বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  গপ্পো

  • পালং চিকেন

    একক লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ২২ জুলাই ২০২২ | ৫১৩ বার পঠিত
  • "দ্দ্যা..., এসঅঅব কাটুয়া কালুয়াদের রক্ত এমনিতেই গরোম, এদের এট্টু সামলে রাখা - "

    ঠোঁটের সিগারেট ফস করে ধরিয়ে ফেলে সায়ন। একটা লম্বা টান। ধোঁয়া ছাড়ে,
    কথা  ঝেড়ে ফ্যালে :  "ভালো।"

    খাবার টেবিলের পাশে চেয়ার। আড় করে, অনতিদূরের সোফায় পা তোলা । একটি ছুটন্ত রেখা। বৃত্ত। টেবিলে খাবার সাজানোর পর সিগারেট ধরানো সীমন্তির না-পসন্দ। তবে, এই মুহূর্তে  যা প্রাত্যহিক মাপা বিরক্তির চেও কিছু বেশি, বা, যতটা হলে টিভি থেকে চোখ টেনে সরিয়ে ভ্রূভঙ্গী, ততটাই : এসব ভুলভাল থিওরি নিজের কাছে রাখো । 
    খাবলে রিমোট টেনে চ্যানেল পাল্টায় সীমন । পোলিস সার্চের নামে ব্রুটালিটি। নতুন কিছু নয়। রাস্তায় ফেলে পেটাচ্ছিল বস্তুত। 

    তবে, সায়নের তর্ক পেয়েছে: ভুলভাল কী ! ব্যাটারা পড়াশোনা করবে না, তারপর টেরোরিস্ট হবে নইলে স্মাগলার অর ডাউনটাউনের পিকপকেট। 

    কথাক'টা বলতে বলতেই ওঠে সায়ন। বাথরুম অবধি যায়, হাতড়ে সুইচ জ্বালে। স্মাগলার ইত্যাদি শব্দগুলি আসে, ভেতর থেকে, দরজার দিকে পেছন ফিরে হয়তো,  ঘোষণার ভঙ্গীতে। সীমন্তির কানে কেমন, যাত্রাপালার হাসির মতো দেখায়। আদপে হয়তো নয় বা আমরা বাথরুমের বাইরে থেকে, জানিনা।  যাগ্গে।

    তো, এই ধারার  যুক্তিজাল সীমন্তি প্রায়শ শুনে থাকে। এবং একই  কাহিনী। ব্যাপারটা দাঁড়ায়, সায়নের বড়জেঠুর ম্যাট্রিকে প্রথম হওয়ার দিন, শহর থেকে একদল রিপোর্টার, সায়নের ভাষায় 'সাংবাদিক' এসে, বড়পঞ্চাননপুকুরতলা গ্রামের মাঠে, ধুলো কাদা মাখা ফুটবল বগলে একটি বালককে আবিষ্কার করেন তারপর তিনি ড্যাং ড্যাং  তারপর সায়নের বাবা ড্যাং ড্যাং ড্যাং সায়ন নিজে ড্যাং ড্যাং ড্যাং ড্যাং, বলতে নেই, সায়ন নিজেকে  নাগাড়ে উন্নতির  মধ্যে রেখেছে,  সে নতুন প্ৰযুক্তি শিখে নেওয়া হোক বা অফিসের  কূটনীতি,  অনেকের কাছে ঈর্ষণীয় সাফল্যের গ্রাফ। তবু। 

    জগতের যেখানে যারা  অন্যরকম তা নিয়ে এতো ছ্যা ছ্যা, তাও নয় মানুষ তো কতরকমের হয়, মানিয়ে নিয়েছে সীমন। কিন্তু । কাঁসর জিনিসটা লম্বা সময়ের বাদ্যযন্ত্র হিসেবে, সীমন্তির কানে অন্তত খুব একটা সহনীয় কিছু নয়। কোনোকালেই। 

    -- খাবার দেওয়ার পরই সিগারেট ধরানো মনে পড়ে? মুখে বলে  সীমন। সায়ন  আধখাওয়া কাঠি ছাইদানিতে গুঁজে টেবিলে হামলায়। 

    মুসুর ডাল সেদ্ধ সরিয়ে রেখে, মাছ পাশ কাটিয়ে, পালং চিকেন মাখতে যায়। পালং খেলেই পেট কামড়াচ্ছে বুক ধড়ফড়াচ্ছে হয়, বিয়ের পরে পরেই সীমন্তি দেখেছিলো। সে অনেক বছর।  সবে এদেশে এসেছে। তারপর, খেয়াল করে, দেয়নি, আর হয়-ও নি। বা অন্তত চোখের সামনে, বাড়িতে। বকবকের ঠেলায়; এবং -

    ভাবার অবকাশেই, ঝপ করে মেখে দু'গ্ৰাস একসঙ্গে মুখে তোলে সায়ন। জল খায়। বাপের গল্প টেনে এনে  নিজের গল্প বিনয়ের সঙ্গে শর্ট সিভি করে শুনিয়েই , আবার বড়জেঠুতে ব্যাক করে । বড়পঞ্চাননপুকুরতলার মাঠের অনতিদূরেই, এক হাঁড়ি কলসির দোকান, দুপুরে লোক নেই। কেও সাইকেল ঠেস দিয়ে বিড়ি ধরাচ্ছিলো, সেই  উপযাচক হয়ে দেখায়, মুখুটির পো? হুই দেখেন ক্যানে, বল লাথায়। 

    এই অংশগুলো  সায়নের মুখে শুনতে, যতবারই হোক, খারাপ লাগেনা। সীমন দেখে একটা মাটিমাখা বাচ্চা ছেলেকে , কোমরে হাত দিয়ে পাকা পাকা ভঙ্গীতে জবাব দিচ্ছে। কিউট, না? 

    এদিকে সায়ন যথারীতি কোন কোন সাবজেক্টে ওঁর রেকর্ড মার্ক্স্ ছিল, পড়া বলতে শুরু করেছে । আরেক গরাস পালং চিকেন তুলে নিয়েছে মুখে। এবং খচমচ  শব্দে খাওয়া ও কথা দুই চলছে। সীমন একটু থেমে দু-চামচ ডালসেদ্ধ নিয়ে  বলে: জল খাও। সায়ন বাধ্য ছেলে। 

    রিপোর্টাররা সেই মুহূর্তে মাটি মাখা একটি  বাচ্চাকে, বিস্ময় বালক হিসেবে মেনে নিতে দ্বন্দ্ব-আতুর। 

    ----খোকা একটু মুখুজ্যে বাড়িটা দেখিয়ে দেবে? 
    ---- কেনে গো? তোমরা কোদ্দিয়ে এইচ !

    সপ্রতিভ কিশোরের প্রশ্নে শহুরে মানুষদুটি ম্যাট্রিকে প্রথম হওয়া অবনী মুখার্জির ফিরিস্তি শোনায়। অতঃপর কিশোরের হাত ধরে মুখুজ্যেবাড়ির দাওয়ায় এসে তাদের বিস্ময় ভাঙে। অথবা জাগে। এরপর ভাত চিবোতে চিবোতে সচিত্র বর্ণনায় ঢুকে পড়বে সায়ন।  

    শ্বাস নেবে সেই কালেক্টর সায়েবের থেকে সোনার ঘড়ি প্রাইজ পাওয়ার গল্পে গিয়ে। 

    সীমন ভাবে, কিছু বলবে। খচমচ শব্দে চিকেন দিয়ে ভাত চিবুচ্ছে সায়ন। বেলচা দিয়ে তুলে পুরে দিচ্ছে গহ্বরে। ভোঁদা ঠোঁট - তার ওপর কামানো গোঁপের দরুণ মাংসল অংশটি কেমন বুলডোজারের নাকের মতো লাগে। কথা কানে আসে না কিছুক্ষণ। ঠোঁট-ভাত-মাংস-ঠোঁট । সীমন কিছুই না বলে রুটির কোন ছিঁড়ে নেয়। চিকেনের আলু। 

    সোনার ঘড়িতে উজ্জ্বল কিশোর ততক্ষণে কোলকাতার রাজপথে। জজকোর্টের মুহুরী ঘোষাল, পুরোনো রায়ত। তদ্দিনে সেরেস্তা নেই, তা বলে মুখুজ্যেবাড়ির কৃতি সন্তান শহরে ডাগদারি পড়তে আস্চে, তার একটা সুবন্দোবস্ত কি করবেনা! এক্কাগাড়ির দুলুনিতে দুনিয়া দুলতে থাকে কিশোরের। শহর দেখবে কী। মখমলের পর্দা ফাঁক করে শুধু ছুটন্ত এপিসবাবু, হাতে সাদা কানি বাঁধা অষ্টাবক্র ভিখারি। গ্রামে ভিখারি বলতে, গান গাইতো, তিলক কেটে, বাংলা ঘরের নিকোনো দাওয়ার এক কোণে দাঁড়িয়ে। আর এখানে বিরোৎ বাড়ি, কালো পাথরের  রাস্তা, বাপ্প! 

    অতঃপর - খানিক জাম্পকাট দিয়ে, সায়নের গল্পের নায়ক, মেইন হোস্টেলে দাখিল হয়েই অধ্যাপকদের নজর কেড়ে নেবে। ফিরিঙ্গদের দিন গ্যাছে বটে, পলিতকেশ সাইমন ডিরাক বা প্রফেসর বেন্থামের চারিপাশ ঘিরে ভাবী চিকিৎসকদের ভিড় কিছুমাত্র কমেনি। এমনি এক বর্ণনায় - 

    ইংরেজ ডাক্তারের সঙ্গে, করিডোরে দাঁড়িয়ে প্রশ্নোত্তরের মুহূর্তে, হাত দিয়ে নিজের পেট চেপে ধরে সায়ন। কিছু গিলে নেবার চেষ্টা করে ও আবার পেট খামচে ধরে। হঠাৎ কোথা থেকে কী, বোঝার চেষ্টা করে, সীমনের দিকে তাকায়। প্রশ্ন করতে গিয়ে হেঁচকি তোলে, বালক অবনী, তখন মেডিকেলের করিডোরে। 

    সীমনের চোখ শীতল হয়ে আসে, "বিষ ছিল গো ।" মাছের পেটি থেকে লম্বা কাঁটা সরাতে সরাতে  বলে : দীক্ষিত আঙ্কেলের সাজেশন, লাস্ট এনিভার্সারীর দিন আলাপ করলে না? প্লান্ট টক্সিকোলজিস্ট। 
     টেংরির পুরুষ্টু জঘন রুটির মধ্যে পুর করে নিতে নিতে, আবার:  আমি এই বয়েসে অঙ্ক কষা ছেড়ে ঘাসপাশের কী বুঝবো বলো! চিবোতে চিবোতেই ধীরে সুস্থে বলে সীমন্তি।

    সায়ন খিঁচকে ওঠে। গা  ঘামছে, পেটটা খামচে উঠছে থেকে থেকে। শেষে বিষ! তাও দীক্ষিত আঙ্কল, সীমন্তি  শেষে বিষ দিলো! সোফাটা কেমন ঘুরতে থাকে দোলকের গতিতে। ওপর নীচের বদলে পাশাপাশি। বমি করবে? বমি পাচ্ছে কি? বাথরুমে যাওয়ার আগেই পড়ে যাবে? শেষে বিষ দিলো সীমন!

    দেয়াল ধরে কোনোমতে গিয়ে বেসিনে উগরে দেয় সব। বেরিয়ে এসে দেয়ালে পিঠ দিয়ে এলিয়ে পরে কার্পেটের ওপর। মাথা ঘুরছে , হাফ হাফ, হাওয়া আটকে আসছে থেকে থেকে। 

    সীমন, তখন দেখতে পাচ্ছে, রোমান খিলানদরজা দিয়ে প্রফেসর ডিরাক বেরিয়ে আসছেন - 

    বড়পঞ্চাননপুকুরতলার গ্রাম্য সিঁথে কাটা, ধুতি শার্ট পড়া ছেলেটি মেডিকেল কলেজের চওড়া বারান্দার ধার ঘেঁষে দাঁড়িয়ে। তেরছা হয়ে রোদ পড়েছে দুজনের মাথায়। ছেলেটির চোখে অনেক প্রশ্ন, হয়তো কিছুটা বিস্ময়। ভালোই লাগে এসব গল্প সীমন্তির। মানে খুব যে খারাপ লাগে তা তো নয়। বাহাদুরি আসবাবে ধুলোট রোদ্দুর পড়া দিনের কাহিনী  সব। 

    সায়নের পেট পাকাতে থাকে আবার কেও খামচে ধরছে নাভির ভেতর থেকে গলায় দপদপ করছে শুকনো বাতাস। 

    সীমন্তি ধীরে খায়। ধীরে ওঠে। ফ্রিজের ওপর থেকে, বাকসে হাত ঢুকিয়ে, বাঁহাতে  নীলচে ওষুধের স্ট্রিপটা তুলে, আলতো  ছুঁড়ে দেয় সায়নের দিকে:  জলের বোতল, টেবিলে। পাঁশশ এমজি খেয়ে নাও- সেরে যাবে। 

    ওয়াশরুমে ঢোকার আগে এক পলক দাঁড়িয়ে সীমন বলে যায়: আজ আর  রিমোটে হাত দিওনা।  বাঁ হাতে জামার কাঁধ ঠিক করে, নিজের মধ্যে একটু উঁকি দেয়,  বলে যায়: সোফায় উঠে শোও নাহয়। কার্পেটটা, কাল  ক্লিনিংয়ে দিতে হবে। শেষের কথা গুলো আমরা বাইরে থেকে শুনি। বা আরো কিছু। জল পড়ে যেতে  থাকে। ভেতরে সীমন্তি। সীমন। সায়ন সোফার রেশম খামচায়। উঠে বসতে গিয়ে মেঝের কার্পেটে  ভেঙেচুরে। জল পড়ে যায়। 
  • গপ্পো | ২২ জুলাই ২০২২ | ৫১৩ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    নাইটো - একক
    আরও পড়ুন
    সিপাহী - একক
    আরও পড়ুন
    প্রহাস - একক
    আরও পড়ুন
    স্বাদ - একক
    আরও পড়ুন
    অন্নময় - একক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ২২ জুলাই ২০২২ ০০:০৭510104
  •  #
  • যোষিতা | ২২ জুলাই ২০২২ ০১:৪৫510125
  • বাপ্রে!
  • | ২২ জুলাই ২০২২ ১৯:০৭510148
  • ওফ্ফ! 
    এই ব্যটা একক ...
  • কেলে কাত্তিক | 2409:4060:4:ca39::2903:28a0 | ২২ জুলাই ২০২২ ২০:৩৯510155
  • ভালো হয়েচে৷ এককোচিত। তবে নতুন রকম কন্টেন্ট চেষ্টা করতে পারেন।
    সীমন্তি শব্দটা কি ভ্যালিড? হাতের কাছে অভিধান নেই। তৎসম শব্দ তো তাই।
  • Ranjan Roy | ২২ জুলাই ২০২২ ২২:২৬510167
  • একেবারে এককোচিত  !!! 
    চিলিং
  • kk | 2601:448:c400:9fe0:c4f9:f228:160c:8986 | ২২ জুলাই ২০২২ ২৩:৩৭510168
  • মুখে একটা ঘুষি খেয়ে নড়েচড়ে বসার মত গল্প! হাল্কা করে 'ফ্যান্টম থ্রেড' মনে পড়লো।
  • একক | ২৩ জুলাই ২০২২ ২৩:৪০510215
  • @ কেলে কাত্তিক ও অন্যান্য 
     
    এককচিত হতে চাইনা। সিগ্নেচার তইরি করা সহজ। কিন্তু কোথাও ত কোন চেক ভাঙানোর নেই,  তাই অর্থহীন।  সীমন্তি শব্দ অভিধানে থাকলেও বহুল ব্যবহৃত নয়। আমার মাত্রা মেপে লেখার অভ্যেস। সীমন্তিনী লিখলে প্রয়োজন এর অতিরিক্ত মাত্রা খেত,  তাই লিখিনি। 
     
    কন্টেন্ট বদলাতে সরবদাই চাই। খেয়াল থাকবে। নমস্কার ঃ)
  • যোষিতা | ২৪ জুলাই ২০২২ ০২:১১510218
  • একক
    দক্ষিণের এক রাগিনীর নাম সীমন্তি।
    সীমন্তিনী এবং সীমন্তি এক নয়।
  • anandaB | 50.35.124.228 | ২৪ জুলাই ২০২২ ০৬:৩৩510222
  • ফস করে এরকম লেখা বেরোয় না , রীতিমতো চর্চায় আছেন বোঝা যায় .......প্রকাশ্যে অথবা গোপনে :)
     
    বিশেষ করে এই বাক্যবন্ধটি "বাঁ হাতে জামার কাঁধ ঠিক করে, নিজের মধ্যে একটু উঁকি দেয়" .. জাস্ট অতুলনীয় 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন