• হরিদাস পাল  আলোচনা  সমাজ

  • ইভ্যালির ভেল্কি! 

    Muhammad Sadequzzaman Sharif লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | সমাজ | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৪০ বার পঠিত


  • যখন সততা দেখানোর সময় আসে, যখন আপনার নৈতিকতার পরীক্ষার সময় আসে তখন আমাদেরকে সবচেয়ে বেশি দ্বিধায় ফেলে 'সুযোগ' নামের শব্দটা। আমরা ওই মুহূর্তে বেশির ভাগ সময়ে ডাহা ফেইল মারি। আমরা এইটাই তো সুযোগ বলে ঝাঁপিয়ে পড়ি। সততা, নৈতিকতা সব একদিকে ঠেলে ফেলে দিয়ে সুযোগটাকে কাজে লাগাই। এই পরিস্থিতি দেশের বেশির ভাগ মানুষের। যতক্ষণ পর্যন্ত সততার পরীক্ষা না দিতে হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা সৎ, অসৎ হওয়ার জন্য শুধু সুযোগের অপেক্ষা।

    দুই আড়াই বছর আগে আমার এক বন্ধু আমাকে জানাইছিল যে একটা কোম্পানি আছে, এরা অদ্ভুত সব কাণ্ড করছে। এক লাখ টাকা দিলে দুই আড়াই লাখ টাকার পণ্য নেওয়া যাচ্ছে! বলল ওর পরিচিত অনেকেই ম্যাকবুক, আর ওয়ান ফাইভ মোটরসাইকেল সহ নানা জিনিস কিনে লালে লাল হয়ে গেছে। আমি শুধু বলছিলাম ক্যামনে? এর উত্তর তখনও পাই নাই, এখনও পাই নাই!

    এরপরে দিন গেছে। পট পরিবর্তন হইছে। মানুষ তখন আরও ভাল ভাবে জানছে সেই কোম্পানির নাম। ঝাঁপায় পড়ছে, লাখ লাখ টাকা নিয়ে গুটি লাল করে ফেলছে। তখন ফেসবুকে এক তাত্ত্বিক তত্ত্ব জানাইল আমাদেরকে যে এরা আসলে কোম্পানি থেকে মাল সরাসরি কিনে তাই এত সস্তায় দিতে পারে! অনেকেই এই তত্ত্ব গিলল। দেখছস ক্যামনে করে ব্যবসা? নতুন মডেলের ব্যবসা কয় একে! আমি বুঝাইতে পারি নাই যে কোন কোম্পানিই কীভাবে অর্ধেক দামে মাল বিক্রি করে? আমি বুঝাইতে পারি নাই কোম্পানি যদি ডিলার নিয়োগ দেয় তাহলে ডিলার ছাড়া মাল বিক্রি করতে পারে কীভাবে? আমাদেরকে বলা হইল আরে একটা নতুন ব্যবসা পদ্ধতি একজন চালু করতে চাচ্ছে, সবাই মিলে তাকে সমর্থন দিতে হবে। আমি সমর্থন দিলাম। আজ পর্যন্ত এই বিষয় নিয়ে একটা শব্দও না লিখে সমর্থন দিলাম। আমার লেখা না লেখায় কিছুই আসে যায় না। তবুও আমি এই কাজটুকু করেছি, সজ্ঞানে করেছি। কিন্তু নতুন ধারার ব্যবসা এই জিনিস মানতে পারি নাই। আমরা একটু দিন দুনিয়া দেখছি। নতুন ব্যবসার গল্প আমরা আগেও শুনছি। সরাসরি কোম্পানি থেকে আনে বলে আমাদের পণ্যের দাম কম এই গল্প এক সময় সারা দেশ কাঁপিয়েছে। কোকের উদাহরণ দিত তারা মুখেমুখে। কোক সরাসরি কোম্পানি থেকে কিনলে তিন টাকা খরচ পড়বে এমন একটা হিসাব দিত। যদিও তারা কোক বিক্রি করত না, আজব সব পণ্য বিক্রি করত। সব শেষে গাছও বিক্রি করছে!

    দিন আবার পরিবর্তন হল। আমরা দেখলাম ডিলার বলছে পণ্য আমাদের কাছ থেকেই নেয় এবং যা দাম তাই রাখা হয়। সামান্য কমিশন হয়ত ছাড়া হয়। এরচেয়ে বেশি কিছু না। কিন্তু এতেও মানুষের হুস হল না। ওই যে শুরুতে বললাম, মানুষ সুযোগ শব্দ দ্বারা বিভ্রান্ত হয়, তাই হতে থাকল। কোনমতেই বিশ্বাস হারাতে রাজি না। বিশ্বাসের জোর কোথায় তার উত্তর নাই কিন্তু বিশ্বাস আছে! পুরাই ধর্মের মত, চোখ বন্ধ করে ইমান আনতে হবে! সবাই ইমান এনে ফেলল এই কোম্পানি গুলোর প্রতি।

    ইমানের জোর দেখেন শুধু। এরপরে খবর আসল এই সব কোম্পানি গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা নিছে অস্বাভাবিক ছাড়ের কথা বলে, যে টাকা নিছে সেই টাকা নিজেরা রেখে দিছে, বাকিতে পণ্য নিছে ডিলারের কাছ থেকে! দুই দিক থেকে খেয়ে বসে আছে। এবং এরপরে দেখা গেল এদের মাল পৌঁছাত যে কুরিয়ার কোম্পানি এরা সেই কুরিয়ার কোম্পানিকেও টাকা দেয় নাই! সবাই টাকা পায় ওদের কাছে, গ্রাহক মাল পায়, ডিলার পণ্যের দাম পায়, কুরিয়ার মাল পৌঁছে দিয়ে সেও টাকা পায়! যে কোন সুস্থ মানুষের এরপরে চিন্তা করার কথা এই সব কোম্পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে কিন্তু না! ইমানের জোর অত দুর্বল না এদের!


  • এদের প্রতি বিশ্বাস আনতে গেলে নৈতিকতার প্রশ্ন কীভাবে আসবে? সততা নৈতিকতা আসবে এই কারণে যে আপনি আমি ভাল করেই জানি আমার টাকা নিয়ে আরেকজনকে মাল দিচ্ছে, আরেকজনের টাকা নিয়ে অন্যজনকে দিচ্ছে। দশজনের ভিতরে তিন চারজন মাল পাচ্ছে বাকিরা ধরা খাচ্ছে। এই যে আমার মাল পাইলেই ঠিক আছে অন্য ধরা খাক কোন সমস্যা নাই যে চিন্তা এইখানেই নৈতিকতার প্রশ্ন। আপনি নৈতিক ভাবে এমন চিন্তা করতে পারেন না। প্রত্যেকটা গ্রাহক জানে যে দশজনের টাকা নিয়ে তিনজনকে দিচ্ছে এরা, সব গ্রাহকের চিন্তা ছিল ওই তিনজনের ভিতরে থাকা। দেরি হচ্ছে হোক, আমি যেন পাই, আমি যেন তিন চারজনের ভিতরে থাকি, বাকি যারা কান্নাকাটি করছে করুক, ওরা তো বলদ, ওরা ধরা খাব না কে খাব? আমি চালাকের বিচি সহ খাইছি, আমার চিন্তা কী?

    আমাকে উদাহরণ দেওয়া হইছে তোর আশেপাশে দেখ, তোর পরিচিত মানুষজন সব মাল কিনে লালে লাল বাবা শাহাজালাল হয়ে গেছে, তুই বসে বসে খুত ধরতে থাক! আমি বুঝি নাই এইটা কীভাবে উদাহরণ হতে পারে একটা কোম্পানি ভাল না খারাপ তার! তাদের ব্যবসা সঠিক তা প্রমাণ হয় আমার আশেপাশে অনেকেই কিনে লাভ করছে বলে? আমার আশেপাশের অনেকেই জুয়া খেলে লালে লাল হয়ে গেছে, যে নৈতিকতার জন্য আমি জুয়া খেলতে নামি নাই সেই একই নৈতিকতার জন্য আমি কোনদিন এদের কাছ থেকে পণ্য কিনতে যাই নাই। লাভ হইলে দুই চোখ অন্ধ করে দিয়ে বসে শুধু লাভ গুনব? আমার শিক্ষা, সততা, আমার নৈতিকতা সব পানি দিয়ে গুলে খেয়ে ফেলব? আমার ভাগ্নি আমাকে বলছে মামা, অমুকে কোক কিনে কত লাখ টাকা লাভ করছে জান? আমি জানি না। কিন্তু এইটা জানতাম যে অমুক কোক পেয়েছে মানে হচ্ছে বেশ কয়েকজন অমুক কিছুই পায় নাই, হাপিত্যেশ করে বসে আছে। আমি কীভাবে ওই জিনিসকে সমর্থন দিব?

    এবং মাশরাফি। এই প্রসঙ্গে আলাপ করতে হলে মাশরাফির কথা আলাদা করে বলতেই হবে। আমার জীবনে মাশরাফি ধরনের ব্যক্তিত্ব খুব কম দেখতে পারছি। উনার জীবন দর্শন, উনার কথাবার্তা সব গতানুগতিক না। আমাদের কাছে তিনি অনেক উঁচু মাপের একজন মানুষ। সে কীভাবে এখানে জড়াল? ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়েছে এই ধোঁকাবাজ ধরনের এক কোম্পানির। অ্যাম্বাসেডরের দায়িত্ব না পণ্য পৌঁছাল না পৌঁছাল না তা দেখা। কিন্তু তিনি মাশরাফি বলেই মানুষ কীভাবে যেন ধরেই নিয়েছে মাশরাফি তো বলছে তিনি আছেন এদের সাথে মানে তিনি আছেনই! বিজ্ঞাপনে কত কথা প্রচার হয় কেউ তা চিন্তাই করে না। এখানে যেহেতু টাকার প্রশ্ন তাই এখন আর বিজ্ঞাপনের কথা মনে রইল না কারো, মাশরাফির বাড়ি ঘেরাও হল! এটা সম্ভব হয়েছেই মাশরাফি ব্যক্তিত্বের জন্য। এতখানি ভরসা করে দেশের মানুষ যে তিনি বিজ্ঞাপনে কিছু একটা বলেছেন তা ঐশী বানী মনে করে ঝাঁপিয়ে পড়েছে সবাই। কেউ তাহসানের বাড়ি ঘেরাও করতে যায় নাই, আরিফ আর হোসেনের বাড়ির কথা কারো মাথায় আসে নাই। কারণ মানুষ জানেই এরা ধান্দাবাজি করেই, কেউ তাই চিন্তাও করে নাই এদেরকে দোষারোপ করার। মাশরাফি তার ব্যক্তিত্বের জন্য এদের কাছে জিম্মি হয়েছেন, এদিকে একই সাথে তিনি একজন জনপ্রতিনিধি, এই কারণেও তিনি এই দায় এড়াতে পারেন না। মাশরাফির এখন কিছুই করার নাই। এই মূর্খ আবালেরা ধরা খেয়ে গেছে এখন বুঝে উঠতে পারছে না। তাই মাশরাফির বাড়ি ঘেরাওয়ের মত হঠকারী কাজ করে চলছে। অতুলনীয় মাশরাফির ব্যক্তিতে অবিবেচকের মত এমন কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ার দাগ চির জীবনের মত লেগে গেল। যতদূর জানি তিনি বিজ্ঞাপন করে যা টাকা পান তা নিজের জন্য খরচ করেন না। বিভিন্ন দাতব্য খাতে খরচ করে দেন। এই তথ্যও ঠুনক লাগছে এখন। এই তথ্যও এই কালিমা দূর করতে যথেষ্ট না। এই দাগ থেকেই যাবে।

    অনেকেই বলছে সরকার কেন আগে বন্ধ করল না বা কোন পদক্ষেপ নিল না। যারা এই প্রশ্ন করছে তারা একটু পিছন ফিরে দেখতে পারে। সরকার অনেক আগেই ধরেছে এদের। এর আগের কেলেঙ্কারি গুলো হাজার হাজার কোটি টাকার নিচে কেউ ছিল না। বলা চলে কুঁড়িতেই বিনষ্ট করা হল এইবারের এই কেলেঙ্কারি।

    এক জীবনে বাঁচতে সত্যিকারে আসলে কী দরকার? কতখানি দরকার? দৌড়ের কোন শেষ নাই। অসীম দৌড়ে সামিল হবেন না সত্যিকার অর্থে বাঁচা কাকে বলে তার খোঁজ করবেন তা পুরোটাই আপনার হাতে। যে টাকা লগ্নি করেছেন আর লাভ করেছেন তার পাশাপশি দুশ্চিন্তা কতখানি করেছেন একবার ভেবে দেখুন। হয়ত সমাধান আসবে।

    যাদের টাকা আটকে রয়েছে তাদের জন্য সমবেদনা জানানো ছাড়া আর কিছুই করার নাই এখন।
  • বিভাগ : আলোচনা | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৪০ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে প্রতিক্রিয়া দিন