এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • দেশের স্বার্থে একটি অর্থনৈতিক প্রস্তাবনা

    বই পুরুষ লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৩ জুলাই ২০২৬ | ৯ বার পঠিত
  • ভারত আমার জন্মভূমি। এই দেশের স্বার্থে কোনো কাজ করতে পারলে আমি নিজেকে ধন্য মনে করব। আমার মস্তিষ্ক প্রসূত একটি প্রস্তাবনা যেটা ভারতবাসীর আর্থনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত হতে পারে। এমনই একটি প্রস্তাবনাকে সামাজিক সচেতনতা ও জনমত তৈরির স্বার্থে, সংক্ষিপ্ত আকারে এখানে প্রকাশ করলাম।

    বিষয়: প্রতিবেদনের মূল বিষয়টি হল গ্রামীণ অর্থনীতি। এবং অর্থ-ব্যবস্থার সাথে শিক্ষা ও বিজ্ঞান মনস্কতাকে প্রাসঙ্গিক করে তোলা।

    উদ্দেশ্য: গ্রামীন কুটির শিল্পের আধুনিকিকরন। যাতে ছোট শিল্প, কুটির শিল্প, বা ছোট manufacturing unit গুলো বৃহৎ শিল্পের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারে।

    লক্ষ্য: কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের আধুনিকিকরন। এবং ভাতার পরিবর্তে বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করা।

    অন্তর্নিহিত পরিকল্পনা: ছোট বা কুটির শিল্পকে সরকারি Research and Development unit এর সহায়তা প্রদান করে, ন্যায্য প্রতিযোগিতার বাজারে নিয়ে আসা।

    অনুপ্রেরণা: মহাত্মা গান্ধির গ্রাম স্বরাজের ধারনা।

    এক্ষেত্রে সরকারি Research and development unit কী? : সরকারি R&D unit হল এমন একটি প্রস্তাবিত সংস্থা। যাদের কাজ হবে কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের আধুনিকিকরনের জন্য Research and Development এর মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করা। যেহেতু ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে R&D এর সুবিধা থাকে না।
    প্রস্তাবিত এই সংস্থাটির গ্রাহক হবে, কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পকারেরা। এবং বিনিয়োগ করবে রাজ্য সরকার। R&D এর এই মডেলটা আমার মস্তিষ্ক প্রসূত।

    ভূমিকা: আমাদের দেশের ছোট শিল্পের অন্যতম একটি সমস্যা হল অসংগঠিত ক্ষেত্রের সমস্যা। এই অসংগঠিত ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী মালিক ও শ্রমিকের আর্থিক তথ্য সরকারের কাছে সেভাবে উপলব্ধ নয়। কিন্তু এই অসংগঠিত ক্ষেত্রই ভারতের বেশিরভাগ মানুষের কর্মসংস্থান যোগায়।

    আজকের দিনে পুরো বিশ্বেই Direct Cash Transfer Benefit জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর একটি অন্যতম কারন হল, প্রবল Consumerism এর কারনে প্রাকৃতিক সম্পদের ফুরিয়ে আসা। তাই উৎপাদনের মাধ্যমে GDP-র বৃদ্ধি এবং সেই GDP-র অংশ হিসেবে ব্যক্তির আয় বৃদ্ধি; উৎপাদনের এই অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া ক্রমে দুর্বল হয়ে আসছে। সুতরাং এই সমস্যার মোকাবিলা করতে গেলে প্রথমেই কিছু মূল সমস্যাকে চিহ্নিত করতে হবে। যে সমস্যাগুলি আগামী দিনে আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে। যেমন:

    1. প্রাকৃতিক সম্পদের অপ্রতুলতা।

    2. পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন।

    3. ব্যক্তির সঞ্চিত অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যা: প্রাকৃতিক সম্পদের অপ্রতুলতা ও পরিবেশ দূষনের কারনে বিনিয়োগ কমে আসা।

    4. ব্যক্তির সঞ্চয়ের মূল্য কমে আসা: বিনিয়োগ কমে যাওয়ার কারনে সঞ্চয়ের মূল্য কমে আসা।

    5. সর্বপরি সঞ্চয় কেন্দ্রিক মুদ্রাস্ফীতি: অর্থাৎ ব্যক্তি যদি প্রচুর অর্থ সঞ্চয় করে রাখে, কিন্তু সেই সঞ্চয়ের বিনিয়োগ না হয়। তাহলে ধীরে ধীরে সেই সঞ্চয়ের মূল্য কমে যেতে থাকে। এবং সঞ্চয়ের মূল্য কমে যাওয়ার ফলে ব্যক্তির সঞ্চয় করার প্রবনতা কমে। সুতরাং এক দিকে উৎপাদন কম। অন্য দিকে সঞ্চয়ের মূল্য কম। এই দুটি বিষয় বাজারে প্রবল ভাবে মুদ্রাস্ফীতি ঘটাতে পারে।

    প্রস্তাবিত সমাধান: অনেক সমাধান সূত্রের মধ্যে একটি বিশেষ বাস্তবমূখী সমাধান হতে পারে; ছোট Manufacturing শিল্পগুলিকে বিশেষ ভর্তুকি দেওয়া। কিন্তু এই ভর্তুকি দিতে হলে যে পদ্ধতিগুলি অনুসরন করা যেতে পারে। সেগুলি হল;

    প্রথম সাম্ভাব্য পদ্ধতি: উক্ত এই নীতির বাস্তব প্রয়োগ ঘটাতে গেলে যে পদ্ধতি অনুসরন করা প্রয়োজন, সেটি হল:

    পশ্চিমবঙ্গ বা রাজ্যের সব অসংগঠিত ক্ষেত্র, যারা ম্যানুফ্যাকচারিং এর সঙ্গে যুক্ত। তাদের একটি বিশেষ সংস্থার আওতাভুক্ত করা: MSME ছাড়া রাজ্য স্তরে বিশেষ সংস্থা তৈরি করে প্রতিটি ছোট ম্যানুফ্যাচারিং ইউনিটকে বিশেষ রেজিস্ট্রেশন দিতে হবে। এবং এই registration holder দের জন্য, পঞ্চায়েত ও পৌরসভার সহায়তায় বিশেষ ন্যায্য মূল্যের বাজার তৈরি করতে হবে। যে বাজারের মাধ্যমে দ্রব্য ক্রয় বিক্রয় করলে, সরকার দ্রব্যের বিক্রয় শুল্ক(now GST) এর উপর বিশেষ ছাড় দেবে।

    এই পদ্ধতির সুবিধা: এই পদ্ধতি অনুসরন করা হলে;
    a) লোকাল লেভেলে ক্রয় বিক্রয় বাড়বে। ফলে ভবিষ্যতে পরিবহন ব্যয়কে কমিয়ে আনা যাবে। যে স্থানে উৎপাদন হবে। তারা কাছাকাছি স্থানেই বিক্রয় হবে। যদি কেউ তার নিকট বাজার ছাড়িয়ে দূরের বাজারে ক্রয় বিক্রয় করে। তাহলে পরিবহন খরচ যুক্ত হয়ে পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। সুতরাং সব মিলিয়ে স্থানীয় বাজার শক্তিশালী হবে।

    b) ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের ব্যক্তি বর্গও সরাসরি উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহন করতে পারবে। ফলে সঞ্চয়ের মূল্য কমবে না।

    c) ছোট উৎপাদন শিল্প বৃদ্ধি পেলে, অপ্রচলিত শক্তি(solar, wind, etc.) -কে বেশি মাত্রায় কাজে লাগান যাবে। ফলে অপ্রচলিত শক্তি শিল্পে গতিবেগ আসবে। [যেহেতু বৃহৎ শিল্পে শক্তির প্রয়োজনীয়তা বেশি]।

    d) শ্রমিকের সঠিক আয় বা শ্রমিকের আয় বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনার বৃদ্ধি।

    e) শ্রমিকের দক্ষতা বৃদ্ধি: ছোট শিল্প নিবিড় বাজার তৈরি হলে, সেটি সবসময় একটি স্বল্প মূলধনের শিল্প হবে। সুতরাং পণ্যের মান ভাল করতে হলে শ্রমিককে তার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। আর এই জায়গাতেই প্রয়োজন হল আমার প্রস্তাবিত 4 নম্বর প্রকল্পের। যা পরবর্তীতে উল্লেখ করা হল।
    [4. কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য সরকারী সহায়তায়, এলাকা ভিত্তিক বিশেষ Research and development বা R&D Unit তৈরি করা।]

    f) Artificial Intelligence এর ব্যবহার কমিয়ে আনা। একই সঙ্গে AI এর কারনে অতিরিক্ত শক্তির অপচয় কমিয়ে আনা।

    g) শিল্প পণ্যের উপর স্থানীয় প্রভাব বৃদ্ধি। যা পরিবেশ দূষণ কমিয়ে আনার একটি উপায়। এবং পণ্যের মধ্যে বৈচিত্র তৈরি করা।

    এই পদ্ধতির অসুবিধা: এই পদ্ধতির অসুবিধাগুলি হল;
    a) সরকারি indirect tax (sales, vat, gst) -র কমে যাওয়ার সম্ভাবনা।

    সমাধান:
    1. Direct Tax (income tax) বাড়াতে হবে।

    2. লোকাল বা আঞ্চলিক শিল্পের কারনে ক্রয় বিক্রয় বাড়লে মোট বিক্রি রাজস্ব বাড়বে।

    3. PSU তে বিনিয়োগ বাড়ানো।

    4. ক্ষুদ্র শিল্প মালিকদের কাঁচা মালের উপর ছাড় দেওয়া।

    দ্বিতীয় সাম্ভাব্য পদ্ধতি:

    এই পদ্ধতির ক্ষেত্রে কোন বিশেষ বাজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু বিশেষ সংস্থার আধীনে registration এর প্রয়োজন আছে। উক্ত এই নীতির বাস্তব প্রয়োগ ঘটাতে গেলে যে পদ্ধতি অনুসরন করা প্রয়োজন, সেটি হল:

    a) ক্ষুদ্র শিল্প মালিকদের মূলধনী পণ্যের উপর ছাড় দেওয়া।(অর্থাৎ, উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির উপর ছাড় দেওয়া)।

    b) 0% সুদে লোন দেওয়া: 0% সুদে লোন দিলে সেই টাকা ব্যবহার করে ব্যক্তি উৎপাদন করতে পারে। এবং সেই উৎপাদিত পণ্যের উপর বিক্রয় কর থেকে সরকারের আয় হতে পারে।

    c) কেবল সরকারি R&D Unit এর মাধ্যমে আবিষ্কৃত (innovated) পণ্য উৎপাদনের উপর বহুমাত্রিক ছাড়: যেমন সরকারি R&D তে কোন বিশেষ পণ্য ডিজাইন করা হলে। সেই পণ্য ক্ষুদ্র শিল্পকারেরা উৎপাদন করলে। উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় খরচের উপর সরকার ভর্তুকি দেবে।

    d) গবেষণামূলক কাজের উপর অতিরিক্ত বিনিয়োগ করে, পণ্য উৎপাদনের সম্ভাবনাকে ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়ে। পণ্য উৎপাদন ও ভবিষ্যতে সেই উৎপাদিত পণ্যের থেকে মুনাফার সম্ভাবনার উপর ভিত্তি করে মূলধনী পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে GDP কে বাড়ানো। যেটা করতে হবে সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ন্ত্রনে।

    এই পদ্ধতির অসুবিধা: এই পদ্ধতির ক্ষেত্রে সরকার উৎপাদন খরচের উপর ছাড় দিচ্ছে। সুতরাং এই পদ্ধতির ক্ষেত্রে লাভ লোকশানের ভারও সরকারের উপর পড়ছে।

    সিদ্ধান্ত: এই দুই ধরনের সম্ভাবনার কথা বিচার করে প্রকৃত বাস্তবমূখী সিদ্ধান্ত হতে পারে,

    a) R&D Unit এর নীতির উপর জোর দেওয়া। উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রনের জন্য।

    b) কিছু বিশেষ বাজার তৈরি করে, কেবল সরকারি R&D র মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের উপর বিশেষ শুল্ক ছাড়।

    এই নীতির সুবিধা:

    1. যেহেতু পণ্য ডিজাইন সরকার করবে। তাই পণ্য উৎপাদন ও বিক্রির পরিকল্পনা সরকারের হাতেই থাকবে। সুতরাং এক্ষেত্রে রিস্ক হ্যান্ডেল সরকারের উপরই থাকবে।

    2. পণ্য অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট কোটা ঠিক করতে হবে। সেই আর্থিক মূল্যের কোটা পর্যন্তই বিক্রতারা বিশেষ ছাড় পাবে। বাজারের অবস্থা বুঝে এই কোটা বাড়ানো বা কমানো যেতে পারে।

    3. সরকারের পণ্য সবসময় বেসিক হবে। অর্থাৎ সেই পণ্যের উপর অতিরিক্ত ভ্যালু অ্যাড করার জায়গা শ্রমিকের হাতে ছাড়তে হবে। এবং এই কাজ করার জন্য শ্রমিকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষন ও মূলধন সহায়তা করা যাবে।

    4. R&D বা গবেষণাগারের উপর সরকারি বিনিয়োগ বাড়িয়ে, ভবিষ্যৎ মুনাফার সম্ভাবনার উপর ভিত্তি করে মূলধনী পণ্যের উৎপাদন বাড়িয়ে GDP বাড়ানো যাবে।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন