প্রণয় পাশার পরবর্তী পর্ব:অভিশপ্ত জীবনঅম্লান সরকারমোহরের গ্রেফতার পরবর্তী ঘটনাবলী সাত্যকি বা ওর বাবা মার জন্য খুব একটা সুখকর হয় নি। সাত্যকি কে পুলিশি জেরায় জেরবার হতে হয়েছে বারবার। মোহরের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ ও বিবাহ পর্যন্ত ঘটনাবলী বারবার তাকে বলতে হয়েছে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিভিন্ন রকম পুলিশি প্রশ্নের উত্তরে। তার বাবা মাও রেহাই পায়নি। তাদেরও সম্মুখীন হতে হয়েছে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন রকম পুলিশি জেরার। তবে এক সময় সব মিটে গেছে। মোহরের দীর্ঘ কারাবাসের শাস্তি হয়েছে। সহ্য করতে হয়েছে অনেক রকম পুলিশি অত্যাচার। তাতে গুপ্তচর সংস্থাটির আরো কিছু চুনোপুটি ধরা পড়েছে। কিন্তু রাঘব বোয়ালরা রয়ে গেছে অধরাই। এদিকে পুলিশের হয়রানি শেষ হয়ে যাওয়ার ... ...
(শেষ পর্ব) কলতান হেসে হরিপ্রসাদকে বলল, ' আসুন আপনারা .... আমরা পেছনের ঘরে বসে একটু কথাবার্তা বলি .... 'আগরওয়ালজি একগাল হেসে বললেন, ' হ্যাঁ চলুন স্যার ... 'স্বামী স্ত্রী দুজনে কলতানের পিছন পিছন একটা ঘরে গিয়ে ঢুকল। অনেক পুরণো বাড়ি, ছোট বড় মিলিয়ে অনেকগুলো ঘর। ----- ' বসুন বসুন হরিজি। বসুন ম্যাডাম ... আপনাদের মতো ওয়েল ম্যাচড পেয়ার আমি বেশি দেখিনি। খুব ভাল লাগে আপনাদের ... ...
কুলচাকে নিয়ে কলতান বাড়ি ফিরল রাত দশটা নাগাদ। থানা থেকে বেরোবার সময় গৌতমবাবুকে জিজ্ঞেস করল, ' নিউআলিপুর থানার এনকাউন্টারে কোন ইনজিওরি হয়েছে কিনা জানেন কি ? '----- ' না না ... কোন ইনজিওরি নেই। আমি রিপোর্ট নিয়েছি .... ওটা হলে তো আবার হসপিটালের চক্কর আছে ... ওঃ... '----- ' ঠিক আছে, আমি বেরোচ্ছি। আমার ডিউটিশেষ। এবার আপনারা প্রসিড করুন .... '----- ' কি যে বলেন ... আপনার ডিউটি কখনও শেষ হয় ? যাক কোর্ট কেসটা তো চালু হোক ... '----- ' সেটাই তো বলছি .... বেল আটকানোর জন্য যা করতে হয় করবেন ... অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার স্যারের ... ...
২৪ জুলাই হুড়মুড় করিয়া রাজ্য ও দেশের সর্বোচচ আদালতে ঝাঁপাইয়া পড়িল কপিল মুনি ও অন্যান্যরা। দাবী ২৬শে জুলাই অবশ্যই শুনানি করিতে হইবে অ.ব্যা এর বিদেশ ভ্রমণের বিষয়ে, উনি ২৭শে জুলাই বিদেশ যাইবেন। কোনো আদালতই রাজী হইলো না। দেশের সর্বোচচ আদালত ২৮শে জুলাই শুনানির তারিখ রাখিল। আর রাজ্যের সর্বোচচ আদালতের বিচারপতি এই মামলা শুনিতেই রাজী হইলেন না। তিনি মামলা ফেরত পাঠাইলেন, প্রধান বিচারপতির আদালতে। সেইখানে সোমবার, ৩১শে জুলাই শুনানি ... ...
ঔরঙ্গজেবের আমল থেকে ফারুখ শিয়র পর্যন্ত ওনার আয়ুষ্কাল। উর্দু ব্যঙ্গ কবিতার জনক বলা হয় মির জাফর জাটেল্লিকে (শাটেল্লি ?)। আসল নাম মির মুহম্মদ জাফর। ললিত ফার্সি জবানে কাঁচা মুখের ভাষার সব শব্দ বসিয়ে - নতুন মিশ্র-রাখতা ভাষা তৈরিতে, যৌন ইঙ্গিতে সব শালীন ছক উল্টে দিয়ে সময়ের অনেক আগের এক আলোর বর্তিকা হলেন জাটেল্লি। ওই শৈলীকে বলত হুজ্জু বা সমাজদেহের নানা হিপোক্রেসি আর ক্ষমতার চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া নেওয়া শুধু নয় সেই খালবোশ শরীরে রীতিমত ঝাল নুন ছিটোন ল্যাম্পুনিং করার শৈলী। ওনার ব্যক্তিগত জীবন ... ...
আজ রোববার। তাই ভেঙ্কিদা যথারীতি দেরি করে ঘুম থেকে উঠেছে। সকালের চা আর লেড়ো বিস্কুট খেয়ে বাজারের থলি হাতে বেরিয়ে পড়েছে। প্রথমেই শঙ্করের পান গুমটিতে গিয়ে হানা।- এক প্যাকেট সিগারেট দে।দোকানে কেউ ছিল না বলে শঙ্কর কথা না বাড়িয়ে প্যাকেটটি ধরিয়ে দিয়ে বলল,- এটা নিয়ে তেরো প্যাকেট হল। লিখে রাখব? নাকি কিছু দেবে?- এখন কোথা থেকে দেব! মাস পয়লায় পেয়ে যাবি রে, লিখে রাখ। - ঠিক আছে তাহলে কুড়ি টাকা লিখে রাখলুম।কুড়ি টাকা শুনে ভেঙ্কিদা হঠাৎ চমকে উঠল। ব্যাপার কি পঞ্চাশ টাকার সিগারেটের প্যাকেট কুড়ি টাকা লিখে রাখছে ... ...
কলতান বলল, ' এনাফ ইজ এনাফ ... মিস্টার রক্ষিত... এবার ওর কাছ থেকে মোবাইলটা নিয়ে নিন ... আশা করি আমাদের কাজ হয়ে গেছে। ওটা সাইবার সেলে পাঠানোর দরকার। আমার ধারণা ওতে এদের কিংপিনের ট্রেস পাবেন .... ' গৌতমবাবু তার পিস্তল লোড করতে করতে বললেন, ' সুনীতা, অপর্ণা ... ওর মোবাইল সিজ কর এক্ষুণি। আর...বডি ফ্রিস্ক করে দেখ কিছু পাও কিনা। কাউন্টার চার্জ করলে কাস্টডি হাজতে লক করে দাও .... হারি আপ .... আমি বাইরে যাচ্ছি ... 'সুনীতা আর অপর্ণা ছুটে গেল জ্যাকলিনের দিকে। জ্যাকলিন কোন বাধা দিলেন না। মোবাইলটা দিয়ে দিল ওদের। সুনীতা ... ...
প্রণয় পাশাঅম্লান সরকারকাঁচড়াপাড়া রিভার রিসার্চ ইনস্টিটিউট, কাঁচড়াপাড়া রেল স্টেশন থেকে হরিণঘাটা রোড ধরে আট কিলোমিটার মত রাস্তা অতিক্রম করার পর পাওয়া যাবে রিভার রিসার্চ ইনস্টিটিউট বাস স্টপ। এই বাস স্টপের অনতিদূরেই রয়েছে নদী ভিত্তিক এই গবেষণা কেন্দ্রটি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ মন্ত্রকের অধীন এই গবেষণা কেন্দ্রটি হাইড্রোলিকস, মাটি বলবিজ্ঞান (Soil mechanics), জলবিদ্যা এবং পরিসংখ্যান নিয়ে গবেষণা করে থাকে। এই গবেষণা কেন্দ্রটিতেই ... ...
কলতান বলল, ' আসুন আসুন ... আমি আপনাদের জন্যই ওয়েট করছি ... 'গৌতম রক্ষিত অবাক হয়ে এর ওর মুখের দিকে তাকাতে লাগলেন। কুলচারও একই অবস্থা। ----- ' আপনি জানতেন আমরা আসব ? ' সুগত সেন বললেন। ----- ' হ্যাঁ .... সেটা তো না জানার কিছু নেই। আমি আপনাদের কোড ল্যাঙ্গুয়েজ না বুঝতে পারি কিন্তু মনের ভাষা তো কিছুটা পড়তে পারি। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই আপনাদের মতো ইন্টারেস্টিং লোকেদের ফোনের কথাবার্তা আড়ি পেতে শোনার আমার খুব শখ। সব কথা যে ঠিক ঠিক ধরতে পারি তা নয়, তবে ধরার চেষ্টা করি। সুগতবাবু কিছু মনে করবেন না ... ... ...
কলতান আর সিদ্ধার্থ সিনহাকে ঘরে ঢুকতে দেখেমিসেস সিনহা মোবাইল থেকে মুখ তুলে ওদের দিকে তাকালেন। মিষ্টি সংবেদনশীল হাসি হেসেসিদ্ধার্থবাবুর দিকে এগিয়ে এলেন। ----- ' ইশশ্ ... দুদিনেই কি চেহারা হয়েছে ... মাগো ... ' দুচোখে বিষণ্ণ ছায়া নেমে এল জ্যাকলিনের। কুলচা সব কিছু ভুলে গিয়ে ওনার অভিনয় দক্ষতা দেখে মুগ্ধ হতে লাগল । জ্যাকলিন একটা কমলা চিউয়িং গাম মুখে দিল। তারপর একটু সরে গিয়ে দাঁড়াল। কলতান গৌতমবাবুকে বলল, ' আমরা কি পাশের ঘরে বসব ? '----- ' হ্যাঁ, সেটাই বেটার হবে। ওখানেই ... 'কলতানকে একপাশে ডেকে নিয়ে গিয়ে উনি নীচুগলায় বললেন, ' অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার স্যারকে ... ...
ওপরের ছোট ঘরটাতে একটা ছোট টেবিল আর তিনটে চেয়ার আছে। একপাশে একটা তিন তাকওয়ালা দেয়াল আলমারি আছে। তাতে পুরণো ফাইল আর কাগজপত্র ঠাসা। কোন সিলিং ফ্যান নেই। একটা পেডেস্টাল ফ্যান আছে।বনবন করে ঘুরছে। কলতান বসে আছে মিস্টার সিনহার অপেক্ষায় মিনিট পাঁচেক ধরে। সিদ্ধার্থবাবুকে একজন কনস্টেবল ওপরে পৌঁছে দিয়ে গেল। বিকেল চারটে বাজতে চলল। ------ ' আসুন আসুন মিস্টার সিনহা ... বসুন 'মিস্টার সিনহা কলতানের সামনের চেয়ারটায় বসে পড়লেন। ----- ' আপনার কোন অসুবিধে হচ্ছে না তো এখানে? ' কলতান খোঁজ নেয়। ----- ' মিনিংলেস কোশ্চেন ... এখানে সুবিধেটা কি হবে ... এটা কি মামার বাড়ি ... ...
চুরির রকমফের ————— সুপ্রিয়া চৌধুরী ————— এই তো সেদিন কালু ভুলু পড়লো ধরা চুরির দায়ে, পকেট থেকে সরিয়ে ছিলো হাজার পাঁচেক দুই ভায়ে। ফাঁসির সাজা শুনলো তারা,- শুনেই কুপোকাৎ- আর কোথা যায়
কলতান এবং কুলচা সহ বালীগঞ্জ থানার দলবল মিসেস সিনহাকে নিয়ে থানায় এসে নামল। কলতান বলেছিল, 'একটা ক্যাব বুক করে দিচ্ছি তুই বাড়ি ফিরে যা ...তোর তো এখন কোন কাজ নেই এখানে ... '। কিন্তু কুলচা ফিরে যেতে রাজি হল না। সে আরও উত্তেজক নাটক দেখার লোভ সংবরণ করতে পারল না। কুলচাকে দেখে গৌতম রক্ষিত কলতানের দিকে তাকিয়ে ভ্রু নাচিয়ে ঠোঁট উল্টে মাথা ওপর নীচ করলেন। কলতান বলল, ' আমার অ্যাসিস্ট্যান্ট... '----- ' ও আচ্ছা আচ্ছা .... গুড আফটারনুন ... ...
দীপ্তি সিনহা একটু থতমত খেয়ে বললেন, ' সতীশ মিশ্রকে আপনারা কোথায় পেলেন ? রাঁচি থেকে ধরে এনেছেন ? '----- ' না ... ব্যাপারটা ঠিক সেরকম নয়। আমরা ধরে আনিনি। ও-ই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। অনেক কিছু বলেওছে। আমরা অবশ্য সেগুলো বিশ্বাস করিনি ... যাকে বলে কগনিজেন্সে নিইনি। তেমন সলিড কোন এভিডেন্স নেই ... কগনিজেবল এভিডেন্স ছাড়া কারো কথা বিশ্বাস করা যায় না ... তাই না ? 'মিসেস সিনহা বলে উঠলেন, ' কিরকম ...কিরকম ?কি ... কি বলেছে ও ? '----- ' বলছিল তো অনেক কিছু ... কিন্তু ওরকম একটা লোকের কথা কি আদৌ বিশ্বাসযোগ্য ? ... ...
ক্যালেন্ডার বলছে বর্ষাকাল। অথচ কলকাতা শহর জুড়ে যেন বসন্তের কৃষ্ণচূড়ার রং! রাস্তায় পা রাখলেই চোখে পড়ছে অসংখ্য লাল পতাকা। পোস্টার ব্যানার দেয়াল-লেখায় সেজে উঠছে শহর। এখানে ওখানে চোখে পড়ছে পথসভা। শুনলাম নানা জায়গায় ঘরোয়া বৈঠকও চলছে। এস ইউ সি আই (কমিউনিস্ট) ৫ আগস্ট ডাক দিয়েছে ব্রিগেড সমাবেশের। এই দিন এসইউসিআই(সি)-র প্রতিষ্ঠাতা মার্কসবাদী দার্শনিক শিবদাস ঘোষের জন্মশতবর্ষের সমাপনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে এই আয়োজন করেছে তারা।দুনিয়া জুড়ে বামপন্থীদের মধ্যে যখন হতাশা, তখন এই কলকাতায় একটা বামপন্থী দল একা ব্রিগেডের ডাক দিয়েছে দেখে যেমন বিস্মিত ... ...
দীপ্তি সিনহার যেন হঠাৎ মনে পড়ে গেল । ------ ' ও আচ্ছা আচ্ছা ... ওই অ্যাড এজেন্সির এক্জিকিউটিভ... নাম শুনেছি ... না না এখানে আসবে কেন ? '----- ' ওনার সঙ্গে কি ফোনে কথা হত আপনার হাসব্যান্ডের ? '------ ' কি জানি .... সেটা ঠিক বলতে পারব না ... আমি তো ওর পার্সোনাল কন্ট্যাক্টে ইন্টারভেন করতাম না ... '----- ' হমম্ ... মিসেস সেন আপনি কতবার দুবাই গেছেন ? 'মিসেস সেনগুপ্ত আকাশ থেকে পড়লেন ---- ' দু..বাই ! না না ... আমি দুবাই কি করতে যাব ? মিস্টার সিনহা একবার কি একটা কাজে একবার গিয়েছিল ওখানে ... কি কাজে ঠিক জানি ... ...
জয় টমেটো—————সুপ্রিয়া চৌধুরী—————লালটুসী গোলগাল নরম তুলতুলে,কোথা যে হারিয়ে গেলো, ফেরে না পথ ভুলে।ঝালমুড়ি, চাটনী, কষাকষি রান্না -খেতে হয়, তাই খাই, মনে চেপে কান্না।যতদূর মনে পড়ে গোল ছিলো আকারে,চেহারাটা ভুলে গেছি চেনো কি তোমরা তারে?তোমাদের ও মনে নেই? অতি প্রিয় টমেটো টা !তার ই কথা বলছি গো,—শুনে নাও গল্পটা। শুনলাম ইস্কুলে, প্রথম যে ক্লাসে হবে !সে নাকি একটা গোটা-লাল টমেটো পাবে !দ্বিতীয় স্থানে নাকি আধখানা মিলবে,তৃতীয়তে খানিকটা রস শুধু গিলবে। শিক্ষক আছেন যারা সবাইকে একটা -গোটা গোটা টমেটো !! কম কথা নয় এটা। দেখো যদি কোনোমতে হতে পারো শিক্ষক !তবেই মিলবে গোটা !! টমেটোর জয় হোক্ !————— ... ...
অষ্টক গান সম্পর্ক জানেন কি? লোক সংস্কৃতি এই ধারা কি সত্যি লুপ্তপ্রায়? নীল ষষ্ঠী বা নীল পুজো বাংলার হিন্দুসমাজের এক লৌকিক উৎসব, যেখানে শিবের বিয়ে দেওয়া হয়। চৈত্রসংক্রান্তির চড়ক উৎসবের আগের দিন অনুষ্ঠিত হয় নীল ষষ্ঠী পুজো। মহাদেব শিবের এক নাম নীলকণ্ঠ। সেই নীল বা শিবের সঙ্গে চণ্ডিকা বিয়ে উপলক্ষ্যে লৌকিক আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয় এই পূজায়। পৌরাণিক কাহিনি অনুসায়ী দক্ষযজ্ঞে সতীর দেহত্যাগের পর সতী পুনরায় নীলধ্বজ রাজার বিল্ববনে সুন্দরী কন্যারূপে আবির্ভূত ... ...
একটু পরে হরিপ্রসাদ আগরওয়ালের ফোন এল একটু পরে। কলতান বলল, ' হ্যাঁ বলুন ... মিস্টার আগরওয়াল... এনি প্রবলেম ? '----- ' না আর কিছু হয়নি এখনও। তবে সব সময়ে ডর লাগে। কখন আবার ফোন আসে ...----- ' ঠিক আছে। আমি নজর রাখছি ... আপনি চিন্তা করবেন না। কোন কল এলে সঙ্গে সঙ্গে জানাবেন ... '----- ' হ্যাঁ নিশ্চয়ই.... আপনার ভরোসাতেই তো আছি স্যার। আপনার পেমেন্টের কিছুটা দিতে পারলে শান্তি পেতাম ... '----- ' ওটার জন্য চিন্তা করবেন না। আমি ঠিক সময়ে বলব ...'------ ' আর একটা কথা স্যার .... আমি ভুলেই গিয়েছিলাম। সাধনা আমাকে ইয়াদ ... ...
“My son will understand. As much as for any living being, I’m telling my story for him, so that afterwards, when I’ve lost my struggle against cracks, he will know. Morality, judgment, character… it all starts with memory… and I am keeping carbons.” সলমন রুশদী’র ‘মিডনাইটস্ চিলড্রেন’। এক গভীর গহীন অরণ্য। কেউ এই অরণ্যের সামনে থেকে ফিরে যায়। কেউ গভীরে হারিয়ে যায়। কেউ ঢুকে পড়ে, বেরিয়ে আসে, এবং সেই অরণ্যে ঢোকার ... ...