• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • ক্ষমা ?ক্ষমা নেই .

    Bagchi P লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৪১৯ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • ক্ষমা ?  ক্ষমা নেই ।

    সংযুক্তা মিত্র

     

    হ্যাঁ, শিরোনামটা ধার করলাম সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের থেকে। বাংলাদেশে একাত্তরের গণহত্যার প্রতিবাদে ঠিক এই কথাটাই লিখেছিলেন কবি সুভাষ। আজ যদি বলি গণহত্যা, তাহলে তাতে অনেকে ভুরু কুঁচকবেন। ভোটের বাজারে খুন জখম তো লেগেই থাকে। এর আগের বা তারও আগের বাংলার ভোট কি রক্তপাত দেখেনি? দেখেছে নিশ্চয়ই। যুযুধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ক্ষমতা দখলে রাখবার আস্ফালন এই রাজ্যে বারবারই ভোটের অনুষঙ্গ, অন্তত গত চার দশকের ইতিকথা তাই বলে। কিন্তু একুশের ভোট অন্যরকম। এখানে শুধু দুটো বা তিনটে দলের মধ্যে কে ক্ষমতায় আসবেন লড়াইটা সেখানেই শেষ নয়। আরও বেশি কিছু। বিগত চল্লিশ/ পয়তাল্লিশ বছরের ভোটে পালাবদল হয়েছে, কিন্তু তা কেবল আটকে ছিল পালাবদলেই। বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সেই বহু খ্যাত কবিতার মতোই  ‘এক রাজা আসে/ অন্য রাজা যায়’ হয়তো বা মুখোশের রং বদলায়, পোশাকের ঢং বদলায় ---- কিন্তু দিন যে বদলায় না, এটা আমরা অনেকেই জানতাম। কিন্তু এইবার আর তা নয়।

     

    গত দুই বছরের আক্ষরিক অর্থেই ‘বাংলা দখলের’ প্রস্তুতি ও দুর্ভেদ্য পরিকল্পনা এখন ক্লাইম্যাক্সে। যেন তেন উপায়ে রাজ্যের বিরোধী দলের সরকারটিকে সরিয়ে দেওয়ার সঙ্গে দেশ দখলের নিগূঢ় যোগ। তাই গোটা দেশ থেকে নেতা নেত্রীরা উড়ে আসছেন বাংলায়। যেন গোটা দেশে আর কোনো কাজ নেই, সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে রাতারাতি। যেটুকু বাকি তা সফল হবে দেশের এই আগুয়ান রাজ্যটিকে নিজেদের মুঠোয় নিতে পারলেই। তাই তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন ন্যারেটিভ। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বহর দেখে একেবারে আকাট মানুষও মুচকি হেসে ফেলছেন, তারা তাদের অভিজ্ঞতায় বোঝেন এগুলো হওয়ার নয়।

     

    কিন্তু সেইসব হাসি বা ফচকেমি তো তাদের সহ্য হওয়ার কথা নয়। প্রবল প্রতাপশালী অন্যায় পঙ্গপালের মতো ঢেকে ফেলতে চায় আমাদের আকাশ। সমস্ত দৃষ্টিকে আচ্ছন্ন করে উঠতে না পারলে তাদের সাফল্য অধরা থেকে যাওয়ার শঙ্কা। গণতান্ত্রিক উপায়ে মানুষকে নিজের ক্ষমতার আস্বাদ দেওয়ানোর কোনো প্রতিশ্রুতি এখানে নেই। যা আছে তা প্রকান্ড মিথ্যাচার, মানুষকে সন্ত্রস্ত করার প্রায় সব আয়োজন, কদর্য হিংসার প্ররোচনা, বিভাজনের নগ্ন আহ্বান। না, নির্বাচনী আইন নেই, সেই আইনের রক্ষক নির্বাচন কমিশন নেই, নেই দেশের সংবিধান, নেই প্রশাসন। এরা সকলেই এক অন্যায়ের কোলে মাথা রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়েছে এখন।

     

    এই সেই অমাবস্যার নিশীথ। যেখানে জেগে থাকে কালপেঁচা আর রাষ্ট্রীয় রাইফেল । তাদের পালে সুবাতাস লাগে। বহুকাল উপোসী থাকার পর চনমন করে ওঠে তাদের খিদে। চমৎকার, ধরা যাক দুএকটা ইঁদুর এবার! গোখরো না কোবরা সেই বিচার অবান্তর কারণ দুজনেই এখন একদলে গলাগলি । আপাতত সেই কালকেউটের ছোবলে চারজন ---- ‘চিত হয়ে শুয়ে আছে টেবিলের পরে’।

    এত কথা ইনিয়ে বিনিয়ে না বললেও হত। আমরা তো জানিই যে কোনো হত্যার পেছনে একটা বা একাধিক আখ্যান থাকে। গ্রামবাসী কখনো আক্রমণ করে অ্যাসল্ট রাইফেল ঝোলানো নিরীহ জওয়ানকে, কখনো তারা ছিনিয়ে নিতে চায় সেই অজানা অস্ত্র, কখনো তারা জোট বাধে আইন ভাঙার জন্য। আর তখনই তো আইন রক্ষার জন্য নিবেদিত বাহিনী সর্বাধিনায়ক উঁচিয়ে ধরে তার আয়ুধ। আইন তাকে বলে বন্দুকের নল নীচের দিকে অবনত রাখতে। কিন্তু ওই আইনরক্ষার পরম ভক্তিময় দায়িত্বে সে উঁচু করে ধরে তার অস্ত্রমুখ। সে তার প্রভুর কাছে অনুমতি চায়, আর প্রভুরা তো সব সময় ওপরের দিকেই থাকে, তাই না ? তাই অনুমতিপ্রাপ্ত বুলেট এসে বাসা বাঁধে ‘সশস্ত্র’ গ্রামবাসীর মগজে। কী অবলীলায় অমুক নম্বর বুথের তমুক নম্বর ভোটার মুহূর্তে লাশ হয়ে যায়। অথচ যে বন্দুক আসলে লুঠ হয়েছিল বলে কাহিনিকার বলেছেন, বুলেট বেরিয়ে আসে সেই বন্দুক থেকেই এবং কী এক আশ্চর্য জাদুতে সেই বুলেটের অভিমুখ ঠিক দুই সমকোণে ঘুরে যায়। ম্যাজিক রিয়ালিজম। আসলে বুলেটের প্রভুর আসল উদ্দেশ্য তো নাগরিকের মগজ, এই সত্য ভুলে গেলে চলবে কী করে?

     

    তাই মগজ ধ্বস্ত হয়। এরপর সেই চেনা আখ্যানের পথ ধরেই এগিয়ে চলে আরো নানা উপ-আখ্যান। যেরকম হয় আর কি। রাজমিস্ত্রির কাজ করা যে চারটি দেহ এতদিন তাঁদের শ্রমে নির্মাণ করেছেন সুরম্য অট্টালিকা বা রাজপথ , তাঁদের ঘিরে নির্মিত হতে থাকে বিচিত্র সব উপন্যাস। কেউ বলেন তারা জিহাদি কেউ বলেন দুষ্কৃতী কেউ বা আরো আরো কিছু। কিন্তু খোঁজ মেলে না এমন একজনেরও যে এইসব দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত। রাষ্ট্রীয় আরক্ষকদের ঘিরে যত আহা উহু শোনা যায়, তার মধ্যে একজনকেও পাওয়া যায় না যিনি টিভি ক্যামেরার সামনে উন্মোচন করতে পারেন তার আঘাত চিহ্ন। তবু কে না জানে ক্যামেরা কি আর সব দেখাতে পারে? রাজার পোশাক (কিংবা টেলিপ্রম্পটার )  অতীব সূক্ষ্ম, সাদা চোখে সব ধরা পড়ে না । তার মানে এই নয় চারটে বজ্জাত জিহাদিকে নিকেশ বা ওদেরই মতো কয়েকটাকে জখম করে সিলেবাস শেষ হয়ে গেল।  

     

    আমরা জানি, সত্য আসলে নির্মিত হয়। তুমি যা রচিবে তাই তো সত্য। তোমার এলেম থাকলে সেই সত্য জমকালো হয়ে উঠতে পারে অথবা তুমি যদি গলা না চড়াতে পারো তাহলে সেই সত্য প্রভাতের চাঁদের মতো নিষ্প্রভ বেরঙিন। ভোট, গণতন্ত্র, ভোটের হার, ইভিএম, ভিভিপ্যাট, পর্যবেক্ষক,  পোস্টাল ব্যাল্‌ট একদিকে, অন্যদিকে এক উদ্যত তর্জনী, তাতে লেগে আছে ক্ষমতার রক্তিম আভা নাকি শুকিয়ে যাওয়া রক্তের দাগ ! সেই রক্তই চাপ চাপ ছড়িয়ে আছে ওই জনপদের মাটিতে, ফসল ক্ষেতের আলে, পায়ে পায়ে ভেঙে যাওয়া ধুলোয়। ‘গুরুবর ট্যাগর’ সেই যে একবার ভুল করে লিখে ফেলেছিলেন জল জমি মাটি থেকে কীভাবে ক্ষমতা শুষে নেয় তার প্রাণসম্পদ* ---- সেই তো আসলে ক্ষমতার স্বধর্ম ।

     

    তাই এই হননকালে দাঁড়িয়ে সেইসব মহাপ্রাণদের প্রতি মাথা নেমে আসে বিনতিতে --- ঠিক, তারা কথা রেখেছেন, যেভাবে ভেবেছেন সেইভাবেই করছেন । একদম চিত্রনাট্য মেনে এগিয়ে চলেছে চিত্রগ্রহণ, তাঁদের ধর্ম থেকে তারা একটুও সরে আসেননি। কেন্দ্রের রাইফেলধারীরা তো নিমিত্তমাত্র। আহা, প্রভুদের বদান্যতায় তারা একটু হাতের সুখ করে নিলেন। কোথাও কোথাও এমনকি তারা অন্য প্রত্যঙ্গের সুখের সন্ধানেও হাত বাড়িয়েছেন বলেও জনশ্রুতি। ছিঃ, ওসব ধরতে নেই---- হাজার হোক ওঁরা এই রাজ্যের অতিথি। নারায়ণসম। ওদের সেবা করা আমাদের গণতান্ত্রিক কর্তব্য, এই সহজ কথাটা জানেন না?

     

    চারটি অপ্রয়োজনীয় শীতল প্রাণ, আপনারা নিশ্চিন্তে ঘুমোন। আপনারা ভোট দেওয়ার মতো একটা দেশবিরোধী কুকর্ম করতে গিয়েছিলেন তাই শাস্তি পেয়েছেন।আপনাদের বিহনে দেশবাসী পরম আশ্বস্ত হয়ে কাল রাত কাটিয়েছেন। মাননীয় নির্বাচন কমিশনকে গৈরিক অভিনন্দন তারা ওই সন্ত্রস্ত জনপদে সমস্ত রাজনৈতিক প্রভুদের যাতায়াত বন্ধ করেছেন। জেনে বা না জেনে তারা একটা মস্ত উপকার করলেন। আমরা জানি, চারটি লাশ শুয়ে আছে ওই শীতল মাটিতে আপাতত যা তপ্ত। হয়তো বা আরো কয়েকজন জখম এসে সংখ্যা বাড়িয়ে দেবে মৃতের। ওটা মৃতের দেশ। ওখানে আকাশের ওপর গৃধিনীদেরর আনাগোনা হবে, হবেই।আপনারাও ঢের জানেন, রাষ্ট্রীয় জওয়ান দিয়ে ওদের আটকানো যায় না। নেতাদের হেলিকপ্টারের সাথে ওই আদিম পক্ষীদের ওড়াউড়ি মিলেমিশে গেলে কী সমস্যাই না হতো ! তাছাড়া হেলিকপ্টারের জানলা দিয়ে নীচের মৃত্যু উপত্যকায় তাকিয়ে কেউ যদি বলে ফেলতেন : আহ কী সুন্দর !

    যদি সেই অডিও ক্লিপ ফাঁস হয়ে যেত !         


    * এখানে রবীন্দ্রনাথের  "রবারি অফ সয়েল" বক্তৃতার প্রসঙ্গ বলা হয়েছে।  আর হেলিকপ্টারের জানলা থেকে বলা কথা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি কবিতা থেকে গৃহীত।

  • বিভাগ : ব্লগ | ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৪১৯ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Anindita Roy Saha | ১২ এপ্রিল ২০২১ ১৮:৪০104705
  • লেখকের নাম কী? পি বাগচী না সংযুক্তা মিত্র?

  • Abhyu | 47.39.151.164 | ১২ এপ্রিল ২০২১ ১৯:৩৩104706
  • আব্বাস সিদ্দিকির টইতেও এই ব্যাপারটা হয়েছিল। কোনো উত্তর পাওয়া যায় নি।

    • | ০৯ মার্চ ২০২১ ০০:০৮103294
    • ইসে আমার একটা অন্য প্রশ্ন আছে। এই ব্লগটা আসলে কার লেখা? ব্লগারের নাম পি বাগচি এদিকে ভেতরে সংযুক্তা মিত্র। সংযুক্তার ব্লগ শেয়ার করে থাকলে সেটা স্পষ্ট উল্লেখ করা দরকার।

    লেখাটি জরুরী, সময়োপযোগী।

  • বতেলা | 47.11.66.218 | ১৩ এপ্রিল ২০২১ ১৫:২৬104731
  • পোঁদে নেই দম


    বাতেলা কর কম !!


    মোদীকে গালি দিতে হলে 


    চাপিস কেন রবির কোলে ?


    গালির মতো সহজ কাজ যে না পারে


    গুরুচন্ডালি র পাতায় ভাঁটিয়ে মরে !!!

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন