এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • ইটটি ওয়ে ইটটি চা লে চা লে ....

    একক লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৩ মে ২০১৬ | ৭৪০ বার পঠিত
  • মিং গা সি মো ?

    ঙ্গা গী সোনম ইন। খো গী ?

    দেব। গা তে লা মো ?

    ট্রাসিগাং !

    ওহ তাই এত রূপ। টিকালো নাক আর জ লাইন দেখেই অবশ্য আন্দাজ পেয়েছিলুম ইনি লিম্বুনি নন। কিন্তু দু -চার কথার পরে আমার জংখার স্টক ফুরিয়ে আসে। একসেন্ট তুলে নেওয়া তো খুব সহজ কিন্তু ভাষা শিখে উঠতে পারিনি এত দ্রুত। শব্দভান্ডার খুবই সীমিত। সোনম বুঝতে পারে এবং ইংলিশে আলাপ চালিয়ে যায়। আলাপ বলতে অবশ্য হাসি বেশি কথা কম। ইউনিভার্সিটির পাট চুকিয়ে সে এখন থিম্পুর একটা সেকেন্ডারী ইস্কুলে পড়ায়। টিচার শুনলে বিশেষত বাচ্চাদের, আমি প্রমাদ গনি। তবে সোনম আপাতত সেরকম মনে হয়না। স্নুকার টেবল এর দিকে বার কয়েক তাকায়। জিজ্ঞেস করি : খেলবে ? বলে সে ভালো খেলতে পারেনা। আমিও অকপটে বলে দি, আজ অবধি কতবার খেলেছি হাতে গুনে বলা যায়। এককথায় অষ্টরম্ভা। কাজেই আমরা হুইস্কি অর্ডার দি।

    সব সন্ধ্যে সমান যায়না। জুলাই এর সন্ধ্যেগুলো যেমন বৃষ্টি হতেও পারে নাও হতে পারে। হলে অবশ্য ভাসাবে। ওপেন এরিয়াতে বসেনা কেও তাই। আমি আর যোশী থাকলে তো বার স্টুল আঁকড়েই পরে থাকি। আজ কী মনে হলো স্মোক করতে ওপেন এরিয়াতে এসেছি। সোনমের সঙ্গে আলাপ। এখানে টেবল গুলো পাথরের । বসার জায়গাও তাই। বরফে বৃষ্টি তে ফুল প্রুফ। ভিজে টেবলের ওপর গ্লাস আর আইস বাকেট এনে রাখে কিঙ্গা। ভদ্রতাবশত জিজ্ঞেস করি কটা কিউব দেবো। সোনম দুটো নেয়। আমি নিজের গ্লাস বরফে ভর্তি করি । কী করি, বাড়ি কোথায়, এখানে কত বছর আছি এইসব টুকটাক কথা চলে। সোনমের মাসতুতো দাদা থাকে এখানে। তাদের বাড়িতেই এসেছে। পরপর কয়েক রাউন্ড হুইস্কি শেষ হয়। এখানে মেয়েরা নরমালি একটা সরু লম্বা মত সুগন্ধী সিগারেট খায়। সোনমের গোল্ড ফ্লেক চলে দেখে বেশ আমোদ পাই। থিম্ফুতে গোল্ড ফ্লেক কোত্থেকে পাও ? ফ্যাক করে হেসে ফেলে। যেভাবে তোমরা পাও। কাস্টমস কে ডবল চার্জ দিয়ে।

    কিভাবে যেন আমরা গান নিয়ে কথা বলতে থাকি। আমি তো গান গাইতে পারিনা। সোনম পারে ? "পারি তো। প্রেয়ার সংস। শুনবে ? " গুন গুন করে তারপর ক্রমশ স্পষ্টভাবে সোনম গেয়ে ওঠে : সুরয়া বু ডি সটবায়া মাহা সাটবায়া মাহা কারু নিকায়া। আমরা কিছুক্ষণ দুজন দুজনের দিকে গোল গোল চোখ করে তাকাই এবং হো হো করে হেসে উঠি। নাহ, নেশা হয়েছে। মেয়েটার গলা অবশ্য বেশ মিষ্টি। না ঠিক মিষ্টি না। একটু ভিজে, একটু কষা। জামরুলে কামড় দিলে এমন লাগে না ?

    অনেকেই গান জানে এদেশে। সবাই যে তা নয়। তবু যেন একটা সুরের শিক্ষা রয়েছে। সেটা ব্যক্তিগত চর্চা থেকে এসেছে না দিবারাত্র গুম্ফার ভেসে আসা সুর থেকে জানিনা। অচেনা দেশ -অচেনা মানুষদের জানা সহজ নয়। যেমন বৃষ্টি শুরু হবার আগেও আমাদের কেও জানান দেয় না। ছ সাত পেগ করে হয়ে গ্যাছে। শরীরে মৃদু আলসেমি। ভিজে টেবিলের জলের ফোঁটা গুলো ধীরে বহে আসা বৃষ্টির প্রশ্রয় পেয়ে ব্যাসার্ধে বাড়তে থাকে। আমরা কেও উঠে যাই না। আলাপচারিতা অনেক আগেই শেষ হয়েছিল তাই বকবক করার প্রয়োজন থাকেনা। মাউন্টেন রেঞ্জের ওপর উজ্জল ড্রাগনের মাথা ঝলকাতে থাকে যেন প্যালাডিয়াম গলিয়ে করা কোনো কিনসুকুরোই। এখানে রাস্তায় জল জমে না। কিন্তু আমাদের একপাশে যে রাস্তা ধরে পাহাড়ি ঢাল নেবে এসেছে, তার ওপর জলের স্রোত দেখার মত। আমরা আছি রাস্তার লেভেল থেকে নীচে। বার এর ভেতরের আলো এসে পড়েছে সেই ঢালে অল্পবিস্তর, আর একটা ঝাঁকালো বুনো ফুল শুদ্ধু ডাল জলের তোড়ে বারবার নীচু হয়ে ছুঁয়ে যাচ্ছে জল কে। তার শিকর পাথরের গভীরে আর শরীর নমনীয়। এমন অমোঘ কম্বিনেশনকে উপড়ে ফেলার ক্ষমতা বোধ করি ওয়ং ছু'র ও হবেনা।

    বৃষ্টিতে ভেজার জনতা আরও আছে। বারের ভেতর থেকে কয়েকজন বেরিয়ে এসে দাঁড়ায়। দুটি কমবয়েসী ছেলে জামা খুলে দুপাশে হাত ছড়িয়ে কোনো সিনেমায় দেখা ভঙ্গী করে। মেয়েরা হেসে ওঠে। কমবয়েসীদের ভীড় বাড়তে থাকে ওপেন এরিয়াতে। আমরা অলরেডি ভিজে চুপচাপ হয়ে আছি। সোনমের ব্যাগে ফোন বেজে ওঠে। অগত্যা বারের ভেতরে আসি। ওর দাদা ফোন করেছে গাড়ি নিয়ে আসবে না ফিরতে পারার মত কন্ডিশনে আছে। সোনম একাই ফিরবে বলে কাটিয়ে দেয়। বৃষ্টি একটু কমলে আমরা হাঁটতে শুরু করি। কাছেই পেলখিল লামে বাড়ি। পেলখিল লামে তো কেঝাং এরও বাড়ি। একটু উঁচু খাড়াই এলাকা। সরু রাস্তা। অভ্যেসমত সোনমকে খাদের উল্টোদিকে রেখে হাঁটার চেষ্টা করি। মেয়েটা মাতাল না হলেও অল্প টলছে। তোমার দেখছি নেশা হয়নি তেমন ? বলে সোনম শক্ত করে হাত ধরে। গার্ড করবে তো ঠিক করে করো ! আবার সেই ফাজিল ফ্যাকফেকে হাসি।

    বুঝেই গেছিলুম কেঝাং দের বাড়িতেই যাচ্ছি যখন টাশি ব্যান্ক পেরিয়ে পরের বাড়িটা বল্লো। কাজেই অবাক হইনা আলাদা করে। কেঝাং দরজা খুলে দুই মূর্তিকে দেখে প্রথমে অবাক হয় ও তারপর হই হল্লা জুড়ে দেয়। এ বাড়ি তে আগেও কতবার এসেছি । ওর ট্রাশিগাং নিবাসী বোন আছে জানব কোদ্দিয়ে। সোনম নিজের ঘরে চলে গেলে আমরা আবার বোতল খুলি। কেঝাং মোটামুটি রাত বারোটা নাগাদ শহর চড়তে বেরয়। ওর ওটাই টাইমিং। আজ বৃষ্টি বলে ইতস্তত করছিল। স্টীম মোমো আর গ্যেপ আসে গরম গরম। আধ বোতল হুইস্কি সহযোগে সেসব ধ্বংস করি দুজনে আড্ডা দিতে দিতে। দেওরাজ কল করে। বৃষ্টি তো থেমেছে। এনাকোন্ডা গিয়ে একটু দুপাত্তর খেলে হয়না ! অবশ্যই হয়। এমন পরিবেশে একটু নেশা করে রাত অবধি আড্ডা না দিলে আর কবে দেব। বেরিয়ে পরি গাড়ি নিয়ে। সোনমের সঙ্গে আর দেখা হয়না। নির্ঘাত সটান ঘুমিয়ে পড়েছে।

    এরকম ই। নতুন কোনো ঘটনা নেই। আকাশ চিরে বিদ্যুত ছাড়া কিছুই চমকায় না এদেশে। কোথাকার আলাপ কোথায় ভুলে যাই। ঘোষ জয়েন করেছে কলকাতা থেকে এসে। তার ভারী গুম্ফা দেখার সখ। তার সঙ্গে দুদিন মদ খেলুম। প্রচুর বকবক করে। আমি নাকি ভুটানি হয়ে গেছি। এতই সহজ। হতে পারলে তো বর্ত্তে যেতুম। একটা দেশলাই বাক্স ক্যামেরা দিয়ে ফিচিক ফিচিক ছবি তুলছে গুম্ফার। এটা কী ওটা কী। মুর্তিগুলো চিনিয়ে দিয়ে সরে আসি পেছনের বাগানে। তেমন সুসজ্জিত নয়। ঘাসের জঙ্গল হয়ে আছে। কিছু হিমালয়ান ব্লু পপি। কিছু সাদা পাহাড়ি গোলাপ। দূর থেকে ঝোরা দেখা যায় পাহাড়ের স্পর্ধিত ক্লিভেজে। আর একটানা গানের সুর। রেকর্ডার না। শিঙে ফুঁকে বাচ্চা লামারা গাইছে। বৃষ্টিঋতু নয় তবু বৃষ্টির তাল টুকু ছুঁয়ে থাকে যেন। একটানা। মাথার মধ্যে বসে থাকে ভিজে মেট্রোনোম। পাথরের টেবিল। দু গ্লাস পানীয়।

    তারিয়া থা ওম দারা দারা, দ্চিরী দ্চিরী দ্চুরু দ্চুরু,
    ইটটি ওয়ে ইটটি চা লে চা লে,
    কুলা ত্চারে কুলা ত্চারে, কুসু মে কুসু মা ওয়া রে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ১৩ মে ২০১৬ | ৭৪০ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    নাইটো - একক
    আরও পড়ুন
    সিপাহী - একক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ১৩ মে ২০১৬ ০৩:১৭53717
  • #
  • sosen | ১৩ মে ২০১৬ ০৩:২১53718
  • বাঃ
  • একক | ১৩ মে ২০১৬ ০৩:২১53719
  • দুঃখিত। ওটা দ্চিরি বা দ্চুরু নয়। দ -এ -চ এ টাইপ করে লিখতে গিয়ে দ্চ হয়ে গ্যাছে।
  • rabaahuta | ১৩ মে ২০১৬ ০৩:৩৮53730
  • কি চমৎকার।
  • sosen | ১৩ মে ২০১৬ ০৪:৩৪53720
  • দ এ চ একটা যুক্তাক্ষর?
  • Ekak | ১৩ মে ২০১৬ ০৪:৩৯53721
  • হ্যা। শব্দের শুরুতে তিনরকম "চ " সাউন্ড আছে। একটা "চ "। আরেকটা দ এর আভাস দিয়ে চ। আরেকটা ত এর আভাস দিয়ে চ। জিভ যথাক্রমে মুর্ধায় ও পশ্চাত দন্তমূলে ঠেকিয়ে উচ্চারণ হয়। কিছুতেই টাইপ হচ্ছেনা :|
  • sch | ১৩ মে ২০১৬ ০৫:৪৩53722
  • আরো হোক - আরো অনেক - খুব চেনা লাগছে কথাগুলো - শুনতে ইচ্ছে করছে
  • কল্লোল | ১৩ মে ২০১৬ ০৫:৫০53723
  • আমার নেশা হয়ে যাচ্ছে। আরও চাই। ফুরসৎ মতো।
  • কল্লোল | ১৩ মে ২০১৬ ০৫:৫৩53724
  • একটু নেশা চড়ুক।
  • sinfaut | ১৩ মে ২০১৬ ০৭:১৭53725
  • দারুন।

    "কিন্তু আমাদের একপাশে যে রাস্তা ধরে পাহাড়ি ঢাল নেবে এসেছে, তার ওপর জলের স্রোত দেখার মত। আমরা আছি রাস্তার লেভেল থেকে নীচে। বার এর ভেতরের আলো এসে পড়েছে সেই ঢালে অল্পবিস্তর, আর একটা ঝাঁকালো বুনো ফুল শুদ্ধু ডাল জলের তোড়ে বারবার নীচু হয়ে ছুঁয়ে যাচ্ছে জল কে। তার শিকর পাথরের গভীরে আর শরীর নমনীয়। "

    এই লাইন ক'টা পড়তে গিয়ে অনেক আগে পড়া কলখিদার বাদায় এমন ঝড় আর বৃষ্টির অনুভবটা শরীরে ফিল করলাম।
  • avi | ১৩ মে ২০১৬ ০৭:২২53726
  • ইসস, কি দারুণ মাতাল করা অভিজ্ঞতা! কামদুটো হালকা সবুজ হয়ে গেল।
  • avi | ১৩ মে ২০১৬ ০৭:২৩53727
  • *কানদুটো।
  • de | ১৩ মে ২০১৬ ০৮:১৭53728
  • ইস! বৃষ্টির পাহাড়ে এতোল বেতোল ঘুরে বেড়ানোর ইচ্ছে হচ্চে -

    দারুণ!!
  • san | ১৩ মে ২০১৬ ০৮:৫৫53729
  • আমিতো এই ভূটান সিরিজ পড়ে রোজই সবুজমত হয়ে যাই :-(
  • Tim | ১৪ মে ২০১৬ ০১:২৫53732
  • দারুন হয়েছে লেখাটা
  • Robu | ১৪ মে ২০১৬ ০২:৩০53733
  • খুব আরাম পেলাম পড়ে।
  • Du | ১৪ মে ২০১৬ ০৪:০২53734
  • সকাল সকাল মনে হল বেড়াতে এসেছি -- খুব ভালো লাগলো।
  • Atoz | ১৪ মে ২০১৬ ০৪:১১53731
  • আহ, দারুণ দারুণ দারুণ।
    ঐ পাহাড়, জলধারা, ঘাসজঙ্গল, ফুল, গান সব দেখতে আর শুনতে পাওয়া যাচ্ছে। খুব সুন্দর।
  • Prativa Sarker | ১৬ মে ২০১৬ ০৯:৫৪53735
  • বাঃ, শুধু মুগ্ধতাই জানানো যায় এমন লেখায়।
  • একক | ০১ জুলাই ২০১৬ ১২:৪৩53736
  • যাহ্, সোনম ঘুমিয়ে পড়ল?
  • . | ০৫ এপ্রিল ২০১৯ ০৪:১৫53737
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন