• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • গার্হস্থ্য হিংসা আর আমার দেশ

    Prativa Sarker লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৫ মে ২০১৬ | ২৭০৭ বার পঠিত
  • আমার ছোটবেলার পাহাড় ঘেঁষা মফস্বলের বাড়িতে একটা প্রাচীন লোহার সিন্দুক ছিল। ডালার ওপর একটা ফ্ল্যাট পদ্মফুল। তার মাঝে সরু একটি নিখুঁত কাটা আয়তক্ষেত্র । চাবিটাও তিনসেরি। মাঝে মাঝে যখন খোলা হতো, মনে পড়তো আলিবাবার খুল যা সিম সিম। ছোঁবার যো ছিল না,ঐ ডালা হাতে পড়লে থ্যাঁতলানো টিকটিকি। শুধু একবার কয়েন, অলংকার,দলিল নামিয়ে পরিষ্কার করার সময় মায়ের লেখা একটা একটা লুকোনো চিঠি আবিষ্কার করেছিলাম। রুলটানা কাগজে গোটা গোটা অক্ষর, প্রাপক আমার বাবা,-----" আমার গায়ের রঙ কালো বলে অনেক লাঞ্ছনা সইতে হয়। আবার মেয়ে হলো, তুমি কি আমাকে আর ভালোবাসবে ! "

    কৃষ্ণবর্ণা এবং কন্যাসন্তানের জননীর কপালে কেন ভালোবাসা জুটবে না তা বোঝার মতো বয়স তখন আমার হয়নি। আজ দেখি আমার মা ভাগ্যবতী, কারণ এই যে কোন একটির জন্য অনায়াসে খুন হয়ে যান মেয়েরা। রোজকার কাগজ তার সাক্ষী। গার্হস্থ্য হিংসায় ডুবে আছে আমার মহান দেশ, যেখানে অলিগলি মুখরিত হয়ে থাকে ভারতমাতার জয়ধ্বনিতে।অথচ আইন আছে, সঙ্গে আইনের মস্ত মস্ত ফাঁকও!
    দুদিকটাই দেখে নিই একটু।

    Domestic Violence Act 2005 নারীকে দিয়েছে তিনটে মূল অধিকার --- সুরক্ষা, শ্লীলতাহানির বিরুদ্ধতা এবং সংশ্লিষ্ট গৃহে অংশীদারিত্বভিত্তিক বসবাসের অধিকার।

    শুরু হয়েছিল 1961 সালে পণ-নিবারণ আইন দিয়ে। পণ-হত্যার বেশ রমরমা হতে ঠাহর হলো যে এই আইন বাবুরাম সাপুড়ের পোষ্য, দাঁতনখ কিছুই নেই। এর সঙ্গে ছিল "নারীবাদী নেকড়ে"দের (একটি জনপ্রিয় ফেবু গ্রুপের পুরুষভাষ্য) সৃষ্টি করা অবিরাম চাপ। তারই প্রতিফলন দেখা গেল 1972 এ মথুরা রেপ কেসে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের তীব্র বিরুদ্ধতায়।

    বিস্মৃতি গিলে খায় আমাদের, তাই মনে করিয়ে দেওয়া যাক মথুরা নামের দলিত কিশোরীটির কথা। যার নিজের ভাইরা থানায় নালিশ ঠুকেছিল বোনের প্রেমিককে না-পসন্দ হওয়ায়। জিজ্ঞাসাবাদের নামে থানায় ডেকে সুযোগ বুঝে মথুরাকে ধর্ষণ করে দুই মাতাল কনেস্টবল। বহু জল গড়িয়ে যাবার পর সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় এটি আদৌ ধর্ষণ নয়। মথুরা তো তেমন চেঁচায় নি, বরং প্রেমিক - সঙ্গ অভ্যস্ত সেইই প্রলুব্ধ করেছে বেচারা পুলিশকে, ইত্যাদি।
    দলিতদলনে কেউই কম যায় না, আর নারী তো দলিতেরও দলিত। তবে এই কেস ঘিরে বিপুল হৈচৈ তে লাঞ্ছনার পয়েন্টে আলো পড়ে আর পণ হত্যাকে (dowry killing) ক্রিমিনাল ল' এর আওতায় আনবার জন্য 1983 এ IPC তে section 498A, 1986 এ section 394B ইত্যাদির আবির্ভাব। এই সংশোধনীগুলিই গার্হস্থহিংসাকে ঘরের বাইরে এনে জনগণের খোলা চোখের সামনে একেবারে নাঙ্গা বাস্তব হিসেবে তুলে ধরে।

    গার্হস্থ্য হিংসার মধ্যে পড়ে যে কোন এমন ব্যবহার বা ক্রিয়াকর্ম যা অভিযোগকারীর স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা,জীবন, মানসিক অথবা শারীরিক ভালো থাকবার পক্ষে ক্ষতিকারক। অর্থাৎ শারীরিক, মৌখিক, আর্থিক এবং যৌন নিগ্রহ --সবই এই আইনের আওতায়।
    আরো বিস্তারিত করলে দেখা যাবে এই আইন লাগু হবে যদি ১) অভিযোগকারিণী বা তার সম্পর্কিত লোকজনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে কোন পণ, সম্পত্তি, বন্ড ইত্যাদি হাসিল করার চেষ্টা হয়। ২) এই চেষ্টায় যদি মিশে থাকে ভীতিপ্রদর্শন, তাহলে তো সোনায় সোহাগা। ৩) যে কোন ধরণের ইনজুরি (শারীরিক অথবা মানসিক) ঘটালে।
    অভিযোগকারিণীর সংজ্ঞাও নির্দিষ্ট। তাতে পড়বেন একজন পুরুষের সঙ্গে বসবাসকারী যে কোন মহিলা চার দেওয়ালের মধ্যে যার ওপর চলে ওপরে উল্লিখিত অত্যাচার। এই পুরুষটিকে হতে হবে প্রাপ্তবয়স্ক, হতে হবে অভিযোগকারিণীর সঙ্গে সম্পর্কিত। মহিলাটি যদি স্ত্রী বা লিভ ইন পার্টনার হন তাহলে তিনি পুরুষটির আত্মীয়স্বজনের বিরুদ্ধেও অত্যাচারের অভিযোগ জানাতে পারেন।
    এমন নয় যে খোদ অত্যাচারিতাকেই নালিশ জানাতে হবে। আত্মীয়,বন্ধু,প্রতিবেশী, যে কারো যদি প্রত্যয় জন্মায় যে কোন পরিবারে গার্হস্থ্য হিংসা ঘটছে অথবা ঘটতে যাচ্ছে তাহলে তিনি নির্দ্বিধায় তা জানাতে পারেন প্রটেকশন অফিসারকে। এই অফিসারটি হলেন ওই এলাকার থানার কোন মহিলা অফিসার যার নাম প্রটেকশন অফিসার হিসেবে তালিকাভুক্ত আছে।

    নারীর অধিকার নিয়ে যারা কাজ করেন তারাই জানেন মাথার ওপর ছাদ হারানোর ভয় মৃত্যুভয়ের চেয়ে কম নয় অনেক মেয়ের কাছে।বিশেষত যারা গৃহস্থালির বাইরে যাবার সুযোগ পাননি তাদের কাছে। একে তো হরিণা বৈরী আপনা মাসে,তারপর খাবো কি, থাকবো কোথায় ! Domestic Violence Act অভিযোগকারিণীর বাসস্থানে থাকবার অধিকার সুনিশ্চিত করে, তবে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে। আর এজন্য কোন আইনী দখলিস্বত্ব দরকার হয় না। অর্থাৎ মারধোর করে বাড়ি থেকে বার করে দেওয়া মারাত্মক অপরাধ।

    গার্হস্থ্য হিংসার কেসগুলি দ্রুত ফয়সালার জন্য অভিযোগ করবার তিনদিনের মধ্যে প্রথম হিয়ারিং হতেই হবে। চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য ধার্য সময় ৬০ দিন। এই কাজে সাহায্য করবেন স্থানীয় পুলিশ অফিসার, সার্ভিস প্রভাইডার,ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রটেকশন অফিসার। আরো আছে শেল্টার হোম, চিকিৎসার বন্দোবস্ত। অভিযোগকারিণীর সুরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে। ধর্ম,বর্ণ,জাত দেখা চলবে না।

    তবে ভারতমাতা সর্ষের মধ্যেকার ভুত আর কতো তাড়াবেন! হাজার হাজার কেস পেন্ডিং পড়ে আছে। ৬০ দিন কেন,৬০০ দিনেও ফয়সালা হয়না। বিচারক গুটিকয়, সময় অপ্রতুল। হতভাগ্য প্রধান বিচারপতি শ্যামা শাপমোচনের অশ্রুমোচন ছাড়া আর কিই বা করতে পারেন! ল' ইয়াররা প্রায়ই কথার খেলাপ করে নির্দিষ্ট ডেটে আসেন না। হয় অসুস্থ হন, নাহলে মাতৃস্থানীয়া কাউকে নার্সিং হোমে পাঠান। এছাড়া কোর্টের বিপুল ছুটি অন্য পেশার মানুষের ঈর্ষার কারণ। মনোরঞ্জনের উপাদানও অনেক। সহকর্মী মারা গেলে কর্মবিরতি, তারপরেই হৈ হৈ করে ক্রিকেট খেলতে নেমে পড়া বার বার দেখেছে কলকাতা হাইকোর্ট। দমদমে একটি শেল্টার হোমে যাবার দুর্ভাগ্য হয়েছিল একবার। সাক্ষাৎ রৌরব নরক!

    নিছক কান্নাকাটি ছাড়া বিচারের বাণীর আর কিই বা করার থাকতে পারে যখন গার্হস্থ্য হিংসার প্রধান উৎস marital rape বা বৈবাহিক ধর্ষণকে এই আইনের আওতাভুক্ত করতে খোদ মানেকা গান্ধী ( মন্ত্রী, উইমেন আন্ড চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট) এত আপত্তি জানাচ্ছেন। অথচ তামিলনাড়ুর মত বর্ধিষ্ণু রাজ্যেও প্রতি দশজন বিবাহিত নারীর মধ্যে চারজনই দাম্পত্য হিংসার শিকার ( NFHS 4,latest round) !
    আমাদের দেশে নাকি বৈবাহিক ধর্ষণ নেই, কারণ ভারতীয় সমাজ এই বন্ধনকে পূতপবিত্র(sacrament) মনে করে। জন্ম জন্মান্তরের সম্পর্ক যে ! যদিও এই দৃষ্টিভঙ্গী UN এর Committee on Elimination of Discrimination against Women এর এবং ২০১২ সালে দিল্লী গ্যাং রেপের পর গঠিত J.S.Verma Committee র সুপারিশের ঘোর পরিপন্থী ।
    পুরুষ নির্যাতিত হলেও এই আইনের আওতায় আসবেন না। তবে বর্ত্তমানে সিনিয়র সিটিজেনদের নিরাপত্তা দেবার জন্য একটি নতুন আইন প্রণয়ন হয়েছে।
    যারা এইটে নিয়ে আওয়াজ দেবার তালে আছেন তাদের মনে করাই নারীর ওপর দমনপীড়ন প্রায় তিনহাজার বছরের পুরোনো। Origin of Family, Private Property and the State বইটির পাতা একটু উলটে নিলেই ক্ষোভ প্রশমিত হবে।
    সবাই মিলে ভাবা দরকার এত পুরোনো ক্ষত নিরাময় হবে কোন ওষুধে। দল বাঁধুক সব মুক্তমনা আর শুভবোধসম্পন্নেরা।
    আর হ্যাঁ, লড়াই এর ময়দানে একেবারে সামনের সারিতে থাকুক ঐ নারীবাদী নেকড়েরাই। ওরা যে অনেকেই জীবন দিয়ে বোঝে !

     

  • বিভাগ : ব্লগ | ১৫ মে ২০১৬ | ২৭০৭ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • pi | 24.139.209.3 (*) | ১৫ মে ২০১৬ ১১:৫০54008
  • লোক আদালতের ব্যবস্থা নিয়েও জানতে চাই। সেখানে এই কেসগুলো উঠতে পারে ?
  • Ekak | 53.224.129.56 (*) | ১৫ মে ২০১৬ ১১:৫৪54009
  • ১)পেন্ডিং কেস : পেন্ডিং কেস নিয়ে তো কদিন আগেই প্রচুর কুমিরের কান্না হলো সর্বভারতীয় বৈঠকে । জুডিশিয়ারির প্রাইভেটাইজেসন না হলে এ সমস্যা মেটানো সম্ভব না । ডাক্তার যেমন রেজিস্ট্রেশন ও নির্দিষ্ট কিছু আইনের আন্ডারে থেকে , মেডিকেল সংক্রান্ত নিয়মাবলী মেনে চিকিত্সা করেন ; সেরকমই পাশ করা জাজ দের প্রাইভেট প্রাকটিস এর অধিকার দেওয়া হোক । প্রথমে সিভিল কেস দিয়েই শুরু হোক তারপর ক্রিমিনাল আসবে । কোর্ট এর রায়ে অসন্তুষ্ট হলে ক্রিটিকাল কেসে আপার কোর্টে আপীল করার অধিকার তো থাকছেই । কিন্তু লোয়ার কোর্ট কে প্রাইভেট করে দিলে অধিকাংশ ছুটকো কেস সেখানেই নিস্পত্তি হয়ে যাবে । এখন এমন জঘন্য অবস্থা যে কোনো পক্ষই কেস টানতে চান না কিন্তু টানতে বাধ্য ।

    ২) গার্হস্থ্য ভায়োলেন্স : পরিবার প্রথা ভেঙ্গে না দিলে যতই ঘ্যানঘ্যান করা হোক কিস্যু ফল হবেনা । ভেঙ্গে দেওয়া মানে এই নয় যে কেও বিয়ে করলে গিয়ে তাদের হাজতে পোরা হবে । তারা সিম্পলি কোনো কভারেজ এর আওতায় আসবে না । সরকার ওই ম্যারেজ এক্ট নামক জিনিষটা তুলে দিয়ে কোহ্যাবিটেষণ এন্ড কমন প্রপার্টি শেয়ারিং এক্ট চালু করুক যেখানে ম্যারেজ -লিভ টুগেদার - রুম মেট যা খুশি নাম দিন , সবের ক্ষেত্রেই খাটবে । ম্যারেজ ইস আ সেক্রেড বন্ড এইসব হাবিজাবি থেকে আগে বেরোনো দরকার ।

    ৩) মেয়েদের অধিকার : সংবিধানের আর্টিকল তের , নারী ও শিশু কে এক্সট্রা ইমিউনিটি দেয় পুরুষের তুলনায় । কাজেই অন্তত সংবিধাল মতে নারীর স্থান সমান নয় বরং উঁচুতে । কিন্তু হাস্যকর ব্যাপার হচ্ছে : পুরো আইপিসি ত়ে ফ্যামিলি -এদাল্তারী সংক্রান্ত যত আইন আছে সেগুলো প্যাটার্নাল লিনিয়েজ অফ প্রপার্টি মাথায় রেখে তৈরী । সামান্য কিছু চেঞ্জ পরে হয়েছে কিন্তু ওটাই মূল কাঠামো । কাজেই , ঘুরেফিরে একটাই কথা ম্যারেজ এক্ট বাতিল করে নতুন এক্ট হোক এবং প্রপার্টি সংক্রান্ত এক্ট গুলোকে বদলানো হোক ।

    ৪ ) ম্যারিটাল রেপ : রেপ মানে রেপ । রেপ এর আগে ম্যারিটাল -পলিটিকাল এসব শব্দ যোগ করার প্রবণতাই মারাত্মক । বোঝাই যায় কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে সমস্যাটা । সেক্স করা কে কন্সিউমেষণ অফ ম্যারেজ হিসেবে ধরা হয় । এখান থেকেই সমস্ত সমস্যার শুরু । যে কোনো দুটো ম্যাচিওর মানুষ উইথ কনসেন্ট (আদালতে প্রমাণযোগ্য ) সেক্স করলে তা রেপ নয় । কনসেন্ট না থাকলে রেপ । বর্তমানে সেক্স এর সঙ্গে এদাল্তারী জোড়া আছে ,যে আইন এপারেন্টলি মেয়েদের দিকে অর্থাত এদাল্তারী করলে পুরুষদের জেইল হবে মেয়েদের কিছুই হবেনা | কিন্তু আসলে এটা নারীবিরোধী আইন কারণ পরপুরুষকে জেলে ভরার কারণ ওই প্যাটার্নাল প্রপার্টি লিনিয়েজ । কাজেই "সেক্সুয়াল একটিভিটি " জিনিষটা কে আগে এইসব প্রপার্টি -এদাল্তারী-কন্সিউমেষণ এই চক্কর থেকে বের করা দরকার । সমস্ত কানেকশন কেটে দিলে সেক্স শুধু সেক্স হয়েই থাকবে । তখন উইদাউত কনসেন্ট (আদালতে প্রমাণযোগ্য ) হলে জেইলে ভরে দিন রেপ কেস হিসেবে ট্রিট করে । এই সেক্স , উইদিন ম্যারেজ না আউটসাইদ না কি সেসব নিয়ে অনর্থক মাথা ঘামানোর দরকার ই নেই ।

    ৫) কনসেন্ট : ভারতীয় আইনে "এক্ট অফ কনসেন্ট " কে কনসেন্ট হিসেবে ধরা হয় । এখান থেকে প্রচুর গোলমালের সৃষ্টি । এক্ট অফ কনসেন্ট চুপ করে থাকা থেকে শুরু করে হাসি , মুখ ব্যান্কানো ইত্যাদি যা খুশি হতে পারে । শারীরিক সংকেত কে "কনসেন্ট" হিসেবে নেওয়া বেআইনি ঘোষণা করতে হবে সে যেরকম শারীরিক সংকেতই হোক না ক্যানো । মৌখিক ভাবে "হ্যা " বলার প্রথা চালু করতে হবে প্রতিটা স্টেপে এবং সরকার কে উদ্যোগ নিয়ে জনকল্যাণ দপ্তর থেকে এটা প্রচার করতে |

    এর পরেও অনেকে বলবেন যে "হ্যা " বলুক বা "হাসুক " কোনটাই তো আদালতে প্রমান দেওয়া সম্ভব না যদি মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসায় | সেক্ষেত্রে একটাই কথা বলার যে সেরকম মিথ্যে অভিযোগ তো ম্যারেজ এর বাইরে দুজন সেক্স করতে গিয়েও আসতে পারে । তাহলে এইক্ষেত্রে সেটা মাথায় রাখা দরকার ক্যানো | বরং একবার যদি ভার্বাল কনসেন্ট ও প্রমান এর দিকে ব্যাপারটা ঠেলে দেওয়া যায় তাহলে আমরা ভবিষ্যতে টেকনোলজির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে বেটার মডেল পেতে পারি যেখানে কোহ্যাবিটেসন একট এর আন্ডারে থাকা লোকজন কনসেন্ট রেকর্ড রাখা প্রেফার করবেন বা অন ক্যামেরা সেক্স করা প্রেফার করবেন । কোনরকম আইনি সমস্যা হলে যাতে সেই প্রমান দাখিল করতে পারেন |
  • Prativa Sarker | 11.39.36.224 (*) | ১৫ মে ২০১৬ ১২:১৩54012
  • সবাইকে ধন্যবাদ উৎসাহ দেবার জন্য। আমাদের দেশের আইন ব্যবস্থা এত ফাঁকে ভরা যে হাতী গলে বেরিয়ে যেতে পারে। ফলে ৬০ দিন ৬০০ হলেও শাস্তি কোথায়। কলকাতা হাইকোর্ট এমন মচ্ছবের জায়গা যে ছুটিপ্রিয় আইনজ্ঞেরা প্রধান বিচারপতির আদেশকেও পারলে অমান্য করেন।
    এদের আপত্তিতেই ছুটির ঘন্টা থামে না।
    ম্যারিটাল রেপ একটা বিশাল হিমশৈল। শিউরে ওঠার মত তথ্য আশেপাশে এবং নথিপত্রে দেখে যাচ্ছি। আরো লিখবো এই নিয়ে।
    আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া মানে অবশ্যই সচেতনতা বৃদ্ধি। তবে মাঝে মাঝে এত অসহ্য লাগে মনে হয়...।

    লোক আদালতে এসব কেস মেটানোর প্রভিসন আছে। সেটা অবশ্য জেলাগুলোতে বেশি। কলকাতায় কম। কলকাতায় উইমেনস কমিশনের যে কেসগুলো আসে তার বিষয় অনেকসময় গার্হস্থ্য হিংসা। সেখানে না মিটলে আইন আইনের পথে।
    এটা লেখা হয়েছে ইপ্সিতা পালের প্রত্যক্ষ মদতে। একটা ধন্যবাদ না দিলে নিজেকে কেমন বে-ইমান লাগছে।
  • Debabrata Chakrabarty | 212.142.91.135 (*) | ১৫ মে ২০১৬ ১২:৩৩54013
  • "When ignorance reigns in society and disorder in the minds of men, laws are multiplied, legislation is expected to do everything, and each fresh law being a fresh miscalculation, men are continually led to demand from it what can proceed only from themselves, from their own education and their own morality."

    না এটা কোন বিপ্লবীর লেখা থেকে উধৃতি নয় ,কোন সমাজ সংস্কারকেরও বক্তব্য নয় ,এটি ফরাসী আইনের লেখক জুরিস্ট Dalloy, এর বক্তব্য ,এবং যদিও এই লাইনগুলি যিনি লিখেছেন তিনি নিজেই আইনপ্রনেতা এবং আইনের শাসনের সমর্থক ছিলেন কিন্তু এই শব্দগুলি আমরা সমাজের কোন আবনর্মাল অবস্থায় বাস করি তার উদাহরণ । আইন সর্বত্র এবং সমস্ত বিষয়ে -ফ্যাশন বিষয়ক আইন , গর্ভপাত বিষয়ক আইন ,পাগলা কুকুর বিষয়ক আইন , পুণ্য বিষয়ক আইন , বই প্রকাশের আইন সমস্ত ধরনের এবং মানুষের লোভ , ভয় , দুর্বলতা , ভীরুতা এবং সেই কারনে সম্ভাবিত সমস্ত ইভিল বিষয়ক আইন ।

    আমাদের ছোট বেলা থেকে এই যে শিক্ষার বিকৃতি ,এই যে আইন ভাঙলে শাস্তির ভয় , এই যে আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আইনের কব্জা ,আমাদের জন্ম বার্থ সার্টিফিকেট আইন , আমাদের মৃত্যু ডেথ সার্টিফিকেট আইন ,আমাদের ভালবাসা- ম্যারেজ আইন , বিচ্ছেদ -ডিভর্স আইন ,শিক্ষা , বন্ধুত্ব ,চাকরী ,পেশা সমস্ত ক্ষেত্র রাষ্ট্রের আইনের আওতায়। আমাদের বিদ্রোহের অধিকার শিশু অবস্থা থেকে সঙ্কুচিত । আমাদের সামাজিক অবস্থান ভাবতেই পারেনা এই আইনের বেড়াজালের বাইরে আমাদের অস্তিত্ব সম্ভব , খুব বেশী হোলে আমরা এই আইনের বদলে ওই আইনের কথা বলতে পারি অথবা কিছু আইনের সংশোধনের কথা কিন্তু আইনের শাসনের নামে এই যে শাসকের আমাদের রাষ্ট্রের নাগরিক নিয়ন্ত্রণ এই বিষয়ে প্রশ্নই করতে পারিনা । উলটে ‘ আইন মেনে চলুন , আইন কে সন্মান করুন , অথরিটির প্রতি অনুগত থাকুন ‘ এই শিক্ষাই পিতা তার শিশু কে দিয়ে বড় করে তোলে - স্কুল আমাদের আইনের প্রয়জনিয়তা বিষয়ে শিক্ষা দেয় এবং আইন মেনে চলার বিধান ধর্মে পরিনত করে । মরাল গুডনেস এবং শাসকের আইনের প্রতি আনুগত্য প্রত্যেক নাগরিকের মাথায় স্কুল থেকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় , সেই স্কুলের সেরা ছাত্র যে শিক্ষকদের মেনে চলে , ডিসিপ্লিন পালন করে বৎসরান্তে কাপ পায় -আইন না মানা বিদ্রোহীর গার্জেন কল হয় স্কুল থেকে রাস্টিকেট ।

    কিসের আইন ? আইন তুচ্ছ করুন । রাষ্ট্রের মনপলি মানবেন আর অধিকার সুরক্ষিত থাকবে ' সোনার পাথরবাটি ' আর কি ! আইন নিজেদের হাতে তুলে নিন । রোজাভা পথ দেখিয়েছে যে কিভাবে বিশৃঙ্খলা না ডেকেও জনতা নিজেরাই নিজেদের সমস্যা মেটাতে পারে । ---- লেখা যাবে বিস্তারিত এই মডেলের কথা punitive approach এর বদলে restorative এপ্রোচ । একটা পচা সিস্টেম রিফর্ম করা যায়না র‍্যাডিকাল পরিবর্তন আনতে হয় ।
  • Prativa Sarker | 11.39.36.224 (*) | ১৫ মে ২০১৬ ১২:৫৬54014
  • দীর্ঘসূত্রিতার কোন শাস্তি নেই। কারণ কোর্টে কেস উঠবেই বহুদিন বাদে বাদে। তারপর উকিল নির্দিষ্ট দিনে ডুব দিলেই হলো। বছরের পর বছর গড়ায় এইভাবে।
    কনভিকশন রেটটা একটু কাগজ ঘেঁটে বলতে হবে
  • sosen | 184.64.4.97 (*) | ১৬ মে ২০১৬ ১২:১১54034
  • ম্যারিটাল রেপ নিয়ে এখানে অনেকবার লিখে উপহাসের পাত্র হয়েছি

    সত্যি নাকি?
  • apps | 11.39.36.244 (*) | ১৭ মে ২০১৬ ০৮:২৬54035
  • প্রতিভা আপনার সমস্ত লেখাই উতকৃষ্ট মানের। কন্টেন্টে ও ফর্মে।

    এবং, এককের দু নম্বর পয়েন্ট এর সাথে একশ শতাংশ একমত।
  • শান্তনু কুমার দাশ | 74.233.173.181 (*) | ১৯ মে ২০১৬ ০৩:১৪54037
  • আইন ভারতীয় সমাজের ভেতর থেকে প্রয়োজনের ভিত্তিতে উদ্ভুত কোনো সুপারস্ট্রাকচার নয় । বাইরের থেকে আরোপিত কিছু উটকো ব্যাপার ।যার থেকে মূল স্রোতের ভারতীয় সমাজ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে নিজস্ব মেজাজে চলে । সমাজের সদস্যদেরও আইন সম্বন্ধে কোনো মাথাব্যথা আছে বলে মনে হয়না । এই সমাজটি হল একটা ভারী রথের মত যা হাজার বছর আগের তৈরি নৈতিকতার নির্দেশে দৌড়চ্ছে । আর আধুনিক আইন কানুন তার মোড় ঘোরানোর চেষ্টা করেও পারছেনা । কারন যাঁরা আইন বানাচ্ছেন আর যাঁরা  লাগু করবেন তাঁরাও ওই রথেই বসে ভাবছেন তাঁরা মোক্ষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন । এই দেশে পুরুষার্থ আছে যার শেষ হল মোক্ষ । নারীর কোনো অর্থ নেই । নারীর ভূমিকা পুরুষকে ধর্ম পালনে সহায়তা করা । অর্থাৎ বিনা প্রশ্নে তাঁর সহধর্মিণীর ভূমিকা পালন করা । পুরুষের কামনার পরিতৃপ্তি ইত্যাদি এবং তারপরে মোক্ষলাভে সহায়তা করা । এর বাইরে নারীর স্বাধীন ভূমিকা এদেশের পুরুষ সমাজের কাছে অতিরিক্ত এবং অর্থহীন ।এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে বুঝতে সুবিধা হয় মহিলাদের ভূমিকা নিয়ে সমাজের এই বহুধা বিভক্ত অবস্থান । শহরাঞ্চলের সীমিত আলোকবৃত্ত গুলির বাইরে প্রায় সমগ্র ভারত এই পুরুষার্থ কেন্দ্রিক সমাজব্যাবস্থার একটা ক্ষয়ীভূত নৈতিকতার বিকৃত শরীরের নির্দেশে চালিত হচ্ছে । এই পচনশীল শরীরটিই সমষ্টিগত বিবেক তৈরি করছে আজও । সেক্ষেত্রে আইন নিছক বহিরাগত । এলিয়েন । আইন কতটুকু কী করতে পারবে এক্ষেত্রে তা নিয়ে ঘোর সন্দেহ আছে ।
  • শান্তনু কুমার দাশ | 74.233.173.185 (*) | ১৯ মে ২০১৬ ০৩:১৪54036
  • আইন ভারতীয় সমাজের ভেতর থেকে প্রয়োজনের ভিত্তিতে উদ্ভুত কোনো সুপারস্ট্রাকচার নয় । বাইরের থেকে আরোপিত কিছু উটকো ব্যাপার ।যার থেকে মূল স্রোতের ভারতীয় সমাজ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে নিজস্ব মেজাজে চলে । সমাজের সদস্যদেরও আইন সম্বন্ধে কোনো মাথাব্যথা আছে বলে মনে হয়না । এই সমাজটি হল একটা ভারী রথের মত যা হাজার বছর আগের তৈরি নৈতিকতার নির্দেশে দৌড়চ্ছে । আর আধুনিক আইন কানুন তার মোড় ঘোরানোর চেষ্টা করেও পারছেনা । কারন যাঁরা আইন বানাচ্ছেন আর যাঁরা  লাগু করবেন তাঁরাও ওই রথেই বসে ভাবছেন তাঁরা মোক্ষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন । এই দেশে পুরুষার্থ আছে যার শেষ হল মোক্ষ । নারীর কোনো অর্থ নেই । নারীর ভূমিকা পুরুষকে ধর্ম পালনে সহায়তা করা । অর্থাৎ বিনা প্রশ্নে তাঁর সহধর্মিণীর ভূমিকা পালন করা । পুরুষের কামনার পরিতৃপ্তি ইত্যাদি এবং তারপরে মোক্ষলাভে সহায়তা করা । এর বাইরে নারীর স্বাধীন ভূমিকা এদেশের পুরুষ সমাজের কাছে অতিরিক্ত এবং অর্থহীন ।এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে বুঝতে সুবিধা হয় মহিলাদের ভূমিকা নিয়ে সমাজের এই বহুধা বিভক্ত অবস্থান । শহরাঞ্চলের সীমিত আলোকবৃত্ত গুলির বাইরে প্রায় সমগ্র ভারত এই পুরুষার্থ কেন্দ্রিক সমাজব্যাবস্থার একটা ক্ষয়ীভূত নৈতিকতার বিকৃত শরীরের নির্দেশে চালিত হচ্ছে । এই পচনশীল শরীরটিই সমষ্টিগত বিবেক তৈরি করছে আজও । সেক্ষেত্রে আইন নিছক বহিরাগত । এলিয়েন । আইন কতটুকু কী করতে পারবে এক্ষেত্রে তা নিয়ে ঘোর সন্দেহ আছে ।
  • সে | 198.155.168.109 (*) | ১৯ মে ২০১৬ ০৬:১৬54038
  • শান্তনুবাবুর পোস্টটার সঙ্গে অনেকটাই সহমত হলাম।
  • She | 126.203.212.35 (*) | ১৮ জুন ২০১৬ ০২:৫৭54039
  • ভালো লাগলো প্রতিভাদি।বাকি আলোচনা টা পড়ে লিখছি।
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন