এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • মধ‍্যরাতের নাটক

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
    ২৪ জুলাই ২০২৬ | ২৯ বার পঠিত
  • আন্দোলন চলছে। আজ মুম্বই, নাসিক ফেটে পড়েছে। কলকাতায় রাত পোহালেই মিছিলের ডাক। ওদিকে মহামতি যশস্বী প্রধানমন্ত্রী একটি সোশাল মিডিয়া পোস্ট করে জানিয়েছেন, যে, প্রশ্ন-ফাঁসের ব্যাপারে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট করবেন। দ্রুত বিচার হবে। সাংবাদিক সম্মেলন করেননি, কারণ, স্ক্রিপ্ট ছাড়া সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে কীরকম তোৎলান, সে তো ভিডিওতেই ধরা আছে। কিন্তু আসল পয়েন্টটাই উনি ফসকে গেছেন। সেটা হল দায়িত্ব, এর আগে বলেছিলেন, প্রশ্নফাঁস মহাপাপ, কিন্তু আটকানোর দায়িত্ব নাকি গোটা দেশের। উল্টোদিকে গোটা দেশ তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করছে, যে, দায়িত্বটা সরকারের। শুধু প্রশ্ন ফাঁসের নয়, দেশ চালানোর। শুধু হিন্দু-মুসলমান আর চিন-পাকিস্তান করে ডিম্মিডিয়াকে বগলে পুরে ওয়েস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির পদলেহন করাটাকে দেশ চালানো বলেনা।

    ওঁর জন্য বিষয়টা একটু বিশদ করে বলে দেওয়া যাক। ত্রিভাষা নীতি, সিলেবাস, উচ্চশিক্ষায় বরাদ্দ এসব বাদই দিন। শুধু পরীক্ষাই ধরুন। গত ১০ বছরে ১৫২ টা প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। গড়ে মাসে ১ টারও একটারও বেশি। বন্ধ করা যায়নি। কোনটায় কে দোষী সে এক প্রশ্ন, কিন্তু এই পদ্ধতিগত ব্যর্থতার দায় কার? শিক্ষামন্ত্রীর। তাঁকে সেই দায়টা নিতে হবে।

    এই দায় সরকার শুধু বোঝেনি তা নয়, বরং চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে গেলে কী করেছে? পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী নামিয়েছে। দেশ জুড়ে ধরপাকড় করেছে। লাঠি, কাঁদানে গ্যাস, এবং শোনা যাচ্ছে পেলেট গুলিও চালাতে হয়েছে। নিরস্ত্র সত্যাগ্রহীদের উপর নির্মম হামলা করা হয়েছে। কখনও সভাস্থল ভেঙে দেওয়া হয়েছে, কখনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। কার্যত গোটা দেশের ছাত্রযুব এবং তাদের পরিবারকে দেশদ্রোহী বলা হয়েছে। শাসক দলের নেতারা, প্রশাসকরা গুন্ডার ভাষায় হম্বিতম্বি করে গেছেন। এর দায় কার? নিশ্চয়ই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর. তাঁকে দায়টা নিতে হবে।

    এবং সবার মাথায় যিনি বসে আছেন, অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী, তিনি গত পনেরো বছর ধরেই প্রধানমন্ত্রী। তিনি এই পুরোটা হতে দিয়েছেন। শিক্ষায় গড়বড়, ই-২০ তে গোলমাল, টাকার শীঘ্রপতন, নোটবন্দীর চরম ব্যর্থতা, সবকটা তাঁর দায়। উত্থান হয়েছে কেবল ওয়েস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির। দেশজুড়ে কেবল বেড়েছে বিভেদ। এর দায় তাঁকে নিতে হবে। রাজধর্ম পালনে তাঁর অক্ষমতা নিয়ে নিজের দলেরই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ভরৎ্সনা করেছিলেন। তিনি কানে তোলেননি। তাই দেশবাসী এবার চোঙা ফুঁকে তাঁর কানে ঢোকানোর চেষ্টা করছে। বুঝলে ভালো, না বুঝলে আরও ভালো। কিন্তু ফাস্ট ট্রাক কোর্ট কেউ চায়না, চায় দায় স্বীকার। রাজধর্ম পালনে চূড়ান্ত ব্যর্থতার দায়স্বীকার।




    নরেন্দ্র মোদি যে কাল মধ্যরাতে সমাজমাধ্যমে এসেছিলেন ২ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডের ভিডিও নিয়ে, তাতে আমার কোনো সমস্যা হয়নি। হ্যাঁ, আগে আসতেন অভ্রভেদি রথে চড়ে, গোদি মিডিয়ায়। স্ক্রিপ্ট দেখে দেখে কিছু একটা বলতেন। সব চ্যানেল গমগম করে দেখাত। লোকে থরহরি হয়ে কাঁপত, ওরে বাবা আবার কি একটা নোটবন্দী? এবার সেসব জাঁকজমক নেই। মোদিজি এখন জেন-জি হয়েছেন। একটা মোবাইল ধরা সামনে। কী দেখে পড়ছেন বোঝা যাচ্ছেনা। সময়টা আবার মাঝরাত। যেন এখনই ইনস্টাগ্রাম স্টোরি পোস্ট করা হবে। কিন্তু তাতেও আমার কোনো সমস্যা হয়নি। উনি পাঞ্জাবে গিয়ে শিখ সেজেছেন, চিনে গিয়ে চাইনিজ সেজেছেন, চাপে পড়লে জেন-জিই বা হবেন না কেন। সঙ্গে আরও যেটা বোঝা গেল, সেটা তো আরও ভাল। স্বয়ং নরেন্দ্র মোদিই আর গোদি মিডিয়ার উপরে আস্থা রাখতে পারছেনা। ওখানে প্রাইম-টাইমে বললে অর্ধেক লোক দেখবেনা, যে কজন দেখবে, তারাও বিশ্বাস করবেনা, ভাববে নির্ঘাত আবার কিছু একটা ঘাপলা শুরু হয়েছে। মিডিয়ার কর্নেল-মেজরদের সঙ্গে গুলিয়েও ফেলতে পারে। আর বাজারে তাদের যা ইমেজ, সে তো কহতব্য না। গোদি মিডিয়ার সঙ্গে গুলবাজির একটা সরাসরি সম্পর্ক তৈরি করে দিতে পেরেছে এই আন্দোলন। এতে আমার কোনো সমস্যা তো নেইই বরং ওটা খুবই আনন্দের ব্যাপার।

    এর চেয়েও আনন্দের ব্যাপার হল এর পরে। অবিকল জেন-জির ভঙ্গীতে তো সত্তরোর্ধ্ব প্রধানমন্ত্রী এসে মুখ খুলে প্রথমেই বললেন ফ্রেন্ডস। এতদিন শুনতাম, মেরে প্যারি দেশবাসী, কিংব চিরপরিচিত মিত্রোঁওওও, কিন্তু আজকে একদম যাবনিক শব্দ। দেখে ব্যাপক লাগল। নিন্দুকেরা বলবে শিং ভেঙে একটা বয়সের পর আর বাছুরের দলে ঢোকা যায়না, কিন্তু আমার মনে হয় সেটা ঠিক না। যতদিন বাঁচা যায় ততদিনই শেখা যায়। বিশেষ করে ছোটো থেকে হোয়াটস্যাপ ইউনিভার্সিটিতে পড়লে তো আরও বেশি শিখতে হবে।

    বক্তৃতার শুরুটা শুনেও বোঝা গেল, ওঁর শেখার ইচ্ছে প্রবল। প্রথম বাক্যটাই হল, উনি বুঝতে পেরেছেন, প্রশ্ন-ফাঁস কোনো মামুলি ব্যাপার না। শুনে বলতে ইচ্ছে করছিল, ১০ বছরে ১৫২ টা প্রশ্ন ফাঁস, এতদিনে বুঝলেন মামুলি ব্যাপার না? তাও এত আন্দোলনের গুঁতো খেয়ে? আমরা তো অনেক আগেই বুঝে গেছি। কিন্তু বললাম না, কারণ শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তি নিয়ে এসব কটাক্ষ করা ঠিক না। নতুন পাইলট তো, অনেককিছুই নতুন শিখছেন। তার মধ্যে অন্যতম ব্যাপার হল প্রধানমন্ত্রীত্ব। এতদিন বিদেশে ঘুরে নিট- টিটের খবর নেবার সময় পাননি। এখন শিখছেন, ওঁকে উৎসাহ দেওয়া উচিত। এটাতেও কারো কোনো সমস্যা থাকার কথা না।

    আমার সমস্যাটা শুরু হল এর পরে। যখন উনি বলতে শুরু করলেন, যে, ঠিক কী কী ব্যবস্থা নিয়েছেন নিট নিয়ে। বললেন, দোষীদের গ্রেপ্তার করা হয়ে গেছে। তারা জেলে বসে আছে। তারপর সরকারের ঢাক পিটিয়ে বললেন, খুব দ্রুতগতিতে পরীক্ষা নেওয়া হয়ে গেছে। ফলও বেরিয়ে গেছে। কিন্তু এতেও উনি সন্তুষ্ট না। উনি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের নির্দেশ দিয়েছেন। তাতে অনেক কিছু হয়েছে, এরপর সেসব ক্যাবিনেটে যাবে, তারপর সংসদে যাবে, ইত্যাদি প্রভৃতি।

    এ সবই খুব ভালো ভালো জিনিস। কিন্তু সমস্যাটা হল, এর থেকে বুঝতে পারা গেল, ওঁর শিক্ষার গতি অত্যন্ত ঢিমে। ছাত্রদের দাবীগুলো কী উনি এখনও বোঝেননি। যারা ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের ছাতার মাথা কী বিচার হবে, সে নিয়ে কেউ আগ্রহীইই না। লোকে চায় দায়িত্ব। বার বার প্রশ্ন ফাঁস হবে, আর দোষীদের ধরে নাকি শাস্তি দেওয়া হবে, তারপর আবার ফাঁস হবে, এটা কোনো পদ্ধতি না। যে লোক এর দায়িত্বে ছিলেন, তিনি দায় ঘাড়ে নিয়ে পদত্যাগ করুন, এইটাই দাবী। যিনি এই দাবীটা না বুঝে অকাতরে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস নামিয়ে এনেছেন, সেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরে যান, এটা আরেকটা সম্ভাব্য দাবী। এবং যে প্রধানমন্ত্রী বারো বছর প্রধানমন্ত্রী থেকে এবং একমাসের আন্দোলন চলার পরেও কিছুই বুঝতে পারেননি, তিনিও গদি ছাড়ুন, এটা যৌক্তিক দাবী। এর মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাওয়ার যথার্থতা তো প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণ থেকেই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। ভাবুন, শিক্ষাব্যবস্থার এমন হাল, যে, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকেই এখনও দ্রুতগতিতে বিষয়টা সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া যায়নি। এর পরে শিক্ষামন্ত্রীর অযোগ্যতা নিয়ে আর কোনো সন্দেহ থাকে? এমন শিক্ষামন্ত্রী চাই, যিনি নিজে দায় নিতে পারেন, ক্যামেরার সামনে আসতে পারেন। ফেসবুকে বিবৃতি দেবেন প্রধানমন্ত্রী, পুলিশ নামাবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ডেপুটেশন নেবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তাহলে শিক্ষামন্ত্রীর কাজটা কী?

    রাহুল গান্ধি গভীর রাতে এইটাই তিন লাইনে লিখে দিয়েছেন। "মোদিজি, আমাদের ছাত্ররা ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা চাইছে। আপনার ওই জঘন্য মাঝরাতের ভিডিও দিয়ে তাদের বুদ্ধিমত্তাকে অপমান করবেন না। ১। প্রধানকে সরান। ২। যারা ছাত্রদের মেরেছে, তাদের শাস্তি দিন। ৩। ক্ষমা চান।"

    আর হ্যাঁ, এইসব দাবী নিয়েই কলকাতায় মিছিল আজ। মোদিজির অনুপ্রেরণায়, মোদিজির শিক্ষার স্বার্থে। শিয়ালদায় দুপুর আড়াইটেয়। সকল ভক্তদের কাছে অনুরোধ, একটু অনুসরণ করবেন, তাহলেই ব্যাপারটা কী বুঝতে পারবেন। সব কিছুই তো আর হিন্দু-মুসলমান আর পাকিস্তান-বাংলাদেশ না। অন্য শিক্ষাও একটু দরকার। তাই উদ্যোক্তাদের অনুরোধ করব, 'হোয়াটস-অ্যাপ ইউনিভার্সিটিতে সিলেবাস আমূল বদল করতে হবে', এই দাবীটাও যেন থাকে।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অরিন | ২৪ জুলাই ২০২৬ ১১:৫৯741931
  • ছাতার মাথা ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট করে কি হবে? আরে তো অরাজকতা বাড়বে, এক জজ আছে নাকি? আর গোড়া কেটে আগায় জল ঢালার মানে কি?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন