• বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক

  • ফাদার অফ পাবলিক হেলথ-৫

    ঐন্দ্রিল ভৌমিক লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ১১ আগস্ট ২০১৯ | ১৮৭ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • মালুমঘাটের এলেমদার

    ১৯৬৯ সালের জুলাই মাস। জায়গাটার নাম মালুমঘাট। পার্বত্য চট্টগ্রামের বার্মা বর্ডারের কাছাকাছি দুর্গম অঞ্চল। খ্রিষ্টান মিশন হাসপাতালের একটি ঘরে মুখোমুখি বসে আছেন দুইজন ডাক্তারবাবু। ডাঃ রফিকুল ইসলাম ও আমেরিকান চিকিৎসক নলিন (David Nalin)। দলের আরেকজন সদস্য ক্যাশ (Richard Cash) কাছের একটি গ্রামে ভিজিটে গেছেন।

    প্রায় দেড় বছর একসাথে কাজ করতে করতে কখন যে এই তিনজন তরুণ চিকিৎসক পরস্পরের হৃদয়ের কাছাকাছি চলে এসেছেন নিজেরাই বুঝতে পারেননি। কিন্তু আজই তাঁদের একসাথে থাকার শেষদিন। কাল সকালেই নলিন আর ক্যাশ ফিরে যাবেন ঢাকার Pakistan-SEATO Cholera Research Laboratory হাসপাতালে। আর ডাঃ রফিকুল ইসলাম থেকে যাবেন এই পাণ্ডব বর্জিত গ্রামে।

    নলিন প্রথম মুখ খুললেন, ‘তোমার জন্য খারাপ লাগছে ডাক্তার।’

    রফিকুল হাসলেন, ‘কেন?’

    নলিন বললেন, ‘কলেরায় ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপি নিয়ে যত কাজ হয়েছে, প্রায় সবই আমার জানা। বলতে বাধা নেই, বিদেশীরা লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যায় করে, আধুনিক গবেষণাগারে কাজ করে যে সাফল্য পেয়েছে, তুমি বন জঙ্গলের মধ্যে বসে একটা পোড়ো হাসপাতালে নিজের তৈরি গবেষণাগারে সে সব সাফল্যকে ছাড়িয়ে গেছ। সবচেয়ে বড় কথা সেই সাফল্যকে তুমি বাস্তবে প্রয়োগ করে হাজার হাজার মানুষের জীবন বাঁচিয়েছ। কিন্তু তোমার কাজের স্বীকৃতি তুমি পেলে না।’

    ‘কে বলেছে আমি স্বীকৃতি পাই নি। ওই বেঁচে থাকা প্রাণগুলিই আমার কাজের স্বীকৃতি।’

    ‘তবু তোমার চোখের দিকে তাকালেই ভীষণ অপরাধ বোধ হচ্ছে।’

    ‘অকারণে নিজেকে অপরাধী ভেবো না নলিন। অনাহারে, শাসকদের অত্যাচারে আর রোগব্যাধিতে জর্জরিত পূর্ব পাকিস্তান আমার জন্মভূমি। এই দেশকে সামান্য আলোর দিশা দেখানোর সৌভাগ্যটুকু অর্জন করেছি এটাই আমার কাছে অনেক।’

    ‘সত্যি করে বলতো রফিকুল, তোমার ‘ইসলাম প্রটোকল’ যে ছোট্ট ভুলটার জন্য মান্যতা পেলনা, সেই ছোট্ট ভুলটা তুমি ইচ্ছে করেই করেছিলে কিনা?’

    ‘ভুল কেউ ইচ্ছে করে করে! ওআরএস আবিষ্কারের কৃতিত্বের ভাগ কেউ ইচ্ছে করে ছাড়তে চায়!’

    ‘আমিও সেটা তোমায় দেখার আগে বিশ্বাস করতাম না। কিন্তু তোমাদের বাঙালীদের পক্ষে সবই সম্ভব। মাতৃভাষার জন্য যারা প্রাণ দিতে পারে তাঁরা খুব সহজেই দেশের মানুষের প্রাণ বাঁচানোর জন্য নিজের গৌরবকে তুচ্ছ করতে পারে।’

    ডাঃ রফিকুল ইসলাম শুধু হাসলেন।

    নলিন উত্তেজিত ভাবে বললেন, ‘নাহলে দেখ, তোমার ওআরএস এর ফর্মুলা এখনও পর্যন্ত সব ফর্মুলার মধ্যে নিঃসন্দেহে উৎকৃষ্টতম। এবং ফিল্ড ট্রায়ালেও তাঁর প্রমাণ মিলেছে। পাহাড়ি দুর্গম জঙ্গলে ঘেরা গ্রাম গুলিতে, যেখানে কোনও হাসপাতাল নেই আগে কলেরায় গ্রামের পর গ্রাম উজাড় হয়ে যেত। তোমার ওআরএস ব্যবহারের পরে সেখানে কলেরায় মর্টালিটি রেট শূন্যে নেমে এসেছে। কিন্ত তারপরেও ছোট্ট একটা ভুলের জন্য তোমার পুরো ফিল্ড ট্রায়ালটাই মান্যতা পেল না।’

    ডাঃ রফিকুল ইসলাম বললেন, ‘এই রকম একটা গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের ইতিহাসে ভুলে ভরা প্রটোকলের কোনও স্থান হবেনা সেটা আগেই জানতাম। তাঁর জন্য আমি আদৌ দুঃখিত নই।’

    নলিন বললেন, ‘ভুলে ভরা নয়। একটাই ভুল এবং সম্ভবত সেটাও ইচ্ছাকৃত ভুল। তবে ‘ইসলাম প্রটোকলের’ বদলে এটা ‘নলিন প্রটোকল’ হলে হয়ত এথিকাল কমিটি ট্রায়ালটা বাতিল করত না। নিজে আমেরিকান হলেও বলতে লজ্জা নেই পশ্চিমি বিজ্ঞানীরা এত সহজে বাঙালীদের কৃতিত্বের ভাগীদার হতে দেবে না। কলকাতার ডাক্তার শম্ভুনাথ দে’র কথা ভাবো। কলেরার অধিবিষ নিয়ে ওনার কাজকর্ম রবার্ট কখের কলেরার জীবাণু আবিষ্কারের চেয়ে কম নয়। অথচ বাংলা কাগজগুলো পর্যন্ত ওই মহান আবিষ্কারের পরেও ওনাকে নিয়ে কোনও খবর করেনি।’

    ডাঃ ইসলাম বললেন, ‘সাহেব, উপনিষদে রয়েছে “আত্মনং বিদ্ধি”। নিজেকে জানো। রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন ক্ষ্যাপা খুঁজে ফেরে পরশ পাথর। আমরা রবীন্দ্রনাথের দেশের লোক। সারাজীবন নিজেকে অন্বেষণেই শেষ হয়ে যাবে। বহির্বিশ্বের কাছে আমার কাজ টুকুই পরিচিতি পাক, আমি না’হয় অপরিচিতই থাকব।’

    নলিন বললেন, ‘নিখুঁত ‘ইসলাম প্রটোকলে’ একটাই ভুল। সব কলেরার রোগীকে প্রতি ঘণ্টায় এক লিটার করে ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশান খাওয়াতে হবে। রোগীর রোগের সিভিয়ারিটির সাথে ওআরএস এর পরিমাণের কোনও হেরফের হবে না। তাহলে তো কেউ ওভারহাইড্রেট হয়ে যাবে। কেউ আবার ডিহাইড্রেটেড থাকবে। এই বিষয়টা নিয়ে তুমি ভাবনা চিন্তা করনি?’

    ডাঃ রফিকুল বললেন, ‘করেছি। আমার এই প্রটোকল সম্পূর্ণ অদক্ষ স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়ে। এবং জায়গাটাও অত্যন্ত দুর্গম। তাদের রোগের সিভিয়ারিটি নির্ণয়, ওআরএস এর ডোজ এইসব শিক্ষা দিতে গেলে বড় দেরী হয়ে যেত। কলেরার সিজিন চলে এসেছিল। আমি হাতে অমৃত পেয়েছি। সেই অমৃত নিয়ে চুপচাপ বসে দেশবাসীর মৃত্যুর মিছিল দেখতে পারি?’

    নলিন উঠে দাঁড়িয়ে রফিকুলকে নিজের বুকে জড়িয়ে ধরলেন। ক্যাশ সাহেব ঘরে ঢুকে বললেন, ‘শেষ বারের মত গ্রাম ঘুরে এলাম। রোগীরা সবাই ভালো আছে। আজও নো মর্টালিটি। শুধু কালু শেখের ছোটো ছেলেটা এখনও রাইস ওয়াটার পায়খানা করে চলেছে। আর দুটো খবর আছে। একটা ভালো আর একটা খারাপ। কোনটা আগে বলব?’

    ‘খারাপটাই বল।’

    ‘শেখ সানারুলের বাড়িতে কাল রাতে নতুন করে ওলা বিবি ঢুকেছে। আমি প্রভাসকে ওর বাড়ি পাঠিয়েছি ওআরএস সহ।’

    নলিন বলল, ‘শুনেছিলাম মুসলিমরা পৌত্তলিক নয়। এবং পৌত্তলিকতাকে ঘৃণা করে। এখানে এসে অন্য জিনিস দেখলাম। দেখলাম রীতিমতো মুর্তি গড়ে ওলাবিবির উপাসনা হচ্ছে। ওলাবিবি একা নন, সঙ্গে আছে আরও ছয় বিবি ঝোলাবিবি, আজগৈবিবি, চাঁদবিবি, বাহড়বিবি, ঝেটুনেবিবি ও আসানবিবি। তোমারা কি বিবিগান শুনেছো? বিবিগান আখ্যান অনুসারে ওলাবিবি এক কুমারী মুসলমান রাজকন্যার সন্তান। তিনি অলৌকিক উপায়ে অদৃশ্য হয়ে যান এবং পরে দেবী রূপে আবির্ভূত হন। তাঁর আবির্ভাবের কারণ ছিল দাদামশাইয়ের ও রাজ্যের সব মানুষের আরোগ্য দান। তাঁর মাথায় থাকে মস্তকাবরণী, গলায় গলবস্ত্র ও গয়না। পায়ে তিনি নাগরার জুতো পরেন। এক হাতে জাদুদণ্ড ধরে থাকেন। এই দণ্ডের মাধ্যমে তাঁর ভক্তদের রোগ দূর করেন। এই কলেরা আর ওআরএস এর কাজটাজ মিটলে আমি ঠিক করেছি শেষ জীবনে গ্রামে গ্রামে ঘুরে বাংলার লোকসংস্কৃতির চর্চা করব।’

    রফিকুল বললেন, ‘শুধু মুসলিম নয়, হিন্দু প্রধান অঞ্চল ওলাইচণ্ডী দেবীর মন্দিরে ভরে গেছে। মহামারী শুধু মারতেই জানে। মারার সময় ধর্ম দেখেনা। মৃত্যুভয়ে মানুষের ধর্ম টর্ম গুলিয়ে গেছে। হিন্দুরা দরগায় মানত করছে। মুসলিমরা বারের পুজোর সিন্নি খাচ্ছে। মহামারীর এটা অন্তত একটা ভালো দিক।’

    নলিন বললেন, ‘এবার ভালো খবরটা বলে ফেল ক্যাশ।’

    ক্যাশ একটা খবরের কাগজ বের করলেন। বললেন, ‘নিল আর্মস্ট্রং আর অলড্রিনের চাঁদে পৌঁছানোর ছবি সহ খবর বেরিয়েছে। ইংরাজি সংবাদ পত্র জোগাড় করতে পারিনি। বাংলা এনেছি। ডাক্তার, তুমিই পড়ে শোনাও।’

    রফিকুল শিরোনাম পড়লেন। “বিংশ শতাব্দীতে বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় অগ্রগতি। মানুষ পা রাখল চাঁদের বুকে।”

    নলিন বলল, ‘মানতে পারলাম না। আমার মতে বিংশ শতাব্দীর বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় অগ্রগতি নুন, গ্লুকোজ আর জলের এই সাধারণ মিশ্রণ। যা বছরের পর বছর ধরে কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বাঁচাবে। দুঃখের ব্যপার এই আবিষ্কারের জন্য সংবাদ পত্র গুলি একটা অক্ষরও ব্যায় করবে না।’


  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ১১ আগস্ট ২০১৯ | ১৮৭ বার পঠিত
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 237812.68.234512.124 (*) | ১১ আগস্ট ২০১৯ ১১:১৫78926
  • বাঃ
  • Atoz | 890112.162.671223.141 (*) | ১১ আগস্ট ২০১৯ ১১:৪৬78927
  • এই সিরিজের লেখাগুলো প্রতিটা এক একটা রত্ন। খুব ভালো।
    (সেই পাখির ঠোঁটওয়ালা ডাক্তারি পোশাকের ছবি দেখলাম একটা বইতে, গ্যালিলিওর আমলের রোমের অবস্থা নিয়ে বইটা, সেখানে নতুন বিজ্ঞানের নানা ব্যাপারের সঙ্গে প্লেগের কথাও উঠে এসেছে স্বাভাবিকভাবেই। পরে নাকি হঠাৎ করেই থেমে গিয়েছিল মহামারী, জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হয়েছিল)
  • রোদন | 236712.158.121212.198 (*) | ১৫ আগস্ট ২০১৯ ১০:০৭78928
  • সমৃদ্ধ হলাম। অনেক ধন্যবাদ।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন