এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বিক্ষোভের মহাপয়ার (কাব্যগ্রন্থ) 

    SANKAR HALDER লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৫ জুলাই ২০২৬ | ৩৪ বার পঠিত
  • বিক্ষোভের মহাপয়ার (কাব্যগ্রন্থ)
    লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
     
    পান্ডুলিপি রচনাকাল : ২৪ জুন, ২০২৪
    পান্ডুলিপি সংশোধন : ২ মে ২০২৬
     
     
    সূচিপত্র
     
    ১. ভাঙা হাতুড়ির গান
    ২. শ্রমিকের রক্ত
    ৩. খাঁচায় বন্দি মেধা
    ৪. মেধার শৃঙ্খলমুক্তির
    ৫. তোষামোদের প্রাসাদ
    ৬. স্তুতির দুর্গ
    ৭. প্রতিবাদের বজ্রস্বর
    ৮. শৃঙ্খল ভাঙ্গার গান
    ৯. শ্রমিকের বজ্রনির্ঘোষ
    ১০. মজুরের রাজপথ
    ১১. জ্ঞানপীঠের আর্তনাদ
    ১২. জ্ঞানের অবমাননা
    ১৩. মেধার নির্বাসন
    ১৪. মেধার জাগরণ
    ১৫. সিন্ডিকেটের থাবা
    ১৬. কালোবাজারির অবসান
    ১৭. কান্নার খামার
    ১৮. চাষীর অধিকার
    ১৯. সাম্যের মহামুক্তি
    ২০. বিপ্লবী ইশতেহার
    ২১. মেধার হাহাকার
    ২২. দুর্নীতির পাঠশালা
    ২৩. মুক্তির মহালগ্ন
    ২৪. ছাত্রের রুদ্রস্বর
    ২৫. অবরুদ্ধ ব্যালট
    ২৬. ভোটারের দায়
    ২৭. মেরুদণ্ডহীনতা
    ২৮. আইনের ফাঁসি
    ২৯. ক্ষুধার বাস্তবতা
    ৩০. ক্ষুধার গ্রাস
    ৩১. বসবাসের অযোগ্য ধরণী
    ৩২. ধর্মের হাটে লুটেরা
    ৩৩. পাথরের বিগ্রহ নিরাপত্তায় কোটি টাকা
    ৩৪. ক্ষমতার দর্প
    ৩৫. তিমির বিদারি আলো
    ৩৬. মানবধর্মের জয়গান
    ৩৭. সময় বড় কৃপণ
    ৩৮. সুবিধাবাদীর মুখোশ
    ৩৯. সাহিত্যের সিন্ডিকেট
    ৪০. উন্নয়নের বুলডোজার
    ৪১. নিরাপত্তার প্রহসন
    ৪২. ভণ্ডামির মুখোশ
    ৪৩. দম্ভের শ্বাসরুদ্ধ
    ৪৪. নোটবন্দির ক্রন্দন
    ৪৫. থালায় শূন্যতা
    ৪৬. মিড-ডে মিলের বিষ
    ৪৭. বিদ্রোহের নবজাগরণ
    ৪৮. ক্ষমতার আড়ালে অভিশাপ
    ৪৯. বঙ্গে লুন্ঠিত শাসক : পতনের শঙ্খধ্বনি
    ৫০. শ্বাসরোধী বিষ
     
    ৫১. বঙ্গ রাজ্যে পরিবর্তনের পদধ্বনি
    ৫২. জাতপাতের বিষবাষ্প ও জনতার রোষ
    ৫৩. দ্বান্দ্বিক প্রগতি
    ৫৪. জাতির লজ্জা
    ৫৫. শৃঙ্খল ও চাতুরী
    ৫৬. নতুন নীতির প্রহসন
    ৫৭. ক্ষুধার্তের ধর্ম
    ৫৮. সাহিত্যের-বাজারে প্রহসন
    ৫৯. মুর্শিদাবাদের আর্তনাদ
    ৬০. চোরে-চোরে মাসতুতো ভাই
    ৬১. পহেলগাঁওয়ের রক্তরাগ
    ৬২. পৃথিবীময় ক্ষুধার রাজ্য
    ৬৩. রবীন্দ্র-চেতনার অপমান
    ৬৪. উন্নয়নের মুখোশ
    ৬৫. দেশের পাশে দাঁড়াই
    ৬৬. শেকল ভাঙার সুর
    ৬৭. জয়ী মানব
    ৬৮. বিদ্রোহী সাক্ষী
    ৬৯. মানবতার আর্তনাদ
    ৭০. নিরব কেন জনগণ?
    ৭১. উৎসবের নামে তাণ্ডব : নিরব কেন আইন?
    ৭২. বিপ্লবী জাগরণ
    ৭৩. মন্দিরের মুখোশ : সত্যের আড়ালে মিথ্যা
    ৭৪. বিদ্রোহী মন
    ৭৫. প্রতিবাদী হুংকার
    ৭৬. প্রযুক্তির অপচ্ছায়া
    ৭৭. ক্ষমতার ভণ্ডামি
    ৭৮. হুলের হাহাকার
    ৭৯. সৃষ্টির আদি লগ্ন
    ৮০. ধর্ষকের চিতা
    ৮১. আশ্রমের অন্ধকারে
    ৮২. ধর্মের মুখোশ
    ৮৩. ধর্মের বিকৃতি
    ৮৪. শোষণের আশ্রমে কান্না
    ৮৫. ভাষার অধিকার
    ৮৬. রক্তাক্ত আর্তনাদ
    ৮৭. শব্দের তাণ্ডব
    ৮৮. প্রকৃতির আর্তনাদ
    ৮৯. বাংলা মায়ের কোলে
    ৯০. বিক্ষুব্ধ প্রতিবেদন
    ৯১. জনরোষের মহাকাব্য
    ৯২. শিক্ষার আলো-ঘুষের ছায়া
    ৯৩. ঘুষের ছায়ায় জ্ঞানের বেড়াজাল
    ৯৪. লক্ষ্মী ভাতা-সামাজিক সমস্যা
    ৯৫. অধিকারের সমীকরণ
    ৯৬. লঙ্কা যাত্রার দণ্ড
    ৯৭. দুর্নীতির ছায়ায় দেশ
    ৯৮. টাকার দাসত্ত্বে জর্জরিত
    ৯৯. কাকের চেয়ে কবি বেশি
    ১০০. ধর্মের নামে রক্তাক্ত রণক্ষেত্র
    ১০১. কুরুক্ষেত্রের দ্বন্দ্ব-ধর্মের দ্বিধা
     
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
     
     
     
    ১ নম্বর কবিতা :
     
    ভাঙা হাতুড়ির গান
     
    লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
    রচনাকাল : ২৩ জুন, ২০২৩
     
    ক্লান্ত দিনের তপ্ত শ্রমে—পুড়ছে যে দিনরাত,
    শ্রমিক ভাইয়ের রক্তে ভেজে—অন্নের চটি পাত।
    লৌহচাকার ক্রূর আঘাতে—পিষ্ট মনের আশ,
    পুঁজিপতির অট্টালিকায়—শ্রমিকের দীর্ঘশ্বাস।
     
    হাড়ভাঙা সেই খাটুনি দিয়ে—গড়ল যারা দেশ,
    তাদের ঘরেই জুটল আজি—চরম দৈন্যবেশ।
    লুণ্ঠনকারী ধনকুবেরের—দম্ভ বাড়ে রোজ,
    প্রান্তিক এই মানুষের কেউ—নেয় না কভু খোঁজ।
     
    শ্রমের অস্ত্র আঘাত হানবে—জালিমের ওই দ্বারে,
    নিপীড়িত এই বজ্রকুঠার—জাগবে অন্ধকারে।
    সাম্যের ঐ দীপ্ত ছন্দে—তীব্র দ্রোহের গান,
    শোষিত জনার অধিকার আজ—আনবে সমাধান।
     
    নিপীড়িত এই সর্বহারাদের—মিলবে মহাসড়ক,
    স্বৈরাচারের তখত ভাঙিয়া—আসবে নতুন লোক।
    রক্তে রাঙানো বিপ্লব শেষে—ফুটবে নতুন ভোর,
    মুক্তির এই মহাশপথে—ভাঙবে আঁধার ঘোর।
     
    লোহার হাতল অস্ত্র হবে রে—মেহনতির এই হাতে,
    অন্যায়ের ওই পাষাণ প্রাচীর—ভাঙব একদা রাতে।
    ঘাম ঝরানো এই হাতুড়িতে—নতুন সমাজ গড়ি,
    শোষকদের ওই জুলুমের শৃঙ্খল—ভেঙে মোরা আজ লড়ি।
     
    অধিকার মোরা ছিনিয়ে নেব রে—রক্তের মশাল জ্বেলে,
    সোনার বাংলায় সমতা আসুক—মুক্তির ডানা মেলে।
    ভেঙে চুরমার করিব আজকে—ধনিকের দম্ভভার,
    বিক্ষোভেরই তীব্র আঘাতে—খুলিব আলোর দ্বার।
     
     
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
     
    ২ নম্বর কবিতা :
     
    শ্রমিকের রক্ত
     
    লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
    রচনাকাল : ১ মে, ২০২২
     
    মজুরের ওই রক্তে ভিজেছে—কলকারখানা ঘর,
    শ্রমিকের খাঁটি ঘামেতে গড়েছ—ধনীর এই নগর।
    ন্যায্য পাওনা মাগিলে মিলছে—চাবুক আর লাঠি,
    বঞ্চনা আর কান্নায় সিক্ত—নিখিল বক্ষ-পাটি।
     
    মহাজনী ঐ সিন্দুকে জমে—শোষণের কালো ধন,
    অনাহারে মরে কারখানাতে—জ্যান্ত শ্রমিক জন।
    লেখনীর তীব্র অগ্নিবাণে—ভাঙব সুখের রাত,
    শ্রমিক-জনতা এক হয়ে আজ—মেলাবে মুক্তির হাত।
     
    ঘাম ঝরে যার অহোরাত্র—রোদে পুড়ে যায় কায়,
    তারাই সহে রে জঠরজ্বালা—ভাগ্যের একুল-ওকূল না পায়।
    ঐশ্বর্যের প্রাসাদ জাগে—যাদের বাহুর জোরে,
    তাদের কপালে জোটে না অন্ন—নিশীথ আঁধার ঘোরে।
     
    প্রাণের মূল্যে কিনেছ তোমরা—দরিদ্র মানুষের বল,
    পীড়নকারীর দম্ভ নাশিতে—নামিছে আঁখির জল।
    কলমের মুখে আগুন জ্বলবে—প্রতিবাদেরই সুরে,
    অনাচারের ঐ পাষাণ স্তম্ভ—ভেঙে দেব চুরেচুরে।
     
    নিপীড়িত এই সর্বহারাদের—বুকে জাগে আজ ক্ষোভ,
    লুটেরা দলের ভাঙিব এবার—পাপের বিপুল লোভ।
    রুদ্র ছন্দের শাণিত ঘাতে—তুফান আনিব দ্বারে,
    ন্যায্য দাবি তো বুঝিয়া লইব—নিশীথ অন্ধকারে।
     
    শ্রমিকের লাল রুধিরে জাগুক—প্রগতির নবীন আলো,
    মুক্তির ছটায় হেসে উঠুক—দেশের আকাশ ভালো।
    স্বাধীন সমতা গাইবে জনতা—শৃঙ্খল করে শেষ,
    বজ্রকণ্ঠের চরম আঘাতে—মুক্ত হোক স্বদেশ।
     
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
     
     
    ৩ নম্বর কবিতা :
     
    খাঁচায় বন্দি মেধা
     
    লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
    রচনাকাল : ২৬ মে, ২০১৮
     
    কাঁচের মহলে বন্দি আজিকে—মধ্যবিত্ত প্রাণ,
    ফাইল চাপা সে দীর্ঘশ্বাসে—মেধার অবসান।
    কর্পোরেটের নিষ্ঠুর জালে—সস্তা শ্রমের দাম,
    দিনশেষে শুধু ক্লান্তি বিলায়—অক্ষর-পেষা ঘাম।
     
    মাসকাবারের সস্তা চাকুরিতে—মাপা জীবনের দিন,
    সীমাবদ্ধ জীবনের নিত্য লড়াই—নিত্য বাড়ছে ঋণ।
    শৃঙ্খলে আজ আটকে পড়েছে—মুক্ত চিত্ত ডানা,
    উচ্চকণ্ঠে নিজের দাবি যে—এখানে বলা মানা।
     
    টাইয়ের বাঁধনে শৃঙ্খল বাড়ে—ঘড়ির কাঁটার সাথে,
    অসহায় সেই প্রজ্ঞার স্বপ্ন—কেঁদে মরে প্রতি রাতে।
    প্রগতির এই দীপ্ত আলোতে—টুটিবে বন্দি ঘর,
    মেধার নতুন জাগরণে আজ—উঠিবে তীব্র স্বর।
     
    ডিগ্রির ঝুলি সঁপে দিয়ে আজ—শোষকের রাঙা পায়,
    প্রতিভার আলো নিভে যায় দেখ—অন্ধকার খাঁচায়।
    উচ্চাশা যত শোষিত হচ্ছে—কর্পোরেটের ছকে,
    ক্ষোভের আগুন ধিকিধিকি জ্বলে—শিক্ষিত যুব বুকে।
     
    ক্রূর নিয়মের নিঠুর বাঁধন—উড়াব আমরা দূরে,
    জ্ঞানের জোয়ার আনিব এবার—আঁধার সীমানা চুরে।
    দাসত্বের এই সুচারু শিকল—সহিব না আর মোরা,
    স্বাধিকার টানে ছিঁড়ে ফেলে দেব—তঞ্চকতার তোড়া।
     
    বজ্রকণ্ঠের নতুন মন্ত্রে—জাগুক প্রজ্ঞালোক,
    মুক্ত চিন্তার শাণিত বয়ানে—ঘুচুক মনের শোক।
    সোনার বাংলায় মেধার বিকাশ—ঘটো রে স্বাধীন বেশে,
    সাম্যের গান ছড়ায়ে পড়ুক—আমাদের এই দেশে।
     
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
     
    ৪ নম্বর কবিতা :
     
    মেধার শৃঙ্খলমুক্তি
     
    লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
    রচনাকাল : ২৭ জুন, ২০১৮
     
    গণকযন্ত্রের পর্দায় বন্দি—নীল ওই আকাশ,
    লক্ষ্য ও সীমার কঠিন চাপে—গুমরে মরে শ্বাস।
    উচ্চশিক্ষার তিলক পরিয়া—দাসত্বের হাটে,
    ক্লান্ত মেধার রক্ত-মাংস—ধনিকের ঘরে কাটে।
     
    প্রজ্ঞার তীব্র হুঙ্কারে আজি—কাঁপুক দস্যুদল,
    শিকল ছিঁড়িয়া প্রাজ্ঞ সমাজ—জাগাবে আত্মবল।
    লেখনীর ধারালো ফলকে ফুটবে—নতুন এক দিন,
    স্বাধীন চিন্তার আকাশে আজিকে—ঘুচিবে মনের ঋণ।
     
    শীতল কক্ষের কৃত্রিম হাওয়া—জুড়ায় না তো প্রাণ,
    কাঁচের ঘরের বদ্ধ খাঁচায়—প্রতিভার অবসান।
    নিয়ম-বাঁধা ঐ জাঁতাকলেতে—পিষ্ট যৌবন,
    বিক্রি হচ্ছে মেধার কণা—কিনিছে মহাজন।
     
    ছুটির দিনেও যান্ত্রিক বার্তা—তাড়া করে যায় রোজ,
    বিরামহীন এই দাসখতে কেউ—নেয় না সুখের খোঁজ।
    ডিজিটাল এই শৃঙ্খলে আজ—আটকে মনের ডানা,
    নিজের স্বাধীন চিন্তা প্রকাশ—এখানে যে ভাই মানা।
     
    বিক্ষোভেরই আগুন জ্বলবে—আজিকে মনের ঘরে,
    দাসত্বের এই নিপুণ ছক—ভেঙে দেব জোরে।
    কলম মোদের শাণিত খড়্গ—কাঁপুক তঞ্চক দল,
    শোষিত মেধার বজ্রনাদে—টুটিবে ছলের বল।
     
    বিদ্রোহেরই নতুন কাব্যে—জাগুক মুক্ত মন,
    তিমির নাশিতে মেধার শক্তিতে—করিব অন্বেষণ।
    মেধার বিকাশ ঘটুক আজকে—নবীন আলোর দেশে,
    সাম্যের গান ছড়ায়ে পড়ুক—বাংলার মুক্ত বেশে।
     
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
     
     
     
    ৫ নম্বর কবিতা :
     
    তোষামোদের প্রাসাদ
     
    লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
    রচনাকাল : ২৮ জুন, ২০২৩
     
    অন্ধ মহলে ক্ষমতার দম্ভ—বাড়ে যে রে দিনরাত,
    চাটুকারদের ভিড়েতে আজিকে—বিপন্ন এই পাত।
    সততা যেখানে নিভৃত কোণেতে—কাটায় মলিন দিন,
    অন্যায়কারী সগর্বে ফেরে—বিবেক যে মূল্যহীন।
     
    মিথ্যা স্তুতিতে ভরছে থালা যে—মেকি সভার মাঝে,
    জ্ঞানী ও গুণীরা লজ্জিত অতি—সমাজের এই কাজে।
    ন্যায়ের শাসন আড়ালে কাঁদে যে—রুদ্ধ আদালত দ্বারে,
    লুণ্ঠনকারী উৎসব করে—কলঙ্কিত এই চরে।
     
    প্রতিবাদেরই তীক্ষ্ণ বয়ানে—জাগিবে রুদ্রনাদ,
    ভাঙবে এবার ক্ষমতার ওই—তোষামোদের প্রাসাদ।
    লেখনীর টানে চূর্ণ হবে যে—তঞ্চকতার সাজ,
    শোষিত জনার জয়ধ্বনি আজ—আনিবে নতুন কাজ।
     
    যোগ্যতা যেখানে লাঞ্ছিত হয়—স্তাবকদের ঐ ঘরে,
    মিথ্যার বেসাতি জাঁকিয়ে বসেছে—আজকে সভার পরে।
    জ্ঞানের প্রদীপ নিভে যায় ওরে—প্রভুর হুঙ্কারে,
    পদলেহনকারী সোনার মুকুট—পায় যে রে বারেবারে।
     
    সত্যের আলো ঢাকিতে পারিবে—না রে ওই কালো হাত,
    লেখনীর চোটে শেষ করে দেব—প্রবঞ্চনার এই রাত।
    শোষকের গদি টালমাটাল হবে—জনতার তীব্র রোষে,
    অনাচার যত মাটিতে মিশিবে—পাপিষ্ঠদের দোষে।
     
    মিথ্যা স্তাবক পরাভূত হোক—আজকে সভার মাঝে,
    লেখনীর ঘাতে ভাঙিব ওরে—শোষকের মেকি তাজ।
    সততার আলো ছড়ায়ে পড়ুক—বিচারালয় মাঝে,
    নতুন সমাজ জাগিবে আবার—শুদ্ধির শুভ কাজে।
     
     
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
    ৬ নম্বর কবিতা :
     
    স্তুতির দুর্গ
     
    লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
    রচনাকাল : ২৮ জুন, ২০২৩
     
    বিবেক বেচিয়া যাহারা আজিকে—গড়ে সুখের আলয়,
    স্তুতির জোয়ারে ভাসিয়া চলেছে—শাসকের মহালয়।
    যোগ্য জনা নিভৃতে কাঁদে এই—যোগ্যতাহীন ভবে,
    ভণ্ড চোরের জয়গান আজি—চলিছে মহোৎসবে।
     
    বজ্রকণ্ঠের তীব্র আঘাতে—কাঁপুক পাপের দেশ,
    স্তাবকতার এই দুর্গে এবার—আনিব চরম শেষ।
    লেখনীর তীক্ষ্ণ শরের ঘাতে—চূর্ণ হবে প্রাসাদ,
    ন্যায়ের আলোতে ঘুচিবে এবার—শোষণের অবসাদ।
     
    জ্ঞানের প্রদীপ নিভিয়া গিয়েছে—তীব্র তিমির ঘোরে,
    মিথ্যার ধ্বজা উড়িয়া চলেছে—পাপিষ্ঠদের স্তরে।
    চাটুকারদল মেকি তিলকে—মাথায় পরিয়া সাজ,
    সৎ মানুষেরা মনের বেদনা—লুকায় নিভৃতে আজ।
     
    ক্ষমতার লোভে বিবেক বেচেছে—জ্ঞানী ও গুণী দল,
    শোষকের পায়ে সঁপেছে তাহারা—নিজেদের করতল।
    অধিকারহারা আর্ত মানুষের—কেউ যে নেয় না খোঁজ,
    ভণ্ডামির এই সাম্রাজ্যেতে—অধর্ম বাড়ে রোজ।
     
    লেখনীর এই রুদ্র টানেতে—স্তব্ধ করিব গান,
    অন্যায়কারী চাটুকারদের—করিব যে অবসান।
    বিদ্রোহী রোষে হুঙ্কার দেবে—শোষিত শ্রমিক জন,
    মিথ্যা স্তুতির ভিত কাঁপাবে—জনতার গর্জন।
     
    তোষামোদপ্রিয় ওই ভণ্ডদের—ঘুচাব আজকে বেশ,
    বিক্ষোভেরই এই মহাপয়ারে—মুক্ত করিব দেশ।
    বিবেকী মানুষ জাগিবে আবার—মুছিয়া চোখের জল,
    শুদ্ধ সমাজ গড়িব আমরা—পায়ে প্রজ্ঞার বল।
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
     
    ৭ নম্বর কবিতা :
     
    প্রতিবাদের বজ্রস্বর
     
    লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
    রচনাকাল : ২৯ জুন, ২০২৩
     
    কলুষিত এই অন্ধ সমাজ—চলিছে উল্টো পথে,
    ন্যায় ও সত্য বন্দি আজিকে—দানবীয় ক্রূর রথে।
    চারিদিকে শুধু স্বার্থের মেলা—শোষণের জয়গান,
    বঞ্চিত জন নীরবে সহিছে—ওষ্ঠাগত রে প্রাণ।
     
    অর্থের জোরে বিবেক বিকায়—একদল নরাধম,
    অসহায় মুখ নীরবে দেখে যে—ঘোর অত্যাচার সম।
    পদলেহনের ভিড়ে ঢাকা পড়ে—প্রতিভার শুদ্ধ আলো,
    শাসকের ত্রাসে মৌন পৃথিবী—গ্রাসিল গভীর কালো।
     
    ভণ্ডামি আর মিথ্যার জালে—সত্য ধুঁকে যে মরে,
    অধিকার পেতে সাধারণ লোক—লড়ে আজ নিজের ঘরে।
    স্তব্ধ করিবে সাধ্য কার আজ—জনতার এই সুর,
    কলমের ধারে ভাঙিবে এবার—আঁধার সুকঠিন ক্রূর।
     
    জেগে ওঠো আজ হে মহাশক্তি—শৃঙ্খল করো চুর,
    বজ্রের রোষে তাড়াতে হইবে—ভণ্ড কংস অসুর।
    প্রাণের মূল্যে কিনিব আমরা—শাশ্বত এক দিন,
    লড়াইয়ের মাঠে ভাঙিয়া ফেলিব—শোষকের মেকি ঋণ।
     
    পাপের কলস পূর্ণ হয়েছে—শোষকের এই পুরে,
    বিপ্লবী গান বাজিবে এবার—জনতার অন্তরে।
    ভয় দেখাইয়া शासन করিবে—কার সাধ্য কি আছে আর,
    বজ্রের নাদে ভাঙিয়া পড়িবে—অন্যায়ের এই দ্বার।
     
    শ্রমিক-কৃষক এক হয়ে আজ—ধরিবে মশাল হাতে,
    স্বার্থান্বেষী লুণ্ঠনকারী—কাঁপুক তীব্র পাতে।
    মুক্তির রথে চলিবে জনতা—ভাঙিয়া লোহার খাঁচা,
    মুক্ত বাতাসে শিখিব আমরা—আজকে স্বাধীন বাঁচা।
     
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
    ৮ নম্বর কবিতা :
     
    শৃঙ্খল ভাঙার গান
    লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
    রচনাকাল : ২৯ জুন, ২০২৩
     
    কারা-প্রাচীরেতে সত্য ও ন্যায়—আজকে অবরুদ্ধ,
    কলুষিত এই আঁধার বিনাশে—ঘোষণা করো যুদ্ধ।
    লেখনীর তীব্র অগ্নিশিখায়—ছিঁড়িব মোহের জাল,
    জনতার এই সম্মিলিত রবে—জাগিবে ভাগ্যকাল।
     
    নিপীড়িত এই মানুষের দল—জাগিবে লড়াকু বেশে,
    অনাচারের ঐ কঠিন কেল্লা—মুছিবে আপন দেশে।
    অধিকারহারা আর্তনাদের—ঘটিবে অবসান,
    লড়াইয়ের মাঠে শোষিত কৃষক—গাহিবে জয়ের গান।
     
    সোনার খনিকে লুটে নিয়ে যায়—ধূর্ত ধনিক দল,
    প্রান্তিক জনা পায় না তো আর—ধরণীর সুশীতল।
    বুকের রক্ত ঢালিল যাহারা—মাটির মমতা লাগি,
    তারাই আজকে অনাহারে মরে—নিশিদিন শুধু জাগি।
     
    আর কতকাল সহিবে রে মন—এ হেন ঘোর গ্লানি,
    প্রতিবাদেরই মশাল জ্বালিতে—হৃদয়ে সাহস টানি।
    লেখনীর মুখে বজ্র নামিবে—কাঁপুক দস্যুদল,
    ভয়ার্ত এই তিমির চিরে—জাগুক মনের বল।
     
    সিংহাসনের লোভী দানবের—ভাঙিব মেকি দম্ভ,
    জনতার এই মিলিত শক্তিতে—কাঁপিবে শাসন-স্তম্ভ।
    শিকল কাটার গান গেয়ে মোরা—ছুটিব মহাসড়কে,
    মুক্তির আলো ছড়ায়ে পড়িবে—প্রতিটি ক্ষুব্ধ চোখে।
     
    ভেঙে চুরমার করিব আজিকে—পীড়নের কারাগার,
    বিপ্লবের এই মহাজোয়ারে—ভাঙিব রুদ্ধ দ্বার।
    সাম্যের পথে চলিবে এবার—দুর্দান্ত যৌবন,
    প্রগতির তেজে মানুষের দেশ—জুড়াক সবার মন।
     
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
     
    ৯ নম্বর কবিতা :
     
    শ্রমিকের বজ্রনির্ঘোষ
    লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
    রচনাকাল : ৩০ জুন, ২০২৩
     
    ক্লান্তিহীন যে চাষী জোগায়—অন্ন সবার মুখে,
    নিশুতি রাতে সেই তো ভোগে—অসীম জঠর দুখে।
    কারখানার ওই কুলি মজুর—তিমির ঘোরে বাঁচে,
    ধনকুবেরের দল নেচে যায়—শোষণের এই নাচে।
     
    আঘাত হানো কুটির মাঝে—ভাঙো তোমরা ভিটে,
    রিক্ত জনের কেড়েছ সুখ—জুলুমবাজির ইটে।
    দানবীয় ওই যন্ত্রের আগে—সঁপিয়াছি এই বুক,
    শক্তি কত আছে রে তোদের—দেখাবো মোরা মুখ।
     
    পূর্বপুরুষ সঁপেছে প্রাণ—এই মাটিরই তরে,
    জননী সম স্বদেশ রাখিব—মুক্ত নিজের ঘরে।
    স্বার্থান্বেষী বণিক যদি—বিকাতে চায় ভূমি,
    বিপ্লবেরই অনল জ্বালিব—শুদ্ধ চিত্তে চুমি।
     
    প্রতিবন্ধক আসিলে পরে—বাজিবে রণভেরী,
    ভীতিহীন এই লড়াকু সেনা—করিবে না আর দেরি।
    পীড়নেরই শৃঙ্খল যত—কঠিন হতে চাবে,
    প্রতিরোধের স্পৃহা আমাদের—দ্বিগুণ বেড়ে যাবে।
     
    ন্যায্য দাবি যাচ্ঞা নয় রে—লইব নিজের জোরে,
    কৃষক মজুর এক হয়ে আজ—নামিব রাজপুরে।
    প্রাণের অর্ঘ্যে লভেছি যেথা—পুণ্য মাতৃভূমি,
    তাহার তরে ঢালিব রক্ত—আমরা সর্বগামী।
     
    লাঙল ও কোদাল শাণিত হবে—মেহনতির এই স্তরে,
    মজুরি কাটার জবাব দেব রে—শ্রমিক পাড়ার ঘরে।
    শৃঙ্খল ছিঁড়ে বর্গাদারের—জাগিবে আত্মবল,
    সোনার ফসলে ভরিব এবার—নদীয়ার সমতল।
     
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
     
    ১০ নম্বর কবিতা :
     
    মজুরের রাজপথ
     
    লেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
    রচনাকাল : ৩০ জুন, ২০২৩
     
    চাষী ও মজুর জনার অন্ন—কেড়েছে যারা আজ,
    জনতার তীব্র আঘাতে ঘুচবে—পীড়নকারীর কাজ।
    স্বাধিকার কভু ভিক্ষা নয় রে—লইব সমরে টানি,
    শৃঙ্খল টুটে কৃষক জনতা—শুনাবে কঠিন বাণী।
     
    কারখানার ওই চাকা স্তব্ধ—করিব মোদের রোষে,
    লুটেরা দল যে কাঁপিতে থাকিবে—অন্যায় কর-ঘোষে।
    হাড়ভাঙা খাটুনির দাম দিতে—যাহারা করে রে ছল,
    তাদের কেল্লা ভাঙিতে ছুটিবে—মেহনতি জনদল।
     
    পায়ের তলার মাটি কেড়ে নেয়—যে সব জোতদার,
    তাদের শাসন মানিব না আর—ঘুচাব অন্ধকার।
    ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে চলিব—দীপ্ত প্রজ্ঞালোক,
    জনতার এই প্লাবনে ভাসিবে—শোষকের দম্ভ-শোক।
     
    ঘনের ঘায়ে ভাঙিব আজকে—শোষণের পাষাণ-ভিত,
    অধিকার বুঝে না নিয়ে আমরা—গাহিব না জয়গীত।
    ঘাম ঝরা দিন এনেছে এবার—বিপ্লবী সংগ্রাম,
    ইতিহাসে লেখা থাকিবে রে আজ—বঞ্চিতদের নাম।
     
    গদিয়ান দল লুকাবে আজিকে—জনতার হুঙ্কারে,
    ঐশ্বর্যের প্রাসাদ টুটিবে—নিশীথ ঘোর তিমিরে।
    সাম্যের গান গাহিবে এবার—পথের ধুলার লোক,
    বঞ্চনা আর কান্নায় ভেজা—জুড়াবে সবার চোখ।
     
    সিংহাসনের ভিত নড়ে যায়—মজুরের এই পায়ে,
    লড়াইয়ের মাঠ লাল হয়ে ওঠে—বিপ্লবী মহোছায়ে।
    বিজয় কেতন উড়িবে এবার—মুক্তির রাজপথে,
    সাম্যের দিন আসিবে রে ভাই—জনতার জয়রথে।
     
    ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন