• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • একটি প্রদূষণবিরোধী প্রস্তাব ও ঠাকুরের ইচ্ছে

    শিবাংশু লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৮ মে ২০১৫ | ২৭৯ বার পঠিত
  • বিদেশে বিভিন্ন শিল্পমাধ্যমের রস গ্রহণ করার উপায় বাতলাবার জন্য বকায়দা অ্যাপ্রেসিয়েশন কোর্স পড়ানো হয় শুনেছি। এদেশে চলচ্চিত্রের জন্য সেরকম কিছু সীমাবদ্ধ ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু বাকি অন্য মাধ্যমগুলি, যেমন চিত্রকলা, সঙ্গীত, কাব্যসাহিত্য, ভাস্কর্য ইত্যাদি, সাধারণ গ্রহীতা ঠিক কীভাবে উপভোগ করবে, তার কোন স্বীকৃত ও সুলভ দিকনির্দেশ পাওয়া যায়না। এর মূল কারণ মনে হয় আমাদের দেশে সব শিল্পের পাঠই গুরুমুখী, তাই এই অন্তর্মুখী প্রবণতাটি অতি প্রবল। অতএব যেসব রসিক ব্যক্তির মনোজগতে রস উপভোগের বাসনা প্রবল, কিন্তু তাঁদের কাছে শিল্পের ব্যাকরণ, পদ্ধতি বা মূর্ত-বিমূর্ত তাৎপর্যের বিষয়গুলি স্পষ্ট নয়, তাঁদের জন্য ভারি মুশকিল। উপরন্তু কুলীন-ইতর সব বাঙালিরই একটা সাধ থাকে, তাদের 'কালচারাল সাইড'টা যেন নিতান্ত দুর্বল হয়ে থেকে না যায়। যে দায়'টা একজন সাধারণ পঞ্জাব, বিহার বা গুজরাটবাসীর একেবারে নেই। সারাদেশে লক্ষ্য করেছি দেশের অন্যান্য প্রান্তের কলারসিক ব্যক্তিদের একটা সাধারণ ধারণা থাকে জন্মগত বাঙালি মানেই তার পেটে কিছু 'শিল্পকলা' থাকবে। ধারণাটা বিড়ম্বনাকর, কিন্তু এ জাতীয় প্রোটোটাইপটি ভাঙতে উৎসুক লোকজন নেহাৎই কম। অতএব ট্র্যাডিশনটি চলেছে।
    -------------------------------
    আমাদের দেশে অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রে শিল্প উপভোগের দিশানির্দেশটি মূলতঃ পারিবারিক সূত্রে আসে। কিছু মানুষ অনেক লড়াই করে একটা দাঁড়াবার জায়গা করতে পারেন। তাঁদের মধ্যে থেকে একজন ভীমসেন বা ফিদা হুসেন বেরিয়ে আসেন হাজার বছরে একবার। আমাদের প্রজন্মে দেখতুম শিল্পকলার সূক্ষ্মতর দিকগুলি নিয়ে যে সব ছেলেমেয়েরা চর্চা করে, যদি তারা পারিবারিকসূত্রে সুবিধাভোগী হয় তবে বন্ধুবান্ধবদের কাছে কিছু ছাড় পায়। কারণ তারা জন্মসূত্রে কিছু রোগ নিয়ে এসেছে, অতএব সামান্য হলেও হ্যান্ডিক্যাপড কোটার সুযোগ তাদের পাওয়া উচিত। এই সুবিধেটি ব্যক্তিগতভাবে আমি উপভোগ করলেও অন্য অনেক বন্ধুদের দেখেছি, যারা কবিতা বা শাস্ত্রীয়সঙ্গীত লিখতে-শিখতে-বুঝতে চাইছে, সাধারণ জনতার থেকে বেশ হ্যাটা লাভ করে। তারা কেউই কোনওদিন শঙ্খ ঘোষ বা রাশিদ খান পর্যায়ে যাবার স্বপ্ন দেখেনি। হয়তো একজন পথচলতি পাঠক বা শ্রোতার থেকে কিছু অধিক মাত্রায় সমঝদার হয়েই থেকে যাবে, কিন্তু ভিতরে একটা জেনুইন খিদে রয়েছে। তাদের বোধ বা ইতিবাচক প্রবণতাগুলিকে কোল দেবার জন্য আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় কোনও জায়গা রাখা হয়নি। ক্যালকুলাস শেখাবার জন্য ঘরে-বাইরে সহস্র সুযোগ, কিন্তু কবিতা শেখার জন্য ব্যঙ্গাত্মক কটাক্ষ ছাড়া বিশেষ কিছু লাভ হয়না। ফলতঃ তারা দু'চার জন সমমনস্ক মিলে একটা আড্ডা বানায়। তারপর একটা লিটল ম্যাগ। তারপর কিঞ্চিৎ ইগোর লড়াই। শেষে বিয়েথাওয়া করে নির্দিষ্ট আরোগ্যের পথে এগিয়ে যায়। চল্লিশ বছর বয়স পেরিয়ে যাবার পর নিবেদিতভাবে কলাচর্চা করছে, অপেশাদারি ক্ষেত্রে এরকম উদাহরণ পাওয়া যায়না বললেই চলে। কখনও দুর্গাপূজার স্মারকপত্রে একটা ছড়া অথবা ঘনিষ্ট বন্ধু পরিমন্ডলের আড্ডায় অপ্রস্তুত কণ্ঠে একটি রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়ে ফেলার ধৃষ্টতা, এ ছাড়া তাদের 'কালচারাল সাইড'টি আর কোনও শুশ্রূষা পায়না।
    হ্যাঁ, রবীন্দ্রসঙ্গীত ..... এ ছাড়া দিনের শেষে সংখ্যাগুরু বাঙালির আর কোনও 'কালচারাল সাইড' বাঁচেনা।
    ----------------------------------
    জ্ঞান হবার আগে থেকে এই নামটি, অর্থাৎ 'রবীন্দ্রনাথ' আমাদের কানে এসেছে। বস্তুত আমার পিতৃদেবের নামের থেকে অনেক বেশিবার কানে বেজেছে। আমার সাত-আট বছর বয়স থেকে এই নামটি একটি নৈসর্গিক দৈনন্দিন অভ্যেসে পরিণত। এর সঙ্গে সঙ্গে বারম্বার শুনতে শুনতে ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ে কিছু রবীন্দ্রমাত্রাও নিঃশব্দে প্রবেশ করেছিলো যেটা জীবনে'র দৈনন্দিন সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ার অংশ হয়ে গেছে অজান্তে। এই 'রবীন্দ্রমাত্রা' ব্যাপারটি কীরকম? উদাহরণ দিই, ছোটোবেলা থেকে সংসারে তেলনুনলকড়ি'র থেকে কিঞ্চিৎ অধিক যে কোনও ব্যাপারেই বাবা বা মা পরস্পরকে প্রশ্ন করতেন, " আচ্ছা, যদি রবীন্দ্রনাথ এই সমস্যাটিতে পড়তেন, তবে তাঁর সিদ্ধান্তটি কেমন হতো?' নিজেদের বিদ্যাবুদ্ধি দিয়ে তাঁরা একটা 'রবীন্দ্রমাফিক' উপায় বার করেই নিতেন। আপাতভাবে দেখতে গেলে এ যেন মনুস্মৃতি বা হাদিসশরিফ থেকে নির্দেশ খোঁজা। কিন্তু যে মোহনায় এসে ঐ সব বইয়ের এলাকা শেষ হয়ে যায়, সেইখানে রবীন্দ্রনাথ এসে হাত ধরতেন তাঁদের। গোটা প্রক্রিয়াটি এতো'ই স্বতঃসিদ্ধ ছিলো যা আমরা ভাইবোনেরাও সেভাবেই ভাবতে শিখেছি। কিন্তু আমাদের প্রজন্মে জীবনের সর্বক্ষেত্রে এই কৌশলটি আর প্রয়োগ করা যায়নি। 'তোল-মোল কি জুগাড়' না লাগালে অঙ্কগুলি মেলানো যেতোনা। কিন্তু ভিতরে ভিতরে অহরহ একটা তাড়না তো কাজ করতেই থাকে। আমাদের মতো সামান্য, পোকামাকড়ের মতো মানুষদের কোনও লিজেন্ডারি বিবেক হয়না। শুধু নুন ও পান্তা'র সন্তুলন সামলাতে সামলাতে জীবন পগার পার। তবু ভিতর থেকে মাঝে মাঝেই কেউ যেন সতর্ক করে, হেই সামালো। সে কী রবীন্দ্রনাথ?
    সিম্পলি, জানিনা।
    -------------------------------------
    বাঙালিদের কাছে এই মূহুর্তে কবি একজন লকেট ঠাকুর। অন্যান্য সব বাবাজীদের মতো গলায় ঝোলানো থাকেন। তাঁকে নিয়ে কেউ ভাবেনা, কেউ তাঁর লেখা পড়েনা, দৈনন্দিন ব্যস্ততায়-অবকাশে তাঁর কোনও স্থান নেই, রবীন্দ্রপর্বে পাজামা-পাঞ্জাবি, খুব বেশি হলে জনসমক্ষে সঞ্চয়িতা খুলে একটা কিছু পড়ে দিয়ে আত্মশুদ্ধি! আর কী চাই? তবে এখন আমি রবীন্দ্রনাথ'কে লইয়া কী করিবো? ছেড়ে দিতে পারি, কিন্তু কেন দেবো? সঙ্গে থাকতে পারি, কিন্তু কী ভাবে? আঁকড়ে ধরতে পারি, কিন্তু সে ধক নেই। এই অবস্থায়, চারদিকের বেতহাশা রবীন্দ্রতাড়িত, ঘোর বিজ্ঞাপিত 'কালচারাল সাইড' বিপণন প্রণালীর মারপ্যাঁচ থেকে যখন উদ্ধার পেতে চাইছি, হাত ধরার কেউ নেই। নিজের খাজা জ্ঞানবুদ্ধি বিষয়ে পুরো ওয়াকিফহাল আমি, নিরুপায় সংকুচিত স্বরে যদি কোনও অতি উৎসাহী রবীন্দ্র-ইনভেস্টরকে বলতে চাই, প্রভো, ইহা সম্ভবত সঠিক রবীন্দ্রভাব নহে; আমার ধোঁয়াশা কিঞ্চিৎ সমাধান করিবেন কি? উত্তর আসবে, তোর কী রে শালা ? রবীন্দ্রনাথ কী তোর বাপের সম্পত্তি? একশোবার, তিনি আমার পৈত্রিক সম্পত্তি নহেন। তবে এজমালি কিছু অধিকার আছে সেমত আশ্বাস পিতৃদেব তো দিয়েছিলেন। কোনও মানে হয়? পিতা হয়ে পুত্র'কে এভাবে ভুলভাল শিখিয়ে যাওয়ার? মিথ্যা আশ্বাসের প্রদূষণ দিয়ে পরবর্তী প্রজন্ম'কে বিপথগামী করার কী অধিকার ছিলো তাঁর? তিনি তো আর নেই, কাকে আর জিগাবো?
    ------------------------------
    যাকগে, আমাদের যা সব্বোনাশ হবার, হয়ে গেছে। তবে এটা ঠিক, আমি আমার পরবর্তী প্রজন্মকে কিছুতেই রবীন্দ্রপ্রদূষিত করবো না।
    জানি, এটাই ঠাকুরের ইচ্ছে।

     

  • বিভাগ : ব্লগ | ২৮ মে ২০১৫ | ২৭৯ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | 192.69.106.132 (*) | ২৮ মে ২০১৫ ০৭:৩৯66328
  • বড় বেদনার মত বেজেছ !!
    হ্যাঁ, আমিও হার মেনেছি।
  • শিবাংশু | 127.194.120.140 (*) | ২৮ মে ২০১৫ ০৮:০১66326
  • এখানেও থাক....
  • অনিকেত পথিক | 24.139.222.45 (*) | ২৮ মে ২০১৫ ১২:১৫66327
  • শিবাংশুদা, শেষ পংক্তিটি পুরো 'কিলিয়ার' হল না...মানে প্রদূষণ বিরোধীতার স্বরূপটি ঠিক কিরূপ ? মানে পরের প্রজন্মকে ঠিক কি ভাবে রক্ষা করিলেন, কি কি করিয়া বা কি কি না করিয়া, একটু বিশদে হউক...
  • Rit | 213.110.246.22 (*) | ২৯ মে ২০১৫ ১১:১২66329
  • তবে দাদু কিন্তু সহজে যাবেন না। কোনও চিন্তা নেই। ঃ)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন