• হরিদাস পাল  আলোচনা  বিবিধ

  • বইয়ের রিভিউ

    Prativa Sarker লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ২৬ এপ্রিল ২০২০ | ৬৮৯ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • পুস্তক সমালোচনা
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথের পাঁচালির ইংরেজি অনুবাদ Pather Panchali : Song of the Road
    অনুবাদক - রিমি Rimi
    পেঙ্গুইন, মডার্ণ ক্ল্যাসিকস
    মূল্য ৪৯৯ টাকা

    পথের পাঁচালির একেবারে শুরুর দিকটা মনে আছে তো ? সেই যে যেখানে হরিহরের দূর সম্পর্কীয় দিদি ইন্দির ঠাকরুন সকালবেলায় ঘরের দাওয়ায় বসে " চালভাজার গুঁড়া জলখাবার" খাচ্ছেন। দুর্গা পাশে বসে পিসির পাত্র থেকে হাতে চালভাজা মুখে তোলার প্রত্যেকটি খুঁটিনাটি লক্ষ্য করছে আর পাত্র দ্রুত নি:শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে হতাশ হয়ে পড়ছে।

    একটু উদ্ধৃতি না দিয়ে পারছি না।
    "ইন্দির ঠাকরুন মুঠার পর মুঠা উঠাইয়া পাত্র নি:শেষ করিয়া ফেলিয়া খুকীর দিকে চাহিয়া বলিল, ওমা তোর জন্য দুটো রেখে দেলাম না? ----ঐ দ্যাখো !
    মেয়েটি করুণ চোখে বলিল, তা হোক পিতি, তুই খা ---
    দুটো বড় পাকা বীচে-কলার একটা হইতে আধখানা ভাঙিয়া ইন্দির ঠাকরুণ তাহার হাতে দিল।
    এবার খুকীর মুখচোখ উজ্জ্বল দেখাইল। সে পিসিমার হাত হইতে উপহার লইয়া মনোযোগের সহিত ধীরে ধীরে চুষিতে লাগিল।

    প্রথমত আমি আশ্চর্য হয়ে যাই, বিভূতিভূষণ চরিত্রগুলির মধ্যে কথোপকথন ব্যতীত পুরো কথকতাটাই লিপিবদ্ধ করলেন সাধু ভাষায়। কিন্তু কী সুমিষ্ট সেই ভাষা, কী তার অমোঘ টান ! চলিত ভাষার সহজিয়া চলন তো আছেই, ম্যায়েস্ত্রো আরো সৃষ্টি করলেন এক মরমিয়া সঙ্গীত,এক দুরন্ত সুর ! পিথাগোরাস কী এই সুরের অমোঘতাই অনুভব করেছিলেন বিশ্বব্রহ্মান্ডে, সূর্যে, দূরের নক্ষত্রে ?

    মূল যতো অবিশ্বাস্য, তার অনুবাদ ততো কঠিন! বিশেষ করে লেখক যদি হন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁর পথের পাঁচালি কেন নোবেল পেল না, সেই নিয়ে কান্নাকাটি বাঙালির অনেক খায়েশের একটি। সে খায়েশ অবশ্য অনেকটা পুরিয়ে দিয়েছেন সত্যজিত রায়, উপন্যাসটিকে বিশ্ববন্দিত চলচ্চিত্রের রূপ দিয়ে। উপন্যাসটির এই এভারেস্টিয় উচ্চতা, সিনেমা হিসেবে পৃথিবীজোড়া খ্যাতি, সবই কিন্তু অনুবাদের পথে প্রতিবন্ধক হবার কথা ছিল। পান থেকে চুণ খসলে এইসব ক্ষেত্রে রে রে করে তেড়ে যাবার অভ্যেস আমাদের। খচাখচ কলমের খোঁচায় "কতো অল্প হইল" প্রমাণ করবার কী অদম্য বাসনা !
    কিন্তু পথের পাঁচালির ইংরেজি অনুবাদে( মডার্ণ ক্লাসিকস, পেঙ্গুইন) অনুবাদক রিমি সেরকম সুযোগ একবারের জন্যও দেননি। আগাগোড়া তাঁর অনুবাদকর্মটি মূল লেখার হাতে হাত মিলিয়ে হেঁটেছে। কোথাও পিছিয়ে পড়েনি।

    পাঠক যাতে পাতা উলটে অধৈর্য না হন সেজন্য উপন্যাসটির একেবারে প্রথম পাতা থেকে কোট করেছিলাম। শুধু সেখানটুকু মনোযোগ দিয়ে পড়লেই প্রত্যয় হবে এ কাজ কতো কঠিন ছিল। জলখাবার চালভাজা গুঁড়ো, ভাইঝির উপস্থিতি বিস্মৃত পিসির অনুতাপ, বীচে কলা, তার আধখানা পেয়ে ছোট্ট মেয়েটির পরিতৃপ্তি, এসব শুধু বিজাতীয় ভাষার কারণেই নয়, সংস্কৃতিগত বাধার কারণেও প্রকাশ করা অতি কঠিন। এমনকি একবিংশ শতকের বাংলা গ্রাম সম্বন্ধে কিছু জ্ঞান থাকলেও এ পাঠের মর্মোদ্ধার করা সম্ভব নয়। দেশ ও কালের এই গন্ডি উল্লম্ফনে দরকার ছিল কলমকে তুলি বানিয়ে ছবির পর ছবি উপহার দেওয়া , রিমি তাইই করেছেন। দরকার ছিল সহজবোধ্য অথচ যথাযথ শব্দসমৃদ্ধ ভাষার অকুন্ঠ ব্যবহার, রিমি ঠিক তাইই করেছেন।

    Indir Thakrun looked up and immediately saw the longing in her niece's eyes.'Will you look at me ! she exclaimed...
    Though this had clearly been Durga's own unvoiced tragedy, she managed to put on a brave face...
    But her bright young eyes lingered longingly on her aunt's empty bowl.

    Indir Thakrun looked swiftly around...Satisfied, she grinned conspiratorially at her neice and quickly broke one of her two ripe bananas in half.Then she held one half out to the child. The strained nonchalance od Durga's face dissolved instantly into an enormous grin of pure delight. Taking the treat eagerly from her aunt's hand, she jammed one end in her mouth, and began sucking it like one would a hard-boiled sweet.Her eyelids fluttered shut in contentment.

    সাহসী গ্রহণ বর্জন দুইয়ের যোগফল দাঁড়ালো নিটোল ছবির পর ছবি, যার চিত্রধর্মিতা নিজেই হয়ে উঠলো প্রকাশের অনন্য মাধ্যম, আর অনায়াসে ডিঙিয়ে গেল দেশ,কাল, সংস্কৃতি আরোপিত নানা বাধা, যাকে এতোক্ষণে অলীক বোধ হতে শুরু হয়েছে।

    চমৎকৃত হয়েছি, ব্রতকথা এবং ব্রতমন্ত্রগুলির অসাধারণ অনুবাদে। বাঁধাধরা অনুবাদ না হয়ে কোন মন্ত্রবলে এইগুলি একেবারে অরিজিন্যাল হয়ে উঠেছে। কিন্তু কী আশ্চর্য মূলানুগতা ক্ষুণ্ণ হয়নি কোথাও। এক্ষেত্রে পুণ্যিপুকুরের উদাহরণটি খুব লাগসই হবে।

    সেই যে দুর্গা ভক্তভরে পুণ্যিপুকুর ব্রত করতে বসেছে আর অপু দুষ্টুমি করে দিদির মন্ত্রোচ্চারণকে ভেঙাচ্ছে। "দুর্গা মায়ের ভয়ে নাহিয়া আসিয়া ভিতরের উঠানে পেঁপেতলায় পুণ্যিপুকুরের ব্রত করিতেছে। উঠানে ছোট্ট চৌকোণা গর্ত কাটিয়া তাহার চারিধারে ছোলা মটর ছড়াইয়া দিয়াছিল -- ভিজে মাটিতে সেগুলের অঙ্কুর বাহির হইয়াছে -- চারিধারে কলার ছোট্ট বোগ পুঁতিয়া ধারে পিটুলি গোলার আলপনা দিতেছে -- পদ্মলতা, পাখী, ধানের শীষ,নতুন ওঠা সূর্য...
    সে এক নিঃশ্বাসে আবৃত্তি করিতে লাগিল,

    পুণ্যিপুকুর পুষ্পমালা কে পুজে রে দুপুরবেলা
    আমি সতী লীলাবতী ভাইয়ের বোন ভাগ্যবতী --

    এই মন্ত্রটি রিমির অনুবাদে দেখি :

    Pond of Virtue, garland of flower,
    Who worships at this noon hour?
    I, Leelabotee, that is who.
    Lucky sister of brothers,
    A woman of virtue.

    অনবদ্য এই সৃষ্টির পরের কিছু পংক্তিও তুলে দিচ্ছি। পড়লেই বোঝা যাবে টেক্সটের প্রবহমানতা কোথাও ক্ষুণ্ণ হচ্ছে না, চলনও নয়, শুধু ভাষা পাল্টে যাচ্ছে বাংলা থেকে ইংরেজিতে --

    Opu was watching the rites with interest.At the end of his sister's recitation, he snickered. ' "A woman of virtue", oooh !'

    Durga grinned in embarrasment.'Shush! Go wait outside.This is a girls' thing, what are you doing here anyway? '

    ' Hee hee! " Lucky sister of brothers,a woman of virtue." Virtuuuuuue ! Hehehe !'

    প্রশ্ন উঠতেই পারে ওপরের উদ্ধৃতিতে অপু কেন Opu ? কেন Apu নয় ! সমস্ত অনুবাদ জুড়েই রিমি বাংলা নাম উচ্চারণের একটি বিশেষ ধারা সৃষ্টি করেছেন। বাংলা মূল নামের উচ্চারণ যেমন হয়, ঠিক সেই অনুযায়ী নামটির ইংরেজি বানান লেখা হয়েছে। সচেতনভাবেই এটা তিনি করেছেন কারণ তার ইচ্ছা, স্থানীয় উচ্চারণ যা হামেশাই বিকৃত হবার প্রবণতা দেখা যায়, অন্তত এই বইটিতে যতটা পারা যায় তা মূলের কাছাকাছি থাকুক। সেজন্য মহাভারত হয়েছে Mahabharot, দশাশ্বমেধ হয়েছে Dashashwomedh। ঔপন্যাসিকের গভীর চিন্তাভাবনার ছাপ গায়ে থাকা নিশ্চিন্দিপুর কিন্তু অনুবাদিত হয়ে হয়েছে The Abode of Contentment,ঠাকুরঝি দিঘী The pond of Sisters in law.

    নাম নিয়ে রিমির এই সচেতন প্রয়াস আমার মনে বিভূতিভূষণের পথের পাঁচালির সঙ্গে মিলটনের প্যারাডাইস লস্টের তুলনা ডেকে নিয়ে আসে। নামে অনেক কিছু যায় আসে। নাম টেক্সটের গহনে লুকোনো সুরটির প্রথম প্রকাশ ঘটায়। অনুবাদকের কথায়(Translator's Note) রিমি যেমন বলেছেন, মূল উপন্যাসের বর্ণময় কথ্যভঙ্গীটি অটুট থাকুক এই ছিল তার চাওয়া। এর সঙ্গীতময়তা, দ্যোতনা (suggestiveness) কোথাও কোনোভাবে যেন ক্ষুণ্ণ না হয়।

    তবু এই সমালোচকের মতে, কোথাও কোথাও, যদিও সে উদাহরণ অতি অল্প ,বিভূতিভূষণের যাদু অনুবাদে অনায়াস বশ্যতা স্বীকার করেনি। যেমন ইন্দির ঠাকরুণের স্মৃতিচারণায় রায়বাড়ির মেজবৌ -- "ঐ রায়বাড়ির মেজবৌ লোকজন সঙ্গে করিয়া চাল কুটাইতে আসিয়াছেন,ঢেঁকিতে দমাদম পাড় পড়িতেছে, সোনার বাউটি রাঙা হাতে একবার সামনে সরিয়া আসিতেছে আবার পিছাইয়া যাইতেছে, গজদ্ধাত্রীর মতো রূপ, তেমনি স্বভাবচরিত্র"। অনুবাদক যখন বলেন 'the gold at her wrist glinting in the autumn sun' তখন সোনার হাতে সোনার বাউটির সেই ঈষৎ ঝাঁকুনিপূর্ণ চলন অধরা থাকে।

    আর একটি কথা। ব্রত, অমাবস্যা, ঠ্যাঙাড়ে, ঢেঁকি এইসব মূল শব্দের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য শেষে একটি গ্লসারি থাকলে বাংলাভাষার সঙ্গে সংস্রবহীন পাঠকের সুবিধে হত। বাংলা নামেই মাতৃভাষা এইরকম পাঠকও উপকৃত হতেন।

    আবারো বলি ৪৮৭ পাতার বইতে রায় বাড়ির মেজ বৌয়ের বাউটির চলনের মতো উদাহরণ খুব কম। ডিটেইলসে আরো মনোযোগী হলে এই এপিকের অনুবাদ কখনো শেষ হতো কিনা সে সন্দেহ জাগতেই পারে। যে দক্ষতায় অনুবাদক অবলীলায় অনুবাদ করে গেছেন হরিহর অপু দুর্গা এবং আরো অসংখ্য চরিত্র ও ঘটনাসহ গোটা নিশ্চিন্দিপুর গ্রামকে, না আরো বড় ক্যানভাসে আঁকা তৎকালীন বঙ্গদেশ ও বঙ্গসমাজকে, তা নিশ্চিতভাবে ঈর্ষনীয়। সে দক্ষতার প্রমাণ রয়েছে বইটির সারা শরীরে, শেষ ক'টি পৃষ্ঠাতেও যেখানে অবহেলিত অনাদৃত অপু আশ্রয়দাতার নির্মম প্রহার মায়ের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে তাড়াতাড়ি স্কুলের পথ ধরে। নিশ্চিন্দিপুরে ফিরে যাবার প্রার্থনায় তার সরল নিষ্পাপ মন কান্নায় উচ্ছ্বসিত হয়, অথচ পথের দেবতার তর্জনীর অমোঘ ইশারা থাকে দিন রাত, জন্ম মৃত্যু, মণ্বন্তর, মহাযুগ পার হওয়া অনন্ত পথের দিকে।

    মহৎ সাহিত্যের সঙ্গে খুব গভীর এবং অন্তর্লীন বোঝাপড়া, বাংলা ইংরেজি দুই ভাষাকেই কেনা গোলামের মতো নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাবার ক্ষমতা ব্যতীত এই হারকিউলিস-কর্ম (Herculean task) সাধন সম্ভব নয়। রিমিকে এই অসাধ্যসাধনের জন্য অনেক ধন্যবাদ। কালজয়ী উপন্যাসের যোগ্য ভাবানুবাদ হিসেবে পেঙ্গুইনের বইটি সর্বত্র সমাদৃত হবে, এ আমার একান্ত বিশ্বাস।

    পুনশ্চ ঃ অনেক যুগ আগে অনুবাদকের প্রতিভার অসাধারণ স্ফুরণ দেখেছিলাম জাতীয় সঙ্গীতের অসামান্য ইংরেজি অনুবাদে। সেইসময় থেকেই আশাবাদী আমার ইচ্ছাপূরণ হল পথের পাঁচালির ইংরেজি অনুবাদখানি হাতে নিয়ে। হার্পার কলিন্স থেকে শিশু সিরিজে রিমির আর একটি অনুবাদ বেড়িয়েছে। The Adventures of Kakababu, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিখ্যাত কিশোর উপন্যাসের অতি সক্ষম অনুবাদ। একইরকম সুখপাঠ্য।
  • বিভাগ : আলোচনা | ২৬ এপ্রিল ২০২০ | ৬৮৯ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আরও পড়ুন
কাঠাম - Rumela Saha
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব রহমান | ২৬ এপ্রিল ২০২০ ২২:০৫92713
  • দিদি, সত্যিই খুব নিবিষ্ট পাঠ। 

    প্রিয় বইটি অনুবাদও যোগ্য গুনির হাতে পড়েছে জেনে ভাল লাগছে। আসলে মূল লেখার সুরে মিশে গেলেই বোধহয় অনুবাদেও একই আনন্দ বেদনা প্রকাশ করা যায়। 

    #

    প্রসঙ্গত,  লকডাউনের দিনে প্রিয় কবির একটি সদ্যোজাত কবিতা তোমার জন্য : 

    'ইচ্ছা ছিল খাবো পেট ভরে লাউ ভাজি

    পড়বো কিছুদিন আবার বিভূতিভূষন
    কয়েক দিন পড়বো প্যান্ট টি সার্ট
    রাস্তার পোষাকে ঘনঘন লাল চা খাবো

    লালনের বস্তুমূলক কালাম শুনতে শুনতে ঘুম চাই
    অবিনাশী পাট পাতার গান
    চোখ জুড়ে আসুক, 
    ফিরে আসুক মর্ম জুড়ে সকল অবর্তমান' (কাজল)

               

  • Prativa Sarker | ২৬ এপ্রিল ২০২০ ২২:৩১92715
  • "অবিনাশী পাট পাতার গান..." আহা ! 

  • বিপ্লব রহমান | ২৬ এপ্রিল ২০২০ ২২:৩৫92716
  • কাজল শাহনেওয়াজ,  এপারে প্রথম সারির কবি,  প্রায় জাদুঘর। 

  • বিপ্লব রহমান | ২৬ এপ্রিল ২০২০ ২২:৪১92717
  • ​​​​​​*জাদুকর  হবে,  দুঃখিত।   

  • শিবাংশু | ২৭ এপ্রিল ২০২০ ০০:০৭92722
  • বিভূতিভূষণ, বিশেষত পথের পাঁচালির ঠিক 'অনুবাদ' হয়না। সে মানিকবাবু করুন বা ক্লার্কসাহেব এবং তারাপদ মুখুজ্যে মশায়। ঐ অনুবাদটি প্রায় ছোটোবেলায় পড়া। এবার রিমি যেটি করেছেন সেটিও পড়বো। তবে ব্যাপারটা ঐ আর কী? রিমির যে সামান্য উদ্ধৃতি পড়লুম, এক কথায় অসাধারণ। সত্যি কথা বলতে কী, জীবনানন্দ বা বিভূতিভূষণ ইংরেজিতে ঠিক ধরা দেননা। একটা কাচের দেওয়াল থেকেই যায়। তাতে তাঁদের হয়তো 'নোবেল' পাওয়া হয়না, কিন্তু বাঙালিদের পরম পুলকের কারণ হয়ে বেঁচে থাকেন। মূল বইটি না পড়ে এখন বলবো না। তবে আপনার সুপারিশ শিরোধার্য। পাঠপ্রতিক্রিয়াটি সম্বন্ধে আর কী বলি? যথারীতি সংলিপ্ত ও সর্জমান।
  • Prativa Sarker | ২৭ এপ্রিল ২০২০ ২৩:২৭92756
  • ধন্যবাদ শিবাংশু, বিপ্লব।

  • ঝর্না বিশ্বাস | ৩০ এপ্রিল ২০২০ ২০:৫৩92858
  • বইটি ইংরেজিতে পাওয়া এক দারুন ব্যাপার...পাঠ প্রতিক্রিয়াও খুব ভালোলাগল...

    আমার মনেও এই প্রশ্নটা আসছিল "Opu ? কেন Apu নয়"...জানলাম পরে এসে ... 

    ভালোলাগল... 

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত