এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ডবল ইঞ্জিন

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
    ৩১ মে ২০২৬ | ২৫৫ বার পঠিত
  • ডবল ইঞ্জিনের এবার ট্রিপল ধামাকা। দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি স্কুলে একটি ছাত্রের মৃত‍্যু নিয়ে কয়েকদিন ধরেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন অভিভাবকরা। খুবই শিষ্ট বিক্ষোভ, কেমন কোনো গোলমালও হয়নি। সেখানে দৌড়ে গিয়ে ধরা গলায় ভালো-ভালো কথা বলেছিলেন পাপিয়া অধিকারী। অভিভাবকদের উদ্দেশে নাকি স্কুল মালিককে, বোঝা মুশকিল। কারণ স্কুলের কেউ গ্রেফতার হননি। ওদিকে ১৪ জন অভিভাবককে গভীর রাতে তুলে নিয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এতে কোনো জাস্টিস ব‍্যাহত হয়নি, কারণ খবরের কাগজের কোণা ছাড়া এই খবর আর কোনো জায়গা পায়নি।

    এটা পরশু গভীর রাতে। তারপর কাল দিনের বেলায় তৃণমূলের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়েছিলেন সোনারপুরে। নির্বাচনোত্তর হিংসায় নিহত দলীয় কর্মীর বাড়িতে। সেখানে যাবার রাস্তায় মব তাঁকে আক্রমণ করে। ডিম ছোঁড়া হয় গুছিয়ে। ডিমে ভেজা অভিষেকের ছবি চারদিকে ভাইরাল। ফুটেজে দেখা গেছে আস্ত পাথরও ছোঁড়া হয়েছে। উনি হেলমেট পরেছিলেন, সেখানে লেগেছে। পুলিশের টিকি দেখা যায়নি। তারপর তিনি ফিরে হাসপাতালে ভর্তি হবার চেষ্টা করলে, দেখলাম, পরপর দুটো বেসরকারি হাসপাতাল তাঁকে ভর্তি করতে রাজি হয়নি।

    টিভিতে এবং রাম্বাম ও বিজেমূল মহলে এই নিয়ে দেখলাম আনন্দের হিল্লোল বইছে। একটা ছাগলকে বলি দেবার সময় বাকিরা নিশ্চিন্ত কাঁঠালপাতা চিবোয় জানতাম, কিন্তু তারাও খুব সম্ভবত হাসেনা। টিভিতে অবশ্য পাথরকেও ডিম বলে চালানো হচ্ছে। পাথরেও কুসুম হয় কিনা, ময়ূখবাবুকে জিজ্ঞাসা করা যেতে পারত। কেউ করেছে বলে দেখিনি। ওদিকে শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, তাঁর দলের কোনো লোক এতে জড়িত নয়। অর্থাৎ, এই কুড়ি দিনেই পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা খুব ভালো হয়ে গেছে। ক্রেট-ক্রেট ডিম কিনে এবং পাথর জোগাড় করে লোকে স্রেফ ছুঁড়বে বলে দাঁড়িয়ে থাকে। এছাড়াও স্বাস্থ্য ব্যবস্থারও অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে। এতদিন লোকে জোর করে হাসপাতালে আটকে রেখে বিল ধরায় বলে অভিযোগ করত। এখন দরকার ছাড়া তারা এক মিনিটও আটকে রাখেনা।

    এই করতে করতেই, দমদম স্টেশনে হকার উচ্ছেদ। গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে সমস্ত দোকানপাট ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সিপিএম বেশ কয়েকদিন ধরে এটা রুখেছে, কিন্তু আর পারা যায়নি। তবে খুব বড় গোলমাল হয়নি। ওঁদের লাইভ দেখে জানলাম গার্গী চট্টোপাধ‍্যায়কে ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। এও জানলাম, যে, সিটু এবং সিপিএম নেতারা ব্যাপারটা নিয়ে বৈঠক করেছিলেন স্টেশন মাস্টারের সঙ্গে। তড়িৎ তোপদারও এসেছিলেন। তাঁদেরকে আশ্বাস টাশ্বাস দেবার পর, সেই স্টেশন মাস্টারই মাথায় হেলমেট পরে চুক্কি দিয়ে ভাঙ্চুর শুরু করেছিলেন। এখানেও দেখা যাচ্ছে, ঘটনায় একটা হেলমেট আছে। সেটা নিয়ে অবশ্য কেউ হাসেননি। বড় মিডিয়ায় দেখায়ইনি।ওদের বয়েই গেছে। কিন্তু সমাজমাধ্যমেও কেউ হাসেননি। অনেক পন্ডিত মানুষ আছেন, যাঁরা কথায় কথায় "ওমুককে যখন নিয়ে গিয়েছিল আমি কিচ্ছু বলিনি" আওড়ে থাকেন, তাঁরা নিশ্চয়ই ঘুঁটে পুড়লে কেন গোবরকে হাসতে হবে, এর পক্ষে নানা পণ্ডিতী কথা জানিয়ে দিতে পারবেন।

    এই ঘটনার আগে মহম্মদ সেলিম অবশ্য একটা চমৎকার তত্ত্ব দিয়েছেন। বলেছেন, আরএসএস অভিষেকের পালে হাওয়া দিতেই ঠেঙিয়েছে। এর আগে আমরা শুনেছিলাম সারা ভারতে বাঙালি ঠ্যাঙানো হচ্ছে তৃণমূলকে জেতানোর জন্য। সেটিং আছে। তারপর তৃণমূল গেল হেরে। সেই সেটিংএর কী হল ঠিক জানা নেই। এখন নতুন সেটিং। আমার মতো সাধারণ মানুষের মনে হয়, তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের জেলে না পুরলে, বা ধরুন জাঙ্গিয়া পরে না হাঁটালে এই পুরোটাই সহজে করা যেত। কেন এত কঠিন পন্থা নেওয়া হল, সেটা উনি নিশ্চয়ই বলতে পারবেন।

    এর মধ্যে দেখলাম, অভয়া মঞ্চ গিয়েছিল সরশুনার গণধর্ষণ কাণ্ড নিয়ে ডেপুটেশন দিতে। সংগ্রামী ডাক্তাররা কেউ কেউ এখন বিধায়ক হয়ে গেছেন, কেউ কেউ উচ্ছেদে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, ফলে সরকারের উপর এখন এঁদের আস্থা প্রচুর। পুণ্যব্রত গুণ বললেন, আক্রান্ত মেয়েটি এখন 'হোম'এ আছে। খুব গোপন ব্যাপার বলে পুলিশ ওঁদের কিচ্ছু জানায়নি। কোর্ট এখন বন্ধ, খুললে মেয়েটির একটা গতি হবে। পুলিশি তদন্তের উপর দেখা গেল অগাধ বিশ্বাস। আক্রান্ত মেয়েটি কেন বিনা অপরাধে 'হোম' আটক থাকবে, এই নিয়েও কোনো বক্তব্য নেই। এঁদেরকে রাম-বাম না বলার কোনো কারণ দেখা যাচ্ছেনা। খোলাখুলি হয়ে গেলেই ভালো হত। কিন্তু একটু চক্ষুলজ্জা এখনও আছে, সেটা খুবই ইতিবাচক ব্যাপার।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ডাবল ইঞ্জিনের স্টেশন ধামাকা | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ১০:৫০740940
  • স্টেশন জুড়ে থাকবে শুধুই ওয়াও মোমো, কেএফসি, মিও আমোরে। শিয়ালদহ স্টেশনের মত নৈহাটি, ব্যান্ডেল, দমদমে তানিস্ক-এর শোরুম হবে। হাওড়ার মত চুল কাটার সেলুন চলবে বেলঘরিয়া, দেবগ্রামে। মহেন্দ্র দত্ত ছাতার দোকান দেবে গোবরডাঙ্গায়। আরও সব চোখ ধাঁধানো দোকানপাট হবে। পশ্চিমবঙ্গের রেল স্টেশন গুলো দেখতে লাগবে জাপান, দুবাই, জার্মানির মত। চা দোকানের আড্ডা হবে না, বয়স্ক মানুষের হাঁটতে যাওয়ার জায়গা হবে না। পাওয়া যাবেনা ফটাশ জল। কম পড়াশুনো জানা মানুষ, যাঁরা রেলের ডিজিটাল বোর্ডের লেখা পড়তে পারেন না, তারা আর জেনে নিতে পারবেন না কোনো হকারের কাছ থেকে কখন কোথায় যাবার ট্রেন আসবে।

    গত কয়েকদিন আগেই ভাঙা হয়েছিল শিয়ালদহ, হাওড়া স্টেশনের হকারদের দোকান। মধ্যরাত্রে ভাঙা হয়েছে বেলঘরিয়া স্টেশনের সমস্ত দোকান। (গুটি কয়েক দোকান ভাঙা হয়নি যাঁরা আরপিএফ কে বেশি ঘুষ দিতে পারেন) আর আজ দমদম, উত্তরপাড়ায় চলল বুলডোজার। সিপিআইএম এর শ্রমিক সংগঠন সিটুর নেতা গার্গী চট্টোপাধ্যায় সহ একাধিক কর্মীরা দাঁড়িয়ে থেকেও আটকাতে পারলেন না ভাঙন। বর্ষীয়ান সাংসদ তড়িৎ বরণ তোপদারের অনুরোধও ধোপে টিকল না। দমদমের অধুনা বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানালেন; কিন্তু সবকিছুর পরেও গত পঞ্চাশ বছর ধরে চলা দোকানগুলি এক নিমেষে গুড়িয়ে দিল রেল পুলিশ। বলা হল অনৈতিকভাবে জায়গা দখল করে ব্যবসা হচ্ছে। তাই উঠতেই হবে। মধ্যরাত্রের বুলডোজারে কাজ হারল কয়েকশো মানুষ।
    কেউ বলছেন, "স্যার পায়ে পড়ছি, এরকম করবেন না!" পাশ থেকে আরেকজন কান্না ভেজা গলায় বলে উঠছেন, "বাড়িতে ছেলে মেয়ে আছে, একটু বুঝুন!"

    তবু কিছু প্রশ্ন রয়ে গেল।
    রেলের জায়গা দখল করে ছোলা মাখা, পরোটা, চা বিক্রি যদি অনৈতিক হয় তবে দিনের পর দিন সঠিক ভাড়া দেবার পরেও দেরি করে ট্রেন আসা, পৌঁছনো অনৈতিক নয় কি? কেন স্বাধীনতার সাত দশক পরেও ভারতীয় রেল সঠিক সময় ট্রেন ছাড়তে/পৌঁছতে পারেনা?

    কেন বিহার, উত্তরপ্রদেশ পেরোতে গিয়ে সঠিক টিকিট থাকা সত্ত্বেও মানুষকে নিজের জায়গা ছেড়ে উঠে যেতে হয়?

    কেন ভারতে প্রতিবছর ৩০-৪০ টি বড় মাপের দুর্ঘটনা ঘটে? মারা যায় কয়েক হাজার মানুষ?

    কেন রেলের পুলিশ, যাঁরা আজ হকার উচ্ছেদে বুলডোজার চালালেন তাঁরা মহিলাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পারেনা ট্রেনের ভিতরে? মোবাইল, মানিব্যাগ সহ গুরুত্বপূর্ণ দামি জিনিস কেন চুরি হয়ে যায় গোটা দেশের ট্রেন জার্নির সময়?

    আজও ট্রেনের শৌচালয়ের অবস্থা কেন তথৈবচ? বন্দেভারত, রাজধানী, দূরন্তের মত ফ্লাগশিপ ট্রেন ছাড়া বেশিরভাগ ট্রেনেই কেন অপরিষ্কার টয়লেট?

    যদি জাপান কিংবা ইউরোপের মত রেল স্টেশন করতে চাইছে ভারতীয় রেল তবে রেলের দেওয়া খাবারের গুণমান এত জঘন্য কেন?

    এমন আরও অনেক প্রশ্ন আছে। যার উত্তর মেলেনি। মেলেনা। ইতিমধ্যেই শিয়ালদহ স্টেশনে চায়ের কাপ কুরি টাকা ছুঁয়েছে। তাই নামি ব্র্যান্ডকে বাঁচাতে রাতের অন্ধকারে গরিবের শেষ সম্বলের উপর দিয়ে বুলডোজার চলছে। চলবে?

    How | ৩১.০৫.২০২৬
  • দীপ | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ০১ জুন ২০২৬ ০০:৪৬740948
  • "দুটো ভিডিও পরপর দেখলাম এই কদিনে:-

    ১. নিউটাউন এরিয়াতে একটি বাড়িতে ঢুকে এক ভদ্রলোককে শাসানো হচ্ছে মুসলিম ছেলের বৌ-কে ছেলেসহ বের করে দিতে। হিন্দু বসতিতে মুসলিম থাকতে পারবে না। এই হুমকি দেওয়া দলটা বজরং দল।

    ২. আর একটি বাড়িতে ঢুকে তুলসীতলা, ঘরের পুজোঘর নিয়ে বক্তৃতা, জ্ঞানদান চলেছে। বোধহয় এই দলটাও বজরং দল।

    প্রথমত এইভাবে কেউ কারো বাড়ি ঢুকে ধমকাতে চমকাতে পারে না।

    দ্বিতীয়ত এই যে বজরং দল খাপ পঞ্চায়েতি করে বেড়াচ্ছে, এদের চাকরি-বাকরি, ব‍্যবসাপত্তর নেই? লোকের বাড়ি বাড়ি ঢুকে অসভ‍্যতা করার সময় পাচ্ছে কী করে? রাজ‍্যের বিজেপি সরকার সবার আগে এই বে-রোজগেরে হনুমান বাহিনীর বৈধ রোজগারের ব‍্যবস্থা করুক। বেকার বসে থাকা মানেই এদের অঢেল সময়, অতএব লোকের পিছনে এইরকমই কাঠিবাজি করতে থাকবে এবং কিছুদিন পর তৃণমূলের মতো এরাও তোলাবাজি শুরু করবে।

    তৃতীয়ত, এখন কি বজরং দলের বাঁদরগিরি সর্বত্র চলবে নাকি? প্রশাসন কি এখন এই হনুমান বাহিনী নিযুক্ত করেছে রাজ‍্যবাসীদের হয়রান করবার জন‍্য?"
     
    ফেসবুক
     
    রাজ্যসরকার, অবিলম্বে এইসব বাঁদরামি বন্ধ করুন। মানুষ আপনাদের যথাযথ গণতান্ত্রিক কাঠামো রক্ষা করতে পাঠিয়েছে, বাঁদরামি করতে নয়।
    তিনুদের শেষ পরিণতি ভুলে যাবেননা!
  • ভাবছি | 117.*.*.* | ০১ জুন ২০২৬ ১১:২৮740950
  • ইনি কি অরজিনাল দীপ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন