এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • কর্পোরেট ফেমিনিজম – শিষ্ট মেয়ে নির্মাণ প্রকল্প

    দময়ন্তী লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ১৭ মার্চ ২০২০ | ৩০৭৬ বার পঠিত
  • আজ থেকে বছর নয় দশ আগের কথা। সেকশ্যুয়াল হ্যারাসমেন্ট বা যৌন হয়রানির ধারণা সবে ভারতীয় কর্পো ভূবনে আসতে শুরু করেছে। বিশাখা গাইডলাইন বহুদিন চালু হলেও সেই অনুযায়ী যৌন হয়রানীর প্রতিবিধানের জন্য কমিটি গঠন তখনো অধিকাংশ কোম্পানি হয় করে উঠতে পারে নি, অথবা প্রাথমিক কাজকর্ম শুরু করেছে। মূলত আইট কোম্পানিগুলোতে সম্ভবত কিছু বিদেশী ক্লায়েন্টের চাপে কমিটি গঠন হয়েছে, অভিযোগ জানানোর পদ্ধতি সম্পর্কিত নির্দেশিকাও জারি হয়েছে। এইসময় এক বহুজাতিক আইটি সংস্থার একটি শাখায় একটি মেয়ে তার দুইধাপ উপরের ম্যানেজারের সম্পর্কে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে প্রজেক্ট থেকে রিলিজ চায়। একই সংস্থার অন্য এক শাখায় বেশ কিছু অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দু’চারজন লোকের চাকরি যাবার খবর এই মেয়েটি জানত। সে অভিযোগ জানানোর সময় তাদের হেড অফিসের মানবসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের কাছেও এক কপি চুপিচুপি পাঠিয়েছিল। হেড অফিস থেকে ব্যপার জানতে চাওয়ায় মেয়েটিকে তার ম্যানেজার তৎক্ষণাৎ রিলিজ করে এবং মেয়েটি অন্য একটি পছন্দের প্রোজেক্টে ঢুকে যায়। এই পর্যন্ত বেশ মসৃণ ব্যপার, যদিও অভিযোগটির কী গতি হয় সে জানা যায় নি। কিন্তু এর একমাস পরেই আসে কর্মীদের বার্ষিক দক্ষতা মূল্যায়নের সময়। মেয়েটির মূল্যায়নের অধিকাংশ আসে আগের ম্যানেজারের থেকে। কিছু উন্নতির উপদেশসহ, সেটা সর্বোচ্চ না হলেও মোটের উপর ভালই ছিল। কিন্তু মেয়েটিই মূল্যায়ন চ্যালেঞ্জ করে এবং সর্বোচ্চ রেটিং চেয়ে আবারও পুরানো যৌন হয়রানির অভিযোগটি তুলে আনে এবং প্রতিশোধের অভিযোগ আনে। এইবার অভিযুক্তও সেটি পালটা চ্যালেঞ্জ করে এবং প্রমাণ চায়। এরপরে যথারীতি বিশাল ঝামেলা হয়। সেসবের মধ্যে দুটো ইন্টারেস্টিং কথা পাওয়া যায় যেজন্য এতবড় গল্পটা লিখলাম।
    ১) মেয়েটি তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্যে কোন এক কমিটির কাছে জানিয়েছিল ওর বর্তমান ম্যানেজার ওকে এই দ্বিতীয়বার অভিযোগটি করতে পরামর্শ দেন এবং বলেন প্রমাণিত হলে মেয়েটি প্রোমোশান পেয়ে যাবে। মেয়েটি ঠিক স্বচ্ছন্দ বোধ না করায় এই নিয়ে বাড়িতে আলাপ করলে তার স্বামী তাকে বর্তমান ম্যানেজারের কথামত কাজ করতেই পরামর্শ দেয়। কারণ যে প্রোজেক্টে সে এখন কাজ করছে তার ম্যানেজারের মত অবশ্যই মেনে চলা উচিৎ শুধু নয়, মেয়েটির চেয়ে তার ম্যানেজার ভদ্রমহিলা ‘মহিলা তো, এসব ব্যপার ভাল বোঝেন’ বলেও বটে।
    ২) এই তদন্ত চলাকালেই সংস্থারই এক অতি উচ্চপদস্থ ভদ্রমহিলা মেয়েটিকে বলেন প্রথমবারই অভিযোগ জানানো একেবারেই উচিৎ হয় নি। এইসব ‘অতি তুচ্ছ’ বিষয় উপেক্ষা করতে না শিখলে কর্পোরেট মইতে সে কোনোদিনই চড়তে পারবে না। মেয়েদের উচিৎ নিজের কাজ দেখিয়ে এগিয়ে যাওয়া আর বাড়তি ঝামেলায় না জড়ানো। মেয়েরা তো দুর্গার অংশ, সেটা ভুললে চলবে না।

    তো এইখানেই আসছে কর্পোরেট ফেমিনিজম নামক উৎপাতটি। শেরিল স্যান্ডবার্গ, ‘লিন ইন’ এর প্রবক্তা, কর্পোরেট জগতে বেশ জনপ্রিয়। শেরিলের অনেকগুলি প্রস্তাবের মধ্যে একটা হল মেয়েদের পেশাগত ক্ষেত্রে এগোতে হবে একরোখাভাবে, তার জন্য তথাকথিত ‘মেয়েলি’ অসুবিধেগুলিকে বেশী গুরুত্ব দিলে হবে না। বরং একদল মেয়ে একে অপরকে পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করবে এবং যৌথভাবে এগিয়ে যাবে নেতৃত্বের দিকে। এছাড়াও আরো কিছু আছে, এই লেখায় সেগুলো বাদ থাক। তা এমনিতে ধারণা হিসেবে এটি শুনতে বেশ ভাল। সত্যিই ত, আমাদের দেশে লোকে যেখানে কথায় কথায় বলে ‘মেয়েরাই মেয়েদের শত্রু’, সেখানে একদল মেয়ে একে অপরের সাথে পরামর্শ করে এগোবে সেই ধারণাটা এঁদের কাছে, এমনকি যাঁরা নিজেদের উদার মনে করেন, তাঁদের কাছেও খুবই আকর্ষণীয়। আবার লোকের আরো ধারণা হল যে মেয়েরা সাধারণত নির্ভরশীল এবং সমস্যাসঙ্কুল পরিস্থিতিতে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করতে স্বচ্ছন্দ বোধ করে না। কাজেই মেয়েরা যদি সমস্যায় পড়লে কারও মুখাপেক্ষী না হয়ে, নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করে সমস্যা সমাধান করে ফ্যালে, এগিয়ে যায় তার থেকে ভাল আর কি হতে পারে?

    তাহলে একে উৎপাত বলছি কেন? কারণগুলো বলি আস্তে আস্তে। তার আগে বলি, গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে কায়িক শ্রম প্রয়োজন নেই এমন কর্মক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষিত মেয়েদের সংখ্যা কমছে। সমীক্ষাগুলির সাথে এর কারণ বিশ্লেষণ দেখা যায় নি। তবে পুণের কয়েকটি বহুজাতিক আইটি কোম্পানির মধ্যে চাকরি ছাড়ার কারণগুলোও খুঁজে দেখার চেষ্টা করায় দেখা যায় মহিলা কর্মীদের বেশিরভাগই ছাড়েন মূলত পরিবারের জন্য। কখনো বিয়ের পরে সঙ্গীর কর্মক্ষেত্রে অন্য শহরে চলে যাওয়ায়, কখনো বা সন্তানজন্মের পরে নানাধরণের শারিরীক, মানসিক, পারিবারিক জটিলতা সামাল দিতে না পেরে, কখনো আবার সন্তানের মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জন্যও কয়েক বছর বাড়িতে থাকতে চেয়ে। প্রথম কারণটির ক্ষেত্রে কর্পোরেট ফেমিনিজমের প্রবক্তাদের প্রস্তাব, মহিলা কর্মীর সংস্থাটির যদি অন্যান্য শহরে শাখা থাকে তাহলে সেখানে কর্মীকে স্থানান্তরণ করে সমাধান সম্ভব। সেক্ষেত্রে মেয়েটিকে চাকরি ছাড়তে হয় না। এতে এমনিতে তেমন সমস্যা নেই, শুধু একটা হালকা অস্বস্তি যে ছেলেটিও তো মেয়েটির শহরে স্থানান্তরিত হয়ে আসতেই পারে। অন্তত তারা দুজনে মিলে আলোচনা করে সিদ্ধান্তে আসতে পারে। তবে এক্ষেত্রে সংস্থার কিছুই করার নেই, একমাত্র তাদের কর্মীকে ধরে রাখার জন্য তারাই স্থানান্তর করাতে পারে।

    এবার আসি পরবর্তী সমস্যাটিতে, যেখানে সন্তান জন্মের পরবর্তী বিবিধ জটিলতায় মেয়েটি চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়। কর্মক্ষেত্রে নমনীয় কাজের সময়ের দাবী নারীবাদিদের দীর্ঘদিনের। এই দাবীটিকে অনেকসময় ‘আংশিক কাজের দাবী’ হিসেবে দেখা হয়। ফলত যেটা দেখা যেত যে মেয়েদের কম সময় কাজ করিয়ে কম বেতন দেওয়া হত। কিন্তু টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির সাথে সাথে পূর্ণসময়ের কাজ একটি নমনীয় সময়তালিকার মধ্যে করে ফেলা সম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোন সংস্থার দৈনিক কাজের সময় যদি ৮ ঘন্টা হয় এবং কর্মী যে কাজ করেন তাতে তাঁকে একটি বিশেষ সমস্যা ৪ কি ৬ ঘন্টার মধ্যে করে দেবার দায়িত্ব দেওয়া হয় তাহলে এই কর্মী নিজের সুবিধামত সময়ে সকালে ২ ঘন্টা এবং বিকেল থেকে ৬ ঘন্টা কাজ করার সুযোগ পেলে তিনি পূর্ণসময়ই কাজ করতে পারছেন কোথাও কোন ক্ষতি না করেই। এবার এই নমনীয় সময় মেনে কাজের সুযোগ বা বাড়ি থেকে কাজের সুযোগ পেলেও যে মেয়েটির সমস্যা সমাধান হচ্ছে তা নাও হতে পারে। অনেকসময় দেখা যায় সন্তানকে রাখার কোন সুব্যবস্থা নেই। অথবা মা’কে বাড়িতে দেখলে সন্তান মা’য়ের সঙ্গ ছাড়তে চায় না একমুহূর্তও। এসব ক্ষেত্রে অফিসে ক্রেশের সুবিধে থাকা বাঞ্ছনীয় যাতে মেয়েটি সন্তানকে ক্রেশে রেখে কাজে মন দিতে পারে। অথবা বাড়িতে সঙ্গীর সহায়তা প্রয়োজন।

    কর্পোরেট ফেমিনিজমের ভারতীয় প্রবক্তারা বলেন মেয়েটি যেন এসব সমস্যার কথা অফিসে না জানায়, তাকে নমনীয় কাজের সময় দেওয়া হবে ‘সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী’, সে সেইমত তার নির্দিষ্ট কাজ করে দেবে। দরকারে অন্য মহিলা সহকর্মীদের সাথে পরামর্শ করে নিক, সমাধান তাকেই বের করতে হবে। তা দেখা যাচ্ছে এখানে সমস্যাটিকে ‘মেয়েলি সমস্যা’ বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে। কিন্তু সমস্যাটি আদতে সামাজিক। এর স্থায়ী সমাধান একটি মেয়ে বা কিছু মেয়ে মিলে করতে পারে না, যেটা পারে সেটা হল সাময়িক কাজ চালানো উপায় নির্ধারণ। যদি সন্তানের বাবা মা দুজনে একই সংস্থায় কাজ করেন সেক্ষেত্রে দুজনে মিলে আলোচনা করে সংস্থার মানবসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের কাছে দুজনের নমনীয় কাজের সময়তালিকা পেশ করতে পারেন। ‘সংস্থার নিয়মবিধি’ নামক পাথরে খোদাই করা হুকুমনামার বাইরে হলেও মানবসম্পদ উন্নয়ন দপ্তর সেটাকে আমলে নিয়ে সম্মতি দিতে পারেন। তাতে তারা কর্মীদের কাছ থেকে সম্পূর্ণ কর্মদক্ষতাও পাবেন। দুজনে আলাদা কর্মক্ষেত্রে হলে অন্তত একজনের কর্মক্ষেত্রে ক্রেশের সুবিধে থাকলে এই সমস্যার সমাধান সহজেই হয়। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের আইন অনুযায়ী যে সব সংস্থার কর্মীসংখ্যা ৫০০র বেশী, তাদের ক্রেশ থাকা বাধ্যতামূলক, তবুও বহু সংস্থাই এখনও নিজেদের ক্রেশ বানিয়ে উঠতে পারে নি বা প্রয়োজন মনে করে নি। একটি শিশু তো শুধু তার মায়ের বা নিছকই একটি পরিবারের সম্পদ নয়, একজন ভবিষ্যতের নাগরিকও বটে। আর শরীরে মনে সুস্থসবল নাগরিক তো যে কোন সমাজেরই সম্পদ। তাই তাকে সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য সমগ্র পরিপার্শ্বকেই এগিয়ে আসতে হবে। কর্পোরেট ফেমিনিজমের প্রবক্তারা মেয়েদের সাময়িক কিছু সুবিধে দেবার নামে এই ন্যায্য দাবীগুলিকে দমিয়ে দিতে চান।

    এবার যদি প্রথমে বলা ঘটনাটা দেখি সেখানেও ঘটনার মেয়েটির সঙ্গী তাকে তার ম্যানেজার ভদ্রমহিলার কথামত চলতে বলে, ঘটনার ঔচিত্য অনৌচিত্য বিচার না করেই। সংস্থার উচ্চপদস্থ ভদ্রমহিলাও তথৈবচ, এইসব অভিযোগ নাকি করাই উচিৎ নয়! প্রথমত যৌন হয়রানী একটি অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ। সেই অভিযোগ প্রমাণিত হলে ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে চাকরি যায়। এই অভিযোগ জানান উচিৎ হয় নি বলাটাও ভদ্রমহিলার পক্ষে অত্যন্ত অন্যায়। আবার এক্ষেত্রে যেহেতু অভিযুক্তের চাকরি যায় নি, ফলে বোঝাই যাচ্ছে প্রমাণ হয় নি। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয়বার সেই অভিযোগ উল্লেখ করা অত্যন্ত গুরুতর ব্যপার। আগে যখন প্রমাণ হয় নি তখন দ্বিতীয়বার অত্যন্ত সতর্কভাবে এগোন প্রয়োজন। আবারও এখানে যৌন হয়রানীকে নিতান্তই মেয়েটির সমস্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে। মেয়েটির সমস্যা এবং তাকে অন্য কেউ বলে দেবে কী করতে হবে। আসলে কী হয়েছিল সেটা তলিয়ে দেখার বা অনুসন্ধান করার তেমন প্রয়োজন নেই।

    কর্পোরেট ফেমিনিজম যা চায়, মেয়ে হবে একই সাথে সর্বংসহা এবং সর্বকর্মপারদর্শী সেই ধারণাটাই উদ্ভট, শিষ্ট মেয়ে তৈরীর এই প্রকল্প আসলে এক আখাম্বা উৎপাত।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ১৭ মার্চ ২০২০ | ৩০৭৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • i | 108.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০২০ ১৫:০৩91528
  • ভালো লেখা। এই লেখাটি যদি শুধুই মুখবন্ধ হ'ত, তারপর পর্বে পর্বে আরো বিস্তার - আরো আরো এগোতো লেখা - আরো অনেক অ্যানেকডোট, আরো স্ট্যাটিটিক্স, আরো গভীরে -
    লেখকের কাছে অনুরোধ রইল।
  • | 141.*.*.* | ১৯ মার্চ ২০২০ ১২:৪৫91563
  • হুঁ একটু অগোছলো হয়েছে। মানে লেখার পরের ফেলে রেখে আবার দেখা হয়ে ওঠে নি।

    এই বিষয়ে লেখার তো আছে কতকিছুই। দেখি ...
  • প্রতিভা | 141.*.*.* | ১৯ মার্চ ২০২০ ১৮:৪০91578
  • কর্পোরেটের উচ্চতম পদে যে মেয়েদের সংখ্যা কম তাতে আর আশ্চয্যি কী ! কোথায় পড়লাম না চাইলেও মেয়েদের মিনি স্কার্ট পরে অফিসে আসতে বলা হচ্ছে। স্মার্ট দেখাবে আর সহকর্মীদের নান্দনিকতা পরিতৃপ্ত হবে। কর্পোরেটিয় শিষ্টতার সংজ্ঞা নিয়ে আরো লিখবে?
  • একলহমা | ২০ মার্চ ২০২০ ০৮:৩৫91596
  • সারা পৃথিবী জুড়ে সমাজের সর্বস্তরে শিষ্ট মেয়ের নি র্মাণ চালু আছে‌। কর্পোরট তার লিঙ্গনিরপেক্ষতা মান‍্য করার দায় রাখতে যে সমানাধিকারের ব‍্যবস্থা করতে বাধ্য হয়, শিষ্ট মেয়ের নির্মাণ সেখানে তাকে কিছুটা স্বস্তি দেয়। মেয়েদের এগিয়ে চলা, উপরে ওঠা আরো কিছুটা দেরী করে দেয়, ঠেকিয়ে রাখে।
    দমুদি, এ দলিল আরো বিস্তারিত করার অনুরোধ রাখলাম‌
  • satarupa chowdhary | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ১৬ জুলাই ২০২০ ২১:২৫95262
  • Khub bhalo lekha.

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন