বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  বিবিধ

  • ' মরিবার হল তার সাধ'

    প্রবুদ্ধ বাগচী লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ০৯ জুলাই ২০২২ | ৩০০ বার পঠিত
  • ‘মরিবার হল তার সাধ’

    প্রবুদ্ধ বাগচী 

    স্কুলে আমাদের থেকে এক ক্লাস ওপরে পড়ত এক বন্ধু। এক সকালে জানা গেল তার বাবা নিজের ঘরে দাড়ি কামানোর ব্লেড দিয়ে নিজের হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটা আমাদের পাশের পাড়ার। তবু ছোট মাপের মফসসলে এপাড়া ওপাড়ায় খবর চালাচালি হতে বিশেষ সময় লাগে না । তাই সেটা হয়ে উঠল একটা বড় খবর। উৎসুক পাড়া প্রতিবেশীর একান্ত  আলোচনার বিষয় ।  সেই সঙ্গে কোথাও এই মৃত্যুর পেছনে একটা ‘গল্প’  খুঁজে বেড়ানোর মরিয়া প্রয়াস। কিন্তু ভদ্রলোক যে বয়সে পৌঁছেছিলেন তখন তার পেছনে   সত্যিই কোনো মুখরোচক কাহিনি পল্লবিত হওয়ার সুযোগ ছিল না। কিন্তু অন্য একটা ঘটনা ছিল। আমাদের স্কুলের সামনে ছিল একটা বড় মাপের মাঠ আর তার উত্তর কোণে ছিল একটা মাঝারি পুকুর। পুকুরের ওপারে বসতি। বিকেলে সেই মাঠ জুড়ে নানা বয়সের ছেলেদের দাপাদাপি। সেই খেলাধুলোর অবসরেই আমার চোখে পড়ত, প্রায় প্রতি বিকেলেই ওই ভদ্রলোক খুব উদাস হয়ে তাকিয়ে থাকতেন সেই পুকুরের দিকে। পরনে লুঙি, ফতুয়া। কীই বা দেখার ছিল ওই পুকুরের জলে ? মাঝে মাঝে মাছের লাফ, লালরঙের জলফড়িঙের  ওড়াউড়ি, পুকুরের পাশের দীর্ঘ দুয়েকটা গাছের ছায়া, অপরপারে বউ ঝিদের বাসনমাজা, বড়জোর বৈকালিক ডুবস্নান। কিন্তু তিনি তাকিয়ে থাকতেন ওই জলেরই দিকে । এবং বেলা পড়ে এলে ধীর পায়ে আবার হাঁটা দিতেন বাড়ির পথে। যে বাড়ির একটি ঘরে তার অল্প পরেই তিনি নিজেকে সরিয়ে নেবেন পৃথিবীর আলো বাতাস থেকে। সেকি ছিল কোনও মৃত্যুর প্রস্তুতি ?
    আত্মহত্যার আরেক ধরন শুনেছিলাম এর কয়েকবছর পরে। চাঁপদানি এলাকার নর্থব্রুক জুটমিল তখন বন্ধ। বেকার শ্রমিক কর্মচারীরা নানাভাবে চেষ্টা চালাচ্ছেন কীভাবে আবার মিল খোলা যায়। নানা দরজায় ঘুরে ঘুরে তাঁরা যখন পরিশ্রান্ত ও হতাশ, তখন তাঁরা সকলে মিলে একদিন সিদ্ধান্ত নিলেন, বন্ধ কারখানার শ্রমিক কর্মচারীরা ভদ্রেশ্বর রেলস্টেশনে ট্রেনের সামনে ঝাপিয়ে  গণ-আত্মহত্যা করবেন। ঘোষিত হয়েছিল সেই কর্মসূচি --- পোস্টারে ব্যানারে মিছিলে। বাস্তবে অবশ্য তেমনটা ঘটতে পারেনি প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে। কিন্তু এটা তো ঠিক, পরিস্থিতি ও জীবনযাপনের ছন্দ কখনো কখনো এতটাই বিরূপ হয়ে দাঁড়ায় যে তা আমাদের গলায় ফাঁসের মতো চেপে বসে---—কেউ সেই ফাঁসকে ফাঁসি-তে পরিণত করতেই পারেন। বন্ধ কারখানার শ্রমিক হিসেবে অনেকেই নিজেরা বা তার পরিবারের কেউ আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এক সময়, এখনো হয়তো নেন। অন্তত অভাবী কৃষকরা যে এমন সিদ্ধান্ত নেন প্রায়শই এ তো আমরা হামেশাই খবর পাই। সদ্য অতিক্রান্ত অতিমারীতেও রোগ নয়, পারিবারিক অনটনে বা চাকরি হারিয়ে দিশাহারা মানুষের আত্মহত্যার মিছিল দেখে ফেলেছি আমরা। ইতিহাসে লেখা হয়ে আছে, বিধর্মীদের আক্রমণ থেকে নিজেদের সম্ভ্রম ও ধর্মপরিচয় রক্ষার জন্য রাজপুত নারীদের জহরব্রতের আখ্যান। তার মধ্যে কিছু আরোপিত অতিকথন থাকলেও সবটা ভুল নয়।  অনেক সময় এইসব মৃত্যুর হয়তো কোনো প্রস্তুতিই থাকে না বলে মনে হয় …কিন্তু সত্যিই কি থাকে না ? খুব ভাবতে ইচ্ছে করে। এত মানব মানবী যূথবদ্ধতায় এগিয়ে চলেছে এক পরিণতির দিকে ---- তার কি সবটাই সাময়িকতার ঘূর্ণিপাক? তার মধ্যে কোনো প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ইশারা নেই কোথাও?
    এবারে আসা যাক একদম ব্যক্তির মনের অন্দরে। এমন ব্যক্তি যার জীবনের সঙ্গে হয়তো আছে অল্পবিস্তর ধর্মের আলগা সংযোগ, অথবা তাও নেই,  আছে সমাজ ও প্রতিবেশের অনিবার্য ঘেরাটোপ । হয়তো আপাত বিচারে সে সফল বা সচ্ছল, সুখী । এগুলোর কোনোটাই কি তার আত্মহত্যা প্রতিহত করার সুযোগ্য বর্ম বলে মনে হয় আমাদের ?   কোন একটা পরিসংখ্যানে যেন দেখেছিলাম, ছেলেদের মধ্যে আত্মহত্যার বেশির ভাগ কারণ হল সম্পর্ক-ঘটিত কোনো সংকট বা বিপর্যয় । যদিও বলা হয়, মেয়েরাই নাকি বেশি  আবেগপ্রবণ --- কিন্তু আত্মহত্যার তাগিদ হয়তো তাঁদের মধ্যে কম। তাগিদ শব্দটা সচেতনভাবেই ব্যবহার করা হল। এই হিসেবের পরিবর্তন ঘটেছে কি না তার হালফিল খবর আর রাখা হয়ে ওঠেনি। তবে আজকে যাকে ‘পারিবারিক নির্যাতন’ বলা হয় তার শিকার বেশির ভাগ মেয়েরা, তাঁদের ক্ষেত্রে অনেক হত্যাকে ‘আত্মহত্যা’ বলে চালিয়ে দেওয়া হয়। এখন অবশ্য প্রায় বিপরীত পক্ষে স্বীকার করে নেওয়া হচ্ছে ‘পারিবারিক নির্যাতন’ এর শিকার ছেলেরাও হতে পারে, সেই সূত্রে ঘটে যায় অনেক নীরব ও উপেক্ষিত আত্মঘাত।   
    আসলে আমার মনে হয় কেবল আবেগ থেকে আত্মহত্যা আসে না। বরং ঘুরে ফিরে আসে সেই এক প্রস্তুতির কথা। কেউ হয়তো একেকরকম ভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে থাকে তার জন্য। প্রথমে সে ভাবে। তারপর ভাবনাটা নিয়ে একটু একটু করে খেলা করে। কীভাবে ? কীভাবে ? কেমন হতে পারে তার প্রকরণ ? আর সে ভাবতে থাকে সত্যিই সফল হবে তো তার চেষ্টা ? কোন পথে সাফল্যের হার বেশি ---- গোপনে গোপনে সে সন্ধান চালায় সেই তথ্যের। অথবা যন্ত্রণা। হাতের শিরা কাটা নাকি সিলিং থেকে ঝুলে পড়া নাকি এক বিষণ্ণ রাতে একমুঠো ঘুমের বড়ি গিলে ফেলা বা উচু ছাদের কিনারা থেকে মরণঝাঁপ। কোনটায় ব্যথা কম অথচ নিশ্চিত বিদায়ের গ্যারান্টি। তার মনে হতে থাকে অসফল আত্মহত্যা মৃত্যুর থেকেও কঠিন । আবার শেষ ধাপে দাঁড়িয়েও সে একবার ফিরে দেখে জীবনকে। কেউ কি তাঁকে পেছু ডাকল? তার কোনো একান্ত অবলম্বন —-- হয়তো সে নারী, হয়তো বন্ধু, হয়তো মা, বাবা, স্ত্রী পুত্র বা কন্যা ! আবার সে থমকে দাঁড়ায়। কান পাতে বাতাসে। হয়তো শেষ বারের মতো একবার ওজন করে নেয় প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তির তুলাদণ্ড । মনে মনে ভাবে,  সে তো তার মনের হাওয়া-মোরগের নিশান মাঝে মাঝেই সবার চোখের ওপর উড়িয়ে দিতে চেয়েছে, গোপনে দাবি করেছে, কেউ কিছু বলুক তাকে, কেউ একটু হাত রাখুক তার ব্যথার অলিন্দে । কোথাও জমাট বাধে অভিমান —-- ব্যক্তিগত অভিমানের ভারে জীবনের থেকে হাত ফস্কে সে আছড়ে পরে অন্ধকার মৃত্যুর শীতল শরীরে। আবারও সেই প্রস্তুতি, প্রস্তুতি, প্রস্তুতি । 
    কীসে কী হয় মনোবিদরা ভাল বলতে পারবেন, তার বিশদে যাওয়ার কোনও অভিপ্রায় আমাদের নেই। বরং বলতে চাইব প্রতিটি সম্পর্কের যেমন একটা স্বাভাবিক জন্ম ও ক্ষয় আছে ঠিক তেমনই তার আড়ালে লুকিয়ে থাকে একটি করে অস্বাভাবিক মৃত্যুর গভীর সম্ভাবনা । সেই সম্ভাবনা গর্ভবতী হলে তার থেকে একটি আত্মঘাতের জন্ম হয়, হতেই থাকে। প্রতিটি জন্ম যদি আনন্দের হয় তাহলে সেই আত্মঘাতগুলিকে কেন আমরা দোষ দিতে থাকি কেবলই ‘পালিয়ে যাওয়া’ বলে ? প্রবল সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস থেকে বাঁচতে উপকূলের বাসিন্দারাও তো সাময়িক পালিয়ে যায় নিজেদের বাসভূমি ছেড়ে —- সে কি অপবাদের বিষয়? এমন পালিয়ে থাকার কত রকম আমাদের ঘরে বাইরে ছড়িয়ে আছে কিন্তু তাদের সঙ্গে কোনো সামাজিক ট্যাবুকে তো এইভাবে জড়িয়ে থাকতে দেখি না কখনো ? তাহলে কি আত্মঘাত অপরাধ ? না, আইন সেই কথা আর বলে না। হয়তো কিছু ধর্মীয় সংস্কার এর সঙ্গে জড়িয়ে রেখেছে পৃথিবীর বেশিরভাগ ধর্ম। সেইসব নিষেধের মধ্যে আছে একরকম ভয় দেখানোর অছিলা । তুমি আত্মহত্যা করলে তোমার ‘আত্মা’ অতৃপ্ত থাকবে কিংবা তুমি দোজখে যাবে । অথবা তুমি তো ঈশ্বরের পুত্র, মহামানবের দেওয়া জীবন অপব্যবহার অধিকার তোমার থাকতে পারে কি ? এগুলোর মধ্যে মানুষকে নিজের জীবনের প্রতি অনুগত রাখার একটা বার্তা দেওয়া যায় নিশ্চয়ই।  তাতে কী ? ধর্ম মানুষের ব্যক্তি জীবনের জটিলতা ও সংকট কে স্পর্শ করতে পারে না বা চায়ও না। মানুষের জীবন, তার সমাজ অর্থনীতি কালে কালে জটিল জটিলতর হয়েছে, কোনো ধর্মীয় মতাদর্শ তার সঙ্গে সংগতি রেখে নিজেদের পাল্টাতে চায়নি। আর তাছাড়া ধর্মীয় বিধানে সতীদাহ একসময় অবশ্যমান্য ছিল কোনো ধর্মে, কোনো ধর্ম মনে করত, গর্ভপাত ঈশ্বরের বিরুদ্ধে অপরাধ । অথচ বৌদ্ধ ধর্মের অনুগত দেশ জাপানে একসময় ‘হারাকিরি’ ছিল একটা প্রচলিত প্রথা।  সেসব দিন আজ অস্তমিত। তবু জাপানে আজও আত্মহত্যার হার বেশি। আমাদের দেশে সব থেকে এগিয়ে থাকা রাজ্য কেরালা, যেখানে শিক্ষা স্বাস্থ্য অর্থনীতি বেশ মজবুত সেখানেই ব্যক্তি আত্মহত্যার হার সব থেকে বেশি। তার মানে তো এইটাই শিক্ষা আর্থিক সম্পদ জীবিকার নিরাপত্তা সব থাকা সত্ত্বেও মানুষ খুঁজে বেড়ায় আরও কিছু, সেই সন্ধান তাঁকে আশাহত করে, ক্লান্ত করে, বিপন্নতার কিনারে ঠেলে নিয়ে যেতে থাকে ক্রমাগত। ঠিক সেই স্তব্ধ মুহূর্তে মহাবিশ্বের সঙ্গীতে কোথাও তাল কেটে যায় —--- ‘মরিবার হল তার সাধ’ ।   তাহলে সামাজিক পরিসরে  পলিটিক্যালি কারেক্ট থাকার জন্য আত্মঘাতকে কেন ধরে নেওয়া হবে গ্ণিকাগমনের মতোই নিন্দার বিষয়? 
    আমাদের প্রতিটি জন্ম আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। অন্য কারোর ইচ্ছায় আমরা জন্ম নিই। কিন্তু মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে আমাদের হাতে না থাকলেও সেই মৃত্যুকে উদযাপনের ভিন্ন একটা পথ আছে আমাদেরই হাতে। এটা একটা আশ্চর্য প্রাপ্তি বলে মনে হয় না ?  কারোর পকেটে বেঁচে থাকার অগাধ রেস্ত মজুত থাকলেও হয়তো নেই কোনো ইচ্ছের ভাঁড়ার, সে কী করবে? তেতো জীবন নিয়ে ঘষটে ঘষটে বাঁচতে চাইবে, নাকি নির্বাচন করে নেবে মৃত্যুকে ? পছন্দটা আসলে শেষ পর্যন্ত তার। কোনো সমাজের নয়, রাষ্ট্রের নয়, এমনকি নয় কোনো পরিবারেরও। সেই মৃত্যুকে আমরা কেন অন্ধকার বলে রং করে দিতে চাইব  কেন তাকে বলব শীতল ? মৃত্যুকে যে পছন্দ করে বেছে নিল, কেন তাকে নাম দেব ভীরু ? অথচ ইতিহাসের পাতায় পড়ব, শ্ত্রুর সাথে প্রবল সংগ্রাম করিয়া ‘অমুক’ রাজা বীরের মতো মৃত্যুবরণ করিলেন । স্বাধীনতার যুদ্ধে সশস্ত্র বিপ্লবীরা তো পুলিশের হাতে ধরা দেবেন না বলে সঙ্গে পটাসিয়াম সায়নাইড ক্যাপসুল রাখতেন অথবা নিজেদের পিস্তল মাথায় ঠেকিয়ে নিজেদের শেষ করে দিতেন  — সেগুলিকে আমরা মনে করি স্মরণীয় আত্মঘাত। কিন্তু রাজনৈতিক ভাবাদর্শের বাইরেও তো আছেন অনেক স্মরণীয় বা মামুলি মানুষ। তাঁদের কারো কারো তো সাধ হয় মৃত্যুকে চেখে দেখার। কারণ বেঁচে থাকার প্রতিটি অণু পরমাণু তাঁদের কাছে মনে হতে থাকে পরিত্যাজ্য। কী করবে সে ? কোলাহল তখন তার কাছে ভার হয়ে আসে, দিনের প্রতিটা ঘণ্টা যেন মরুভূমির মতন হা-তপ্ত, নিরর্থক। তখনই তো সরে আসার মুহূর্ত স্তব্ধতায় । আত্মঘাত আসলে সেই স্তব্ধতার স্বরলিপি, কারোর কাছে সেই তার মুক্তির সুরেলা আকাশ। পৃথিবীর হাওয়ায় বহু মানুষের নিঃশ্বাস মিশে থাকে। এমনকি যারা বেঁচে নেই বা এই মুহূর্তে বেছে নিলেন আত্মঘাত, তাঁদের নিঃশ্বাসও বাতাস থেকে হারিয়ে যায় না।  এই আত্মঘাতকে আমরা কি সম্মান জানানোর কথা ভাবব না একবারও ?   
  • আলোচনা | ০৯ জুলাই ২০২২ | ৩০০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • D sandip | 2405:201:8003:9885:d81e:2954:cb91:2f51 | ০৯ জুলাই ২০২২ ১৪:২০509733
  • অ পরিণত বয়সে দুরারোগ্য ব্যাধি,  অর্থহীনতা , স্বজনদের উপেক্ষা, শিক্ষিতের অস্বীকৃতি, সন্তানের অল্পবয়স থেকে দায়ভারাক্রন্ত দেখে হতাশা এই সমাজে অবহেলা এই লেখায় স্থান পায় নি। স্পষ্ট প্রমাণ লেখক অতি উপার্জনক্ষম একমুখী চিন্তা বিলাসী
  • প্রতনু সাহা ( মনো-চিকিৎসক) | 2401:4900:3143:a676:9951:b7ea:f1a7:98cb | ০৯ জুলাই ২০২২ ২১:৩৪509740
  • দুরারোগ্য ব্যাধির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের সহায়তায় ইচ্ছামৃত্যুর অধিকার পশ্চিমের কয়েকটি দেশে আছে। কিন্ত গুটিকয়েক ক্ষেত্র ছাড়া সাধারণভাবে আত্মহত্যাকে সমর্থন করা যায় না। আত্মহত্যার চেষ্টা বরাবরই মহিলাদের মধ্যেই বেশি, সফল আত্মহত্যার পরিসংখ্যান পুরুষদের মধ্যে বেশি। আসলে, আত্মহত্যার পন্থার ভিন্নতার কারণে পুরুষদের মধ্যে সফল আত্মহত্যার হার মহিলাদের তুলনায় বেশি।
  • কেলে কাত্তিক | 2409:4060:4:ca39::2903:28a0 | ২৩ জুলাই ২০২২ ০৪:৩২510172
  • আমাদের ছোটোবেলায় ক্যাসেটের ওপর গায়ক অমিত কুমারের নামের পাশে লেখা থাকত 'মুম্বই'৷ কমেন্ট দেখে মনে পড়ে গেল। 
    cool​​​​
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু প্রতিক্রিয়া দিন