• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • এক অন্য অযোদ্ধার গল্প

    Arijit Guha
    ব্লগ | ১১ জানুয়ারি ২০২০ | ১৬৩ বার পঠিত

  • রাম মন্দির আর বাবরি মসজিদ সংক্রান্ত মামলায় অযোধ্যার নাম সারা ভারতবর্ষ জানে। এমনকি ভারত ছাড়িয়ে পৃথিবীতেও খ্যাতি হোক বা কুখ্যাতি হোক ছড়িয়ে পড়েছে। এখন যে অযোধ্যার কথা বলব সে এক অন্য অযোধ্যার কথা। সেই অযোধ্যার নাম ছিল তখন আওধ। হ্যাঁ এই সেই ওয়াজেদ আলি শাহ'র আওধ। যে ওয়াজেদ আলি শাহ্ কে মেটিয়াবুরুজে নির্বাসন দিয়েছিল ব্রিটিশরা। আওধের রাজ্য জোর করে কেড়ে নিয়ে ওয়াজেদ আলি শাহ্ কে বার্ষিক পেনশনের বিনিময়ে মেটিয়াবুরুজে নির্বাসিত থাকতে বাধ্য করেছিল। কোম্পানির রাজ্য দখলের খাই তখন এমন বেড়ে গেছিল, চোখের সামনে যে দেশীয় রাজ্য দেখছিল সেগুলোকেই গ্রাস করছিল। আওধকেও এভাবেই গ্রাস করে কোম্পানি।
    এই ঘটনা যখনকার তখনো নির্বাসিত হন নি লখনৌর নবাব। কঠোরভাবে রাজ্য শাসন করছেন। মেটিয়াবুরুজে নির্বাসনের পর যদিও ওয়াজেদ আলি শাহ্'র বিলাস ব্যসন তৎকালীন কলকাতার একটা মিথে পরিণত হয়েছিল, কিন্তু যখন তিনি আওধের শাসক, তখন তাঁর বিলাস ব্যসন বা নাচগান এসব থাকলেও রাজ্য শাসনও করতেন কঠোর ভাবে। তাঁর আমলে আওধের প্রতিটা সরকারী দপ্তরকে সাজানো হয়েছিল নতুন করে। কর আদায় করার ক্ষেত্রে র‍্যাশনালটি আনা হয়েছিল। প্রতিদিন সন্ধ্যেবেলা তাঁর কর্মচারীরা হাতে বাক্স নিয়ে বেরোতেন রাজ্যের বিভিন্ন অংশ পরিভ্রমণে। সেই বাক্সে প্রজাদের অভাব অভিযোগ চিঠির আকারে ফেলত প্রজারা। পরদিন সকালে সেসব অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হত রাজার প্রাসাদে। চালু করেছিলেন যোগিয়া উৎসব যেখানে নবাব নিজে গেরুয়া পোষাকে এসে সবার সাথে হোলি খেলতেন। সারাদিন ধরে নাচ গানের মাধ্যমে পালন করা হত যোগিয়া উৎসব। প্রচুর টাকা খরচ করা হত এই উৎসবের জন্য। এর আগের রাজারা অনেকে ছিলেন অলস প্রকৃতির। কারণ কোম্পানির সাথে আওধের চুক্তির ফলে আওধ রাজ্যের সীমানা পাহারা দিত কোম্পানির সৈন্যরা। নবাবী সেনা শুধু রাজ্যের অভ্যন্তরীণ সমস্যা মেটাবে। তাও দরকারে কোম্পানির সেনারা নবাবী সেনাকে সাহায্য করবে। সীমান্ত সমস্যা আর রাজ্যের আভ্যন্তরীণ সমস্যার এভাবে সমাধান হয়ে যাওয়াতে নবাবরা সারাদিন রাজকার্য ছেড়ে আনন্দ ফুর্তিতে মেতে থাকতেন। কোম্পানিও তাই চাইত। রাজকার্য দেখার দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নিয়েছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। এদিকে ওয়াজেদ আলি সিংহাসনে বসেই এরকম রাজকার্য শুরু করাতে সন্দেহ জাগল কোম্পানির। যেনতেন প্রকারে সিংহাসনচ্যুত করতে চেষ্টা করল কোম্পানি।

    তো সেই সময়ে ১৮৫৫ সালে অযোধ্যার হনুমান মন্দিরের সামনে একদল মুসলমান দাবী করে বসল ওই মন্দিরের নিচে নাকি এক মসজিদের ধ্বংসাবশেষ চাপা পড়ে রয়েছে। ব্যাপারটা হচ্ছে অযোদ্ধার অদূরে হনুমানগড়ে একসময়ে একটা মসজিদ ছিল। ঔরঙ্গজেব নাকি একটা হিন্দু মন্দির ভেঙে ওখানে মসজিদ তৈরি করেছিলেন। হিন্দুরা তাদের মন্দিরের দাবী ছাড়ে নি। সেই মসজিদের অদূরে তারা তাদের পুজোপাঠ চালিয়ে যেত।
    আওধের শাসক সুজাউদ্দৌলা তৎকালীন মুঘল সম্রাট শাহ আলম আর কাশীর রাজা বলওয়ান্ত সিং এর সাথে মিলিত হয়ে বাংলার নবাব মির কাশিমকে কোম্পানি দ্বারা অন্যায়ভাবে উৎখাত করার বিরুদ্ধে বক্সারের প্রান্তে কোম্পানির বিরুদ্ধে বক্সারের যুদ্ধে যোগ দেন। বক্সারের যুদ্ধে যাওয়ার পথে তিনি সেই হনুমানগড়ে ছাউনি ফেলেছিলেন। তখনই সেখানে তিনি হিন্দুদের জন্য পুজোপাঠের জায়গায় একটা মন্দির বানিয়ে দেন। পরে একজন সামন্ত রাজা দর্শন সিং সেই মন্দিরের পাশে চারিদিকে দেয়াল তুলে দেন এবং হিন্দু বৈরাগিদের থাকার জন্য মন্দির চত্বরেই কয়েকটা ঘর বানিয়ে দেন। ওই বৈরাগীরা ছিল বর্তমান নাথ যোগীদের পূর্বপুরুষ।
    কালে কালে সেই মসজিদ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং লুপ্ত হয়। ১৮৫৫ সালের জুনে হঠাৎ একদল মুসলমান এসে দাবী জানায় হনুমানগড়ে তারা প্রার্থনা সভা করবে। তাদের বিশ্বাস ওখানেই তাদের মসজিদ ছিল এবং বৈরাগীরা তাদের মসজিদ ধ্বংস করেছে। মসজিদ আন্দোলনের নেতা হিসেবে উঠে আসে গুলাম হুসেন এবং মৌলবি মুহম্মদ শাহ। ওদের নেতৃত্বে মুসলমানরা সংগঠিত হতে শুরু করল। স্থানীয়ভাবে আলাপ আলোচনা করে সমস্যার সমাধান বের করার চেষ্টা হল। কিন্তু মুসলমানরা তাদের দাবীতে অনড়। মসজিদ ওখানেই চাই। অবশেষে সিদ্ধান্ত হল বাদশার হাতে এই দায়িত্ব ছাড়তে হবে। আওধের নবাবদের বাদশা বলেও ডাকা হত। কারন মুঘল সাম্রাজ্য তখন ক্ষয় হতে হতে দিল্লি সংলগ্ন অঞ্চলে এসে ঠেকেছে। মুঘলদের সেই আগেকার রমরমার কিছুমাত্রও আর অবশিষ্ট নেই। এদিকে যাবতীয় বাদশাহি আদব কায়দা তখন লখনৌতে এসে ঠেকেছে। কাজে কাজেই লখনৌর নবাবরা বাদশা উপাধীতে খ্যাত হয়েছে।
    মসজিদ সংক্রান্ত সমস্যার কথা বাদশার কানে ওঠামাত্র তিনি একটা তদন্ত কমিশন বসালেন। হিন্দু মুসলমান দুই প্রতিনিধির সাথে থাকল কোম্পানির একজন প্রতিনিধি। এই তিনজনকে নিয়েই গড়া হল সেই কমিশন। কমিশনের কাজের মধ্যেই মুসলিমরা স্থির করল জুলাই এর ২৮ তারিখ তারা হনুমানগড়ে নমাজ পড়বে। উত্তেজনা চরমে উঠল। কোম্পনির সেনাদলের ক্যাপ্টেন এসে কোনোরকমে সবাইকে শান্ত থাকার আবেদন জানিয়ে ফিরে গেল। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হল না। ২৮ তারিখ মুসলমানদের নমাজ পড়ার সময়ে ঘটল চুড়ান্ত সংঘর্ষ। ৭০ জন মারা গেল। সেইসময়ে বৈরাগীদের হাত থেকে বাঁচার জন্য মুসলমানেরা আশ্রয় নিয়েছিল নিকটবর্তী বাবরি মসজিদে। শাহ গুলাম হুসেন কোনোরকমে হিন্দু বৈরাগীদের আক্রমণের হাত থেকে বেঁচে ফিরে এলেন লখনৌ।
    পুরো আওধ তখন জ্বলছে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনায়। মুসলমান সমাজ হিন্দুদের হাতে মুসলমানদের এই হত্যার প্রতিশোধ চায়। প্রস্তুতি শুরু হল হনুমানগড় দখল নেওয়ার। ওয়াজেদ আলি শাহ'র কানে এই কথা যেতেই রাগে ফেটে পড়লেন তিনি। গুলাম হুসেন আর মৌলবি মুহম্মদ শাহ কে ডেকে ধমক দিলেন তিনি। বললেন আপনারা দুর্বৃত্ত। আমার অনেক আগেই উচিত ছিল আপনাদের ধরে এনে শাস্তি প্রদান করা। কিন্তু মুসলমান প্রজাদের যদি আহত হয় এতে সেই কারণে তা আমি করি নি। ওয়াজেদ আলি শাহ এটাও ভেবেছিলেন যে বিনা বিচারে তিনি শাস্তি দেবেনই বা কীভাবে। যাই হোক, ঘটনা সেখানেই থমকে দাঁড়াল। কিন্তু তলে তলে গুলাম হুসেব আর মৌলবি মুহম্মদ শাহ মুসলমানদের মধ্যে প্রচার করতে শুরু করল যে করেই হোক ওই মন্দির দখল করতেই হবে। আহ্বান জানাল ধর্মযুদ্ধের।
    এদিকে হিন্দু মুসলিম আর কোম্পানির প্রতিনিধিদলের কমিশনের প্রস্তাব হল উত্তেজনা প্রশমন করার জন্য মন্দিরের পাশে উল্টোদিকে আরেকটা মসজিদ স্থাপন করার। মন্দির আর মসজিদের মাঝখানে থাকবে উঁচু দেওয়াল। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রস্তাব। প্রস্তাব পছন্দ হল ওয়াজেদ আলি শাহর। তিনি হিন্দু ও মুসলিম দুই সমাজের কাছেই আবেদন জানালেন এই প্রস্তাব মেনে নেওয়ার। তিনি বললেন যদি দু তরফই এই প্রস্তাব মেনে নেয় তাহলে তিনি জায়গির দেবেন দু দলকেই।
    মুসলমানরা প্রস্তাব মেনে নিল। বৈরাগীরা প্রস্তাব মানতে রাজি হল না। তাদের বক্তব্য ছিল যদি মন্দিরের কাছে মসজিদের জন্য জমি দেওয়া হয় তাহলে তারা ওই মন্দির তো বটেই, আওধের সমস্ত মন্দির ছেড়ে চলে যাবে। আবার সমস্যায় পড়লেন ওয়াজেদ আলি শাহ। দু পক্ষকে মুখোমুখি বসিয়ে বৈঠকের পর বৈঠক করানো হল, কিন্তু কোনো সমাধানসূত্র বেরোল না। এদিকে মুসলমানরাও ক্ষিপ্ত হতে শুরু হল। নবাবকে প্রায়ই তারা চাপ দিতে লাগল কবে জমি দেওয়া হবে মসজিদের জন্য। জবাবে নবাব জানালেন কোনো চাপের কাছেই তিনি মাথা নত করবেন না।
    এবার আন্দোলনকারী মুসলমানরা সরাসরি ধর্মযুদ্ধের ডাক দিল। ৭ ই নভেম্বর ১৮৫৫ সালে মুসলিম ধর্মযোদ্ধারা এগিয়ে গেল মন্দিরের দিকে। দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে করেই হোক মন্দিরের দখল নেওয়া হবে। বিশাল মুসলমান বাহিনীর সামনে হিন্দুদের জন্য ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন নবাব ওয়াজেদ আলি শাহ তাঁর বাদশাহী ফৌজ নিয়ে। সেনাপতি ক্যাপ্টেন বার্লো, ক্যাপ্টেন হুসেন আলি, ক্যাপ্টেন শীতল বক্স, ঠাকুর সিং এবং রাজা শের বাহাদুর। গর্জে উঠল বাদশাহী ফৌজের কামান। নিহত হল মুসলমান ধর্মযোদ্ধাদের তিনশ থেকে চারশ আক্রমণকারী। মুসলমান নবাব বাঁচিয়ে দিলেন একটা হিন্দু মন্দির প্রকৃত রাজধর্মের পরিচয় দিয়ে। জানিয়ে দিলেন এরপর এরকম অসভ্যতা তাঁর রাজ্যে আর বরদাস্ত করা হবে না।

    এর পরের বছরই কোম্পানির চক্রান্তে ওয়াজেদ আলি শাহ নির্বাসিত হলেন কলকাতায়।

    অনেকে ১৮৫৫ সালের এই ঘটনাকেই রাম মন্দির বাবরি মসজিদ সংক্রান্ত ঝামেলার সূত্রপাত বলে থাকেন। কিন্তু হনুমানগড়ি মন্দিরের সাথে রাম মন্দিরের কোনো সম্পর্ক নেই। যদিও দুটো জায়গার মধ্যে দূরত্ব মাত্র আধ কিলোমিটার। দূরত্বের এই নৈকট্য থেকেই ভুলবশত বলা হয়ে থাকে ওই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাই নাকি প্রথম রাম মন্দির সংক্রান্ত আন্দোলন।

    তথ্যসূত্র :
    Awadh Under Wajid Ali Shah - G D Bhatnagar

    Anatomy of a Confrontation: Ayodhya and the Rise of Communal Politics in India - Sarvepalli Gopal

    মেটিয়াবুরুজের নবাব - শ্রীপান্থ।
  • বিভাগ : ব্লগ | ১১ জানুয়ারি ২০২০ | ১৬৩ বার পঠিত
আরও পড়ুন
ক্ষমা - Rumela Saha
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা

  • করোনা

  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত