
" দুর্গো দৈত্যে মহাবিঘ্নে ভববন্ধে কুকর্মণি।শোকে দুঃখে চ নরকে যমদন্ডে চ জন্মনি। ।মহাভয়েহতিরোগে চাপ্যাশব্দো হন্তুবাচকঃ। এতান হন্ত্যেব যা দেবী সা দুর্গা পরিকীর্তিতা। ।" (শব্দকল্পদ্রুম)ঋগবেদে দশম মন্ডলের ১২৫শ দেবীসূক্ত দেবীপূজার প্রাচীনতম মন্ত্র। এই সূক্তটি অম্ভৃণ ঋষির ব্রহ্মবাদিনী কন্যা বাকে'র একটি উক্তি। তিনি তপস্যাবলে ব্রহ্ম-তাদাত্ম্য লাভ করেছিলেন। সিদ্ধির সেই উপলব্ধি লাভের পর তিনি অনুভব করেছিলেন সবই ব্রহ্মের অংশ এবং তিনি নিজের মধ্যে সমস্ত দেবতা, চরাচর বা সার্বভৌম বিশ্বক ... ...

দূর্গাপুজোকে যদি একটা ভারী শিল্প বলে ভাবা যায় তো তার অনুসারী শিল্প অগুন্তি। কারণ দুর্গাপুজো তো শুধু পুজো নয়, আমাদের এই বাঙালীজনমের মাঝখানটিতে বসে শত শত সামাজিক ওঠা-পড়া যে নিয়ন্ত্রণ করছে এই পুজো। এইসব অনুসারীদের অনুসরণ করে কিছু পথ চললে চোখে পড়ে পুজোর প্রকৃত চালচিত্র। সেই বিষয়ে প্রকৃতই ‘দু-কথা’। লেখাটা কয়েকদিন আগে একটা আন্তর্জাল পাতার শারদ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে; এখানেও থাকল। দর্জীপুরাণ পুজোয় আপনার স্টাইল স্টেটমেন্ট যাই হোক না কেন গ্ল্যামারে আপনি কিছুতেই ছাড়িয়ে যেতে পারবেন ... ...

মানুষ তাঁর এতাবৎকালের সভ্যতা তৈরি করেছে বস্তুত পায়ে হেঁটে হেঁটেই। হিউ এন সাং তাঁর ১০০০০কিমির ভারত ভ্রমণ, আলেক্সাসান্দারের বিশ্ব জয়, স্পানিয়ারড দের আন্দিজ এর আনাচে কানাচে স্বর্ণ সন্ধান, আদি শঙ্করাচার্জের ভারত জুড়ে হিন্দুত্ব জাগরণ এমনকি আমাদের চৈতন্য মহাপ্রভু আসাম মনিপুরে ভক্তি আন্দোলনের প্রসার প্রায় পায়ে হেঁটেই সমাপ্ত করেছিলেন। যাত্রীরা পায়ে হেঁটেই কেদারনাথ দর্শন এমনকি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয় পায়ে হেঁটেই কলকাতায় পৌঁছেছিলেন বিদ্যার্জনের হেতু । আমরা যখন নিজেদের পায়ের ওপর নির্ভরশী ... ...

এবার আমার উমা এলে আর উমায় তেলাব না। একদিন বড় জোর লাভ-বার্ড সাইকেলে ইস্টিশনের তলা দিয়ে চলে যাব সুগন্ধা গটু ছাড়িয়ে বাট কাশফুল নিয়ে আদিক্কেতা একেবারেই করব না। বড়জোর কোনও পোকাকাটা পদ্মদিঘীর ধারে বসে ইস্কুলজীবনের কথা বলতে লেখকের হত্যা নিয়ে অনুশোচনার মশা তাড়াব কিন্তু একবারও তোমার নতুন পাটভাঙ্গা শাড়ির কোলে শুতে চাইব না। সন্ধ্যেবেলা বেরনোর কোনও সিন নেই। একদিন রেডিমিক্স হতে পারে বড়জোর গঙ্গার ঘাটে প্রেমনগর বা রূপ নগরে, ব্যাস ওই পর্যন্তই আর কোন আদিখ্যেতা নয়। তুমি তোমার বয়ফ্রেন্ড, পার্টির লোক দেশবাসী যার স ... ...

মঙ্গল পাণ্ডে নয়; চিল্লেছিল আমির খান, প্রবল বাবরি আর গোঁফ বাগিয়ে। 'হলল্লা বোল'। আমিরি চুলের মেন্টেনেন্স খরচা উঠেছিল কি না সন্দেহ, তবে পাবলিক হল্লাটা খেয়েছিল। ওটা খাওয়া পাবলিকের ঐকান্তিক ধর্ম। কেউ মরছে কি না, কেউ ধুঁকছে কি না, কেউ তার বিষাদফোঁড়ায় আলতো হাত রাখছে কি না – সে জেনে পাবলিকের কি! পাবলিক বেঁচে আছে এবং সাংঘাতিক তীব্ররূপে আছে – সেটা সক্কলের জানা দরকার। জানানো তার হক। সে জন্যেই ঈশ্বরবাবু তাকে গলা দিয়েছে। এবার তো বাকিদের গলায় সে পা তুলবেই। ইস্কুলে চুকিৎকিৎ বা কমপ্লেক্সে হাডুডু – স্রেফ চি ... ...

প্রেমের চাইতে নখরা করতে বেশি ভাল লাগারই কথা। বেশি করলে সমরেশের স্টাইলে নাড়িভুঁড়ি স্ট্রেট সেপটিক ট্যাঙ্কে। পিস পিস করে ব্যারাকপুর না হোক ফলতা, ওলা ডেকে নিলেই হল। নখরা আমার নখরা তোমার। নিজের মত করে জাস্টিফাই করব, পাওয়ারে থাকলে ফর্দাফাঁঈ। একেই তো রাজনীতি বলে। গুলাম আমি যা আমি দু চোখে শুনতে পারি না, তাই নিয়ে এত কী? আমার মাথা ধরে যায়। গজল-ফজল পোষায় না, একবার চাঁদনির বারে দুপুর রোদে ঢুকে যেই বিয়ার অর্ডার দিয়েছি অমনি শুরু হল হাফহার্টেদ বোলতানি, বাচ্চাদের ইটিউশনে ঢুকিয়ে মায়েদের সোয়ামী ম্যানিফেস্টো। সলিড ... ...

গুলাম আলির গজল অনুষ্ঠান মুম্বাইতে বন্ধ করা নিয়ে নানা কথা চলছে। শিবসেনা ঠাকরের মৃত্যুর পরে প্রায় উঠে যেতে বসেছিল, এককভাবে ভোটে লড়ে বিজেপিও তাদের একঘরে করে দিয়েছিল। শিবসেনা কেবল ধর্মীয় মৌলবাদী দলই নয়, তারা ভয়ঙ্কর রেসিস্ট প্রাদেশিক দল। নিজেদের জাতীয় পরিচিতি এবং প্যান-ইন্ডিয়ান হিন্দু জাতীয়তাবাদ নামক অস্ত্র নিয়ে সতর্ক বিজেপি এদের থেকে ধীরে ধীরে দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টায় ছিল পরেরদিকে। শিবসেনা তাই আগের চেহারায় ফিরে আসতে চেষ্টা করল, খবরে থাকতে চাইল। শিবসেনার কাছে এটা নতুন নয়, তাদের জন্মই হয়েছিল মুম্বাইয় ... ...

১৬ বছর ধরে "Abdullah Ocalan “ ইস্তাম্বুল থেকে ২০মাইল দূরের এক নির্জন দ্বীপে একমাত্র বন্দী, প্রায় হাজার খানেক তুরস্কের সেনা এই ভয়ঙ্কর বন্দীর পাহারাতে নিযুক্ত, কে এই "Abdullah Ocalan “ যাকে একমাত্র বন্দী হিসাবে পুরো একটা দ্বীপে হাজার খানেক সেনার পাহারা তে রাখতে হয় ?সংক্ষিপ্ত জীবনীটি খানিকটা এই রকম ঃ-He is the founder of the Kurdish Workers Party (PKK). From 1984, under his leadership, the PKK fought for an independent Kurdish state in the south east of Turkey. In a sustained popu ... ...

আমি তৈরি হয়ে আছিফের যদি বলে “চল পাগলাগারদে ‘তবে আমি বলব আমার আবিষ্কৃত জ্যামিতির উপপাদ্য আরও আছে। সেগুলি লিখেদেখাচ্ছি। সে সব উপপাদ্যে পাই আছে অর্থাৎসারকাল,ইলিপ্স সেইসব উপপাদ্য আমি আবিষ্কার করে গোপন রেখেছি। Sigrid Hjertenর ঘাতক, Ernest Hemingwayর আত্মহত্যার প্ররোচক এবং Binoy Majumdar এর ভেজিটেবেল স্টেট এর জন্য দায়ী কে ? The answer is simple & common ঃ- Their Doctors -Specifically “Psychiatrist”Sigrid Hjerten সুইডেন এর অন্যত ... ...

আমি হেঁচেছি, আমি কেশেছি। আমি নিদারুণ রোদে হেঁটে হেঁটে ময়দানের বইমেলায় তোমাকেই খুঁজেছি। ফেসবুক চত্বরে ঘন ভিড় আঁধারে অঙ্কের নলবনে বাগবাজার ইস্টিশানে তাকে আমি বারে বারে হারিয়েছি, গত কত গল্পের বিনিদ্র রজনীতে ১৮/২ ওঙ্কারমল জেটিয়াতে সি ফাইব বাসেতে লাফাতে লাফাতে ব্রিজগুলি একে একে পেন্সিলে এঁকেছি। পুটুস ফুলের বনে পালামৌ ছেড়ে এসে ভোরের কুয়াশায় তাকে ফের বগুড়াতে দেখেছি, ঐ কত অলিগলি পুরনো শহরতলি গঙ্গার ঘাটেতে অহেতুক কতগুলি মশাকে প্রশ্রয় দিতে দিতে গ-ল-প এর গল্পের প্লটখানা ভেবেছি, সত্যকে বলেছি, কাম, কুল ইত্যা ... ...

"ওয়েলকাম টু জুরাসিক পার্ক" অডিটোরিয়ামের বাঁ পাশে হরিণদের এনক্লোজারের কাছে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ময়ূরের খাঁচাটার সামনে। এ ময়ূরগুলো ঠিক পোষ মানা নয়। বিদ্যাপীঠের পোল্ট্রিতে মুরগীকে দিয়ে তা দিইয়ে অনেকক'টা ময়ূরের ডিম ফোটানো হয়েছে, সেগুলো আজন্ম মানুষের সাহচর্যে বেড়ে ওঠা। ছোটবেলায় ধাই-মা মুরগীর পিছনে পিছনে ঘুরত, বড় হতে হতে নিজের জাত চিনে আলাদা হয়েছে। ওদেরকে খাঁচার বাইরে মাঝেমধ্যেই ছাড়া হয়, ডেয়ারীর খড়গাদা পেরিয়ে ইলেভেন-টুয়েলভের হস্টেলের কাছ ... ...

কাল একজন আহির ভৈরবের আলাপ শোনাচ্ছিল ফোনে। কখনও হারমোনিয়ামে, কখনও খালি গলায়। সকালের দ্বিতীয় প্রহরের রাগ; যে গাইছিল তার দেশে তখন সকাল। আমার সন্ধ্যা। ভৈরবের সবচেয়ে পরিচিত ‘প্রকার’ বোধহয় এই আহির ভৈরব। শুদ্ধ ধৈবত, কোমল নিষাদ। পূর্বাঙ্গে ভৈরব রাগ আর উত্তরাঙ্গে কাফি – এই দুইয়ে মিলে আহির ভৈরব। কোমল ঋষভে আন্দোলন থাকে এই রাগে।গাইতে গাইতে সে বলল, কেন জানি না আমার মনে হয় এই রাগের ষড়জে সকালের সূর্য-ওঠাটুকু ধরা আছে। এই বলে অনেকক্ষণ সে রয়ে গেল ‘সা’-এ। চোখ বন্ধ করলাম। দিগন্ত ছাড়িয়ে আস্তে আস্তে উঠে আসছ ... ...

একবার কোনও স্বঘোষিত রবীন্দ্রসঙ্গীত অথরিটি এসে জর্জদাকে এই গানের সূক্ষ্মতর দিকগুলি নিয়ে কিছু 'মূল্যবান' দিগদর্শন দিতে এসেছিলেন় জর্জদা সব শুনে বলেছিলেন‚ " বোজসি‚ কানা অন্ধরে পথ দেখায়়" এ ব্যাপারটা দেখা যায়, বিভিন্ন পত্রিকায় কেউ কেউ দায়িত্ব নেন আরেকজনের লেখায় বানানসংস্কার করার। সেহেন দায়িত্বশীল মানুষদের নিজস্ব বানানবোধ, যে রকম দেখি, এক কথায় 'ভয়ানক'।। -----------------------------আমার বাবা বলতেন বানান দেখে একটা লোকের ক্লাস চেনা যায়। মানে বানান শুধু কোনও একটা বিশেষ ভাষার লিখিত রূপের উপর ... ...

বেগুন লাল দিশি************************************ধেৎ। বেগুন আবার কুকুরের নাম হয় না কি?কেনো হবে না শুনি? কবিতায় পড়ো নি "কোনো গুন নেই তার নামটি বেগুন"? পুরো নাম অবশ্য বেগুন লাল দিশি। ভালো নাম বেগুন কেনো সে তো কবিতাতেই পষ্টো বলে দেওয়া আছে। অন্য কুকুরেরা কতো জানে,প্রাজ্ঞ হয়। তোচনের বিরাট আইরীশ সেটার হ্যান্ডশেক করে, ঘনাইএর কুকুরটা তো ডোবারম্যান। খাবার সামনে থাকলে নাক উঁচু করে বসে থাকে। যতোক্ষন খাবার আদেশ না আসছে ততক্ষন খায় না। বড়জোর জুল জুল করে একটু তাকায়। ঘনাই "ইট' বল্লেই অ ... ...

১)বন্ধুমহলে চন্দনের বেশ দরাজদিল বলে নাম আছে৷ যে কোনও সামান্য উপলক্ষ্যেই বন্ধুদের খাইয়ে দেয়, কেউ সাহায্য চাইলে তো কথাই নেই, প্রাণপণে সাহায্য করে৷ চিন্তাভাবনায়ও বেশ উদার প্রকৃতির বলে পরিচিত৷ ওদের গোঁড়া ব্রাহ্মণবাড়ীর কোনও সংস্কারই সে মানে না৷ অহেতুক আচারসর্বস্বতা যে তার দু চক্ষের বিষ এ কথা সে প্রথম আলাপের মিনিট পনেরোর মধ্যেই জানিয়ে দেয় লোককে৷ দুটো এন জি ওর সাথে যুক্ত চন্দন৷ এছাড়াও একটি আধা সরকারি অনাথ আশ্রমেও তার যাওয়া আসা আছে, তাদের বিভিন্ন উদ্যোগের সাথে সক্রিয়ভাবেই জড়িত থাকে৷ চন ... ...

পৃথিবীর একমাত্র অডিও ভিস্যুয়াল মিডিয়াম যেটায় সিন আর বিহাইন্ড দা সিন দুটোই অডিয়েন্স একসাথে দেখতে পায় আর উপভোগ করে।অন্যভাবে বলাযায় ভুল ও ভুলে যাওয়ার গল্প যে কলায় সবচাইতে মনোগ্রাহী উপাদান তাকে বলে হয় পাড়ার নাটক।পাড়ার নাটক পাড়ার বিভেদ গুলো ধুয়েমুছে গোটা বিষয়টাকে ডোভার লেনের মত সিরিয়াস করে দেয়। যে মেয়েটাকে দিনে দুবার দেখতে পাওয়ার দুর্লভ সুযোগে চন্দ্রবিন্দু ধরা এবার তারই হাত ধরে ডায়াগল মনে রেখে আবার থ্রো! ইয়ার্কি? তা ওপর জাত খচ্চর বন্ধুকুল।সালারা দাঁড়িয়ে থাকবে উংয়ের সামনে ... ...

দিয়েছি বানচোদের হাতটা মাড়িয়ে। দু একটা আঙ্গুলের হাঁড় ভেঙ্গে গিয়ে থাকলে অবাক হবো না। শালা এমনিতেই গরমে টেঁকা যাচ্ছে না, ভাবছিলাম আজকে থানা থেকে বেরোতে হবেনা ডিউটি করতে কিন্তু এই শুয়োরের বাচ্চাগুলো হতে দিলে তো? কি নাকি মাইনে পাচ্ছে না ঠিকমতো তাই মিছিল। তার ওপর আবার পার্মানেন্ট করতে হবে। শালা বাপের জমিদারী পেয়েছে, পার্মানেন্ট করতে বললেই করে দেবে। পুলিশ পারমিশন দেয়নি তাও মিছিল করবে, পেঁদিয়ে পেছন ফাটিয়ে দেওয়া উচিত। চারপাশে আজকাল দেখছি কিছু হলেই ড্যাং ড্যাং করে নেমে পড়ছে ছেলে মেয়েগু ... ...

নয়ডার কাছে দাদরীতে বিফ খাবার অপরাধে পিটিয়ে মারা হল মহম্মদ ইখলাককে। তার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে নানা রঙ এর মিডিয়া। সোসাল মিডিয়াতেও প্রতিবাদে মানুষজন ডাক দিচ্ছেন বিফ ফেস্টিভাল আয়োজন করার। নিজেদের প্রোফাইল রাঙ্গাচ্ছেন নানা বর্ণ এবং স্বাদের গরুর মাংসের ডিশে। বিপজ্জনকভাবে ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে এই সব ছবি এবং এই মেসেজ পৌঁছনো যাচ্ছে যে আমরা লিবারালরা ব্যক্তিমানুষের স্বাধীনতায় খাঁড়া নেমে আসলে সহ্য করব না। কিছু প্রাসংগিক প্রশ্ন তোলা থাকুক এই সূত্রে।আমরা কি একবারো ভেবে দেখেছি যে আমরা এই এনলাইটেন্ ... ...

আরবে চাকরি করতে যাওয়া ভারতীয় মজুরদের ওপর শেখদের অত্যাচার সম্পর্কে অনেকেই জানি, এই নিয়ে হই চৈ হয় যথেষ্ট, ইন্টারনেটে বেশ কিছু ভিডিও আছে যেখানে ভারতীয় পরিচারকদের ওপর অত্যাচার করতে দেখা যায় শেখদের। ভারত সরকারকে যদিও এই নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামাতে দেখা যায় না। গরিব মজুরদের মারধর করা নিয়ে, তাদের মানবাধিকার ভঙ্গ করা নিয়ে ভারত সরকারের ভাববার খুব বেশি কারণ নেই যেখানে আরব দেশগুলো কথা দিয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা দেবে "স্মার্ট সিটি" তৈরী করতে। স্মার্ট সিটিতে স্মার্ট লোকজন থাকবে, আনস্মার্ট গেঁয়ো মজদুরদের অধিকারে ... ...

"ডিজিটাল ইন্ডিয়া" নিয়ে ফেসবুক সরগরম। অনেকেই ফেসবুক কর্তা জুকারবার্গের দেখাদেখি নিজেদের প্রফাইল পিকচারে তেরঙ্গা লাগিয়েছেন এই প্রকল্পের সমর্থনে। আবার অনেকে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ অভুক্ত শিশু বা আত্মঘাতী কৃষকের ছবি লাগিয়েছেন তাঁদের প্রফাইলে। প্রথমেই বলে নি যে আমি মনে করি না যে দেশে অভুক্ত শিশু রয়েছে বলে ইন্টারনেটের প্রয়োজন নেই। ইন্টারনেটের মাধ্যমে, ফেসবুকে বসে, যখন অভুক্ত শিশুদের কথা বলছি তখন স্বীকার করে নেওয়ার সৎ সাহস থাকা উচিত যে ইন্টারনেট একটা প্রয়োজনীয় জিনিস। ইন্টারনেট মানুষকে মতপ্রকাশের স্ ... ...