• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • বুলবুল-এ-হিন্দ

    Arijit Guha ফলো করুন
    ব্লগ | ২৫ আগস্ট ২০১৮ | ৭১ বার পঠিত

  • পাকিস্তান তৈরি হওয়ার পর পাকিস্তান ক্রিকেট দলের প্রথম ভারত সফর।সাল ১৯৫২। প্রথম টেস্ট দিল্লিতে।পাকিস্তান দাঁড়াতেই পারল না।ইনিংস ডিফিট।ভারত জয়ী এক ইনিংস সত্তর রানে।লখনৌর দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচে টসে জিতে পাকিস্তান নামল ব্যাট করতে।প্রথম ইনিংসে তুলল ৩৩১ রান।নজর কাড়ল পাকিস্তানের ওপেনিং ব্যাটসম্যান নজর মহম্মদ।ওপেন করে পুরো ইনিংস শেষ হওয়া অব্দি নট আউট থেকে ১২৪ রানের দুর্ধর্ষ ঝকঝকে ইনিংস খেলে যখন প্যাভিলিয়নে ফিরছিল তখন পুরো পাকিস্তান সেই ছেলেটাকে নিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখলেও, এমনকি নিজেও নিজের কেরিয়ারের প্রতি আত্মবিশ্বাসী থাকলেও তার নসীব হয়ত অন্য গল্প ভেবেছিল।কেউ ভাবতেও পারেনি ভারত সফরে ওই দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের জয় এনে দেওয়ার পর সফরের ওই পাঁচখানা টেস্ট ম্যাচই পাকিস্তানি ক্রিকেটার নজর মহম্মদের কেরিয়ারের রেকর্ড হিসেবে থেকে যাবে।আর কোনো ম্যাচ খেলা হবে না এই ক্রিকেট তারকার।নাহ, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড বা কোনো ক্রিকেটারের বিদ্বেষের শিকার উনি হন নি।ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান অল রাউন্ডার ভারত সফরে আসার আগেই মজেছিলেন অন্য খুশবুতে যে খুশবু তার দেশে ফেরার পর তার কেরিয়ারের সর্বনাশ ঘটিয়ে দেয়।
    পাকিস্তানে বসেই স্টুডিও তে শুটিং এর ফাঁকেফাঁকে ভারত পাকিস্তান দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচের খবর নিচ্ছিলেন মালিকায়-এ-তারান্নুম।পাকিস্তান, বা শুধু পাকিস্তান কেন, ভারত ও পাকিস্তান দু দেশেরই চোখের মণি তখন মালিকায়-এ-তারান্নুম।স্বামী পুত্র সহ ভরা সংসার থাকলেও শোহর পরিচালক শৌকত হুসেন রিজভির কাণ্ডকারখানা তাঁকে করে তুলেছে তিতিবিরক্ত।কিছুতেই শৌকতকে বাগে আনতে না পেরে পরমাসুন্দরী সেই অভিনেত্রী শুরু করেছেন অন্য এক খেলা।পরিচালক স্বামীর চোখের সামনেই শুরু করলেন সরাসরি ফ্লার্ট করা।কখনো সহ অভিনেতার সাথে কখনো তার ফ্যান বয়দের সাথে আবার কখনো কখনো বা উঠতি তারকাদের সাথে।সেরকম লিস্টেই নাম উঠে গেছিল ক্রিকেটার নজর মহম্মদের।হয়ত অপরাজিত সেঞ্চুরির পর ফোনে অভিনন্দনও জানিয়েছিলেন নজরকে।
    পাকিস্তান ক্রিকেট দল দেশে ফিরল ২-১ এ পাঁচ টেস্টের সিরিজ হেরে।কিন্তু দেশে ফেরার পর শুরু নজর মহম্মদের উত্তাল প্রেমের খেলা।শৌকতের অনুপস্থিতিতে একদিন মলিকায়-এ-তরান্নুমের সাথে গোপন অভিসারের সময় হঠাৎ করে বাড়িতে ফিরে আসে শৌকত।কিছু একটা আঁচ করেছিল হয়ত, তাই কোনো খবর না দিয়েই স্ত্রী কে হাতে নাতে ধরার উদ্দেশ্যে অসময়ে হানা দিয়েছিল বাড়িতে।অথচ এই সময়টা শৌকতের নিজের ফ্লার্ট করার সময় উঠতি অভিনেত্রীদের সাথে।শৌকতের এই স্বভাবের জন্যই তার স্ত্রীকেও বাধ্য হয়ে নিতে হয়েছিল এই পথ।অথচ বোম্বেতে থাকার সময়ে এরকমটা ছিল না।প্রাণের সাথে সিনেমা সুপার হিট হওয়ার পরই শৌকত আর মলিকায়-এ-তারান্নুম ঠিক করেছিল আর নয়, এবার উত্তাল প্রেমকাহিনী মিটিয়ে তাকে দিতে হবে পরিণতি।সেই হিসেবেই তাদের বিয়ে হয়ে যায় বোম্বেতে দেশভাগ আর স্বাধীনতার ঠিক আগে আগে।ওদের দুজনের বিয়েটা ছিল তৎকালীন বোম্বের এক বিশাল বড় ইভেন্ট।কত শত যুবকের হৃদয় ভেঙে যে অসাধারণ গায়িকা অসাধারণ অভিনেত্রী অসাধারণ রুপসী মলিকায়-এ-তারান্নুম সেই সময়ে শৌকতের সাথে পরিণয়ে আবদ্ধ হয়েছিল তার হিসেব রাখা ভার।অথচ দেশ ভাগের পর বোম্বে থেকে করাচিতে আসার পরই পালটে যায় শৌকত।একসময়ে যে বেবির পিছনে পাগলের মত ঘুরত শৌকত, পাকিস্তানে আসার পর সেই বেবিকে একেবারে ভুলে গিয়ে মজে ছিল নিজের জীবন বন্ধু বান্ধব আর মহিলামহল নিয়ে।
    শৌকত বাড়িতে অসময়ে ফিরে আসতেই চোখে পড়ে যায় তার স্ত্রীর প্রেমিককে।এদিকে প্রেমিকার স্বামীকে অসময়ে বাড়ি ফিরতে দেখে ধরা পড়ার ভয়ে ওপরের ঘরের প্রেমিকার জানালা থেকেই লাফ দেন নিচে রাস্তায়।যতই ক্রিকেটার হোক, যতই শারীরিক ফিটনেস থাকুক, অত ওপর থেকে লাফ দেওয়ার পর ভারসাম্য রাখতে না পেরে পুরো শরীরের ভর পড়ে হাতের ওপর এবং হাতের হাড় ভাঙল মট করে।সেই ভাঙা হাত নিয়ে ছুটতে ছুটতেই নজর পৌছল নিজের বাড়ি।সেই যে হাত ভাঙল আর কোনোদিনই ঠিক হল না সেই হাত।দল থেকে ইনজুরির জন্য সেই যে বাদ পড়তে হল, আর কোনোদিনই ফিরতে পারলেন না জাতীয় দলে এই অসামান্য প্রতিভাধর ক্রিকেটার নজর মহম্মদ।তবে বাবার হৃত সম্মান পুনরুদ্ধার হয়েছিল ছেলের মাধ্যমে।হাত ভাঙা ও জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর আর প্রেমের পথ মাড়ায় নি নজর।নজর মহম্মদ।পাকিস্তানি ক্রিকেটার মুদাসসর নজরের বাবা নজর মহম্মদ।
    ফিরে আসি মলিকায়-এ-তারান্নুম উর্ফ বেবির কথায়।পাঞ্জাবের কাসুর জেলার ইমদাদ আলি আর ফতে বিবির এগারো সন্তানের মধ্যে আল্লাহ ওয়াসাই যে একদিন পৃথিবী জয় করবে এই কথা তার মা বাবা কেউই তার জন্মের সময়ে ভাবতে পারেনি।তবে পাঁচ বছর বয়স থেকে গানের প্রতি এক স্বাভাবিক আকর্ষণের জন্য তালিম নিতে তার মা তাকে পাঠিয়ে দিল সারেঙ্গী শিল্পী উস্তাদ গুলাম মহম্মদ সাহেবের কাছে।সেখানেই তার সাথে পরিচয় হিন্দুস্থানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত এর।খেয়াল ঠুমরি ধ্রুপদে হাতে খড়ি ওস্তাদজির হাত ধরেই।ন'বছর বয়সে ঘুলাম আলি চিস্তি, যাকে পাকিস্তানি ফিল্ম মিউজিকের জনক বলা হয়, তার চোখে পড়ে যায় আল্লাহ ওয়াসাই।তিনিই তাকে লাহোরে নিয়ে গিয়ে মঞ্চে গান গাওয়ার সুযোগ করে দেন।ঠিক তখনই সে ঠিক করে নিয়েছিল প্লেব্যাক অথবা অভিনয়, এই দুটোর মধ্যে যে কোনো একটাকেই পেশা হিসেবে বেছে নেবে।
    ১৯৩০ এর দশকে ইমদাদ আলি তার পরিবার নিয়ে চলে এলেন কলকাতায়।এখানে এসে ফিল্ম কোম্পানিগুলোর সাথে পরিচয় ঘটল।তাদের বদান্যতায় আল্লাহ ওয়াসাই প্রচুর স্টেজ শো করল, এবং এই স্টেজ শোতেই নতুন নাম হল আল্লাহ ওয়াসাই থেকে বেবি।বেবি নুর জাহান।সবাই তাকে বেবি বেবি বলেই ডাকতে থাকত।এমনকি যখন ১৯৩৫ এ পাঞ্জাবি সিনেমা কে ডি মেহেরার নির্দেশনায় 'পিন্দ দি কুড়ি' তে অভিনয়ের পাশে প্লেব্যাক এও গান গাইল তখনও তার টাইটেল ট্র‍্যাকে লেখা সিঙ্গার- বেবি নুর জাহান।
    তবে মান্টো যখন প্রথম বেবি নুর জাহান কে দেখেন, তখন তিনি দেখেই বলেছিলেন এ মোটেই বেবির মত দেখতে নয়।মান্টোনামায় নুর জাহান সম্পর্কে লিখতে গিয়ে তিনি তার বাড়ির চার বছর বয়সী ভাগ্নে তাকোর উল্লেখ করেছেন।নুরজাহানকে মান্টো বলছেন আমার বাড়িতে তোমার একজন প্রেমিক আছে যে চাইলে তোমার স্বামীর থেকে তোমাকে ছিনিয়ে নিয়ে আসতে পারে।সেই সময় নুরজাহানের স্বামী শৌকত সামনে দাঁড়িয়ে আছে।সে তো শুনে খুব চিন্তিত হয়ে পড়ল।তারপর মান্টো নিজেই বললেন, আরে চিন্তার কোনো কারন নেই, ও আমার চার বছর বয়সী ভাগ্নে তাকো।
    ১৯৩৬ এ প্রথম সিনেমা করার পর থেকেই পরপর সিনেমার অফার আসতে শুরু করল।গান আর অভিনয়, দুটোই একসাথে চলতে থাকল।এই করে করেই বেবি গিয়ে হাজির হল বোম্বেতে এবং ওখানেই পরিচয় শৌকত হুসেন রিজভির সাথে আর তারপর বিয়ে।কিন্তু ততদিনে তার ভক্তের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে উত্তরোত্তর।সেই ভক্তের মধ্যে যেমন রয়েছে অসংখ্য পাচক যারা নাকি রান্নাঘরে তার ছবি টাঙিয়ে রাখত আর চোখের সামনে তাকে দেখে তার সিনেমার গান গাইতে গাইতে রান্না করত, তেমনই সেই লিস্টে রয়েছে লাহোরের সেই যুবক যাকে কিনা তার বন্ধু জিজ্ঞাসা করেছিল কি করতে পারবি নুর জাহানের জন্য, জবাবে বন্ধুর হাতে একটা ক্ষুর দিয়ে বলেছিল আমার শরীরের যে কোনো জায়গা থেকে মাংস কেটে নে, সেই মাংসের কাবাব বানিয়ে আমি নুরজাহানকে দিয়ে আসব।পরদিন তার জ্ঞান ফিরেছিল মেয়ো হসপিটালে এবং জ্ঞান ফেরার পর তার মুখ থেকে প্রথম উচ্চারিত শব্দটাই ছিল 'নুরজাহান'।এরকম লক্ষ লক্ষ পাগল ভক্তই তাকে করে তুলেছিল মলিকায়-এ-তারান্নুম।সুন্দরের রানি।
    সম্ভবত এগুলোই ঈর্ষার কারন ঘটেছিল শৌকত হুসেন রিজভি সাহেবের।ততদিনে নুরজাহান তিন সন্তানের মা।তার মধ্যেই চলছে রিহার্সাল শুটিং তারপর বাড়ি ফিরে সন্তানদের পরিচর্যা। কারন রিজভি সাহেব তখন মজেছেন অন্য মধুতে।পরপর নায়িকা আর এক্সট্রাদের সাথে রিজভি সাহেবের ফ্লার্ট দেখতে দেখতে নুরজাহান বিরক্ত।তারপর সেও শুরু করল ফ্লার্ট করা।এখান থেকেই দুজনের সম্পর্কের ভাঙনের সুত্রপাত।সেই ভাঙন আর জোরা লাগেনি।একদম গিয়ে থেমেছিল ডিভোর্সে।৫৫ তে ডিভোর্সের পর বিয়ে করেছিলেন ন'বছরের ছোট অভিনেতা এজাজ দুরানির সাথে।এজাজ দুরানির চাপে এরপর সরে আসেন অভিনয় থেকে।শেষ সিনেমায় অভিনয় ৬৩ সালে 'মির্জা গালিব' সিনেমায়।মির্জা গালিব বেছে নেওয়ার পিছনে হয়ত কারন একটা ছিল, সাদাত হাসান মান্টোকে অসম্ভব সমীহ করতেন।দেশভাগের আগে বোম্বেতে থাকাকালীন দুজনের মধ্যে প্রায়ই দেখা সাক্ষাৎ হত, কারন তখন মান্টোও ফিল্ম দুনিয়ার সাথে যুক্ত।রেডিওতে শ্রুতিনাটক লিখছেন, চিত্রনাট্য লিখছেন, কখনো বা সিনেমার জন্য গল্প লিখছেন।বোম্বেতে 'মির্জা গালিব' সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছিলেন মান্টো।সেটি অসম্ভব প্রশংসিত হয়।সেই জন্যই হয়ত যখন পাকিস্তানে আবার মির্জা গালিব তৈরি করা হল তখন ওই ছবিতেই শেষ অভিনয় করেন।তবে প্লেব্যাক চলেছিল তারও অনেক বছর পর অব্দি।অবশেষে যখন মারা গেলেন ২০০০ সালে, প্রেসিডেন্ট পারভেজ মুশারফ তার মৃতদেহ করাচি থেকে লাহোরে নিয়ে এসে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পালন করতে চেয়েছিলেন।কিন্তু পরিবারের আপত্তিতে তা আর হয়নি।মারা যাওয়ার পর জাভেদ আখতার স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে বলেছিলেন গত তিপ্পান্ন বছরের দু দেশের সমস্ত শত্রুতার মধ্যেও একটা সেতু ছিল, যার নাম ছিল নুরজাহান।আজ সেই সেতুটা ভেঙে পড়ে গেল।
  • বিভাগ : ব্লগ | ২৫ আগস্ট ২০১৮ | ৭১ বার পঠিত
আরও পড়ুন
ক্ষমা - Rumela Saha
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা

  • পাতা : 1
  • pi | 2345.110.674512.166 (*) | ২৬ আগস্ট ২০১৮ ০৪:৪৫63810
  • এঁর জীবনই তো দেখি সিনেমা! সিনেমা হয়নি এনিয়ে?

    একটা জিনিস মনে হয়, ইস্মত চুঘতাই এর লেখা পড়েও, মুসলিম মেয়েদের কিছু অন্গ্শের মধ্যে পর্দা তেমন ছিল তো নাই, প্রচুর স্বাধীনতাও ছিল। অবশ্য এখনো পাকিস্তানের নায়িকারা এরকম বা আরো স্বাধীনতা ভোগ করেন কিনা জানা নেই।
  • | 2345.108.892323.101 (*) | ২৭ আগস্ট ২০১৮ ০৪:২১63811
  • এত বিস্তারিত জানতাম না। বেশ লাগল। অভিনেত্রী আর অভিনেতাদের প্রতি ট্রিটমেন্টে কি আকাশপাতাল তফাৎ, তখনও এখনও।
  • করোনা

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত