এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • ফিদেল কাস্ত্রো-র দেশে (পর্ব ৩)

    Binary লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ | ১৯৬৫ বার পঠিত
  • ( দ আর কেউ কেউ একজায়গায় চেয়েছিলেন লেখাটা, কিন্তু আজকে কি জানি কেন আমার 'add to first post' অপশনটা পাচ্ছি না, কাল কিন্তু পেয়েছিলাম। ক্ষমাপ্রার্থী। )
    --------------------------------------------------------------------------------------------------------
    জীপসাফারি-র বাকি গল্পটুকু-তে এখন থাক। তার আগে বলি, এই পর্যন্ত পড়ে যারা ভাবছেন, সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসাবে কিউবা স্বর্গরাজ্য, বিশেষতঃ যাঁরা পারিশ্রমিক আর কাজের সুযোগ-এ অথবা উচ্চশিক্ষার উৎকর্ষে , আমেরিকার সুবৃহৎ দক্ষতার বাজারে প্যাম্পার্ড হয়ে আছেন, তাদেরকে চুপি চুপি, কিউবার অর্থকরী মাইনে পত্তরের কথা বলি। কিউবায় চাকুরীজীবি মানুষের মাইনের চারটি স্তর। মিনিমাম ওয়েজ, সেমি স্কিলড, টেকনোক্র্যাট আর ডাক্তার। আগেই বলি, এইসব কথা কিছু শুনেছি হোটেলের এক সর্বঘটে কাঁঠালিকলা ম্যানেজার-এর মুখ থেকে, যিনি সব সময়-ই গল্পগাছা করে সঙ্গে থাকার জন্য উদগ্রীব ছিলেন, আর শুনেছি আমাদের জীপসাফারি-র গাইড এলিন-র কাছে, আর দুটো ভার্সন-এ কোনো তফাৎ নেই। তো, মাইনে হলো, মিনিমাম ওয়েজ মাসে কুড়ি ডলার, সেমি স্কিলড মাসে পঁচিশ, টেকনোক্র্যাট মাসে পঁয়ত্রিশ আর ডাক্তার-রা হলো গিয়ে সর্বোচ্চ পেইড, মাসে চল্লিশ ডলার। আমার প্রথমে ঘুলিয়ে গিয়েছিলো। সংখ্যা গুলো ঘন্টায় নাকি দৈনিক, ভুল করে মাস মাইনে হিসেবে বলছে। এলিন তাতে খিলখিল করে হেসে বললো "ইয়েস স্যার ডক্টর'স গেট ফর্টি ডলার্স এ মান্থ"। অবশ্যম্ভাবী মাথায় আসে, চল্লিশ ডলারে লোকের খরচ চলে কি করে ? এর উত্তরের আগে শুনুন, কিউবা'র শিক্ষা ব্যবস্থার কথা। কিউবা আক্ষরিক অর্থে একশ শতাংশ সাক্ষর। কিউবায় একটা বড় কাজের ক্ষেত্র 'সোশ্যাল ওয়ার্ক'। এই সোশ্যাল ওয়ার্ক ফোর্সের একটা অংশ নিশ্চিত করে, যাতে প্রতিটি বাচ্চা ইস্কুলে যায়। কানাডা বা স্ক্যান্ডেনেভিয়া-তে এইরকম সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা যে আছে সেটা আমার নিজের চোখে দেখা, কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্নধারার রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে একশ শতাংশ সাক্ষর নাগরিক তৈরী করা-র জন্য টুপি খুলতেই হয়। তারপর শুনুন শিক্ষার খরচ। ছয়বছর থেকে, পিএইচডি পর্যন্ত শিক্ষার জন্য কারোকে এক নয়া পয়সায়-ও দিতে হয় না। অথচ, কিউবার উচ্চশিক্ষা-য়, বিশেষত: চিকিৎসাশিক্ষা, উন্নত দেশগুলো যার মধ্যে আমেরিকা-ও পরে, তাদের সমকক্ষ-তো বটেই, অনেক ক্ষেত্রে গুণমান-এ ছাপিয়ে যাওয়া-ও আছে। আমি এরকম-ও শুনেছি, কানাডিয়ান আর আমেরিকানরা চিকিৎসার জন্য কিউবা যান অনেক ক্ষেত্রে। তো সেইসব ডাক্তার-রা যাঁরা কিউবান হাসপাতালে উচ্চ মানের চিকিৎসা দেন, তাঁরা মাস গেলে মেইন পান চল্লিশ ডলার।

    শিক্ষার খরচ তো জানলাম শূন্যথেকে শুরু শূন্যতেই শেষ। তারপর শুনুন অন্যান খরচ। চিকিৎসা-র খরচ ওই একই রকম। সারাজীবনে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোনো খরচ, কিউবান নাগরিকদের করতে হয় না। নট-এ-সিঙ্গিল পেসো। তারপর আসি থাকার খরচ। আগেই বলেছি কিউবাতে কোনো লাক্সারি বাড়িঘরদোর নেই। অনেকটা সেই পিট্ সিগারের গানের মতো, 'লিটিল বক্স'স'। বাড়ির দাম শুনলাম পনেরো থেকে তিরিশ হাজার ডলারের মধ্যে, কিন্তু মাসে যার বা যাদের চল্লিশ ডলার মাইনে তাদের কাছে তিরিশ হাজার ডলার-ও কুবের-এর সমান। কিন্তু তাই বলে কিউবাতে আমেরিকানদের মতো বড়ো রাস্তার মোড়ে মোড়ে হোমলেস নেই। সরকার, নিশ্চিত করে প্রতিটি সুস্থ মানুষ যাতে কাজ পায়। আর প্রতিটি কর্মী সরকার থেকে থাকার জায়গা পায়। সেই জায়গার ভাড়া মাস মাইনেতে যোগ হয়ে-ই বিয়োগ হয়ে যায়। পাঁচবছর চাকরি করার পর চাকুরীজীবি, সেই বাসাবাড়ি নিজের জন্য আবেদন করতে পারে। আর তার-ও পনের বছর পরে সেই বাড়ি চাকুরীজিবী-র নিজের নামে হয়ে যায়, সম্পত্তি হিসেবে। মানে একটি পঁচিশ বছরের ছেলে/মেয়ে চাকরিতে ঢুকলে পয়ঁতাল্লিশ বছরে সে অটোমেটিক লিটিলবক্সের মালিক। আমি এইটুকু সোজা হিসেবে পেয়েছি, এর বেশি জানতে চাইলে বলতে পারবো না।

    এবারে শুনুন খাই খরচ। সরকার থেকে প্রতিটি নাগরিক-এর জন্য বিনি পয়সায় রেশন চালু আছে। কার্ব, ভেজিটেবলস, ডেয়ারি প্রোডাক্টস প্রয়োজন মতো আর প্রোটিন হিসেবে চিকেন। গোটমিট আর পর্ক দামি জিনিষ বলে, খালি বাচ্চারা, বয়স্ক মানুষ আর স্পেশাল নিডস যেমন ক্যান্সারের রুগী, এঁদের জন্য। গরু কোতল করা বা রান্না করা সরকারি অনুমতি ছাড়া নিষিদ্ধ। গরু সংখ্যায় সীমিত, মাংসের জন্য গোপালন হয় না। দুধের জন্য হয় আর চাষের জন্য হয়। এলিন একটা খুব দামি কথা বললো। মাংসের জন্য গবাদি পশু পালন করতে যত পশুখাদ্য লাগবে, তা ফলন করার মতো জমি কিউবাতে নেই। মানুষ আগে না গরু আগে ? বিফ যা কিউবাতে পাওয়া তার সবটাই আমদানি করা, প্রথানত টুরিস্টদের জন্য কিংবা হসপিটালে, রুগীদের দরকার মতো। মজার কথা এই যে সরকারি অনুমতি ছাড়া গরু কোতল করলে কিউবাতেও তিরিশ বছরের জেল। শুনে 'মনে ভাবিলাম মোর-এ ভগবান, রাখিবে না মোহ গর্তে'। কমিউনিস্ট কিউবাতে গরু মারতে তিরিশ বছরের জেল হয় তবে আমাদের হিন্দু ন্যাশনালিস্ট রা কি দোষ করলো ?

    তাহলে ওই চল্লিশ ডলার বিলাসিতার জন্য ? সাধে কি কিউবার সমুদ্রে লাক্সারি ইয়ট নেই ?
    ***
    তাহলে কি বুঝলেন ? 'ইসি লিয়ে তো ভাই রুখিসুখী কো মিলে, দো গজ জমি জিনে মরনে কে লিয়ে' কথাটা সিনেমায় নয়, কিউবাতে বাস্তব। আমার কেন জানি মনে হলো সেই গুপিগাইনের চিন্ময় রায়, গুপ্তচর হিসেবে শুন্ডী ঘুরে এসে, মন্ত্রীমশাই-কে যেমন বলছিলো, "গাছে গাছে ফল আছে, ফুল আছে, শান্তি আছে ", এই আর কি।

    এতদূর পড়ে ভাবছেন দাতাকর্ন রাষ্ট্র ব্যবস্থার উপার্জন কি ? কিউবাতে প্রধানত: অর্থকরী উপার্জন তিন প্রকার। এক, পর্যটন শিল্প। এলিন বললো, এই তোমাদের মতো ফুর্তিবাজ লোক যত কিউবা বেড়াতে আসে তত কিউবার পক্ষে ভালো। দুই, যেটা আগেই বলেছি কিউবান রাম আর কিউবান সিগার। এদুটো-র এখনো-ও বিশ্ব জোড়া চাহিদা। রাম ডিস্টিলারি আর সিগার ফ্যাক্টরি গুলো সব-ই সরকার, কোনো না কোনো ইউরোপিয়ান কোম্পানির সাথে ৫১-৪৯ শতাংশ পার্টনারশিপে চালায়। আর তিন নম্বর, যেটা সেটাই সবচেয়ে ইউনিক আর প্রধান-ও। কিউবা, সমস্ত ল্যাটিন আমেরিকা, আফ্রিকা, পলিনেশিয়া দেশ-এ চিকিৎসক আর চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করে। মাগনা নয় রপ্তানি হিসেবে। প্রতিটি কিউবান চিকিৎসক-কে জীবনে কোনো না কোনো সময় এই রকম কোনো দেশে অন্তত আর সবচেয়ে বেশি তিন বছরের জন্য যেতে হয়। চিকিৎসক-রা অবশ্য অতি আগ্রহ সহকারে-ই যেতে চায়, কারণ ওই তিন বছরে যা ভাতা পায় তা মাসে চল্লিশ ডলারের অন্তত পঞ্চাশ গুণ।

    যাকগে। শুওরের মাংস যে দামি সেতো বললাম। জীপসাফারি যৌথখামার থেকে একটা বনের মধ্যে একটা পাতার ছাউনি দেওয়া রেস্টুরেন্ট-এ নিয়ে এলো। পাতার ছাউনি আর বাঁশের খুঁটি, কিন্তু মেঝেটা মার্বেলের। ছিমছাম রেস্টুরেন্ট, একজন পয়ষট্টি বছর মতো বয়সের মহিলা আমাদের গ্ৰুপের পঁচিশ তিরিশ জনের জন্য টেবিল সাজিয়ে বসে আছেন। ওই যেটা বললাম, এখানে খুব কম লোক-ই ইংরেজি বলতে পারে, কিন্তু সবার মুখে খুব অনাবিল হাসি। মহিলা আর একটা দশ বারো বছরের ছেলে খুব আদর করে সব্বাইকে চেয়ার সরিয়ে সরিয়ে বসতে দিলো। প্রতিটা টেবিল ইস্তিরি করা ধোয়া চাদর দিয়ে পরিপাটি করে সাজানো। ডিশ-কার্টিলারিস সাজিয়ে রাখা। প্রতিটা টেবিলের মাঝে লেটুস আর বাঁধাকপি দিয়ে সাজানো স্যালাড, একটা বড়ো সার্ভিং বাটিতে সেদ্ধ ব্রাউন রাইস, আর একটা পট-এ তেল আর লঙ্কা মেশানো একরকমের ড্রেসিং। টেবিলে বসার পর, সেই মহিলা-র বর-ই মনে হয়, সবাইকে ছোট ছোট করে কাটা করা সেদ্ধ মিষ্টিআলু সার্ভ করে গেল। তারপরে একটা একটু বড়ো চাকাদেওয়া ট্রলিতে করে নিয়ে এল একটা গোটা শুয়োর রোস্ট করা। নিজেদের ইচ্ছে মতো কেটে কেটে সেখানে থেকে আমরা সবাই নিলাম। আমার গিন্নি অবশ্য গোমাংস বা শুওরের মাংস-র ভক্ত নয়। খেতে চায়-ই না বলতে গেলে। তো উনি মোটামুটি ড্রেসিং দিয়ে আলুসেদ্ধ ভাত খেয়ে-ই কাটিয়ে দিলেন। রেস্টুরেন্ট-টা যেখানে সেই বনটা একটা রিসার্ভ এরিয়া টাইপ। সরকারি পরিচালনায় রক্ষণাবেক্ষন করা হয়। ওই বয়স্ক দম্পতি কেয়ারটেকার, আর টুরিস্টদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেন রেস্টুরেন্ট-এ। অল্পবয়সী ছেলেটি ওদের নাতি। দুপুরে যা খাওয়া হলো সেটাই নাকি রুরাল কিউবা'র ভোজবাড়ি। তবে বললো শুওরের চেয়ে ভেড়া বা ছাগল রোস্ট-ই বেশি খাওয়া হয়।

    বনের শেষ মাথায় পরপর আখখেত। আখেররস বের করার জন্য অনেক গুলো বিভিন্ন রকমের পেশাই কল দেখলাম। কিন্তু সব গুলোই ম্যানুয়াল। কোনটা আমাদের আখের রসের গাড়ি যেমন কলকাতায় দেখা যায় ঠিক সেই রকম, কোনটা বড়ো, পুলি সিস্টেম, যদিও সেই ম্যানুয়াল। আমরা হৈচৈ করে কল চালিয়ে আখ থেকে রস বের করলাম। সেই রস আবার লেবু মিশিয়ে ছোট্ট ছোট্ট শট গ্লাসে করে আমাদের খেতে দিলো।

    বিকেলের দিকে পাহাড়ের গায়ে একটা ঝর্ণার ধারে গেলাম। সেখানে ঘোড়ায় চড়ার আর ঝর্ণার জলে সাঁতার কাটার বন্দবস্ত আছে। পাহাড়ের গায়ে গায়ে পায়ে চলা পথ আছে, অন্য একজন গাইড এসে পথ দেখিয়ে পাহাড়ের মাথায় নিয়ে গেল। পায়ে চলা পথটা ঝোপ জঙ্গলে ভর্তি। কিছু কিছু গাছ দেখালো সেই গাইড, তার মধ্যে লজ্জাবতী-টা একদম আমাদের দেশি লতা মালুম হলো। ওপর থেকে ফিরে এসে আমি আর গিন্নি ঘোড়ায় চড়ে জঙ্গলের পথ দিয়ে আধা ঘন্টা ত্বক ঘুরলাম। দশটা ঘোড়ার জন্য তিনজন ড়্যাংলার। তাও বেশ ভয়ে ভয়েই ছিলাম। ঘোড়াগুলো বেশ তাগড়াই, একেতো পিঠে উঠতে গিয়ে-ই হ্যাঁচোড় প্যাঁচোড়, তারপর না জানি কখন দৌড় লাগবে। মানে মানে দুগ্গা বলে তিরিশ মিনিট কাটিয়ে দিলাম। মেয়ে ঝর্ণার জলে সাঁতার কাটতে গেছিলো, ঘোড়ায় চড়েনি। তাতে আবার আমার গিন্নি, ঘোড়ায় বসেই উঁকি মেরে মেরে ঝর্ণার দিকে তাকাচ্ছিলেন, যদি মেয়েকে দেখা যায়। খাওয়ার পরে এইসব করে আরো ঘন্টা তিনেক কাটলো। মন্দ লাগলো না। তবে বলতেই হবে, রাস্তা, পার্কিংলট, পায়ে চলা রাস্তা, রেস্টরুম ইত্যাদি নর্থ আমেরিকার মতো ঝাঁ চকচকে নয়। রেস্টুরেন্ট-এর টয়লেটে ফ্লাশ কাজ করছিলো না বলে, সেই বয়স্ক দম্পতির দশ বছরের নাতি একেকজন টয়লেট থেকে বেরোলে এক বালতি করে জল ঢেলে দিছিলো। তাইনা দেখে আমার গিন্নি আমায় ফিস ফিস করে বললেন, "যদি লিখতেই হয় তাহলে এইরকম চাইল্ড লেবারের উদাহরণ-ও দেবে, সব কিছু ভালো ভালো লিখবে না"।

    একটা জিনিস একদুদিনের মধ্যে-ই খেয়াল করেছি যে, টিপিং এখানে চলে দরাজ হাতে। আমি যেমন ওই দশ বছুরে ছেলেটাকে পাঁচপেসো দিলাম। এলিনকে দশপেসো দিলাম। ঝর্ণায় নিয়ে যাওয়া গাইডকে আরো পাঁচপেসো দিলাম। ড়্যাংলার তিনজনকে তিন পেসো করে দিলাম।

    পরে রিসর্টে ফিরে হিসেবে করলাম, টুরিস্টদের এন্টারটেইন করে যারা, তাদের মাইনে কুড়ি হোক বা পঁচিশ (ধরে নিলাম দলের আর পেসো ওয়ান-ইসটু-ওয়ান কনভার্সন) টিপিং-এ উপরি আয় নিদেন পক্ষে কম নয়।

    (আগামী পর্বে সমাপ্য)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ | ১৯৬৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Binary | ০৮ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:০৫64681
  • .
  • Du | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ০১:১২64682
  • খুশি আর সন্তোষের কথাটা সি এন এনেও না দেখিয়ে পারেনি।
  • স্বাতী রায় | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ০৩:২৯64687
  • আচ্ছা বিনে পয়সায় রেশন যে চালু আছে, তালে খাবারের প্রাচুর্য কেমন? মানে সেই সোভিয়েত ইউনিয়নের মত যে পাউরুটির জন্যে সকাল থেকে উঠে লাইন দিতে হয়? নাকি গেলেই পাওয়া যায়? আর যদি আমার একদিন সহসা কোন শখের খাবার খেতে বা বানাতে ইচ্ছে করে, মালপত্তর চাইলেই কিনতে পাওয়া যায়? নাকি সরকার যেটুকু রেশনে দেয়, সেটুকুই?... লেখাটা দারুণ ইন্টারেস্টিং হচ্ছে।
  • hu | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:০৫64683
  • খুব আগ্রহের সাথে পড়ছি। ভীষন ভালো লাগছে। সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ব্যাপারটা কেমন? বাবা-মার বাড়ি ছেলে-মেয়ে পায়?
  • Binary | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:৩৩64684
  • হু, আমি যতদূর জেনেছি, যেকোনো বাড়ি-র মালিক হওয়া মানে ৭৫ বছরের লিজ, তারপর বাড়ি আবার সরকারের। একই ফ্যামিলি বড় বৌ হলে একটাই বাড়ি পাবে। বাবার বাড়িতে ছেলে থাকলে, ছেলের জন্য সরকার বাড়ি দেবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে গত পাঁচ দশ বছরে অনেককিছুই পরিবর্তন হচ্ছে, আমি যেগুলো বলছি, সেগুলো ইন আইডিয়াল কিউবা।
  • সুমন | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:৫২64688
  • লেখাটি খুব আগ্রহ সহকারে পড়ছি। পরের সংখ্যার জন্য অপেক্ষায় থাকলাম
  • aka | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ০৭:১৮64685
  • একটু কি বায়াস কাজ করছে? লেখা তো য্থারীতি খুব ভালো।
  • de | ০৯ জানুয়ারি ২০১৮ ০৭:৫৫64686
  • খুবই ভালো লাগছে পড়তে - শেষে ছবি দেখাবেন কিন্তু -
  • সিকি | ১০ জানুয়ারি ২০১৮ ০৪:০২64689
  • হ্যাঁ, আর ঐ পিআরের ব্যাপারটা খোঁজ নেওয়া হয় নি, না?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে প্রতিক্রিয়া দিন