এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • উপমহাদেশ ২.০

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ | ৮৯৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • বাংলাদেশে খুব খারাপ লোক ছিলেন শেখ হাসিনা। একবার "আমি হাসিনা" বলায় জ্যোতিবাবু নাকি বলেছিলেন "আমিও হাসিনা"। ফরাসিরা পরে এটাকেই টুকে জে-সুই-শার্লে করে দেয়। হাসিনার মূল দোষ ছিল, তাঁর পুরো পরিবার ফৌত হয়ে গেলেও তিনি বেঁচে। তাই বাংলাদেশে "আমরা হলাম রাজাকার" স্লোগান দিয়ে একাত্তরের অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে ২০২৪ এ একদল মেধাবীর উত্থান হয়। হাসিনা তাদের উপর গুলি-টুলি চালিয়ে দেন, কিন্তু এ তো বাবা মেধাবী ছেলেপুলে, একাত্তরের মাথামোটারা নয়। তারা মেটিকিউলাসলি প্ল্যান করে হাসিনাকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিল। পৃথিবীতে হুলুস্থুলু পড়ে গেল। এপারের বাঙালিরা হাঁ করে তাকিয়ে বলল, "উফ কিছু দেখাল বটে। কত লোক।" শুনে সবাই বলল, "ঠিক ঠিক। কত লোক"।

    এরপর বাংলাদেশে মেধাবীরা মেরে-ধরে থানা ফাঁকা করে দিল। খপাখপ মূর্তি ভাঙতে শুরু করল। শোনা গেল তারা জমায়েত আর হিজবুতের লোক। সেনাবাহিনী বিচারবিভাগীয় ক্ষমতা নিয়ে নিল। এপারের বুদ্ধিজীবীরা সব দেখে বললেন, "সে যাই করুক, কিন্তু পুলিশকে তো মেরেছে।" তারপর সত্তরের মূর্তি ভাঙা আর নকশালদের পুলিশ মারা নিয়ে স্মৃতিভারাতুর হয়ে পড়লেন। শুনে সবাই বলল, "ঠিক ঠিক, কী বিপ্লবটাই না করল"।

    পরের দফায় এল সংখ্যালঘু নিপীড়ন। মন্দির ভাঙা-টাঙা। রাজাকার ১.০ দের আমলে মন্দির ভাঙা হত হামলাবাজি করে। কিন্তু এই ২.০ রা একাত্তরের মাথামোটা না। তারা ভাঙার আগে একটু পাহারা-টাহারাও দিয়ে নেয়। ভারতবর্ষে যেমন এমনি-এমনি মসজিদ ভাঙা হয়না, প্রথমে মসজিদের নিচে একটা করে মন্দির পাওয়া যায়, এখানেও সেরকম, আগে একটু পাহারা। ফলে যত পাহারা বাড়ল, তত ভাঙা। এপারের বুদ্ধিজীবীরা দেখেশুনে বললেন, "তাও পাহারা দেয় তো। হাসিনার আমলে পাহারা দিত কেউ?" শুনে সবাই বলল, "ঠিক, ঠিক, তখন তো কোনো পাহারাও ছিলনা।" পাহারার দরকার পড়ত কিনা এই নিয়ে অবশ্য কেউ কিছু বললেন না।

    এই বাজারে ইসকন নেমে পড়ল হিন্দুদের ঠেকা নিয়ে। এপারের ল্যাজবিশিষ্টদের ফূর্তি আর দেখে কে। তারাও তো আর মাথামোটা নয়, রীতিমতো সাভারকর ২.০। সংখ্যালঘুরা মার খাচ্ছে, প্রতিবাদ করছে, আর সাভারকর ২.০রা বলছে, মর মর, আরও কটা মর। এদিকে তার চেয়ে একটা বেশি ফেলতে হবে, তাহলেই কেল্লা ফতে। ভোটে জেতা আটকায় কে। সব মিলিয়ে হেবি হইচই। এপারের বুদ্ধিজীবীরা পুরোটা গভীরভাবে নিরীক্ষণ করে বললেন, "সবই তো বুঝলাম, কিন্তু ব্যাটারা জয়শ্রীরাম বলে কেন? এর চেয়ে মরে যাওয়াই তো ভাল"। সবাই শুনে বলল, "ঠিক ঠিক। রামরাজ্য হবার চেয়ে সংখ্যালঘুদের মরে যাওয়াই ভালো"।

    তারপর কে যেন বাংলাদেশের মাটিতে রাষ্ট্রীয় পতাকা এঁকে তাতে পা দিয়েছে শোনা গেল। সত্য মিথ্যা জানা নেই, তবে মেধাবীদের পক্ষে সবই সম্ভব। ব্যস লাগ ভেল্কি লাগ। এই সাভারকর ২.০ রা তো আর আগের মতো মাথামোটা না, যে, যুদ্ধ লাগিয়ে দেবে। যতদিন চলে ততই লাভ। তারা বুদ্ধি করে বাংলাদেশের হাইকমিশনে হামলা করে দিল পাল্টা পতাকা পুড়িয়ে। নে, এবার কোথায় যাবি। এবার দুদিকেই মজা জমে গেল। টিভিতে বক্তারা হেবি চিল্লাচ্ছে। একদল চিকেন-নেক কেটে খেয়ে ফেলে তো অন্যদল চট্টগ্রামই ছিনিয়ে নেয়। দুদিকেই প্রচুর লোক। বুদ্ধিজীবীরা এবার একটু ঘাবড়ে গেলেন। নিজেদের ডাকে লোক হয়না বলে তাঁরা লোক দেখলেই তুঙ্গসুখ অনুভব করেন। কিন্তু একই সঙ্গে দুই দিকের লোকের ধামাধরা তো হেবি মুশকিল। তাঁরা বুদ্ধি খাটিয়ে বললেন, "তোমার পতাকা যারে দাও, সেই সুনীল কিংবা শক্তি"। মানেটা কেউই বুঝলমা। কিন্তু সবাই বলল, "ঠিক ঠিক"।

    এই অবধি মোটামুটি হয়ে গেছে। এর পরে কী হবে? পরের দফায় ওপারের মেধাবীরা নিশ্চয়ই মেটিকিউলাসলি ডিজাইন করে ঢাকা-চট্টগ্রামে ভারতীয় হাইকমিশনে ঢিল ছুঁড়বে। এপারের চ্যানেলরা গলা কাঁপিয়ে ধারাবিবরণী দিতে দিতে সেই দৃশ্য দেখাবে। তারপর দুদিকেই দীর্ঘস্থায়ী চুলোচুলি হবে। দাঙ্গা ২.০। যুদ্ধ ২.০। বুদ্ধিজীবীরা বসে বসে দেখবেন, আর বলবেন, "উফ কত লোক"। বাকিরা শুনে বলবে "ঠিক ঠিক, মানুষের সঙ্গে থাকতে হবে"। বলে রামদা নিয়ে দাঙ্গাবাজদের পিছনের সারিতে যোগ দেবেন। ভোটও হবে, আম্বানি-আদানির স্বার্থরক্ষাও হবে, মিডিয়া নিয়ন্ত্রিত জনজাগরণের চৌষট্টি কলা সম্পূর্ণ হবে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • MP | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ০৯:২৩539880
  • ব্যাপক বলেছেন l হক কথা l সবচেয়ে ভালো লেগেছে এই লাইনটা "বুদ্ধিজীবীরা এবার একটু ঘাবড়ে গেলেন। নিজেদের ডাকে লোক হয়না বলে তাঁরা লোক দেখলেই তুঙ্গসুখ অনুভব করেন।" এতো সহজ সরল ভাবে এপারের বুদ্ধিজীবীদের অসহায়তা আর দ্বিচারিতা ফুটিয়ে তুলেছেন l
  • সিএস  | 103.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ০৯:৫২539881
  • এইটা আসল কথা - "এবার দুদিকেই মজা জমে গেল"।

    লোকের খুব ভাল টাইমপাস হচ্ছে, আরজিকরের পরে দু'দিন ভিডো দেখা মন্দা যাচ্ছিল, আবার সবাই চিন্তিত, খুব রাগী, খুব আলোচনা ইত্যাদি।

    এরপর শান্তিবাহিনী - সেনা ইত্যাদি হলে মজা আর ধরবে না।

    (কিন্তু মমতা কীভাবে সিআইএর খেলাটা জানল, শান্তিবাহিনী ঢোকানোর ছকটা ? তাহলে তো বিলের সঙ্গেও যোগ আছে !)
  • সিএস  | 103.*.*.* | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১০:০২539882
  • যুদ্ধের মজাটা ট্রাম্প পুরো না এলে হবে না। ওঁয়ার মতামত নিয়ে করা হবে।

    তখন পুরো কমেডি হবে। এখন স্কিট চলছে।
  • | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১০:২৪539883
  • মমব্যান যে কি শ্র‍্যুড সেটা এই শান্তিবাহিনীর আবেদন দেখলে বোঝা যায়। একেবারে ঠিক সময়ে খেলে দিয়েছে। ভেন্দু চিলুবিলু করে নেমেছিল এখন এইটা গিলতে হবে।
     
    ওদিকে ডাক্তার বলছে চিকিৎসা করব না। ডাক্তারি ওথ নিয়ে এইটা কী করে বলে? আবার ট্যুর অপারেটার বলছে বাংলাদেশের মানুষদের ট্যুর ক্যান্সেল করছি। এমনিতেই ভারত ভিসা দেওয়া বন্ধ রেখেছে। বেড়াতে আসতেই পারতেন না ওঁরা, ট্যুর ক্যান্সেল হতই। এই সুযোগে খানিক টিয়ারপি বাড়িয়ে নিল আর কি।
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১০:৫৪539884
  • এই যে কিছুদিন ধরে গুরুতে পড়ছি বাংলাদেশে নাকি ইস্কন বাঁশ খাচ্ছে, এটায় খুব ভালো লাগছে। ইস্কন একটা অসহ্য রামছাগল টাইপের অর্গানাইজেশান আর ছুপা চাড্ডি। পৃথিবীর সব দেশ থেকেই উঠে যাওয়া উচিত, যদি বাংলাদেশের থেকেই প্রথম উঠে যায় তাহলে বেশ ভালো হয়।
  • সিএস | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১১:০০539885
  • ত্রিপুরায় হোটেলওয়ারা বলেছে বাংলাদেশীদের থাকতে - খেতে দেব না।

    কোন এক ডাক্তার বলেছে ভারতের পতাকায় প্রণাম করে চেম্বারে ঢুকতে হবে।

    কিন্তু 'ওরা' কি প্রণাম করবে ?

    (না করলে প্রশ্ন হল, কেন করবে না, প্রণামে কী অসুবিধে ?)

    সকলের এত পবিত্র ক্রোধ। ভাতে মারব - ওষুধে মারবে।

    তবে, গত বছর অবধি মূর্তিভাঙা ইত্যদি হত, সবাই খুব রেগে যেত। এখন এত বাড়াবাড়ি হচ্ছে মনে হয়, লোকজন বুঝতে পারছে না আর কত রাগবে।

    (ট্রাম্পই কেবলম)
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১১:০৪539886
  • "কোন এক ডাক্তার বলেছে ভারতের পতাকায় প্রণাম করে চেম্বারে ঢুকতে হবে"
     
    এটা সত্যি?! এ তো পুরো খনি ডাক্তার! laugh
  • সিএস | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১১:০৯539887
  • হুঁ, শিলিগুড়িতে। প্রাইভেট চেম্বারে, পতাকা রাখা আছে বাইরে, বাংলাদেশীরা (বিশেষ করে) প্রণাম করে ঢুকলে চিকিৎসা পাবে।
  • সিএস | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১১:১২539888
  • কিন্তু প্রণাম যে করছে তার প্রমাণ কোথায় থাকবে ? ছবি দেখাতে হবে ?

    আর ঢুকে যদি বলে, আমি জামাতি, তাহলে ডাঃবাবু কোথায় যাবেন ?

    বেশ সমস্যার ব্যাপার সব।
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১১:১৯539889
  • কি অবস্থা!
  • সিএস | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১১:২৩539890
  • আর, মমতার শাঃবাহিনীর কথা তো, বোঝাই যায়, পুরি দাদা - দিদি সেটিং।

    দাদা বলতে পারছে না, যদিও সেটা চায়, দিদি বলে দিয়েছে।

    পুরো প্ল্যান করে করা না ?

    আপনাদের কী মনে হয় ?
  • | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১২:৪৬539892
  • laugh
    এ সেই মালদ্বীপ বয়কটের মত হচ্ছে। তখন দেখেছিলাম সবুজদ্বীপ অবধিও যায় নি সেও মালদ্বীপ বয়কট করছে। এরকম এমনিই ক্লায়েন্ট নেই সেইসব এজেন্সিও বাংলাদেশের ট্যুরিস্ট বয়কট করছে।
  • lcm | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৩:২৯539895
  • বাংলাদেশের ঘটনাবলী প্রসঙ্গে যে দুটি দেশ নিয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে সেটা মূলত ইন্ডিয়া আর ইউএসএ... চিন এর উল্লেখ এসেছে প্রায়ই, কিন্তু ততটা ডিটেইলস নিয়ে নয়... তো দেখা যাক... ঘটনা পরম্পরা যেমন ঘটছে ...

    --
    ৬ জুন - ৩ আগস্টঃ বাংলাদেশে জব কোটা রিফর্ম নিয়ে ছাত্র আন্দোলন।

    ১ আগস্টঃ জামাত-এ-ইসলাম (জেল) কে ব্যান করলেন শেখ হাসিনা।

    ৫ আগস্টঃ বাংলাদেশ আর্মি শেখ হাসিনাকে মিলিটারি হেলিকপ্টারে তুলে ইন্ডিয়া পাঠিয়ে দিল।

    ২২ আগস্টঃ বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার শুরু হল, মুখ্য উপদেষ্টার ভূমিকায় মহম্মদ ইউনুস।

    ২৫ আগস্টঃ বাংলাদেশে চিনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন অফিসিয়ালি মিটিং করলেন ইউনুস এর সঙ্গে।

    ২৮ আগস্টঃ নতুন সরকার জামাতের ওপর থেকে ব্যান তুলে নিল।

    সেপ্টেম্বর (প্রথম সপ্তাহ)ঃ ইয়াও ওয়েন অফিসিয়ালি মিটিং করলেন জামাতের প্রধান শফিকুর রহমান এর সঙ্গে।
    ---

    শেষ ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ২০১০ সালের পর এই প্রথম কোনো বিদেশ রাষ্ট্রের প্রতিনিধি জামাতের সঙ্গে অফিসিয়ালি দেখা/মিটিং করলেন।

    এর আগে, ২০১৬ তে চাইনিজ রাষ্টপ্রধান শি জিনপিং বাংলাদেশের বিরোধী নেত্রী খালেদ জিয়া-র সঙ্গে দেখা করেন, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। অর্থাৎ, বাংলাদেশে হাসিনা ছাড়াও বিরোধী পক্ষের নেতাদের সঙ্গে চাইনিজ সরকার যোগাযোগ রেখেছে।

    বাংলাদেশের সব থেকে বড় ট্রেডিং পার্টনার এখন চিন। গত বারো বছরে বাংলাদেশে ১২টা হাইওয়ে, ২১টা ব্রিজ এবং ২৭ টা পাওয়ার প্লান্ট তৈরি করেছে চিন। ২০২৩ সালে এক অনুষ্ঠানে ইয়াও ওয়েন বলেন যে বাংলাদেশে প্রায় ৭০০ কোম্পানি চাইনিজ ইনভেস্টমেন্টে তৈরি (২৬ বিলিয়ন ইউএস ডলার), এবং সেখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ মানুষ চাকরি করেন। বাংলাদেশের গারমেন্ট ইন্ডাস্ট্রির কাঁচামালের একটি মূল উপাদান ফাইবার (পলিয়েস্টার) আসে চিন থেকে (৭০%)।

    বাংলাদেশ-চায়না বাইল্যাটারাল ট্রেড (ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট মিলিয়ে) এখন বছরে ২২-২৩ বিলিয়ন ডলারের মতন, সেখানে বাংলাদেশ-ভারতের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা ১৫-১৬ বিলিয়ন ডলারের মতন।

    বাংলাদেশের ওপর চিনের ইনফ্লুয়েন্স এর একটা প্রধান বাধা ভৌগোলিক - বাংলাদেশের ল্যান্ড বর্ডারের সিংহ ভাগ ইন্ডিয়া, কিছুটা মায়ামার। এই ভৌগোলিক অবস্থান ​​​​​​​ভারতের কাছে ​​​​​​​অ্যাডভান্টেজ।  সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের ওপর ভারতের প্রভাব কমলে, চিন এর ক্ষেত্রে প্রভাব বাড়ানোর সুযোগ হতে পারে এটা।
  • জাহিদুল ইসলাম সবুজ | ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৪:২৩539896
  • হায় হায় দাদো আপনাকে অত্যন্ত উদার আর একটু খোঁজখবর নিয়ে কথা বলেন ভেবেছিলাম। কিন্তু জাতীয়তাবাদের ফালতু খপ্পড়ে পড়ে নিজেও ওই আপনাদের তৈরিকৃত বয়ান গিলেই জাবর কাটা ঘাস ল্যাদাইলেন!হাস্যকর গ্রাম্যতা। বোধবুদ্ধির কী দুর্দান্ত অপচয় দেখা লাগল। হাসিনা ভালো হাহা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে প্রতিক্রিয়া দিন