• হরিদাস পাল  আলোচনা  বিবিধ

  • সোনারপুরে সোনার মেলা

    Rouhin Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩৭ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • শীত ভাল করে পড়তে না পড়তেই মেলার সীজন শুরু হয়ে গেছে। গুরু এবারে ওমনিপ্রেজেন্ট – গাদাগুচ্ছের মেলাতে অংশ নেবার মনস্থ করেছে। একেবারে সূচনাপর্বেই সোনারপুর মেলা – বোতীনবাবুর দৌলতে তার কথা এখন এখানে অনেকেই জানেন। তো সেই সোনারপুর বইমেলাকেই পদধূলি দিয়ে ধন্য করব এরম একটা সুদুদ্দেশে শনিবার সন্ধ্যেবেলা বেরিয়েছিলাম। মারিয়া আগেই হাত তুলে রেখেছিল, তাই মারিয়ার সাথে গড়িয়ার মোড়ে দেখা করাই সমীচিন মনে করলাম। মারিয়া কামস টু গড়িয়া, সেথা হতে সোনারপুর অটো করিয়া, এই হল গে পেলান।

    এই মারিয়া নিয়ে একটা ইম্পর্টান্ট কথা আগে বলাই হয় নি – আপনারা কেউ জানেন না। কিছুদিন আগে আবিষ্কার করেছি মারিয়ার সাথে আমার হেব্বি মিল – বাসস্থানের নিরীখে। আবার অমিলও আছে। মানে বিশুদ্ধ ব্যাকরণ্মতে আমাদের ধাতু এক, প্রত্যয় আলাদা। আমরা দুজনেই গড় ধাতু, ওর হল ফা প্রত্যয় আর আমার ইয়া। ফা প্রত্যয়টা কোথা হইতে আসিল জানিতে চাহিবেন না নিশ্চই – কে না জানে, ফা এসেছে চীন থেকে, হিয়েন ধাতু বাহিত হয়ে। মারিয়া অবশ্য চীন থেকে আসেনি – মারিয়া এসেছে কোয়েল থেকে। এরম হয়, ভাববেন না। আর আমরা দুজনেই যেহেতু গড় ধাতু তাই সহজে ভীত হয়ে পড়ি না।

    তো হ্যাঁ যে কথা হচ্ছিল – আমার কুষ্মান্ডটা পচে যাচ্ছিল – না মানে আমরা অটোয় উঠলাম। গড়িয়া টু সোনারপুর – মারিয়া উইথ রৌহিন। মিলল না – তাই তো? মিলল না তো কী হল, রওনা তো হওয়া গেল। যেতে যেতে পথে পুর্ণিমা রাতে – আজ যেহেতু পুর্ণিমা রাত ছিল না তাই গগনেও আর কিছু উঠিল না, বেচারি রোদ্দুর রায়ের এফোর্ট মাঠে মারা গেল। কিন্তু ক্যাব উঠল। আচ্ছে দিন এ ক্যাবও অটোয় ওঠে বই কি। মোদী হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়। পাশের ভদ্দরলোক সবে টুকুস করে বলে ফেলেছেন, এটা খুব দরকার ছিল, এটাকে প্রত্যেকের সমর্থন করা উচিৎ। কারণ এর ফলে যারা বিরানব্বইএর পরে এদেশে এসেছে (এই বিরানব্বই কোথা থেকে এল, আমি এখনো ভাবছি – ভদ্রলোক বোধহয় বিরায় থাকেন টাকেন), তাদের এর ফলে নাগরিকত্ব পাওয়া সহজ হবে। ব্যস, আমার ফেসবুকীয় সত্ত্বা কেমন যেন চেগে উঠল (ইয়ে মানে চোখের কোনে দেখে নিয়েছিলাম আর কি যে ছোটে না কি হাঁটে না, কাউকে সে কাটে না গোছের ভদ্রলোক আর কি)।

    আমি বললাম আর যারা ধরুন বিরানব্বই (!) বা একাত্তর বা এমন কি একান্নরও আগে থেকে আছেন অথচ কাগজপত্র নেই – তাদের কী হবে? তা উনি বললেন কিছু না কিছু একটা প্রমাণপত্র তো নিশ্চই থাকবে – ভোটার কার্ড নয়তো রেশন কার্ড নয়তো আধার কার্ড নয়তো – আমি ওনাকে থামিয়ে দিয়েঃ কিন্তু অমিতবাবু তো এসব চলবেই না বলে দিয়েছেন। মানে যদি চলতই, তো আবার শরণার্থী খোঁজার ধুম কিসের? আর চললেও, ধরুন আমার এসব হারিয়ে গিয়েছে – তখন? তো ভদ্রলোক একটু থিতিয়ে গিয়ে বললেন না মানে কিছু না কিছু তো রেখেই দেয় – আমি (মাটিতে পড়তে না দিয়ে)ঃ যার ঘর আয়লা কিম্বা বুলবুলে ভেসে গিয়েছে, তার কী হবে? এবারে স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে সিএবি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে আয়লা বুলবুলকে উনি হিসাবের মধ্যে ধরেন নি। হোয়া ইউনিভার্সিটিও এখনো কোর্স মেটেরিয়াল ছাড়েনি মনে হয়। ফলে উনি কেমন যেন চুপ মেরে গেলেন। সোনারপুর অবধি আর মুখ খোলেন নি, নেমেও কেমন চুপচাপ ভাড়া মিটিয়ে উদাস মনে চলে গেলেন। বাকি সহযাত্রীরাও তাই। অটোয়ালা দাদা আমার দিকে তাকিয়ে ফিক করে একটু হেসে দিলেন।

    তারপর বইমেলা। পিনু মিত্তির আমাদের বলেছে, ঋতব্রত পিনু মিত্তিরকে, যে সোনারপুর স্টেশনের ঠিক বাইরেই হচ্ছে বইমেলা। ব্যপার হচ্ছে দুজনের মধ্যে যে-ই হোক, স্কেলটা মেনশন করতে ভুলে গেছে। মানে ঠিক বাইরেই হচ্ছে – টেকনিকালি রাইট। কতটা বাইরে নট মেনশনড। আমরা স্টেশনের পাশেই অটো থেকে অবতরণ করে দিব্যি কনফিডেন্টলি চলছি – এই তো পৌঁছে যাব, (ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকঃ ছোট্ট ছোট্ট পায়ে চলতে চলতে ঠিক পৌঁছে যাব ইত্যাদি) অল্প খানিকটা যেতেই একটা তোরণও দেখা গেল, ঐ তো – ঐ দেখা যায়! চল চল চল, উর্ধ গগনে বাজে মাদল ইত্যাদি। কিন্তু তারপর? উরেত্তারা – এ যে দেখি তোরণের পর তোরণ – পুরো তোরণা দূর্গ। যাচ্ছি আর নিজেকে কেমন শিবাজী শিবাজী মনে হচ্ছে – মারাঠা অস্মিতা জেগে উঠছে। অবশেষে দীর্ঘ জয়যাত্রা শেষে এল মূল তোরণ – টিকিট কেটে ভিতরে ঢুকলেই আপনি পেয়ে যাচ্ছেন টিকিটের গায়ে ক ক ক ক কুপন। ফার্স্ট প্রাইজ হীরের নেকলেস, সেকেন্ড প্রাইজ সোনার, থার্ড প্রাইজ রূপোর। ভাবা যায়!

    ইনস্ট্রাকশন ছিল গেট দিয়ে ঢুকে ডানদিকে তাকালেই গুরুর স্টল দেখতে পাবে। তাকালাম। দেখতে পেলাম। এগিয়ে গেলাম। দুই সম্ভ্রান্ত চেহারার নারী-পুরুষ স্টলে ছিলেন। আমরা গিয়ে বললাম আমরাও গুরুর লোক। ভাগ্যিস ওরা জয়গুরু বলে খেদিয়ে দেন নি। ফলে এদের নাম জানা গেল – দেবী অম্বপালি ইয়ে থুড়ি আম্রপালি – আর শ্রী রন্তিদেব। দেবী অম্বপালি বললেন, বসুন, আমি আম্রপালি। আমি প্রায় বলে ফেলছিলাম যে আমি বিম্বিসার – তারপর শেষ বয়সে অন্ধকার কারাবাসের ভয়ে সামলে নিলাম। লিচ্ছবিরা জানাল, বিক্রিবাটা তেমন কিছু নাই, কফিওলা ছাড়া আর কেউ বিশেষ আসছে না। মানে জনতা আমাদের আগের স্টলে ঢুকছে, পরের স্টলে ঢুকছে, উল্টোদিকে ঢুকছে, শুধু আমাদেরটার বেলায় বাচ্চাদের ছেড়ে দিচ্ছে। একটি বাচ্চা অবশ্য দাদুকে নিয়ে এসেছিল – সোমনাথ রায়ের ঘেন্না-পিত্তির প্রচ্ছদে আদ্ধেকটা স্পাইডারম্যান গোছের একটা ছবি দেখে সে ভেবেছে কমিক্স টমিক্স হবে – দাদুর কাছে বায়না করতেই দাদু কিনে দিলেন একটা। তারপর বললেন পড়ো। সে বেচারা ততক্ষণে খুলে দেখে নিয়েছে কবিতার বই – মুখটা যেন কেমনধারা হয়ে গেল বেচারার, দাদু যত বলে মুখে হাসি কই, হাসি আর বেরোয় না।

    এদিকে মিরাকল আজও ঘটে। সে আপনারা যতই অবিশ্বাসী হয়েন না কেন। টুকটাক একজন খদ্দের এসেছেন, রাকে পটিয়ে পাটিয়ে একটা দিনগুলি ধরানো গেছে - ভদ্রলোক সেটা পাতা ওল্টাচ্ছেন, আর মারিয়া দেখি শিকারী নেকড়ের মত (নারীবাদী নয় মনে হয়) তাকিয়ে। অবশেষে উনি রাখতেই সেটায় ছোঁ মেরে লালমোহন বাবুর স্টাইলে 'এটা আম্মার' বলে তুলে নিয়েছে। তাপ্পর দেখি ও হরি - কয় কী?!! সেই বইয়ের প্রচ্ছদে দিব্যি লেখা "কোয়েলকে সৈকত"। মামুর সই করা সেই কপি দিব্যি আবার গুরুর টেবিলে উপস্থিত - আর পড়বি তো পড় এক্কেরে আসল লোকের খপ্পরে। এর পরেও যে বলবে যে আচ্ছে দিন আসেনি, সে নির্ঘাত দেশদ্রোহী। তাকে পাকিস্তান পাঠানো হোক।

    এই বাজারেও মারিয়া আর আম্রপালি মিলে পটাপট ছবি তুলেই চলেছে। রন্তিদেব (এ বর্তমানের নয়, তাই বলে ভবিষ্যৎ বা অতীতেরও নয় অবশ্য) কফি খাচ্ছে, টুকটাক বিল করছে। ছেলের এলেম আছে, এই টুকটাক করতে করতেই দেখি হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ব্যস আমাদের আর পায় কে? ইতিমধ্যে আরেকটি কচি পাঠক এসেছিলেন, হাবভাব দেখে মনে হল হিসু পেয়েছে – ফাঁকা টাকা দেখে এই স্টলটাকেই উপযুক্ত স্থান বিবেচনা করছিলেন – হঠাৎ কোথা থেকে সাক্ষাৎ অমিত শা’য়ের মত মা এসে “এ কী করছিস, চল চল” বলতে বলতে টেনে নিয়ে চলে গেলেন। আরেকজন খুদে ক্যাটালগটা বিনামূল্যে পাওয়া যায় জেনে ভীষণ খুশী হয়ে প্রথমে একটা নিলেন – আরও কিছু নেবার ইচ্ছে ছিল, তারপর যখন তিনি জানলেন যে একটাই ফ্রী, তারপরে অনেক দাম পড়ে যাবে তখন ব্যাজার মুখে চলে গেলেন।

    এবারে বন্ধ করার পালা। আম্রপালিকে বহুদূর যেতে হবে, সে আগেই বেরিয়েছে – আমরাও স্টল গুছিয়ে গুটি গুটি পায়ে রওনা দিলাম। আবার সেই তোরণের পর তোরণের পর তোরণ পেরোতে পেরোতে অবশেষে স্টেশন, রন্তিদেব ট্রেনে উঠল, আমরা আবার অটোয়, একই ধাতু কি না (যদিও প্রত্যয় আলাদা, মনে রাখবেন)। এবারে আর কেউ ক্যাব তোলেনি – কাজেই দেখতে দেখতে গড়িয়া। পরাণ যায় জ্বলিয়া। এইবারে মিলেছে। ওকে টাটা বাই হ্যাপি বাড্ডে।
  • বিভাগ : আলোচনা | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩৭ বার পঠিত
আরও পড়ুন
খোপ - রৌহিন
আরও পড়ুন
বিভাব - Avi Samaddar
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • r2h | 236712.158.676712.160 (*) | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৭:৩৯50914
  • হাহা, গত বছর আগরতলা বইমেলায় আমিও সৈকতদার সই করা বই বেচে দিয়েছি। মানে ক্রেতা জোরজার করে নিয়ে গেল। বললো পঞ্চাশ বছর পর নিলামে চড়াবে, কালেক্টর'স আইটেম হিসেবে।

    মাকে কল্লোলদা'র সই করে দেওয়া বইও বেচতে নিয়ে চলে গেছিলাম, স্টক কম শুনেছিলাম, মার বইয়ের আলমারি থেকে চুপচাপ বের করে নিয়ে, সই করা যে দেখতে পাইনি, তবে ঐটার শেষরক্ষা হয়েছে, ফেরৎ নিয়ে এসেছিলাম।

    কিন্তু ব্রতীনদা'র কাছে আম্রপালি নামটা এত কঠিন লাগলো কেন বুঝলাম না। একটা র-ফলা তো ব্রতীনদার নামেও আছে!

    বইমেলা টেলায় ক্যাব ইত্যাদি নিয়ে কিছু হচ্ছে না?
    হবে না বোধয়, ভগবান যে গোলযোগ সইতে পারেন না সেটা সুশীল সমাজ উপলব্ধি করেছে। (এই লাইনটা অবশ্য অনেকটা লেখার জন্যেই লিখলাম, কাল যারা প্রতিবাদী কন্ঠ ছিলেন, তাদের অনেকেই আজও একটা মাধ্যম খুঁজছেন, কিন্তু মূল ধারার মিডিয়া সেই প্ল্যাটফর্ম এই বাজারে হয়তো দেবে না।
    দেখা যাক।)
  • পিনাকী | 237812.69.5656.195 (*) | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৭:৫৬50916
  • হামি কুছু জানে না। হামি গরীব আদমি আছে।
  • aranya | 347812.245.2356.140 (*) | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৭:৫৬50915
  • আমার কাছে, বহু পুরনো যা কিছু বই পড়ে আছে, দ্যাশে গেলে সব নিয়ে যাব ভাবচি, আম্রিগায় বাজার নাই
    এদিকে কাব্লি-দার ছেলের বাড়িতে আজও বোধহয় গুচ্ছ বই পাঠকের মুখ চেয়ে পড়ে আছে, হায়, যদি না তারা এদ্দিনে ট্র্যাশড হয়ে গিয়ে থাকে
  • | 237812.68.674512.145 (*) | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:১৫50917
  • চুঁচুড়া আর লিলুয়ার মেলা কবে অবধি আছে গা?
  • ঝর্না | 237812.68.674512.169 (*) | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:১৯50918
  • বাপরে...ক্যেয়া খুব বর্ননা...পড়তে দারুন লাগল...
  • Rouhin Banerjee | 124512.101.89900.231 (*) | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৪:২৫50919
  • @অরণ্য - কাবলিদার বাড়ির সব বই চলে এসেছে বছর দুয়েক আগেই। কাবলিদার বাড়ি থেকে জোয়াদির বাড়ি হয়ে মারিয়ার বাড়ি হয়ে পিনাকির শ্বশুরবাড়ি হয়ে অবশেষে তারা এখন সল্টলেকে গুরুর অফিসে শোভা পাচ্চেন।

    @দ- দি, যতদূর মনে পড়ছে দুটো মেলাই আসছে রোববার পর্যন্ত
  • aranya | 890112.162.9001223.45 (*) | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৫:২২50920
  • রৌহিন, আম্রিগায় কাব্লি-দার ছেলের বাড়ীতে কয়েক বছর আগে অনেক বই এনে রাখা হয়েছিল, সেই লট-টার কথা বলছি।
    তোমার মেলার বিবরণ খুবি উপাদেয় হয়েচে :-)
  • Rouhin Banerjee | 236712.158.676712.114 (*) | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৫:৪৩50923
  • মারিয়া
  • Rouhin Banerjee | 236712.158.566712.143 (*) | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৫:৪৬50924
  • আরে উপরের কমেন্টটাতে কেমন করে জানি শুধুই আমার নামটা এ। আর আসল কমেন্টটা ই এলোনা!
  • মারিয়া | 236712.158.676712.146 (*) | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৫:৫০50925
  • আরে কিন্তু সবই তো হল - হল না একটাই!
    অজিত রায়ের 'বাংলা স্ল্যাং' এর এতো বড়ো একজন ফ্যানের কথাই তুমি ভুলে গেলে!?
  • Apu | 236712.158.566712.237 (*) | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৮:০২50921
  • এর পরে আসছে লিলুয়া বইমেলা

    মুহা হা হ
  • Apu | 237812.69.563412.27 (*) | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৮:১০50922
  • আজকে যাচ্ছি। রৌহিন ব্যাটেবলে হবে নাকি??

    আম্রপালী? কেস টা এত সহজ মনে হচ্ছে না !! আমি বুধ বার গেলাম। এদিন ও কি আম্রপালী?
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত প্রতিক্রিয়া দিন