এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • Sara Man | ২৩ অক্টোবর ২০২২ ১০:৫৭513106
  • খুব সুন্দর। 
  • santosh banerjee | ২৩ অক্টোবর ২০২২ ১২:২৪513107
  • কে বা কারা এই অবস্থা টা পাল্টে দিল ? প্রকৃতি নয়, ভগবান বা আল্লাহ নয়, কিছু মানুষ। কিছু মানুষ তাদের নিহিত স্বার্থ চরিতার্থ করতে ধ্বংস করলো সমাজ, শিক্ষা, আদর্শ সব!! কে তারা? আমাদের চারপাশে ঘুরেফিরে চলা সেই সব লোক গুলো , ৭৫ বছর বা তারও আগে জন্ম নেয়া কালাপাহাড় রাত !! আমরা তো ঠিকঠাক আছি। আমার চারপাশে তো ঐ কালাপাহাড় রা নেই।এটাই আশা আমাদের।
  • দীপ | 42.110.146.46 | ২৩ অক্টোবর ২০২২ ১৩:৩০513108
  • অর্থাৎ দুর্গাপূজা এলিট দের পূজা!  নবকৃষ্ণ দেব আর হুদুড়দুর্গা দিয়ে আর ঠিক চলছে না! লোকে খাচ্ছে না! তাই এবার অন্য প্রোপাগান্ডা আসছে!
  • ar | 108.26.161.231 | ২৩ অক্টোবর ২০২২ ২২:০৯513113
  • https://www.thehindu.com/news/cities/kolkata/his-ancestor-began-durga-puja-in-kolkata-hes-now-documented-its-history/article36705111.ece

    Kolkata September 28, 2021 05:53 IS
    Battle of Plassey

    Until then, Durga Puja was largely a religious affair, confined mostly to the homes of zamindars; but the victory of the East India Company at the Battle of Plassey, in 1757, changed it all, deciding not only the future of modern India but also transforming Durga Puja into a major public event that it is today. That year, Naba Krishna Deb, who overnight became Calcutta’s wealthiest man and earned the title of ‘raja’ for having helped Robert Clive in the battle, decided to begin Durga Puja celebrations at his newly built palace — the rest, as they say, is history.

    The chief guest at Naba Krishna’s maiden Durga Puja celebrations in 1757 was Robert Clive himself. This grand event — there was music and dance, food and wine — went on to inspire wealthy Bengalis into organising Durga Puja at their homes and competing with one another in inviting high-ranking sahibs for the occasion — a practice that continued until the early decades of the twentieth century.
  • দীপ | 42.110.136.234 | ২৩ অক্টোবর ২০২২ ২৩:০৭513115
  • বঙ্গদেশে প্রতিমায় দুর্গাপূজা মোটামুটি হাজার বছরের প্রাচীন। একাদশ-দ্বাদশ শতকের বিভিন্ন স্মৃতিগ্রন্থে দুর্গাপূজার উল্লেখ পাওয়া যায়। এই স্মৃতিগ্রন্থ থেকে বিভিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে শূলপাণি (১৩৭৫-১৪৬০) রঘুনন্দন (১৫০০-১৫৭৫) দুর্গাপূজার নিয়ম লিপিবদ্ধ করেন। বর্তমান দুর্গাপূজা মোটামুটি এগুলো অনুসরণ করেই হয়। 
     
    বিষ্ণুপুরের মল্লরাজাদের পূজা ৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে শুরু হয়েছে। কবিকঙ্কণের চণ্ডীমঙ্গলের ফুল্লরার বারোমাস্যায় আশ্বিনে অম্বিকাপূজার উল্লেখ আছে। চৈতন্যদেবের পার্ষদ নিত্যানন্দ খড়দহে দুর্গাপূজা করতেন। আজো তাঁর বংশধরেরা এই পূজা করেন। সাবর্ণ রায়চৌধুরীদের পূজা ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে শুরু হয়েছে এবং আজো অনুষ্ঠিত হচ্ছে! 
     
    এই প্রত্যেকটি পুজো ১৭৫৭ র আগে শুরু হয়েছে!
  • দীপ | 42.110.136.234 | ২৩ অক্টোবর ২০২২ ২৩:০৮513116
  • কোনো কিছু নিয়ে কথা বলার আগে সেই বিষয় নিয়ে একটু পড়াশোনা করলে ভালো হয়!
  • দীপ | 42.110.136.234 | ২৩ অক্টোবর ২০২২ ২৩:১০513117
  • দীপ | 42.110.136.234 | ২৩ অক্টোবর ২০২২ ২৩:১১513118
  • পাল যুগের দুর্গামূর্তি, নবম-দশম শতক।
    নবকৃষ্ণ এসে বানিয়ে দিয়ে গেছে!
  • দীপ | 42.110.136.234 | ২৩ অক্টোবর ২০২২ ২৩:১৫513119
  • দীপ | 42.110.136.234 | ২৩ অক্টোবর ২০২২ ২৩:১৭513120
  • কবিকঙ্কনের লেখায় পরিবারসমন্বিতা মাতৃমূর্তি।
    নবকৃষ্ণ এসে লিখে দিয়ে গেছে বোধহয়!
  • ব্যাসস | 2405:8100:8000:5ca1::59:89ff | ২৪ অক্টোবর ২০২২ ০০:০০513121
  • হয়ে গেল। এই লেখাটাও এবার ভোগে। লেখকের নাম ইমানুল লিখেছে আবার দুগগোপুজো নিয়ে।  শালা লাথখোর চাড্ডি সেখানে নাদবে না? নাদবে না সেখানে? গতবারের সম্বিতের লেখার নীচে যা যা কপিপেস্ট  করেছে সেগুনো এখানেও চিপকাবে। এক বছর হয়ে গেল মালটা একই কপিপেস্ট চালিয়েই যাচ্ছে
  • দীপ | 42.110.146.34 | ২৪ অক্টোবর ২০২২ ০০:২৪513123
  • আগে দুর্গাপূজা, কালীপূজা হতো না; এখন হচ্ছে। সম্ভবত লোকের হাতে পয়সা এসেছে, তাই তারা এসব অনুষ্ঠান করছে। এটাই লেখকের সমস্যা বলে মনে হয়! 
    বাংলাদেশ হলে নাহয় কোনো একটা ছলছুতোয় ভেঙে দেওয়া যেতো, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে দুর্ভাগ্যবশত সেটা হচ্ছেনা, যদিও করার আপ্রাণ চেষ্টা চলছে! 
    সেই দুঃখেই এসব আসছে! 
     
    আর ভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। এখানে প্রত্যেক নাগরিকের নিজস্ব ধর্ম পালনের অধিকার আছে, আবার কোনো ধর্মপালন না করার‌ও অধিকার আছে। কে পূজা করবে, কে নামাজ পড়বে- তা সম্পূর্ণ ভাবে সেই ব্যক্তির সিদ্ধান্ত। লেখক কে তা নিয়ে চিন্তিত না হলেও চলবে!
  • হেহে | 2405:8100:8000:5ca1::57:882 | ২৪ অক্টোবর ২০২২ ০০:৩৭513124
  • এ চাড্ডিটা এবারে পোঁদের কাপড় মাথায় তুলে নাচবে।
  • Observer | 2405:8100:8000:5ca1::57:c94e | ২৪ অক্টোবর ২০২২ ০০:৪৮513125
  • ভুত চতুর্দশীর রাতে ভুত তো নাচবেই। লঙ্গকাপোড়া দিয়ে না তাড়ালে এরা যায় না।
     
    লেখাটা ভাল। ধর্মের বিষ কীভাবে ঢুকেছে তার চলনের রূপরেখা পাওয়া যাচ্ছে।
  • Politician | 2603:8001:b102:14fa:892a:a5aa:8a66:d51e | ২৪ অক্টোবর ২০২২ ০১:৪৭513126
  • ভারি মিস্টি লেখা। ছেলেবেলা মনে এসে গেল।
     
    ১৯৭৭ এর আগেও দুর্গাপূজা অনেক দেখেছি। মাঝে নক্সাল আমল থেকে শুরু করে ১৯৭৭ অবধি একটু ভাঁটা পড়েছিল। সে তো লোকে ভয়ে ভয়ে থাকত বলে। তবে এই থিম পূজা, কোটি টাকা বাজেট এসব ছিল না। 
  • Amit | 14.202.239.131 | ২৪ অক্টোবর ২০২২ ০২:৫৯513127
  • অদ্ভুত সিক পাবলিক একটা। এতো ভালো একটা লেখা তেও যথারীতি দুগ্গোপূজোর ইতিহাস পাতিহাঁস এর প্রিসেট হ্যাজ নামাতে চলে এসেছে। পুরো দুনিয়াকে ​​​​​​​এরা ​​​​​​​নিজেদের ​​​​​​​গোয়াল ​​​​​​​ভাবে। ​​​​​​​
     
    ইমানুলের এই ১৯৭৭ পরবর্তী ইতিহাস র পয়েন্ট টা খুব ইন্টারেষ্টিং। ক্ষমতা হারানোর পর কংগ্রেস এর জমি হারানো নেতাদের পুজো গুলো দখল করা।পরে এই সব লোকেরাই মমব্যানের খোঁয়াড়ে গিয়ে ঢুকেছে আবার। 
     
    মাঝে মাঝে ভাবি বামেরা পুজো টুজো থেকে নিজেদের এতো দূরে না সরিয়ে রাখলেই হয়তো বেটার হতো। যে দেশে বেশির ভাগ মানুষ ধর্মান্ধ সেখানে জোর করে আলো জ্বালাতে গেলেও বিপদ। 
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::65:a450 | ২৪ অক্টোবর ২০২২ ১০:৩৮513138
  • দারুন লেখা। এই সেদিন পর্যন্তও জানতাম যে পুজোটা বড় কথা না, উৎসবটাই বড় কথা। আর শারদোৎসব সকলের। একমাত্র অষ্টমীর অঞ্জলিটুকুই যা একটু ধম্ম কম্ম।
  • দ  | 2402:3a80:c80:6187:3837:728d:659f:23bd | ২৪ অক্টোবর ২০২২ ১২:০৪513139
  • ভারী চমৎকার লেখা। ধর্মান্ধতা ক্রমশঃ বেড়ে ওঠার দুটো কারণই বেশ ঠিকঠাক মনে হল। আমাদের পাড়ার পুজো শুরু হয় নয়ের দশকে। সেখানে দেখতে আসা মেথরপট্টির বাচ্চাদের প্রতি উদ্যোক্তাদের রূঢ় ব্যবহার ছোঁয়াছানির ভয় ইত্যাদি তো নিজের চোখেই দেখা। কোন্নগরে বৈশাখমাসে যে শকুন্তলা কালীপুজো হয় সেটা বর্ণহিন্দুর  দখলে নেই। এই পুজোকে দোখোলে আনার একটা চেষ্টা ৮৭ পরবর্তী অধ্যায়ে হয়েছিল মনে পড়ছে। মসজিদে মাইক লাগিয়ে আজান দেওয়া সম্ভবতঃ ৯২ পরবর্তী সময়ে শুরু হয়। 
    আর এখন তো ... 
    থিমপুজো নামে না হলেও সাতের দশকে মুক্তদল সঙ্ঘশ্রী ইত্যাদির পুজোয় আইসক্রিমের চামচের ঠাকুর, মাটির প্রদীপের ঠাকুর ইত্যাদি হত। সন্দেশের ঠাকুর হয়েছিল এবং দশমীর আগেই পিঁপড়ে টিপড়ে ধরে একশা - সে খবরও যুগান্তর পত্রিকায় পড়েছিলাম বলে মনে হচ্ছে। 
     
    (# এই লেখা ট্রোলারের ডাম্পিং গ্রাউন্ড হবার সম্ভাবনা দেখে লগ আউট করে লিখলাম। শয়ে শয়ে অর্থহীন কপি[পেস্টের নোটিফিকেশান বিরক্ত লাগে) 
     
  • দীপ | 2402:3a80:196b:86ef:cb3b:7caf:470f:27f0 | ০৬ নভেম্বর ২০২২ ০০:১৯513489
  • দীপ | 2402:3a80:196b:86ef:cb3b:7caf:470f:27f0 | ০৬ নভেম্বর ২০২২ ০০:৩৭513492
  • যথারীতি ধান্দাবাজি প্রোপাগান্ডা চালু আছে!
     
    প্রথমে দুর্গা ছিলেন আর্য রমণী। এখন হয়েছেন সাঁওতাল, অনার্য রমণী! আর্যদের ছলনায় ভুলে সুরপক্ষে যান! চমৎকার! 
    কোন পুরাণ অনুযায়ী মহিষাসুর বঙ্গের রাজা, পণ্ডিত মহোদয়? 
    দক্ষিণভারতে মহিষাসুর পূজিত হন! ফাজলামি মারার জায়গা পাননি? 
    দক্ষিণভারতের মীনাক্ষী মন্দির ভারতের সবচেয়ে বড়ো মন্দির। দেবী এখানে মীনাক্ষী রূপে পূজিত! 
    এক‌ইভাবে দক্ষিণভারতে কন্যাকুমারী, কামাক্ষী, কনকদুর্গা রূপে পূজিত। আচার্য শঙ্কর নিজে শৃঙ্গেরী মঠে দেবীকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন! ফাজলামি মারতে এসেছেন?
  • দীপ | 2402:3a80:196b:86ef:cb3b:7caf:470f:27f0 | ০৬ নভেম্বর ২০২২ ০০:৪৫513494
  • যথারীতি প্রোপাগান্ডা অনুযায়ী নবকৃষ্ণ দেব চলে এসেছে। কিন্তু মল্লরাজাদের পূজা, নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর পূজা, সাবর্ণ রায়চৌধুরী দের  পূজা নিয়ে মাতব্বর নীরব! 
    ছাগলকে আরেকটা কথা জানিয়ে রাখি। ১৭৫৭ সালে নিকি বাঈজীর জন্ম‌ই হয়নি! নিকি বাইজী রামমোহনের বাড়ির অনুষ্ঠানে এসেছিলেন! না পড়ে টুকলে এইরকম গণ্ডগোল হয়ে যায়!
  • দীপ | 2402:3a80:196b:86ef:cb3b:7caf:470f:27f0 | ০৬ নভেম্বর ২০২২ ০০:৫১513496
  • আর রামায়ণে অকালবোধনের কথা নেই , অবশ্য‌ই সত্য। কিন্তু মহাভারতে দুইবার দুর্গাস্তব আছে, হরিবংশে দুর্গাস্তব আছে। বাণভট্ট চণ্ডীশতক রচনা করেছেন।
    স্বয়ং সিদ্ধার্থ গৌতম মায়ের সঙ্গে দেবীর মন্দিরে দেবীকে প্রণাম করতে গেছেন।
    আর রামায়ণের বালকাণ্ডে উমা ও গঙ্গার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। রাজশেখর বসুর সারানুবাদেও আছে। একটু পড়ে নেবেন!
  • দীপ | 2402:3a80:196b:86ef:cb3b:7caf:470f:27f0 | ০৬ নভেম্বর ২০২২ ০০:৫৪513497
  • পঞ্চানন তর্করত্ন, শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ, সীতারামদাস ওঙ্কারনাথ এই দুকান কাটা মিথ্যাবাদীকে সামনে পেলে খড়মপেটা করে পিঠের চামড়া তুলে দিতেন!
  • এলেবেলে | 202.142.71.7 | ০৬ নভেম্বর ২০২২ ০০:৫৪513498
  • হ্যাঁ, নিকি বাইজিটা যাচ্ছেতাই রকমের ভুল। তাঁর পারিশ্রমিক সম্পর্কে যেটা লেখা হয়েছে সেটাও বিচ্ছিরি রকমের ভুল।
     
    'কেউ কেউ বলেছেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সময় থেকে দুর্গাপুজো চালু' - এই ছাগলগুলো কারা? আর আলিবর্দির শাসনকালে কৃষ্ণচন্দ্র প্রথম জগদ্ধাত্রী পুজো চালু করেন। সেখানে নবকৃষ্ণ দেবের পুজোকে টেক্কা দেওয়ার প্রসঙ্গটাই বা কীভাবে আসে?
     
    এই ভুলগুলো অনিচ্ছাকৃতভাবেই অন্যদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়।
  • দীপ | 2402:3a80:196b:86ef:790a:812b:5e61:229e | ০৬ নভেম্বর ২০২২ ১০:৩৮513504
  •  
    মাজহারুল ভাইয়ের সম্মতিতে আসামের লেখক সাংস্কৃতিক সংগঠক Dipak Sengupta র অনুরোধে লেখাটি রইল:
     
    #দুর্গাপূজা : #দেশে_দেশে_কালে_কালে
     
    @ইমানুল হক
     
    হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'বঙ্গীয় শব্দকোষ' অনুসারে 'দুর্গ' শব্দের একটা অর্থ অসুর। আর 'দুর্গা'রও একাধিক অর্থ-- দুঃখে প্রাপ্যা, দেবীবিশেষ, মতান্তরে, দুর্গ নামক দৈত্যনাশ হেতু দুর্গা। দুর্গা মানে নববর্ষা কুমারী, নীলী, অপরাজিতা। আদি-বাসিন্দা আদিবাসী বা সাঁওতালরা মনে করেন, দুর্গা তাঁদের ঘরের মেয়ে। আর্যদের ছলনায় ভুলে সুরপক্ষে যান। 
    বাংলায় দুর্গা যেমন পূজিত হন—তেমনি দক্ষিণভারতে পূজিত হন মহিষাসুর। এই ‘মহিষ’ মানে মোষ নয়, শ্রেষ্ঠ। এই মহিষাসুর পুরাণ অনুযায়ী বঙ্গের রাজা। 'আনন্দবাজারে' পড়েছেন ঝাড়খন্ডের অসুর জাতি দুর্গাপূজার কদিন অশৌচ পালন করেন--কারণ তাঁদের পূর্বপুরুষ এই দুর্গার হাতে নিহত হয়েছিলেন।এখন তো কলকাতা শহরে গড়িয়া বানতলাসহ ১০-১২ টি জায়গায় অসুর পূজা বা মহিষাসুরের পূজা হচ্ছে। 
    কেউ কেউ অবাক হতে পারেন, তবু শুনুন—মূল ‘রামায়ণে’ রামের অকালবোধনে দুর্গাপূজার প্রসঙ্গ নেই।এটি আছে কৃত্তিবাসী 'রামায়ণে'। তিনি এ-বিষয়ে কালিকা পুরাণ ও বৃহদ্ধর্ম পুরাণ অবলম্বন করে লেখেন, রাম ও রাবণের যুদ্ধের সময় শরৎকালে দুর্গাকে পূজা করা হয়েছিল। এটি অকাল বোধন। কেউ কেউ বলেন, রাবণও নাকি দুর্গার আরাধনা করেছিলেন। তবে শিবের পত্নী হিসেবে আরাধনা। কারণ রাবণ ছিলেন শিব ভক্ত। 
    বাংলায় দুর্গাপুজা কবে চালু হলো, সে নিয়ে নানা মত। কারো কারো মতে, দিল্লির সম্রাট আকবর বাদশাহের সময় বাংলার রাজশাহি জেলার তাহেরপুরের রাজা কংসনারায়ণ বাংলায় প্রথম দুর্গা পুজোর প্রচলন করেন। । কেউ কেউ বলেছেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সময় থেকে দুর্গাপূজা চালু। কৃষ্ণচন্দ্র যা প্রবর্তন করেন তার নাম জগদ্ধাত্রী পূজা এবং সেটি কলকাতার রাজা নবকৃষ্ণ দেবের দুর্গাপূজাকে টেক্কা দেওয়ার ইচ্ছে থেকে। একই কারণে ফরাসি উপনিবেশ চন্দননগর তথা ফরাসডাঙ্গায় দুর্গা নয় প্রধান পূজা ছিল জগদ্ধাত্রী পূজা। ১৬৯৮ খ্রিস্টাব্দে সুতানটি-কলকাতা- গোবিন্দপুর-- এই তিনটে গ্রাম ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে আসার পর খুব ধুমধাম করে দুর্গাপুজা হচ্ছে-- এমন ইতিহাস নেই। কলকাতার ইতিহাসকার রাধারমণ মিত্রদের বক্তব্য, ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে সিরাজের পরাজয়ের পর উল্লাস প্রকাশে এবং বাড়িতে ইংরেজ সাহেবদের এনে কেউকেটা বনতে শোভাবাজারে দুর্গাপূজা চালু করেন নবকৃষ্ণ দেব। তখনও তিনি ৮০ টাকা মাইনের চাকুরে। কিন্তু কয়েক লাখ টাকা খরচ করেন। কারণ সিরাজউদ্দৌলার ব্যক্তিগত কোষাগারের আট কোটি টাকা ভাগ করে নেন, ক্লাইভকে না জানিয়ে নবকৃষ্ণ দেব, মিরজাফররা। ৮০ টাকা মাইনের চাকুরে নবকৃষ্ণ দেব মায়ের শ্রাদ্ধে নয় লাখ টাকা খরচ করেন। এবং পরে 'রাজা' হলেন। (দ্র. সুশীল চৌধুরী, নবাবি আমলে মুর্শিদাবাদ)। ১৭৫৭-তে দুটি বড় উৎসবের হদিস আমরা পাচ্ছি সুশীল চৌধুরীর বইয়ে। ইংরেজদের সঙ্গে ফেব্রুয়ারিতে আলিনগরের সন্ধিস্থাপন করে মুর্শিদাবাদ ফিরে সিরাজ মহাধুমধাম করে হোলি উৎসব পালন করেন। তিনি ও অন্য নবাবরা দেওয়ালি উৎসব পালনও করতেন মহাসমারোহে। আর মুর্শিদাবাদের বিখ্যাত বেড়া ভাসা উৎসব ছিল হিন্দুদের গঙ্গাপুজার শিয়া সংস্করণ। 
    নবকৃষ্ণদেবের দুর্গার মুখ হয় রানি ভিক্টোরিয়ার মুখের আদলে। আর সিরাজের মুখ স্থাপিত হয় মহিষাসুরের মুখে। 
    বাংলায় থিম পূজার শুরু কেউ ১৯৭৩ বা ১৯৮৫ বললেও নবকৃষ্ণ দেবের পূজাও আসলে থিম পূজা। বিখ্যাত নর্তকী নিকির নাচ-ও ছিল অন্যতম আকর্ষণ। সে-কালের চার হাজার টাকা, আজকের কমপক্ষে চার কোটি টাকা, ছিল তাঁর সম্মানী। সাহেবসুবো তো বটেই স্বয়ং ক্লাইভ এই পূজায় যোগ দেন। 
    'কলকাতা কালচার'-এ 'এই সময়ের কথা'-য় বিনয় ঘোষ লিখেছেন, ' ব্রিটিশ আমলের নতুন জমিদার, তালুকদার ও পত্তনিদাররা এবং হঠাৎ গজিয়ে ওঠা বিত্তবান 'জেন্টু'রা কলকাতা শহরে বা আশেপাশে গ্রামাঞ্চলে নতুন যে জোয়ার আনার চেষ্টা করেছিলেন, সেটা আসলে স্বাভাবিক জোয়ার নয়, অস্বাভাবিক একটা বন্যা, একটা তরঙ্গোচ্ছ্বাস--পাঁক ও আবর্জনাই ছিল তার মধ্যে বেশি। উচ্ছ্বাসের বুদবুদ মিলিয়ে যাবার পর সেই আবর্জনার তলানি জমতে বেশি সময় লাগেনি। ক্লাইভ হেস্টিংস হলওয়েল সাহেবের যু্গে, শোভাবাজারের রাজা মুন্সী নবকৃষ্ণ, আন্দুলের রাজা দেওয়ান রামচাঁদ রায়, ভূকৈলাসের রাজা দেওয়ান গোকুলচন্দ্র ঘোষাল, দেওয়ান গঙ্গাগোবিন্দ সিংহ প্রভৃতির আমলেই দেখা যায় বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ জাতীয় উৎসব 'গ্র্যান্ড ফিস্ট অফ দি জেন্টুস'-এ পরিণত হয়েছে।' বারো ইয়ার বা ১২ জন বন্ধু মিলে আঠার শতকেই গুপ্তিপাড়ায় চালু করেন বারোয়ারি পূজা।
    তবে দুর্গাপূজার আরেকটি ঐতিহাসিক বিবরণ আছে। পর্তুগিজ পর্যটক সেবাস্টিন মানেরিকের বিবরণে। 
    পর্তুগিজ পর্যটক সেবাস্টিন মানেরিক সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ভারতবর্ষ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ভ্রমণ করেন। তিনি তিনবার বঙ্গদেশ ভ্রমণ করেন। ১৬২৮-২৯ খ্রিস্টাব্দে একটি বিবরণ লেখা শুরু করেন মানেরিক। ১৬৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি শেষবার বাংলা আসেন।
    দুর্গা সম্পর্কে তাঁর বিবরণ অভিনব। মানেরিক জানাচ্ছেন, দুর্গা ছিলেন সপ্তদশ শতকে বঙ্গে অলক্ষ্মীর দেবী। 
    মানেরিক লিখছেন—‘জুন মাসের অমাবস্যার দিন বড় বড় গাঁইয়ে দুর্গা বলে এক মূর্তির নামে বড় একটা শোভাযাত্রা বার করে। দুর্গা এদের অনুসারে একজন দুষ্টা দেবী। এই দেবীকে এরা সুন্দর করে্ সাজানো বিজয় রথে করে নিয়ে যায়। এদের সঙ্গে নাচোয়ালি মেয়েদের একটা বড় দল থাকে। এই মেয়েরা বেশ্যাবৃত্তি করে রোজগার করে। নাচওয়ালিরা আগে আগে যায় আর নানা রকম বাজনা বাজিয়ে উৎসবের গান গায়। এই ভাবে কিছু দূর চলার পর হঠাৎ মূর্তিকে সম্মান দেখানো বন্ধ করে অসম্মান করা আরম্ভ হয়ে যায়। এই সম্মান আর জাঁকজমকের সঙ্গে যে মূর্তিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তাকে নদীর ধারে, বা নদী না থাকলে পুকুরের ধারে এনে বিষ্ঠার মধ্যে ছুঁড়ে ফেলা হয়, আর সেই সময় তাকে দুষ্টা বলে নানা রকম গালাগাল, ঠাট্টা , চিৎকার ইত্যাদি করা হয় আর ঢিল মারা হয়। এইভাবে উৎসব শেষ করে তারা বেশ খুশি হয়ে বাড়ি ফিরে আসে’।
    (সূত্র—সেবাস্টিন মানরিকের বঙ্গদেশে ভ্রমণ, পৃ-২৯, মূল গ্রন্থ -- ‘বঙ্গবৃত্তান্ত’ বিদেশি পর্যটকদের লেখায় বাঙ্গালার কথা, অনুবাদক-অসীম রায়, প্রকাশক—ঋদ্ধি ইন্ডিয়া, ২৮ বেনিয়াটোলা লেন, কলকাতা-৯, প্রথম প্রকাশ—১৯৮৮)
    মুকুন্দ চক্রবর্তীর 'চণ্ডীমঙ্গল'-এ দুর্গার উল্লেখ শিবের পত্নীরূপেই। 'দুর্গা পরা দৈন্যহরা দীনদয়াবতী'। ১৭৫৭-তে যে দুর্গা সাম্রাজ্যবাদী ভিক্টোরিয়ার মুখ নিয়ে আবির্ভূতা হলেন ১৯০৩-এর পর থেকে তিনিই হয়ে দাঁড়ালেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী শক্তির শক্তি। ১৯০৫-এর বঙ্গভঙ্গ ঘিরে উত্তাল হলো পশ্চিমবঙ্গ। দুর্গা হলেন দুর্গতিনাশিনী। আর বেশ কয়েকবছর পরেই দুর্গাকে নিয়েও কবিতা লিখে কাজী নজরুল ইসলাম গেলেন জেলে। কবিতার শিরোনাম, 'আনন্দময়ীর আগমনে'। এটি একটা বড় ঘটনা। দুর্গা এখানে ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রামের হাতিয়ার।
    ১৯৭৭-এ বামফ্রন্ট সরকার আসার সময় পশ্চিমবঙ্গে সব মিলিয়ে ১২০০-র বেশি দুর্গা পূজা হতো না। এখন শুধু কলকাতা শহরেই ১২০০ র অনেক বেশি পূজা হয়। আগে গ্রামে গ্রামে লৌকিক দেব-দেবী ওলাইচণ্ডী, মা শীতলা, বনদেবী বা বনবিবি-রা রাজত্ব করতেন। ১৯৭৭-র আর্থিক সমৃদ্ধি বাড়লে কুলীন দেবী দুর্গার আয়োজন বাড়ে।এবং কালীপূজা। সিপিআই (এম) নেতা নেতা প্রমোদ দাশগুপ্ত বলেছিলেন, আমাদের ভোট যতো বাড়ছে কালীপূজাও ততো বাড়ছে।
    দুর্গাপূজার হাল-হকিকৎ যাঁরা রাখেন, তাঁরা বলেন, থিম পূজার জনক প্রখ্যাত সঙ্গীতকার মান্না দে। তিনিই বিবেকানন্দের পাড়ায় বিবেকানন্দ স্পোর্টিং ক্লাবের সম্পাদক হিসেবে সাবেকি মণ্ডপের বদলে দক্ষিণভারতের মন্দিরের ধাঁচে মণ্ডপ বানাতে পরামর্শ দেন ১৯৭৩-এ। তাতে ভিড় বাড়ে। 
    পূজা উদ্বোধনের প্রথাও শুরু মান্না দে-র হাতে। ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি উত্তমকুমারকে দিয়ে পূজা পূজা উদ্বোধন করান। গোটা কলকাতা নাকি ভেঙ্গে পড়েছিল। উত্তমকুমারের সিল্কের পাঞ্জাবি ছিঁড়ে যায় জনতার উৎসাহে। 
    ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ কলকাতার দুর্গাপূজায় আরেকটি মাইলস্টোন। এশিয়ান পেন্টস সংস্থা নিয়ে এল একটি শ্লোগান-- শুদ্ধ শুচি সুস্থ রুচি। শিরোমণি পুরস্কার চালু করলো তারা। চটুল হিন্দিগানের বদলে চালু হল ভালো গান বাজানোর প্রতিযোগিতা। আলোর জাদুও শুরু হলো। তাতে নতুন দিকচিহ্ন আনলেন চন্দননগরের শ্রীধর। আলোর ভেলকি দেখালেন। এখন প্যারিসের আইফেল টাওয়ার সাজাতেও তাঁর ডাক পড়ে। ১৯৮৫র পর থেকেই পূজায় অনেক স্পন্সর জুটতে শুরু করলো। বড় পূজা আর চাঁদা আর পাড়ার পূজা নির্ভর থাকলো না। 
        
    পশ্চিমবঙ্গ সরকার এ-বছর ৩৭ হাজার দুর্গাপূজা কমিটিকে ৫০ হাজার টাকা করে দিচ্ছে। মোট ১৮৫ কোটি ফলে মোটামুটি একটা আন্দাজ পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশেও যে প্রায় ৩২ হাজার দুর্গাপূজা হয় এবং সরকার টাকা দেয় সেটা গত বছর প্রথম জানলেন পশ্চিমবঙ্গের বেশিরভাগ মানুষ। গত বছর ৪৮৩টি নতুন পূজার খবর প্রকাশিত প্রকাশিত হয় কলকাতার দৈনিকে। এর আগে ঢাকার ঢাকেশ্বরী আর কয়েকটির কথা জানতেন। বাকি খবর সব ছিল নেতিবাচক। মূর্তিভাঙ্গার সংবাদ। 
    পৃথিবীর বহু দেশেই বাঙালিরা ছড়িয়ে আছেন। ১৩৮ টির মতো দেশে। কম বেশি দুর্গা পূজা পালিত হয় অন্তত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুরসহ ৩২ টি দেশে। যেখানে মুর্তি পূজা হয় না সেখানেও খাওয়া দাওয়া গান বাজনা সম্মিলন হয়। শোলার প্রতিমা যায় ভারত থেকে। প্রবাসী অনাবাসী বাংলাভাষী হিন্দু মুসলমান এটিকে সাংস্কৃতিক মিলনোৎসবে পরিণত করেছেন। তবে সব জায়গায় পাঁজি পুঁথি মিলিয়ে হয় না। সাপ্তাহিক ছুটির দিন দেখে পূজা হয়। হয় খাওয়া দাওয়া, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 
    পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যালয় পাঠ্যে আগে লেখা হতো, বাঙালির জাতীয় উৎসব দুর্গাপূজা। ১৯৯৮ থেকে ভাষা ও চেতনা সমিতির নেতৃত্বে একটি আন্দোলন শুরু হয়, বাংলা ভাষা আন্দোলন -- তাতে আওয়াজ ওঠে :
     
     ইদ নয় দুর্গাপূজা নয়, বাঙালির জাতীয় উৎসব হোক পয়লা বৈশাখ।
    দুর্গাপূজা আর কিছু না হোক ভারতবাসী বাঙালির প্রধান উৎসব।
     তাতে কতো কতো থিম। ১৯৯৫-এ পুরাতন ব্যবহৃত রেকর্ড ব্যবহার করে মণ্ডপ করেছিল বাইপাস সংলগ্ন বাবুবাগান। চেনা পূজার ভিড় টেনে নেয় তারা। তারপর তো কত কী হল-- ট্রেন দুর্ঘটনাও থিম হয়েছে। আর মণ্ডপশিল্পীদের হাতে আইফেল টাওয়ার, হোয়াইট হাউস, তাজমহল, হ্যারি পটারের স্কুল বা রাজস্থানের দুর্গ বানানো জল ভাত। পূজার ৫ মাস আগেই শুরু হয় প্যান্ডেলের কাজ। এবার শুনছি বহু জায়গায়, বিশেষ করে মান্না দে প্রবর্তিত একালের প্রথম থিম পূজার জায়গায়, অসুর করোনাসুর। 
    দেবী করোনানাশিনী।
     
    রাণি ভিক্টোরিয়া থেকে দেবী করোনা-নাশিনী--এক অভিনব যাত্রাপথ।
  • ব্যাসস | 2405:8100:8000:5ca1::196:42d5 | ০৬ নভেম্বর ২০২২ ১০:৫০513505
  • যা বলেছিলাম
    এই লেখাটাও এবার ভোগে। লেখকের নাম ইমানুল লিখেছে আবার দুগগোপুজো নিয়ে।  শালা লাথখোর চাড্ডি সেখানে নাদবে না? নাদবে না সেখানে?
  • দীপ | 2402:3a80:196b:86ef:790a:812b:5e61:229e | ০৬ নভেম্বর ২০২২ ১০:৫৪513506
  • কোনো কিছু না পড়েই কিভাবে মাতব্বরি মারতে হয়, তার এসব লেখা পড়লে বোঝা যায়! 
    আসলে এই উল্লুকটা একটা প্রামাণ্য ব‌ইও পড়েনি! ফাজলামি মারতে এসেছে! ক্লাস টেনের ছেলেও এর থেকে বেশী জানে দুর্গাপূজা সম্বন্ধে! 
    এমনকি পাঁঠাটা যদি রেডিওর মহালয়া শুনতো, তাহলেও অনেক কিছু জানতে পারতো! 
    কিন্তু তাতে তো প্রোপাগান্ডা লেখা হয়না! 
    দুর্গাপূজা বেড়েছে বলে শূকরশাবকের খুব দুঃখ! আহা বাংলাদেশ হলে নাহয় কোনো একটা ছলছুতোয় ভেঙে দেওয়া যেত! 
    আর দুর্গাপূজা হবে কি হবে না- সেটা ফেকুজী বা মহাবিপ্লবী কেউ ঠিক করবে না! সাধারণ মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে!
     
     
  • :-( | 2405:8100:8000:5ca1::7f:c09 | ০৬ নভেম্বর ২০২২ ১০:৫৫513507
  • কর্তৃপক্ষ একটা ডেডিকেটেড জায়পগা বানিয়ে দিতে পারে নামের বাক্সোয় এই গর্দভশাবকের নাম এলেই পোস্টের কনটেন্ট সেই টইতে অটো ট্রান্সফার হয়ে যাবে। সব লেখার নীচে নীচে এই জঞ্জালনৃত্য ত আর সয় না।
  • দীপ | 2402:3a80:196b:86ef:790a:812b:5e61:229e | ০৬ নভেম্বর ২০২২ ১০:৫৭513508
  • নবকৃষ্ণ দেবের মুখ রানী ভিক্টোরিয়ার মুখের আদলে!
    ওরে গাধা, ভিক্টোরিয়া উনিশ শতকে জন্মেছে! 
    এইসব মিথ্যাবাদীকে চাবকে সিধে করে দিতে হয়! 
     
  • দীপ | 2402:3a80:196b:86ef:790a:812b:5e61:229e | ০৬ নভেম্বর ২০২২ ১১:০০513509
  • শূকরশাবকের পোষ্য সারমেয় ছুটে এসেছে!
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে প্রতিক্রিয়া দিন