নির্ঘাত অনেক কিছু বাদ গেল, সে পরে হবে।
  • Ekak | 53.224.129.44 (*) | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৪:৫১53684
  • পুশ সেল নিয়ে পোস্ট টা ইন জেনেরাল পুশ সেল সম্পর্কিত কথা উঠেছিল তাই , টিম আর শঙ্খর পোস্ট থেকে । পুশ সেল করে সিরিয়াল বই বিক্রি বা , পুশ সেল করে সিরিয়াস লেভেলে বই বিক্রি কোনোটাই হয়না এটুকুই বক্তব্য ছিল । এটা এই পেজ এর আলোচ্য বিষয় নয়, কথাপ্রসঙ্গে এসেছে ।
  • Tim | 140.126.225.237 (*) | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১২:১০53680
  • হ্যাঁ হতে পারে। একসাথে এত পোস্ট গুলিয়ে গিয়ে থাকতে পারে।
  • কান্তি | 55.117.200.76 (*) | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৪:০৮53685
  • পাই, এই বিষয়ের সব লেখালেখি/ মতামত ধৈর্য ধরে পড়ার পর মনে হোল আমার সংখিপ্ত বক্তব্যটাএখানে রাখাই ভাল।আমার না জানা অনেক কথাই জানলাম। বইমেলায় আবার অনেক কাল পরে দেখা হওয়া বিষয়ে তোমার ফেসবুকে মন্তব্য পড়ে আমার অজ্ঞতা ভরা উচ্ছাস তোমাকে দুঃখ্য দিয়েছে বলে আমিও গভীর ভাবে দুঃখ্য পেয়েছি। তবে আমার মনে হয়, এই শ্বাস বন্ধ করা সাময়িক ধোঁয়াটে পরিস্থিতি বইমেলার পরই কেটে যাবে।যাঁরা প্রায় নেশাগ্রস্তের মত নানা পথে/ বিপথে পা রেখেছেন তাঁরা নিজেদের নানা মোহের বিচ্যুতি গুলোর সঠিক চেহারাটা বুঝতে পারবেন এবং নিজেদের সুধরে নেবার চেষ্টা কোরবেন। সুতরাং আমরা, এই গুরুর নীরব/সরব রবাহুত/অনাহুত সদস্যরা যারা এক সুক্ষ ভালোবাসার জালে জড়িয়ে গিয়েছি তারাই এর প্রাণভোমরা হোয়ে রয়ে যাব, এ বিশ্বাস আমার আছে।
    কান্তিদা।
  • রবাহুত | 60.180.243.60 (*) | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০৬:১৪53686
  • আমি কিন্তু কিছু করিনি।
  • Ishan | 183.24.110.20 (*) | ০৪ আগস্ট ২০১৭ ০১:৫৪53687
  • এখানেই নতুন আপডেটটা দিয়ে দিই। অনেকগুলো বই বেরোচ্ছে। প্রথম বইটা মলয় রায়চৌধুরীর। আমরা বেছে বই করি। মলয় রায়চৌধুরির তিনটি বই প্রকাশ করেছি । প্রতিটিই নরম গদ্যপদ্যের ত্বকে যেন শিরীষ কাগজের আক্রমণ। প্রতিটি বইই প্রবল ভাবে আলোচিত এবং হবার পরে, এবার বাছছেন লেখক নিজে। বইয়ের নাম 'মলয় রায়চৌধুরী, নিজের বাছাই'। লেখকের নিজের হাতে বেছে নেওয়া গদ্য ও পদ্যের সংকলন। তাঁর বিচারে যেগুলি সর্বাগ্রে থাকে, শুধু সেগুলি নিয়েই।

    দ্বিতীয় যে বইটি প্রকাশিত হতে চলেছে শীঘ্রই, তাও মোলায়েম বাঙলা গদ্যভাষা নয়। গুরুচন্ডালি প্রকাশ করতে চলেছে অজিত রায়ের বই 'বাংলা স্ল্যাং, সমুচয় ঠিকুজিকুষ্ঠি' । দুই মলাটের ভিতরে বাংলা স্ল্যাং এর আগা ও গোড়া। তালিকা ও ইতিবৃত্ত। এবং অতি অবশ্যই স্ল্যাং অভিধান। অজিত রায়ের গদ্য ভাষা অদ্ভুতুড়ে। তৎসম, স্ল্যাং আর বাংলা-বিহারের চলিত শব্দের এক অদ্ভুত খিচুড়ি। এই খিচুড়ি ভাষায় তিনি লিখেছেন স্ল্যাং এর উপাখ্যান। স্ল্যাংকে শুধু অপভাষা বা শুধু খিস্তি , এর কোনোটাই বলা যায়না, বলেছেন লেখক। তাহলে স্ল্যাং কী? বাংলা স্ল্যাং কী কী? জানতে হলে বইটি পড়া অবশ্যপাঠ্য।

    তৃতীয় বইটি অন্য ঘরানার। স্বাস্থ্যব্যবস্থা আর জনস্বাস্থ্য নিয়ে গুরু এর আগেও বই প্রকাশ করেছে। নানা লেখা বেরিয়েছে গুরুর পাতায়। পুণ্যব্রত গুণ লিখেছেন গুরুর খেরোর খাতায়। স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিজেই যে গভীর অসুখে আক্রান্ত এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা যদিও জনবৃত্তে আলাদা করে তেমন নজরে পড়েনা। ক্রমাগত ভেঙে পড়া অসুস্থ স্বাস্থ্যব্যবস্থার ব্যবচ্ছেদ এবং রোগনির্ণয়ের প্রচেষ্টায় পুণ্যব্রত গুণেরই সম্পাদনায় প্রকাশিত হতে চলেছে একটি বিশদ গ্রন্থ। 'স্বাস্থ্য অব্যবস্থা'। উদ্যোগে 'সারা বাংলা সবার জন্য স্বাস্থ্য কমিটি' এবং গুরুচন্ডালি।

    এছাড়াও পুনর্মুদ্রণ হচ্ছে 'লা জবাব দিল্লি', 'খেরোবাসনা', 'মিছিলে বাদল সরকার' এবং 'আমার ৭০' এর ।

    বই গুলি খুব তাড়াতাড়ি প্রকাশিত হতে চলেছে। যাঁরা দত্তক বা অন্য কোনো ভাবে সাহায্যে আগ্রহী, দ্রুত যোগাযোগ করলে ভালো হয়।
  • পাই | 24.139.221.129 (*) | ১২ অক্টোবর ২০১৭ ০৮:২২53688
  • আপডেটঃ

    খুব শিজ্ঞিরি, এই মাসেই প্রকাশিত হতে চলেছে এই দুটি বই। কেউ বইগুলির আংশিক দত্তক নিতে আগ্রহী হলে মেইল বা মেসেজ করতে পারেন।

    স্বাস্থ্য (অ)ব্যবস্থা ঃ সম্পাদনা পুণ্যব্রত গুণ
    --------------------------------
    স্বাস্থ্য ভারতীয়দের মৌলিক অধিকার নয়। তদুপরি '৪৭ পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যে কল্যাণকর ভূমিকা পালন করার উদ্যোগ ছিল, রাষ্ট্র তার থেকে সরে আসছে গত শতকের নব্বই-এর দশকের শুরু থেকে। স্বাস্থ্য এখন মূলত পণ্য, পুঁজির চারণক্ষেত্র এবং মৃগয়াভূমি।
    এই অদ্ভুত ব্যবস্থায় নাগরিকের ক্ষোভ মেটাতে রাষ্ট্রের কোনও কার্যকর উদ্যোগ নেই, পরিবর্তে আছে কেবল একের পর এক ফাঁপা ঘোষণা। আর স্বাস্থ্যকর্মীদের, বিশেষ করে চিকিৎসকদের জনগণের রোষের সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া। যেন একমাত্র তাঁদের দোষেই মানুষ যথাযথ পরিষেবা পাচ্ছেন না।
    এই সংকলনে লিখেছেন চিকিৎসকরা, জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের কর্মীরা, নীতিনির্ধারকরা।।।।যাতে বাস্তবটাকে বোঝা যায়, এবং সেই অনুযায়ী চলার পথ ঠিক করা যায়।

    সর্ষেদানায়, ইচ্ছেডানায় - অচল সিকির মোটরসাইকেল ডায়রি
    --------------------------------------
    ভ্রমণকাহিনি, কিন্তু শুধুই ভ্রমণকাহিনি নয়। এ বইতে আছে এক নেশার গপ্পো, যে নেশা অন্যদেরও নেশা ধরিয়ে দিতে পারে। জীবনে একটানা একশো কিলোমিটারের ওপর গাড়িই চালায় নি যে আগে কোনওদিন - সে হঠাৎ একদিন পথের নেশায় ভোররাতে বেরিয়ে পড়ল, ঘুরে এল তার স্বপ্নের গন্তব্য। তার পরে আবার, এবং আবারও।
    এ বই শুধু স্বপ্নপূরণের গল্প নয়, এ বইয়ে ধরা আছে নিজের সামনে নিজের রাখা চ্যালেঞ্জের কথা, আর তাকে জিতে আসার কথা। এ বইতে আছে আরও বড় স্বপ্ন দেখার গল্প। পাঠককে স্বপ্ন দেখার নেশা ধরিয়ে দেবার পক্ষে যথেষ্ট।
    --------------------------------------------
  • দানবকৃষ্ণ | 233.186.41.104 (*) | ২০ মার্চ ২০১৮ ০৮:১২53689
  • ওদিকে সুমেরুদা দেখি গুরুচণ্ডাঌ ফেবু গ্রুপ উড়িয়ে দেওয়ার ডাক দিয়েছে।
  • ফেবুতে পেলাম | 93.250.170.166 (*) | ২০ মার্চ ২০১৮ ০৮:৪৯53690
  • “ওরা বামঐস্লামিক চাড্ডি,
    ওরা মেয়ে দেখলেই খামচায়,
    ওরা ক্যাডিলাকে চড়ে বেচে বই,
    তবু মুখ ঢাকে লাল গামছায়,
    ওরা সস্তা নভেল ছাপাচ্ছে,
    আবার সেসব লোককে গেলাচ্ছে,
    ভাই কি যে পড়ে আজ দিনকাল,
    হাফ গান্ডুরা মাঠ কাঁপাচ্ছে
  • S | 194.167.2.96 (*) | ২০ মার্চ ২০১৮ ১০:৪৯53691
  • এখানে অনেকে পুশ সেলিঙ্গের পক্ষে বিপক্ষে কথা বলেছেন। আমিও একটু লিখি।

    বইমেলা করার একটা প্রধান উদ্দেশ্য হলো পুশ সেলস (ও মার্কেটিঙ্গ)। ডিমান্ড না থাকলেও বইগুলোকে পাঠক (ক্রেতার) খুব কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া। সেখানে লেখকরা অনেকে নিজেরা উপস্থিত থাকেন। একস্ট্রা ডিসকাউন্ট দেওয়া হয়। আশে পাশে অনেক লোক থাকেন। কেউ বলছেন এই বইটা ভালো, কেউ ঐ বইটা উল্টে পাল্টে দেখছেন, কেউ একসাথে চারটে বই কিনছেন। এগুলো সবই ওখানে একটা এনভায়রনমেন্ট তৈরী করে সেলস বাড়ানোর পক্ষে।
  • r2h | 236712.158.676712.216 (*) | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১২:০৫53692
  • আজকাল নতুন পুরনো নিয়ে মাঝেমাঝেই কথা উঠছে, তাতে খুবই বিরক্ত বোধ করছি। এই সাইট বা প্রতিষ্ঠানের করা বইপত্রের সঙ্গে যাঁরা আছেন, তাঁদের সঙ্গে থাকাটাই বড় কথা বলে মনে করি, কতদিন ধরে আছেন সেটা নয়।

    আর অনেক আগে ছিলেন, অনেক পুরনো, মানেই তাঁরা এই উদ্যোগটার জন্যে খুব উপকারী তাও নয়, এবং সেটা সোচ্চার পুরনোয়ার দ্যান দাউদের না জানারও কথা নয়।

    সেসব মনে করার জন্যেই এই তিক্তস্মৃতি একটু তুললাম।
  • r2h | 49.206.10.100 | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২০:০১102584
  • নৈঋত কোণে মেঘের ঘনঘটা। তাই এই টইটাকে একটু তুলি।

  • :-) | 135.148.33.91 | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২১:১৭102594
  • আবার বাওয়াল হবে নাকি?

  • | 49.206.10.100 | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২১:৪৯102596
  • r2h | 49.206.10.100 | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২১:৫০102597

  •  

  • r2h | 49.206.10.100 | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২১:৫১102598
  • বাওয়াল | 2405:8100:8000:5ca1::aab:ed02 | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২১:৩৫102637
  • কিচুই  তো হল না

  • r2h | 49.206.13.126 | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২১:৪৫102639
  • হুঁ, হলো না তো। হওয়া একটু দরকার ছিল।

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন