এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • প্রসঙ্গ মিড ডে মিল

    Rana Alam লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৫ এপ্রিল ২০১৪ | ১১৮১ বার পঠিত
  • ক্লাস সেভেনের সুচরিতা মাঝি। বাবা অন্যত্র থাকেন। হত দরিদ্র সংসার। সেদিন দুপুরে মিড ডে মিলের পর ছুটি চাইলো। আমি ছুটি দেবোনা। সুচরিতা খুব ঠান্ডা মেয়ে। তবে সেদিন অবুঝের মত জেদ ধরলো যে সে যাবেই। আমি রেগে যাচ্ছিলাম। তবে জেদ ধরাতে যেতে দিতে বাধ্য হলাম। আমার স্কুলের এক নন টিচিং স্টাফ, মদন বাবু আমাকে অফিসের জানালা দিয়ে তাকাতে ইশারা করলেন। তাকিয়ে দেখলাম যে সুচরিতা তপ্ত রোদে পিঠে ছেঁড়া বই এর ব্যাগ আর হাতে ভাতের থালাটা নিয়ে কম পক্ষে দুকিলোমিটার দূরে বাড়ির দিকে হাঁটছে। বুঝলাম। মদনবাবু জানালেন যে সুচরিতা মিড ডে মিল খায় নি। বাড়িতে ওর বোনের জন্য নিয়ে যাচ্ছে। খালি পায়ে রোগা টিংটিঙে মেয়েটা দুকিলোমিটার পিচ রাস্তা ঠেঙ্গিয়ে বাড়ি ফিরছে বোনের জন্য ভাত নিয়ে। আমার হাতে কেকের টুকরো ছিল। কামড় দিলাম। এত বিস্বাদ কেক জীবনে খাই নি।

    মিড ডে মিল প্রোগ্রাম যে অনেক ছেলেমেয়েকে স্কুলে নিয়মিত ভাবে টেনে এনেছে, তা অনস্বীকার্য। আমার স্কুলের অনেক ছেলেমেয়ে মিড ডে মিলের সৌজন্যে দুবেলা ভাত খেতে পায়। কিন্তু বর্তমান যা বাজার দর তাতে মাথা পিছু ওই ক্লাস ফাইভে মাথা পিছু ৩ টাকা ৫১ পয়সা, আর, সিক্স থেকে এইট অব্দি মাথা পিছু পাঁচ টাকা বরাদ্দে কতটা সুষম আর পুষ্টিকর খাবার আদৌ খাওয়ানো সম্ভব তা নিয়ে সন্দেহ আছে। সরকার নির্ধারিত যে খাবারের চার্ট আছে, তা ঠিকঠাক মানতে হলে বরাদ্দ আরো বাড়ানো উচিত। তবে যেসব স্কুলে রান্নার বাজারের টাকা সরাসরি স্কুল অ্যাকাউন্টে আসে, তাদের শিক্ষক শিক্ষিকারা নিজেরা দায়িত্ব নেওয়াতে ছেলে মেয়েরা অনেক ভালো খেতে পাচ্ছে। আসলে যে স্বনির্ভর গোষ্ঠীরা বা রাঁধুনীরা রান্নার দায়িত্বে থাকে, তারা অনেক ক্ষেত্রেই নিজের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করে না। সেক্ষেত্রে ডাল হয় জলের মতন। তরকারিতে গুঁড়ো লঙ্কার ঝাল পড়ে, যাতে ছেলে মেয়েরা তরকারি কম খায়, আর খিচুড়ি মুখে তোলা যায় না। এবং আরো একটা সমস্যা আছে। ধরুণ, স্কুল কতৃপক্ষ স্বনির্ভর গোষ্ঠী বা রাঁধুনীদের রান্নার জন্য চাল দিল ২০ কেজি। এরা রান্না করেন খুব বেসি হলে ১৮ কেজি। বাকিটা মেরে দেন। ফলে অনেক সময়ই বাচ্চাদের ভাতে টান পড়ে যায়। আমরা শিক্ষকেরা যেহেতু অধিকাংশই স্থানীয় নই, ফলে এদের একটা পর্যায়ের বেশি বলতে পারি না। এটা আমাদের দোষ।

    তবে, এরাই যে একমাত্র দায়ী তা নয়। অনেক স্কুলের কাছেই মিড ডে মিল একটা বাড়তি বোঝা। যেনতেন প্রকারে তারা সেটা পালন করেন। ছেলেমেয়েরা সাবান দিয়ে হাত ধুচ্ছে কিনা, রান্না ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা এগুলো দেখা কিন্তু স্কুলের দায়িত্ব। এবং আফশোসের ব্যাপার হল, কিছু স্কুল এই দায়িত্ব পালনে অত্যন্ত অনীহা দেখায়।

    মিড ডে মিলের রান্না’র ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ সতর্কতা পালন করতে হয়। যেমন রান্নার জলটা পরিশ্রুত কিনা, সর্ষের তেল কোনো ব্র্যান্ডেড কোম্পানী’র কিনা, যেসব মশলা ব্যবহার হচ্ছে সেগুলোর গুণমান ঠিক আছে কিনা ইত্যাদি। এবং সরকারী অনুমতি অনুসারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং মিড ডে মিলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষককে সে খাবার ‘টেস্ট’ করে দেখতে হবে।

    এক্ষেত্রে একটি ব্যক্তিগত মতামত দিচ্ছি, অনেক স্কুলেই যেদিন ডিম হয়, সেদিন কিছু শিক্ষক পাত পেড়ে খান। এটা আমার কাছে খুব দৃষ্টিকটু ব্যাপার। বাজারে একটা ডিমের দাম সাড়ে চার থেকে পাঁচ টাকা, এবং তা সরকার তা শিক্ষকদের খাওয়ার জন্য দেয় না।

    মিড ডে মিল নিয়ে একটা প্রকাশ্য দুর্নীতি আছে। এবার সেটাই বলব। মিড ডে মিলের মাথা পিছু চালের বরাদ্দ হল ক্লাস ফাইভের জন্য ১০০ গ্রাম আর ক্লাস সিক্স থেকে এইট অব্দি ১৫০ গ্রাম। চালের যোগান দেয় স্থানীয় বিডিও অফিস। প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে চাল থাকে। আমি নিজে মেপে দেখেছি অধিকাংশ ক্ষেত্রে গড়ে প্রতি বস্তায় দেড় কেজি থেকে পাঁচকেজি অব্দি চাল কম থাকে। আমি স্কুলের দায়িত্ব নেওয়ার পরেই এটা নিয়ে অভিযোগ করেছিলাম মিড ডে মিল আধিকারিকের কাছে। আমার সাব ডিভিশনে যিনি দায়িত্বে আছেন, তিনি বেশ দক্ষ এবং রিটায়ারমেন্টের পর কন্ট্রাক্টে আছেন। আমাকে একদিন ডেকে তিনি স্পষ্ট করে বললেন যে মিড ডে মিলের চাল যে চুরি যায় এটা উপর থেকে নীচ অব্দি সবাই জানে। এবং আমার নিরাপত্তার জন্যই এসব ব্যাপারে মাথা না ঘামানোই ভালো। আমি তো ভীতু লোক। তাই খাতা কলমে হিসেব মিলিয়ে যাচ্ছি আপাতত। কিভাবে চুরি হয় সেটা বলি। লোহার সরু শিক দিয়ে বস্তায় খোঁচানো হয়। তাতে পাটের বস্তা ফাটেনা, কিন্তু কিছু চাল বেরিয়ে আসে। এভাবে গোডাউন থেকে শুরু করে মিড ডে মিলের চালের যিনি এজেন্ট আছে, তার হাত অব্দি কয়েকবার চাল বের করে তবে স্কুলের কাছে চাল পৌঁছায়।

    একটা সাব ডিভিশনে মোট কটা স্কুল থাকে আর তাদের মোট কত কুইন্টাল চাল লাগে, তা আন্দাজ করে নিন। তাহলেই বুঝবেন যে কি পরিমাণ চাল চুরি করা হচ্ছে। এবং এটা প্রশাসনের শীর্ষস্তরের কর্তারা জানেন না, এটা হতে পারে না।

    ক্লাস ফাইভে গড়ে ১০০ গ্রাম চাল বরাদ্দ থাকলেও সাধারণত ছেলে মেয়েরা এর থেকে বেশি খায়। তখন আমাদের ‘ম্যানেজ’ করতে হয়। ধরুণ, ক্লাস ফাইভে খাবে ১০০ জন। আমরা চাল দিই ১২০ জনের। খাতা কলমে হিসেব টা ঠিক রাখতে হয়। যেদিন ডিম হয়, সেদিন স্বাভাবিক ভাবেই ভাতের চাহিদা বাড়ে।

    প্রত্যেকটা স্কুলে মিড ডে মিলের জন্য নির্দিষ্ট পরিকাঠামো থাকা দরকার। বাচ্চাদের বড় খাওয়ার ঘর থাকা উচিত, যেটা কিছু স্কুলে থাকলেও অনেক স্কুলেই নেই। বাচ্চারা খাওয়ার আগে এবং পরে সাবান দিয়ে হাত ধুচ্ছে কিনা তা খেয়াল রাখা উচিত। পানীয় জলের সোর্স টা যেন আর্সেনিক মুক্ত হয়। একটা হ্যান্ড পাম্প বসিয়ে দিলেই কাজ শেষ হয়ে যায় না।

    এবং সব থেকে বড় কথা, মিড ডে মিলে মাথা পিছু বরাদ্দ বাড়ানো উচিত।

    শেষে, এটা অনেকেরই অভিযোগ থাকে যে বর্তমানে স্কুলের যে ব্যস্ত শিডিউল থাকে, তাতে মিড ডে মিল প্রোগ্রাম ঠিকঠাক চালানো খুব কষ্টকর। একদম ঠিক কথা। যে স্কুলে চার হাজার ছাত্র ছাত্রী, তাদের তো অসুবিধে হবেই। সরকারের উচিত মিড ডে মিলের পরিকাঠামো আরও সংস্কার করা। তবে মিড ডে মিলের প্রয়োজনীয়তা মাথায় রেখেই বলছি, আমরা, শিক্ষকরা যদি সংবেদনশীল হই এবং ছাত্রছাত্রীদের কথা মাথায় রাখি, তাহলে মিড ডে মিল প্রোগ্রাম চালানো খুব জরুরী, এটা মনে রাখতে হবে।

    অনেক বকে ফেললাম। কিছু ভুল বলে থাকলে ধরিয়ে দেবেন।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ১৫ এপ্রিল ২০১৪ | ১১৮১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • SK | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০৫:৩১72636
  • রাণা, আপনি প্রত্যন্ত এলাকার স্কুলের সমস্যা গুলোকে সবার সামনে তুলে আনছেন, আশা করব এই awareness সমস্যার সমাধানে কাজে লাগবে।
  • ajoy | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০৬:০৯72640
  • দ এবং রানা -দুজনের লেখার পরিপ্রেক্ষিতে না লিখে পারলাম না।

    আমার দিদি সম্প্রতি এসএসসি থেকে চাকরি পেয়েছে একটি সদ্য হওয়া জুনিয়র হাই স্কুলে। স্কুলটি ৩বছর হল হয়েছে। স্কুলের দুটি ঘর, একটি বড় ঘর, যেটিটে মিডডে মিল তৈরী হয় এবং খাওয়ানো হয়, আরেকটি ছোট্ট ঘর যেখানে ক্লাস ৫ থেকে ৮ অব্দি ক্লাস হয়। অবাক হবেন না। সবার পড়ানোর জন্য একটিই ঘর। স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকা ৩জন। আমার দিদি বাংলার, আরেকজন দিদিমণি ইতিহাসের এবং একজন শিক্ষম বিজ্ঞানের। সিনিয়রিটির হিসাবে ঐ শিক্ষক যিনি, তিনি হলেন স্কুলের পি.আই। উনাকে সপ্তাহে একবার স্কুলের হিসেব দিয়ে আসতে হয় বসিরহাটে (নর্থ ২৪ পরগণার একটি হেড-অফিসে), প্রসঙ্গত স্কুলটি সন্দেশখালিতে। দূরত্বটা আন্দাজ করে নিন।

    দিদি যখন চাকরি পেল, তখন দিদির স্কুল নিয়ে যতটা উৎসাহ ছিল, এখন দিনদিন কমছে এবং বলছেও যে বাচ্ছাগুলো পড়তে চায় (খুব কম অনুপাতে হলেও), কিন্তু এত সমস্যার কারণে তাদের পড়াতেই পারেনা।

    এই রকম ইন্ফ্রাস্ট্রাকচার নিয়ে ক্লাস এইট অব্দি গাদা গুচ্ছের স্কুল খুলে কার লাভ?
  • Rana Alam | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ০৬:৩২72641
  • বেশিরভাগ নিউ সেট আপ স্কুলের হাল খুব খারাপ।আমার স্কুলের তাও নিজের জমি ছিল,তাই তাতে কিছুটা হলেও পরিকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে।অনেক স্কুলের নিজস্ব জমিই নেই।তাদের ভবিষ্যত কি তা কেউ জানে না।সরকারের উচিত এটা নিয়ে ভাবা।
  • Tim | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ১০:৫৭72637
  • খুব জরুরি এই প্রতিবেদন। লেখককে ধন্যবাদ।
  • | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ১২:২৪72638
  • সত্যি খুব জরুরে লেখা।
    সম্প্রতি পুরুলিয়া জেলার এক প্রাথমিক স্কুলের প্রধানা শিক্ষিকার সাথে কথা হচ্ছিল। তিনি বলছিলেন যে সব স্কুলে শিক্ষক সংখ্যা অত্যন্ত কম সেখানে মিড ডে মিল প্রকল্প চালানো খুব সমস্যার হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এক তো চুরি যেটা রানা উল্লেখ করেছেন, জানলেও বলা যাবে না। দ্বিতীয়ত নতুন নিয়ম আসতে চলেছে যেখানে প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষিকাকে পরিতিদিন স্কুলের পর কোন একটা অফিসে গিয়ে দিনের হিসেব দিনেই বুঝিয়ে আসতে হবে। ওঁর ক্ষেত্রে এই অফিসটি বহুদূর, এরকম আরো অনেক স্কুলের ক্ষেত্রেই তাই। সেক্ষেত্রে সেই অফিস বন্ধ হওয়ার আগে পৌঁছান মানে নিজের স্কুলে থেকে অনেকটা আগে বেরিয়ে যেতে হবে। তাহলে যেখানে এমনিতেই শিক্ষিকার সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় কম, সেখানে এই ব্যবস্থায় পঠনপাঠনের হাল কী দাঁড়াবে?
  • | ২৬ এপ্রিল ২০১৪ ১২:২৬72639
  • জরুরি
    প্রতিদিন
  • এনামুল হক | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০২:৪১72642
  • এর অন্যতম খারাপ দিকটি -সরকারি প্রাইমারিতে ছাত্রছাত্রী কমে যাচ্ছে এবং প্রাইভেটে বাড়ছে !☹
  • de | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৯:২০72643
  • সদিচ্ছা থাকলে যে মিড ডে মিল নিয়ে ভালো কাজ করা যায় - তামিলনাডু কেরালা সহ সাউথের বেশ কয়েকটা রাজ্য কিন্তু সেটা করে দেখিয়েওছে। এতো করাপশন বেশী না থাকলে আরো ভালো কাজ হোতো। ছোট বাচ্চাগুলোর খাবার নিয়ে এই চুরি-চামারি - কোন সমাজে বাস করি, ভাবতেও ভয় করে!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন