এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • দিল্লি ২০শে জুলাই

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
    ২০ জুলাই ২০২৬ | ৫৮ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • ভাবুন, দিল্লিতে পুলিশ জানিয়েছে, দিল্লি জুড়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১৪৪। এ জিনিস এর আগে কখনও হয়নি। নির্ভয়া কান্ডে প্রতিদিন প্রতিবাদী মিছিল হয়েছে, কারো কোনো নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি। বরং সরকার ডেপুটেশন নিয়েছে, কমিশন বসেছে, আইন বদলেছে। আন্না হাজারের বিখ্যাত ধর্ণা হয়েছে তার আগে। আটকানোর কোনো প্রশ্নই ছিলনা। এবারই দেখা যাচ্ছে, জমায়েতে অসুবিধে, অনশনে অসুবিধে, মিছিলে তো অসুবিধে বটেই। যে সরকারের প্রধান সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতেই পারেননা, পাবলিকের সঙ্গে কথা বলতে যে তাঁর অসুবিধে হবে, তাতে আশ্চর্যের কী আছে।

    শুধু তো দিল্লিতে নয়, গোটা দেশ জুড়েই এই কান্ড। শান্তিনিকেতনে অনশন কর্মসূচিতে হামলা হয়েছে। বহরমপুরে পুলিশ নেমে জমায়েত ভেস্তে দিয়েছে। কলকাতাতে তৃণমূলের ২১শে জুলাই নিয়ে যা হচ্ছে, তা আর কহতব্য না। অথচ এই পশ্চিমবঙ্গেই বছর দুয়েক আগে রাজ্যজুড়ে অবাধে রাত-দখল হয়েছে। মিটিং-মিছিলের বন্যা বয়েছে। কোত্থাও কোনো নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি। বরং সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবে ধরা হয়েছে। এই ডবল ইঞ্জিনের ব্যাপারই আলাদা। এরা ক্ষমতায় এসেই বুলডোজার চালায়। সোশাল মিডিয়ায় প্রতিবাদীদের গ্রেপ্তার করে। গুন্ডাদমন নামক কালা আইন আনে। গণতন্ত্র বিষয়টাই যে এদের পক্ষে অসুবিধেজনক, তাতেও আশ্চর্যের কিছু নেই।

    কিন্তু কথা হল, এ তো ১৯৩০ সাল নয়। জবাব তো একদিন দিতেই হবে স্যার। আজ নয়তো কাল। তখন "প্রেস কনফারেন্স হলে আমার হাঁটু কাঁপে", কিংবা "প্রতিবাদ দেখলে গা গুলোয়", অথবা "বিরোধী কণ্ঠস্বর শুনলে অ্যালার্জি হয়" বলে তো পার পাওয়া যাবেনা। হাঁটু-কঁপা, গা-গুলোনো, অ্যালার্জি এসব যদি হয়, তো, মন্ত্রীত্ব টন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়ে আগে ডাক্তার দেখান না। আমরা সবাই সর্বাঙ্গীন সুস্থতা কামনা করব। খামোখা সংসদীয় গণতন্ত্রের ভড়ং করা কেন?

    সঙ্গের ছবিটা ১৯৭৭ সালের। ইন্দিরা গান্ধিকে সীতারাম ইয়েচুরি নিজেদের দাবী পড়ে শোনাচ্ছেন। দাবীটা কি? না ইন্দিরাকে পদত‍্যাগ করতে হবে। ইন্দিরা ঠিক পাশেই। কোথাও কোনো নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছেনা। আজ প্রায় ৫০ বছর পরে এই ছবি দেখলে হাসি পায়। কোথায় ইন্দিরা আর কোথায় এইসব নব‍্য রাষ্ট্রপ্রধানরা।



    এদিকে যাদবপুর। প্রায় স্বতঃস্ফূর্ত মিছিল। দিল্লির মতো এটাও গোদি মিডিয়ায় পাবেন না। ছড়িয়ে দিন। বয়কট ডিম্মিডিয়া।




    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ | ২১ জুলাই ২০২৬ ০৯:৪৬741892
  • সংসদ চলো র‌্যালি

    কুড়ি জুলাই। সকাল নটা। রিঙটোন ঘুম ভাঙালো। মম স্বামীনাথন ফোন করেছেন। বাস্তবিক, ঘন্টা তিনেক অঘোর ঘুমিয়েছি! হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে বুঝতেই পারছিলাম না, আমি কোথায়! তারপরেই বিদ্যুচ্চমকের মতো মনে পড়লো, সকাল নটায় শুরু হবে সেই র‌্যালি!

    অনেকটা পুলিশের মতো 'বুটজুতো পরেই শোয়া'--- ঠিক পাঁচ মিনিট লাগলো তল্পিতল্পাসহ লিফ্ট বেয়ে নেমে আসতে। সব বিল রাতেই মিটিয়ে দেওয়া। চেকআউট আর সেই সুহৃদ অটোভাইয়ের অটোতে চড়ে বসা।

    যন্তর মন্তরের অনেক আগে নেমে যেতে হল। ভিড়। শিরিষ গাছের ছায়ায় ছায়ায় রোদের তেজ বোঝা যাচ্ছে না। ছাত্রদের তেজও না। আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, ভারহীন একদল তরুণ, হাসিমুখ, উৎসাহী। ওদের পায়ে পা মিলিয়ে মিছিলে এগিয়ে গেলাম। খুব বেশি এগিয়ে যাবার ইচ্ছে নেই ---- বিপদ দেখলেই সটকে যাব--- মনের গভীরের মনে তখনো এমনই একটা দোনোমনো ভাব।
    আর ভাবতে ভাবতেই দেখলাম, মিছিলের গভীরে ঢুকে গিয়েছি! অতল জলের টানে যেমন এগোয় বার্জ, ঠিক তেমন--- চারপাশের হাসিখুশি মুখগুলোয় এখন জেদী সংকল্প। উচ্চকিত শ্লোগানের ফুলকি উড়ছে।

    স্রোতের সঙ্গেই যেমন ছোট ছোট প্রতিস্রোত থাকে, যেমন ঘূর্ণি থাকে, তেমন রাস্তাজোড়া মহামিছিলেও রয়েছে ছোট বড় ধারাস্রোত, ঘূর্ণি। 'ভারতমাতা কি জয়'-এর সঙ্গে মিশে যাচ্ছে পার্শ্ববর্তী 'ইস্তফা দো' পুকার।

    পাশ কাটিয়ে কাটিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।
    এটা মিছিলের শুরুর দিক। অসম্ভব সুশৃঙ্খল প্রত্যয়ী একটা ভিড়।
    'জিন্দাআআবাআআদ'---
    প্রথম ব্যারিকেড কাত হয়ে পড়ল। জাতীয় পতাকা হাতে উঠে দাঁড়াচ্ছ তরুণ তুর্কিদল। হলুদরঙা যন্ত্রাসুরকে মাড়িয়ে পাড়িয়ে শত শত যোদ্ধা যুবা মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে এগিয়ে যাচ্ছে। আমিও এগোচ্ছি। আমার পাশে পাশের মুখগুলো বদলে যাচ্ছে। কখনো তারই মধ্যে পথে বসে পড়ছে একদল ছাত্র। ক্লান্ত নয়। ওঁরা এবার গান গাইছেন। ভাষাটা হয়তো ঠিক হিন্দিও নয়, খানিকটা যেন পাঞ্জাবি গানের মতো--- হাত তালি দিয়ে দিয়ে, খুব রিদিমিক--- কেমন যেন ধিতাং ধিতাং বোলে--- কেউ কাউকে চেনে না, সুরে ছন্দে তালে গানের দুলুনিতে জানপয়ছান হয়ে যাচ্ছে বিলকুল!

    অদ্ভুত প্রাণবন্ত জমায়েত। স্বাস্থ্যবান হৃদয়বান ভিড়। কারো সঙ্গে কারো গা লেগে যাচ্ছে না। কেউ কারো পা মাড়িয়ে দিচ্ছে না। শত শত পদাতিক শুধু প্রদীপ্ত উপস্থিতি নিয়ে সোচ্চারে হাঁটছে। শারীরিক মানসিক অস্তিত্ব দিয়ে জানিয়ে দিচ্ছে, আছি আছি আছি!

    খানিক হাততালি দিয়ে, গানের ছন্দে কোমর দুলিয়ে পাশ দিয়ে আসা নতুন স্রোতে নিজেকে মিশিয়ে দিই। পায়ের গতি বাড়ে। গলার স্বর চড়ে। তারপর থমকে দাঁড়াই।
    ব্যারিকেড।

    পিঁপড়ের সারির মধ্যে আঙ্গুল দিলে পিঁপড়েরা যেমন ছড়িয়ে পড়ে, তেমনভাবে ছড়িয়ে গেলাম। খাকিজামা পুলিশ আর নীল উর্দি সেনা সংখ্যা হঠাৎই বেড়ে গিয়েছে অনেক। তবে ঢিলেঢালা হাবভাব।

    ভেঙে পড়ল ব্যারিকেড।
    একটার পর একটা।
    কানে আছড়ে পড়ছে শঙ্খনাদ শ্লোগান। চোয়াল বেয়ে ঘাম গড়াচ্ছে। গনগনে সূর্যতাপ। গনগনে মিছিল। অনন্তনাগ র‌্যালির লেজ মাথা দেখা যায় না। ঠিক কোথায় আছি আমি, শুরু না মধ্যে--- বোঝার আর উপায় নেই।

    গন্তব্যের কাছাকাছি হচ্ছি, বোঝার বাড়তি চেষ্টা করতে হচ্ছে না। আকাশ বাতাস পাতাল ফুঁড়ে উঠছে পুলিশ আর মিলিটারি। গাড়ির সংখ্যা বেড়েছে। 'রায়ট কন্ট্রোল ভেহিকেল' দাঁড়িয়ে আছে সার সার!
    বদলে যাচ্ছে আরক্ষা বাহিনীর মুখের চেহারা। জওয়ানদের দেখলে মনে হচ্ছে পাথুরে মূর্তি।

    র‌্যালি এগোচ্ছে দ্রুতগতিতে।
    হঠাৎ পাথর পড়ল।
    একটা। দুটো।
    তারপর পাথর বৃষ্টি।
    পুলিশ এলোপাতাড়ি পাথর ছুঁড়ছে! চুয়ান্ন বছর বয়সে এমন দৃশ্য প্রথমবার দেখা! ছত্রভঙ্গ ছাত্র। হতচকিত। হঠাৎ নৈঃশব্দ।
    তারপরেই সাদা চোঙা ফুঁকিয়ে স্বাস্থ্যবান ভারিক্কি পুলিশ বলল, "বিক্ষোভ মিছিল শান্তিপূর্ণভাবে করুন"।
    কয়েক সেকেন্ড।

    একটা সুনামি ঢেউ ফুঁসে উঠে তীব্র নাদে ফেটে পড়ল। "জিন্দাআআআ বাআআদ"! তূর্যনাদ বিস্ফোরিত হয়ে ঢেউয়ের পর ঢেউ তুলে দিল ছড়িয়ে গেল। গতি বাড়ল মিছিলের। বাড়লো ক্ষুব্ধতা।

    হঠাৎই প্রশস্ত রাস্তা জুড়ে চলা মিছিলটায় একটা বাড়তি চাপ! গায়ের ওপর উঠে আসছে পুলিশ। নীল উর্দিরাও যেন কাছ ঘেঁষে! মানুষের শিকলের মধ্যে খাকি-নীল ছোপ ছোপ--- কেমন একটা অস্বস্তি---

    আমার পাশেই লুটিয়ে পড়ল দীর্ঘদেহী তরুণ। লাঠিচার্জ শুরু হয়েছে।

    রাণাপ্রতাপের দেওয়া প্রত্যেকটা প্লাস্টিকের বাটিতে হোটেলতুতো সহমর্মীরা বরফ জমিয়ে দিয়েছেন আমার অনুনয়ে। গরমে গলে গলে সেই বরফের সামান্যই আছে। উপুর করে, গামছায় মুড়ে বাচ্চার মাথায় দিলাম।

    তারপর হাতে হাতে তৈরি হওয়া স্ট্রেচারে তরুণ বাহিত হতে লাগল।

    বাচ্চার মাথাটি আমার হাতের উপর। আমরা উল্টোদিকে ছুটছি প্রায়। অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে আছে পর পর। কিন্তু কার নির্দেশে তার দরজা খুলবে, কোথা দিয়ে সেই গাড়ি বেরোবে, কিছু জানা নেই।

    এবার পুলিশ ঝাঁপিয়ে পড়েছে। পূর্ণোদ্যমে লাঠিচার্জ হচ্ছে। মিছিলের বাঁধন আলগা হয়ে গিয়েছে। বা প্রত্যয়ী মিছিল আরো সামনে এগিয়ে গিয়েছে, কিন্তু আমরা চলছি বিপ্রতীপে।

    সামনের আকাশটা ধোঁয়া ধোঁয়া সাদাটে। ঘাম পড়ছে টপটপ করে, চোখেও ধাঁধা লাগছে! ধোঁয়া, না মেঘ! অবিরাম শ্লোগানের মধ্যেই শুনতে পেলাম টিয়ার গ্যাস ছুঁড়েছে!

    না। মিছিল কিন্তু অনিঃশেষ অদম্য। তখনো মিছিল এগোচ্ছে। আমি, আমরা উল্টো করে সেই জনস্রোত পেরিয়ে হাঁটছি, বলা ভালো দৌড়চ্ছি। ফাঁকা জায়গা খুঁজছি, যেখানে আহত তরুণকে শোয়ানো যায়। ফাঁকা জায়গা পেতে পেতেই রক্তাক্ত আরো যোদ্ধা--- র‌্যালি তখন রণাঙ্গন।

    ফোঁটা ফোঁটা। তারপর ঝমঝম বৃষ্টি। হোওওও! আশির্বাদের মত বৃষ্টি পড়ছে। আকাশের অবিরল অশ্রূতে বিষাক্ত টিয়ার মিথ্যে হয়ে যাচ্ছে। আবার দশগুণ উৎসাহে এগিয়ে যাচ্ছে মিছিল।

    এবার আমি দর্শক।
    এমনিতেও আমি চাক্ষিক মাত্র। রূপকার নই।

    আজ এক অপরূপ রূপকথা-দিনকে চাক্ষুষ করে এলাম।

    ফিরে যাচ্ছি। সিপাহী বিদ্রোহের পথ দিয়ে, রাজধানী এক্সপ্রেসের আপার বার্থে শুয়ে লিখছি এই র‌্যালি-কথা। চোখে ভাসছে আহত যুবক মুখ, কানে এখনো মিছিলের বজ্রনির্ঘোষ, আর মনে তার অজগরী চলনরেখা।
    মন বিবশ। মন উচ্চকিত।
    গণতান্ত্রিক ভারত কি জাগলো? কখনো জাগবে?
    #শাশ্বতীদত্তরায়।
    ২১.০৭.২০২৬
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন