এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  গপ্পো

  • সা রে গা মা পা ধা নি (দ্বিতীয় সুর)

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | ৩১৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • রে…….( দ্বিতীয় সুর )
     
    রেবতীর এই সময়টা বড়ো ব্যাস্ততায় কাটে। সন্ধে উৎরে গেলেই নিজেকে আরও সচল হয়ে উঠতে হয়। না হয়েই বা উপায় কি! মোট পাঁচটি মানুষের সংসারে এই মুহূর্তে সেই একমাত্র রোজগেরে। এখন অবশ্য সঙ্গে হাতে হাত লাগাতে দিন কয়েকের জন্য তার দিদি এসেছে গ্রাম থেকে। দিদি অরুন্ধতীই এখন ছোটবোন রেবতীর অনেকটা কাজ সামলে নেয়, তবুও খাটনি তো নেহাত কম নয়!
     
    মাঝে মাঝেই রেবতীর ফেলে আসা সেই দিন গুলোর কথা মনে পড়ে যায়। আর পড়বে নাইবা কেন? আজ যে পায়ের নিচের মাটি নতুন করে একটু শক্ত হয়েছে তা তো ঐ মাথায় আকাশ ভেঙে পড়া অন্ধকার দিনগুলোর‌ জন্য‌ই। নোট বাতিল, করোনা ভাইরাস,লকডাউন,লক আউট – সব কেমন যেন হাত ধরাধরি করে হঠাৎ নেমে এলো মানুষের জীবনে ! বলরাম, রেবতীর সোয়ামি, বাড়ির কাছেই একটা ছোট্ট গ্রীল তৈরির কারখানায় কাজ করতো। ডামাডোলের তালে সেটা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হলেন মালিক সুধন্য বসু। সুধন্য অবশ্য ভালোমানুষ। মালিক সুলভ কোনো গুমর নেই বয়স্ক বুঝদার এই মানুষটির মধ্যে। মন্দার সময়ে বাজারের পড়তি হাল দেখে নিজেই একদিন বলরামদের ডেকে নিয়ে বল্লেন –
     
    “বুঝলি রে বলা,নিতাই,আটুল ! এবার বোধহয় কারখানার ঝাঁপ বন্ধ‌ই করে দিতে হবে। বাজার বড্ডো টালমাটাল। তার ওপর এখন চড়া কম্পিটিশন।কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে রাজি নয়। আমাদের মতো ছোটো কারবারিরা এই লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারবে না। তোদের এসব কথা বলতে খুব কষ্ট হচ্ছে। অথচ সত্যিটাকে কতদিন আড়াল করে রাখবো? সামনের মাস থেকেই কারখানা বন্ধ করে দেবো। তোদের কিছু কিছু করে পয়সাকড়ি দেবো যতটা পারি। তোদের ছেড়ে দিতে কষ্ট হবে জানি ; তবে আমি সত্যিই নিরুপায়। যদি বাজারের হাল ফেরে, তাহলে আবার নতুন করে শুরু করবো। তখন আবার তোদের 
    সবাইকে ডেকে নেবো।” সুধন্যর কথার পিঠে কোনো কথা বলার ছিলোনা। ফলে বলরাম সহ আরও চারজন কর্মচারী এমন পরিস্থিতির শিকার হতে বাধ্য হলো।
     
    রেবতীর মনে পড়ে, চাকরি হারানোর দিনে বলরাম অনেক রাতে নেশা করে বাড়ি ফিরেছিল। বাড়িতে গভীর উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করছিল শাশুড়ি মা ফুল্লরা সহ বাকি চারটি প্রাণি। রাত তখন প্রায় সাড়ে বারোটা। বলরামকে সঙ্গে করে নিয়ে সহকর্মী নিতাইচরণ বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে গেল। ঐ সময় জড়ানো কন্ঠে 
    রেবতীকে নিতাই বলেছিল – “বৌদি, বকাবকি করোনা বলরাম দারে। এতোদিনের সম্পক্কটা এমন হঠাৎ করে শেষ হয়ে গেল, দুঃখতো হবেই। ” আঁচলে মুখ চাপা দিয়ে বলরামকে ঘরের ভেতরে নিয়ে গিয়েছিল রেবতী।
     
    বলরামের এমন পরিণতি দেখে রেবতীর মনের মধ্যে এক নতুন ঝড় উঠলো। এতোদিন লোকটার সঙ্গে ঘর করছে, কোনোদিন বলরামের এমন হাল দেখেনি। রেবতী বুঝতে পারলো এই কঠিন সময়ে সংসারের হাল তাঁকেই ধরতে হবে। কোথা থেকে শুরু করবে সে কথা ভাবতে ভাবতে তাঁর মাথায় রুটি তৈরি করে বিক্রি করার ভাবনাটা এলো। রেবতী লক্ষ করেছে আজকাল শহর কিংবা শহরতলির বাসিন্দাদের অধিকাংশ‌ই আর বাড়িতে রুটি তৈরি করতে চায় না। আটা মাখোরে, ভালো করে তাকে মসটাওরে, লেচি কেটে নিয়ে ঠিকমতো গোল গোল করে বেলে, গরম তাওয়ায় এপিঠ ওপিঠ করে নিয়ে তবে আগুনে সেঁকে ফেললে তৈরি হলো রুটি। একি আর কম হ্যাপার কাজ!প্রথম প্রথম একটু ভয়ে ভয়েই ছিল রেবতী। শেষে মনটাকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নেমেই পড়লো সে। ব্যস্ত রাস্তার পাশের ফুটপাতের ওপর প্লাস্টিক টাঙিয়ে নতুন পথ পাড়ি দিতে নামা।
     
    এই রাস্তার ধারে রুটি তৈরির কারবারের সঙ্গে যুক্ত মানুষের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। মাঝে মাঝে রেবতীর মনে বিস্ময় জাগে – “এতো মানুষ এভাবে সংসার চালাচ্ছে”! - এসব সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতেই শুরু করা। একটু অন্ধকার হতেই দোকানের সামনে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। অফিস থেকে ফেরার পথে অনেকেই রাতের খাবারের জন্য রুটি নিয়ে যায়। এখন বলরাম‌ও সামিল হয়ে গেছে এই কাজে। ভিড়ের মধ্যে থেকে আওয়াজ ভেসে আসে – ও মাসি, আটটা রুটি দিও,ও রেবতী দি আমাকে দশটা দিও। কথাগুলো শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হয়ে যায় বটে, তবে এমনটা না হলে মনের কোণে নতুন আশঙ্কা জন্ম নেয়। অরুন্ধতী ঘাড় গুঁজে সমানে রুটি বেলে যায়, রেবতীর কাজ সেগুলোকে ঠিকঠাক সেঁকে ফেলা।আর বলরাম বিক্রি বাট্টা করে, পয়সা নেয়। মাঝে মাঝে রেবতীর ছেলে রেবন্ত কোচিং থেকে ফেরার পথে ঘুরে যায়। টুকটাক কাজে হাত লাগায়। 
     
    – “রেবতী দি, তুমি যদি রুটির সঙ্গে আলুর দম বা ডিমের ডালনা গোছের কিছু একটা করো, তাহলে দেখবে তোমার বিক্রি দ্বিগুণ হয়ে যাবে। একবার ভেবে দেখো আমার কথা।” রুটির প্যাকেটটা বলরামের হাত থেকে নিতে নিতে একথাগুলো বলে বরুণ। বরুণ মিত্র– একেবারে প্রথম দিন থেকেই রেবতীর তৈরি রুটির বাঁধা খদ্দের। রেবতীর মাথায় খেলে যায় কথাগুলো। বরুণ‌ই এমন কথা প্রথম বললো তেমন নয়। আরও কয়েকজন এর আগে এমন কথা বলেছে। বসুনগরের নমিতা দিতো একদিন হাসতে হাসতে বলেই ফেললেন – “রেবতী, তুমি রুটি তৈরি করছো বলে আমার যে কি সুবিধা হয়েছে তা বলে বোঝাতে পারবো না। আজকাল আর হাত দিয়ে আটা মাখতে পারিনা, অথচ তোমার সুবিমল দা রাতে রুটি ছাড়া আর কিছুই খাবেন না।…. এবার তুমি একটা পাইস হোটেল চালু করো রেবতী! রুটি বিক্রি করে তোমার যা রেপুটেশন, তাতে করে গ্রাহক পেতে কোনো অসুবিধা হবে না। আমি আর আমার কর্তা মশাই হবো তোমার রেগুলার কাস্টমার ”। এবার‌ও রেবতী মুচকি হেসে ঘাড় নাড়ে। রেবতী জানে এই পথ অনেক অনেক লম্বা। মনে মনে ইচ্ছে থাকলেও এই মুহূর্তে তেমন চিন্তায় ডুবে যেতে মন সায় দেয় না। স্বর সপ্তকের দ্বিতীয় সুরে সবে মন মজেছে। এখনও যে অনেক চরাই উৎরাই পেরিয়ে এগিয়ে যেতে হবে তাঁকে, তাঁদের সবাইকে।

    রেবতী শুনেছে তৃষিত চাতক পাখির ডাক থেকেই নাকি সরগমের দ্বিতীয় সুর রে এর উৎপত্তি। উজ্জ্বল এক সময়ের দিকে তাই সে চাতক পাখির মতো চেয়ে থাকে সকল কাজের মাঝেই।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • গপ্পো | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | ৩১৫ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    The Last Vermeer  - AR Barki
    আরও পড়ুন
    উনুন - upal mukhopadhyay
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:৩৯739803
  • ভালো লাগলো। রুটির সাথে অলুরদম আর তড়কার দোকান কতো শহরে যে চলছে, সত্যিই অবাক ব্যপার :-)
  • Somnath mukhopadhyay | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:৪৫739804
  • এতো পাতে পড়তে না পড়তেই প্রতিক্রিয়া!! জমিয়ে শেয়ার করুন।
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:৪৭739805
  • রুটি আলুর্দমের প্রতিক্রিয়া হাতে গরমই হওয়া উচিত।
  • Somnath mukhopadhyay | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:০৫739807
  • হায়! সবাই যদি এই স্বাদের মর্ম বুঝতে পারতো!!
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:০৬739808
  • :-)
  • kk | 2607:*:*:*:*:*:*:* | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ২১:২১739824
  • আমারও ভালো লাগলো লেখাটা। এই প্রত্যেক স্বরধ্বনি ধরে ধরে সেই নিয়ে একেকটা গল্প, এই কনসেপ্টটা আমার বেশ ন্তুন ও ভালো লাগছে।
  • kk | 2607:*:*:*:*:*:*:* | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ২১:২২739825
  • নতুন*
  • পৌলমী | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ২১:৩৬739826
  • কেকে 'র সঙ্গে আমি সহমত। প্রচেষ্টা সত্যিই নতুন রকমের। প্রথম কাহিনিতে একটা পেলব অনুভবের মোড়ক ছিল। এই গল্পে আবার কড়া বাস্তবের সাথে এক নারীর লড়াই। খুবই পরিচিত দৃশ্য। গল্পকারের কল্যাণে তা সত্যিই নতুন মাত্রা পেয়েছে। চাতকের মতো তৃষ্ণা নিয়ে পরের কাহিনির জন্য অপেক্ষা করবো।
  • Somnath mukhopadhyay | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:১৯739828
  • KK এবং পৌলমী।
    আপনাদের দুজনকেই অনেক ধন্যবাদ জানাই। কনসেপ্ট ভালো লেগেছে জানিয়েছেন। এতে বেশ প্রাণিত হলাম। যদিও আমি বিশ্বাস করি যে এই ভালো লাগাটা একটি আপেক্ষিক ব্যাপার। এর আগেও একেবারে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর লড়াকু মানুষদের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।এই গল্পগুলো তার‌ই উত্তরাধিকার বহন করছে।
    ভালো থাকবেন সবসময়।
  • Kaushik Guha | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ১১ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৩৭739842
  • Bhalo hoyeche, ditio porbo r jonno opelhay roilum
  • sarmistha lahiri | ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:১১739883
  • এটা সত্যি ই এখন বহু মানুষের নিশ্চিত জীবন জীবিকা হয়ে উঠেছে। অনেক জায়গার খোলা বাতাস এখন গরম রুটি র গন্ধে ম ম করতে থাকে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন